সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা এক দফা কমার পরে আবারও বেড়ে গেল সোনার দাম সরকারের প্রকল্প বরাদ্দ কমে ২ লাখ কোটি টাকায় পুনর্নিযুক্ত সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মোবাইল ফোন আমদানির উপর শুল্ক কমছে, ফলে দাম কমবে মোবাইলের নির্বাচনের истин অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরুর পর: মির্জা ফখরুল জোটের আসন সমঝোতা দু-একদিনের মধ্যে: জামায়াত আমির জামায়াতের নির্বাচন ও প্রতিবেশী সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা জামায়াতের আমিরের সতর্কবার্তা: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেকানিজম হলে পালাতে হবে বাধ্য হয়ে বিএনপি প্রার্থী আন্দালিভ পার্থের কাছে আসন ছাড়ল বিএনপি
অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

মিরপুরের উইকেট অনেক বছর থেকেই ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। এ কারণেই বেশিরভাগ সময় আঙুল ধরা হয় ইতিহাসের অন্যতম মানসম্পন্ন কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে। তবে দীর্ঘ দিন পর এই দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয় এবং টনি হেমিংকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হেমিংও নতুন উইকেটে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। প্রথমবারের জন্য মিরপুরের নতুন উইকেটে খেলতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কঠিন সংগ্রামের মুখোমুখি হন। ক্রমান্বয়ে স্পিনাররা বড় টার্ন দিয়ে দারুণ সুবিধা গ্রহণ করে, যা সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের মিরাজ ও সোহান। তবে বিপরীতে ক্যারিবীয় স্পিনারদের সফলভাবে সামলে নিজের উইকেট আগলে রাখলেন তাওহিদ হৃদয়। তার দুর্দান্ত ফিফটি বাংলাদেশের মোট রান দুইশ ছুঁয়ে দেওয়ার মূল কারণ।

শুরুতেই দুই ওপেনার আউট হওয়ার ফলে দলের উপর চাপ তৈরি হয়, তবে নাজমুল শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের দৃঢ় অংশগ্রহণে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। হৃদয়ের ফিফটির পর অপ্রতিরোধ্য ৪৬ রানের ইনিংস খেলে অভিষেককারী মাহিদুল ইসলাম অঙ্কণ দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪৯.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৭ রান, যা বাজেটের মধ্যে ছিল।

করিবীয়দের বিপক্ষের সিরিজের মাধ্যমে দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। তিনি একাদশের প্রথম দিকেই ছিলেন, সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করেন। তবে প্রথম ওভারে ৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে বল করার সময় সাইফকে আউট করেন শেফার্ড; তিনি ৬ বলে ৩ রান করেন।

সাইফের বিদায়ের পর পরই সৌম্যও ফিরে যান, চার হাঁকালেও শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ৪ রান করেই সাজঘরে যান। এরপর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নাজমুল শান্ত ও হৃদয় ক্রিজে আসেন। দুজন হয়তো কঠিন সময়ে অস্থির ছিলেন, তবে ধীরস্থির খেলে রান করে যান। শান্ত-হৃদয় জুটি গড়ে তিনের মধ্যে পরিস্থিতি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

শান্ত ৩২ রানে ফিরলেও হৃদয় লড়াই চালিয়ে যান। এরপর অঙ্কণের সঙ্গে গড়ে দেন ৩৬ রানের জুটি। ৮৭ বলে হার মানেন তাঁর ফিফটি। তবে ফিফটি পাওয়ার পর তিনি ক্যাচ তুলে দেন হোপের হাতে।

পরবর্তী সময়ে অঙ্কণ দলের হাল না হারিয়ে ১৭ রান করে ফিরে যান, তার পরে ক্যামিও হিসেবে রিশাদ হোসেন ১২ বলে ২৬ রান করে দলের জন্য অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২০৭ রানে অলআউট হয় ৪৯.৪ ওভারে, এবং এই সংগ্রহের জন্য তাদের অবদান ছিল তরুণ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের। এভাবে তারা ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd