Category: জাতীয়

  • এনটিআরসিএ: তিন ব্যাচের নিবন্ধনধারীরা পাবেন বিশেষ নিয়োগ সুবিধা

    এনটিআরসিএ: তিন ব্যাচের নিবন্ধনধারীরা পাবেন বিশেষ নিয়োগ সুবিধা

    ২০তম শিক্ষক নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর একটি বিশেষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ১৬, ১৭ ও ১৮তম নিবন্ধনধারীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে, এর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, ৯ম শিক্ষক নিয়োগের পর ২০তম নিবন্ধন শেষ হবে। এর পরে, ১৮, ১৭ এবং ১৬তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে যারা যোগ্য, তাদের জন্য আলাদা করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন সিলেবাসের পরিবর্তন বিবেচনায়, এই সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এর জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন।

    এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরো জানান, এই বিশেষ সুযোগের জন্য ১৬, ১৭ ও ১৮তম ব্যাচের নিবন্ধনধারীদের মধ্যে যেসকলের বয়স ও সনদের মেয়াদ কার্যকর রয়েছে, তারাও এই বিজ্ঞপ্তিতে অংশ নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে তাদের স্বার্থে নতুন কিছু সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা: সারা দেশে বিদ্যালয়বিহীন গ্রাম সংখ্যা ২৮৩৯

    শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা: সারা দেশে বিদ্যালয়বিহীন গ্রাম সংখ্যা ২৮৩৯

    শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশে এখনও মোট ২৮৩৯টি গ্রামে কোনও প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এসব গ্রামে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি শিশুদের অনেকেরই। প্রাথমিক শিক্ষায় উপস্থিতি বাড়াতে এসব গ্রামে গমনোপযোগী শিশুর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি। এ ছাড়া, সরকারের অর্থায়নে নির্মাণের অপেক্ষায় আরও ৪ হাজার ৫৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন রয়েছে, যেখানে এখনও কংক্রিটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।

    আজ সংসদে সরকারের দলীয় সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নে উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য দেন। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকায় ৭১৭টি, চট্টগ্রামে ৮১৮টি, রাজশাহীতে ৩৫৫টি, রংপুরে ৩৫৫টি, খুলনায় ৩৪১টি, বরিশালে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ২৬০টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গঠিত হয়নি।

    এখানে প্রাথমিক শিক্ষায় অপ্রাপ্ত শিশুর সংখ্যা মোট প্রায় ২৭৬,৫১৩ জন। অর্থাৎ, এই শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

    অন্যদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতাধীন দেশে মোট ২৪ হাজার ৩২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫৯টি প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দেন, সরকার পর্যায়ক্রমে সুবিধাবঞ্চিত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, যাতে প্রত্যেক শিশুর জন্য উপযুক্ত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত হয়।

  • স্পিকার: আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ

    স্পিকার: আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা রাজপথ — সংসদ নয়। তিনি সংসদে জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলামকে উদ্ধৃত করে বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে এবং এখানে ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা চলছে।

    মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এসব কথা জানান স্পিকার।

    পটভূমি হিসেবে জানা যায়, ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সাওদা (সাওদা সুমি) গ্রেফতারে ক্ষোভ প্রকাশ করে দলের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম নিন্দা জানান। তিনি অফিস চলাকালীন সময়ে মামলাটি প্রত্যাহার করে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

    এর আগে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ঘটনাটিকে নব্য ফ্যাসিবাদের লক্ষণ আখ্যা দিয়ে বলেন, সাওদা সুমির সঙ্গে করা নিকৃষ্ট আচরণ ‘‘নব্য ফ্যাসিবাদের বার্তা’’ বহন করছে। তিনি লেখেন, ফ্যাসিবাদীরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে প্রতিবাদী জনগণের কণ্ঠ নিষ্ঠুরভাবে স্তব্ধ করতে চায়, ফলে তাদেরই কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে যায়। ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘জানি না, অন্তরে যারা ফ্যাসিবাদ লালন করে, তারা অতীত থেকে শিক্ষা নেবে কী না। লজ্জা, লজ্জা!’’

    ঘটনাচক্র অনুযায়ী, রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসা থেকে পুলিশ বিবি সাওদাকে গ্রেফতার করে। পরের দিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তার গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায়।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই ঘটনার বিরুদ্ধে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এটিকে ‘‘অমানবিক ও অনভিপ্রেত’’ ঘটনা বলে আখ্যায়িত করেছে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মওয়াজ্জম হোসাইন হেলাল থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিবি সাওদাকে তার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ‘‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ’’ থাকার কথা বলেন; কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানো হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, গভীর রাতে কোনো নারীকে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতারে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং এই কর্মটিকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    সংসদে স্পিকার জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

  • হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়: তিন মাসে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ

    হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়: তিন মাসে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ

    হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ মঙ্গলবার ১৮৫ পৃষ্ঠার রায়ে নির্দেশ দিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন ও পৃথক একটি সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে গঠন করতে হবে। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রদান করেছেন।

    রায়ে আদালত আদেশ করেছেন যে, সরকার সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব অনুযায়ী স্বাধীন সচিবালয় বাস্তবায়ন করবে এবং আদেশের তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রায়ে পাশাপাশি বলা হয়েছে, অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়গুলোর দায়ভার পুনরায় সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত করা হবে।

    হাইকোর্ট রায়ে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় বহাল করে সংশোধিত অনুচ্ছেদগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। বিচারপতিগণ উল্লেখ করেছেন, ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী ও ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর নির্দিষ্ট ধারাগুলো সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১৯৭২ সালে থাকা ১১৬ অনুচ্ছেদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরুজ্জীবিত হবে। এই পরিবর্তন ওই রায়ের দিন থেকেই কার্যকর হবে।

    ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানগতকভাবে অধস্তন আদালতের বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ—কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরি এবং শৃঙ্খলা বিষয়ক ব্যবস্থা—সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্বাধীন থাকবে। রায়ে বলা হয়েছে, এসব দায়িত্ব আর রাষ্ট্রপতির নিকট কেন্দ্রীভূত থাকবেনা।

    হাইকোর্ট একই সঙ্গে ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাকেও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ভেবে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

    রিটের পক্ষে যুক্তকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, এই রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের উপর নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের হাতে নিশ্চিত হলো; তা আর রাষ্ট্রপতির ওপর শশস্ত্র থাকবে না।

    বিষয়টির ইতিহাসেও উল্লেখযোগ্য — ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেনসহ সাত আইনজীবী এ সংক্রান্ত রিট করেছিলেন। প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট ২৭ অক্টোবর রুল জারি করেছিলেন এবং রুলে ১১৬ অনুচ্ছেদ ও ২০১৭ সালের বিধিমালার বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে সেগুলো কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না এবং কেন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। রুলে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বরও একই বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় তিন মাসের মধ্যে গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল। বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ রায়ে সেই নির্দেশটি চূড়ান্ত হয়ে আইনগত বিধিবদ্ধ রূপ পাচ্ছে।

  • আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা রাজপথ, সংসদ নয়: স্পিকার

    আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা রাজপথ, সংসদ নয়: স্পিকার

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্টিমেটাম দেওয়ার জায়গা রাজপথ—সংসদ নয়। জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এসব কথা মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বলেন স্পিকার।

    বিষয়টি নিয়ে তাত্ক্ষণিক প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ্য, ভোলায় জামায়াতের মহিলা কর্মী বিবি সাওদা সুমিকে রোববার (৫ এপ্রিল) রাতের বেরি নিজের বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

    জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ঘটনাটিকে নিন্দা করে দাবি করেন, অফিস সময়ের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার করে ওই নারীকে মুক্তি দিতে হবে। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আগের দিন এক পোস্টে লিখেন, সাওদা সুমির সঙ্গে যে নিকৃষ্ট আচরণ করা হয়েছে তা ‘‘নব্য ফ্যাসিবাদের বার্তা’’ দিচ্ছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদীরা প্রায়ই তাদের ব্যর্থতা ঢেকে রাখতে প্রতিবাদী কণ্ঠকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করে; এতে শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদীরা স্তব্ধ হয়ে যায়। পোস্টে তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, যারা অন্তরে ফ্যাসিবাদ লালন করে তারা অতীত থেকে শিক্ষা নেবে কি না এবং স্মরণ করিয়ে দেন—লজ্জা, লজ্জা।

    রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে-ইসলামী এই গ্রেফতারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একে অমানবিক ও অনভিপ্রেত উল্লেখ করে বিবৃতিতে ওই নারীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দলের পক্ষ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল এই গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং এ ঘটানিকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থি আখ্যায়িত করেন।

    বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার রাত প্রায় ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিবি সাওদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী জানায়—ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ রয়েছে। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই গভীর রাতে একজন নারীকে গ্রেফতারের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    সংসদে স্পিকার মন্তব্য করেন যে, সংসদীয় আলোচনা ও দাবীর জায়গা আলাদা; যদি কারো মনোশ্চিন্তা থাকে তা আলোচনার মাধ্যমে সংসদেই তুলে ধরা উচিত। তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য এখানে আলাপ আলোচনা হচ্ছে।

  • ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৩৬৩১ জন উত্তীর্ণ

    ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৩৬৩১ জন উত্তীর্ণ

    সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) আজ মঙ্গলবার বিকেলে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, যারা এখন মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। পিএসসি সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান জানান, মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি পরে জানানো হবে।

    ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা গত ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা একযোগে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে নেওয়া হয়। কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা বিভিন্ন সময়ে চালানো হয় এবং তা ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলছে।

    পিএসসি ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যেখানে ৩ হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার ও ২০১টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়। প্রাথমিকভাবে অনলাইনে আবেদন শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০ ডিসেম্বর, কিন্তু ৯ ডিসেম্বর আবেদন শুরু স্থগিত করা হয়। পরে ২৬ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

    সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন ফি কমানো এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে করে ১০০ করা হয়; ফলে মোট নম্বর ১১০০ থেকে পরিবর্তন হয়ে ১০০০ করা হয়। এ বিসিএসে প্রথমবারের মতো আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে।

    প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু করার প্রথম নির্ধারিত তারিখ ছিল ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট, কিন্তু তা স্থগিত করে পরে ১৯ সেপ্টেম্বর আট বিভাগীয় শহরের মোট ২৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হলেও আয়োজন করা হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করে ১০ হাজার ৬৪৪ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ করা হয়েছিল।

    লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা হলে কিছু অংশের প্রার্থীরা তা পেছানোর দাবি জানায় এবং কেন্দ্র স্থলে আন্দোলনও ঘটে; কিছুদিন পরে কয়েকজন প্রার্থী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। পিএসসি তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল এবং নির্ধারিত তারিখে লিখিত পরীক্ষা চালিয়েছে।

    এবার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৬৩১ জন প্রার্থীকে এখন মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। পিএসসি ফল ও পরবর্তী সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানাবে বলে জানিয়েছে। প্রার্থীদের জরুরি তথ্যের জন্য পিএসসির প্রকাশিত নোটিশ নিয়মিত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • রিমান্ড-জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন

    রিমান্ড-জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন

    সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে রিমান্ড ও জামিন দুটোই নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে সিএমএম আদালতে হাজির করা হয় এবং সেখানে রিমান্ড ও জামিন সংক্রান্ত শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের নতুন মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এন এম নাসির উদ্দিন জানান, শিরীন শারমিনকে আজ ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে চাচাতো ভাইয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গত রাতেই ডিবির হাতে ধানমন্ডির ওই বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল এবং পরে তাকে লালবাগ থানায় জনৈক আশরাফুলের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, লালবাগ থানায় দায়ের করা (মামলা নং-৫) ওই হত্যাচেষ্টা মামলায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তিন নম্বর আসামি বলা হয়েছে। একই মামলার এক নম্বর আসামি হিসেবে রয়েছে শেখ হাসিনা, দুই নম্বর আসামি হিসেবে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

    ডিবি জানিয়েছে, মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান খুঁজে বের করা, গ্রেফতার করা এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য পুলিশ শিরীন শারমিনের জন্য দুই দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। তবে আদালতে রিমান্ড ও জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে তার বিরুদ্ধে রংপুরে মুসলিম উদ্দিন নামে এক স্বর্ণশ্রমিক হত্যাসহ উত্তরা ও বনানী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে—এই তথ্যও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছিল। আজ দুপুরে তাকে ঢাকার আদালতে তোলা হয় এবং শুনানির পর আদালত তাকে স্বরাষ্ট্র সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা মেনে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

  • আলটিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ: স্পিকার

    আলটিমেটাম দেওয়ার জায়গা সংসদ নয়, রাজপথ: স্পিকার

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আলটিমেটাম দেওয়ার স্থান রাজপথ—সংসদ নয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মঞ্চে তিনি জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি সংসদের আলোচ্য হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল)

    প্রসঙ্গত, ভোলায় জামায়াতে ইসলামী কর্মী বিবি সাওদা (পরিচিত সাওদা সুমি) গ্রেফতারের ঘটনায় রফিকুল ইসলাম নিন্দা জানিয়ে মামলা প্রত্যাহার করে তাকে অফিস সময়ের মধ্যে মুক্তির দাবি তুলেছিলেন। এ ধরনের দাবি থাকায় স্পিকার এ মন্তব্য করেন এবং বিষয়টি পার্লামেন্টের মাধ্যেমে বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন।

    ঘটনার পুরো প্রেক্ষাপট নিয়ে দলের উর্ধ্বতন পর্যায় থেকে তীব্র প্রতিবাদ এসেছে। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, সাওদা সুমির সঙ্গে যে নিকৃষ্ট আচরণ হয়েছে তা ‘নব্য ফ্যাসিবাদের’ বহুদূরপ্রসারী বার্তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদীরা সব যুগে নিজেদের ব্যর্থতা ঢেকে রাখতে প্রতিবাদী কণ্ঠকে নিষ্ঠুরভাবে স্তব্ধ করতে চায়। লজ্জা, লজ্জা!”

    ঘটনাটি শনিবার-রবিবারের সময় বাড়ে—রোববার (৫ এপ্রিল) রাতেই পুলিশ সাওদা সুমিকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে এবং পরের দিন আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারির পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঘটনাটিকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ওই নারীর অবিলম্বে, নি:শর্ত মুক্তির দাবি করেছে। দলীয় এক বিবৃতিতে (সোমবার, ৬ এপ্রিল) সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, এই গ্রেফতারে গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতি গেলো ধাক্কা লেগেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার রাত প্রায় ১১টায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে বাড়ি থেকেই তুলে নিয়ে যায়; গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে তারা বলেছে ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ’ আছে। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া গভীর রাতে একজন নারীকে গ্রেফতারের এই ঘটনা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

    সংসদে স্পিকারের মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা ও অনুসন্ধানexpected হতে পারে; meanwhile রাজনৈতিক নেতারা ও সক্রিয়রা ঘটনাটির নিষ্পত্তি ও ন্যায়বিচারের দাবি অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সোচ্চার থাকছেন।

  • জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সাওদা জামিনে মুক্ত

    জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সাওদা জামিনে মুক্ত

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ভোলা পৌরসভার মহিলা জামায়াতের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আদেশ দেন। এরপর তিনি মুক্তি লাভ করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্টে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।’

    গত রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বিবি সাওদা। পরে দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    ঘটনার পরের দিন সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলা জামায়াতের আমির জাকির হোসাইনের স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেক্রেটারি হারুন অর রশিদ।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেখানে মন্তব্য বা পোস্টের জন্য কাউকে গ্রেফতার করা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে দাবি করে তারা। মামলা বা অভিযোগের পেছনে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ না থাকার অভিযোগে তাদের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, একজন নারীর রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিবি সাওদাকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আজ জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

  • ইরানে যুদ্ধের পরও জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, আরও আসবে এই মাসে

    ইরানে যুদ্ধের পরও জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, আরও আসবে এই মাসে

    ইরানে যুদ্ধের কারণে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের কোনও সংকট নেই। সম্প্রতি ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে বিবাদ এবং ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা লক্ষ্য করা গেলেও, এটি মূলত অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

    বুধবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আশ্বস্ত করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি তেলের মজুত পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এবং চলতি মাসে আরও তেল আমদানি করা হবে। সরকার সব সম্ভাব্য উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে দেশের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

    মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিকটন ডিজেল মজুত আছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ ৩০ এপ্রিলের মধ্যে, আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিকটন ডিজেল দেশে আসবে।

    অতিরিক্ত জানানো হয়, অকটেনের মজুত রয়েছে ১০ হাজার ৪০০ মেট্রিকটন। চলতি মাসের মধ্যে আরও ৭১ হাজার মেট্রিকটন অকটেন সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি, পেট্রোলের মজুত এখন রয়েছে ১৬ হাজার মেট্রিকটন, এবং আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার মেট্রিকটন পেট্রোলও দেশে পৌঁছাবে।

    জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, এখনই দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। তবে আগামী মাসে বিষয়টি আলোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অপরদিকে, অবৈধ মজুৎ ও কালোবাজারি বন্ধ করতে চালানো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত এক মাসে এই ধরনের অভিযানে ৪০ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।