Category: খেলাধুলা

  • জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল তাদের প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের আসরে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টটি আগামী বছর ১ মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তীক্ষ্ণ ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য শনিবার ২৯ জন নারী ফুটবলার চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আরও জানান, মেয়েরা আরও উন্নত ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইয়াংওয়ানের ব্যবস্থাপনায় কোরিয়ান ইপিজেডে ২০ দিন প্রশিক্ষণ নেবে। এই ট্রেনিংয়ের আয়োজকতা পুরোপুরি ইয়াংওয়ানই করা হচ্ছে, যেখানে খরচার দায়িত্বে ফেডারেশন নেই। ১৬ অক্টোবর সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসবেন ফুটবলাররা, আর ভুটান থেকে থাকা ১০ ফুটবলার ১৭ অক্টোবর দেশে ফেরত যাবেন। এরপর ঢাকায় ৪-৫ দিনের মধ্যে আবার অনুশীলন করে দল থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুই ম্যাচ খেলতে।

    অন্যদিকে, এশিয়া কাপের জন্য বাফুফের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। মূলত, নভেম্বরে ঋতুপর্ণাদের জন্য জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল, তবে জাপান ফুটবল এসোসিয়েশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়টি অনুকূল না হওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। কিরণ বলছেন, ‘জাপান ২০-৩০ নভেম্বর আমাদের যেতে বলেছিল, আমরা তখন ঢাকায় ফিফা উইন্ডোতে ত্রিদেশীয় ম্যাচ খেলব বলে ঠিক করেছিলাম। ফলে সেখানে যেতে পারছি না।’

    বাফুফে সভাপতি ঋতুপর্ণাদের এই এশিয়া কাপকে ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। মূল পরিকল্পনায় ছিল ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু করা, যা তিন সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে। আবার জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনাও ভেস্তে গিয়েছে। কিরণ বলেন, ‘আসলে পিটার মাঝেমধ্যে অসুস্থ থাকায় কিছুটা দেরি হয়েছে। এতো কিছু হয়তো এখন এককভাবে নিয়ে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হবে। তবে আমাদের এগিয়ে যেতেই হবে।’ জুলাইয়ে নারী এশিয়া কাপ নিশ্চিত হওয়ার পর ভারত রোডম্যাপও কয়েক দিন পরে প্রকাশ করে। দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাফুফের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। অনেক কিছু এখনো আলোচনার মধ্যেই।

    ৫-২০ ডিসেম্বর কলম্বোতে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে নারী সাফ ক্লাব। এতে বাংলাদেশের নাসরিন স্পোর্টিং অংশ নেবে। এই টুর্নামেন্টে খেলা হবে ভারত, নেপাল ও ভুটানের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবগুলোর। জাতীয় দলের ফুটবলারদের নাসরিনের হয়ে খেলার বিষয়ে কোচের সঙ্গে এখনো আলোচনা হয়নি, তবে বাফুফের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাফুফে ডিসেম্বরের নারী ফুটবল লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই লিগে এশিয়া কাপে স্কোয়াডে থাকা ফুটবলারদের খেলার সুযোগ থাকছে। ফেডারেশন ভাবছে নারী ফুটবলারদের ফেডারেশনের ক্যাম্পে ও কোচের অধীনে অনুশীলনে রাখা। তবে, ক্লাবগুলো এই পরিকল্পনায় দ্বিমত প্রকাশ করছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ফেডারেশন ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে।

    এদিকে, ভুটান নারী লিগে এখনো খেলে চলেছেন পাঁচ ফুটবলার—সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভীন, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রাণী ও সুমাইয়া মাতসুসিমা—যারা এখনো বাফুফের স্কোয়াডের অংশ নন। এশিয়া কাপের জন্য তাদের ডাকার বিষয়ে কোচ পিটার বাটলারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন কিরণ, ‘এটি টেকনিক্যাল বিষয়। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’

  • নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    সবশেষ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। সাবেক এই স্পিনার সাড়ে চার বছর ধরে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন শেষে অবশেষে এটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণের জন্য আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে পরিচালক পদে লড়ছেন।

    খেলার মাঠে নিয়মিত পারফর্ম করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সুযোগ অনেক সময়ই অধরা থেকে গিয়েছে। নির্বাচকদের কাছ থেকে অবিচ্ছিন্ন বঞ্চনার শিকার হয়েছেন রাজ্জাক, যার জন্য তিনি বারবারই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর ডাকা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে হঠাৎ করেই টেস্ট দলের জন্য মনোনীত হন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐ টেস্ট ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর, কিছুদিন বোর্ডের তরফ থেকে বাদ পড়েন।

    ক্রিকেটার হিসাবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেন রাজ্জাক। তবে তিনি পরে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। তখন তাদের জায়গায় যোগ দেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার। সময়ের সাথে সাথে নান্নু ও বাশারদের সাথে বিসিবি নানান কারণে শান্তি করতে পারেনি; তবে রাজ্জাক এর দায়িত্বের ব্যাপারে অটুট থাকেন।

    প্রথমে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও হান্নান সরকার সহকারে নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। যদিও কোচিংয়ে যোগ দেওয়ার আগে হান্নান নিজেকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেন।

    অবশেষে, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিবিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রাজ্জাক। পাশাপাশি, তিনি আসন্ন নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন ফর্মও সংগ্রহ করেছেন।

    এ সময় তাঁর সাথে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ জুলফিকার আলি খান ফুয়াদ। শহরের আরও বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার, যেমন তামিম ইকবাল ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল,ও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তামিম ও বুলবুল ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন।

    অন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ১৩ টি টেস্ট, ১৫৩ ওয়ানডে ও ৩৪ টি টি-টোয়েন্টি খেলে অনেক বছর ধরে দেশের জন্য প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাজ্জাক। তিনি মোট ২৭৯ উইকেট অর্জন করেছেন; এর মধ্যে টেস্টে ২৮, ওয়ানডেতে ২০৭ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ উইকেট। এছাড়াও, প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬৩৪ ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪১২ উইকেট শিকার করেছেন।

  • ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    ৪১ বছর পর ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রত্যাশা

    শারজাহ থেকে কলম্বো, করাচি থেকে মিরপুর—গত চার দশকে ক্রিকেটের এই মহাকাব্যিক ম্যাচটি যেন কম চেষ্টা হয়নি। অবশেষে আজ রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই কাঙ্ক্ষিত মহাযুদ্ধের ফাইনাল। দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধের ফলাফল দেখবে বিশ্বের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী। এই স্নায়ুবদ্ধ লড়াইয়ে কে জিতবে, তা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। টকশোতে নানা বিশ্লেষক, সাবেক খেলোয়াড় বা বিশেষজ্ঞের মন্তব্যে ভিড় জমে থাকলেও এখন আসল প্রশ্ন হলো—এআই কী বলছে এই ম্যাচের ভবিষ্যত درباره? শুনুন তাদের বিশ্লেষণ।

    গুগল জেমিনি বলছে, ‘এই ম্যাচের ফলাফল অপ্রত্যাশিত হতে পারে কারণ চাপ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা একেবারেই উচ্চ স্তরে। তবে সম্ভাব্য জেতা দলে ভারত।’ অন্যদিকে চ্যাটজিপিটি ভবিষ্যদ্বাণী করছে, ‘ফর্ম, ভারসাম্য এবং গোপন শক্তির ভিত্তিতে ভারতের জেতা বেশ সম্ভব। ব্যাটিং গভীরতা, বোলিং বৈচিত্র্য ও গতির দিক থেকে তারা এগিয়ে থাকায় জয়ের সম্ভাবনা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ।’ পাকিস্তানের জন্য এই সম্ভাবনা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। তবে এসব তত্ত্বের বাইরে একটা বিষয় হলো—একটি বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং ওভার অনেক কিছু বদলে দিতে পারে ম্যাচের চিত্র।

    বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, দুবাইয়ের পিচটা রান তাড়া করতে বেশ সুবিধাজনক। পাওয়ার প্লেতে যদি আশি বা তার বেশি রান ওঠে, তাহলে প্রথম ১৭০ থেকে ১৮০ রান তাড়া করা কঠিন হবে না। ভারতের জন্য সেই রান তাড়া করে ৬-৭ উইকেটের মাধ্যমে জয় পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। তবে এই বিশ্লেষণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার, তার জন্য পরিস্থিতি ও ডেটার ভিত্তিতে হিসেব বলেছে। আবেগ তো আর মানুষভাবে বোঝা সম্ভব নয়।

