Category: খেলাধুলা

  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দাপুটে জয়, পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো টাইগ্রেসরা

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দাপুটে জয়, পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো টাইগ্রেসরা

    বাংলাদেশি বোলারদের প্রবল আক্রমণে পাকিস্তানি ব্যাটাররা শতরান করতেও পারেননি। নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খানদুই তরুণ স্পিনার দেশীয় ঘূর্ণিতে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের সহজে পাঠিয়েছেন সাজঘরে। বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে দর্শকরা অভিভূত হয়েছেন। বিশেষ করে রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, তার দুর্দান্ত ফিফটিতে ১১৩ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ পরিণত হয়েছেন। এই জয়ে বাংলাদেশ ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে।

    কলম্বোতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। নির্ধারিত ৩৮ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৯ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের সর্বোচ্চ রান! ২৩। তারা যখন বড় সংগ্রহের জন্য সংগ্রাম করছিল, ঠিক তখনই বাংলাদেশের পেসার মারুফার প্রবল সুইং ও গতিতে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলে দেন। প্রথম ওভারেই ডাবল স্ট্রাইক করেন, ওমাইমাকে বোল্ড করেন। পরের বলেই ফর্মে থাকা সিধরা আমিনের স্টাম্প ভেঙে দেন। ফলে, পাকিস্তানের শুরু থেকেই দুর্দশা শুরু হয়।

    পাকিস্তানের হয়ে মুনিবা আলি ও রামিন শামিম কিছু বল লড়াই চালিয়ে যান, তবে তারা কোনোমতে দলের দেখাশোনা করেন। মুনিবা ৩৫ বলে ১৭ রান করেন, আর শামিম ২৩ রান করে ফিরে যান নাহিদার হাতে। ২ রানে ২ উইকেটের বিপর্যয় পাকিস্তানের জন্য ভয়ংকর।

    তবে সেখানে বাংলাদেশি বোলাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। মারুফা প্রথম ওভারে দারুণ সুইং দেখিয়ে সিধরা আমিন ও ওমাইমাকে ফিরিয়ে দেন। এরপর নিয়মিত ছন্দে বোলিং করে পাকিস্তানকে পিছু হঠান। ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্বর্ণা আক্তার, তিনিই ৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংসের সেরা বোলার। এছাড়া মারুফা ও নাহিদা দুটি করে উইকেট শিকার করেন, অনেকে ছিলেন শুভাকাঙ্ক্ষী।

    পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের ধৈর্য্য ও সাহস খুব একটা কাজে লাগেনি, ফাতিমা সানা ও নাটালিয়া পারভেজও ধীরে ধীরে উইকেট হারিয়ে যান। শেষদিকে ডায়ানা ২২ বলে ১৬ রান করে দলের কিছুটা মান ধরে রাখলেও, দেড়শর কাছাকাছি স্কোর গড়ার আগেই তারা অলআউট হয়ে যায়।

    বাংলাদেশের জন্য standout পারফরম্যান্সে রয়েছেন ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, যিনি অপরাজিত থাকলেন ৫৪ রানে ৭৭ বলে। তার সঙ্গে লোভনীয় পারফরম্যান্স করেছেন সুবহানা মোস্তারি ২৪*, আর নিশিতার ব্যাটে এসেছে ১০ রান। দুর্দান্ত বোলিং করেন স্বর্ণা আক্তার, যিনি ৩ উইকেট নিয়েছেন। মারুফা ও নাহিদা দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন। বাংলাদেশের এই জয় বিশ্বকাপে তাদের আত্মবিশ্বাস অনেক↑ বাড়িয়ে দিয়েছে, এবং দুই দেশের মধ্যে প্রচন্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের স্মৃতি এখনও বেঁচে থাকবে ফুটফুটে প্রতিভাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য।

  • বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতে বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত আসিফ আকবর

    বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতে বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত আসিফ আকবর

    আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের নির্ধারিত দিন। এর আগে, আজ বুধবার (০১ অক্টোবর), প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। এই দিন পর্যন্ত, বিকেল ১২টায়, বেশ কিছু প্রার্থী নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তামিম ইকবালসহ মোট ১৬ জন।

    চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে মীর হেলাল উদ্দিন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলে, সেখানে কেউ অন্য কোন প্রার্থী থাকেননি। ফলে, সেখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গায়ক ও ক্রিকেট প্রেমী আসিফ আকবর পরিচালক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই নির্বাচনটি সম্পন্ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অধীনে। সেখানে একইভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেছেন আহসান ইকবাল চৌধুরী।

