Category: রাজনীতি

  • সরকারি দায়িত্বের সূত্রেই গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক পদ ছাড়লেন জোনায়েদ সাকি

    সরকারি দায়িত্বের সূত্রেই গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক পদ ছাড়লেন জোনায়েদ সাকি

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব থেকে নিজেই সরে দাঁড়ালেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা জোনায়েদ সাকি। দায়িত্বভার সাময়িকভাবে গ্রহণ করেছেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু। দলীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি দায়িত্ব ও রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব পৃথক রাখার নীতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি সভায় বলেন, ‘রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা করার জন্য দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।’

    একই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রসঙ্গও তুলে ধরে বলেন, বাস্তবায়ন কিভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে প্রয়োগকালে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামত প্রাধান্য পাবে।

    পটভূমি হিসেবে বলা যেতে পারে, গত বছরের ৩ নভেম্বর সাভারে অনুষ্ঠিত দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন। দীর্ঘ দুই দশকের রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন পান গণসংহতি আন্দোলন। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্চারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।

    বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথমে তাকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলেও পরে পুনর্গঠন করে শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দলীয় একটি সূত্রের কথায়, সরকারের উচ্চ পদে থেকে দলের প্রধান থাকা সম্ভাব্য সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির কারণেই তিনি দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি

    গণসংহতি আন্দোলনের শীর্ষ নেতা ও ‘প্রধান সমন্বয়কারী’ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি দলীয় পদ থেকে সরে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া শুক্রবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    সংগঠন থেকে দেওয়া একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে শনিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান সমন্বয়কারীর দলীয় দায়িত্ব সংক্রান্ত বিষয়สมาชิก ও গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দিন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার এবং হাসান মারুফ রুমীসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে সংগঠনটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন। ওই সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

  • ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভের ডাক

    ঢাকায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভের ডাক

    শনিবার ঢাকা মহানগরীতে সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গণবিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিলের ডাক দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট। এই কর্মসূচির ঘোষণা এলো শুক্রবার বিকালে, রাজধানীজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরে। বোর্ডের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এই বিক্ষোভের মাধ্যমে তারা সরকারকে আশু একনিষ্ঠভাবে দুর্বল করে দিতে চায়।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ একটি জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই স্বৈরাচারী পথে হাঁটছে এবং সংবিধানে কোনও পরিবর্তন ছাড়াই কেবল সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, সরকার কাঙ্খিত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ, এবং রাজপথের আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প তাদের কাছে থাকছে না।

    আযাদ জানিয়েছেন, এই সমাবেশ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    দুর্গন্ধযুক্ত এই পরিস্থিতির মধ্যেই, বুধবার সন্ধ্যার দিকে সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গণভোটের রায় নিয়ে সরকারকে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত ও হতবাক। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন সংসদ সদস্যরা সংসদ ছেড়ে বেরিয়ে যান। মূল কারণ ছিল, জুলাই সনদ আদেশ না দেওয়া ও বিরোধী দলের নেতাকে মিসকোড করার অভিযোগ। পরে স্পিকারকেও এ ব্যাপারে তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রতিকার চাইছিলাম, বিষয়টি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। যারা নির্বাচনের সময় একমত হয়েছিল, তাদের সকলের স্পষ্ট মতামত ছিল যে, এটি দেশের জন্য ভালো। আমরা এই অবমূল্যায়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ওয়াকআউট করেছি। দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত এড়াতে এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

  • অভিষেকের জন্য ৫ সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এএনসিপি’র

    অভিষেকের জন্য ৫ সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এএনসিপি’র

    ঢাকার দুটি ছাড়াও দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া তরুণ নেতৃত্বের দল। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতা নাহিদ ইসলাম প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনে দলের মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব মেয়র পদে লড়বেন। এছাড়া, কুমিল্লা সিটি করপোরশনে দলের যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি করপোরশনে এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল এবং রাজশাহীতে দলের মহানগর আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এনসিপি আরও জানায়, আগামী এপ্রিলের মধ্যেই বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যায়ক্রমে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। যদিও বিএনপি ঘোষণা করেছে যে, তারা শিগগিরই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোযোগ দেবে; তবে অপ্রত্যাশিতভাবে এখনো সিটির নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়নি। এ সময় দলটির নেতারা বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রম দলীয়করণ করেছে বলে অভিযোগ করেন। ফলে, নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীকে ভোটদান সম্ভব হবে না।

    নাহিদ ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সরকার বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করে প্রশাসনকে দলীয়করণ করে ফেলেছে। নির্বাচনে প্রশাসকদের মধ্যে কেউ প্রার্থী হতে পারবে না, কোনো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে না। আমরা ছয় মাসের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি করছি।’