    অতীতের প্রতিদ্বন্দ্বিতার গল্পও বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করে। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগার ও শেহিন আফ্রিদির সক্রিয় মানসিকতা, মনোভাব ও কৌশল বিশেষ করে সবার নজরে। পাকিস্তান অধিনায়ক বলছেন, ‘আমরা জানি কোন পথে আছি। যে কোনো দলকেই হারানোর ক্ষমতা আমাদের রয়েছে। ফাইনালেও আমরা জিতে যাব।’ অন্যদিকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার আরও সাবধানী ও সংযত থাকছেন, বলছেন, ‘শেষ ম্যাচে জয়ী হয়ে আমি খুবই খুশি। আমাদের লক্ষ্য এবার নিজেদের সেরাটা দেখানো।’

    ভারতের এই মঞ্চে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও, ওপেনিং জুটির অবস্থা বেশ ভালো। শুভমান গিল একেবারে ফর্মে থাকলেও মিডলঅর্ডারে তিলক ভার্মার পারফর্মেন্স ভালো হয়নি। লোয়ার অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়া ছাড়া অন্যরা বড় পরীক্ষায় পড়ে নি। অন্যদিকে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাহিবজাদা ফারহান উজ্জ্বল, কিন্তু তাদের মিডলঅর্ডার নিয়ে গিয়ে মূল সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিনায়ক সালমানের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা dziś দেখা যাবে। সব মিলিয়ে, এই মহাযুদ্ধের দিকনির্দেশনা আগামীকালই জানা যাবে। কিন্তু বিশ্বাস করা যায়, এই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের vs পাকিস্তান ম্যাচের জন্য ক্রিকেট বিশ্ব অপেক্ষা করছে উত্তেজনা আর চাঞ্চল্য নিয়ে।

  • নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারতে হারতে ভারত সুপার ওভারে জয়লাভ

    চলমান এশিয়া কাপে এবারই প্রথমবারের মতো দুটি দল ২০০ রান পার করে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে ভারতীয় দল, যারা পাঁচ উইকেটে রীতিমতো বড় সংগ্রহ করে ২০২ রান। শতকCompleting by পাথুম নিশাঙ্কার ব্যাটে দেখা যায় অসাধারণ দক্ষতা, যা ভারতের জন্য ছিল এক চমৎকার লড়াই। তবে শ্রীলঙ্কার জন্য এই ম্যাচের এক বড় দুঁদে ঘটনা হল শেষ বলে স্কোর সমান হয়, যে মুহূর্তে ম্যাচ গড়াই যায় সুপার ওভারে। সেখানে ভারতের কাছে সহজ জয় হয় এই ম্যাচ।

    আশ্চর্যজনকভাবে, সুপার ওভারে ভারতের মারকুটে বলয়বাধকদের মধ্যে থেকে দুই রান তুলতেই শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট দ্রুত পতনের মুখে পড়ে। প্রথম বলে কুশল পেরেরা ডিপ পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর শানাকা ফিরে যান পঞ্চম বলে। এর মাঝে স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কার স্কোর কেবল দুই রান যোগ করে। ওভারের প্রথম বলের মাধ্যমে উকিল হইয়া উঠেন সূর্যকুমার যাদব, যিনি তিন রান নিয়ে ধানুশা গুণান্তির ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

    যদিও এই ম্যাচের ফলাফলকে এখন খুব জরুরি মনে করা হচ্ছে না, কারণ ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া বা না হওয়া কোন ব্যাপার নয়। তবুও, ভারতের ব্যাটে দেখানো সক্ষমতা প্রশংসার দাবি করে। এই ম্যাচেই দেখা যায় ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এই টুর্নামেন্টে, যা তাদের সামর্থ্য প্রমাণ করে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কাও নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় রেকর্ড গড়ে ফেলেছে, দুই দলের এই রেকর্ড সমানে চলেছে।

    প্রথম ইনিংসে, শ্রীলঙ্কা বেশ ভালোভাবেই শুরু করে। কুশল মেন্ডিসের দ্রুত উইকেটের কারণে সেখানে হোঁচট লাগে। তার করবে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ডিপ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর নিশাঙ্কা ও পেরেরা ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে নেন। পেরেরা ৩২ বলে ৫৮ রান করে স্টাম্পিং হন। এরপর আসালঙ্কা ও কামিন্দু মেন্ডিস দ্রুত ফিরে যান। তারপরও শ্রীলঙ্কা দৃঢ় থাকি, নিশাঙ্কা ১৮ ওভারে সেঞ্চুরি করেন। কিন্তু ২০ ওভারে তিনি ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত, ৫৮ বলে সাতটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ১০৭ রান করে উঠেন তিনি।

