Category: রাজনীতি

  • কারও কষ্ট হয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কারও কষ্ট হয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে নানা প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচিত-সমালোচিত ও জনপ্রিয় হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কিছু মন্তব্য ব্যাপকভাবে ভাইরাল হওয়ায় সে সম্পর্কেই নতুন করে внимание বাড়ে।

    বুধবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা আচরণ অনিচ্ছাকৃতভাবে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকে, সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’’ তিনি তার বক্তব্যে জানান যে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অনেক বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আন্তরিক কথোপকথন করেছেন এবং সেসব আলাপের মধ্য থেকেই মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।

    পাটওয়ারী বলেন, সবাই তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি সেই পরামর্শ বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছেন এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    নেতা জানান, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির কাজে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সমর্থকদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই তার পথচলার শক্তি।

    এক প্রশ্নের জবাবে পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে একটি নীরব আত্মিক যাত্রা শুরু করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

    ঘোষণাটি রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কাড়ছে এবং তা দলীয় কর্মকাণ্ড ও স্থিরতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব আলোচনা কালে বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন এবং অতীত রাজনীতির স্মৃতিচারণ করেছেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    তিনি মনে করিয়ে দেন, স্বাধীনতার পর দেশে এক মেধাবী শ্রেণি উঠে আসে যারা পরে জাসদ গঠন করে। ‘‘বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ গেছে, জাতি গেছে, তারা তো আছেই না,’’ বলছিলেন মনিরুল হক। তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার এবং ঘটনাগুলো হজম করার তৌফিক কামনা করেন।

    বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে তিনি বলেন, জামায়াতকে রাজনীতিতে এনে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছে দেওয়ার পেছনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানও আছে—এটা ভোলা ঠিক হবে না। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছেন বলে উল্লেখ করে মনিরুল হক বলেন, অনেক সময় মনে করা হয় গত ১৫-২০ বছর ধরে বিএনপি ছিল না; অথচ তখনও দল কাজ করেছে এবং নেতৃত্বর সিদ্ধান্তগুলোকে স্মরণ করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, জাসদ একসময় আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ মনে করত—এ ধরনের ইতিহাস বিবেচনা করে দেশের অবস্থা কোথায় গিয়েছিল তাও তাৎপর্যপূর্ণ।

    সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলা নিয়ে তিনি কিছুটা অনিশ্চয়তা তুলে ধরেন। ‘‘কখনো মনে হয় কোথায় কথা বলব—আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম; আজকার বিরোধীপক্ষের অনেককেই আমি এখনও চিনি না,’’ মন্তব্য করেন তিনি। তিনি স্মরণ করান, তারেক রহমান কঠিন নির্বাচনের কথা বলেছিল—সেসময় অনেকে বুঝতে না পারলেও পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তা উপলব্ধি হয়েছে।

    মনিরুল হক বলেন, এত বিশাল সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কাদের কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত তা নিয়ে চিন্তা আছে, এবং এক পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীকে আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত এমন অভিভাবকতাও থাকতে পারে—তবে আজকাল আমাদের নিজের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠছে। কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন উঠছে, তা কতোটা ন্যায়সঙ্গত তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    ফ্যাসিস্ট আমলে বিচার নামে যদি অন্যায় হয়েছে, সেটিকে আলাদা করে বিবেচনা করা উচিত বলেও জানান মনিরুল হক। তিনি বলেন, এই ব্যাপারগুলো তিনি মহান সংসদের সামনে রেখে দিয়েছেন এবং জামায়াতকে শুধু একটা কথা বলবেন—স্বাধীনতার পরে বা এনসিপি’র মতো খণ্ডের নেতাদের বয়স তুলনায় কম হলেও তাদের প্রতি সম্মান রাখা উচিত, কারণ তারা সাহসী এবং এ যুগের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকে নানা মন্তব্য ও বাড়তি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর কিছু বক্তব্য দ্রুত ভাইরাল হওয়ায় গত কয়েক দিনে তিনি বেশ আলোচিত-সমালোচিত হয়েছেন।

    বুধবার সকালে দেওয়া নিজের এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো কষ্টের কারণ হয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সবার কাছ থেকে যে পরামর্শগুলো পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া — আমি বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছি। তিনি বলেন, এসব পরামর্শ অনুযায়ী আরও শান্তভাবে ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান তিনি। তিনি উপস্থিত সবাই ও সমর্থকদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শকে নিজের পথচলার শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

    একই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করে বলেন, যদি তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো অনুভবে আঘাত লেগে থাকে, তবে তিনি ক্ষমা চান। পোস্টে তিনি লখনিভাবে অনুশোচনার সুর ধরে বলেন, ‘‘আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারা দোয়া করবেন।’’

    তিনি জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল আদায় করে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন। শেষ করে তিনি সবাইকে প্রার্থনা করে বলেন—আল্লাহ আমাদের সবারকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টগুলো ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।

    আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, যদি তার কোনো কথা বা কর্মে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছিল। সবার কাছ থেকেই মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়ানো, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং এখন থেকে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে এগোবার চেষ্টা করব। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতিরため নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে যোগ করেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিলে তিনি গত রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও দলের সহযোগিতা নিয়ে সংশয় ও স্মৃতিচারণ করেছেন।

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর এক সময় মেধাবী কিছু সামাজিক-রাজনৈতিক শ্রেণি গঠিত হয়েছিল, যারা জাসদ গড়ে তুলেছিল। কিন্তু দায়িত্ব ও সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে তাতে দেশ-জাতি ও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এবং সেই অনুশীলন শেষ পর্যন্ত তাদের ও ক্ষতি করেছে। তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতা রাখার আহ্বান জানান।

    বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াতের ঐকমত্য প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তখনকার দলের সঙ্গে কাজ করেছেন—দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। তৎকালীন জোট ও হিসাবকে বিবেচনা করে বসতে হয়; বেগম খালেদা জিয়া অনেকসময় জাতি-দেশের স্বার্থ সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গেও কাজ করেছেন। যে ক্রমে জামায়াত আজকের পর্যায়ে এসেছে, তার পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণীয় হওয়া উচিত, এমন দাবি রাখেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না—এই ধারণা ভুল। কেউ যদি বিএনপিকে প্রতিপক্ষ ভাবেন, অন্যদের মনে আছে কখনো জাসদ আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ছিল। ইতিহাস ও সময়ের প্রেক্ষিতে এসব বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করার বুদ্ধি-বিদ্যা সব পক্ষেই থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    মনিরুল বলেন, তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কোনও ভাষায় কথা বললে কী হবে—এ ধরনের ভয় পান। আগে যখন বিরোধী দলে ছিলেন, তিনি তাদের চিনতেন; কিন্তু এখন যারা বিরোধী দল, তাদের তিনি ঠিক মতো চেনেন না। তিনি টারেক রহমানের কথাও স্মরণ করে বলেন, ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেবার অনেকেই সেটা বুঝতে পারেননি, কিন্তু পরে নির্বাচনে গিয়ে তাদের কষ্ট বুঝতে হয়েছে।

    এছাড়া তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত, তাদের মধ্যে একজন ছিল জামায়াতে ইসলামী, কিন্তু এখন আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—এ বিষয়ে সমান বিবেচনা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন তিনি।

    ফ্যাসিস্ট আমলের বিচারের নামে কোনো অন্যায় করা হয়ে থাকলে সেটি খণ্ডনীয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি, এবং বলেন তিনি মহান সংসদে এই বিষয়টি উত্থাপন করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে এক কথায় নির্দেশ দেন এবং এনসিপি প্রসঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতারা বয়সে কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন—কারণ তারা সাহসী, এবং এ যুগের চাহিদা পূরণে এগিয়ে এসেছে।

  • অনিচ্ছাকৃত কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    অনিচ্ছাকৃত কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই নানা বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী আরও বলছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে এই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং আগামীতে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান তিনি।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন—দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শেই তাঁর শক্তি। পাটওয়ারী উল্লেখ করেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আমি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।’’

    এনসিপির এই নেতা জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল আয়োজনের মাধ্যমে তিনি তাঁর আত্মিক যাত্রা নীরবে শুরু করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সঠিক পথে পরিচালনার দোয়া চেয়েছেন।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রসঙ্গকে ঘিরে আলোচিত এবং সমালোচিত হয়ে উঠেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হওয়ায় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও সমালোচনার ব্যপার দেখা গেছে।

    আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, কোনো কথাবার্তা বা কাজে অনিচ্ছাতেই যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি তার থেকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি আরও জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই আমি মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং গঠনমূলক আলোচনা ও কর্মে বেশি মনোযোগ দেয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি ওই পরামর্শগুলো বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করছেন এবং bundan পর আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    নিজের পোস্টে তিনি আবারও সকলের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি। আপনারা আমাকে দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করুন — এটাই আমার পথচলার শক্তি।’’

    তিনি আরও বলছেন, ‘‘গতকাল রাতে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • মনিরুল হক চৌধুরী: জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করুন

    মনিরুল হক চৌধুরী: জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন, খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করুন

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পরে এক মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল) গঠন করেছিল; কিন্তু অতিরিক্ত রাজনৈতিক চালসিকতার ফলে দেশ-জাতি অনেক কিছু হারিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছুকে সহ্য করার ধৈর্য ও শক্তি দেওয়া হয়।’’

    রোববার সংসদের রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আলোচনায় অংশ নেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী খালেদা জিয়ার ভূমিকাও স্মরণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘‘৯১ সালের সংসদে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করেছি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। অনেকেই যখন প্রশ্ন করছেন, মনে হয় এই দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেও জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন। আজ রাজনীতিকে যেখানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তার পেছনে তারও একটা অংশ আছে—এইটুকু স্মরণ করলেই কিন্তু খারাপ হয় না।’’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে ইতিহাস ও ঘটনাবলীর প্রেক্ষাপট বিচার করার বুদ্ধি সবারই আছে। অতীতের রাজনৈতিক স্তরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘‘জাসদ একসময় আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ভাবত—তাই ইতিহাস কীভাবে গড়িয়েছে তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।’’

    পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মনিরুল হক বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে এখন কী ভাষায় কথা বলব—এ কথা ভাবতে হয়। আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতাম, তাদের চিনতাম; কিন্তু আজকের বিরোধীদলকে এখনও আমি ঠিকভাবে চিনিনি। তারেক রহমানের কথাও স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের নেতা সতর্ক করেছিলেন—কঠিন নির্বাচন আসবে। তখন অনেকেই তা বুঝেনি, কিন্তু পরে অংশ নিয়ে আমরা উপলব্ধি করেছি কত কঠিন পথ পেরোতে হয়েছে।’’

    সংসদে এসে তিনি অভিযোগ করেন যে এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে আসার পর প্রকৃত কৃতজ্ঞতার যোগ্য হিসেবে যে কোন দলকে ধরা উচিত—তাতে জামায়াতে ইসলামীও অন্তর্ভুক্ত ছিল। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্কে আজ অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো সময়ের সংঘাতের সঙ্গে এককাতারে ধরা যায় কি?’’ এবং বলেন, যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচার বলে অন্যায় হয়ে থাকে, তা আলাদা বিষয়—তার বিচার হওয়া উচিত।

    শেষে মনিরুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেন, জামায়াত বা এনসিপির নেতা যদিও স্বাধীনতার পরে বয়সে ছোট হতে পারে, তবুও তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল কারণ তাদের মধ্যে সাহস আছে এবং তারা এই সময়ের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মেধাবী একটি শ্রেণি এসেছিল, যারা জাসদ গঠন করেছিল। ‘‘বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদেরও অনেকেই চলে গেছেন,’’ বলে যোগ করেন মনিরুল হক। তিনি আল্লাহকে প্রার্থনা করে বলেন, যেন এমন সব ঘটনার দিকও নিজেরা হজম করার তৌফিক দেয়।

    মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, জামায়াতকে রাজনীতিতে এ পর্যায়ে আনার ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বলেছিলেন, তখন তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় দেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না। কিন্তু দেশনেত্রীর সিদ্ধান্তে অনেক বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করা হয়েছিল। তাদের এ ভূমিকা ভুলে গেলে চলবে না।’’

    সাংসদ মনিরুল হক বিরোধী দল নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতিও জানান। বলেন, ‘‘কখনো কখনো সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষা নির্বাচনে দ্বিধা হয়। আগের মত যারা বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম; আজকের বিরোধীদের সবাইকে আবার চিনি না।’’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দলের অভিভাবক তারেক রহমান বলেছিলেন যে নির্বাচনের পরিবেশ কঠিন হবে—সেদিন অনেকে তা বুঝতে পারেনি, পরে তারা তা অনুভব করেছেন।

    আরও বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কাদের দায় নিতে হবে—এ বিষয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামীকে। তবে এখন আমাদের সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে; মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয় ও মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত ঘটনাবলীর সততা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তিনি যোগ করেন, ‘‘যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচার করার নামে অন্যায় হয়েছে, তা আলাদা বিষয়।’’

    শেষে তিনি মহান সংসদে এই প্রশ্ন রেখে জামায়াতকে কিছু বলার পাশাপাশি স্বাধীনতার পরকার ও এনসিপির তরুণ নেতাদের প্রতি সম্মান ব্যক্ত করেন। বলেন, বয়স কম হলে কম—তবু সাহসী নেতারা এই যুগের চাহিদা মেটাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনভিত্তিক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নানা আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয় এবং তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়ে যান।

    আজ সকালে প্রকাশ করা এক পোস্টে পাটওয়ারী লিখেছেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি আরও জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্যের مطابق কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি আবারও ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনারা যে দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন, তা আমার পথচলার শক্তি।’’

    একই পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’