Category: খেলাধুলা

  • অস্ট্রেলিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে দল সেমিফাইনালে পৌঁছালো

    অস্ট্রেলিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে দল সেমিফাইনালে পৌঁছালো

    বাংলাদেশ মহিলা দলের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের এই আসর প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটাই হতাশাজনক হতে শুরু করেছিল। জয় দিয়ে শুরু করার পরের তিন ম্যাচে ধারাবাহিক হার বাংলাদেশের স্বপ্ন ভঙ্গের কারণ बनেছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আজকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাদের জন্য শুধু জিতলেই চলত না, জয় প্রয়োজন ছিল বড় ব্যাবধানে। এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া দলকে তারা ১০ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েই সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেছে অজ্ঞাতসাধ্য। এই জয়ের ফলে স্বাভাবিকভাবেই চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া। এবারে তারা পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে, যা তাদের শক্তির প্রতি আলাদাভাবে দর্শককে মুগ্ধ করে তুলেছে।

    বৃহস্পতিবার বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশের হয়ে প্রথমে ওপেন করেন রুবাইয়া ঝিলিক ও ফারজানা হক। উভয়ই দলের জন্য শুরুটা ভালো করার চেষ্টা করেন। ফারজানা বেশ কিছুক্ষণ ভালো ব্যাট করেন, তবে ২৪ বলে মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। এরপর ঝিলিক ও শারমিনের মধ্যে দৃঢ় সম্মিলনে দল কিছুটা সূচনা করে। ঝিলিক ৫৯ বলে ৪৪ রান করে আউট হলেও, তার আগে দলের সংগ্রহে আসে একটি শক্তিশালী সাফল্য। এরপর বাংলাদের মধ্যে আরও কিছু উইকেট হারানোর জন্য চাপে পড়ে, তবে প্রতিপক্ষে বিশ্বমানের অজিরা নিজেদের স্ট্র্যাটেজি কাজে লাগিয়ে বলার মতো ব্যাটিং করেন। অ্যাশলে গার্ডনার, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ও জর্জিয়া ওয়্যারহাম ২টি করে উইকেট তুলে নেন।

    ৭৩ রানে হারিয়ে থাকা ম্যাচে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহে আটকে রাখতে পারেনি। অজিরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান এবং ৭৭ বলে ১১৩ রান করে যান অ্যালিসা হিলি, অন্যদিকে ফোবি লিচফিল্ড ৭২ বলে ৮৪ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন। তাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের ও ব্যালেন্সের কারণে অস্ট্রেলিয়া দলের কপালে জয় লেখা হয়। বাংলাদেশের জন্য এই হারের মাধ্যমে সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন শেষ হয়। তাদের জন্য এই আসরে এগোতে আরও অনেক কিছু করতে হত, তবে অজি দলের শক্তির কাছে তারা অসহায় প্রমাণিত হন।

  • নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজের জন্য নতুন স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই সিরিজের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও পেসার নাহিদ রানা দলের বাইরে রয়েছেন।

    অপরদিকে, অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌম্য সরকার আবারও দলে ফিরেছেন, যিনি শেষবার ফেব্রুয়ারিতে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতি মিডল-অর্ডার ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রথমবারের মতো ওয়ানডে squad-এ স্থান পেয়েছেন। তাকে ইতিমধ্যে টেস্ট অভিষেকের সম্মানও লাভ করতে হয়েছে। এখন তার সামনে দেশের লাল সবুজ জার্সি গায়ে মাঠে নামার স্পর্শ করার সুযোগ।

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ফুটপ্রিন্ট মোটেও ভালো নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ হার এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশের পর এ সিরিজের প্রতি প্রত্যাশা আরও জোরদার হয়েছে। পরবর্তী তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১৮, ২১ ও ২৩ অক্টোবর, সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে।

    তৎপরতা চলমান, এরপর দুই দল টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। এই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ২৭, ২৯ ও ৩১ অক্টোবর, যার স্থান চট্টগ্রাম বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

    বাংলাদেশের স্কোয়াডের সদস্যরা হলেন: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ।