    উপস্থাপকরা ছাড়াও, অনুষ্ঠানে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়র প্রার্থী ছাড়াও দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সাকি অব্যাহতি

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সাকি অব্যাহতি

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব থেকে সাকি পদত্যাগ করেছেন। এর বদলে ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বে আছেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু। জানা গেছে, মূলত সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন সহজ করার জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের অব্যাহতির খবর নিজেই ঘোষণা করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি জানান, ‘রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা করার জন্য আমি দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছাড়ছি।’

    বৈঠকে তিনি JULY সনদ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কিভাবে হবে, এটি নিয়ে নানা ধরনের বিতর্ক চলছে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’

    উল্লেখ্য, গত বছর ৩ নভেম্বর সাভারে অনুষ্ঠিত দলের ৫ম জাতীয় সম্মেলনে পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি। দেড় যুগের বেশি রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গণসংহতি আন্দোলন formally নিবন্ধিত হয়। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে তিনি বিএনপি জোটের অংশ হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। এর আগে তার অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থাকলেও পরবর্তীতে সেটি পুনঃসংগঠিত হয়ে শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়েই রাখা হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দলের প্রধানের দায়িত্বও পালন করতে হওয়ায় বিবাদ ও দলে বিভ্রান্তির আশংকা দেখা দেয়, যা বিবেচনা করে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

  • জোনায়েদ সাকি দলের প্রধান সমন্বয়কারী পদ ছাড়ছেন

    জোনায়েদ সাকি দলের প্রধান সমন্বয়কারী পদ ছাড়ছেন

    গণসংহতি আন্দোলনের শীর্ষ নেতা জনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি দলের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া। এই গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়ার ঘোষণা নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হাতিরপুলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় যেখানে বলা হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর অবসান ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেও উপস্থিত থাকবেন। এ সময় দলের অন্য কেন্দ্রীয় নেতারা যেমন নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেববানু আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দিন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ আরও অনেক সদস্য উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত সংগঠনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন এবং এই সম্মেলনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়। এখন তিনি দলে গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব থেকে অবসরে যাচ্ছেন, যা সংগঠনের জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশনা তৈরি করবে।

  • গণভোট সংবিধানের চেয়েও সুপ্রিম: বিরোধীদলের নেতা

    গণভোট সংবিধানের চেয়েও সুপ্রিম: বিরোধীদলের নেতা

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোট সংবিধানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ও সুপ্রিম অবস্থানে রয়েছে। তিনি এই মন্তব্য করেছেন শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অনুষ্ঠিত দলীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে।

    শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, সংবিধান সংস্কারের দাবিতে গণভোটের রায় গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘গণভোট সংবিধানের চেয়েও উপরে থাকায় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি জনগণের কথা লঙ্ঘন করছে। বিএনপি বলছে, সংবিধানে গণভোটের প্রয়োজন নেই, যা তিনি প্রশ্ন করেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে প্রথম কে গণভোট আয়োজন করেছিল? তখন কি সংবিধানে এটি ছিল?’ তিনি আরও বলেন, ‘গণভোট হচ্ছে সংবিধানের চেয়েও সুপ্রিম, যা সমাজের বৃহৎ অংশের মতামতের প্রতিফলন।’

    শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগে পর্যন্ত গণভোটের পক্ষে ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম, দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে জিতছি, তখন তারা হার মানে। যদি সত্যিই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে আসুন, সবাই একসঙ্গে গণভোটের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি জোট ভেতরে ভেতরে গণভোটের বিরুদ্ধে ছিল, কিন্তু প্রকাশ্যে তারা বলেছে “হ্যাঁ”। সংসদে আমরা তাদের কাছে জানতে চেয়েছি, জান্নাতের টিকিট চাইছি, আর এখন মিডিয়ায় ভাসছে, কারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে, সেটাও প্রশ্ন তুলেন তিনি।’

    শফিকুর রহমান গণভোটের ফল কার্যকরের জন্য কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের রায়কে অস্বীকার করাই ফ্যাসিবাদের প্রথম লক্ষণ। আমরা জুলাইয়ে যে আন্দোলনে নামেছি, আবারও নামবো। জনগণের দাবি আদায় না করে থাকব না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আসুন, সবাই জুলুমের বিরুদ্ধে бірі হই। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ১১ দলের জোটের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল ঢাকায় আমাদের আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে।’

  • গণভোট সংবিধানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: বিরোধীদলের নেতা

    গণভোট সংবিধানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: বিরোধীদলের নেতা

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বললেন, গণভোট সংবಿಧানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে। তিনি আরও জানান, সংবিধান সংস্কারের জন্য গণভোটের দাবি উঠেছে। এ কথা শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি দলীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে তিনি ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের উদ্দেশে, বিএনপি জনগণের কাছে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করেছে। তারা বলছে, সংবিধানে গণভোট নেই। প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে প্রথম গণভোট আয়োজন কারা করেছিল? তখন কি সংবিধানে এটি ছিল? সত্যি বলতে, গণভোটের গুরুত্ব ও প্রভাব সংবিধানের চেয়েও বেশি, কারণ এটি দেশের মূল সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত।

