বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল ধৈর্য্য ও লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা দেখালেও শেষ পর্যন্ত হারের গ্লানি এড়াতে পারেনি। ব্যাটাররা পুঁজি বড় করে তুলতে পারেননি, যার জন্য মাঝারি মানের স্কোর গড়ায়। রাজনৈতিকভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা লড়ে গেছেন, তবে ব্যাটসম্যানদের সেই ক্ষুদ্র প্রাথমিক সংগ্রহকে শক্তিতে রূপান্তর করতে পারেননি। তবে বোলাররা দুর্দান্তভাবে লড়েছেন, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হেদার নাইট, যিনি দুইবার আম্পায়ার সিদ্ধান্তে জীবন বাঁচিয়ে ম্যাচে টিকে থাকেন, কিন্তু শেষপর্যন্ত এই একজন পরিণতি বান্ধব হিসেবে কাজ করেছেন। তার অসাধারণ খেলায় বাংলাদেশ দলের সম্ভাবনাগুলো হারায়, কারণ তিনি একাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং শেষ পর্যন্ত জয়কে তাদের কাছ থেকে ছুটে দেন। কারণ এই হার সত্ত্বেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তবে ইংল্যান্ডের দম্ফন আক্রমণ ও পরিকল্পনা সফল হয়।
Category: খেলাধুলা
-

খুলনা টানা পাঁচ জয় দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে
জাতীয় ক্রিকেট লিগের টি-টোয়েন্টি আসরে খুলনা বিভাগ নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খুলনা ১১ রানে সিলেট বিভাগকে পরাজিত করে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে সিলেট বিভাগ ১৬ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে, খুলনা ১১ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৩ রান করতে সক্ষম হয়। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি আর এগোয়নি, তবে বৃষ্টি আইনে খুলনা জয় লাভ করে। খুলনার টপ অর্ডারের খেলোয়াড়রা আবারও দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। ইমরানুজ্জামান ২২ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৩১ রান করেন, সৌম্য সরকার ১২ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেন, আর এনামুল হক বিজয় ১৯ বলে ৩টি চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৩৩ রানে মাঠ ছাড়েন। বল হাতে সিলেটের নাবিল সামাদ ৩ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন, এবং নাঈম হোসেন সাকিব ৩ ওভারে ২৫ রানে ২ উইকেট পান। সিলেটের ইনিংসে অধিনায়ক খালিদ হাসান ২৩ বলের মধ্যে ৩১ রান করেন, যার মধ্যে ৪টি চার ও ১ ছক্কা রয়েছে। এছাড়া, অমিত হাসান ২৭ রান, আসাদুল্লাহ আল গালিব ২৬, ও খালেদ আহমেদ ২৬ রান করেন। খুলনার বল руки ধারাবাহিক পারফর্ম করেন শেখ পারভেজ জীবন, ৪ ওভারে ১৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন। জিয়াউর রহমান ২ ওভারকে ২২ রানে শেষ করে অন্য উইকেটটি সংগ্রহ করেন। এই জয় দিয়ে খুলনা তাদের পঞ্চম ধারাবাহিক জয় সম্পন্ন করে। এর ফলে তারা ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে, এখনও নেট রান রেটে পিছিয়ে রয়েছে।
-

খালেদ মাসুদ বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকের নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হলো। এই নির্বাচনী ঘটনা বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে, যেখানে বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এবারের নির্বাচনে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। অন্যান্য প্রার্থী হিসেবে বাকি দুইটি পদে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে মনোনীত করা হয়েছে দুই জনকে। ভোট গণনার শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ‘বি’ ক্যাটাগরির ভোটাররা ছিল ৭৬ জন, যার মধ্যে মাত্র ৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৩৪ জন ভোট দিয়েছেন অনলাইনে (ই-ভোট) এবং ৯ জন সরাসরি উপস্থিত থেকে ভোট প্রদান করেন। এই ক্যাটাগরিতে ৩৩ জন ভোটার ভোট দেননি।
অন্যদিকে, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৪৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪২ জন। এর মধ্যে ৫ জন ই-ভোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করেছেন এবং ৩৭ জন সরাসরি ভোট দিয়েছেন। ভোট না দেয়ার সংখ্যা এই ক্যাটাগরিতে ৩ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে প্রখ্যাত ক্রিকেটার ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট ৩৫ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক পদে নির্বাচিত হন।
ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৭টি পড়েছে—৬টি ই-ভোট এবং ১টি সরাসরি। রংপুর বিভাগে মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৫টি পড়েছে—৩টি ই-ভোট ও ২টি সরাসরি। তবে পুরোপুরি ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, তারপর আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী:
– ‘সি’ ক্যাটাগরিতে খালেদ মাসুদ পাইলট পেয়েছেন ৩৫ ভোট, প্রতিপক্ষ দেবব্রত পাল পেয়েছেন ৭ ভোট।
– ‘বি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৭৬ ভোট পড়েছে, এর মধ্যে ৩৪টি ই-ভোট এবং ৯টি সরাসরি ভোট। ভোট দেননি ৩৩ জন।
– রাজশাহী বিভাগের মধ্যে, মোট ৯ ভোটের মধ্যে ৬টি ই-ভোট ও ১টি সরাসরি ভোট পড়েছে। ভোট দেননি ২ জন।
– রংপুর বিভাগের মধ্যে, ৯ ভোটের মধ্যে ৩টি ই-ভোট ও ২টি সরাসরি ভোট পড়েছে। ভোট দেননি ৪ জন।সব মিলিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল এখনো সামগ্রিকভাবে সম্পূর্ণতা পায়নি, তবে টানা পরবর্তী পদক্ষেপে বিস্তারিত ফলাফল ও তালিকা প্রকাশ করা হবে।
-

আর্থিক স্বার্থে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজন বন্ধের আহ্বান আইসিসির কাছে আথারটনের
বিগত কয়েক বছর ধরে আইসিসি ইভেন্ট বা এশিয়া কাপে উপস্থিত থাকাকালীন একটি প্রশ্ন বিদ্যমান—ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কি না, এবং যদি হয় তাহলে কোথায় এবং কিভাবে। এই বিষয়টি সব সময়ই আলোচনা, সমালোচনা এবং বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে এসেছে। বিশেষ করে এই দুই দেশের ক্রিকেটাররা ম্যাচের সময় একে অপরের সঙ্গে করমর্দন না করায়, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের ছায়ায় ক্রিকেট মাঠও প্রভাবিত হয়ে উঠেছে। এটা নিয়েও অনেকের মধ্যে দুশ্চিন্তা প্রকাশ পেয়েছে যে, এই পরিস্থিতি ক্রিকেটের সৌন্দর্য্য ক্ষুণ্ণ করছে।
প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল অ্যাথারটন এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তিনি আইসিসিকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা আর ইচ্ছাকৃতভাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আয়োজন না করে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক এশিয়া কাপের ঘটনা প্রমাণ করে যে ক্রিকেট এখন রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও প্রচারণার হাতিয়ার হয়ে উঠছে।
অ্যাথারটনের বক্তব্য, টুর্নামেন্টের ফিক্সচার অর্থের জন্য সাজানো বন্ধ হওয়া উচিত। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ খেলায় প্রথমেই দেখা যায়, মোদ্দা বিষয় হলো, মাঠের বাইরেও রাজনৈতিক আবেগের লেপে মোড়ানো হচ্ছে এই ক্রিকেট মূলত আয় ও বাণিজ্যের জন্য। পাহালগামে সন্ত্রাসী হামলার পর কয়েক মাসের মধ্যে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন হয়, যেখানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভারতীয় দল পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন না করায়, খেলোয়াড়রা অঙ্গভঙ্গি ও উদযাপনে বিতর্ক সৃষ্টি করে।
অনেকের মতে, ফাইনালের পর সূর্যকুমার যাদবের মতো ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ট্রফি নেয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকৃতি জানিয়ে এই বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করে দেন। পত্রিকায় লিখেছেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের একান্ত হয় তা অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ মূল্যবান। ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আইসিসির প্রতিটি টুর্নামেন্টেই এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে, যার ফলে ম্যাচের বিরলতা এটিকে আরও বেশি আয়বহুল করে তুলেছে। এর ফলে, টুর্নামেন্টের ব্রডকাস্ট রাইটসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে—২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার।
অ্যাথারটন মনে করেন, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের গুরুত্ব কমে যাওয়ার কারণে আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো এখন মুখ্য অর্থনৈতিক উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচই মুখ্য কাকতালীয় আকর্ষণ। তিনি বলেন, একসময় ক্রিকেট কূটনীতি হিসেবে কাজ করত, কিন্তু এখন তা প্রতিযোগিতা আর রাজনৈতিক প্রচারণার প্রতীক হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র অর্থের জন্য ম্যাচের ফিক্সচার সাজানো সম্পূর্ণভাবে অনুচিত। তিনি পরামর্শ দেন, পরবর্তী সম্প্রচার চুক্তির আগে আইসিসির উচিত সূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে প্রতিবারই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে না।
অ্যাথারটন আরও বলেন, আসন্ন সম্প্রচার চুক্তির জন্য স্বচ্ছভাবে ড্র করা গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো সিরিজে ভারত-পাকিস্তান দেখা না যায়, তাতে কিছু যায়-আসে না। এশিয়া কাপ ২০২৫-এ দুই দেশ একই গ্রুপে থাকায়, সেটি এমন পরিকল্পনা ছিল যেখানে তিনবার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ রাখা হয়—যা বাস্তবে হয়ে গেছে। এই প্রবণতাকে তিনি ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করেন। তাঁর মতে, ক্রিকেটের মূল উদ্দেশ্য— খেলার আনন্দ এবং ক্রীড়ামূলক প্রতিযোগিতা— আবার ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।
-

