Category: খেলাধুলা

  • মেসির রেকর্ডের দিন: আর্জেন্টিনার গোল উৎসব

    মেসির রেকর্ডের দিন: আর্জেন্টিনার গোল উৎসব

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আবারও তাদের আধিপত্য দেখাল। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির দল ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পুয়ের্তো রিকোকে হারিয়েছে। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে এবং প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি গোল করেছিল। ১৪তম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। এরপর ২৩তম মিনিটে মেসির নিখুঁত পাসে গনজালো মন্তিয়েল গোল করে দলকে আরও এগিয়ে নেন। ৩৬তম মিনিটে পুনরায় অ্যালিস্টার একটি গোল করার সুযোগ পান। বিরতির পরে আর্জেন্টিনা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রাখে। ৬৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে ব্যবধান বাড়ে ৪-০ এ। শেষের দিকে বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্তিনেজ দুইটি গোল করেন—৭৯ম ও ৮৪তম মিনিটে। এই দুই গোলের সহায়তা করেন লিওনেল মেসি, যার ফলে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করার রেকর্ডও গড়লেন। আগে এই রেকর্ডে শীর্ষে ছিলেন ডোনোভান (যুক্তরাষ্ট্র) এবং নেইমার (ব্রাজিল), তবে মেসি তাদের ছাড়িয়ে গেলেন। এটি মেসির জন্য এক সাতকাহনের দিন, যেখানে তার আধিপত্য এবং দক্ষতার প্রমাণ আবারও দেখালেন।

  • এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণা হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এ ফল প্রকাশ করে। এবারের ফলাফলে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ১৮.৯৫ শতাংশ কম। এত বড় অপ্রত্যাশিত ফলাফলে অনেকেরই হতাশা বেড়েছে।

    এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদও। তাদের মধ্যে বাংলাদশ নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার অন্যতম। বর্তমানে তিনি ভারতের মাটিতে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলছেন। তবে দুঃখের কথা, এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি একটি বিষয়ে ফেল করেছেন।

    বিকেএসপি’র ভাইস প্রিন্সিপাল শামীম সাংবাদিকদের এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘ভুগোল বিষয়ে মারুফাকে ফলাফলে অনির্দিষ্ট দেখাচ্ছে। আমাদের কলেজের পক্ষ থেকে বোর্ডে মারুফার জন্য পুনরায় নিরীক্ষার আবেদন করা হবে।’

    অপরদিকে, বিকেএসপি থেকে এই বছর ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এর মধ্যে বাস্কেটবল বিভাগে শাহরিয়র সব বিষয়ে জিপিএ-৫ লাভ করেছেন। অন্যরা হলেন, টেবিল টেনিসের হয় ইসলাম, ক্রিকেটার নাভিদ, মেহরাব ও জান্নাতুল ফেরদৌস এবং অ্যাথলেটিকসের মাসুম মোস্তফা।

    শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়

    লাহোরে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান এক অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯৩ রানে হারিয়েছে। এই জয়ের ফলে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিরিজে, এবং নতুন চক্রের শুরুতেই নিজেদের শক্তি আবারও দেখিয়ে দিলো।

    পাঁচ দিনের এই ম্যাচের শেষ দিনে পাকিস্তানের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন স্পিনার নোমান আলি। তিনি ম্যাচে মোট ১০টি উইকেট নিয়েছেন—প্রথম ইনিংসে ৬টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪টি। দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার হয় দক্ষিণ আফ্রিকার তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার: আইডেন মার্করাম, উইয়ান মুল্ডার এবং সর্বোচ্চ রান করা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪)।

    তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিও, তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে চারটি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া সাজিদ খান দুই উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস দমন করেন।

    ডাক্তারি লক্ষ্য ২৭৭ রান তাড়ায় নামা দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমেই চাপে পড়ে। অধিনায়ক মার্করাম মাত্র তিন রানে আউট হন, আর মুল্ডার শূন্য হাতে ফিরে যান। কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন রায়ান রিকেলটন (৪৫) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪), তবে বাকিরা খুব একটা সফল হতে পারেননি।

    শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থেমে যায় ৬১তম ওভারে ১৮৩ রানে, এবং পাকিস্তান সহজজয় নিশ্চিত করে।

    প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৩৭৮ রান করে। ইমাম-উল-হক (৯৩), শান মাসুদ (৭৬), মোহাম্মদ রিজওয়ান (৭৫) ও সালমান আগা (৯৩) দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৬৯ রানে অলআউট করে ১০৯ রানের লিড নেয়।

    দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান করে ১৬৭ রান। বাবর আজম (৪২), আবদুল্লাহ শফিক (৪১) ও সাউদ শাকিল (৩৮) রান করেন নিজের নিজের করে।

    ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সেনুরান মুথুসামি ছিলেন অসাধারণ, তিনি মোট ১১ উইকেট নিয়েছেন—প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট। তবে তার পারফরম্যান্সও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হার থেকে রক্ষা করতে পারেনি।

  • নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালক সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার জুলফিকার আলি খান জুলুকে খুলনা থেকে এক বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয় খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এক্স-ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহান, যার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাসির হোসেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শংকর কর্মকার, মোহাম্মদ নাসিম, মোহাম্মদ আনসারুল হক, মনিরুল হাসান মনি, মোহাম্মদ আজিজসহ আরও অনেক distinguished ব্যক্তিত্ব। এর পাশাপাশি অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সম্পাদক মোসেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর, প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক আনিছুর রহমান কবির, এবং সদস্য জিয়াউর আলম জিয়া।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, জাকির হোসেন রিপন, মোহাম্মদ মোস্তাক, মোহাম্মদ এজাজ, এডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি, আম্পায়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতা খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, তারিকুল ইসলাম তুষার, বরকতউল্লাহ তুর্কি, মইনুল হাসান শিমুল এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

    বক্তারা জুলফিকার আলি খান জুলুর ক্রিকেট জীবন ও তার প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এবং খুলনাকে দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্র হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করবেন।

    অর্থাৎ, অনুষ্ঠানের শেষে জুলফিকার আলি খান জুলুর জন্য ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে তার ক্রিকেট ও প্রশাসনিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান জানানো হয়।

  • শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ছিলেন নাহিদা। তার করা প্রথম বলেই চার মেরে সমীকরণ সহজ করে দেন ডে ক্লার্ক। এরপর পরের বল ডট খেলার পর, তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ৩ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই দূরবর্তী হয়ে গেছে বাংলাদেশের জন্য।

    বিশাখাপত্তমে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা করে ২৩২ রান। দলের হয়ে অপরাজিত ফিফটি করেন স্বর্ণা। তার পরিণত ব্যাটিং এবং ধৈর্য্যপূর্ণ ইনিংসের কারণে বাংলাদেশের স্কোর মোটামুটি শক্তিশালী হয়।

    জবাবে, ৪৯ ওভারে ৩ বল বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রান সংগ্রহ করে এবং ম্যাচ জেতার বন্দরে পৌঁছে যায়।

    দক্ষিণ আফ্রিকার শুরু খুবই হালকা ছিল, প্রথম ওভারে নাহিদার শিকার হন ওপেনার তাজমিন ব্রিটস। প্রথম উইকেট হারানোর পরই লরা উলভার্টের নেতৃত্বে একমাত্র জুটিতে দাঁড়িয়ে যায়, তিনি ৩১ রান করেন। তবে, অধিনায়ক হঠাৎ রান আউটে পড়ে গেলে দ্রুতই আরও তিন উইকেট হারায় তারা।

    এখনও ৭৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে এই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে থাকলেও, ষষ্ঠ উইকেটে মারিয়ানা কাপ এবং চার্লি ট্রায়ন ৮৫ রানের জুটি গড়ে দেন। শেষমেশ, কেবল ৫৬ রান করে কাপ আউট হয়ে যান, আর ট্রায়ন করেন ৬২ রান।

    অবশেষে, ডে ক্লার্ক দলের জন্য দারুণ কিছু করেন। ২৯ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

    ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক ও ফারজানা হক সাবধানীভাবে ব্যাট করতে থাকেন। এতে বাংলাদেশের রান রেট কিছুটা কমলেও ভালো সূচনা হয়। লম্বা সময় পর উদ্বোধনী জুটিতে ফিফটি আসে। ঝিলিক ২৫ রান করে ফিরে যাওয়ার পর, ফারজানা ৭৬ বলে ৩০ রান করেন।

    তিনে নামা শারমিন আক্তার আবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন, নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি গড়ে। জ্যোতি ৪২ বলে ৩২ রান করেছেন। জ্যোতি ফিরে গেলেও, শারমিন ৭৪ বলে ফিফটি তুলে নেন, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম। তাঁর এই পারফর্মেন্সে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে ওঠে।

    অধিনায়ক নার্গিসের কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ৫ নম্বর বিস্তৃত হন এবং মিডল অর্ডারে সফল হন। স্বর্ণা ৩৪ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি ছুঁয়ে দ্রুত আঙিনায় পৌঁছান, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম।

    শেষে, রান উৎসবে যোগ দেন রিতু মণি, তিনি ৮ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন। তার এই ধারাবাহিক পারফর্মেন্স ও স্বর্ণার আধিপত্যে বাংলাদেশ অবশেষে এই রোমাঞ্চকর ম্যাচ হারলেও হতাশায় ডুবে না, ভবিষ্যতে আরও ভাল পারফর্মেন্সের প্রত্যাশা রেখে।

  • খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রংপুর বিভাগ। এবারও তারা ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে শিরোপার প্রত্যাশা ছিল। তবে এবার রংপুরের תשובה ছিল আরও কঠিন। ম্যাচের শুরু থেকেই রংপুরের বোলাররা দারুণ বল করে খুলনাকে আটকে রাখে, আর ব্যাটসম্যানরা নির্ভীকেই খেলতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে, খুলনার ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৩৬ রানে, যেখানে তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৪ রান। এরপর রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুবই ধারাবাহিক ভাবে খেলতে থাকেন, এবং বড় জয় দিয়ে মাঠ ছাড়েন। তারা ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়, সেইসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    খুলনার বোলিং শুরুতেই ধাক্কা খায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা প্রথম বলেই মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামানকে হারায়, যিনি স্পিনার নাসুম আহমেদের দ্রুত গতি ও সঠিক লাইন লাউড করে প্রথম শিকার হন। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিরুদ্ধে পয়েন্টের দিকে বল ঠেলে বেশ কয়েকটি রান করার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষমেষ রান আউট হন। সৌম্য সরকারও ব্যাটে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রান নিতে গেলে তিনি আউট হন বাইরের বলের কারণে। এরপর একজনের পর একজন উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে খুলনার ইনিংস দ্রুতই একপ্রকার ধসে পড়ে। শেষদিকে কিছু রান একটু বেশিই সংগ্রহ করে তারা, যেখানে ১৩০ পেরিয়ে যায়।

    রংপুরের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। দুই ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদ দারুণভাবে দলের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। তারা ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্রথমে দলের গতি বজায় রাখেন। জাভেদ ২৪ বলে ২৭ রান করেন, যেখানে নাসির আরও উজ্জ্বল পারফর্ম করে ৪৬ রান করে আউট হন। তিনি হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকতেই আউট হন। এরপর নাইম ইসলাম ও অধিনায়ক আকবর আলী অবিচ্ছিন্নভাবে ৫৪ রান যোগ করে। নাইম ৩২ বলের মধ্যে অপরাজিত ৪০ রান করেন, আর আকবর ১৫ বলে ১৯ রান করে থাকেন।

    রংপুরের জয়ে মূল ভুমিকা রাখে তাদের শক্ত বোলিং আর দৃঢ় মনোভাব। বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৮তম ওভারে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘূর্নে যায় খুলনার বিপক্ষে। তিনি মিঠুন ও অভিষেক দাসের উইকেট তুলে নেন, যদিও হ্যাটট্রিকের অনুকূল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এই বোলিংয়ের ফলে খুলনার সংগ্রহ কাঁটার মতো আটকে যায়। শেষে, খুলনার ব্যাটসম্যানরা কিছুটা রানের ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩০ রান। এই সংগ্রহের সাথে রংপুরের জেতা নিশ্চিত হয়, এবং তারা টানা দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