    ডা. শফিকুর আরও বলেন, তিনি নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত গণভোটের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন, ভোটের দুই-তৃতীয়াংশ নম্বরের মাধ্যমে জয় অর্জন করেছেন, তখন তারা ঘুরে যান। তিনি বলেন, যদি সত্যিই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাহলে সবাই একযোগে গণভোটের জন্য উত্থিত হোন।

    বিরোধীদলীয় নেতা আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি জোট ভেতরে ভেতরে গণভোটের বিরুদ্ধে থাকলেও, বাইরে এসে তারা একে স্বীকার করছে। তিনি বলেন, সংসদে আমরা তাদের কাছে জানতে চাই, একটি জান্নাতের টিকিট চাইব। এরপর দেখা যাবে সেটি কেমন। মিডিয়ায় এখনকার পরিস্থিতি দেখলে প্রশ্ন করেন, কারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে?

    গণভোটের ফল কার্যকর করার জন্য কর্মসূচি সফল করতে তিনি জনগণের রায়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা ফ্যাসিবাদের সূচনা। তিনি বলছেন, জুলাইয়ে যেমন আন্দোলনে নেমেছিলেন, আবারেও নামবেন একই লক্ষ্য নিয়ে। জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে।

    ডা. শফিকুর আহ্বান জানিয়েছেন, সবাই আবার জুলুমের বিরুদ্ধে এক pvc হয়। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আগামীকাল ঢাকায় প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন হবে।

  • ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক জামায়াত-এনসিপি জোটের

    ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক জামায়াত-এনসিপি জোটের

    শনিবার ঢাকায় সংবিধান সংস্কার এবং জুলাই সনদের আদেশের खिलाफ কঠোর বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত-এনসিপি জোট। এই ঘোষণা দেন ১১ দলে মিলিত জোটের নেতারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে, ১১ দলের লিয়াজো কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংসদ পরিচালনায় অক্ষমতা দেখাচ্ছে এবং শেখ হাসিনার সরকার ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে। তারা সংবিধানে কেবল সংশোধনী আনতে চায়, তবে পরিবর্তনের পথে না। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই সমাবেশ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটের সামনে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়। এর আগে, বুধবার সন্ধ্যার সময় সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি দলের গণভোটের রায় নিয়ে কার্যকলাপে তিনি গভীর বিস্ময় ও আঘাত অনুভব করেছেন। সংসদের ষষ্ঠ দিনে, বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন অংশ ওয়াকআউট করে। তারা মূলত, জুলাই সনদের আদেশ না জারির বিষয়ে আলোচনা করছিলেন এবং বিরোধী নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে অপ্রীতিকরভাবে ধরা হলে, তারা প্রতিবাদে সাধারণত: ওই সময় সংসদ ত্যাগ করে। স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা প্রতিকার চেয়েছিলাম; বিষয়টি কোনো দলের জন্য নয়, বরং নির্বাচনকালীন ব্যাপারগুলো নিয়ে ছিল। আমরা এসব বিষয়ে আগেই মতামত দিয়েছিলাম, কিন্তু এখন তা অবমূল্যায়িত হয়েছে। এই অবমূল্যায়নের দাবি আদায়ের জন্যই আমরা ওয়াকআউট করেছি।’

  • ৫টি সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থীদের ঘোষণা

    ৫টি সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থীদের ঘোষণা

    দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের দল। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অংশ নেবেন দলের মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের জন্য মনোনীত হন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে অংশ নেবেন এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল, আর রাজশাহী সিটি করপোরেশনে প্রার্থী হন মো. মোবাশ্বের আলী, দলের রাজশাহী মহানগর সভাপতি।

    অপরদিকে, এনসিপি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, আগামী এপ্রিলের মধ্যেই আরও সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। তারা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বর্তমানে বিএনপি সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রথমে করার পরিকল্পনা করছে, যেখানে সিটি করপোরেশন নির্বাচন এখনো ভাবনায় আসেনি। বিএনপি-র এ অবস্থানে, এনসিপি সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা দেয়, তাদের দলের নেতারা প্রশাসক পদে থাকবেন না এবং দলীয় প্রতীকে কোনও নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে না। তারা আরও দাবি করে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা দলের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। এ কারণে, দলটি কঠোরভাবে দাবি করে—নির্বাচনের সময় প্রশাসকদের মধ্যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না।

    এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়র প্রার্থীর সাথে আরও দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা, যেমন সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও আব্দুল হান্নান মাসউদ উপস্থিত ছিলেন।