  • রোনালদোর রেকর্ডের দিনে বিশ্বকাপে ওঠার প্রথম সুযোগ হাতছাড়া পর্তুগাল

    রোনালদোর রেকর্ডের দিনে বিশ্বকাপে ওঠার প্রথম সুযোগ হাতছাড়া পর্তুগাল

    বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অসাধারণ পারফরমেন্সের মাঝেই পর্তুগাল তার বিশ্বকাপে ওঠার প্রথম সুযোগ হাতছাড়া করেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) হাঙ্গেরির মুখোমুখি ম্যাচে জয় পেলেই ২০২৬ বিশ্বকাপে যোগ দেবে পর্তুগাল। তবে শেষ মুহূর্তে হাঙ্গেরির যোগ করা সময়ের গোলে এই আশার প্রহর শেষ হয়। শুরুর দিকে তারা ২-১ এগিয়ে থাকলেও, শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র ২-২ এ শেষ হয়। এরপরও, এই ড্র তাদের বিশ্বকাপে পৌঁছানোর দৃষ্টিভঙ্গিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    বিশ্বকাপে ওঠার অপেক্ষা বাড়লেও, এই বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো। লিসবনের হোসে আলভালাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই গোল করার মাধ্যমে তিনি এই রেকর্ডের মালিক হন। ম্যাচের শুরুতে হাঙ্গেরির কাছে তারা প্রথম গোল হজম করে, ৮ মিনিটে। ২২ মিনিটে রোনালদো গোল করে সমতা ফেরান, এবং প্রথমার্ধের যোগ করা সময় আবারও লিড এনে দেন, এর মাধ্যমে তার বিশ্বকাপ বাছাইয়েও মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৪১–এ, যা তার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ।

    এতদিন পর্যন্ত এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন গুয়াতেমালার কিংবদন্তি ফুটবলার কার্লোস রুইজ, যার গোলসংখ্যা ছিল ৪০। কিন্তু রোনালদো প্রথম গোলের পরই এই রেকর্ড স্পর্শ করেন, এবং পরের গোলের মাধ্যমে তা আরও ছাড়িয়ে যান। এখন তার গোল সংখ্যা ৯৪৮, যা তার পেশাদার ক্যারিয়ারে পঞ্চাশতম বার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৫ এর বেশি গোল করার রেকর্ড।

    ৪১ বছর বয়সেও ফুটবল মাঠে দুনিয়াজোড়া নজর রয়েছেন রোনালদো। তার লক্ষ্য এখন ২০২৬ বিশ্বকাপ, যা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে। গতকালই পর্তুগাল এই আসরে অংশগ্রহণের জন্য নিশ্চিত করেছিল, তবে শেষ মুহূর্তে হাঙ্গেরির সঙ্গে ড্র হওয়ায় তার স্বপ্ন কিছুটা ধাক্কা খায়।

    বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ‘এফ’ গ্রুপে টানা তিন জয় নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পর্তুগাল, যার পয়েন্ট ১০। হাঙ্গেরি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে। তাদের পিছনে আছে আয়ারল্যান্ড ৪ পয়েন্ট ও আর্মেনিয়া ৩ পয়েন্টের সাথে। নভেম্বরের শেষ দিকে পর্তুগাল তাদের শেষ ম্যাচটি খেলার অপেক্ষায়, যেখানে তারা বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার সুযোগ পাবে।

  • মেসির রেকর্ডের দিন: আর্জেন্টিনার গোল উৎসব

    মেসির রেকর্ডের দিন: আর্জেন্টিনার গোল উৎসব

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আবারও তাদের আধিপত্য দেখাল। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির দল ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পুয়ের্তো রিকোকে হারিয়েছে। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে এবং প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি গোল করেছিল। ১৪তম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। এরপর ২৩তম মিনিটে মেসির নিখুঁত পাসে গনজালো মন্তিয়েল গোল করে দলকে আরও এগিয়ে নেন। ৩৬তম মিনিটে পুনরায় অ্যালিস্টার একটি গোল করার সুযোগ পান। বিরতির পরে আর্জেন্টিনা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রাখে। ৬৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে ব্যবধান বাড়ে ৪-০ এ। শেষের দিকে বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্তিনেজ দুইটি গোল করেন—৭৯ম ও ৮৪তম মিনিটে। এই দুই গোলের সহায়তা করেন লিওনেল মেসি, যার ফলে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করার রেকর্ডও গড়লেন। আগে এই রেকর্ডে শীর্ষে ছিলেন ডোনোভান (যুক্তরাষ্ট্র) এবং নেইমার (ব্রাজিল), তবে মেসি তাদের ছাড়িয়ে গেলেন। এটি মেসির জন্য এক সাতকাহনের দিন, যেখানে তার আধিপত্য এবং দক্ষতার প্রমাণ আবারও দেখালেন।