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় চমক ছিলেন তামিম ইকবাল, যিনি এক সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের একজন সফল অধিনায়ক। আরও বেশ কয়েকজন বিএনপিপন্থী ক্রীড়া সংগঠকের পাশাপাশি, বড় বড় প্রার্থিরা নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে সাঈদ ইব্রাহিম, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ বোরহানুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম বাবু যেমন উল্লেখযোগ্য।

    আসিফ আকবর যেমন কণ্ঠশিল্পী, তেমনি তার ক্রিকেটের সাথে যোগ রয়েছে পুরনো। তিনি অতীতে ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট খেলেছেন। শিল্পী হওয়ার আগে তিনি কুমিল্লার ক্রিকেট পাড়ায় এক পরিচিত মুখ ছিলেন।

    বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সিরিজ কনসার্টে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। সফর শেষে, এ মাসের শেষদিকে তিনি দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তার বিজয়টি শিল্পীর জনপ্রিয়তা ও ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতিফলন।

  • বিসিবির নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১০ পরিচালক

    বিসিবির নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১০ পরিচালক

    বিসিবির নির্বাচন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পরিস্থিতি এখন স্পষ্ট হয়ে এসেছে। যাচাই-বাছাই ও শুনানির পর মোট ৫০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন, যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী আগেই নির্বাচন থেকে ওতপ্রোতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার শেষ মুহূর্তে ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলে, নির্বাচনে অংশ নেবেন মোট ৩৩ প্রার্থী, যারা তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫টি পরিচালক পদে লড়াই করবেন ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে।

    নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. শেখ জোবায়েদ হোসেন বলেন, “প্রার্থী তালিকা এখন চূড়ান্ত করে দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীরা ব্যক্তিগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’’ তিনি আরও জানান, বিশেষ করে ঢাকা ক্লাবগুলোকে নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-২-তে বেশির ভাগ প্রার্থীই এখন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই ক্যাটাগরির ৩০ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনই নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন, যার ফলে কিছু ক্লাবের জন্য এই ক্যাটাগরিতে নির্বাচন আর হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না। এমন পরিস্থিতিতে, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ভাইকিংস ক্রিকেট একাডেমির ইফতেখার রহমানসহ ১৫ জন প্রার্থী এই ক্যাটাগরিতে অংশ নিতে পারবেন না। এই ক্যাটাগরির প্রার্থী সংখ্যা এখন মোট ১৬ জন, যারা ১২টি পরিচালক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কেবল ১৬ জনের মধ্যে থেকে ভোটে জয়লাভ করবেন ১২ জন।

    আরো জানা গেছে, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-১ থেকে নির্বাচিত হবেন ১০ জন পরিচালক। এখানে যদিও ৭১ জন কাউন্সিলর ভোটার হওয়ার কথা ছিল, তবে নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থার অনুপস্থিতির কারণে ভোটার সংখ্যা এখন ৭০ জন। এই ভোটাররা শুধুমাত্র নিজেদের বিভাগের জন্য ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছেন। তবে অনেক অভিযোগ উঠেছে कि এই ক্যাটাগরির বেশির ভাগ কাউন্সিলরই এই নির্বাচনে একশ্রেণির প্রার্থী তথা যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পছন্দের প্রার্থীদের মনোনীত করেছেন, যারা বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলামকেও সমর্থন দিচ্ছেন।

    বিশেষ করে, এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় খবর হলো সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের প্রার্থিতা প্রত্যাহার। শুধু তামিমই নয়, তার প্যানেল থেকে আরও কিছু জনপ্রিয় প্রার্থীও এখন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন না। এতে নির্বাচনী উত্তাপ কিছুটা কমে এসেছে।

    চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, তিনটি বিভাগের মধ্যে ভোটের লড়াই চলবে। অন্য বিভাগ ও ক্যাটাগরিতে একক প্রার্থী থাকায় সেগুলিতে সরাসরি নির্বাচিত করা হবে। আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রিয় ক্রিকেটার ও সাবেক নির্বাচক আবদুর রাজ্জাক, জুলফিকার আলী খান, শাখাওয়াত হোসেন এবং রাহাত সামস।

    এদিকে, বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচনী লড়াইও দেখা যাচ্ছে। ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জন্য আলাদা ভোট হবে। ঢাকার জন্য নির্বাচনে লড়বেন বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম, নাজমুল আবেদীন ও এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান। অন্যদিকে, রাজশাহী ও রংপুরের প্রার্থীরা নিজেদের বিভাগীয় কাউন্সিলরদের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা প্রতিনিধির জন্য ক্যাটাগরি-৩-এ রক্তরঙের ভোটের পরিবেশ। মোট ৪৫ জন ভোটার এই ক্যাটাগরিতে ভোট দেবে, যার মধ্যে মনোনয়নপ্রাপ্ত হলেন দেবব্রত পাল ও খালেদ মাসুদ। প্রার্থিতাদের মধ্যে কেউ কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ফেলেছেন।

    সব মিলিয়ে, এই নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন মোট ১০ জন পরিচালক, যাদের মধ্যে খুলনা বিভাগ থেকে আবদুর রাজ্জাক, জুলফিকার আলী খান, বরিশাল ও সিলেটের প্রার্থীরাও রয়েছেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগে এখনো লড়াই চলছে। ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান বোর্ডের সভাপতি, নতুন প্রার্থীরা এবং ইতিহাসের নাটকীয় পরিবেশে গড়ে উঠছে নতুন বিসিবি।

  • বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হলেন আসিফ আকবর

    বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হলেন আসিফ আকবর

    আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। এর আগে, আজ বুধবার (১ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। সকাল ১২টা পর্যন্ত চলা এই সময়সীমার মধ্যে, বেশ কয়েকজন প্রার্থী, যার মধ্যে তামিম ইকবালসহ ১৬ জন, নির্বাচনী থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেন।

    চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে মীর হেলাল উদ্দিন এই প্রক্রিয়ায় সরে দাঁড়ানোর কারণে, সেখানে কেবল একজন প্রার্থী থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন। একইভাবে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেন আহসান ইকবাল চৌধুরী।

    বিশেষ উল্লেখ, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বড় ধাক্কা দেন তামিম ইকবাল। সাবেক এই অধিনায়কসহ বেশ কিছু বিএনপি-নেত্রীকামী ক্রীড়া সংগঠকদের নামও শেষ সময়ে প্রত্যাহার তালিকায় এসেছে। এতে আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ বোরহানুল ইসলাম এবং রফিকুল ইসলাম বাবু — যারা এই নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে ছিলেন।

    অন্যদিকে, কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেও আসিফ আকবর পেশাদার ক্রিকেটের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি খেলেছেন ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেটে, এমনকি কুমিল্লা অঞ্চলের ক্রিকেট পাড়ায় বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সিরিজ কনসার্টে পারফর্ম করে যাচ্ছেন আসিফ আকবর। দেশের ফিরতে এখনও কিছুদিন বাকি। এই মাসের শেষের দিকে তিনি দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।

  • সাইফের র‍্যাঙ্কিংয়ে লম্বা লাফ, অভিষেকের বিরল বিশ্ব রেকর্ড

    সাইফের র‍্যাঙ্কিংয়ে লম্বা লাফ, অভিষেকের বিরল বিশ্ব রেকর্ড

    গত কয়েক বছর ধরে টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে আধিপত্য ছিল হার্দিক পাণ্ডিয়ার। তবে সম্প্রতি সেই আধিপত্য ভেঙে দিয়েছেন সাইম আইয়ুব। এশিয়া কাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি তিন ধাপ এগিয়ে শীর্ষে উঠেছেন। বিশেষ কিছু কথা হলো, তিনি চার ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েও র‌্যাঙ্কিংয়ে এতটা উন্নতি করেছেন।

    অন্যদিকে, হার্দিক এখন র‍্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তবে সায়মের থেকে তিনি আট ধাপ পিছিয়ে আছেন। ভারতের দুজন অলরাউন্ডারকে পেছনে ফেলে পাকিস্তানের মোহাম্মদ নাওয়াজ চার ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বর স্থানে উঠে এসেছেন। শ্রীলঙ্কার চারিথ আসালাঙ্কাও তিন ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৩০তম স্থানে রয়েছেন। এশিয়া কাপে তাদের পারফরম্যান্স এই র‍্যাঙ্কিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন ভারতের অভিষেক শর্মা। তিনি এক অসাধারণ রেকর্ড তৈরি করেছেন, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে ছিল স্থায়ী। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুর্দান্ত হাফ-সেঞ্চুরির পর তার রেটিং ৯৩১ পয়েন্টে পৌঁছায়—টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ইংল্যান্ডের ডেভিড মালানের (৯১৯ পয়েন্ট, ২০২০ সালে)। এই আকাশচুম্বি অর্জনের ফলে, তিনি নিজের সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব এবং বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেলেছেন। ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার গত বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই দ্রুত উঠে আসছেন বিশিষ্ট তারকায়।

    এশিয়া কাপের পারফরম্যান্সে তিনি ৩১৪ রান করেছেন, গড় ৪৪.৮৫। এই পারফরম্যান্স তাকে টুর্নামেন্টের সেরার পুরস্কার এনে দেয়। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডের ফিল সল্টের থেকে ৮২ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে আছেন। ভারতের তিলক ভার্মা তিনে, শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা পঞ্চমে ও কুশল পেরেরা নবম স্থানে রয়েছেন।

    টিটিইউইটি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বাংলাদেশের ওপেনার সাইফ হাসান ৪৫ ধাপ এগিয়ে ৩৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার রেটিং পয়েন্ট এখন ৫৫৫, আর আগের সপ্তাহে তিনি ১৩৩ ধাপ এগিয়েছিলেন। বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে রিশাদ হোসেন এগিয়ে ২০ নম্বরে অবস্থান করছেন।

    এশিয়া কাপের পারফরম্যান্সে পাকিস্তানের শাহিবজাদা ফারহান ১৩তম স্থানে পৌঁছেছেন, আর ভারতের সাঞ্জু স্যামসন ৩১তম। বোলিংয়ে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে রয়েছেন, যিনি এশিয়া কাপের সাত উইকেট নিয়ে তার অবস্থান ধরে রেখেছেন। পাকিস্তানের শাহিন আফ্রিদি ১২ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ১৩ নম্বরে, কুলদীপ যাদব ৯ ধাপ উন্নতি করে ১২ নম্বরে আছেন।

  • বিসিবি নির্বাচনে সরকারের অনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ

    বিসিবি নির্বাচনে সরকারের অনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠছে। গতকাল রাতে ১৫টি ক্লাবের নির্বাচন বয়কটের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। আজ সেই গুঞ্জন সত্যি হয়েছে, কারণ সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ ১৫ জন প্রভাবশালী প্রার্থী নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

    আজ সকালে প্রার্থীরা বিসিবির কার্যালয়ে এসে নিজেদের আবেদন জমা দেন। দুপুর ১২টা ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। তাদের সরে দাঁড়ানোর কারণে সকাল ও দুপুরের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।

    প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে মূলত সরকারের হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছেন সাবেক ক্রিকেটার ও প্রার্থী ইসরাফিল খসরু। তিনি বলেন, ‘সরকারের একটি গোষ্ঠী এখানে স্পষ্টভাবে হস্তক্ষেপ করছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য দুঃখজনক। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয় বিস্তারিত জানানো হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ মোটেও স্বাভাবিক নয়। বিসিবির নির্বাচনে এই ধরনের অস্বচ্ছতা অপ্রত্যাশিত। বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় কাউন্সিলরদের ফোন করে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। এছাড়াও ১৫টি ক্লাবের স্বেচ্ছাচারিতা মনোযোগযোগ্য।’

    ইসরাফিল খসরু বলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক নির্বাচন প্রক্রিয়া নয়। সত্যি বলতে, আমরা নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের নির্বাচন দেখতে পারছি না। নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ম্যানুফেকচার করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়। নৈতিক দিক থেকে আমি এই অবস্থানে রয়েছি।’

    সরকারের সঙ্গে সমঝোতার গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ফেয়ারনেস, যৌক্তিকতা ও সমতার ভিত্তিতে সমঝোতা হয়। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না তৈরি হয়, ততক্ষণ এই বিষয়ে কোনও আলোচনা হবে না। পুরো বিষয়টাই প্রভাবিত হয়েছে।’

    তামিম ছাড়াও সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, রফিকুল ইসলাম বাবু, সৈয়দ বোরহানুল ইসলামসহ আরও অনেক প্রভাবশালী প্রার্থী ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। এতে ৬ অক্টোবর নির্ধারিত বিসিবি নির্বাচনের পরিস্থিতি এখন অজান্তার মধ্যে থাকে, যা ভবিষ্যত নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরছে।

