Category: খেলাধুলা

  • আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরের আশা বজায় রাখলো বাংলাদেশ

    আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরের আশা বজায় রাখলো বাংলাদেশ

    তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরির জোরে প্রথম ১০ ওভারে বাংলাদেশ ৮৭ রান তুলেছিলো, তবে এরপর ব্যাটিংয়ে তারা ঠিকঠাক করার রাখতে পারেনি। এই কারণে ভালো শুরু পাবার পরও ১৫৪ রানে আউট হতে পারেনি বাংলাদশের ব্যাটসম্যানরা। লক্ষ্য অনুযায়ী দ্রুত রান সংগ্রহের চেষ্টায় আফগানরা নিয়মিত উইকেট হারাতে শুরু করে। নাসুম আহমেদ ও রিশাদের দুর্দান্ত স্পিনে তাদের ১৪৬ রানে আটকে দেয় বাংলাদেশ। এর ফলে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ রানে জেতা বাংলাদেশ সুপার ফোরে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় লিটন-তাসকিন আহমেদের দল।

    আফগানিস্তান শুরুতেই নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই সেদিকউল্লাহ অটলের উইকেট হারায় তারা। নাসুম আহমেদের লেংথ ডেলিভারিতে ব্যাকফুটে গিয়ে খেলার চেষ্টায় লেগ বিফোরে আউট হন বাঁহাতি ওপেনার সেদিকউল্লাহ। একই ওভারে সেখানে মেইডেন হয় এবং উইকেটও পান নাসুম। দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশ পেলো সুযোগ, ইব্রাহিম জাদরান কাট করতে গিয়ে কাটা পড়েন।

    দ্বিতীয় ওভারে স্ট্রাইক পান রিশাদ, তিনি বেশ কিছু ভালো ডেলিভারি করেন এবং ইব্রাহিমকে ফিরিয়ে দেন। ইব্রাহিমের ১২ বলে ৫ রানের ইনিংস এভাবেই শেষ হয়। আফগানরা প্রথম পাওয়ার প্লে-তে ২৭ রানে এগোতে পারেনি। তবে গুরবাজ ও গুলবাদিন বড় শট খেলার জন্য উঠে আসে, যদিও রিশাদ তাদের প্রথম জোড়া আউট করেন গুলবাদিনকে লিডিং এজে ক্যাচ করে। এরপর গুরবাজের ক্যাচ ইভেন্টে মহামূল্যবান হয়ে ওঠে।

    মোহাম্মদ নবি সঙ্গে কিছুটা ঝড় তুললেও শেষ পর্যন্ত রানের জগতে কিছুটা নীচে পড়ে। তাকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ। নবি ১৫ বলে ১৫ রানে আউট হন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই স্বভাবতই ব্যাটে ঝড় তোলে। তিনি প্রথমে সাইফের চার ও দুই ছক্কা মারেন, পরে তাসকিনের ওভারে আবার ছক্কা মারেন। তবে ওমরজাইকে তাসকিন ফিরিয়ে দেন। করিম জানাতের রান আউটের পর রশিদ ও গাজানফারকেও ফেরান মুস্তাফিজ। আফগানদের রানের ঝুড়ি শেষ হয় ১৪৬।

    অন্যদিকে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই উজ্জীবিত হয়। পাওয়ার প্লেতে এক উইকেটও হারায়নি তারা। ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফের দুর্দান্ত সূচনায় বাংলাদেশ দ্রুত শুরু করে। বিশেষ করে, তানজিদ মাত্র ২৮ বলে সাতটি ছোড়া উড়ান নিয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন যা বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের পথ দেখায়। তবে অন্য ব্যাটাররা অনুকরণে সক্ষম হয় না, ফলে সংগ্রহ থামে ১৫৪ রানে।

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দুরন্ত চাপের মধ্যে দুটি জোড়া উইকেট নেয় আফগান স্পিনার রশিদ ও নূর আহমেদ, তারা মাত্র ৮ ওভারে ৪৯ রান খরচ করে। এই স্পিনারদের বোলিংয়ের ফলে বাংলাদেশ উড়ন্ত সূচনা সংগ্রহ করলেও ফলাফল আশা অনুযায়ী হয়নি। সাইফ ২৮ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন, তবে অন্যপ্রান্তে তানজিদ ঝোড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান। তিনি ঢুকে পড়েন নিজের সপ্তম টি-টোয়েন্টি হাফ সেঞ্চুরিতে। ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ হয় ৮৭/১, যা দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যায়।

    তবে মধ্যভাগে কিছুটা চাপের মুখে পড়ে। তাওহীদ হৃদয় ২০ বলে ২৬ রানসহ আউট হন, আর শামীম হোসেন ১১ বলে ১১ রান করেন। শেষের দিকে জাকের ব্যাটে চাপ বাড়িয়ে ১২ রানে ১৩ বলে ১২ রান করেন। নুরুল হাসান সোহান ৬ বলে ১২ রান করে দলের রান ১৫২ পার করেন। অবশেষে, বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৫৪ রান, যা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা সংগ্রহ।

  • বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    আগামী ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়, যা নির্বাচনের পরিচালনা করবে।

    সম্প্রতি, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পূর্ণাঙ্গ ভোটের tফসিল প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে, যার মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকা প্রকাশ, মনোনয়নপত্র বিতরণ ও জমা, যাচাই-বাছাই, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা, ভোটদান এবং ফলাফল ঘোষণা।

    বিশদ বিবরণে জানা যায়:
    – ২০ সেপ্টেম্বর: ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ ও আপত্তি গ্রহণ শুরু
    – ২১ সেপ্টেম্বর, দুপুর ১টার মধ্যে আপত্তি দাখিলের সময়সীমা
    – ২১ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায়: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে
    – ২২-২৩ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র বিতরণ
    – ২৫ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন
    – ২৬ সেপ্টেম্বর: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ
    – ২৭ সেপ্টেম্বর: আপিল ও শুনানি
    – ২৮ সেপ্টেম্বর: প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও বৈধ প্রার্থীদের তালিকা স্থির করা হবে
    – ২৮ সেপ্টেম্বর: ডাক ও ই-ব্যালট বিতরণ
    – ৪ অক্টোবর: ভোটগ্রহণ ও প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা
    – ৫ অক্টোবর: চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা

    এটি প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ তফসিলের মাধ্যমে বোর্ড নির্বাচনের সব প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

  • অসহযোগিতা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের এশিয়া কাপে প্রত্যাবর্তন

    অসহযোগিতা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের এশিয়া কাপে প্রত্যাবর্তন

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ থেকে নিজেদের উপস্থিতি ধরে রাখার জন্য কঠোর অবস্থান থেকে সাময়িক পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাথে হাত মেলানোর অস্বীকৃতিতে প্রতিবাদ জানিয়ে পিসিবি দ্ব্যর্থহীনভাবে অভিযোগ তোলে যে, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের ভূমিকা ছিল এই ঘটনায়। তারা দাবি করে, যদি তাদের এই অভিযোগ মানা না হয়, তবে তারা এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করবে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদের এই অভিযোগ নাকচ করে দেয়। এরফলে, নিজস্ব দাবিতে অনড় থাকা পিসিবি একটি সংবাদ সম্মেলনও বাতিল করে দেয়, যেখানে তারা তাদের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা ছিল।

    এর মধ্যেই ক্রিকবাজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করমর্দন বিতর্ক ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হয়েছে। আইসিসি-প্রস্তাবিত আলোচনার ফলে এই চাপ কমে এসেছে এবং এশিয়া কাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ওমানের ক্রিকেট বোর্ড এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গেছে।

    সূত্রের মতে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দাবির প্রেক্ষিতে—অ্যান্ডি পাইক্রফটকে টুর্নামেন্ট থেকে সরানোর দাবি আইসিসি মানেনি। তবে, জানা যাচ্ছে যে, আজ (বুধবার) পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরবর্তী ম্যাচে পাইক্রফটের বদলে অন্য আইসিসির রেফারি, রিচি রিচার্ডসন, দায়িত্ব নেবেন। তবে, পাইক্রফট টুর্নামেন্টের ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে থাকবেন। এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

    প্রাথমিকভাবে, পিসিবি কঠোর অবস্থান নিলেও, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে তাদের পিছু হটতে হয়। পাকিস্তানের অভিযোগ ছিল যে, ভারতীয় ম্যাচে পাইক্রফট পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছিলেন। যদিও আইসিসি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এরপর ওমান ও ইউএই বোর্ডের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে যান এবং পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানে কিছু ‘ফেস সেভিং’ পরিবর্তন আনা হয়।

    অবশ্য, এখনো পিসিবি বা আইসিসি থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষনা আসেনি, তবে গতকাল (মঙ্গলবার) পিসিবির মুখপাত্র আমির মীর জানিয়েছেন, “আলোচনThings চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজই জানানো হবে। পাকিস্তানের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, পিসিবির প্রধান মহসিন নাকভি ইসলামাবাদ থেকে লাহোরে ফেরার পর বোর্ডের একটি জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে সরকারের পর্যায়ে আলোচনা বাকিটা বিষয় নিয়ে চর্চা হয়, যেখানে করমর্দন বিতর্ক, পরিস্থিতির প্রভাব এবং আইসিসির সঙ্গে সম্পর্কের অচলাবস্থার বিশদভাবে আলোচনা হয়।

  • নতুন করে কিছুদিনের জন্য স্থগিত এনসিএল টি-টোয়েন্টি

    নতুন করে কিছুদিনের জন্য স্থগিত এনসিএল টি-টোয়েন্টি

    প্রথম আসরের সফলতার পর, এবার এনসিএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসর নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী ও বগুড়ায় এই টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য ছিল এক অন্যরকম উত্তেজনা। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, চরম আবহাওয়ার কারণে সব আনন্দের মুখোশ ভেঙে গেছে। বৃষ্টির কারণে এখন এই আসরটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

    ১৪ সেপ্টেম্বর এটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দ্বিতীয় আসর শুরু হয়। প্রথম দিন রাজশাহীর ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে খুব বেশি ছাড়াই শেষ হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত, পরিস্থিতির কারণে ওইদিন ৫ ওভার করে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন বগুড়ার ম্যাচটিও আবহাওয়ার কারণে পরিত্যক্ত হয়।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলেছিল, পরবর্তী দুই দিনও বৃষ্টির প্রবণতা থাকবে। তাই বগুড়ার ম্যাচগুলো রাজশাহীতে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিলেও লাভ হয়নি। বৃষ্টির কারণে রাজশাহী স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা ম্যাচগুলোও বিভিন্ন দিন পরিত্যক্ত হয়। টানা তিন দিনের বৃষ্টির কারণে, মোট ছয়টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি মাঠে অনুষ্ঠিত হতে পেরেছে; বাকি পাঁচটি বাতিল হয়েছে।

    আবহাওয়ার এই অবস্থা দেখে টুর্নামেন্টের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে পারেনি, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ফলে, সব আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেঙে, অবশেষে এই প্রতিযোগিতা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

  • আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    বাংলাদেশের জন্য বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি ছিল বেশ অনিশ্চিত। শুরুতেই চাপের মধ্যে পড়ে গেলেও, তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রান তুলে, দেশের দর্শকদের আশা জাগিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ব্যাটসম্যানরা.expected প্রস্তুত করা যায়নি, যার ফলস্বরূপ, ১৫৪ রানের বেশি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি। বাংলাদেশ দল মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় অনবরত উইকেট হারাতে থাকলে, আফগানিস্তানের দিক থেকে জয়ের আশা দুর είনায় যেড়ে। তবে, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত স্পিনিং পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে ১৪৬ রানে আটকে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ফলে, বাংলাদেশ ৮ রানে জয় লাভ করে এবং তাদের সুপার ফোরের স্বপ্নটি অক্ষত থাকলো।

  • পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে সবসময়ই ছিলো কঠিন টানটান উত্তেজনা, আর এবার সেই উত্তেজনার সূত্র ধরেছে নতুন এক বিতর্কের সৃষ্টি। সম্প্রতি দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ক্রিকেট ম্যাচে ভারতের জয় হয় শক্তিশালী পাকিস্তানকে দুয়ারে হঠাৎই উড়িয়ে দিয়ে। এই ম্যাচের নায়ক ছিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে ম্যাচের পরের ঘটনা যেন এই জয়ের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে গেছে, সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

    জয়ের পর কোনও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাননি সূর্যকুমার। এমনকি টসের সময়ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার সঙ্গে করমর্দন বা কুশল বিনিময় করেননি তিনি। অনেকের কাছে এটি অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ বলে প্রশংসিত হলেও কিছুজনের সমালোচনায় পড়েছে।

    কিন্তু এই বিতর্কের সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক ঘটনা ঘটে পাকিস্তানের প্রখ্যাত সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের হাত ধরে। এক টিভি আলোচনায় সূর্যকুমারকে নিয়ে আলোচনায় বসে তিনি একাধিকবার তাকে ‘শূকর’ বলে গালি দেন। সঞ্চালক বারবার তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ইউসুফ যেন নিজেই থামতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘ভারত সিনেমার দুনিয়া থেকে বের হতে পারছে না। আম্পায়ার আর ম্যাচ রেফারির মাধ্যমে জেতা হচ্ছে। এটা লজ্জাজনক!’ এরপর তার গালাগাল বন্ধ হয়নি, চলতে থাকে।

    এই মন্তব্য মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। ভারতের ক্রিকেটভক্তরা ইউসুফের এই আচরণে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

    অবশ্য এই বিতর্কের পরে ইউসুফ এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট করে বলেছেন, ‘আমি কাউকে অসম্মান করতে চাইনি। আবেগের বশে কথাগুলো বলে ফেলেছি। তবে ইরফান পাঠান যখন আফ্রিদিকে ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে বলেছিল, তখন তো ভারতীয় মিডিয়া সেটাকে প্রশংসা করেছিল!’

    ইউসুফ যে ঘটনার কথা বলছেন, সেটি ইরফান পাঠানের এক পুরনো সাক্ষাৎকার থেকে নেয়া। সেখানে পাঠান জানান, ২০০৬ সালের পাকিস্তান সফরে আফ্রিদির আচরণে বিরক্ত হয়ে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেছিলেন, ‘আফ্রিদি তো অনেকক্ষণ ধরে ঘেউ ঘেউ করছে, নিশ্চয়ই কুকুরের মাংস খেয়েছে!’ এরপর থেকে আফ্রিদি আর কখনো তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করেননি বলে উল্লেখ করেন।

  • বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় এসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। Initially চিন্তা ছিল, এই সিরিজ তিন শহরে আয়োজন করা হবে, তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে দুই ফরম্যাটের ম্যাচগুলো মিরপুর ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মঙ্গলবার এই আসন্ন সিরিজের সূচি নিশ্চিত করেছে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হবে ১৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ২০ ও ২৩ অক্টোবর যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ গড়াবে একই স্থানে। এই ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো দর্শকদের জন্য বড় একটি ট্রেলার হতে চলেছে কারণ এটি হবে দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মহোর্ষে, কারণ স্পষ্টতই এটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতে, যেখানে শক্তিভুক্ত হবে ভারত নিজের হয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

    তারপর, টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (পূর্বে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর।

    উভয় দলের জন্যই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের জন্য ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের বড় সুযোগ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, যেখানে তারা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবিয়ান দলকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করেছিল। এই সিরিজের মাধ্যমে বাংলাদেশের টাইগাররা ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর প্রথমবার কোনও সিরিজে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই জিতল। তবে, ওই সফরে ওয়ানডে সিরিজে তারা হোয়াইটওয়াশ হয়ে ফিরে এসেছিল। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ হয়।

  • আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেকের জন্য সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বলেছিল, ম্যাচ রেফারি হিসেবে অ্যান্ডি পাইক্রফটকে এশিয়া কাপ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, পাইক্রফট এশিয়া কাপের ম্যাচে ছিল এবং তার কোনও অস্বাভাবিক ভুমিকা ছিল না। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন তিনি, এমন সিদ্ধান্তই কার্যকর থাকবে। ক্রিকবাজ নামে একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আইসিসি এখনও পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি, তবেছেন তারা পাকিস্তান বোর্ডকে এই সিদ্ধান্তের খবর দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, জাতির নেতৃত্বদানকারী জয় শাহর মাধ্যমে।

    গত রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টসের সময় করমর্দন না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। পিসিবির অভিযোগ ছিল, রেফারি পাইক্রফট পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘাকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হাত মেলাতে বাধা দেয়। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে পাইক্রফটের কোনো স্বাধীন ভূমিকা ছিল না। সংস্থাটি বলেছে, এএসসি কর্মকর্তারা আগে থেকেই পাইক্রফটকে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি কেবল সেই নির্দেশ পালন করেছিলেন।

    চিঠিতে নিশ্চিত করা হয় যে, পাইক্রফট ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে কাজ করেননি বা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। ফলে পিসিবির অভিযোগ প্রমাণিত নয় বলে স্পষ্ট করে দেয় আইসিসি। অনুমানিক, পাকিস্তান বোর্ড যদি পাইক্রফটকে সরায় না, তবে তারা বুধবারের পাকিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচে অংশ নাও করতে পারে। এই ম্যাচেও তাদের কর্তৃপক্ষ হিসেবে পাইক্রফটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ্যে এলেও, পিসিবি বলছে, তারা এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা বার্তা পায়নি।

    অন্যদিকে, ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা পরে বিসিসিআই থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি না দিলেও, পিটিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সূর্যকুমার যাদব ও তাদের দলের অন্য ক্রিকেটাররা যা করেছেন, তা একদম সঠিক। তিনি বলেন, ক্রিকেটে সাধারণত ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা হয়; এটি একটি সম্মান প্রকাশের রীতি। তবে এর কোনও আইন বা বাধ্যবাধকতা নেই। এ ক্ষেত্রে সূর্য ও দলের অন্যরা যা করেছেন, সেটার কোনও Gil আইন মানা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে যে এখন শত্রুতা প্রকট, সেখানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক। আমাদের ক্রিকেটাররা যে উচিত কাজ করেছেন, সেটিই ঠিক। যদি কোনও নিয়ম না থাকে, তাহলে সূর্যরা মনে করেছিলেন, বাবদ শত্রুতার মধ্যে থাকাকালীন পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলানো সমীচীন নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, ক্রিকেট খেলাটা সম্মানের মতো মনে হয় না। তারা বলছেন, সূর্য যেভাবে খেলেছেন, তা সঠিক, এবং এখন আর কোনওAdditional শর্মান দেখানোর প্রয়োজন নেই।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে। প্রথম ওভারে দুই উইকেট হারায় দলটি; প্রথমে তামিম ইকবাল নুয়ান থুসারার দুর্দান্ত গুল লেংথ ডেলিভারিতে লাথি মারতে গিয়ে বোল্ড হন, এরপর দ্বিতীয় ওভারে দুশমন্থ চামিরার বলের এজ করে পারভেজ হোসেন ইমন ফিরতে বাধ্য হন। এই দুই ওভারে মোট চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম একেবারে ভেঙে পড়ে। তবে দলের কিছু ব্যাটসম্যান পরিস্থিতি সামলে ওঠার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় উল্লেখযোগ্য। তবে তারা বেশ দ্রুতই রান আউট হয়ে যান। লিটনকে ফিরিয়ে দেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, এরপর হৃদয়ও ২৮ রানে আউট হন।এরপর জাকের আলী অনিক ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি জুটি গড়ে ম্যাচকে কিছুটা ঘুরে দেন। জাকের ৪১ ও শামীম ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে রানসংখ্যা ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে যান। বাংলাদেশের জন্য এই সংগ্রহ মোটামুটি লড়াই করার মতো হলেও, শ্রীলঙ্কার অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি হলো পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করে দলের মানসিকতা বদলে দেন, এবং শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে আউট হলেও তার অবদান ছিল বড়।ম্যাচের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৪০ রান। যা শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে তাড়া করে। উইকেটের জন্য বাড়তি চেষ্টা চালান বাংলাদেশের বোলাররা, মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে প্রথম উইকেটটি পড়ে। তিনি আরও একটি উইকেট নেন, পরে শরিফুল হকও দুইটি উইকেট তুলে নেন। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত বাউন্ডারির মাধ্যমে রান তুলতে থাকেন। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন, তবে এরপর সাজঘরে ফিরে যান তার ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে ক্যাচ দিয়ে। এরপর কুশল পেরেরো ও দাসুন শানাকা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। শেষ দিকে দরকার ছিল ১৩৯ রানের, যা তারা সহজেই হাসারাঙ্গার ভালো বোলিং ও দলের আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে অর্জন করে নেয়। এভাবে, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি জিতে সুপার ফোরের আসর থেকে তাদের এগিয়ে নিল। বাংলাদেশের জন্য এই হারে তাদের জন্য থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গেলো, তবে তাদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যত এখনও জয়ের আশা ধরে রাখা যায়। পারস্পরিক সমঝোতা ও সামনের প্রতিযোগিতায় উত্তরণে এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

  • পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শক্তির প্রদর্শন করেছে পাকিস্তান। ব্যাটিং এবং বল করার দিক থেকে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওমানকে কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয়। পাকিস্তানের সালমান আগার দল ৯৩ রানের বড় সাফল্য অর্জন করে ম্যাচ জয় করে নিয়েছে।

    উইকেটে ব্যাট করতে নামা ওমানের পুরো ইনিংস শুরু থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ জতিন্দর সিং, আমির কলিম এবং অধিনায়ক জিশান মাকসুদ কেউই পাকিস্তানের ধারালো বোলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। পাকিস্তানের শাহীনের মতো বোলাররা আক্রমণে এসে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে ধ্বংস করে দেন। একমাত্র হাসান মির্জা কিছুটা লড়াই দেখান, ২৩ বলে ২৭ রান করেন। বাকি সবাই মাঠের দর্শক হিসেবেই থাকেন।

    পাকিস্তানের বোলাররা ধারাবাহিক আক্রমণে ওমানে ব্যাটিংয়ের ভেতর অস্থিরতা সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত ওমানের ইনিংস ৬৭ রানে থেমে যায়, যা পাকিস্তানের দাপুটে জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। সাইম আইয়ুব, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, শাহীন, আবরার ও নেওয়াজ একেকটি উইকেট করে থাকেন।

    এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামে। প্রথমে ওপেনার সাইম আইয়ুব ৪ রান করে আউট হন, जिससे দলের মধ্যে কিছু শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক, তিনি খেলেন ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস। তার সঙ্গে ফারহান (২৯) বেশ ভালো সঙ্গ দেন।

    তবে দুজনের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামে। একসময় দল ১২০ রানে অর্ধেক উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষদিকে ফখর জামান ২৩ রানের ইনিংস ও মোহাম্মদ নেওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে পৌঁছে দেয় ১৬০ রানে।

    ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, কিন্তু পাকিস্তানের ধারালো বোলিং এটাকে নিমেষে ঢেকে দেয়। পাকিস্তানের বলারুর প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে।