Category: খেলাধুলা

  • প্রথম চার ব্যাটারীর ৮০ ছাড়ানো ইনিংসে বাংলাদেশের রেকর্ড

    প্রথম চার ব্যাটারীর ৮০ ছাড়ানো ইনিংসে বাংলাদেশের রেকর্ড

    আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে সিলেটে মাঠে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসের খেলায় তারা এখন পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৫৮৩ রান সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে তারা ২৯৭ রানের বিশাল লিড নিতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রাধান্য বাংলাদেশের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ম্যাচের পরিস্থিতি একদিকে ঝুঁকে পড়েছে।

    প্রথম ইনিংসের এই বিশাল সংগ্রহের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটার। তারা একসঙ্গে ১৬৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে, যেখানে ওপেনার সাদমান ইসলাম ৮০ রান করে দলের রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন। যদিও সেঞ্চুরি করার সুযোগ হয়নি তার, তবে অন্য ওপেনার মাহমুদুল হাসান ১৭১ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এরপরের দুই ব্যাটার, মুমিনুল হক ও নাজমুল শান্তও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

    মুমিনুল হক ৮২ রান করে আউট হলেও নাজমুল শান্ত আক্ষেপ ছাড়াই ১০০ রান করেন, যা প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটারের জন্য ৮০ ছাড়ানো ইনিংসের ইতিহাসে প্রথম। এই ঘটনা দেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র ১১তম ঘটনা। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে প্রথম চার ব্যাটার ৮০ রানের বেশি করে থাকলেন।

    অতিরিক্তভাবে, এই প্রথম চার ব্যাটার ছাড়াও আরও একজন উপমহাদেশের ক্রিকেটার – লিটন দাস – প্রথম ইনিংসের ফিফটি ছাড়ানোর ঘটনা ঘটিয়েছেন। এটিই পঞ্চমবারের মতো যে বাংলাদেশের ব্যাটাররা এমন কীর্তি স্থাপন করলেন। বিগত সময়ের মতো সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এই ধরনের কীর্তি হয়েছে ৮৩ বার।

    সার্বিকভাবে, এই অসাধারণ পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যেখানে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে চারজনের জন্য ৮০ বা তার বেশি রান করার নজির স্থাপন করলেন। এই অর্জন দলের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ তারুণ্য ও পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বড় সফলতা ঝুলিতে ভরাতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • জয়ের সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশে দারুণ দিন

    জয়ের সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশে দারুণ দিন

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেছে। দ্বিতীয় দিন মাঠে গিয়ে তারা পুরো ম্যাচের দিকপাল হয়ে উঠেছে। টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসের সঙ্গে সাদমান ইসমালের ৫০ প্লাস ফিফটি এবং মুমিনুল হকের সেঞ্চুরির সঙ্গে আজকের দিনটি ছিল বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    আজ ব্যাটিংয়ে নামে আয়ারল্যান্ড লম্বা লড়াই করতে পারেনি, শুরুতেই তাদের কয়েকটি উইকেট পড়ে। প্রথম দুই ওভারে তারা মাত্র ২.২ রান করতে সক্ষম হয়। এরপর বাকি সময়ে তাদের ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে শেষ পর্যন্ত তারা প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রান করে, এর মধ্যে দুই উইকেট হারায়।

    এরপর, বাংলাদেশের ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় এবং সাদমান ইসলাম দুর্দান্ত শুরু করেন। তাদের পাওয়া ১৬৮ রানের জুটি বাংলাদেশের কথার মতো করে উপভোগ্য করে তোলে। সাদমান ১০৪ বলের মোকাবিলায় ৮০ রানে অবসর নেন।

    মাহমুদুল হাসান জয় ১৬৯ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে তিনি ১৪টি চার ও ৪টি ছয় মারেন। এটি তার ক্যারিয়ার সেঞ্চুরি, যা দেশের মাটিতে তার প্রথম। অন্যদিকে, মুমিনুল হক অপরাজিত থাকেন ৮০ রানে, ১২৪ বলে। এই দলের বড় ধরনের পারফরম্যান্সের ফলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩৮ রান, এবং দিনশেষে তাদের লিড বেড়ে হয় ৫২ রানে।

    জয়ের ৭৭তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা রান করে যাত্রা শুরু করেন। এরপর, তিনি আরো ধারাবাহিকভাবে ব্যাট করেন। কোঁচ উপভোগ্য দুই ছক্কা ও চার মারেন কুর্টিস ক্যাম্ফারকে, যার মাধ্যমে তিনি দেড়শো পার করে যান। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ১৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

    মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হকের পারফরম্যান্স প্রশংসনীয়। জয় গত ছয় ইনিংসে খুব বেশি ফর্মে ছিলেন না, তবে আজ তিনি প্রথম স্পেশাল ইনিংস খেলতে পারলেন। ৭৭তম ওভারে ৭৭ রান করে ক্যারিয়ার সেরা অর্জন করে নিলেন। এরপর কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে চাপমুক্ত হয়ে তিনি আরো রানের রেকর্ড গড়েন। এই ইনিংসে তিনি ৯টি চার ও ১টি ছয়সহ ১৬৯ রান করেন।

    অন্য দিকে, মুমিনুল হক এই ম্যাচে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের ঝলক দেখিয়েছেন। প্রথম সেঞ্চুরির পর তার সর্বোচ্চ ফর্ম ছিল ৪৭ রান, তবে আজ তিনি ৭৫ বলে ২৩তম ফিফটি করে উন্নতি করেন। তার এই অনন্য সফলতার জন্য তার আত্মবিশ্বাস আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আসলে, জয় আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশের দলে, এবং আজকের এই অসাধারণ শতকের মধ্য দিয়ে তার প্রত্যাবর্তন পূর্ণতা পেল। ২০২২ সালের মার্চে ডারবানে টেস্টে নিজের চতুর্থ ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন জয়। আবারও ১৯০ বলে দ্বিতীয় শতক তুলে নেন তিনি।

    সেঞ্চুরি করে জয় প্রমাণ করেন যে তিনি এখন আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী সাদমান শতক পেয়েছিলেন না হলেও, জয় এই পথে হেঁটেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছয়।

    প্রথম সেঞ্চুরির পর, জয় ৩০ ইনিংসে মোট কেবল তিনটি হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন, যা তার ধারাবাহিকতার অভাবের প্রমাণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় তাকে দলে ফেরানো হয়। সেই ফর্ম এখন তার প্রথম ও দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে পরিণত হলো। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৮ রান, যা সম্প্রতি ১০ বছরের মধ্যে সব থেকে উচ্চ।

    এর আগে, জয়-সাদমানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জুটি ভেঙে যায় বাঁহাতি আইরিশ স্পিনার ম্যাথু হামপ্রিসের বলে। কিছুটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে সাদমান ভুল করেন। বল তার ব্যাটের আলতো ছোঁয়া নিয়ে উইকেটরক্ষক লরকান টাকারের হাতে ধরা পড়ে। আম্পায়ার initially অস্বীকৃতি দিলেও, পরে রিভিউয়ে জীবনের প্রথম হারেন তিনি। ১০৪ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় তিনি ৮০ রানে থামে।

  • অভিমান ভেঙে টেস্ট নেতৃত্বে ফিরলেন শান্ত

    অভিমান ভেঙে টেস্ট নেতৃত্বে ফিরলেন শান্ত

    গত জুনে টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান নাজমুল হোসেন শান্ত। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ওয়ানডে নেতৃত্ব হারানোর পর তিন ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়কের বিরূপ জটিলতা তার উপর প্রভাব ফেলেছে। তবে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজের শুরুর মুহূর্তের আগ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে আবার নেতৃত্বে ফিরলেন তিনি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সিলেটে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত তার এই প্রত্যাবর্তনের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

    শান্ত বলেন, ‘তিন ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক থাকায় আমি আগেই সরে গিয়েছিলাম। তবে এখন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সব কিছু পরিষ্কার হয়েছে। আমি মনে করি, এখন আমি আত্মবিশ্বাসী এবং কোনও জটিলতা থাকছে না। আমার সঙ্গে অন্য দুই অধিনায়ক (লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ) এর কথাও পাকা। আমাদের মধ্যে যোগাযোগের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এই কারণেই আমি মনে করি, এখন ফিরার ঠিক সময়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার সময়টাও আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। এই সময়ে আমি ভালোই ছিলাম; এখন বোর্ডের মনোভাব এবং যোগাযোগ আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। আমি বিশ্বাস করি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দল। সাবেক ক্রিকেটারদের চিন্তাধারা আমাকে খুব ভালো লেগেছে, তাই আমি ফিরে এসেছি।’

    এমনকি এই সিরিজে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট খেলার মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন (দ্বিতীয় টেস্টে)। এই অনন্য অর্জনকে সৌন্দর্য্যের সাথে উদযাপন করতে চান শান্ত। তিনি বলেন, ‘মুশফিক ভাইকে নিয়ে আমার খুব ভালো লাগা কাজ করছে। তার অভিজ্ঞতা আমাদের ড্রেসিং রুমে অনেক কাজে লাগে। আমরা চাই, এই দুটো টেস্টের সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে সেই উদযাপনে অংশগ্রহণ করতে।’

  • বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট মাত্র ছয় মিনিটে শেষ

    বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট মাত্র ছয় মিনিটে শেষ

    আজ দুপুর ২টায় এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের বাংলাদেশের ম্যাচের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এই ম্যাচটি ১৮ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে, এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা ব্যাপক। মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিটই sold out হয়ে যায়।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস জানিয়েছেন, সাধারণ গ্যালারির সব টিকিটই মাত্র ছয় মিনিটে বুকিং হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে, এবং ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি টাকা পরিশোধও হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটগুলো এখন আর অবিক্রিত থাকেনি, তবে রেড বক্স এবং হসপিটালিটি ক্যাটাগরির টিকিট এখনও উপলব্ধ রয়েছে।

    পূর্বের বছরগুলোতে সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচের টিকিটের মূল্য ছিল ৪০০ টাকা। তবে ভারত ম্যাচের জন্য বাফুফে সেটি বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করেছে। দাম বাড়লেও সমর্থকদের আগ্রহ কমেনি। টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেক দর্শক তা সংগ্রহ করেন। এত দ্রুত সময়ে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হলেও, এখনো দর্শকদের কাছ থেকে গালিম বা টিকিট না পাওয়া নিয়ে তেমন কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

    এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচের টিকিটও প্রায় এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে। তবে এই টিকিট বিক্রিও ধীর হওয়ায়, আশা করা হচ্ছে দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। গাউস বলেন, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিটই শেষ। আজ সেখানে অনেক গ্রাহক আসতেও শুরু করেছেন। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবেন।’

    নভেম্বরের শুরুতে, ১০ জুন, বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। প্রথমে টিকিফাই প্ল্যাটফর্মে টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনেক ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। পরে, অক্টোবরের উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ৯ অক্টোবর ঢাকায় ঐ ম্যাচের টিকিট মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়।

    অক্টোবরের উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বরের উইন্ডোতেও সেই কুইকেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সহজে অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় দর্শকরা ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট কিনে থাকেন। তার পরেও, চার মাস পেরিয়ে গেলেও, বাফুফে এখনও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করতে পারেনি।

  • নেতিবাচক ফুটবল মন্তব্যে বিসিবি-বাফুফের ঝঞ্ঝা

    নেতিবাচক ফুটবল মন্তব্যে বিসিবি-বাফুফের ঝঞ্ঝা

    বিসিবি পরিচালকের ফুটবল বিষয়ক কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। গতকাল আসিফ আকবর সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করেন, যা দ্রুতই ব্যাপক আলোচনা ও নিন্দার জন্ম দেয়। এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ঘটনার সঙ্গে Brü ।চিঠিতে বাফুফে জানিয়েছে, ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফের অশোভন মন্তব্য দেশের ক্রীড়া মহলে দারুণ আঘাত হেনেছে। তারা বলেছেন, “অভিজাত” ও “মারামারি” শব্দের ব্যবহার যেন বৈষম্য ও হুমকির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে, যা মূলত দেশের প্রতীকী মানচিত্রে ভিন্নতা সৃষ্টির অপপ্রয়াস। তারা আশা করছেন, আপনি এই বিষয়গুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেবেন।

  • শেষ বিকেলে স্পিনারদের দাপটে স্বস্তি ফিরল টাইগার শিবিরে

    শেষ বিকেলে স্পিনারদের দাপটে স্বস্তি ফিরল টাইগার শিবিরে

    দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলাররা প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত সূচনা দেয়, যা ম্যাচে একটা আশার ভাস্কর্য ছিল। তবে এরপরের সেশনে তারা আর উইকেট তুলতে পারেননি, আর আইরিশ ব্যাটাররা পল স্টার্লিং ও কেড কারমাইকেলের জোড়া ফিফটিতে বড় রানের ভিত তৈরি করে। দিনের প্রথম দিকে বেশ কিছু ভুল ফিল্ডিং ও ক্যাচ ছুঁড়ে ফেললেও দিনশেষে স্বস্তি ফিরে এসেছে বাংলাদেশের স্পিনারদের দৃঢ় পারফরম্যান্সের কারণে। হাসান মুরাদ ও মেহেদি মিরাজের অসাধারণ বলিংয়ে তারা দিন শেষ করে শান্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।

    সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষে আইরিশরা ৮ উইকেটে ২৭০ রান করে। এর মধ্যে বেন ম্যাকার্থি ২১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে তিনটি উইকেট লাভ করেন মেহেদি মিরাজ।

    এই ম্যাচের জন্য টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আইরিশরা শুরুতেই প্রত্যাশিত হারিয়ে ফেলে উইকেট। প্রথম ওভারেই পেসার হাসান মাহমুদ অপরাজিত অ্যান্ডি বালবির্নিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেয়। তবে দ্রুতই ফিল্ডারদের ভুল ও বেশ কিছু সুযোগ নষ্টের কারণে আইরিশ ব্যাটাররা রানের গতি বাড়াতে থাকে। স্টার্লিং ৫৬ বলে ২১ রান করে জীবন পেয়ে যান। এরপর, ৯৪ রানে ১ উইকেটের ক্ষতিপূরণ করতে গেলে স্টার্লিংকেই আউট করেন নাহিদ রানা। এরপর হ্যারি টেক্টর এলবিডব্লিউ হন মাত্র ১ রান করে।

    অপরদিকে, কুর্টিস ক্যাম্ফার ও কারমাইকেল জুটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ নেন। এই জুটিতে তারা ৫৩ রান যোগ করেন। তবে দ্রুতই এই জুটি ভেঙে যায়, কারমাইকেলর বিপদে পড়ে ড্রাইভে ক্যাচ দেন লেগ স্লিপে। এরপর, নাজমুল হোসেন শান্ত ডাইভ দিয়ে ক্যাচটি সংগ্রহ করেন। রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়, ফলে কারমাইকেল আউট হন।

    ১৯৩ রানের মধ্যে ক্যাম্ফার নামে ৫৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর, লরকান টাকার ও জোড়া মারফত দলের স্কোর এগিয়ে যায়। তবে, দলীয় ২০৩ রানে ক্যাম্ফার ফিরে যান, আর তার সঙ্গে টাকারও আউট হন। জোড়া উইকেট হারানোর পরে, ম্যাকার্থি ও নিলের যোগফলে কিছুটা ধারাবাহিকতা দেখান। দিনশেষে, বাংলাদেশের স্পিনাররা চাপ বেড়ে যাওয়ার পথে থাকলেও, জয়প্রাপ্তির জন্য প্রস্তুত। দিন শেষে আইরিশরা ৮ উইকেটে ২৭০ রান করে খেলা শেষ করেন।

  • মাহেদির ব্যাটিং জাদুতে খুলনা চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে

    মাহেদির ব্যাটিং জাদুতে খুলনা চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২৭তম আসরে তৃতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে খুলনা বিভাগ শীর্ষে উঠে এসেছে। স্পিন অলরাউন্ডার মাহেদি হাসানের অসাধারণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে তারা চট্টগ্রাম বিভাগকে ২ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এর ফলে তিন ম্যাচে দু’জয় ও এক হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার প্রথম স্থান দখল করে নিল খুলনা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগ সমান সংখ্যক ম্যাচে এক জয়, এক হার ও এক ড্র’সহ মোট ১০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

    চট্টগ্রাম শহরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট সার্জেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে চতুর্থ ও শেষ দিন জেতার জন্য খুলনার দরকার ছিল ১৮৫ রান, আর চট্টগ্রামের ছিল সারা দিন ১০ উইকেটের বাধা। প্রথমে ব্যাট করে খুলনা বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী জুটি গড়ে ৮৫ রান, যেখানে অমিত মজুমদার ১০ রানে ও সৌম্য সরকার ৭১ রান করে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে থাকেন। সৌম্য ৯০ বলের মধ্যে ৭১ রান করে ৬টি চার এবং ২টি ছক্কা হাঁকান।

    দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ১০৬ রান স্কোর করার পরে, সৌম্য ফেরার পর চট্টগ্রামের স্পিনার নাইম হাসানের ঘূর্ণিত বলে খুলনা দলের উইকেট পতনের ধারা শুরু হয়। সপ্তম উইকেট পতনের পরে তারা ১৬৯ রানে কমে যায়। এরপর অমিত ও সৌম্যর পর, তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে মাঠে নিয়মিত উইকেটের পতন ঘটান নাইম হাসান। অষ্টম উইকেটে মাহেদি হাসান ও নাহিদুল ইসলাম দলীয় ৫৭ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হন; এই সময়, দল থেকে ১১ রান দূরে থাকাকালে মাহেদি ও নাহিদুল বিচ্ছিন্ন হন। শেষ দিকে, নাহিদুল ১০৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন।

    মাহেদি হাসান অপরাজিত ৫০ রান করেন ৪৯ বলের মধ্যে, যেখানে ৭টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকান। রানার ২ রানে অপরাজিত থাকেন। চট্টগ্রামের নাইম হাসান ১০৫ রানে ৫ উইকেট নেন। এই জয়ের ফলে খুলনা বিভাগ দ্রুত টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে, আর সৌম্য সরকার ম্যাচের সেরা হন।

  • আবরারের ঘূর্ণিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সিরিজ জিতল পাকিস্তান

    আবরারের ঘূর্ণিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সিরিজ জিতল পাকিস্তান

    ফয়সালাবাদের ধীর ও নিচু বাউন্সের উইকেটে পাকিস্তানি স্পিনারদের দুর্দান্ত ঘুর্ণি জালে আটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে প্রোটিয়াদের মাত্র ১৪৩ রানে অলআউট করে স্বাগতিক পাকিস্তান সিরিজটি নিজেদের করে নেয়। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ম্যাথিউ ব্রিটজ। ম্যাচের শুরুতেই তারা দারুণভাবে শুরু করে, কুইন্টন ডি কক ও লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াসের মধ্যে ৭২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে। কিন্তু এরপরই ধস শুরু হয়, শেষ আট উইকেট মাত্র ৩৭ রানে হারায় তারা। এটি পাকিস্তানের জন্য ছিল এক দারুণ সুযোগ। আবরার আহমেদের লেগ স্পিনে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল এবং লোয়ার অর্ডার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। শুরুতে পাকিস্তান একটু রক্ষণশীল ভঙ্গিতে খেলা শুরু করে, নতুন বলে আঘাত হানেন সাঈম আয়ুব ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। প্রথম চার ওভারে তারা মাত্র ১০ রান দিচ্ছিলেন। শাহিনের ব্যাক-অফ-দ্য-হ্যান্ড স্লোয়ারে ডি কক প্রথম বলেই বুঝতে পারেননি, মারতে গিয়ে চার হাঁকান। পরের বলেই গতি বাড়িয়ে আবার চার মারেন তিনি। দেশের হয়ে ৭০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি। মোহাম্মদ নওয়াজের বলের রিভার্স সুইপে ফিফটি পূর্ণ করেন ডি কক, তবে দুই বলের মধ্যে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। এরপরই শুরু হয় আবরারের জাদুকরী বোলিং। মাত্র দুই ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল অর্ডার ধ্বংস করে দেন তিনি। প্রথমে রুবিন হারম্যান ডেবিউতে গুগলি বুঝে বোল্ড হন। পরের বলেই ডোনোভান ফেরেইরাস সুইপ করতে গিয়ে বল মিস করেন ও সরাসরি স্টাম্পে লাগায়। এরপর করবিন বোশ নিচু বাউন্সে বিভ্রান্ত হয়ে গোল্ডেন ডাক পান। তবে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পায়নি, শেষ ওভারে অধিনায়ক ব্রিট্জকে ক্যাচ ধরিয়ে দেন আবরার। শেষদিকে কিছু প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার নিচের ব্যাটাররা, তবে শাহিন আফ্রিদি ৩৮তম ওভারে পরপর দুটি বলের মধ্যে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত স্পিন displays দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য আর নিরাপদ নয়, ফলে সিরিজের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তারা হেরে যায়। এ উজ্জীবিত পাকিস্তান ফলিত হয় এক ঐতিহাসিক জয় দিয়ে।

  • বিসিবির তিন সদস্যের কমিটি গঠন জাহানারা ইস্যুতে তদন্তের জন্য

    বিসিবির তিন সদস্যের কমিটি গঠন জাহানারা ইস্যুতে তদন্তের জন্য

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানি ও অন্যান্য অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগের মধ্যে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ড এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে।

    এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি তারিক উল হাকিম, যিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এর পাশাপাশি কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়াসংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।

    বিসিবি জানায়, এই কমিটি শুধুমাত্র সাবেক ক্রিকেটার জাহানারা আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগই তদন্ত করবে না, বরং সম্প্রতি নারী দলের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অজíc অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার বোর্ড প্রথম এই তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয় এবং কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

    উল্লেখ্য, ৬ নভেম্বর জাহানারা আলম একটি ইউটিউব সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং প্রয়াত টিম ম্যানেজার তৌহিদ মাহমুদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, এই বিষয়টি বোর্ডকে জানিয়ে দৃঢ়মূলক ব্যবস্থা চেয়েছেন, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননি। এর ফলस्वরূপ, ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়, এবং আরও অনেকে ক্রিকেটারও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলেন।

    বিসিবির মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, এই তদন্ত কমিটি দ্রুত তাদের কার্যক্রম শুরু করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

  • আলী আমজাদের ঘড়ির সামনে আয়ারল্যান্ড সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

    আলী আমজাদের ঘড়ির সামনে আয়ারল্যান্ড সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

    ক্রিকেটের উন্নয়নকে আরও সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঐতিহাসিক স্থাপনার সামনে ট্রফি উন্মোচনের ধারাবাহিকতাকে অব্যাহত রেখেছে। এর অংশ হিসেবে, সিলেটের সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত আলী আমজাদের ঘড়ির সামনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান।

    আজ রোববার, (১০ অক্টোবর) দুপুরে এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক এন্ড্রু বালবার্নি ট্রফি উন্মোচন করেন। এতে বিসিবির শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলী আমজাদের ঘড়িঘরটি ১৮৭৪ সালে নির্মিত, এবং এটি সিলেটের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কীন ব্রিজের পাশে স্থাপিত। জমিদার আলী আহমদ খানের ছেলে আলী আমজদের স্মরণে এই স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়।

    এই ঘড়িঘরটি লোহার খুঁটির ওপর ঢেউতিনে তৈরি গম্বুজাকৃতির ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন। আজও এটি ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং নগরীর পরিচয় বহন করে চলেছে।

    ঘড়িটির ব্যাসার্ধ প্রায় আড়াই ফুট, আর কাঁটার দৈর্ঘ্য দুই ফুট। ট্রফি প্রদর্শনের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থানকে খেলাধুলার সাথে সংযুক্ত করে স্থানীয় পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

    আগামী ১১ নভেম্বর সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ১৯ নভেম্বর থেকে মিরপুরে বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।