বিসিবি সভাপতি হলেন বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত-ফারুক
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি গত মাসে প্রথমবারের মতো বিসিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এখন অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার ভোটে তিনি তিন বছরের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন, যা তার নেতৃত্বের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
এছাড়াও, পরিচালকদের ভোটে একাদশ সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাখাওয়াত হোসেন, যিনি বরিশাল বিভাগের বিসিবি পরিচালক। তার আগে তিনি বিসিবির সভাপতি বুলবুলের (ক্রিকেট পর্যটন বিষয়ক) উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। শাখাওয়াত একজন প্রখ্যাত পর্যটন বিশেষজ্ঞ, যা ক্রিকেটের পাশাপাশি পর্যটন খাতেও তার গুরুত্ব বাড়িয়েছে।
আরেক সহসভাপতি (দুই) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ফারুক আহমেদ। তিনি গত বছর আগস্টে বিসিবির সভাপতি হিসেবে বেড়ে গেলেও মে মাসে সেই দায়িত্ব হারান। আগে গুঞ্জন ছিল বিকেএসপি’র সাবেক কোচ নাজমুল আবদীন ফাহিম এই পদে আসবেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই চমকপ্রদ পরিবর্তন আসে।
বিকাল চারটায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে পরিচালক পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নির্বাচিত পরিচালকরা أسماء ঘোষণা করা হয় এবং শেষত these, সভাপতি ও সহসভাপতি পদে ভোটদান সম্পন্ন হয়। এসব ভোটের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন বিসিবির নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণকারী কমিশনের কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে বুলবুল ঢাকা বিভাগের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরিচালক পদের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, ফারুক আহমেদ ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক নির্বাচিত হন। মোট ২৫ জন পরিচালক এই নির্বাচনে অংশ নেন, যার মধ্যে ১০ জন জেলা ও বিভাগীয় ক্যাটাগরি থেকে এবং ১২ জন ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হন।
বিশেষ করে সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নেতৃত্ব দানকারী অনেকেই এই ভোটে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, যিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হন এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে মোট ১০ জন পরিচালক এবার নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, এই নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বুলবুলের সভাপতি পদে পুনরায় মনোনয়ন হয়েছে এবং তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটের মাধ্যমে নতুন কার্যক্রমের সূচনা করছেন।
-

বিসিবি পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ীরা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তিনটি পৃথক ক্যাটাগরি থেকে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম ক্যাটাগরি, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, এখানে নির্বাচিত হয়েছেন ১০ জন। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি, ঢাকার ক্লাব কোটায়, ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তৃতীয় ক্যাটাগরি, সাবেক ক্রিকেটার ও সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায়, একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আজ সোমবার, ৬ অক্টোবর, রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে গঠনমূলক অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন কোটাগ্রহণ সদস্যরা। এনএসসি কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন মো. ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মাহম্মদ ফয়সল আশিক।
জেলা ও বিভাগীয় কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
– চট্টগ্রাম বিভাগ: আহসান ইকবাল চৌধুরী, আসিফ আকবর
– খুলনা বিভাগ: আব্দুর রাজ্জাক রাজ, জুলফিকার আলী খান
– ঢাকা বিভাগ: নাজমুল আবেদিন ফাহিম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল
– বরিশাল বিভাগ: সাখাওয়াত হোসেন
– সিলেট বিভাগ: রাহাত শামস
– রাজশাহী: মোখলেসুর রহমান
– রংপুর: হাসানুজ্জামানঢাকার ক্লাব কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু, ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।সাবেক ক্রিকেটার ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন:
খালেদ মাসুদ পাইলট।বিসিবির এই নির্বাচনে প্রতিটি ক্যাটাগরির প্রার্থীরা স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোটে বিজয় অর্জন করেছেন, যা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ।
-