    তবে শেষ বলে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন নিশাঙ্কা। তার আগে তিনি ৫৮ বলে ১০৭ রান করেছিলেন। এরপর, শানাকা ১১ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। এই সময় দলের জয়ের জন্য দরকার ছিল ছয় বলে ১২ রান। স্মার্ট প্লেয়ার হিসেবে ওই ওভারে চার রান নিয়ে ম্যাচ মোটের ওপর শেষ করেন।

    প্রথম ইনিংসে ভারতের জন্যে ভালো সূচনার গল্প এরকম—মাহিশ থিকসানা শুভমন গিলকে দ্রুত আউট করেন। গিল ৪ রান করে ফিরে যান। এরপর অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার দ্রুত দলের রানে এগিয়ে নিয়ে যান। সূর্যকুমার ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হন, তার পর অল্প সময়ের মধ্যে আরও দুজন ব্যাটার ফিরে যান। এরপর তিলক ভার্মা ৩৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন, দলের স্কোরে ভারসাম্য রাখতে। এই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিংয়ে ছিলেন অন্যরা — সাঞ্জু স্যামসন ২৩ বলে ৩৯ রান করেন, এবং অক্ষর প্যাটেল ২১ বলে ২১ রান যোগ করেন। হার্দিক পান্ডিয়ার মাত্র ২ রান হলেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

  • পাকিস্তানের কাছে হেরে বাংলাদেশের বিদায়

    পাকিস্তানের কাছে হেরে বাংলাদেশের বিদায়

    দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের জয়ের জন্য নির্ধারিত ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামতেই শুরুটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ডিপ আউট হন। শাহীন আফ্রিদির শর্ট লেংথের ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে নাওয়াজকে ক্যাচ দেন তিনি। মাত্র দুই বলে রানের খাতা খুলতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার। এরপর হারিস রউফের ওভারে সাইফ আলী ছক্কা ও চার মারেন, যা দলের মানসিকতাকে somewhat পুনরুদ্ধার করে। তবে, তৃতীয় ওভারে তওহীদ হৃদয় পয়েন্টে বল ঠেলে দিয়ে রান নিতে চাওয়ার সময় স্ট্রাইক প্রান্তে ফিরলেও, ফিল্ডারের দুর্বল ফিল্ডিংয়ের কারণে জীবন পান। এরপর তিনি আউট হন, তবে সাইফ খেলেছেন আগের চেয়ে বেশি সাবধান ও মারমুখী, পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় ১৮ রান করে। পাওয়ার প্লে’তে বাংলাদেশের ব্যাটিং খুবই খারাপ হয়ে যায়; তিন উইকেট পড়ে যায় মাত্র ৩৬ রান তুলতে। প্রমোশন পাওয়া ব্যাটার শেখ মেহেদী ব্যর্থ হন। সোনা জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি, বিশেষ করে সোহান ২১ বলে ১৬ রান করে আউট হন। দলীয় সাফল্য পেতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ, শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে অলআউট হয়। পাকিস্তানের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ। এই হার নিশ্চিত করে বাংলাদেশের আসর থেকে বিদায় এবং পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলার সুযোগ তৈরি হয় এশিয়া কাপে।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    আজ একই দিনে বাংলাদেশ দুইবার পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে। প্রথমে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে চলমান সাফ অ-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও আজ রাতে এশিয়া কাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান, যেখানে জিতলে তারা সরাসরি উঠবে ফাইনালে। তার মানে, দুটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আজ বাংলাদেশের স্বপ্নের ফাইনাল নিশ্চিত করার এক অনন্য দিন।

    শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি অনেক জন্য ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের চার মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের নেতৃত্বের শুরু হয় Medalপুরের সময়, যখন তারা দ্রুত দুটি গোল করে এগিয়ে যায়। প্রথম গোলটি আসে তৃতীয় মিনিটে, যখন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডার বল দেওয়ার সময় বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নেন এবং গোল করে দলকে দুর্দান্ত শুরু দেন। এরপর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সল বাড়তি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৭ মিনিটে আরও এক গোল করে ব্যবধান বাড়ান।

