Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের বাকি ২ ওয়ানডের জন্য নাসুম আহমেদকে দলে অন্তর্ভুক্ত

    বাংলাদেশের বাকি ২ ওয়ানডের জন্য নাসুম আহমেদকে দলে অন্তর্ভুক্ত

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচের জন্য বিশ্বস্ত স্পিনার নাসুম আহমেদকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ দল।

    প্রথম ম্যাচে মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা বিশেষ সুবিধা পেয়েছিলেন, যা ভবিষ্যতেও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, স্পিন বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য নাসুমের মতো দক্ষ স্পিনারকে স্কোয়াডে স্থান দেওয়া হয়েছে।

    বাঁहাতি এই স্পিনার ওয়ানডেতে ১৮ ম্যাচ খেলে ১৬ উইকেট নিয়েছেন, যেখানে তার ওভার প্রতি খরচ সাড়ে চারের কম। শেষবার তিনি বাংলাদেশ জার্সিতে খেলেছিলেন গত ডিসেম্বরে।

    প্রথম ম্যাচের জয়ে ইতিমধ্যেই সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২১ ও ২৩ অক্টোবর, যা মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে।

    বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াডে রয়েছেন: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলি অনিক, শামিম হোসেন, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও নাসুম আহমেদ।

  • বাংলাদেশকে নয় কেন জ্বলছে? রুবেলের প্রশ্ন

    বাংলাদেশকে নয় কেন জ্বলছে? রুবেলের প্রশ্ন

    গত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুনের ভয়ঙ্কর শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনার পর দেশের জনপ্রিয় ক্রিকেটাররা তাদের ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ এবং রুবেল হোসেন তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। এদের মধ্যে রুবেল হোসেনের পোস্টটি সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। তিনি সহমর্মিতা জানিয়ে পাশাপাশি উঠে এসেছে বাংলাদেশে বারবার কেন এ ধরনের আগুন লাগছে, এর কারণ খুঁজে দেখার আহ্বান।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রুবেল লিখেছেন, ‘একটি নয়, দুইটি নয় — পরপর তিনটি স্থানে আগুন! এর শেষ কোথায়? প্রশ্নটা একটাই… কেন বাংলাদেশ জ্বলছে? মাঝে মাঝে নিজেকে জিজ্ঞেস করি—এত অন্যায়, এত দুর্নীতি, এত মৃত্যু থাকা সত্ত্বেও আমি কেন এই দেশের সঙ্গে আছি? এর উত্তর খুবই সরল—প্রেম, ভালোবাসা, মাটির গন্ধ এবং এক টুকরো পতাকা। এই দেশটাই আমার হৃদয়ের গভীর থেকে আঁকা, আমার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে। এত সুন্দর একটা দেশের এত ধরনের দুর্নীতি ও অগ্নিকাণ্ড ভাবিয়ে তোলে আমাকে। আমি চাই, ভয় নয়, বরং ভরসা যোগান দেবে এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে অগ্নি নয়, আলোই থাকবে।

    তামিম ইকবাল তার পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সকল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য প্রার্থনা করছি। এই ক্ষতি খুবই ভয়ঙ্কর। আল্লাহ আমাদের শক্তি ও ধৈর্য্য দান করুন এই যন্ত্রণার মধ্যেও শক্ত থাকতে।’

    তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘ম্যাচের সময় আকাশে আগুনের ধোঁয়া দেখতে পেয়েছিলাম, তবে তখন বুঝতে পারিনি এর পেছনে কত বড় ট্র্যাজেডি লুকিয়ে আছে। কত স্বপ্ন, কত শ্রম এখন সেই আগুনে পুড়ে গেছে। এই কঠিন সময়ে আমি সবাইকে গভীর সংকোচের সঙ্গে অভিব্যক্তি জানাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের ধৈর্য্য ও সাহস দেয় এবং এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করেন।’

  • মুশতাকের মতে, রিশাদের টেস্ট অভিষেক সময়ের ব্যাপার মাত্র

    মুশতাকের মতে, রিশাদের টেস্ট অভিষেক সময়ের ব্যাপার মাত্র

    মিরপুরে প্রথম ওয়ানডে জয়ের পর, বাংলাদেশ মঙ্গলবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এই ম্যাচ জিতলেই সিরিজে ২-০ এক দৃঢ় ব্যবধানে জিততে পারবে টাইগাররা। দলের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ সিরিজটি ৩-০ ব্যবধানে জিতবে বলে তার বিশ্বাস।

    তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ। আমাদের দায়িত্ব হলো ছেলেদের মধ্যে বিশ্বাস সৃষ্টি করা। বিশ্বাসই সবকিছু। যদি দলের মনোভাব দুর্বল হয়, খেলোয়াড়রা তা সহজেই বুঝে ফেলবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মানসিক শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে, তারা যে কোনও দলের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। আমাদের কিংবদন্তি হওয়ার জন্য শুধু বিশ্বাস রাখতে হবে।’

    প্রথম ম্যাচের হিরো ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। একাই ক্যারিয়ার সেরা ফিগারে ৩৫ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। এশিয়া কাপে আফগান স্পিনার রশিদ খানের সঙ্গে রিশাদের আলাপচারিতা হয়, যা তার উন্নতিতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন মুশতাক। তিনি বলছেন, ‘আমি চাইছিলাম রিশাদ রশিদের সঙ্গে কথা বলুক। তারা নিজেদের ভাবনাচিন্তা বিনিময় করেছে। রিশাদ রশিদের মতো স্পিনার আলাদা, কিন্তু দুজনের মধ্যে ভালো ক্রিকেটীয় বুদ্ধিমত্তা আছে। তরুণ ক্রিকেটাররা উচিত সেরকম প্রফেশনালদের সঙ্গে কথা বলা। এটা ভালো বিষয় যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রিশাদকে এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

    বাংলাদেশের স্পিন কোচ হিসেবে মুশতাক বলেন, রিশাদ শুধু সীমিত ওভারের জন্যই নয়, টেস্ট ক্রিকেটেও একযোগে সফল হতে পারেন একজন বিশ্বস্ত বিকল্প।

    ২৩ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার এখন পর্যন্ত ১২টি ওয়ানডে এবং ৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তবে তার টেস্ট অভিষেক এখনও হয়নি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২১ ম্যাচ খেলা রিশাদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে মুশতাকের বিশ্বাস, তিনি বলছেন, ‘আমি নিশ্চিত, রিশাদ টেস্টে বলবেন। বিশেষ করে, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মতো গভীর ব্যাটিং লাইনআপের বিরুদ্ধে যদি সে তার উচ্চতা ও বাউন্স সুবিধা নিয়ে ভালো গুগলি বল করতে পারে, তাহলে সে খুবই কার্যকর হতে পারে। শেষের ব্যাটাররা তার গুগলি পড়তে পারবে না। টেস্ট ক্রিকেটের জন্য রিশাদ একেবারে উপযুক্ত হতে পারে, কিন্তু নিজেকে উন্নয়নের মাধ্যমে তার যোগ্যতা দেখাতে হবে।’

  • রিশাদের ঘূর্ণিতে ৭৪ রানে জিতল বাংলাদেশ

    রিশাদের ঘূর্ণিতে ৭৪ রানে জিতল বাংলাদেশ

    সর্বশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। এর পর খুব বেশি অনুশীলনের সুযোগ না পেয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা দ্রুতই ফিরে যান আন্তর্জাতিক মাঠে। দিন তিনেকের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ, এবং সেই চাপে তারা সফল হয়েছেন মিরপুরের মাঠে। এই ম্যাচে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বলেঘূর্ণিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট করে দিয়েছে টাইগাররা, ফলে ৭৪ রানের বড় জয়ে সিরিজে ১-০ betekent। 

    মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ, তবে শুরুটা খারাপ হয়নি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তাওহিদ হৃদয়, ৫১ রান। এরপর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪৬ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই দোটানা সৃষ্টি করতে পারেননি। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় তারা ৪৯ ওভার ৪ বলের মধ্যে সব উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান করে।

