Category: খেলাধুলা

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার প্রথম সুযোগে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরমেন্স প্রত্যাশিত নয় বলে অনেকের মনে হয়েছিল। ফলে, সুপার ফোরে পাকিস্তানের সঙ্গে নিজেদের শেষ ম্যাচটি এখন তো যেন এক অলিখিত সেমিফাইনালে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য উভয় দলের জন্যই এখন সহজ সমীকরণ, যারা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতবে, তারাই মূল টুর্নামেন্টের মহারণে অংশ নেবে। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুই মানুশের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

    এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা খুব বেশি মনে হয়নি। তবে সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের আশার বাতিগুলি প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়ে বেশ আশাবাদ জুগিয়েছে, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে অন্যান্য ম্যাচেও দেখা গেছে। বিশেষ করে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে, যখন পাকিস্তানের স্বাভাবিক ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ে কিছু দুর্বলতা দেখা গেছে, তখন বাংলাদেশের বোলিং বিভাগ কিছুটা আশা জাগিয়েছে।

    পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে, তবে, এখনো অনেক অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষের পর বিগত ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা ছিল না। ভারতীয় দলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ দুর্বল হতে দেখা গেছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যে মাত্র ১৩৪ রান তাড়া করতে হয়নি, শেষপর্যন্ত ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে। পরে শেষ দিকে হুসাইন তালাত ও মোহাম্মদ নওয়াজের জুটি পাকিস্তানের বিপদ থেকে খানেকটা মুক্তি দিয়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা এখন পাকিস্তানের এই ব্যাটিং দুর্বলতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

    বাংলাদেশের বোলিং দুর্দান্ত প্রশংসা পেয়েছে। গতকালও ভারতের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে তারা গড়ে ১২ গড়ে ৭২ রান দিয়ে, ১০.১ ওভারে দলীয় ১শ পূর্ণ করে ফেলেছে। তাতে সূর্যকুমার যাদবের দল ১৬৮ রানের লক্ষ্য পৌঁছায়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান সাইফ হাসানের ছাড়া অন্য কেউ ধারাবাহিকভাবে কিছু করতে পারেননি, যা আশার সঙ্গে কিছু হতাশার ছোঁয়া দেয়। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস কিছুটা বেড়েছে। তাদের মাটিতে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি এখনও জ্বলজ্বল করছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক জয় লাভের মধ্য দিয়ে এই দলটি এশিয়া কাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মোট টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে, যেখানে পাকিস্তান ২০ জয়, বাংলাদেশের জয় মাত্র ৫টি।

    ভারতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়ে গত ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া জাকের আলি অনিক বলেন, ‘আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে আসছি। কালকের (পাকিস্তান) ম্যাচেও সেই সাহস নিয়ে খেলব। ফাইনালে উঠা ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলছি। বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই আমরা ভালো করেছি। অবশ্যই আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাটিংয়ে ভালো করে ম্যাচটি জেতা। আশা ছাড়ার কিছু নেই।’

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি মনে করছেন, বাংলাদেশকে হারানোর জন্য পাকিস্তানকে নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলতে হবে। বাঁ-হাতি এই পেসার বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো দল। বেশ কিছুদিন ধরে তারা ভালো খেলছে। শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেললে প্রথম ধাক্কাটা আপনাকেই দিতে হবে। আমাদের যত বিভাগ, ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং-তিনই ভালো খেলতে হবে, যাতে আমাদের জেতার সুযোগ তৈরি হয়।’

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    আজ একই দিনে বাংলাদেশের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাতের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান, যা অলিখিত সেমিফাইনাল বলে মনে হচ্ছে। এই ম্যাচের জয়ী দলই ফাইনালে পৌঁছাবে। এর আগে, ক্রিকেটের বাইরে এক অন্য স্বরণীয় স্থানে, শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সাফ অ-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে।

    এই ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের জন্য শুভ সূচনা হয়। প্রথম চার মিনিটে দুই গোল করে তারা বড় অঙ্কের লিড তৈরি করে। তৃতীয় মিনিটে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড কেড়ে নেন অপন্যই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গোল। পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের কিছু অসচেতনের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নাজমুল হুদা ফয়সাল বল জালের গভীরে পাঠান।

    প্রথম গোলের জন্য পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের কিছু ভুল ছিল। তারপর, এক মিনিট পরই বাংলাদেশের অপু দুর্দান্ত একটি গোল করেন, ডান প্রান্ত থেকে পাকিস্তানের ডিফেন্সের পিছনে ফাঁকা সুযোগ নিয়ে তিনি জোরালো শটে বল জালজাত করেন।