  • অসাধারণ শর্তে ভারতকে ট্রফি দেওয়ার ঘোষণা এসিসি সভাপতির

    অসাধারণ শর্তে ভারতকে ট্রফি দেওয়ার ঘোষণা এসিসি সভাপতির

    সাম্প্রতিক এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও ভারতের ক্রিকেটাররা ট্রফি হাতে দেখার সুযোগ পাননি। ভবিষ্যতেও কি তাঁরা ট্রফি পাবেন, এটি নিয়ে যেমন অনিশ্চয়তা রয়েছে, তেমনি ট্রফির জটিলতা আরও গেঁথে গেছে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি ট্রফি বিতরণে নতুন শর্ত আরোপ করেছেন। তিনি বলছেন, ভারতের পক্ষ থেকে ট্রফি নিতে হলে সূর্যকুমার যাদবকে আসতে হবে। অন্য কাউকে ট্রফি নেওয়া যাবে না। যদি ভারতীয় বোর্ড কোনও প্রতিনিধি পাঠায়, তবে ট্রফি দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, ভারতের অধিনায়ককে ট্রফি নিতে থাকলে, দুবাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সদর দপ্তরে এসে ট্রফি গ্রহণ করতে হবে।

    তীব্র আলোচনা চলাকালীন মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা নাকভিকে বলেছেন, এশিয়া কাপের ট্রফি যেন দ্রুত ভারতের হাতে দেওয়া হয়। এ নিয়ে প্রথমে নাকভি বলেন, এটি বিষয় নয়, কোনও আলোচনা হবে না। এরপর ভারতীয় প্রতিনিধিরা চাপ দিতে থাকলে, তিনি জানান, সূর্যকুমার যাদবকে নিজে দুবাইয়ে হাজির হয়ে ট্রফি নিতে হবে।

    বৈঠকে এই পরিস্থিতিতে কোনও সমাধান হয়নি। ভারত চেয়েছিল, দ্রুত ট্রফি ও মেডেল পেয়ে যাবেন। ভারতীয় বোর্ডের কঠোর অভিযোগের মুখেও ট্রফির সমস্যা ব্যক্তিগত পছন্দের নয় বলে জানিয়ে দেন নাকভি। শুক্লা ও শেলার বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিকভাবে উঠোনে চলে যান।

    বৈঠকের শুরু থেকেই শুক্লা নাকভিকে প্রশ্নous করেন, কেন ট্রফি দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, ট্রফি ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এর অর্থ এই যে, নাকভি তা নিজের সঙ্গে হোটেলে নিতে পারেন না। এই বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করে বোর্ডের সচিবও চেয়েছিলেন, দ্রুত ট্রফি ও মেডেল ভারতের হাতে তুলে দিতে।

    বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। নাকভি তখন অভিযোগ করেন, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল, যেন তিনি কার্টুনের মতো দেখাচ্ছিলেন। টিমের পক্ষ থেকে ট্রফি নেওয়ার মৌখিক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু লিখিত কিছু হয়নি। তাই তিনি তখনও পুরস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে, ক্রিকবাজের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধিরা দ্রুত একটি বৈঠক করবেন, যেখানে এই ট্রফির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হবে।

  • বিসিবি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন

    বিসিবি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন

    বিসিবির নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর বিশ্লেষণ reveals যে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। গত শনিবার, যাচাই-বোছাই ও শুনানি শেষে ৫০ জনের তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তবে বুধবার অনেক প্রার্থী নিজ নিজ মানসিক ও ব্যক্তিগত কারণে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে, আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে মোট ৩৩ প্রার্থী ২৫টি পরিচালক পদের জন্য তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে লড়াই করবেন।

    দেহে আদালতের নির্দেশনায় ও নীতিমালার কারণে কিছু ক্যাটাগরিতে নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রার্থীরা প্রত্যাহার করে নেন। বিশেষ করে ক্যাটাগরি-২, যেখানে ঢাকার ক্লাবগোষ্ঠীযুক্ত প্রার্থীরা বেশি, সেখানে ৩০ জনের মধ্যে ১৩ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। যদিও কিছু ক্লাবের প্রার্থী বর্তমানে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্বাচন করতে পারবেন না। এ পরিস্থিতিতে, এই ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রার্থীRemaining, ১২ জনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির অধীন ক্যাটাগরি-১ থেকে ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এখানে লক্ষ্য করা গেছে যে, ৭১ জন সম্ভাব্য ভোটার থাকলেও নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে কোন কাউন্সিলর মনোনীত না হওয়ায় ভোটার সংখ্যা কমে ৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ভোটাররা নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার শাহাদত করতে আওয়ামীলীগ, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীবের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন করছেন বলে জানা গেছে।

    বিশেষ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের প্রার্থিতা প্রত্যাহার। তার পাশাপাশি, বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীও নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, ফলে এবারের নির্বাচনী উত্তাপ কিছুটা কমে গেছে।

    চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, তিনটি বিভাগে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অন্য বিভাগে একক প্রার্থী থাকায় তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত হয়ে যাবেন। কিছু বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংগঠক।

    নির্বাচনের প্রধান বিভাগগুলো হলো ক্যাটাগরি ১, ক্যাটাগরি ২ ও ক্যাটাগরি ৩। ক্যাটাগরি ১-এ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জন্য আলাদা ভোট অনুষ্ঠিত হবে যেখানে বিভিন্ন প্রার্থী অংশ নেবেন। ক্যাটাগরি ২ ও ৩-এ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাবেন, বিশেষ করে বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও ঢাকা বিভাগে।

    সর্বমোট, এই নির্বাচন অনেক চমকপ্রদ ও নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে কিছু প্রার্থী নির্বাচনের বাইরে থাকা সত্ত্বেও, কিছু প্রকারান্তরে বিজয়ী হয়ে যাচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিবর্তনশীল রাজনীতি এবং স্পষ্টমত গ্রহন করার জন্য বিসিবির ভবিষ্যত দিক নির্ধারিত হবে।

  • বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন বুলবুল ও ফাহিম

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের ব্যাপারে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনের জন্য মনোনয়নের শেষ তারিখ আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রোববার পর্যন্ত। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, গতকাল শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালকের পদে মনোনয়ন গ্রহণের কাজ চলে। আজ রোববার সকাল থেকে মনোনয়ন জমা চলছে, যা বিকেল পর্যন্ত চলবে।

    আজ দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সেরা তারকা খেলোনোফুল্লা ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং বাংলাদেশ দলের বর্তমান কোচ ও সাবেক অধিনায়ক নাজমুল আবেদিন ফাহিম। উল্লেখ্য, এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই ফরম জমা দিয়েছেন। এর আগে, গতকাল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ জন মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

    প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের থেকে মনোনয়ন এখন পর্যন্ত ২৫ জন প্রার্থী دریافت করেছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, খুলনায় ৩ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, সিলেটে ৩ জন, রংপুরে ৬ জন ও বরিশাল থেকে ১ জন মনোনয়ন জমা করেছেন।

    দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছেন।

    তৃতীয় ক্যাটাগরিতে, অর্থাৎ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে, এখন পর্যন্ত ৩ প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশ দলের সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট ও বিসিবির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন নিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও পরিচালকের পদের জন্য মনোনয়ন কিনেছেন। তিনি ক্লাব ক্যাটাগরিতে ঢাকার ওল্ড ডিওএইচএস কাওন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। পাশাপাশি, সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়াও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বরিশাল বিভাগের মনোনয়নপ্রার্থী শাখাওয়াত হোসেন নির্বাচিত হতে চলেছেন। কিছু বিভাগের জন্য এই নির্বাচন প্রক্রিয়া খুবই দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছেন বেশ কিছু প্রার্থী।

  • সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে গেল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি দলই দারুণ লড়াই করেছে, ম্যাচ শেষ হয় ২-২ সমতায়। তবে টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে ভারত, ফলে তারা এই আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা পায়। এটি ভারতের সপ্তম শিরোপা, যেখানে এখন পর্যন্ত তারা ১১ বার অংশ গ্রহণ করে সর্বোচ্চ সাতবার বিজয়ী হয়েছে। নিজদলের সামান্য পারফরম্যান্সের তুলনায় বাংলাদেশ দুবার শিরোপা জিতলেও, এবার তাদের আশা ভেঙে গেছে। কলম্বোর রেসকোর্স গ্রাউন্ডে খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় ভারতের দাললমৌন গ্যাংটে, তৃতীয় মিনিটে তিনি বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করে গোল করেন। এরপর ২৫ মিনিটে মানিকের দুর্দান্ত হেড লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশের সমতা ফেরানোর সুযোগ হয়। তবে বিরতির আগেই আবারও ভারতের দলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ, ৩৮ মিনিটে আজলান শাহর গোলে ভারত ২-১ এ এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দলই গোলের জন্য জোরদার প্রয়াস চালায়। শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের রেদোয়ানের গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি ২-২ সমতায় শেষ হয়। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষেই বিজয় হয়। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে দুই দলই ফাইনালে পৌঁছায়। সেমিফাইনালে ভারত নেপালকে ৩-০ গোলে হারায়, এবং বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপার লড়াইয়ে উঠে আসে। তবে সবশেষে আবারও এই প্রতিযোগিতায় জয়টি প্রত্যাশিতভাবে যায় ভারতের দিকেই।