    পাকিস্তানের জন্য হতাশাজনক ছিল তাদের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের ভুল, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত দ্বিতীয় গোলটি পায়। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড অপু দারুণ একটি গোল করেন ডান দিক থেকে বক্সে প্রবেশ করে। এই প্রথমার্ধে বাংলাদেশের এই আক্রমণ পুরোপুরি দাপট দেখায়। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু তারা তা করতে পারেনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান তাদের পারফরম্যান্সে কিছুটা উন্নতি করতে না পারায় গোলের দেখা পায়নি। গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান দাপটের সাথে খেলেছিল এবং প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল। তবে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি।

    আস্তে আস্তে আজকের এই ভেন্যুরอีก একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ শুরু হবে যেখানে নেপাল ও ভারত মুখোমুখি হবে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা করবে, যেখানে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছে স্বপ্নের দিন।

  • বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বিসিবি নির্বাচন: ক্রিকেটারদের বিভিন্ন পোস্ট ও জটিলতা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা রকম বিতর্ক এবং নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থীতা নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপের বৈধতা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ। তিনি বলেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি, তাই ক্রিকেট গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি কাউন্সিলর হতে পারবেন না। এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকেও কাউন্সিলর করার কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

    অবশ্য বাস্তবতা হলো, ১০ জানুয়ারি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন, যা দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তিনি আরও বলেন, বিসিবিতে দায়িত্ব নিলে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়াবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এই ঘটনার পর থেকে দেশের বেশ কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানসহ অনেকেই এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচন ঘিরে যা কিছু হচ্ছে, তা কখনোই কাম্য নয়। এগুলো বাংলাদেশের ক্রিকেট এবং ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। তারা দাবী করেছেন, নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।

    এসব ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট করছে, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক বিষয় নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

  • বিতর্কিত ১৫ ক্লাবের নিয়েই হবে বিসিবির নির্বাচন, ১৯১ কাউন্সিলর মনোনীত

    বিতর্কিত ১৫ ক্লাবের নিয়েই হবে বিসিবির নির্বাচন, ১৯১ কাউন্সিলর মনোনীত

    আসন্ন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের জন্য ১৯১ জন কাউন্সিলর তার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে শুক্রবার। এই নির্বাচন আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের প্রসেস মান্যতা পেতে শনিবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে বিসিবি কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে তালিকাটি টাঙানো হয়।

    অন্যদিকে, অপ্রীতিকর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতির সময়। অভিযোগ উঠেছে, স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কিছু সুবিধা পেয়ে তৃতীয় বিভাগে উঠে আসা ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরদের রয়েছেন চূড়ান্ত তালিকায়। এই ক্লাবগুলোর মনোনয়ন নিয়ে দুদক তদন্ত চালাচ্ছে। তবে জানতে পাওয়া গেছে, নরসিংদী জেলার কাউন্সিলর পদ শূন্য রয়ে গেছে; এই শূন্যস্থান আগে থাকতেই ছিল।

    চূড়ান্ত তালিকায় এখন যোগ হয়েছে সেই ১৫টি ক্লাব, যেগুলো আগে খসড়া তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে বাদ পড়েছিল। এই ক্লাবগুলোর ব্যাপারে অভিযোগ ছিল দুর্নীতি ও অনিয়মের, এর জন্য দুদক তদন্ত করছে। এছাড়া, সিলেট, বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁ জেলা থেকে নতুন কাউন্সিলর নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতিবার কমিশন খসড়া তালিকার বিরুদ্ধে ৩৮টির বেশি আপত্তির শুনানি নেন। এতে প্রমাণিত হয়, নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের স্বাক্ষরিত এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা আরও এগিয়ে গেল।

    প্রসঙ্গত, এর আগে নাজমুল হাসান বিসিবি সভাপতি থাকা সময় বিতর্কিত ১৮টি ক্লাব তৃতীয় বিভাগে স্বভাবতই উঠে এসেছিল নাটকীয় পন্থায়। খুব কম ক্লাবই তখন তৃতীয় বিভাগে যেতে পারত। এমনকি, এন্ট্রি ফি বাড়ানোর কারণে অনেক ক্লাবই আর তৃতীয় বিভাগের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। বোর্ডের কাছের কিছু ক্লাব অতি সহজে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতো, এবং তারা শীর্ষে উঠত। এসব ক্লাবের মাধ্যমে বোর্ডের ভোটের সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে নানা অপকৌশল চালানো হতো।

    দলের মালিকানাও বদলে গেছে, যখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। তখন যারা অবৈধভাবে ক্লাবগুলোকে তৃতীয় বিভাগে প্রবেশের সুবিধা করেছিলেন, এখন অনেক তারই মালিকানায় রয়েছে। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, এই প্রক্রিয়াটি ছিল অনিয়মের মাধ্যমে সম্পন্ন। এ কারণেই বিসিবির নির্বাচন কমিশন ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত খসড়া তালিকায় এই ক্লাবগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেনি। তবে, ক্লাবগুলো আপিল করতে পারত।

    অবশেষে, দুই দিনের শুনানি শেষে, আজ প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় সব বিতর্কিত ১৫টি ক্লাবের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে, ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে যুক্তি তুলে ধরা হয়, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায়, নির্বাচন কমিশন তাদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেয়।

    তিন জেলাযোগে, নরসিংদী, সিলেট, নওগাঁ, বগুড়া, ও পাবনা আরক্রীড়া সংস্থা থেকে কাউন্সিলর ছিলেন না, এখন তারা শূন্য পদের পরিষ্কার হয়ে গেছে। অতিরিক্ত, তামিম ইকবালের বিরুদ্ধে আনীত আপিলও গ্রহণ করা হয়নি। অন্যদিকে, ওল্ড ডিওএইচএসের কাউন্সিলর তামিম এবং রেঞ্জার্স ক্রিকেট একাডেমির ফারুকের নামও চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে। এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তামিম এখনও সাবেক ক্রিকেটার নন এবং তিনি ক্লাবের কাউন্সিলর হওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ের পর ফর্ম জমা দিয়েছেন। তবে, নির্বাচন কমিশন এই আপিল গ্রহণ করেনি, কারণ তাদের বিবেচনায় অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

    নির্বাচনের তারিখ হলো ৬ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র বিতরণ হবে শুক্রবার এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রোববার। পুরোটাই এখন শেষ ধাপে পৌঁছেছে, যেখানে বিতর্ক আর নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সব বরাদ্দ আছে।

  • বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে একাধিক বিতর্ক ও নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

    সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ অভিযোগ তুলেছেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর না নিলে তিনি বিসিবির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলর হতে পারবেন না। তিনি আরও জানান, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকে কাউন্সিলর করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

    অথচ, বাস্তবতা হলো, গত ১০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার এই ঘোষণাটি দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়। তিনি আরো জানান, যদি তিনি বিসিবিতে দায়িত্ব নেন, তবে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে যাবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান সবাই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচনের এই ধরনের অপ্রশান্তি ও বিভ্রান্তির অবসান দরকার। তারা আরো বলছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ—অতএব, নির্বাচনে যেন প্রতিযোগিতা হয় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।

    এসব ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নির্ধারণে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই নির্বাচনের ফলাফল নিশ্চয়ই দেশের ক্রিকেটের জন্য দিক নির্দেশক হতে যাচ্ছে।

  • আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মাঠের আচরণকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের ক্রিকেটার হারিস রউফ এবং শাহেবজাদা ফারহানের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। জানা গেছে, এই অভিযোগটি বুধবার ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসির কাছে পৌঁছে গেছে। যদিও রউফ ও ফারহান লিখিতভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, ফলে বিষয়টি এখন শিগগিরই শুনানির মুখোমুখি হতে পারে। এই শুনানি পরিচালনা করবেন ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন, পরিচালক হিসেবে থাকবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট।

    অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু হলো—ফারহানের অর্ধশতক পূরণের আগে করা উদযাপন এবং লাইন ধরে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের উদ্দেশে রউফের অঙ্গভঙ্গি, যা ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

    এদিকে, আরও একটি অপ্রত্যয়িত সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) নাকি পাল্টা অভিযোগ করে রেখেছে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের বিরুদ্ধে। ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর, সূর্যকুমার সেই জয়টি পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারকে উৎসর্গ করেছিলেন। পিসিবি এটিকে ‘রাজনৈতিক মন্তব্য’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ তুলেছে বলে জানা গেছে।

    অপরদিকে, সেই ম্যাচের পরের উপস্থাপনা অনুষ্ঠান নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছিল। ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে হ্যান্ডশেক না করাকে কেন্দ্র করে ‘হ্যান্ডশেকগেট’ নামক এক বিতর্ক চলে।

    সোমবারের ম্যাচটিও ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। পাকিস্তানের দুই পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের সঙ্গে ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলের মধ্যে বাকবিনিময় ও তর্ক চলে, যা ম্যাচের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।