বুলবুলই হচ্ছেন বিসিবির নতুন সভাপতি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১৭তম সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তামিম ইকবাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় তিনি এই পদে মনোনীত হওয়ার ব্যাপারে ছিলো শোনা। অবশেষে, তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন আজ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ দিনটি ছিল ৬ অক্টোবর, সোমবার। নির্বাচনের জন্য সকাল ১০টায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। ভোট গণনার পর দেখা যায়, মোট ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন তিনটি ক্যাটাগরি থেকে এবং আরো ২ জন নির্বাচিত হয়েছেন এনএসসি কোটায়। ফলে, মোট ২৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন এই নির্বাচনে। তাদের মধ্যে থেকেই নির্বাচিত হন বোর্ডের নতুন সভাপতি।
নির্বাচনে ক্যাটাগরি-১, অর্থাৎ জেলা ও বিভাগীয় কোটায়, ১০ জন এবং ক্যাটাগরি-২, অর্থাৎ ঢাকার ক্লাবকোটায় ১২ জন নির্বাচিত হন। এছাড়াও, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটায় নির্বাচিত হয়েছেন একজন।
বিসিবির সভাপতি হিসেবে প্রথমবার তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০২৩ সালের ৩০ মে। সে সময় তিনি বলেছিলেন, বোর্ডের দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি একটি কুইন টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে, দেশের ক্রিকেটের উন্নতিতেই তিনি দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন। বুলবুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক, এই প্রত্যাশা সকলের।
-

বাংলাদেশের কারণে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ
প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যেই সিরিজের জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ছিল ‘ডেড রাবার’ ম্যাচ, যেখানে নাটকীয়তা ও উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানকে শূন্য করে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হলো বাংলাদেশ। এর পেছনে মূল কৃতিত্ব তাদের দুর্দান্ত বলিং আক্রমণ, যার মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন ক্রিকেটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে আফগান ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি রান সংগ্রহের সুযোগ পাননি, যেনো দেড়শর বেশি রানের লক্ষ্যও বেশ কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। মাঝের কিছু সময়ে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে গেলেও, সাইফউদ্দিনের অবদান তাদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে ব্যাটিং করেন বাংলাদেশি ওপেনাররা। সফরকারীদের পক্ষে দারুণ শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন, তবে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাই তাঁকে আউট করে দেন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান ক্রমাগত আক্রমণে থাকেন। আফগান বোলারদের বিরুদ্ধে তারা নিয়মিত চার ও ছক্কার মারেনে রান তুলতে থাকেন। এর মধ্যে, তানজিদ হোসেন পঞ্চাশ ছুঁইয়ে জীবন পান। বিপদে পড়লেও দ্রুত ফেরত আসেন, তবে তার পরে ফের চমক দেখায় সাইফ হাসান; তিনি একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ৬৪ রান করেন। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই জয়ে বাংলাদেশ হাসিল করে ইতিহাস, তারা প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে। বাংলাদেশি অধিনায়ক জাকির আলী অনিকের নেতৃত্বে দলে ছিলো উজ্জ্বল মনোভাব। শুরুতেই বাংলাদেশের স্পিনার মুজিব উর রহমানের মারকুটে ওভার দিয়ে ম্যাচের অপার সুযোগ তৈরি হয়। প্রথম ওভারে আফগানরা কিছুই করতে পারেনি, যা পুরো ম্যাচের ধারা পরিবর্তন করে দেয়। অনুরূপ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ওপেনাররা চালিয়ে যান। তবে মাঝপথে, যখন কিছু উইকেট পড়ে, বাংলাদেশ বেশ বিপদে পড়ে। কিন্তু সাইফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং কখনো দলকে ভালই দিন আনে। তার ৭ ছক্কায় ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস দেখিয়েছে দলের জয়ের জোরদার সম্ভাবনা। তানজিদও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যদিও তাকে জীবন পান। তিনি ক্যাচ ছেড়ে দিয়ে ফেরার আগে ৩৩ রান করেন। এরপর সাবলীলভাবে ব্যাটিং চালিয়ে যান সাইফ হাসান, এবং তাঁর ছক্কায় স্টেডিয়ামের বাইরে বল পাঠিয়ে দেন। তবে, এক ওভারেই ঘটে অপ্রত্যাশিত বিপদ; জাকের পাটোয়ারির বলে সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হন। তারপরের কিছু সময় বাংলাদেশিরা বেশ সংকটের মুখে পড়লেও, মাঠে দলের স্পিরিট ও মনোভাব বদলায়নি। সাইফের সর্বশেষ ইনিংসে, তিনি ৯২ মিটার দূরে ছক্কা হাঁকিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। তার সঙ্গে এশিয়া কাপের পর এই তৃতীয় পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। শেষ পর্যন্ত, ৩৮ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফ হাসান। তার সতীর্থ নুরুল হাসান সোহান ১০ রানে থাকেন। আফগানিস্তানের পক্ষে দুটি উইকেট নেন মুজিব উর রহমান। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশের অঙ্গনে নতুন ইতিহাস লেখা হলো, যেখানে তারা প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০ ফাইনাল পরিসংখ্যান পেরিয়ে হোয়াইটওয়াশের জয়লাভ করে।
-