  • আফগানদের কাছে ২০০ রানে হেরে শোচনীয় হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের

    আফগানদের কাছে ২০০ রানে হেরে শোচনীয় হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের

    সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে আফগানিস্তান বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় এক জয় হাসিল করলো, এটি তাদের জন্য টানা třি ম্যাচের হোয়াইটওয়াশ। আফগানরা এই ম্যাচটি ২০০ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে। বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুঃখজনক, ২৭.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অল আউট হয়ে যায় তারা। এই দিন সাইফ হাসানের ৪২ রানের ইনিংস ছাড়াও অন্য কিছু উল্লেখযোগ্য ছিল না। আফগানিস্তানের জন্য রশিদ খান তিন উইকেট নেন, আর বিলাল সামি পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভোগান। বাংলাদেশ দলের কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি, নিজেদের দুর্বলতা আবারো প্রকাশ পেলো এই ম্যাচে।

    এর আগে আফগানিস্তান উড়ন্ত সূচনা করে, রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং ইব্রাহীম জাদরান প্রথম ৭ ওভারেই ৫০ রান সংগ্রহ করেন। প্রথম ১০ ওভারে তারা বিনা উইকেটে ৬৬ রান করে বসেন। ১৬তম ওভারে বাংলাদেশের জন্য সুখকর ছিল না, তখন প্রথম উইকেটটি পড়ে আরই হৃদয়ের বিদায় ঘটে। এরপর সেদিকউল্লাহ অতল ২৯ রান করে আউট হন, তবে রিভিউতে দেখা যায় বল স্টাম্পলাইনের মধ্যেই ছিল। এরপরই বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে উইকেট হারাতে থাকেন।

    শুরুর দিকে আফগানিস্তানের অপ্রতিরোধ্য ব্যাটিং উপভোগ করে তারা। নবির ঝড়ো ইনিংসে ২৫ রন করে অপরাজিত থাকেন, মাঠে রশিদ খানও বেশ ভয়ঙ্কর ছিলেন। বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক ছিল, তাদের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়, বিশেষ করে ওপেনার নাইম শেখ এবং সাইফ হাসানের খেলা যেন আরও হতাশাজনক। সব মিলিয়ে, আফগানরা এই সিরিজে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত করে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নেয়।

  • শেষ মুহূর্তের গোলে বাংলাদেশের হংকংয়ের বিরুদ্ধে ড্র

    শেষ মুহূর্তের গোলে বাংলাদেশের হংকংয়ের বিরুদ্ধে ড্র

    এশিয়ান কাপের মূল পর্বে উন্নীত হওয়ার লড়াইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে হোম ম্যাচে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ড্র করেছে। আজকের এই ম্যাচে স্বাগতিক দলের পরিবর্তে সফরকারী বাংলাদেশ মাঠে নামেছিল অ্যাওয়ে ম্যাচের মর্যাদায়। কাই তাক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে বাংলাদেশের জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। মাত্র ৩৪ মিনিটে ডিফেন্ডার তারিক কাজী ভুল করে পেনাল্টির অনুমতি দেন, যা হংকংয়ের ম্যাট অর সফলভাবে কনভার্ট করে দলকে প্রথমে এগিয়ে দেন। এর ফলে প্রথমার্ধে হংকং 1-0 ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এই ভুলের ফলে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে বাংলাদেশ নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্ত করে এবং আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কঠোর পরিশ্রমে তারা অনেক সুযোগ সৃষ্টি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোল পেতে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে হংকংয়ের ডিফেন্ডার অলিভার গারবিগকে দুটি হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এরপর ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশের অধিনায়ক রাকিব হোসেন বাঁ পাশের ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড ফাহমিদুলের ক্রস উপরিভাগে পেয়ে রাকিব নিখুঁত শটে গোল করেন। এভাবেই শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি 1-1 ড্রতে শেষ হয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে। এই ড্র ফলাফল বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই উৎসাহের কারণ, কারণ তারা কঠিন পরিস্থিতি মাউন্ট করে শেষ মুহূর্তে সমতা আনতে সক্ষম হয়েছে।

  • রদ্রিগো ও এস্তেভোর জাদুতে ব্রাজিলের ৫-০ বড় জয় সিউলে

    রদ্রিগো ও এস্তেভোর জাদুতে ব্রাজিলের ৫-০ বড় জয় সিউলে

    লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার কদিন পর, ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দলগুলো এবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এশিয়ান সফরের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া দলের মুখোমুখি হয়। কোচ কার্লো আনচেলত্তি চেয়েছিলেন দারুণ এক ফুটবল প্রদর্শনী, এবং সেলেসাওরা সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী দারুণ খেলেছে।

    শুক্রবার সিউলের ওয়ার্ল্ড কাপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচটি ৫-০ গোলে জয় Get করে ব্রাজিল। ম্যাচে দুজন খেলোয়াড় করে দুটি করে গোল করেন এস্তেভো ও রদ্রিগো, ενώ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি গোল করেন।

    ম্যাচের ১৩তম মিনিটেই ব্রাজিল প্রথম আক্রমণে এগিয়ে যায়। ব্রুনো গুইমারেসের রক্ষণভাগ পাসে ডি বক্সের ভেতর হ্যান্ডেল করেন এস্তেভো, তখন তার সামনে কেবল দক্ষিণ কোরিয়া গোলরক্ষকই ছিল। আলতো করে বল জালে পাঠিয়ে দলকে লিড এনে দেন।

    এর কিছুক্ষণ পর আরও একটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়, যখন কাসেমিরো হেডে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করেন, তবে তিনি অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়। বিরতির আগে ৩২তম মিনিটে রদ্রিগো একটি দারুণ গোল করেন, যা দলের ব্যবধান বাড়ানোর অন্যতম কারণ।

    রদ্রিগোর গোলটি দলীয় সমন্বয় ও নিবেদন দিয়ে একত্রে সম্ভব হয়। ডি বক্সের বাইরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র থেকে পাস পেয়ে তিনি বলটি নিয়ে ডিফেন্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন।

    দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল তাদের আক্রমণ আরও ভয়ঙ্কর করে তুলল। প্রথমে এস্তেভো ৪৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন, যেখানে ক Kim মিন-জেরোক ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল নিজের পায়ে নিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন। এরপর রদ্রিগো আরও একবার জাল খুঁজে নেন, যেখানে ডি-বক্সের মাঝে ক্যাসেমিরোর পাসে তিনি গোল করেন।

    মাত্র কিছুক্ষণ পর, ৭৭তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কির বাস্তবায়ন করেন এক দুর্দান্ত গোল। ম্যাথিউস কুনহার লম্বা পাসে মধ্যমাঠ থেকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ পেরিয়ে ভিনিসিয়ুস গোলরক্ষককে ফঁাকিয়ে বল জালে পাঠান। এই গোলের মাধ্যমে ব্রাজিলের জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ে এবং ম্যাচের ফলাফল চূড়ান্ত হয়।

    সার্বিকভাবে, ব্রাজিলের এই জয় প্রমাণ করে তাদের ব্যালেন্সড ও আক্রমণাত্মক ফুটবল কিভাবে প্রতিপক্ষকে প্রতিমুহূর্তে ধাক্কা দেয়। কোচ আনচেলত্তির প্রত্যাশা অনুযায়ী, এই ম্যাচে দলের বিভিন্ন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স খুবই সন্তুষ্টিজনক। এই জয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে, যা আসন্ন বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • শেষ মুহূর্তের গোলে স্তব্ধ বাংলাদেশ, হংকংয়ের নাটকীয় জয়

    শেষ মুহূর্তের গোলে স্তব্ধ বাংলাদেশ, হংকংয়ের নাটকীয় জয়

    বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি ছিল খুবই নাটকীয় এবং হতাশার। শক্তির দিক থেকে হংকংয়ের চেয়ে অনেক গুণ এগিয়ে থাকা দলটির কাছে শেষ মুহূর্তের গোলে হার মানলো বাংলাদেশ। দীর্ঘ সময় ৩-১ গোলের পিছিয়ে থাকার পর ৮৪ মিনিটের দিকে স্ট্রাইকার শেখ মোরসালিনের গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যায় এবং তারা সমতা আনতে সমর্থ হয়। তবে শেষ মুহূর্তে হংকংয়ের রাফায়েল মার্কিসের হ্যাটট্রিকের জন্য সমস্ত মনোযোগ কেড়ে নেন। ফলে বাংলাদেশ হারার ব্যবধান বজায় রইল ৪-৩ সালি।

    ম্যাচের শেষ অংশ ছিল একের পর এক নাটকীয়তা বিধায়। ইনজুরি সময়ে সামিত সোমের গোলে বাংলাদেশ ৩-৩ সমতা ফিরিয়ে আনে। পুরো স্টেডিয়াম তখন উৎসবে ভরে ওঠে। কিন্তু এই আনন্দ বেশ দুর্বাসহ ছিল না। হংকংয়ের রাফায়েল মার্কিসের জোড়া গোলে দেশের গ্যালারী স্তব্ধ হয়ে যায়। তখন এই জয়ের জন্য হংকং দেশটি ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজানোর মুহূর্তে কুয়েতির রেফারি সওদ আলসামহান ম্যাচ শেষ ঘোষণা করেন।

    বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা হতাশ হন। জার্সি টেনে মুখের কাছে রাখেন, কেউ বা দাঁড়িয়ে থাকায় মনোবল হারান। হোম ম্যাচে একবার লিড নিয়ে সমতাও ফিরে পেলেও শেষ পর্যন্ত হারই বরণ করে নিতে হয়। এই হারে বাংলাদেশের এশিয়া কাপের স্বপ্ন বহু দূরে ঠেকে গেল। তিন ম্যাচ শেষে হংকং সাত পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে, যেখানে বাংলাদেশ এক পয়েন্টে টেবিলের তলানিতে। বাকি তিন ম্যাচে ইতিমধ্যে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখের সম্মুখীন হতে হবে বাংলাদেশকে।

    বাংলাদেশের প্রথম গোলটি আসে হামজা চৌধুরির থেকে। তিনি ১৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে এই ম্যাচে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে এই লিড বজায় রাখতে পারলে, বাংলাদেশ সহজেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ইনজুরি সময়ে হংকং একটি কর্নার থেকে জটলা সৃষ্টি করে গোল করে ফেরে। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে হংকং দ্রুত দুটো গোল করে স্কোরলাইনে এগিয়ে যায়, যার একটি বাংলাদেশের ডিফেন্সের ভুলে হয়।

    এরপর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষের ভুলই কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে তারা প্রথমে ৩-১ তে এগিয়ে যায়। তখন বাংলাদেশ জেগে উঠে। বিকল্পদের মধ্যে সামিত সোম, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদ ও ফাহমিদুল নামের খেলোয়াড়রা মাঠে নামেন এবং মনোবলের পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। ৮৪ মিনিটে শেখ মোরসালিন গোল করে পরিস্থিতি বদলে দেন। তিনি বল পেয়ে সহজে গোল করেন, যদিও হংকং গোলরক্ষক কাউন্টার করতে পারেননি।

    ইনজুরি সময়ে ধারাভাষ্যকাররা ৯ মিনিট যোগ করেন। সেই সময়ে আরও একবার কর্নার থেকে বাংলাদেশ গোল করে, যার জন্য কানা প্রবাসী সামিত সোম এগিয়ে যান ও হেডে বল জালে পাঠান। বাংলাদেশের দর্শকরা আনন্দে ভাসে। কিন্তু সেই দারুণ সাফল্যের এক মিনিটের মাথায় আবার ভুলে হংকং গোল করে, যা ম্যাচের ফলাফল স্থির করে দেয়।