Category: খেলাধুলা

  • বুলবুলই হচ্ছেন বিসিবির নতুন সভাপতি

    বুলবুলই হচ্ছেন বিসিবির নতুন সভাপতি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১৭তম সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তামিম ইকবাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় তিনি এই পদে মনোনীত হওয়ার ব্যাপারে ছিলো শোনা। অবশেষে, তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন আজ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ দিনটি ছিল ৬ অক্টোবর, সোমবার। নির্বাচনের জন্য সকাল ১০টায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। ভোট গণনার পর দেখা যায়, মোট ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন তিনটি ক্যাটাগরি থেকে এবং আরো ২ জন নির্বাচিত হয়েছেন এনএসসি কোটায়। ফলে, মোট ২৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্বাচনে। তাদের মধ্যে থেকেই নির্বাচিত হন বোর্ডের নতুন সভাপতি।

    নির্বাচনে ক্যাটাগরি-১, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, ১০ জন এবং ক্যাটাগরি-২, অর্থাৎ ঢাকার ক্লাবকোটায় ১২ জন নির্বাচিত হন। এছাড়াও, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন একজন।

    বিসিবির সভাপতি হিসেবে প্রথমবার তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০২৩ সালের ৩০ মে। সে সময় তিনি বলেছিলেন, বোর্ডের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি একটি কুইন টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে, দেশের ক্রিকেটের উন্নতিতেই তিনি দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন। বুলবুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক, এই প্রত্যাশা সকলের।

  • বিসিবি সভাপতি হলেন বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত-ফারুক

    বিসিবি সভাপতি হলেন বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত-ফারুক

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি গত মাসে প্রথমবারের মতো বিসিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এখন অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার ভোটে তিনি তিন বছরের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন, যা তার নেতৃত্বের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

    এছাড়াও, পরিচালকদের ভোটে একাদশ সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাখাওয়াত হোসেন, যিনি বরিশাল বিভাগের বিসিবি পরিচালক। তার আগে তিনি বিসিবির সভাপতি বুলবুলের (ক্রিকেট পর্যটন বিষয়ক) উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। শাখাওয়াত একজন প্রখ্যাত পর্যটন বিশেষজ্ঞ, যা ক্রিকেটের পাশাপাশি পর্যটন খাতেও তার গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

    আরেক সহসভাপতি (দুই) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ফারুক আহমেদ। তিনি গত বছর আগস্টে বিসিবির সভাপতি হিসেবে বেড়ে গেলেও মে মাসে সেই দায়িত্ব হারান। আগে গুঞ্জন ছিল বিকেএসপি’র সাবেক কোচ নাজমুল আবদীন ফাহিম এই পদে আসবেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে।

    বিকাল চারটায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে পরিচালক পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নির্বাচিত পরিচালকরা أسماء ঘোষণা করা হয় এবং শেষত these, সভাপতি ও সহসভাপতি পদে ভোটদান সম্পন্ন হয়। এসব ভোটের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন বিসিবির নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণকারী কমিশনের কর্মকর্তারা।

    উল্লেখ্য, এর আগে বুলবুল ঢাকা বিভাগের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরিচালক পদের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, ফারুক আহমেদ ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক নির্বাচিত হন। মোট ২৫ জন পরিচালক এই নির্বাচনে অংশ নেন, যার মধ্যে ১০ জন জেলা ও বিভাগীয় ক্যাটাগরি থেকে এবং ১২ জন ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হন।

    বিশেষ করে সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী অনেকেই এই ভোটে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, যিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হন এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে মোট ১০ জন পরিচালক এবার নির্বাচিত হন।

    সর্বশেষ, এই নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বুলবুলের সভাপতি পদে পুনরায় মনোনয়ন হয়েছে এবং তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে নতুন কার্যক্রমের সূচনা করছেন।

  • বিসিবি পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা

    বিসিবি পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তিনটি পৃথক ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, এখানে নির্বাচিত হয়েছেন ১০ জন। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব কোটায়, ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তৃতীয় ক্যাটাগরি, সাবেক ক্রিকেটার ও সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায়, একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছেন।

    নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আজ সোমবার, ৬ অক্টোবর, রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচনে গঠনমূলক অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন কোটাগ্রহণ সদস্যরা। এনএসসি কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মাহম্মদ ফয়সল আশিক।

    জেলা ও বিভাগীয় কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    – চট্টগ্রাম বিভাগ: আহসান ইকবাল চৌধুরী, আসিফ আকবর
    – খুলনা বিভাগ: আব্দুর রাজ্জাক রাজ, জুলফিকার আলী খান
    – ঢাকা বিভাগ: নাজমুল আবেদিন ফাহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল
    – বরিশাল বিভাগ: সাখাওয়াত হোসেন
    – সিলেট বিভাগ: রাহাত শামস
    – রাজশাহী: মোখলেসুর রহমান
    – রংপুর: হাসানুজ্জামান

    ঢাকার ক্লাব কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।

    সাবেক ক্রিকেটার ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
    খালেদ মাসুদ পাইলট।

    বিসিবির এই নির্বাচনে প্রতিটি ক্যাটাগরির প্রার্থীরা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটে বিজয় অর্জন করেছেন, যা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।

  • বাংলাদেশের কারণে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের কারণে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

    প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যেই সিরিজের জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ছিল ‘ডেড রাবার’ ম্যাচ, যেখানে নাটকীয়তা ও উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানকে শূন্য করে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হলো বাংলাদেশ। এর পেছনে মূল কৃতিত্ব তাদের দুর্দান্ত বলিং আক্রমণ, যার মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন ক্রিকেটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে আফগান ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি রান সংগ্রহের সুযোগ পাননি, যেনো দেড়শর বেশি রানের লক্ষ্যও বেশ কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। মাঝের কিছু সময়ে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে গেলেও, সাইফউদ্দিনের অবদান তাদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে ব্যাটিং করেন বাংলাদেশি ওপেনাররা। সফরকারীদের পক্ষে দারুণ শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন, তবে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাই তাঁকে আউট করে দেন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান ক্রমাগত আক্রমণে থাকেন। আফগান বোলারদের বিরুদ্ধে তারা নিয়মিত চার ও ছক্কার মারেনে রান তুলতে থাকেন। এর মধ্যে, তানজিদ হোসেন পঞ্চাশ ছুঁইয়ে জীবন পান। বিপদে পড়লেও দ্রুত ফেরত আসেন, তবে তার পরে ফের চমক দেখায় সাইফ হাসান; তিনি একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ৬৪ রান করেন। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই জয়ে বাংলাদেশ হাসিল করে ইতিহাস, তারা প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে। বাংলাদেশি অধিনায়ক জাকির আলী অনিকের নেতৃত্বে দলে ছিলো উজ্জ্বল মনোভাব। শুরুতেই বাংলাদেশের স্পিনার মুজিব উর রহমানের মারকুটে ওভার দিয়ে ম্যাচের অপার সুযোগ তৈরি হয়। প্রথম ওভারে আফগানরা কিছুই করতে পারেনি, যা পুরো ম্যাচের ধারা পরিবর্তন করে দেয়। অনুরূপ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ওপেনাররা চালিয়ে যান। তবে মাঝপথে, যখন কিছু উইকেট পড়ে, বাংলাদেশ বেশ বিপদে পড়ে। কিন্তু সাইফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং কখনো দলকে ভালই দিন আনে। তার ৭ ছক্কায় ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস দেখিয়েছে দলের জয়ের জোরদার সম্ভাবনা। তানজিদও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যদিও তাকে জীবন পান। তিনি ক্যাচ ছেড়ে দিয়ে ফেরার আগে ৩৩ রান করেন। এরপর সাবলীলভাবে ব্যাটিং চালিয়ে যান সাইফ হাসান, এবং তাঁর ছক্কায় স্টেডিয়ামের বাইরে বল পাঠিয়ে দেন। তবে, এক ওভারেই ঘটে অপ্রত্যাশিত বিপদ; জাকের পাটোয়ারির বলে সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হন। তারপরের কিছু সময় বাংলাদেশিরা বেশ সংকটের মুখে পড়লেও, মাঠে দলের স্পিরিট ও মনোভাব বদলায়নি। সাইফের সর্বশেষ ইনিংসে, তিনি ৯২ মিটার দূরে ছক্কা হাঁকিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। তার সঙ্গে এশিয়া কাপের পর এই তৃতীয় পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। শেষ পর্যন্ত, ৩৮ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফ হাসান। তার সতীর্থ নুরুল হাসান সোহান ১০ রানে থাকেন। আফগানিস্তানের পক্ষে দুটি উইকেট নেন মুজিব উর রহমান। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশের অঙ্গনে নতুন ইতিহাস লেখা হলো, যেখানে তারা প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০ ফাইনাল পরিসংখ্যান পেরিয়ে হোয়াইটওয়াশের জয়লাভ করে।