    ম্যাচের বাকী সময়ে উভয় দলই আক্রমণ চালিয়েছে, তবে আর কোনো গোল না হওয়ায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গোলের সুযোগ বাড়ানো গেল না, আবার পাকিস্তানও তাদের আক্রমণ থেকে তোড়জোড় করতে পারেনি। যদিও গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান দাপটের সঙ্গে খেলেছিল। প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে তাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছিল। শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরেও তারা গ্রুপে রানার্স আপ হয়ে যায়। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি।

    আবার আজকের রাতে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে অন্য একটি সেমিফাইনাল। নেপাল ও ভারত মুখোমুখি হবে, যার বিজয়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক উত্তেজনাপূর্ণ এবং অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

  • পাকিস্তানের কাছে হারিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়

    পাকিস্তানের কাছে হারিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা প্রাণপণে চেষ্টা করেছেন নিজেদের সেরা সুবিধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৩৪ রান। এই সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। উইকেটে এসে তারা প্রতিপক্ষের মনোবল ভাঙার জন্য ঝুঁকি নিয়ে শট খেলতে থাকেন, কিন্তু মাঝে মাঝে ভুলের কারণে উইকেট হারিয়েছেন। এমন ব্যাটিং দেখেই ধারাভাষ্যকক্ষে বসে কমেন্টেটর সুনীল গাভাস্কার মন্তব্য করেছিলেন, “বাংলাদেশের ব্যাটাররা এখানে সবাই হিরো হওয়ার চেষ্টা করেছেন।” টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার পর্যন্ত সবাই একই রকম ভুল করে সাজঘরে ফিরেছেন, যার ফলে বাংলাদেশের চোট লেগেছে অধিক। ২৫ বলে ৩০ রান করে দলের জন্য কিছুটা সান্তনা বেঁচে থাকা শামীম হোসেন পাটোয়ারি চার্ট তার ইনিংসের মাধ্যমে। বাঁহাতি এই ব্যাটারটির সামান্য ইনিংসটি অবশ্য বাংলাদেশের হারের ব্যবধান কমিয়েছে। অবশেষে পাকিস্তানের কাছে ১১ রানে হার মানে বাংলাদেশের দল, যা তাদের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়ের কারণ হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান এই জয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে। এশিয়া কাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-পাকিস্তান মুখোমুখি হচ্ছে ফাইনালে, যেখানে ভারতের সঙ্গে ষোলকান্না করবেন পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এই ম্যাচের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল ১৩৬ রান। শুরুতেই বাংলাদেশ আরম্ভ ভালো করে না, প্রথম ওভারে পারভেজ হোসেন ইমন উইকেট হারান, যখন তিনি শাফিন আফ্রিদির শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে নাওয়াজকে ক্যাচ দেন। তিনি প্রথম দুটি বলেই কোনো রান করতে পারেননি। চাপ কমাতে সাইফ উজ্জীবিত করেন হারিস রউফের ওভার থেকে ছক্কা আর চার মারার মাধ্যমে। তবে পঞ্চম ওভারে তৌহিদ হৃদয় যদি একদম ঠিকঠাক করেন, তাহলে তিনি ফিরতে পারতেন, কারণ তিনি পয়েন্টে বল ঠেলে দিয়ে রান নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বলফিল্ডারের হাতে চলে যায়। উল্টো, সাইফ দৌড়ে এসেছেন এবং হৃদয় দৌড় না দেয়ায় সাইফ নন স্ট্রাইক রান আউট হতে পারতেন। দুর্ভাগ্যবশত, পাকিস্তানের ফিল্ডারদের অদক্ষতায় তিনি জীবিত থাকেন। তবে পরের বলেই হৃদয় আউট হন। সাহস দেখানোর চেষ্টা করে সাইম আইয়ুবের ক্যাচ দিয়ে সাইফের আউট হয়েছেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাইফ আশা অনুযায়ী রান করতে পারেননি। হারিস রউফের বল মোকাবেলা করতে গিয়ে তিনি লিডিং এজ নিয়ে ক্যাচ দেন ১৮ রানে। এই ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ পাওয়ার প্লে-তে তিন উইকেট হারিয়েছে, স্কোর দাঁড়ায় ৩৬ রান। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন করা হলেও দলের প্রভাব পড়েনি। নাওয়াজের ডেলিভারিতে ব্যাট করে ভিন্নধর্মী কিছু করতে চাওয়া হুসাইন তালাতের হাতে ক্যাচ দেয়। তিনি ১০ বলে ১১ রানে আউট হন। এরপর সোহান ও শামীম জোট বেঁধে একটু পরিস্থিতি ঘুরিয়ে আনতে চান, কিন্তু তারা সফল হননি। সোহান ২১ বলে ১৬ রান করে আউট হন, আর শামীমও শেষ মুহূর্তে ফিরেছেন। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে অলআউট হয়ে গেছে। পাকিস্তানের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ। এই জয়ে পাকিস্তান এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ভারতের সঙ্গে হবে।

  • বুলবুল ভাইকে আমি ভাবি, তামিম আমি থাকি না: বিসিবি সভাপতি পদের বিষয়ে মতামত

    বুলবুল ভাইকে আমি ভাবি, তামিম আমি থাকি না: বিসিবি সভাপতি পদের বিষয়ে মতামত

    নতুন বিসিবি সভাপতি নির্বাচনের প্রসঙ্গ সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রে। জনপ্রিয় সাবেক দুই অধিনায়ক, তামিম ইকবাল এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুলের মধ্যে কে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরবর্তী সভাপতি হবেন—এই প্রশ্নে ক্রিকেটপাড়ায় চলছে ব্যাপক জল্পনা। এই নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন আরও একজন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।

    আশরাফুল মন্তব্য করেন, অভিজ্ঞতার দিক থেকে বুলবুলই এগিয়ে আছেন। কারণ, বুলবুল শুধু একজন খেলা-শিক্ষকই নন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট প্রশাসন এবং কোচিংয়ে যুক্ত আছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। অন্যদিকে, তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

    তিনি বলেন, সোমবার গণমাধ্যমের সামনে, সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো—বর্তমান ও অতীত দুই সভাপতিই ছিলেন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। বুলবুল ভাই এবং তামিম, দুজনেই সাবেক অধিনায়ক। আমরা তামিমের কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনা শুনছি—সে কী কি উদ্যোগ নিতে চায়। অন্যদিকে, বুলবুল ভাই ইতিমধ্যে চার মাস ধরে বিসিবি’র বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।

    আশরাফুল আরও বলেন, বুলবুল ভাইয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি প্রজেক্ট সকলের নজরে এসেছে। Bangladesh Cricket Board ইতিমধ্যে ১৬ বছর ধরে লেভেল-৩ কোচিং কোর্স ও অ্যাম্পায়ার কোর্স চালু করতে পারেনি, যা দেশের ক্রিকেট উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এসব উদ্যোগ নিয়েছেন বুলবুল ভাই।

    তিনি স্পষ্ট করেন, তাদের দুইজনেরই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। যেখানে তামিমের অভিজ্ঞতা মূলত মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বুলবুলের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত ও গভীর। তিনি আইসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, ক্রিকেটের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো জানেন। ব্যক্তিগতভাবে, আশরাফুল বুলবুল ভাইয়েরপক্ষে আছেন—তার অভিজ্ঞতা এবং সম্মানজনক চরিত্রের কারণে।

    তবে, তামিমের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করেননি আশরাফুল। তিনি বলেন, তামিম অবশ্যই যোগ্য ও ভালো কোণ থেকেই উঠে আসছেন। তিনি বোর্ডের পরিচালকমণ্ডলীতে যেতে পারেন। ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য অনেক ক্ষেত্র আছে—শুধু সভাপতি হতেই হবে এমন কোনো কথা নয়। বুলবুল ভাই যদি অব্যাহত থাকতেন, তাহলেও তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারতেন। মূল লক্ষ্য সবসময় দেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং sourireপ্রতিষ্ঠা—এটাই আমাদের লক্ষ্য। দুইজনকেই শুভকামনা রইল।

  • ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ; কিছু জেলা ও ক্লাবের প্রতিনিধির নাম অনুপস্থিত

    ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ; কিছু জেলা ও ক্লাবের প্রতিনিধির নাম অনুপস্থিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্র Родপ্রস্তাবিত খসড়া ভোটার তালিকা গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। এই তালিকায় মোট ১৭৭ জন কাউন্সিলর সদস্যের নাম থাকলেও কিছু কিছু পদের জন্য এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

  • শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালের দৌড়ে টিকে গেল পাকিস্তান

    শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালের দৌড়ে টিকে গেল পাকিস্তান

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ে সুপার ফোরে পাকিস্তানের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো। এশিয়া কাপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয় লাভ করে। তিন ম্যাচের তিন জয়ে শ্রীলঙ্কা গ্রুপ পর্বের অপরাজেয় থাকলেও সুপার ফোরে এসে হোঁচট খায়। বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারানোর পর পাকিস্তানের জন্য এই জয় অপরিহার্য ছিল যাতে তারা ফাইনালের পথে এগিয়ে যেতে পারে। শ্রীলঙ্কার জন্য এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, কিন্তু ব্যাটিংয়ে তারা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি। কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কা ব্যতিক্রম ছিলেন, তারা কিছুটা দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন কিন্তু যথেষ্ট ছিল না। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পেস সুইং আক্রমণ শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের জন্য কষ্টের মুখ হিসেবে প্রমাণিত হয়। শাহীন আফ্রিদি, হুসাইন তালাত ও হারিস রউফের বোলিংয়ে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকেন। মাঝখানে, কামিন্দু মেন্ডিসের হাফ সেঞ্চুরির অসামান্য ব্যাটে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রানে। পাকিস্তানের বোলাররা দ্রুত উইকেট নিতে শুরু করে, সাইম আইয়ুবও দ্রুত ফিরে যান। তবে, পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা ধৈর্য্য দেখিয়ে জুটি গড়ে টার্ন নেয়। হোসাইন তালাত ও মোহাম্মদ নাওয়াজের অবিচ্ছিন্ন ৫৮ রানের জুটি পাকিস্তানকে জেতার সম্ভাবনা তৈরি করে দেয়। ম্যাচের শুরুতে উজ্জীবিত পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ও ফখর দ্রুত ভাল শুরু করেন, কিন্তু মাহিশ থিকশানা মারাত্মক স্পেল নিয়ে উইকেট পেয়েছেন। এরপর পাকিস্তানের দলে উত্তেজনা ছিল, তবে তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হন। শেষ দিকে, তালাত ৩২ ও নাওয়াজ ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন, যা পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। শ্রীলঙ্কার শুরুটা হতাশাজনক ছিল, কুশল পেরেরা ও দাসুন শানাকা দ্রুত ফিরিয়ে দেন পাকিস্তানের ওপেনারদের। কুশল পেরেরা ১২ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান, আর শানাকা ও নিশাঙ্কা দ্রুত আউট হন। দলের ব্যর্থতার মধ্যে, কামিন্দু ও হাসারাঙ্গা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন, তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে জয়ের পথ রুখতে পারেননি। পাকিস্তানের জন্য আফ্রিদি তিনটি, রউফ ও তালাত দুইটি করে উইকেট লাভ করেন। এর ফলে, পাকিস্তান সুপার ফোরে টিকে থাকলো এবং নিয়মিত খেলা চালিয়ে যেতে পারলো।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উন্মাদনা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উন্মাদনা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে এক দুর্দান্ত আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার বিকেলে এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    দাবা প্রতিযোগিতায় গণিত ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন ও হিউম্যান রিসোর্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হিসেবে জিতে নেয় গৌরবের খেতাব। অন্যদিকে, ছাত্রদের টেবিল টেনিসের ক্ষেত্রে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন এবং ফার্মেসী ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হয়। সংগ্রামরত ছাত্রীরা যাতে পিছিয়ে না থাকে, সে জন্য অ্যাক্টিভ প্রতিযোগিতায় স্থাপত্য ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন ও এইচআরএম ডিসিপ্লিন রানার্সআপ হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, দাবা সত্যিই শিক্ষার্থীদের কৌশলগত চিন্তা, ধৈর্য্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বাড়ায়। একই সঙ্গে, টেবিল টেনিস শরীরের গতি, চোখ-হাতের সঙ্গতি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলে।

    এনও তিনি জানা ও জানালেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান রয়েছে জিমনেশিয়ামের উন্নয়ন কাজ, যেখানে দ্রুতই ইনডোর গেমসের জন্য স্থান প্রস্তুত হবে। ভবিষ্যতে এই জিমনেশিয়ামে আরও বিভিন্ন ইনডোর গেমসের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও, ছাত্রীদের জন্য দুটি হলে নির্মিত হচ্ছে ব্যায়ামাগার ও খেলাধুলার মাঠ, যেখানে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থেকেই বিভিন্ন ক্রীড়াদলে অংশগ্রহণ ও শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে পারবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এ জন্য সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক, প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন বিভাগের উপ-পরিচালক, এস এম জাকির হোসেন।

    পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের মেডেল ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান, প্রফেসর ড. রুমানা আসাদ, পাশাপাশি অন্যান্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

  • ভারতীয় ক্রিকেটের নেতৃত্বে আসছেন মিঠুন মানহাস

    ভারতীয় ক্রিকেটের নেতৃত্বে আসছেন মিঠুন মানহাস

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পরবর্তী সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটার ও দিল্লির সাবেক অধিনায়ক মিঠুন মানহাস। ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা গেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হবেন। এটি ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনে এক নতুন দিক উন্মোচন করছে, কারণ এই প্রথম কোনও ক্রিকেটার, যিনি জাতীয় দলে ছিলেন না, বোর্ডের সভাপতি পদে আসছেন।

    অথচ, কেন মিঠুন মানহাসকে নির্বাচন করা হলো? টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের গড়া লোধা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডের শীর্ষ পদে একজন সাবেক ক্রিকেটার থাকাটা জরুরি ছিল। শুরুতে সৌরভ গাঙ্গুলি, রঘুরাম ভাট ও হরভজন সিংয়ের নাম আলোচনায় এলে, শেষ পর্যন্ত বোর্ডের সচিব দেবজিত সাইকিয়া জোর দিয়ে মিঠুন মানহাসের পক্ষে মন্তব্য করেন।

    একটি বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনো সহজ ব্যাপার ছিল না। প্রযুক্তিগত, আইনি ব্যাপার সবই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়। অবশেষে বোর্ড একজন অভিজ্ঞ সাবেক ক্রিকেটারকে সভাপতি পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    মিঠুন মানহাসের সম্পর্কে বললে, তিনি ৪৫ বছর বয়সী এবং জম্মু ও কাশ্মীর থেকে উঠে আসা প্রথম বিসিসিআই সভাপতি হতে চলেছেন। অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে কাশ্মীরের হয়ে খেলেছিলেন তিনি, পরে দিল্লিতে আসেন এবং সেখান থেকেই তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু। তিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৫৭টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রাখেন। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি শুধু ব্যাটিংয়ে দক্ষ নন, অধিনায়ক হিসেবেও সফলতা অর্জন করেছেন।

    দিল্লি দলের নেতৃত্ব দিয়ে গৌতম গম্ভীর, আকাশ চোপড়া ও বীরেন্দ্র শেবাগের মতো তারকাদেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন। আইপিএলে তিনি খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, পুনে ওয়ারিয়র্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে।

  • আফ্রিদির সঙ্গে কুকুরের মাংস বিতর্ক: আবারও উত্তপ্ত হলো পরিস্থিতি

    আফ্রিদির সঙ্গে কুকুরের মাংস বিতর্ক: আবারও উত্তপ্ত হলো পরিস্থিতি

    সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রখ্যাত ক্রিকেটার ও সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি একটি নতুন করে আলোচিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইরফান পাঠানের পূর্বেকার মন্তব্যের বিষয়ে। পাকিস্তানের সামা টিভিতে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরফান পাঠান যে কুকুরের মাংস খাওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করে আফ্রিদিকে ব্যঙ্গ করেছিলেন, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আফ্রিদির অভিযোগ, পাঠান এইসব ঘটনা সাজিয়ে বলছেন শুধুমাত্র নিজেকে একটি ‘মহান ভারতীয়’ হিসেবে প্রমাণ করতে। তিনি যোগ করেন, ‘‘পাঠান সবসময় পেছন থেকে কথা বলে। যদি সত্যিই সাহস থাকে, সোজা সামনে এসে চোখে চোখ রেখে কথা বলুক। আমি সেই মানুষকে পুরুষ মনে করি, যে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলে।’’ভারতের জনপ্রিয় গণমাধ্যম দ্য লাল্লনটপ-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাঠান এক পুরোনো ঘটনা মনে করে বলেন, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরের সময় তিনি প্লেনে আফ্রিদির সঙ্গে ছিলেন। তখন আফ্রিদি তাকে ‘কিড’ বলে সম্বোধন করেন এবং তার চুল ছুঁয়ে মজা করেন। এরপর পাঠান জবাবে বলেন, ‘‘তুমি কখন আমার বাবা হয়ে গেলে?’’পাঠান আরও দাবি করেন, এক সময় তিনি আফ্রিদিকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘তূমি কুকুরের মাংস খেয়েছ, তাই এতক্ষণ ধরে ঘেউ ঘেউ করছেন।’’ উপস্থিত সবাই হয়তো হাসি চেপে রাখতে পারেননি, আর আফ্রিদি কিছু বলতে পারেননি।এ বিষয় নিয়ে আফ্রিদি স্পষ্ট করে বলেন, ‘এই ঘটনা পুরোপুরি সাজানো। আমি কখনোই এমন কিছু বলিনি বা করিনি। পাঠান মিথ্যা বলছেন, কারণ তিনি নিজের ভাবমূর্তি সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য পাকিস্তানিদের অপমান করতে চাইছেন।’তিনি আরও যোগ করেন, ‘তার সারাজীবনই নিজের পরিচয় ভারতীয় প্রমাণ করার চেষ্টা। আপনি দেখবেন, সে সবসময় পাকিস্তানিদের কটাক্ষ করে কথা বলবে।’