    জবাব শুরু হয় বাংলাদেশি ওপেনারদের উড়ন্ত ব্যাটিং দিয়ে। তবে প্রথম ইনিংসের শুরুতেই বোঝা যায় তারা বেশ সাবধান। প্রথম ১০ ওভারে শুধুই সংগ্রহ, কিন্তু ধীরে ধীরে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নিজেরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তাওহিদ হৃদয় ৩১ বলে ৫১ রান করে দলের অবদান রাখেন। এরপর অঙ্কন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৬ বলের মধ্যে ৪৬ রান আনেন।

    অপর দিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শুরু হয় ভালোই। উদ্বোধনী জুটিতে ৫১ রান যোগ হলেও বাংলাদেশের বলার মানসিক চাপ থেকে উতরাতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। রিশাদ হোসেন দলের অন্যতম সেরা পারফর্মেন্স দেখিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন, এটি তার ক্যারিয়ারে অন্যতম সেরা বোলিং। প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে পঞ্চম উইকেটের জন্য তিনি ৫ উইকেট শিকার করেন। প্রথম ইনিংসে তাদের ব্যর্থতার পেছনে মূল কারণ ছিল অফ স্পিনের সঙ্গে রিশাদের দুর্দান্ত স্লো বল।

    বিশেষ করে, ৩৯তম ওভারে জেডন সিলসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ করেন তিনি। তার এই দারুণ পারফর্মেন্সের ফলে ম্যাচের টাইটেল হয় তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই ধাক্কার মুখে পড়লেও, বাংলাদেশি স্পিনাররা তাদের ধৈর্য্য ধারণ করে মূলত এভাবেই জয় নিশ্চিত করে।

    অন্তিম সময়ে, রিশাদের লেগ ব্রেক পরের ওভারে জাদুকরী শটে ৬ উইকেট অর্জন করে বাংলাদেশ। এই পারফরমেন্স তাকে ওয়ানডেতে তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার এনে দিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি ব্যাটাররা শুরুতেই কিছু ঝামেলা বাঁধলেও শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের কারণে তাদের সংগ্রহ দুইশোর কাছাকাছি পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকভাবে, এই জয়ে বাংলাদেশ এখন সিরিজে ১-০ এগিয়ে রয়েছে।

  • অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

    অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

    মিরপুরের উইকেট অনেক বছর থেকেই ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। এ কারণেই বেশিরভাগ সময় আঙুল ধরা হয় ইতিহাসের অন্যতম মানসম্পন্ন কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে। তবে দীর্ঘ দিন পর এই দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয় এবং টনি হেমিংকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হেমিংও নতুন উইকেটে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। প্রথমবারের জন্য মিরপুরের নতুন উইকেটে খেলতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কঠিন সংগ্রামের মুখোমুখি হন। ক্রমান্বয়ে স্পিনাররা বড় টার্ন দিয়ে দারুণ সুবিধা গ্রহণ করে, যা সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের মিরাজ ও সোহান। তবে বিপরীতে ক্যারিবীয় স্পিনারদের সফলভাবে সামলে নিজের উইকেট আগলে রাখলেন তাওহিদ হৃদয়। তার দুর্দান্ত ফিফটি বাংলাদেশের মোট রান দুইশ ছুঁয়ে দেওয়ার মূল কারণ।

    শুরুতেই দুই ওপেনার আউট হওয়ার ফলে দলের উপর চাপ তৈরি হয়, তবে নাজমুল শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের দৃঢ় অংশগ্রহণে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। হৃদয়ের ফিফটির পর অপ্রতিরোধ্য ৪৬ রানের ইনিংস খেলে অভিষেককারী মাহিদুল ইসলাম অঙ্কণ দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪৯.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৭ রান, যা বাজেটের মধ্যে ছিল।

    করিবীয়দের বিপক্ষের সিরিজের মাধ্যমে দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। তিনি একাদশের প্রথম দিকেই ছিলেন, সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করেন। তবে প্রথম ওভারে ৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে বল করার সময় সাইফকে আউট করেন শেফার্ড; তিনি ৬ বলে ৩ রান করেন।

    সাইফের বিদায়ের পর পরই সৌম্যও ফিরে যান, চার হাঁকালেও শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ৪ রান করেই সাজঘরে যান। এরপর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নাজমুল শান্ত ও হৃদয় ক্রিজে আসেন। দুজন হয়তো কঠিন সময়ে অস্থির ছিলেন, তবে ধীরস্থির খেলে রান করে যান। শান্ত-হৃদয় জুটি গড়ে তিনের মধ্যে পরিস্থিতি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

    শান্ত ৩২ রানে ফিরলেও হৃদয় লড়াই চালিয়ে যান। এরপর অঙ্কণের সঙ্গে গড়ে দেন ৩৬ রানের জুটি। ৮৭ বলে হার মানেন তাঁর ফিফটি। তবে ফিফটি পাওয়ার পর তিনি ক্যাচ তুলে দেন হোপের হাতে।

    পরবর্তী সময়ে অঙ্কণ দলের হাল না হারিয়ে ১৭ রান করে ফিরে যান, তার পরে ক্যামিও হিসেবে রিশাদ হোসেন ১২ বলে ২৬ রান করে দলের জন্য অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২০৭ রানে অলআউট হয় ৪৯.৪ ওভারে, এবং এই সংগ্রহের জন্য তাদের অবদান ছিল তরুণ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের। এভাবে তারা ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

  • ক্রিকেটে নতুন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ফরম্যাট শুরু হচ্ছে

    ক্রিকেটে নতুন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ফরম্যাট শুরু হচ্ছে

    ক্রিকেট বিশ্বে আসছে এক নতুন যুগ, যার নাম হলো ‘টেস্ট টুয়েন্টি’—একটি অভিনব ক্রিকেট ফরম্যাট যা পারস্পরিক সংযুক্ত করবে টেস্টের গভীরতা ও টি–টোয়েন্টির গতি ও উত্তেজনা। এই ধারণাটির মূল প্রেরণা এসেছে ভারতের প্রখ্যাত ক্রীড়া উদ্যোক্তা গৌরব বাহিরওয়ানি থেকে, যিনি ‘দ্য ওয়ান ওয়ান সিক্স নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট।

    নতুন এই বৈচিত্র্যপূর্ণ ফরম্যাটে প্রতিটি দল দুই ইনিংস খেলবে, যেখানে প্রতিটি ইনিংস হবে ২০ ওভার, অর্থাৎ এক দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাচ শেষ হবে। এতে থাকবে টেস্টের মতো ফলাফল—জয়, পরাজয় বা ড্র—অর্থাৎ এটি হবে একদম নতুন এক ধরনের ক্রিকেট অনুষ্ঠান। লাল বলের গভীরতা ও ছোট ফরম্যাটের গতি একে অন্যের সঙ্গে মিশে গেছে, যা ক্রিকেটের নতুন এক স্বাদ এনে দিচ্ছে। এছাড়া, ডিজিটাল যুগের হিট দর্শকদের জন্যই এটি তৈরি, যা ক্রিকেটের ‘চতুর্থ ফরম্যাট’ হিসেবে পরিচিতি পাবে।

    বিশেষ করে, এই ফরম্যাটে জটিল পরিকল্পনা, ধৈর্য্য ও টেকনিকের মূল্য আরও বাড়বে। ম্যাচটি চারটি ২০ ওভারের সেশনে বিভক্ত হবে, যেখানে সেশনের মাঝে বিরতিতে কৌশল সাজানোর সময় থাকবে। আয়োজকরা বলছেন, ‘টি–টোয়েন্টির সময়সীমায় টেস্টের ভাবনা’—এই ভাবনায় ব্যাটার এবং বোলার উভয়ের জন্যই আলাদা চ্যালেঞ্জ থাকবে, যেখানে দলীয় পরিকল্পনা এবং ধৈর্য্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এই নতুন ফরম্যাটের পিছনে রয়েছে ক্রিকেটের দ-moiার বিশ্বপ্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব—এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্যার ক্লাইভ লয়েড, ম্যাথিউ হেইডেন ও হরভজন সিং। ডি ভিলিয়ার্স মন্তব্য করেছেন, এটি একটি ‘উদ্দেশ্যপূর্ণ উদ্ভাবন’ যা তরুণ প্রজন্মকে নতুন স্বপ্নের পথে দৌড়ানোর সুযোগ করে দেবে। লয়েড মনে করেন, ক্রিকেট সবসময় পরিবর্তিত হলেও এই আধুনিক ফরম্যাট ক্রিকেটের শিল্প ও ছন্দে নতুন প্রাণ যোগ করবে। হেইডেন বলছেন, এটি দুটি যুগের সংযোগ যেখানে তরুণ দর্শকরা ক্লাসিক ক্রিকেটের স্বাদ পাবেন, তবে একই সঙ্গে আধুনিক উত্তেজনাও একই সঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন। হরভজন সিং বলেন, এটি ক্রিকেটের নতুন হৃদস্পন্দন, যা ঐতিহ্যকে এডিয়ে বর্তমানের তরুণ প্রজন্মের উচ্ছ্বাসের সঙ্গে যুক্ত করে।