  • বিপিএল ড্রাফট ১৭ নভেম্বর, বাড়ছে পুরস্কার অর্থ

    বিপিএল ড্রাফট ১৭ নভেম্বর, বাড়ছে পুরস্কার অর্থ

    আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর শুরু হবে। এই আসরের প্লেয়ার ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে আরও পেশাদার ও আধুনিকভাবে পরিচালনা করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নতুন কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    বিপিএলের মধ্যে এই ধাপটি আয়োজনের জন্য এবার আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আইএমজি’র সাথে তিন বছরের চুক্তি করেছে বিসিবি। এই আসরটি এবার পাঁচটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহী দল চূড়ান্ত হয়েছে। অপরদিকে বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম দল নিয়ে আলোচনা চলছে।

    গত বছর ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রি, খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিক ও টুর্নামেন্টের সংগঠনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও সতর্ক থাকছে বিসিবি। এই আসরে অংশ নেওয়ার জন্য প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ২ কোটি টাকা ফি দিতে হবে, যা প্রতি বছর ১৫% বাড়বে। এর পাশাপাশি, ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমাও দিতে হবে।

    আয়ের ক্ষেত্রে এবার বড় 변화 এসেছে। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর রানার্সআপ দল পাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

    এছাড়াও, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের আয়ের একটি অংশ পাবে। টিকিট বিক্রি, টিভি সম্প্রচার ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংগৃহীত মোট আয়ের ৩০ শতাংশ ভাগ করে দেওয়া হবে দলগুলোর মধ্যে।

    বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পাঁচ বছরের জন্য স্বত্ব দেওয়া হবে। এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে বিসিবি বিপিএলকে আরও জনপ্রিয় ও পেশাদার পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্য রাখে।

  • এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণা হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড একযোগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এ ফল প্রকাশ করে। এবারের ফলাফলে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ১৮.৯৫ শতাংশ কম। এত বড় অপ্রত্যাশিত ফলাফলে অনেকেরই হতাশা বেড়েছে।

    এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদও। তাদের মধ্যে বাংলাদশ নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার অন্যতম। বর্তমানে তিনি ভারতের মাটিতে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলছেন। তবে দুঃখের কথা, এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি একটি বিষয়ে ফেল করেছেন।

    বিকেএসপি’র ভাইস প্রিন্সিপাল শামীম সাংবাদিকদের এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘ভুগোল বিষয়ে মারুফাকে ফলাফলে অনির্দিষ্ট দেখাচ্ছে। আমাদের কলেজের পক্ষ থেকে বোর্ডে মারুফার জন্য পুনরায় নিরীক্ষার আবেদন করা হবে।’

    অপরদিকে, বিকেএসপি থেকে এই বছর ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এর মধ্যে বাস্কেটবল বিভাগে শাহরিয়র সব বিষয়ে জিপিএ-৫ লাভ করেছেন। অন্যরা হলেন, টেবিল টেনিসের হয় ইসলাম, ক্রিকেটার নাভিদ, মেহরাব ও জান্নাতুল ফেরদৌস এবং অ্যাথলেটিকসের মাসুম মোস্তফা।

    শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছে।

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়

    লাহোরে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান এক অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯৩ রানে হারিয়েছে। এই জয়ের ফলে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিরিজে, এবং নতুন চক্রের শুরুতেই নিজেদের শক্তি আবারও দেখিয়ে দিলো।

    পাঁচ দিনের এই ম্যাচের শেষ দিনে পাকিস্তানের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন স্পিনার নোমান আলি। তিনি ম্যাচে মোট ১০টি উইকেট নিয়েছেন—প্রথম ইনিংসে ৬টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪টি। দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার হয় দক্ষিণ আফ্রিকার তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার: আইডেন মার্করাম, উইয়ান মুল্ডার এবং সর্বোচ্চ রান করা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪)।

    তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদিও, তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে চারটি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া সাজিদ খান দুই উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস দমন করেন।

    ডাক্তারি লক্ষ্য ২৭৭ রান তাড়ায় নামা দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমেই চাপে পড়ে। অধিনায়ক মার্করাম মাত্র তিন রানে আউট হন, আর মুল্ডার শূন্য হাতে ফিরে যান। কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন রায়ান রিকেলটন (৪৫) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪), তবে বাকিরা খুব একটা সফল হতে পারেননি।

    শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থেমে যায় ৬১তম ওভারে ১৮৩ রানে, এবং পাকিস্তান সহজজয় নিশ্চিত করে।

    প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৩৭৮ রান করে। ইমাম-উল-হক (৯৩), শান মাসুদ (৭৬), মোহাম্মদ রিজওয়ান (৭৫) ও সালমান আগা (৯৩) দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৬৯ রানে অলআউট করে ১০৯ রানের লিড নেয়।

    দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান করে ১৬৭ রান। বাবর আজম (৪২), আবদুল্লাহ শফিক (৪১) ও সাউদ শাকিল (৩৮) রান করেন নিজের নিজের করে।

    ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সেনুরান মুথুসামি ছিলেন অসাধারণ, তিনি মোট ১১ উইকেট নিয়েছেন—প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট। তবে তার পারফরম্যান্সও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হার থেকে রক্ষা করতে পারেনি।

  • নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালক সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার জুলফিকার আলি খান জুলুকে খুলনা থেকে এক বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয় খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এক্স-ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহান, যার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাসির হোসেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শংকর কর্মকার, মোহাম্মদ নাসিম, মোহাম্মদ আনসারুল হক, মনিরুল হাসান মনি, মোহাম্মদ আজিজসহ আরও অনেক distinguished ব্যক্তিত্ব। এর পাশাপাশি অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সম্পাদক মোসেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর, প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক আনিছুর রহমান কবির, এবং সদস্য জিয়াউর আলম জিয়া।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, জাকির হোসেন রিপন, মোহাম্মদ মোস্তাক, মোহাম্মদ এজাজ, এডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি, আম্পায়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতা খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, তারিকুল ইসলাম তুষার, বরকতউল্লাহ তুর্কি, মইনুল হাসান শিমুল এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

    বক্তারা জুলফিকার আলি খান জুলুর ক্রিকেট জীবন ও তার প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এবং খুলনাকে দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্র হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করবেন।

    অর্থাৎ, অনুষ্ঠানের শেষে জুলফিকার আলি খান জুলুর জন্য ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে তার ক্রিকেট ও প্রশাসনিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান জানানো হয়।

  • শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ছিলেন নাহিদা। তার করা প্রথম বলেই চার মেরে সমীকরণ সহজ করে দেন ডে ক্লার্ক। এরপর পরের বল ডট খেলার পর, তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ৩ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই দূরবর্তী হয়ে গেছে বাংলাদেশের জন্য।

    বিশাখাপত্তমে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা করে ২৩২ রান। দলের হয়ে অপরাজিত ফিফটি করেন স্বর্ণা। তার পরিণত ব্যাটিং এবং ধৈর্য্যপূর্ণ ইনিংসের কারণে বাংলাদেশের স্কোর মোটামুটি শক্তিশালী হয়।

    জবাবে, ৪৯ ওভারে ৩ বল বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রান সংগ্রহ করে এবং ম্যাচ জেতার বন্দরে পৌঁছে যায়।

    দক্ষিণ আফ্রিকার শুরু খুবই হালকা ছিল, প্রথম ওভারে নাহিদার শিকার হন ওপেনার তাজমিন ব্রিটস। প্রথম উইকেট হারানোর পরই লরা উলভার্টের নেতৃত্বে একমাত্র জুটিতে দাঁড়িয়ে যায়, তিনি ৩১ রান করেন। তবে, অধিনায়ক হঠাৎ রান আউটে পড়ে গেলে দ্রুতই আরও তিন উইকেট হারায় তারা।

    এখনও ৭৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে এই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে থাকলেও, ষষ্ঠ উইকেটে মারিয়ানা কাপ এবং চার্লি ট্রায়ন ৮৫ রানের জুটি গড়ে দেন। শেষমেশ, কেবল ৫৬ রান করে কাপ আউট হয়ে যান, আর ট্রায়ন করেন ৬২ রান।

    অবশেষে, ডে ক্লার্ক দলের জন্য দারুণ কিছু করেন। ২৯ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

    ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক ও ফারজানা হক সাবধানীভাবে ব্যাট করতে থাকেন। এতে বাংলাদেশের রান রেট কিছুটা কমলেও ভালো সূচনা হয়। লম্বা সময় পর উদ্বোধনী জুটিতে ফিফটি আসে। ঝিলিক ২৫ রান করে ফিরে যাওয়ার পর, ফারজানা ৭৬ বলে ৩০ রান করেন।

    তিনে নামা শারমিন আক্তার আবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন, নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি গড়ে। জ্যোতি ৪২ বলে ৩২ রান করেছেন। জ্যোতি ফিরে গেলেও, শারমিন ৭৪ বলে ফিফটি তুলে নেন, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম। তাঁর এই পারফর্মেন্সে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে ওঠে।

    অধিনায়ক নার্গিসের কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ৫ নম্বর বিস্তৃত হন এবং মিডল অর্ডারে সফল হন। স্বর্ণা ৩৪ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি ছুঁয়ে দ্রুত আঙিনায় পৌঁছান, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম।

    শেষে, রান উৎসবে যোগ দেন রিতু মণি, তিনি ৮ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন। তার এই ধারাবাহিক পারফর্মেন্স ও স্বর্ণার আধিপত্যে বাংলাদেশ অবশেষে এই রোমাঞ্চকর ম্যাচ হারলেও হতাশায় ডুবে না, ভবিষ্যতে আরও ভাল পারফর্মেন্সের প্রত্যাশা রেখে।

  • খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রংপুর বিভাগ। এবারও তারা ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে শিরোপার প্রত্যাশা ছিল। তবে এবার রংপুরের תשובה ছিল আরও কঠিন। ম্যাচের শুরু থেকেই রংপুরের বোলাররা দারুণ বল করে খুলনাকে আটকে রাখে, আর ব্যাটসম্যানরা নির্ভীকেই খেলতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে, খুলনার ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৩৬ রানে, যেখানে তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৪ রান। এরপর রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুবই ধারাবাহিক ভাবে খেলতে থাকেন, এবং বড় জয় দিয়ে মাঠ ছাড়েন। তারা ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়, সেইসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    খুলনার বোলিং শুরুতেই ধাক্কা খায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা প্রথম বলেই মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামানকে হারায়, যিনি স্পিনার নাসুম আহমেদের দ্রুত গতি ও সঠিক লাইন লাউড করে প্রথম শিকার হন। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিরুদ্ধে পয়েন্টের দিকে বল ঠেলে বেশ কয়েকটি রান করার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষমেষ রান আউট হন। সৌম্য সরকারও ব্যাটে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রান নিতে গেলে তিনি আউট হন বাইরের বলের কারণে। এরপর একজনের পর একজন উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে খুলনার ইনিংস দ্রুতই একপ্রকার ধসে পড়ে। শেষদিকে কিছু রান একটু বেশিই সংগ্রহ করে তারা, যেখানে ১৩০ পেরিয়ে যায়।

    রংপুরের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। দুই ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদ দারুণভাবে দলের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। তারা ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্রথমে দলের গতি বজায় রাখেন। জাভেদ ২৪ বলে ২৭ রান করেন, যেখানে নাসির আরও উজ্জ্বল পারফর্ম করে ৪৬ রান করে আউট হন। তিনি হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকতেই আউট হন। এরপর নাইম ইসলাম ও অধিনায়ক আকবর আলী অবিচ্ছিন্নভাবে ৫৪ রান যোগ করে। নাইম ৩২ বলের মধ্যে অপরাজিত ৪০ রান করেন, আর আকবর ১৫ বলে ১৯ রান করে থাকেন।

    রংপুরের জয়ে মূল ভুমিকা রাখে তাদের শক্ত বোলিং আর দৃঢ় মনোভাব। বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৮তম ওভারে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘূর্নে যায় খুলনার বিপক্ষে। তিনি মিঠুন ও অভিষেক দাসের উইকেট তুলে নেন, যদিও হ্যাটট্রিকের অনুকূল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এই বোলিংয়ের ফলে খুলনার সংগ্রহ কাঁটার মতো আটকে যায়। শেষে, খুলনার ব্যাটসম্যানরা কিছুটা রানের ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩০ রান। এই সংগ্রহের সাথে রংপুরের জেতা নিশ্চিত হয়, এবং তারা টানা দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পায়।