  • নারীবিশ্বকাপেও ভারতের সঙ্গে হাত না মিলালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক

    নারীবিশ্বকাপেও ভারতের সঙ্গে হাত না মিলালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক

    ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের ঐতিহাসিক দ্বৈরথে রাজনৈতিক উত্তাপের প্রভাব আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ছেলেদের এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে ভারতের খেলোয়াড়রা যে আচরণ দেখিয়েছিল, সেই ঘটনা এখন নারী বিশ্বকাপেও ফিরে এসেছে। আজ কলম্বোয় নারী বিশ্বকাপের ম্যাচের আগে টসের সময়ও দেখা গেল না ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও পাকিস্তানি অধিনায়ক ফাতিমা সানা হাত মেলাতে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচের জন্য উভয় অধিনায়ক মাঠে নামলেও, চিরাচরিত সৌজন্যমূলক হাত মেলানো দেখা যায়নি। তারা একে অপরের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন। তবে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে টস জিতেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। ভারতের প্রথম ম্যাচে তারা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, অন্যদিকে পাকিস্তান হেরেছে বাংলাদেশের কাছে। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে ভারতই ছিল অন্যতম প্রধান фавারিট। নারী ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে দুই দলের ১১টি সাক্ষাতের সবকটিতেই জয়ী হয়েছে ভারত। মাঠের লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য থাকলেও, হাতে হাত না দেওয়ার এই ঘটনা প্রসঙ্গে আলোচনায় এসেছে অনেক কিছুই। এটি শুধুই একটি ফুটেজের ঘটনা নয়, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়গুলো।

  • বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আরও বাড়েনি, বরং নির্বাচন ঘিরে অস্বস্তি ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। গত শনিবার সংগঠকরা এক সংবাদ সম্মেলনে তফসিল পরিবর্তন, নির্বাচন পেছানোর দাবি ও তিন দফা দাবিতে পুনরায় আন্দোলনের সূচনা করেন। তারা এখন বৃহত্তর আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছেন।

    আজ রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে সংগঠকদের পক্ষে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়, যেখানে তারা চলমান সংকটের সমাধানে তিনটি মূল প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রথমত, বিসিবির বর্তমান নির্বাহী পর্ষদ সময় বাড়িয়ে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন, কাউন্সিলরশিপ সংক্রান্ত বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নির্বাচন প্রক্রিয়া পুনঃনির্ধারণ। দ্বিতীয়ত, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ এবং শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব।

