Category: খেলাধুলা

  • দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    অভিজ্ঞতা এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল তাদের প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল। এর আগে ভারত দুবার ফাইনালে পৌঁছালেও শিরোপা এই প্রথম তাদের ঝুলিতে উঠল। এই গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, যা ৫২ রানের ব্যবধানে হার মানল।

    ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে যাওয়া হতাশা কাটিয়ে এবার ভারতের নারী ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রমাণ করলেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের কাছে উড়ে যাওয়া স্বপ্নও শেষ হয়েছিল সেই সময়; কিন্তু এবার ভারতের নারী দল তাদের পরিশ্রম, ডেডিকেশন এবং দলের একতায় এক অনন্য শিরোপা জিততে সক্ষম হয়েছে।

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে বাদ দিয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হলো। সাধারণত এই দুই দেশই এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশ নিতো, তবে এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা থাকলেন বাইরে। ফলে নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা হলো ভারতের নাম।

    ২ নভেম্বর, রোববার সকালে nariz ধনী ম্যাচটি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে শুরু হয়। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের শুরুটা ছিল অসাধারণ, স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি বর্মার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৪ রানের দুর্দান্ত শুরু। তারা দুইজনই ফিফটি করে দলের স্কোর বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এই জুটির উপর ভিত্তি করে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে।

    বিরুদ্ধ দলের জন্য এই রান মনে হতে পারে চ্যালেঞ্জিং, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার লরা ভলভার্ট ও তাজমিন ব্রিটস শুরুতেই বেশ ধীরগতিতে খেলতে থাকেন। তবুও তারা প্রথম উইকেটের জন্য ৫৭ বলে ৫১ রান যোগ করেন। এরপর ব্রিটস ২৩ রান করে রান আউটে পরিণত হন। পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা যথেষ্ট সুবিধা করতে না পারায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং অচল হয়ে পড়ে। লরা ভলভার্ট একাই লড়ে যান এবং এক সময় তিনি সেঞ্চুরি করেন—তবে শেষ পর্যন্ত ৯৮ বলে ১০১ রান করে আউট হন।

    বাকিদের ব্যর্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস ৪৫ ওভারে ২৪৬ রানে গুটিয়ে যায়, ফলে ভারত তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে।

    খেলার শুরুতেই বৃষ্টির কারণে ফাইনালের টস বিলম্ব হয় এবং ম্যাচও দেরিতে শুরু হয়। ভারতীয় দলের শুরুটা ছিল খুবই প্রাণবন্ত, ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালি বর্মার ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান আসে। স্মৃতি ৩৫ বলে ৪৫ রান করেন, তার বিদায়ের পর জেমিমা রদ্রিগেজ মাঠে নামেন ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময়ে তিনি ৮৭ রান করেন। এর মধ্যেই দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা কিছু সুবিধা করতে পারেননি।

    দলের স্কোর ২৯২ পর্যন্ত পৌঁছলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা তাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৪৬ রানে, এক বিশাল ব্যবধানে হার স্বীকার করে।

    অভিনন্দন জানানো হয়েছে ভারতীয় দলের সব সদস্যকে, যারা ধারাবাহিক কঠোর পরিশ্রম এবং মনোবল দিয়ে এই ইতিহাস গড়েছেন। দেশের প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠেছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ teams এর মধ্যে দাগ কেটে থাকবে বিচিত্র ইতিহাসের পাতায়।

  • রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    উদ্যোক্তা ও প্রখ্যাত ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত করেছে। আজ বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তিনি নতুন পরিচালক হিসেবে যোগ দেবেন।

    রুবাবা দৌলা এখন বিসিবির দ্বিতীয় নারী পরিচালক। এর আগে, এনএসসির মনোনয়নে বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন ইশফাক আহমেদ। তবে, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হলে, রুবাবাকে নতুন করে এই পদে মনোনীত করা হয়।

    অতীতে, তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গ্রামীণফোনে ১১ বছর ধরে প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হয় গ্রামীণফোন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতায়, রুবাবা ঢাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও, স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আঞ্চলিক মান্যতায় পরিচিত। শিল্পী কামরুল হাসানের ভাতিজি এবং বিখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের ভাতিজি তিনি। বাংলাদেশের নারীদের বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে, ২০০৬ সালে তিনি অনন্যা শীর্ষ দশ নারী পুরস্কার অর্জন করেছেন।

  • ১০ দলের বিপিএলের আসর বসবে জানুয়ারিতে

    ১০ দলের বিপিএলের আসর বসবে জানুয়ারিতে

    এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আসরে কতটি দল অংশ নিবে, সে সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়নি। ইতিমধ্যে বিপিএলে অংশ নেয়ার জন্য ১১টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ৯টির সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব শাখাওয়াত হোসেন জানান, তারা আগামীতে ১০ দলের বিপিএলের পরিকল্পনা নিয়ে আছেন। তিনি বলেন, চলতি আসরে ৫ থেকে ৬টি দল থাকলেও ভবিষ্যতে এটি সাত বা আট দলে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিপিএলকে ১০ দলের টুর্নামেন্টে রূপান্তর করার লক্ষ্য রয়েছে। বিসিবি সহ-সভাপতি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ১০ দলের নাম দিয়েছি। যদি সব কিছু ঠিকঠাক হয়, তবে পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ দলের বিপিএল চালু করা সম্ভব। প্রথমে হয়তো সাত দল থাকবে, এরপর আট দল হবে। আমাদের সক্ষমতার ওপর এই সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। আপনাদের জানা দরকার, খেলা শুধু ঢাকা বা বড় শহরেই হয় না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, দল বাড়লে ক্রিকেটারদের জন্যও সুফল হবে এবং ভবিষ্যতে ভেন্যুর সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের কিছু লিগের মতো, আইপিএলের মতো, আমাদেরও ১০টি দল নিয়ে বিপিএল চালানোর স্বপ্ন রয়েছে। শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘যদি রাজশাহীতে কোনো খেলা হয়, তাহলে সেখানে সব দল থাকা, সুবিধা-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তাই আমরা চাই দল সংখ্যা বাড়ুক। দল বাড়লে খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হবে, তবে মানের খেলোয়াড়ও থাকা প্রয়োজন। সামগ্রিকভাবে, আমাদের চিন্তা-ভাবনা অগ্রগতির দিকে। আমরা ১০ দলের কাঠামো তৈরি করেছি এবং চাই একদিন আইপিএলের মতোই ১০ দলের লিগ চালু করতে।’

  • বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে সিরিজ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করে সিরিজ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিসীমানার মধ্যে দিয়ে পর্যাপ্ত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে গেল বাংলাদেশ। ফলে, তৃতীয় ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য মর্যাদার লড়াই। কিন্তু এই ম্যাচেও পাকিস্তান দল ব্যর্থ হয়েছে। ব্যাটিং এবং বোলিং উভয় বিভাগেই তারা যথেষ্ট লড়াই করতে পারেনি। শেষ মুহূর্তে ৫ উইকেটের সহজ জয়ে সিরিজটি জিতে নেয় ক্যারিবীয় দল। চট্টগ্রামের মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে সবাইকে হতাশ করে বাংলাদেশ, ১৫১ রানের সংগ্রহ গড়ে লাল-সবুজের দল। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্যারিবীয়রা অসাধারণ ব্যাটিং করেন, রোস্টন চেজ ও আকিম অগাস্তের ঝোড়ো আউটিংয়ে ১৯ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে। অনুতাপের বিষয়, বাংলাদেশের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে শুরুতেই উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা। প্রথম উইকেটে আলিক আথানেজ কট বিহাইন্ড হলে ৬ রানে আউট হন। এরপর ব্র্যান্ডন কিং ৩৭ রানে আউট হন, আর আমির জাঙ্গুও ২৩ রান করে ফিরে যান। তবে দ্রুতই ম্যাচের নাচের গতি বদলে দেন চেজ ও অগাস্তে। তারা ক্রমশ ৪৬ বলে ৯১ রান যোগ করেন, দুজনই ফিফটি পান। চেজ ৫০ রান করে ২৯ বলের ইনিংসে পৌঁছান, অগাস্তেও ৫০ করে যান। এই জুটি ভাঙলেও ক্যারিবীয়রা ১৯ বল হাতে রেখেই বড় জয়ে সিরিজটি নিজেদের করে নেয়। এই প্রথম নয়, এর আগে ব্যাটিংয়ে বারংবার ব্যর্থ হন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। বিশেষ করে শেষ ৫ ওভারে কেবল ৪২ রান তুলতে ৭ উইকেট হারায় তারা। উল্লেখ্য, ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। দলের মূল শক্তি হিসেবে এগিয়ে ছিলেন তানজিদ, যিনি দুটি জীবন পেয়ে ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ৯ চার ও ৪ ছক্কায় এই দুর্দান্ত ইনিংস। অন্যদিকে, দলের বাকি ব্যাটাররা যথেষ্ট সুবিধা করতে পারেননি। শুরুতে জেসন হোল্ডার ও শরিফুল ইসলামকে দ্রুত ফেরানো, পরে তানজিদ ও সাইফ হাসানের জুটি মূলত দলে স্বস্তি আনে। তবে শেষ টা ছিল শেফার্ডের দুর্দান্ত বোলিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়ে ম্যাচের হালটাই টেনে নেন। এর ফলে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ শারীরিক ও মানসিকভাবে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয় এবং সিরিজ জয়ের জন্য প্রস্তুত হয়।

  • ভারতকে ‘হুমকি’, দুই দিনের মধ্যে এশিয়া কাপের ট্রফি বুঝিয়ে দিতে হবে

    ভারতকে ‘হুমকি’, দুই দিনের মধ্যে এশিয়া কাপের ট্রফি বুঝিয়ে দিতে হবে

    এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টের সমাপ্তির এক মাস পার হয়ে গেলেও ট্রফি ইস্যু এখনও কাটেনি। ভারত পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলেও, একটিই বিষয় এখনো বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। সেটি হলো, এখনও পাকিস্তানের কাছে ট্রফি পৌঁছে যায়নি। এই পরিস্থিতিতে নাটক কম হয়নি। শেষ পর্যন্ত এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব দেবজিত সাইকিয়া একটিমাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। তিনি বললেন, দুই দিনের মধ্যে যদি ট্রফি না পৌঁছে দেয় এসিসি, তাহলে তিনি আইসিসির বোর্ড সভায় ব্যাপারটিকে তুলে ধরবেন এবং পরিস্থিতি জটিল করে তুলবেন।

    এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভি। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি। ফাইনালের পর ভারতীয় দল ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানায়; এতে নাকভি দৃঢ়ভাবে জানান, ট্রফি পেতে হলে ভারতের প্রতিনিধিদেরকে এসিসির সদর দপ্তরে যেতে হবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ফলে এই ট্রফি ইস্যু এখনও অপ্রাপ্তির অন্ধকারে থাকছে। আগামী মঙ্গলবার দুবাইয়ে আইসিসির সভা অনুষ্ঠিত হবে, তার আগে বিসিসিআই কর্তৃপক্ষ এসিসির কাছ থেকে ট্রফি চান।

    বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া পিটিআই-কে বলেছেন, ‘অতিক্রম করে গেছে এক মাস, কিন্তু এখনো ট্রফি আমরা পাইনি। এ নিয়ে আমাদের অসন্তোষ রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। দশ দিন আগে এসিসিকে চিঠি দিয়েছিলাম, তারপর থেকে তাদের কাছ থেকে কিছু পরিবর্তন হয়নি। তারা ট্রফি আমাদের কাছে রাখছে। আমরা আশাবাদী, দু-এক দিনের মধ্যে ট্রফি বিসিসিআই অফিসে পৌঁছে দেওয়া হবে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ট্রফি ফিরে আসবেই। এটা কেবল সময়ের ব্যাপার। সময় যতই লাগুক না কেন, একদিন না একদিন আমরা ট্রফি পাবই।’

    অতিমাত্রায় ট্রফি ইস্যুতে, নাকভিকে বিদ্রূপ করার জন্যও প্রস্তুত বিসিসিআই। দেবজিত সাইকিয়া বললেন, ‘আশা করি, এশিয়া কাপে আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে সব ম্যাচ জিতেছি এবং চ্যাম্পিয়নও হয়েছি। তবে ট্রফি এখনো আমাদের হাতে নেই। আমি আশা করি, এসিসির সভাপতি মহসিন নাকভির বিবেক জেগে উঠবে।’

  • জামায়াত যুব বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মহাফুজের মধ্যে

    জামায়াত যুব বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মহাফুজের মধ্যে

    মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ক্রিকেট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। এর মাধ্যমে তরুণ সমাজের মধ্যে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠবে। তিনি আরো বলেন, আমি চাই এখান থেকেই উঠে আসুক দেশের ভবিষ্যৎ তারকা ক্রিকেটাররা। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর খালিশপুরস্থ পিপলস জুট মিলস পাঁচতলা কলোনি মাঠে মহানগর জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত নগরব্যাপী আন্তঃওয়ার্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন নগর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মুকাররম আনসারী এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারি হামিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, নগর জামায়াতের সেক্রেটারি এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ইকবাল হোসেন, মুশাররফ আনসারী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুনাওয়ার আনসারী এবং আরো অনেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।
    এটি ৪৬ দলের প্রতিযোগিতা, যেখানে উদ্বোধনী খেলায় ১২নং ওয়ার্ড ও ৭নং ওয়ার্ড মুখোমুখি হয়। ৭নং ওয়ার্ড টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ১২ ওভারের এই ম্যাচে ১২নং ওয়ার্ড প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করে, এর জবাবে ৭নং ওয়ার্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান করে। ফলে ১২নং ওয়ার্ড ২১ রানে জিতে গিয়েছে।

  • ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেস্ট দলের নেতৃত্বে থাকবেন শান্ত

    ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেস্ট দলের নেতৃত্বে থাকবেন শান্ত

    বাংলাদেশ দলের টেস্ট নেতৃত্বে কোন পরিবর্তন আসছে না। বর্তমানে টেস্ট দলের অধিনায়কের দায়িত্বে থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যা কিছুদিন আরও স্থায়ী হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শনিবার (০১ নভেম্বর) এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চলমান ২০২৫-২০২৭ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ পর্যন্ত শান্তই বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন। শান্ত ২০২৩ সালে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এখন পর্যন্ত তিনি ১৪টি টেস্টে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অধীনে বাংলাদেশ লাল বলের ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য স্থায়িত্ব ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, শান্তর নেতৃত্বে দলের মধ্যে যে পরিপক্বতা ও দায়িত্বশীলতা দেখা গেছে, তাতে তারা খুবই আশাবাদী। দলের ভেতরে তার প্রভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক, ফলে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে। এই ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসের জন্য উচ্ছ্বসিত শান্ত নিজেও। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকাটা আমার জীবনের অন্যতম গর্বের বিষয়। বোর্ডের উপর আমার আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে, যারা একসঙ্গে কাজ করলে আমরা সফল ও স্মরণীয় কিছু অর্জন করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের পরবর্তী টেস্ট মৌসুমটি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজ দিয়ে শুরু হবে।

  • খুলনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাঁতার প্রতিযোগিতার সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাঁতার প্রতিযোগিতার সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণ

    তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর আয়োজন করেছে বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশেষ একটি সাঁতার প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিং পুল হলরুমে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌফিকুর রহমান, যিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রায় ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন স্কুল ও পার্শ্ববর্তী থানা থেকে অংশ নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন খুলনার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রাতিষ্ঠানিক ক্রীড়া শিক্ষকদের নেতৃত্বে তালিমপ্রাপ্ত ক্রীড়া শিক্ষিকা ও শিক্ষকের দল। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্যণীয় ছিল, যা শিশুরা তাদের সাহস ও কলাকৌশল প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রমাণ করেন।

  • বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা সৌদি আরবের

    বিশ্বকাপের জন্য আকাশে ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা সৌদি আরবের

    সৌদি আরব আসন্ন ২০৩৪ বিশ্বকাপের জন্য এক অভিনব ও ভাবনার বাইরে যেখানে আর কখনো দেখা যায়নি, এমন একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা করছে। সামাজিক মাধ্যমে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই তা দ্রুত আলোচনা ও ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। সেটি হলো, আকাশে নির্মাণ হবে একটি ভাস্বর ফুটবল স্টেডিয়াম, যার নাম ‘নিওম স্টেডিয়াম’। এই স্টেডিয়াম বিশ্ব ফুটবল মহাধুমধাম ছাড়াবে বলে আশা করছে অনেকে।

    প্রকল্প অনুযায়ী, এই স্টেডিয়ামটি ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আয়োজনের অংশ হিসেবে নির্মাণ করা হবে, যেখানে ২০টি নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, আরও চারটি পুরোনো স্টেডিয়ামকে আধুনিক যৌগিক ও প্রযুক্তিগত মান উন্নত করার কাজ চলবে।

    ফিফার বিডে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘নিওম স্টেডিয়াম’ হবে বিশ্বের অন্যতম অনন্য ও চোখে পড়ার মতো একটি স্টেডিয়াম। এর মাঠ থাকবে ৩৫০ মিটার উচ্চতায় মাটি থেকে ওপরের দিকে, যেখানে ভবনটি শহরের নিজস্ব কাঠামো দিয়ে নির্মিত হবে। এতে দর্শকরা এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা পাবেন।

    এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে ‘দ্য লাইন’ নামে পরিচিত এক ভবিষ্যতনির্ভর স্মার্ট শহরের অংশ হিসেবে। ২০২১ সালে ঘোষণা করা এই প্রকল্পটি এক সরল রেখার মতো অবস্থিত, দৈর্ঘ্য ১৭০ কিলোমিটার, প্রস্থ ২০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ উচ্চতা ৫০০ মিটার। এই শহরে গাড়ি থাকবে না, রাস্তা বা কার্বন নিঃসরণ সম্ভব হবে না। প্রায় ৯০ লাখ মানুষের বসবাসের পরিকল্পনা রয়েছে এই ‘দ্য লাইন’ নগরীতে। প্রকল্পের মূল কাঠামো এখন নির্মাণধীন, এবং পুরোপুরি বাস্তবায়নে সম্ভবত পুরোপুরি শেষ হবে ২০৪৫ সালে, অর্থাৎ বিশ্বকাপের ১১ বছর পরে।

    প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী, ‘নিওম স্টেডিয়াম’ এ প্রত্যাশা করা হয়, দর্শকদের বসার জায়গা হবে ৪৬ হাজার। এই স্টেডিয়ামটি থাকবে ৩৫০ মিটার ওপরে, যা দর্শকদের এক অনন্য মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ দেবে। সৌদি আরবের অন্যান্য প্রস্তাবিত ভেন্যুগুলো হবে রিয়াদ, জেদ্দা, আল খোবার ও আভা শহরে, যেখানে প্রতিটি স্টেডিয়ামের নিজস্ব আলোকসজ্জা ও স্থাপত্যশৈলী থাকবে। কিছু স্টেডিয়ামে থাকবে রঙিন আলো, স্ফটিকের মতো নকশা বা স্থানীয় উপকরণ দিয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা।

    ফিফা এবারের ২০৩৪ বিশ্বকাপের ঘোষণা ২০২৪ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি বিশেষ কংগ্রেসে ঘোষণা করে, যেখানে সৌদি আরবকে স্বাগতিক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ফিফার শর্ত অনুযায়ী, কমপক্ষে চারটি স্টেডিয়ামে ধারণক্ষমতা ৪০ হাজারের বেশি দর্শক হতে হবে। অন্যান্য দেশের পক্ষ থেকে বিড না থাকায়, সৌদি আরব এককভাবে আয়োজক হওয়ার সুযোগ পায়।

    ফিফা’র রোটেশন নীতি অনুসারে, এবার এই বিশ্বকাপ কেবল এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। স্বাগতিক নির্বাচনের জন্য মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়, যেখানে সৌদি আরবই একমাত্র আগ্রহ দেখায়। এই বিশ্বকাপ হবে ২১ শতকে এশিয়ায় তৃতীয় বড় আয়োজন হিসেবে, যেহেতু ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান এবং ২০২২ সালে কাতার স্বাগতিক ছিল।

    ২০২৬ সালে হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনের বিশ্বকাপ। তার পরের বছর, ২০৩০ সালে, স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো এবং দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে কিছু ম্যাচ আয়োজন করবে। এই ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নত্বের দীর্ঘ ও ঐতিহাসিক পথ চলা অব্যাহত থাকবে।

    সৌদি আরবের জন্য এখনো মোট বা অনেক সময় রয়েছে ভেন্যু নির্মাণ ও সংস্কার কাজ শেষ করার। তবে এরই মধ্যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, কারণ আগামী ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে, যা শুরু হবে আগামী ১১ জুন। সেখানে হয়তো শেষবারের মতো দেখা যাবে ফুটবল মহাতারকাদের, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসিকেও।

  • বাংলাদেশের জন্য শেষ সুযোগ ধবলধোলাই এড়ানোর ম্যাচে

    বাংলাদেশের জন্য শেষ সুযোগ ধবলধোলাই এড়ানোর ম্যাচে

    বাংলাদেশ এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, যা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে সম্মান রক্ষা ও ধবলধোলাই এড়ানোর জন্য। প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজটি হেরেছে টাইগাররা, ফলে আজকের ম্যাচটি তাদের জন্য এক ধরনের লজ্জা রক্ষার সন্ধান। এই ম্যাচে জয় ছাড়া বাংলাদেশ মনে করছে অনেক কিছুই হারানোর মতো। লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশি দলের সামনে এটি এক সুযোগ নিজেদের মর্যাদা ফিরে পাওয়ার এবং ঘুরে দাঁড়ানোর। ম্যাচের গুরুত্ব বুঝে বাংলাদশের অধিনায়ক স্বাগতিকরা টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে টসে হারায় বাংলাদেশ ব্যাট করতে পরে হয়েছে, ফলে রান তাড়ায় তাদের ব্যর্থতা দেখা গেছে। আজকের ম্যাচে তারা বড় সংগ্রহ গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে, যাতে সিরিজের অবশিষ্ট মিসকমপ্লিশনগুলি সংস্কার করা যায়।

    প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ভালো করতে পারেননি তাওহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেন, তাই আজ তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন নুরুল হাসান ও মেহেদী হাসান। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান এবং তানজিম হাসানও আজ খেলছেন না; পরিবর্তে দলে স্থান পেয়েছেন শরীফুল ইসলাম ও পারভেজ হোসেন।

    বাংলাদেশ একাদশ :
    লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলি, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শেখ মেহেদি, শরিফুল ইসলাম।

    অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সম্ভাব্য একাদশে রয়েছেন: আমির জাঙ্গু, আলিক আথানেজ, রোস্টন চেইস, জেসন হোল্ডার, আকিল হোসেন, ব্র্যান্ডন কিং, খ্যারি পিয়ের, রভম্যান পাওয়েল, আকিম অগাস্টে, গুড়াকেশ মোতি ও রোমারিও শেফার্ড।

    এটি বাংলাদেশের জন্য এক শেষ সুযোগ, যাতে তারা নিজেদের মর্যাদা রক্ষা করতে পারে এবং সিরিজে সম্মানজনক এক ফলাফল নিশ্চিত করতে পারে।