নারীবিশ্বকাপেও ভারতের সঙ্গে হাত না মিলালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের ঐতিহাসিক দ্বৈরথে রাজনৈতিক উত্তাপের প্রভাব আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ছেলেদের এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে ভারতের খেলোয়াড়রা যে আচরণ দেখিয়েছিল, সেই ঘটনা এখন নারী বিশ্বকাপেও ফিরে এসেছে। আজ কলম্বোয় নারী বিশ্বকাপের ম্যাচের আগে টসের সময়ও দেখা গেল না ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও পাকিস্তানি অধিনায়ক ফাতিমা সানা হাত মেলাতে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচের জন্য উভয় অধিনায়ক মাঠে নামলেও, চিরাচরিত সৌজন্যমূলক হাত মেলানো দেখা যায়নি। তারা একে অপরের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন। তবে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে টস জিতেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। ভারতের প্রথম ম্যাচে তারা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, অন্যদিকে পাকিস্তান হেরেছে বাংলাদেশের কাছে। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে ভারতই ছিল অন্যতম প্রধান фавারিট। নারী ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে দুই দলের ১১টি সাক্ষাতের সবকটিতেই জয়ী হয়েছে ভারত। মাঠের লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য থাকলেও, হাতে হাত না দেওয়ার এই ঘটনা প্রসঙ্গে আলোচনায় এসেছে অনেক কিছুই। এটি শুধুই একটি ফুটেজের ঘটনা নয়, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়গুলো।
-

বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আরও বাড়েনি, বরং নির্বাচন ঘিরে অস্বস্তি ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। গত শনিবার সংগঠকরা এক সংবাদ সম্মেলনে তফসিল পরিবর্তন, নির্বাচন পেছানোর দাবি ও তিন দফা দাবিতে পুনরায় আন্দোলনের সূচনা করেন। তারা এখন বৃহত্তর আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছেন।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে সংগঠকদের পক্ষে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়, যেখানে তারা চলমান সংকটের সমাধানে তিনটি মূল প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রথমত, বিসিবির বর্তমান নির্বাহী পর্ষদ সময় বাড়িয়ে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন, কাউন্সিলরশিপ সংক্রান্ত বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নির্বাচন প্রক্রিয়া পুনঃনির্ধারণ। দ্বিতীয়ত, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ এবং শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব।
সংগঠকেরা অভিযোগ করেন, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি জটিল করে তুলছে। তারা জানান, প্রথমে ১৫টি ক্লাবের অনুমতি প্রদান করলেও, বর্তমান সভানেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বার্থান্বেষী মহলশাসিত পরিবেশের কারণে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। গত কয়েক দফা বৈঠক হলেও কোনও সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠকরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বড় ক্লাবগুলোকে প্রভাবিত করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নির্বাহী পরিষদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় রয়েছে কিছু কর্মকর্তা, যা গঠনতন্ত্রের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের প্রিমিয়ার ও বিভাগের ক্লাবগুলো দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, তারা দেশের উন্নয়নে ব্যয় করে থাকে কোটি কোটি টাকা। তবে, এই মূল্যবান অবদান রয়েছে সংকটে। সংগঠকদের দাবি, বিভাগের ও জেলা পর্যায়ের কাউন্সিলর তালিকা সরকারের হস্তক্ষেপে ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হয়েছে। শীর্ষ ক্লাবগুলো যেমন মোহামেডান ও আবাহনী এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান। পাশাপাশি, বর্তমান সভাপতির সময়ে ১৫টি তৃতীয় বিভাগীয় ক্লাবের টুর্নামেন্ট আয়োজনের শেষ বা ক্ষতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্লাব সংগঠকদের অনেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার চিন্তাভাবনা করছেন।
আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের জন্য ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থায় ১২ পরিচালক পূর্বেই নির্বাচিত হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার সৃষ্টি করছে। সব মিলিয়ে, দেশের ক্রিকেট উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার স্বার্থে এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য সকল পক্ষের সমঝোতা ও উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।