    বর্তমানে এই ফরম্যাটটির বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের সাবেক সিইও মাইকেল ফোর্ডহ্যাম, যিনি এখন ‘টেস্ট টুয়েন্টি’র চিফ অপারেটিং অফিসার। এই নতুন ফরম্যাট শুধু খেলায় নয়, বরং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি বৈশ্বিক উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ক্রিকেটারদের জন্য একটি জোনিয়র টেস্ট টুয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হবে, যা মোট ৫০টিরও বেশি দেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই মাধ্যমে উঠে আসবে আগামী দিনের পেশাদার ক্রিকেটাররা।

    বাহিরওয়ানির লক্ষ্য, যোগ্যতা ও প্রতিভার ভিত্তিতে একটি সিস্টেম গড়ে তোলা, যেখানে লিঙ্গ বা অঞ্চল বিবেচনা না করে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা সুযোগ পাবেন। তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উপযুক্ত খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করা হবে।

    ‘টেস্ট টুয়েন্টি’র প্রথম মৌসুম শুরু হবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে়, যেখানে অংশ নেবে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি—তিনটি ভারতীয় ও তিনটি আন্তর্জাতিক দল। দলগুলো হবে দুবাই, লন্ডন ও অজানা একটি শহরে (ঠিক কোথা হতে পারে তা এখনও ঘোষণা হয়নি)। প্রতিটি দলে থাকবেন ১৬ জন ক্রিকেটার—৮ জন ভারতীয় ও ৮ জন আন্তর্জাতিক। এই মৌসুমে মোট ৯৬ জন ক্রিকেটার নিলামের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে, পাশাপাশি রয়েছে ২০৪ জন ‘ওয়াইল্ডকার্ড’ প্লেয়ার, যাদের দলে নেওয়া সম্ভব হবে মৌসুমের মধ্যভাগে।

    সর্বশেষ বলা যায়, লাল বলের ঐশ্বর্য ও ছোট ফরম্যাটের রোমাঞ্চকর পরিবেশ একত্রিত করে ‘টেস্ট টুয়েন্টি’ ক্রিকেটের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এটি শুধুই একটি নতুন ফরম্যাট নয়, বরং ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন যা পুরনো সম্মান রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতের পথ প্রস্তুত করছে।

  • মেসির হ্যাটট্রিক ও গোল্ডেন বুট জয়ে ইতিহাস সৃষ্টি

    মেসির হ্যাটট্রিক ও গোল্ডেন বুট জয়ে ইতিহাস সৃষ্টি

    বিষয়টি একরকম নিশ্চিতই ছিল, বাকি ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা। অবশেষে ঘোষণা এলো, চলতি মরসুমে Major League Soccer (এমএলএস) এর সেরা গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন লিওনেল মেসি। এই পুরস্কার পাওয়া নিয়ে তিনি ইতিহাস গড়ে ফেলেছেন। ইন্টার মায়ামির প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। মৌসুমের সাধারণ সময়ে ২৯ গোল করে সীমান্ত পেরিয়েছেন মেসি, পাশাপাশি তাঁর সতীর্থদের দিয়ে যোগ করেছেন আরও ১৯ গোল। মোট ৪৮ গোলের মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলারের অবদান অবিসংবাদী। মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমেই এই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখালেন মেসি।

    মায়ামি ন্যাশভিলের বিপক্ষে ৫-২ গোলের জয় দিয়ে মৌসুম শেষ করেছে, যা তাদের প্লে-অফের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। এই জয়ে হ্যাটট্রিক করেন মেসি, যা তাকে আরও একধাপ কাছাকাছি নিয়ে গেছে গোল্ডেন বুট জেতার স্বপ্নে। ন্যাশভিলের জন্য অবশ্য সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন স্যাম সারিজ ও ডেনিস বুয়াঙ্গা, যারা সমান ২৪ গোল করেছেন। এর মানে মেসি এই প্রতিযোগিতায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুট জিতে গেছেন।

    এছাড়াও, এই দিন মেসি একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫০ গোলের রেকর্ড তার দখলে গেছে। ৫০ গোলের مাইলফলক স্পর্শ করতে তিনি মাত্র ৫৩ ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে আগের রেকর্ড ছিল সাবেক তারকা স্ট্রাইকার ইব্রাহিমোভিচের, যিনি এই রেকর্ডটি ৫৪ ম্যাচে করেছিলেন।

    অন্যদিকে, মেসি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন। তিনি দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে এমএলএসের গোল্ডেন বুট জিতলেন। ২০২১ সালে নিউ ইয়র্ক সিটির হয়ে লা আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কারটি অর্জন করেছিলেন ভ্যালেন্টিন ট্যাটি। এখন, মেসি সেই দৌড়ে তার আধিপত্য দেখালেন, নিজের নামের পাশে আরও এক বড় রেকর্ড যুক্ত করে।

  • মেসির হ্যাটট্রিকের জোয়ারে উড়ল মিয়ামি, প্লে-অফে উন্নীত ন্যাশভিলকে হারিয়ে

    মেসির হ্যাটট্রিকের জোয়ারে উড়ল মিয়ামি, প্লে-অফে উন্নীত ন্যাশভিলকে হারিয়ে

    ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি এক বছর পর আবার সফলভাবে হ্যাটট্রিক করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি মিয়ামির জার্সিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। মার্কিন মেজর সকার লিগের (এমএলএস) এবারের মৌসুমের শেষ ম্যাচে মেসি তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে ভক্তদের মন জয় করলেন। এই ম্যাচে তিনি একটি হ্যাটট্রিক করার সঙ্গে অন্য একটি অ্যাসিস্টও করেন, যার ফলে মায়ামি ৫-২ গোলের বিশাল জয় পেয়েছে। এই ফলের মাধ্যমে তারা এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে তৃতীয় স্থান অধিকার করে প্লে-অফে উঠেছে।

    মেসি এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছিলেন, আর আজ (১৯ অক্টোবর) তিনি দ্বিতীয়বারের মতো মায়ামির জার্সিতে এই অসাধারণ কীর্তি দেখিয়েছেন, যা তার পেশাদার ক্যারিয়ারে ৬০তম হ্যাটট্রিক। এছাড়াও, ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। এই মৌসুমে তিনি মোট ২৯ গোল দিয়ে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। 그의 পিছনে রয়েছেন ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ ও লস অ্যাঞ্জেলসের ডেনিস বুয়াঙ্গা, যারা ২৪ গোল করেছেন।

    বাংলাদেশ সময়ের ভোরে শুরু হওয়া এই ম্যাচে, প্রথম গোলের জন্য ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যান মেসি। প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বক্সের মাঝখানে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। এর আগেই ৪৩ মিনিটে সেরিজের গোলের মাধ্যমে ন্যাশভিল ফিরে আসে। তারপর ৬২ মিনিটে তারা আবার লিড নেয়, যেখানে গোল করেন জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ। তবে এর একটু পরে, ৭৯ মিনিটে, পেনাল্টি পায় মায়ামি। সেখানে ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক করে গোল করেন মেসি, ফলে স্কোর হয় ২-২।

    তার পর আরও পাঁচ মিনিট পরে, বালতাসার রদ্রিগেজের শট থেকে গোল করে আবার লিড নেয় মায়ামি। এরপর ৮১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন তিনি, আরও একবার সতীর্থের সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়ার পর নিচু শটে গোল করেন। ৪-২ গোলে এগিয়ে থাকার পর, যোগ করা সময়ের প্রথমে তাঁর সতীর্থ তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলের মাধ্যমে জয়টি নিশ্চিত করে। শেষ পর্যন্ত ৫-২ ব্যবধানে জয় লাভ করে মায়ামি, যা তাদের শীর্ষ তিনের স্থান নিশ্চিত করে।

    এমএলএস মৌসুমে, মেসি এখন পর্যন্ত ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিসসহ মোট ৪৮ পয়েন্টে অবদান রেখেছেন, যা লিগের এক মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার সামনে রয়েছেন কার্লোস ভেলা (৩৪ গোল-অ্যাসিস্ট, ২০১৯) এবং অন্য কয়েকজন খেলোয়াড়। মৌসুমের শেষে, এই সব পারফর্মেন্সের জন্য মেসি তার লিগের ইতিহাসে নিজের নাম উচ্চারণ করে রাখলেন।

    বর্তমানে, ৩৪ ম্যাচে ১৯ জয়, ৮ ড্র ও ৭ হার নিয়ে মোট ৬৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে মায়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সে তিন নম্বর অবস্থানে রয়েছে। একই পয়েন্টে থাকা অন্য দলগুলো হলো নিজেদের দ্বিতীয় স্থানে থাকা এফসি সিনসিনাটি এবং শীর্ষে থাকা ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন। ভবিষ্যত প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে মায়ামি আবার ন্যাশভিলের সঙ্গেই মোকাবিলা করবে, যেখানে তাঁরা নতুন করে নিজেদের শক্তির ঝলক দেখাতে প্রস্তুত।

  • নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। কিছু দিন আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত শেষ সিরিজ থেকে দুইজন খেলোয়াড় পরিবর্তিত হন। ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ এবং পেসার নাহিদ রানা এই সিরিজের জন্য দল থেকে বাদ গেছেন।

    অপরদিকে, অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌম্য সরকার আবারও জাতীয় দলে ফিরেছেন। তিনি শেষবার খেলেছিলেন এই বছর ফেব্রুয়ারিতে। সেই সাথে, ডানহাতি মিডল-অর্ডার ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন। এর আগে তিনি টেস্ট ডেবিউ করেছেন, তাই এবার ফুল ফর্মে ক্রিকেটের ভক্তরা তাকে লাল সবুজ জার্সি পরানোর ঢক্কা দেখার অপেক্ষায়।

    বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স মোটেই ভালো নয়। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ হারের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হয় তারা ৩-০ ব্যবধানে। আগামী ১৮, ২১ এবং ২৩ অক্টোবর মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে এই তিনটি ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।

    সবগুলো ম্যাচই অনির্বাচিত হবে মিরপুরে। এরপর বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা, যা হবে ২৭, ২৯ ও ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

    বাংলাদেশের স্কোয়াডে থাকছেন: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, তাসکিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ।

  • এইচএসসিতে ফেল করলেন বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটার মারুফা

    এইচএসসিতে ফেল করলেন বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটার মারুফা

    ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এই ফল ঘোষণা করে। এই বছরের গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ১৮.৯৫ শতাংশ কম। এবারকার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদও, যার মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার। বর্তমানে তিনি ভারতের মাটিতে চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলছেন। সেখানে পৌঁছেছে তাঁর জন্য একটি দুঃসংবাদ—এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি একটি বিষয়ের পরীক্ষায় ফেল করেছেন। বিশ্বখ্যাত বিকেএসপি স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল শামীম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, মারুফা ভুগেৌ বিষয়ে অনুতীর্ণ হিসেবে ফল দেখাচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, স্কুলের পক্ষ থেকে বোর্ডে মারুফার জন্য পুনঃবিশ্লেষণের আবেদন জানানো হবে। তবে বিকেএসপি থেকে এই বছর ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন। তার মধ্যে বাস্কেটবল বিভাগের শাহরিয়ার সম্পূর্ণ বিষয়ের জিপিএ ৫ পেয়েছেন, অন্যরা হলেন টেবিল টেনিসের হয় ইসলাম, ক্রিকেটার নাভিদ, মেহরাব ও জান্নাতুল ফেরদৌস এবং অ্যাথলেটিকসের মাসুম মোস্তফা। শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল বোর্ডের ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এবং এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারছে।