Category: রাজনীতি

  • যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন করে নামার পর থেকেই নানা কারণে প্রকাশ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিধ্বনি ফেলে চলেছেন। কিছু মন্তব্য ভাইরাল হওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখেও পড়েছেন।

    বুধবার সকালে একটি পোস্টে পাটওয়ারী লেখেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো কষ্টের কারণ হয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই আমি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা এড়িয়ে চলা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে দেওয়া পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan থেকে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য আমার যেটুকু সক্ষমতা আছে, সেই অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি অনুরোধ করেন, মানুষ তাঁর প্রতি দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে পাশে দাঁড়ান, কারণ সেগুলোই তাঁর পথচলার শক্তি।

    এনসিপির এই নেতা জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তিনি এই অন্তর্মুখী যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সঠিক পথে পরিচালনার দুয়াও চেয়েছেন।

  • জামায়াত-এনসিপি প্রসঙ্গে সংসদে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী, খালেদার ভূমিকাও স্মরণ

    জামায়াত-এনসিপি প্রসঙ্গে সংসদে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী, খালেদার ভূমিকাও স্মরণ

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কীয় প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশগ্রহণে তিনি তার কথাগুলো বলেন। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী দল গঠিত হয়েছিল—জাসদ। পরে তাদের অতিরঞ্জিত কর্মকাণ্ডের কারণে দেশ ও জাতি অনেক ক্ষতির মুখে পড়ে। এমন ঘটনাগুলোকে ভুলে না গিয়ে সবাইকে সহ্য করার সহনশীলতা দেওয়ার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানান তিনি।

    তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি পারিপার্শ্বিকভাবে কাজ করেছেন দেশনেত্রীর নেতৃত্বে। বিএনপির বিরোধী পক্ষ হিসেবে যারা প্রশ্ন করছেন, তাদের তিনি মনে করিয়ে দিতে চান যে দেশের স্বার্থে তখনও অনেকেই জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় যেন এই দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না,’’ যোগ করেন তিনি।

    চৌধুরী আরও বলেন, রাজনৈতিক ইতিহাস বিবেচনা করে দেখা উচিত জাসদ এক সময় কিভাবে আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ মনে করত এবং সে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি রহমান—তারেক রহমানের কঠিন নির্বাচন সংক্রান্ত কথাও স্মরণ করেন এবং জানান যে সেই মন্তব্য তখন সবাই বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে তারা তা উপলব্ধি করেছেন।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের সম্পর্কে স্পষ্ট ছিলেন, কিন্তু এখনকার বিরোধী পক্ষকে তিনি পুরোপুরি চিনছেন না—এই আক্ষেপও করেন। তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের 대상 হিসেবে যে দলটি থাকা উচিত ছিল, সেটি ছিল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবে আজকাল আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠছে—যেমন জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রশ্ন ওঠা এবং মুক্তিযুদ্ধ (৭১) নিয়ে বিভ্রান্তি; বিচারের নামে অতীতের ফ্যাসিস্টদের আমলে যদি অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে সেটাও স্পষ্ট করা উচিত।

    শেষে মনিরুল হক চৌধুরী এনসিপি ও তরুণ নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার পর যদিও তাদের বয়স কম হতে পারে, তবুও তারা সাহসী এবং এ যুগের দাবি অনুযায়ী কাজ করছে—এমন কারণে তারাও মর্যাদার দাবি রাখেন।

  • যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী অংশগ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন প্রসঙ্গে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন। কিছু মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় তিনি ব্যাপক নজরে আসে।

    বুধবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি পরিষ্কার করে জানান, কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন যে গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে তার কিছু আন্তরিক আলাপ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই তিনি যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পেয়েছেন, তা হল—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়ানো, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে ওই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং আরো শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। তিনি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি আরও বলেন, “আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।”

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, গতকাল ধানমন্ডির তকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল পড়ে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন। তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ সবার ভুল ক্ষমা করুন এবং সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই নানা আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। কিছু মন্তব্যের কারণে তিনি সমালোচনার শিকার হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর উপস্থিতি ও জনপ্রিয়তাও 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে তিনি বলেছেন, যদি তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তিনি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও তাঁর প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। সবার কাছ থেকেই তিনি একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পেয়েছেন—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়ানো, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেয়া।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে ওই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং ভবিষ্যতে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করবেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি আবারো অনুরোধ করেছেন—মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই তার পথচলার শক্তি। ‘‘আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার চলার শক্তি’’—বলেছেন তিনি।

    পোস্টে উল্লেখ রয়েছে, গতকাল তিনি ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল কর্তৃক এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং সবাইকে দোয়া করেছেন—আল্লাহ যেন সবাইকে ক্ষমা করেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী

    রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপি সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেছেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফiz উদ্দিন আহমদ।

    তিনি বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পরও একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল, যারা জাসদ গঠন করেছিল। পরে বাড়াবাড়ির কারণে দেশ-জাতির ক্ষতি হয়েছে, তাদেরও হারাতে হয়েছে। আমাদের যেন এসব সবকিছু সহ্য করার ক্ষমতা প্রচুর मिले।’’

    মনিরুল হক চৌধুরী জাতিতে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দলের সঙ্গে কাজ করেছেন; তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন বিরোধ উপেক্ষা করে জামায়াতের সাথে হাতে মিলিয়েই কাজ করেছেন। ‘‘আপনারা যখন বর্তমান সময়ে প্রশ্ন তুলেন, মনে হয় এই দেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না—কিন্তু দেশনেত্রী অনেক আপত্তির মধ্যেই ঐ সময় একসঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর এই অবদানকে একটু স্মরণ করলেও সত্যি উপকার হত,’’ তিনি বলেন।

    সরকারি ও বিরোধী দলে আজকের পার্থক্যকে নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘‘সংসদে দাঁড়িয়ে আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলা হতো, তাদের চিনতাম; কিন্তু আজকের বিরোধীদের অনেকজনকে আমি এখনও জানি না। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছিলেন কঠিন নির্বাচন হবে—এখন তা আমরা উপলব্ধি করেছি।’’

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদেরকে আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত সেটা হলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ; অথচ আজ তাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদেরকেও প্রশ্নের মুখে পড়তে দেখা যাচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধকে কি ৭১ সালের যুদ্ধের সঙ্গে এক কাতারে আনা হচ্ছে?

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় বিচারের নামে অন্যায় হয়েছে, সেটি আলাদা বিষয়; তবে এই মহান সংসদে তিনি এই প্রশ্ন তুলেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি জামায়াতসহ কিছু দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পরে বা এনসিপি-র মতো দলগুলোর অনেক নেতাই বয়সে ছোট হলেও আমি তাদের শ্রদ্ধা করি—কারণ তারা সাহসী, এবং এটা যুগের দাবি।’’

  • অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মন্তব্য অনেক সময় ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    বুধবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, কোনো কথাবার্তা বা কর্মকাণ্ডের ফলে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে তিনি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। সবার কাছ থেকেই যে পরামর্শগুলো পেয়েছি, সেগুলো ছিল দরকারি ও দর্শনীয় — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বন্ধ করা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    তিনি বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি। 앞으로 আরও শান্ত ও দায়িত্বশীল ভঙ্গিতে পথ চলার চেষ্টা করব। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য আমার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    নাসীরুদ্দীন আরও যোগ করেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার চলার শক্তি।’’

    তিনি জানান, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন—এই দোয়াই আমার অনুরোধ।’’

  • জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সংসদে তীক্ষ্ণ মন্তব্য মনিরুল হক চৌধুরীর

    জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে সংসদে তীক্ষ্ণ মন্তব্য মনিরুল হক চৌধুরীর

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে তীব্র বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোকচর্চায় অংশ নিয়ে তিনি কথাগুলো বলেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী তরুণ শ্রেণি গঠিত হয়েছিল, তারা জাসদ তৈরি করেছিল। তবে অতিরঞ্জনের ফলে দেশের ক্ষতি হয়েছে, জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদেরও ফল ভোগ করতে হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘‘আমাদের যেন সবকিছু সহ্য করার ধৈর্য ও সামর্থ্য দেওয়া হয়।’’

    প্রসঙ্গ বসিয়ে তিনি স্মরণ করান দলীয় অঙ্গীকার ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বলেন, তিনি তখন দলের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অনেক সংকট মোকাবিলা করেছে বিএনপি। তিনি বেগম খালেদার জামায়াতকে রাজনীতিতে আনায় যে অবদান, সেটাও স্মরণ করার আহ্বান জানান। ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় গত ১৫-২০ বছর বিএনপি এই দেশে ছিল না—তবে ইতিহাস অন্য কথা বলে।’’

    মনিরুল হক আরও বলেন, আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলতেন তাদের চিনতেন; এখন বিরোধী পক্ষ হিসেবে যারা আছেন তাদের চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি তরিক রহমানের কথাও স্মরণ করেন—‘‘কঠিন নির্বাচন’’—যা তখন অনেকেই বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা বুঝেছেন কত কঠিন পরিবেশ ছিল।

    সংসদে আসার পর তাদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের প্রাপ্য হিসেবে তিনি জামায়াতে ইসলামীকে উল্লেখ করেন। এর পরই তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, आज কিছু মুক্তিযোদ্ধা যারা এখনো জীবিত তাদের ওপর প্রশ্ন উঠছে এবং মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো সময়ের সংঘর্ষের সঙ্গে সমভাবে দেখা হচ্ছে—এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, তিনি যোগ করেন, ‘‘ফ্যাসিস্টদের আমলে বিচারের নামে যদি অন্যায় হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তার আলাদা বিচার আছে।’’

    শেষে মনিরুল হক বলেন, এনসিপি বা স্বাধীনুর পর যাদের নেতৃত্বে তরুণরা থাকলেও তিনি তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কারণ তারা সাহসী এবং এই যুগের চাহিদা মেটাচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে রয়েছে অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব ও দায়দায়িত্ব নিয়ে কড়া তীব্রতা এবং সহনশীলতার আহ্বান।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মন্তব্যগুলো বহু সময় ভাইরাল হয়েছে এবং তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    আজ বুধবার সকালে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, কোনো কথা বা কর্মে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন যে গত কয়েক দিনে তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কিছু গভীর আলোচনা করেছেন এবং সেখান থেকেই মূল্যবান পরামর্শ পেয়েছেন।

    পাটওয়ারী বলেন, সবার কাছ থেকে পাওয়া দিকনির্দেশনায় তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা পরিহার করা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়ার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। তিনি বলেন, “আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শ গ্রহণ করছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব।”

    তিনি নিজের অকপট প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান। পোস্টে তিনি বারবার অনুরোধও জানান—যদি তার কোনো বক্তব্য বা কাজের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে সে জন্য তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান। তিনি লিখেছেন, “আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।”

    পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তার এই আত্মিক যাত্রার একটি নীরব সূচনা হয়েছে। তিনি শেষভাগে দোয়া চেয়ে বলেন, “আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।”

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত ও আলোচিত হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, যদি তাঁর কোনো কথা বা কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে কাউকে কষ্ট দিয়েছে তাহলে তিনি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা সীমাবদ্ধ রাখা এবং গঠনমূলক আলোচনায় বেশি মনোযোগ দেওয়া।’’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানিয়েছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছেন এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলা চালাবেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে চান।

    তিনি আবারও জানিয়েছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।’’

    পাটওয়ারী আরো জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং সবাইকে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সঠিক পথের জন্য দোয়া করার অনুরোধ করেছেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর অভিযোগ, খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর অভিযোগ, খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে ধারালো মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মেধাবী একটি শ্রেণি উঠে আসে যারা জাসদ গঠন করে। ‘‘অতিরিক্ত ভালোলাগা বা বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা নিজেও শেষ পর্যন্ত হারিয়েছে,’’ যোগ করেন তিনি।

    অধিবেশনটি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মনিরুল হক চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার নাম স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১-এর সংসদে তিনি দলের সদস্যদের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং দেশনেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদানকে উপেক্ষা করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন মনে হয় গত ১৫-২০ বছর বিএনপি এই দেশে ছিল না। বেগম খালেদা জিয়া নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন—রাজনীতিকে এ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার পেছনে তারও ভূমিকা রয়েছে, সেটুকু স্মরণ করুন।’’

    তিনি আরো বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কখনও কখনও বলবো কী—এই ভয় কাজ করে। আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম তাদের চিনতাম, কিন্তু আজ যারা বিরোধী দল তাদের চেনাই কষ্টসাধ্য। দলের নেতা তারেক রহমান যে ‘কঠিন নির্বাচন’ সম্পর্কে বলেছিলেন, তখন অনেকে বুঝতে পারেননি; পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তাদেরই কথার সঠিকতা বোঝা গেছে।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর আমরা যে বিষয়গুলো আলহামদুলিল্লাহ বলে ভাবতাম, তাদের মধ্যে এক হওয়া উচিত ছিল জামায়াতে ইসলামী। তবু আজ আমাদের সম্পর্কে এমন প্রশ্ন উঠছে—কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধ ও ‘‘২৪’র যুদ্ধ’’কে এক কাতারে দেখা হচ্ছে কি না—এ ধরনের আলোচনা চলছে। যদি ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, তা আলাদা বিষয়; এই প্রশ্নগুলো নিয়ে সময় ও হিসেব করা উচিত।

    শেষে তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রেক্ষাপটে বলেন, স্বাধীনতার পরের প্রজন্ম, যদিও বয়সে তরুণ, তাদের সাহসও আছে এবং সেই সাহসকে শ্রদ্ধা করা উচিত।