    সংগঠকেরা অভিযোগ করেন, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি জটিল করে তুলছে। তারা জানান, প্রথমে ১৫টি ক্লাবের অনুমতি প্রদান করলেও, বর্তমান সভানেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বার্থান্বেষী মহলশাসিত পরিবেশের কারণে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। গত কয়েক দফা বৈঠক হলেও কোনও সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠকরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বড় ক্লাবগুলোকে প্রভাবিত করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নির্বাহী পরিষদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় রয়েছে কিছু কর্মকর্তা, যা গঠনতন্ত্রের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের প্রিমিয়ার ও বিভাগের ক্লাবগুলো দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, তারা দেশের উন্নয়নে ব্যয় করে থাকে কোটি কোটি টাকা। তবে, এই মূল্যবান অবদান রয়েছে সংকটে। সংগঠকদের দাবি, বিভাগের ও জেলা পর্যায়ের কাউন্সিলর তালিকা সরকারের হস্তক্ষেপে ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হয়েছে। শীর্ষ ক্লাবগুলো যেমন মোহামেডান ও আবাহনী এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান। পাশাপাশি, বর্তমান সভাপতির সময়ে ১৫টি তৃতীয় বিভাগীয় ক্লাবের টুর্নামেন্ট আয়োজনের শেষ বা ক্ষতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্লাব সংগঠকদের অনেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার চিন্তাভাবনা করছেন।

    আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের জন্য ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থায় ১২ পরিচালক পূর্বেই নির্বাচিত হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার সৃষ্টি করছে। সব মিলিয়ে, দেশের ক্রিকেট উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার স্বার্থে এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য সকল পক্ষের সমঝোতা ও উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।

  • বিসিবি নির্বাচনে নাটকের শেষ হলো: ভোটাধিকার ফিরে পেল ১৫ ক্লাব

    বিসিবি নির্বাচনে নাটকের শেষ হলো: ভোটাধিকার ফিরে পেল ১৫ ক্লাব

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনের জটিল পরিস্থিতি এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। পূর্বে যা ছিল অস্পষ্টতা ও জটিলতা, তার মধ্যে যুক্ত হয়েছে নাটকীয়তা এবং রায় পরিবর্তনের ঘটনা। সর্বশেষ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটাধিকার হারানো ১৫টি ক্লাব আবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার পেয়ে গেল। এই পরিবর্তনের নায়ক হিসাবে উঠে এসেছে বিসিবির বর্তমান কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়া।

    এই পুরো ব্যাপারটির শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। তখন সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে অভিযোগ করেন, এই ১৫টি ক্লাব নির্বাচন শুরু করার জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন, তা তাদের নেই। হাইকোর্ট সেই রিটের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেয়, যেখানে ওই ১৫ ক্লাবকে নির্বাচনের প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়। এর ফলে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচনী তালিকা থেকে এই ক্লাবগুলোর কাউন্সিলররা অপ্রাপ্তিহীন হয়ে পড়েন। এর মধ্যে ছিলেন নাখালপাড়া ক্রিকেটার্সের প্রতিষ্ঠিত মানুষ ও বিসিবির বর্তমান কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তিনি সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

    এরই প্রেক্ষাপটে ঘটে নাটকীয় পরিবর্তন। সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের সেই নির্দেশনা স্থগিত করে দেয়, ফলে বাদ পড়া ১৫ ক্লাবের ভোটাধিকার আবারও ফিরে আসে। এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আবারও নবায়ন হয় এবং ক্লাবগুলো আবারও ভোটদানে সক্ষম হয়।

    তবে এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে আলোচনায় আসে ইফতেখার রহমান মিঠু এর নাম। তিনি এই ১৫টি ক্লাবের মধ্যে একমাত্র এই প্রতিযোগিতায় বিসিবি পরিচালক পদে প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টের রুলের পরে তার নাম প্রার্থীদের তালিকা থেকে কেটে যায়। এখন আবার মনে করা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরে মিঠু আবারও নির্বাচনী মাঠে ফিরতে পারেন, যদিও এই বিষয়ে এখনও বিসিবি বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    সব মিলিয়ে, বিসিবির নির্বাচনী নাটকের শেষ কোথায়, তা এখনো পরিষ্কারভাবে বলা যাচ্ছে না। প্রার্থীরা এখনও মাঠে নামলেও তালিকা বদলের সম্ভাবনা থাকায় আয়োজকদের আশা, নির্বাচনের রূপ আরও পরিবর্তিত হতে পারে যে কোনো মুহূর্তে।

  • খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ 2025 অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ 2025 অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিভাগের বৃহৎ তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা, ‘খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫’, সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রবিবার যশোর জেলায় অবস্থিত ক্রীড়া জিমনেশিয়ামে this আসর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগীদের পদচারণায় উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়েছিল। বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা খুলনা ও যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করে আটটি জেলার মোট ১৩০ জন ক্রীড়াবিদ, যার মধ্যে ৮৫ জন পুরুষ ও ৪৫ জন নারী। শিশু, যুবক ও যুবতীদের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থা এই আসরে মোট ২৪ স্বর্ণ, ১৯ রৌপ্য ও ১৩ তাম্র পদক লাভ করে, যা তাদের চূড়ান্ত বিজয়াধিকার নিশ্চিত করে। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা, যাদের কোলাকুলা স্বর্ণ সহ মোট ১৪ স্বর্ণ, ৮ রৌপ্য, ও ৭ তাম্র পদক অর্জন করে। নড়াইল জেলা সংস্থা যথাক্রমে ৪ স্বর্ণ, ৫ রৌপ্য ও ৩ তাম্র পদক নিয়ে দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, যিনি দেশের খ্যাতনামা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন যশোর তায়কোয়ানডো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস কে মোঃ ওয়ালিউর রহমান ও যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা, নেতৃবৃন্দ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা, যারা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন অতিথিরা, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই আয়োজন। আসরের রেফারী ও পরিচালকদের প্রশংসায় ভরে উঠেছিল সার্বিক কার্যক্রম।

  • সোহানের ক্যামিওয়ে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশ

    সোহানের ক্যামিওয়ে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশ

    অ্যাফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় বাংলাদেশ দারুণ একটি জয় পেয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান ছিল নুরুল হাসান সোহান এবং রিশাদ হোসেনের, যাঁরা শেষ মুহূর্তে আবেগঘন এক ক্যামিও খেলেছেন। ম্যাচটি শারজাহতে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের দল শুরুতেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ম্যাচকে রীতিমতো জমিয়ে তুলেছিল।

    শুরুর দিকে, তানজিদ তামিম এবং পারভেজ হোসেন ইমন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে উদ্বোধনী জুটিতে শতরান সংগ্রহ করেন। এই দুজনের আক্রমণাত্মক খেলায় আফগান বোলাররা খুবই বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। এমনকি, পুরো দলের রান যখন ৫১ বলের মধ্যে ৪৩, তখন সবাই মনে করছিলেন সহজ জয়ের পথে বাংলাদেশ। তবে, জীবনের ম্যাচে কিছুটা নাটকীয়তা থাকবেই—পরের মুহূর্তে বাংলাদেশের শুরুর ৬ ব্যাটসম্যানই দ্রুত ফিরে যান, বাংলাদেশ এক সময় ৯ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায়।

    বিশেষ করে, রশিদ খান বাংলাদেশের জন্য যেন এক কাল স্বপ্নের মতো, তাঁর ৪ উইকেটই বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্নের মতো। বাংলাদেশ ১০৯ থেকে ১১৮ রানে পৌঁছানোর পর হারিয়ে বসে ৬ উইকেট। তখনই ম্যাচের উত্তেজনা ফেরে, যখন নুরুল হাসান সোহান (১৩ বলে ২৩*) ও রিশাদ হোসেন (৯ বলে ১৪*) অবিশ্বাস্য ধৈর্য্য ও ঘোরাঘুরির মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি সামলে নেন।

    লক্ষ্য ছিল ১৫২ রান, যা তারা মাত্র ৮ বল হাতে রেখে অর্জন করে। শুরুতে বাংলাদেশের দুজন ওপেনার, তানজিদ হাসান তামিম (৫১) ও পারভেজ হোসেন ইমন (৫৪) দুর্দান্ত শুরু করে, তাদের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচ সহজই ছিল। পরে কিছু ব্যর্থতা ও জোড়ালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা চললেও, শেষ দিকে সোহান ও রিশাদের অবিশ্বাস্য ঠান্ডা মাথায় খেলা জয় নিশ্চিত করে।

    ম্যাচের আগে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তবে, বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় তাদের দারুণ প্রস্তুতি ও শুরুটা দেওয়া নাসুম আহমেদের প্রথম ওভার, যেখানে তিনি ইব্রাহিম জাদরানকে শিকার করেন। নিচের দিকে ব্যর্থ ছিলেন সাদিকুল্লাহ আতালও। এরপর দারউইস রাসুলি ও মোহাম্মদ ইশাকের ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে আফগানিস্তান ৪০ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারায়।

    শেষ দিকে, মোহাম্মদ নবি ঝড় তোলেন, ১৮ বলে ৩৮ রান করে তাসকিনের ১৮তম ওভারে তিন ছক্কা হাঁকান। যদিও, সেই ওভারে আউট হন তিনি। এর আগে তিনি ১২ বলে ১৭ রান করেন। পাকিস্তানির এই ইনিংসের পর, বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে ম্যাচ জিতে সিরিজের প্রথম জয় করে নেয়।

  • রোহিতকে সরিয়ে ভারতের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক শুভমান গিল

    রোহিতকে সরিয়ে ভারতের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক শুভমান গিল

    ভারতের ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে বড় একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। রোহিত শর্মাকে এই সিরিজের জন্য শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে, এবং নতুন অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে শুভমান গিলকে। আগামী ১৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ভারতের নেতৃত্ব দেবেন ২৬ বছর বয়সী এই ওপেনার।

    ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে যে, রোহিত শর্মাকে এখন থেকে দলের মূল অধিনায়ক নয়, তবে তিনি এখনও ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকবেন। একই সময়ে, বিরাট কোহলি ফের ফিরে এসেছেন ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে। দুজনই মার্চে অনুষ্ঠিত ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর প্রথমবার আবার একসঙ্গে ভারতের জার্সিতে খেলবেন।

    শনিবার আহমেদাবাদে নির্বাচক কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১৪০ রানের বিশাল জয়ের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাবেক পেসার অজিত আগারকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি মনে করেছে যে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে গিলকে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করা জরুরি, যা দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

    এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে আগারকার, ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং বিসিসিআই সচিব দেবজিত শইখিয়ার যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে। বর্তমানে, ২৬ বছর বয়সী শুভমান গিল ভারতের তিন ফরম্যাটেই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন— টেস্ট ও ওয়ানডেতা অধিনায়ক এবং টি-টোয়েন্টিতে সহ-অধিনায়ক হিসেবে।

    রোহিত শর্মা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভারতের পূর্ণকালীন ওয়ানডে অধিনায়ক হন। তার অধীনে ভারতের খেলাগুলির মধ্যে ৫৬টি ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জিতেছে ৪২টি, হেরেছে ১২টি, এক ড্র, এবং একটিতে পরিত্যক্ত। রোহিতের নেতৃত্বে ভারত এশিয়া কাপ ২০১৮ ও ২০২৩ সালে জিতেছে, এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও তারা ফাইনালে পৌঁছেছে। তার নেতৃত্বের সময়কালে ইনজুরিতে পড়ে ট্রফি জয়ের অংশীদার ছিল।

    টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর, মে মাসে ইংল্যান্ড সফরের আগে গিল ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়ক হন। প্রথম সিরিজেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ২-২ ড্র করে ভারত। সেই সিরিজে গিল দুর্দান্ত খেলেছেন, ব্যাট হাতে গড়ে ৭৫.৪০ রান করেন, যা সিরিজে সর্বোচ্চ ছিল।

    রোহিত ও কোহলি এখন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন, যার ফলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হবে তাদের সাত মাস পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন। সিরিজের পরে, ১৯, ২৩ এবং ২৫ অক্টোবর, ভারত পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নিবে, যা ২৯ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

    এরপর, তারা নভেম্বর-ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এবং জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ওয়ানডে সিরিজে খেলার সুযোগ পাবেন।