  • এক দিনের জন্য বন্ধু শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার ফোর শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

    এক দিনের জন্য বন্ধু শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার ফোর শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

    এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক হারের পরেও নিশ্চিত ছিল না বাংলাদেশ সুপার ফোরে উঠতে। তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচের ফল। পরিস্থিতি ছিল স্পষ্ট—আফগানিস্তান হারলেই বাংলাদেশ সুপার ফোরে ওঠার সুযোগ পাবে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেট প্রেমীদের বাইরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে কথার লড়াই সাধারণ ছিল। তবে আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগের রাতে এই পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ফেসবুকে অনেক বাংলাদেশি প্রকাশ্যে শ্রীলঙ্কাকে সমর্থন জানাতে শুরু করেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা একদিনের জন্য মনে করেন তারা ‘ডাই-হার্ড ফ্যান’।

    শ্রীলঙ্কাও বাংলাদেশকে হতাশ করেনি। রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে তারা আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে স্বপ্নের সুপার ফোরে পা রাখে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্যও এটি এক ধরণের উৎসাহের বার্তা। তারা এখন এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চায় এবং জয় দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথ শুরু করতে চায়। তাদের লক্ষ্য, প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয় পাওয়া। আজ (শনিবার) দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি শুরু হবে।

    সুপার ফোরে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কাকে হারানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে দুই মাসে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ তিনবার শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করেছে, যার মধ্যে অনেকটাই মনে করা হয় তারা শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের খেলার ধরন ও পিচের এইচএম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যার সাহায্যে সাম্প্রতিক তথ্যসমূহকে কাজে লাগাচ্ছে।

    এশিয়া কাপে মোট ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যে লঙ্কানরা ১৫ বার জিতেছে, তিনবার ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ চারবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে দু’বার জয় পেয়েছে। প্রথম আসরে, ২০১৬ সালে, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৩ রানে জিতেছিল। ২০২২ সালে তাঁরা বাংলাদেশকে দুই উইকেটে হারিয়ে প্রতিশোধ নেয়। সেই আসরেই শ্রীলঙ্কা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

    আজকের ম্যাচের আগে বাংলাদেশ কিছুটা বিশ্রাম পেয়েছে। গ্রুপপর্বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর তারা চার দিন বিশ্রাম নিয়েছে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার জন্য কঠিন এই সময়টা হয়েছে—তাদের আরও দুই ম্যাচ খেলতে হয়েছে ঘামের গরম আবহাওয়া আর দ্রুত সময়ে। পাশাপাশি, তাঁরা দুবাই থেকে আবুধাবি যেতে বাধ্য হয়েছে, যেখানে উইকেট খেলা কঠিন হয়ে উঠেছে। এবার দেখা হবে, দুবাইয়ের স্পোর্টিং উইকেটে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন কি বাংলাদেশ।

    নাম ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোয়াডে অখণ্ডনীয় নেতা লিটন দাস উইকেটরক্ষক হিসেবে থাকছেন, এছাড়া তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ Hamiltonে, ইমন, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, শামিম হোসেন, নুরুল হাসান, শেখ মাহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

    শ্রীলঙ্কার স্কোয়াডে অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা থাকছেন, অন্য খেলোয়াড়রা হলো পাথুম নিশাঙ্কা, কুশাল মেন্ডিস, কুশাল পেরেরা, নুয়ানিডু ফার্নান্দো, কামিন্দু মেন্ডিস, কামিল মিশারা, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ভেল্লালাগে, চামিকা করুনারুত্নে, মাহিশ থিকসানা, দুশমান্থ চামিরা, বিনুরা ফার্নান্দো, নুয়ান থুশারা ও মাথিশা পাথিরানা।