Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের বাজিমাৎ: শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলে হারালো তরুণ দল

    বাংলাদেশের বাজিমাৎ: শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলে হারালো তরুণ দল

    অপ্রতিরোধ্য ফুটবল ছন্দ ধরে রেখে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ আবারও দেখালো দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে বড় জয়। বুধবার চীনের ছংছিংয়ে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-এ ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণ দল অসাধারণ এক ম্যাচ খেলেছে, যেখানে তারা শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।

    এর আগে, সিরিজের দুই ম্যাচে টিমোর-লেস্তে (৫–০) এবং ব্রুনেইয়ের (৮–০) বিপক্ষে বড় জয় তুলে নেওয়ার পর, এই জয় মানসিক ও কৌশলগতভাবে দলের আত্মবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি করেছে। পুরো ম্যাচ জুড়েই বাংলাদেশের ফুটবলাররা আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে, নিজেদের আক্রমণভেদন দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপন করেছে, যেখানে শ্রীলঙ্কার প্রতিরোধ খুবই দুর্বল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

    ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ২৪ মিনিটে, যখন বাংলাদেশের আরিফ নিখুঁত ক্রস দিয়ে ইকরামুলের মাথায় বল দারুণভাবে জোড়ে দেন, এবং তিনি জাল খুঁজে পান। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যে, অন্য এক আক্রমণে মানিক অপুর পাস থেকে নিজের কন্ট্রোলে বল নিয়ে নিখুঁত ফিনিশে علیه গোল করেন, ফলে স্কোর হয় ২-০। শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক প্রথম আওয়ারের মধ্যেই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে খেলোয়াড়দের মনোবল ধরে রাখতে সক্ষম হলেও, কোনো গোল হজম করতে পারেনি।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে, বাংলাদেশের রিফাতের থ্রু পাস ধরে ফয়সাল তার ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান, ফলে ব্যবধান আরও বাড়ে এবং স্কোর হয় ৩-০। এরপর, শেষ দিকে এসে বাংলাদেশের বায়জিদ ৯০ মিনিটে তৎপর শটে চতুর্থ গোল করে স্কোরলাইন ৪-০ করেন। কিছুক্ষণ পরে, ফয়সাল দুর্দান্ত এক হাফ-ভলি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন, আলটিমেট স্কোর হয় ৫-০।

    খেলার পুরো সময়জুড়ে বাংলাদেশ বল দখল, গতি ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে। শ্রীলঙ্কার প্রতিপক্ষের শট বা সুযোগের খুব কমই দেখা গেছে, যা তাদের দুর্বল রক্ষণাভির ও প্রতিরোধের প্রমাণ দেয়। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ এখন উচ্চ প্রত্যাশা নিয়ে এগোচ্ছে, তারা ৩০ নভেম্বরের ‘গ্রুপ ফাইনাল’ ম্যাচে চীনকে টপকানোর লক্ষ্য তৈরি করেছে, যেখানে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকাটাই আসল দরকার।

  • বিপিএলের আসর শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল ১৬ জানুয়ারি

    বিপিএলের আসর শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল ১৬ জানুয়ারি

    আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় হোটেল রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠিত হবে বিপিএল নিলাম। আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি এসব তথ্য জানিয়েছে। এবারের বিপিএলে মোট ৬ দল অংশ নেবে, যার মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী দল। এই দলের নাম রাখা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, যা ফ্র্যাঞ্চাইজির হিসেবে বিপিএলে অংশ নিচ্ছে।

    বিপিএল নিয়ে আলোচনায় আরও জানিয়েছে যে, বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য ৫০০ এর বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে বিসিবি নির্বাচিত করেছে ২৫০ জন ক্রিকেটারকে। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে যে, এবারের বিপিএল শুরুর তারিখ ১৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ঢাকায়, যা ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, এখন পর্যন্ত পাঁচটি দল চূড়ান্ত করেছে বিসিবি, তবে তারা আগেই জানিয়েছিল দল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। অবশেষে, নিলাম পিছিয়ে দিয়ে একটি নতুন দল যুক্ত করা হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর, গবর্নিং কাউন্সিল আগামী পাঁচ বছরের জন্য নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নাম ও দলগুলো চূড়ান্ত করে।

    এবারের বিপিএলে অংশগ্রহণ করছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলাম শুরু হওয়ার আগে প্রতিটি দল দুজন করে দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারের সরাসরি চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছে।

    এই চুক্তির মাধ্যমে ঢাকায় খেলছেন তাসকিন আহমেদ ও সাইফ হাসান, রাজশাহীতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম, সিলেটে নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, রংপুরে নুরুল হাসান সোহান ও মুস্তাফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসে খেলার জন্য থাকছেন তানভির ইসলাম ও শেখ মেহেদী। পাশাপাশি, আরও বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারকেও দলে ভিড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

  • ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    ঘরের মাঠে ভারতের জন্য বিপদ বাড়ছে ভারতীয়রা হারলে দ্বিতীয়বারের মত ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় টেস্ট সিরিজ

    গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশাল রান সংগ্রহ করে নিজেদের পথচলা অনায়াস করে তুলেছে। স্বাগতিক ভারত যখন ব্যাটিংয়ে নিচে দাঁড়িয়ে, তখন মনে হচ্ছে তার ক্রিকেট পিচের মতো পরিস্থিতি। নিয়মিত বিরতিতে ভারতের উইকেট পড়ছে এবং দলের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে অপসারণ ঘটছে। যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভারত এখনই হোワイト ওয়াশ হওয়ার মুখোমুখি হতে পারে, যা শেষবার ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হয়েছিল।

    বিশ্ব টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয় পাওয়ার রেকর্ড এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ক্যারিবীয়রা এই রেকর্ড গড়ে জয়লাভ করেছিল। তারপর থেকে ২২ বছর পার হয়ে গেছে, এবং এই দৃষ্টান্তের চেয়েও বড় লক্ষ্য বারবার চতুর্থ ইনিংসে আসলেও সফলতা কেউ দেখাতে পারেনি। এবার গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের জন্য সেটি আবারও ৫৪৯ রানের লক্ষ্য স্থাপন করেছে।

    আজ চতুর্থ দিন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শেষ হয়েছে, যেখানে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫.৫ ওভারে ২ উইকেটে ২৭ রান যোগ করে। এই ম্যাচের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হলো, রবীন্দ্র জাদেজা প্রথম ১৯তম ওভারে রায়ান রিকেলটন (৩৫)কে ফিরিয়ে দিয়ে বোল্ড করেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া জাদেজা দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে কার্যকর ছিলেন। এই সময়ে ট্রিস্টান স্টাবস ও টনি ডি জর্জি ১০১ রানের জুটি গড়েন, যা ভারতীয় বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়ায়।

    প্রথম ইনিংসে ভারতকে লক্ষ্য ছিল ৫৪৮ রান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত ধীরস্থির শুরু করে, তবে দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। প্রথমে যশস্বী জয়সওয়াল ১৩ রান করে আউট হন, এর পরে লোকেশ রাহুলকে বোল্ড করেন সায়মন হারমার। এর ফলে ভারতের রানরেট একদমই কমে যায়, প্রায় ১.৭০-এ দাঁড়ায়। ব্যাটসম্যানরা এখন হালকা অনুশীলনে থাকলেও, এই টেস্টে ভারতের হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার আশঙ্কা কাটছে না। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের এই ক্রমবর্ধমান ধারায় তাদের এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে, যা ভারতের জন্য শত্রুপথের মতো।

  • ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ও বাংলাদেশের খেলা কবে

    অক্টোবর ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের অমীমাংসিত মহাযুদ্ধ—the টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। এই আসরটি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এক সঙ্গে। পুরো ২০ দলের এই টুর্নামেন্টের আয়োজন শুরু হবে আড়াই মাসেরও বেশি সময় আগে, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। বাংলাদেশ দল নিজের প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, কারণ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রকাশ করেছে করে পুরো সূচি ও গ্রুপিং। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে ‘সি’ গ্রুপে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে আছেন ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। এই গ্রুপটি বেশ কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ সবাই শক্তিশালী দলের মধ্যে পড়ে।

    বিশ্বকাপের প্রথম দিন থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এই ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হবে। এরপর আবার ফিরে আসবে কলকাতা, যেখানে ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকবে লিটন দাসের দল। ১৪ ফেব্রুয়ারি, নিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, সেটিও কলকাতায়, সময় দুপুর ৩টায়। এরপর, ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে খেলবে টিম বাংলাদেশ, ম্যাচটি হবে সন্ধ্যা ৭টায়।

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে বাংলাদেশ এবং অন্য দলগুলো নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করার জন্য খেলবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার এইটের জন্য উত্তীর্ণ হবে। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনুকরণীয় পারফরম্যান্স দেখিয়ে সুপার এইটে খেলেছিল।

    এদিকে, ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া। উদ্বোধনী দিনে ভারত ও পাকিস্তান মাঠে নামবে। পাকিস্তান ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলবে, অন্যদিকে ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হবে বাবর আজমের পাকিস্তান ও সূর্যকুমার যাদবের ভারত।

    শ্রীলংকা একটি স্বতন্ত্র গ্রুপে রয়েছে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ আছি অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। এই গ্রুপে চারটি টেস্ট খেলা দেশের সমন্বয়ে অ্যারে। আর আরেকটি গ্রুপ, অর্থাৎ ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে সাউথ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সরাসরি জায়গা করে নেবে সুপার এইটে।

    সেখানে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো, এবং সেরা চারটি দল নেবে সেমিফাইনাল। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কলকাতায়, দ্বিতীয়টি হবে কলম্বোতে। দেশের ভেন্যু অনুযায়ী যদি পাকিস্তান ফাইনালে উঠে, তবে শিরোপার ম্যাচ হবে ৮ মার্চ কলম্বোতে। অন্যদিকে, পাকিস্তান যদি পরাজিত হয়, তাহলে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আহমেদাবাদে।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অন্যতম ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখা যাবে রোহিত শর্মাকে। বাংলাদেশ দলের মূল খেলাগুলোর সূচি অনুযায়ী, প্রথম ম্যাচ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কলকাতায়, এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির মুখোমুখি হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই হবে কলকাতায়, এবং শেষ ম্যাচটি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিরুদ্ধে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের মাটিতে সিরিজ জিতল

    গুয়াহাটির মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের দুর্দান্ত জয় উদযাপন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে তারা চারশো আট রানে জয়লাভ করে। এই জয় এই দেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দীর্ঘ ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়। দলটির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে তারা তাদের প্রথমবারের মতো হ্যান্সি ক্রনিয়ের অধীনে ২০০০ সালে সিরিজ জিতেছিল। এবার আবারও বাভুমার নেতৃত্বে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনলেন প্রোটিয়ারা। অধিনায়ক হিসেবে এটি তার ১১ তম জয়, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারে এক অনন্য মর্যাদার নিদর্শন।

    সুপার স্পোর্টসের একটি অসম্ভব লক্ষ্য ছিল ৫৪৯ রানের। তবে ভারত একদিনের মধ্যে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর জন্য এক রকম লড়াই করছিল। শেষ দিনে তাদের কাছে ছিল ৮ উইকেট, আর তারা ২ উইকেটে ২৭ রান করে খেলা শুরু করেছিল। তবে মাত্র ১৩ রানের মধ্যে ভেঙে পড়ল ভারতের ব্যাটিং লাইন, যেখানে সিমন হারমার এক ওভারে কুলদীপ যাদব ও ধ্রুব জুরেলকে আউট করে দিলেন। এরপর ভারতীয় অধিনায়ক ঋশাভ পান্তকে মাঠে থেকে নিয়ে গেলেন। ৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

    কিন্তু সেখানে থাকলেন সাই সুদর্শন ও রবীন্দ্র জাদেজা, যারা কঠিন প্রতিরোধ গড়লেন। সুদর্শন ১৩৮ বলের মধ্যে অপরাজিত ১৪ রান করে থাকলেন, আর জাদেজা ৪০ বলে ২৩ রানে টিকে থাকলেন। মনে হচ্ছিল, আবারও ভারতের ড্র করার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

    তবে চা বিরতিতে ফিরতেই দক্ষিণ আফ্রিকা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। দ্বিতীয় সেশনের পঞ্চম বলেই সুটোদের জুটি ভেঙে গেল। সুদর্শন ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন, যখন তিনি ১৩৯ বলে ১৪ রান করছিলেন। এরপর, ওয়াশিংটন সুন্দর ও জাদেজার সর্বোচ্চ মানের প্রতিরোধে ম্যাচ অল্প সময়ের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ৭৭ বলে ৩৫ রানের একটি জুটি গড়ে তারা মারক্রামের বলের শিকার হন। তার ক্যাচ নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ফিল্ডাররা, যেখানে মারক্রাম এক টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নিয়ে নতুন রেকর্ড করে ফেলেন।

    আনন্দর পাশাপাশি জাদেজা কিছুটা লড়াই চালিয়ে যান, তবে শেষমেশ তিনি ও সিরাজের উইকেট পড়ে যায়। হারমার এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়। মোট দুই ইনিংসে তিনি ১৭ উইকেট শিকার করেন, যা সিরিজের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। অন্যদিকে, ম্যাচসেরা হন জানসেন, যিনি ব্যাট ও বল দুইই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। প্রথম ইনিংসে ৯৩ রান করে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচে এক প্রকৃত নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন। এই দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি মোট ৭ উইকেট নিয়েছেন, যা এই সিরিজের অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স।

  • শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    শোয়েব আখতার বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত থাকছেন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এই বছরের আসরে প্রথমবারের জন্য দেখা যাবে পাকিস্তানের সাবেক হেভি পেসার শোয়েব আখত্রকে। তিনি এবার ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব চলাচ্ছেন, চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে তার সঙ্গে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির। শোয়েব এই চোখে দেখছেন বিপিএলকে স্বপ্নের মতো একটি প্রতিযোগিতা, যেখানে তিনি কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছেন।

    শোয়েব আখতার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘হ্যালো বাংলাদেশ! বাংলাদেশ আমার অনেক প্রিয়। আমার হৃদয়ের কাছেও অনেক কাছের। গত ১০-১৫ বছর ধরে আমি বাংলাদেশে আসতে পারি না। তবে এবার বিপিএল দিয়ে আপনাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি, যেখানে আমি ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে থাকছি। আপনাদের সঙ্গে দেখা হওয়ার আগ্রহে যেন ক্ষুধা লেগে আছে। আমি আপনাদের খুব ভালোবাসি।’

    এদিকে, বিপিএলের আসর শুরু হওয়ার অনেক পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আসন্ন মৌসুমের নিলাম তিন দফা পিছিয়ে এখন ধরা হয়েছে ৩০ নভেম্বর। এবারই প্রথম বিপিএল-এ প্লেয়ার্স-ড্রাফটের পরিবর্তে অকশন পদ্ধতি চালু হবে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, শুরুতে ৫ দলের পরিকল্পনা থাকলেও হঠাৎ আরেকটি নতুন দল যুক্ত হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে আলোচনা হচ্ছে।

    নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ২৬ ডিসেম্বর (সম্ভাব্য তারিখে) মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ১২তম বিপিএল। ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২৪ জানুয়ারির সম্ভাব্য তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    প্রসঙ্গত, এই আসরকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন দলের মালিকানায় পরিবর্তন করা হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানা পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা দেয়া হয়েছে ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসকে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপের হাতে গেছে রাজশাহী, দেশ ট্রাভেলসের মালিকানা পেয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। অন্যদিকে, ক্রিকেট উইথ সামি সিলেট এর মালিকানা নিয়েছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে, এর পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান) পেয়েছে অন্য একটি দলকে। এই পরিবর্তনগুলো বাইডে এখন বিপিএলের উত্তেজনা তুঙ্গে।

  • শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    শামীমকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা জানানো হয়নি, লিটন দাসের অভিযোগ

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই সংক্ষিপ্ত টুয়েন্টি-২০ সিরিজের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান শামীম পাটোয়ারি। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেশের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু আগে থেকেই জানিয়েছেন না অধিনায়ক লিটন দাসকে। লিটন গণমাধ্যমে এই কথাগুলো প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচকরা কোনো নোটিশ না দিয়েই শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন, যা তিনি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত মনে করছেন।

    প্রতিবারই একটি সিরিজের জন্য দল নির্বাচনের আগে কোচ এবং অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন নির্বাচকরা। এই বৈঠকে জানানো হয় কারা দলে থাকছে বা বাদ পড়ছে। কিন্তু এবারের সিরিজের জন্য এমনটা ঘটেনি বলে মনে করেন লিটন। তিনি জানান, এটা তার বা কোচের সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, আমি জানি না কেন, তবে নির্বাচকরা আমাকে কিছু না বলে শামীমকে দল থেকে বাদ দিয়েছেন। আমি বুঝতে পারছি না কেন, কারণ টিমের ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি জানতাম যে কারা থাকবে বা কারা বাদ যাবে।

    লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই দেশের জন্য সেরা পারফর্মার হওয়ার জন্য আসে। সুতরাং নির্বাচিত ১৫ জনের মধ্যে যে কেউ থাকুক না কেন, তারা ভালো করবে। তবে তিনি মনে করেন, শামীমের বাদ পড়ার কারণ স্পষ্ট নয়। তিনি দাবি করেন, কখনোই তাকে এই ব্যাপারে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। ক্যাপ্টেন হিসেবে, তিনি চেয়েছিলেন শামীমের এই সিদ্ধান্তে অখুশি থাকবেন, কারণ তার মতে, শামীম টিমে থাকলে ভালো হতো।

    তবে, এ সিরিজের এক দিন আগে পর্যন্ত জানানো হয়নি দল কেমন হবে, যা নিয়ে অধিনায়কের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ছিল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাকে জানানো হয়েছিল যে, আমাকে একটি নির্দিষ্ট দল দিয়ে মাঠে নামতে হবে। এ কারণে আমি আমার পক্ষে কাউকে চয়ন করার স্বাধীনতা পাইনি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, আগের মতো, একজন ক্যাপ্টেনের একটি পরিকল্পনা থাকে, কিন্তু এইবার জানতে পারলেন যে, দলটি নির্ধারিত হয়ে গেছে এবং তার কাজ হচ্ছে সেই দল নিয়ে ভালো পারফর্ম করা।

    শামীমের বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব বেশি স্কোর করেন না, তবে দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানের মতোই তিনি অধিনায়কের সমর্থন অর্জন করেন। লিটন আরও বলেন, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়। গত সময়ে শামীম কিছু সিরিজে দুর্দান্ত অতিরিক্ত পারফর্ম করেছিল, যা দলের জন্য দরকার ছিল। শামীমের বাদ পড়াটা তার জন্যও হতাশাজনক।

    অবশেষে, লিটন দাস বলেন, আমি সত্যিই দুঃখিত, কারণ আমি তাকে পুরোপুরি সমর্থন দিতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, আমি এক্সপেক্ট করিনি যে, প্রতিদিনই সবাই পারফর্ম করবে। যদি এক বা দুই সিরিজে পারফর্ম না করে, তখনও তাকে উপযুক্ত সমর্থন দেওয়া উচিৎ ছিল। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে, আমি তাকে পুরোপুরি সহায়তা করতে পারি নি।

  • বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে চমক রাখলেন তরুণ ক্রিকেটার

    বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে চমক রাখলেন তরুণ ক্রিকেটার

    দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জেতার পর, এবার টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে উত্তেজনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের এই সিরিজটি শুরু হবে আগামী ২৭ নভেম্বর। সাবেকি রূপে ফিরছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে।

    দলে সর্বশক্তিমান ক্রিকেটারদের পাশাপাশি এক চমক রয়েছে, সেটা হলো তরুণ ক্রিকেটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের অন্তর্ভুক্তি। এছাড়াও, দলের পুনরায় ফিরে এসেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দল থেকে বাদ পড়েছেন শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলেছেন তাসকিন আহমেদ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি।

    লিটন দাসের নেতৃত্বে দলটির বাকী সদস্যরা অপরিবর্তিত থাকছেন। এর আগে, দিনের প্রথমভাগে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে টেস্ট সিরিজ শেষ হয়েছে; যেখানে বাংলাদেশ প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় টেস্টে তারা ২১৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে সিরিজটি শেষ করে। এই দাপুটে পারফরম্যান্স দলকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য।

    বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের সদস্যরা হলেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম ও সাইফ উদ্দিন।

  • মেসির এক গোল এবং তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামি এমএলএস কাপের দৌড়ে খুব কাছাকাছি

    মেসির এক গোল এবং তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামি এমএলএস কাপের দৌড়ে খুব কাছাকাছি

    লিওনেল মেসি আবারও দেখালেন কীভাবে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তার অসাধারণ পারফর্মেন্সের কারণে এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের ফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল ইন্টার মায়ামি। রোববার রাতে সিনসিনাটির মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মেসি এক গোল করেন এবং তার তিনটি অসাধারণ অ্যাসিস্টে তারা জয় অর্জন করে। এই তিন অ্যাসিস্টের মধ্যে দুটি গোল করেন দলের তরুণ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাতেও সিলভেত্তি, আর একটি গোল করেন সিনসিনাটির অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আলেন্দে। এর ফলে শনিবারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে মায়ামির জোটে জোড়া লাগল জোড়ালো একটি জয়ের স্বাদ। প্রতিপক্ষ হবে নিউইয়র্ক সিটি এফসি, যেখানে তারা ১-০ গোলে ফিলাডেলফিয়াকে হারিয়ে কুপোকাত করেছে। নিউইয়র্কের একমাত্র গোল করেন অন্য একজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ম্যাক্সি মোরালেজ, ম্যাচের ২৭ মিনিটে। ম্যাচের পুরো সময়ের মধ্যে সিনসিনাটির বিপক্ষে গতি এবং নিখুঁত আক্রমণে দারুণ দাপট দেখায় মায়ামি শিবির। কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো বলেন, “খুব কঠিন মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েও ছেলেরা যে দুর্দান্ত খেলেছে, তাতে আমি গর্বিত। প্রায় নিখুঁত ম্যাচ খেলেছে তারা।

  • বাংলাদেশের সুপার ওভারে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ

    বাংলাদেশের সুপার ওভারে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে স্বপ্নভঙ্গ

    কাতারের দোহায় পাকিস্তানের জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্য তোলে বাংলাদেশ। শুরুতে ভালো করে ব্যাটিং, তবে দ্রুতই বেশিরভাগ উইকেট হারায়। রিপন মণ্ডল প্রথম বলেই ইয়াসির খানকে রান আউট করে দেন। পরের ওভারে মেহেরব মোহাম্মদ ফায়েককে শিকার করেন। জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন হাজী ঘুরি, কিন্তু জিসান আলমের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তাকে দারুণভাবে আটকানো হয়। পাঁচোউইন্ডে গাজী ৯ বলে ৯ রান করে বোল্ড হন। এরপর সাদ মাসুদের উপর দারুণ চাপ সৃষ্টি করেন সোহান, প্রথম পাঁচ বলে চার ও ছক্কা এই ওপেনার। তবে শেষ বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ২৬ রান করে ফিরে যান। পরের ওভারে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও আউট হন। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেটে পড়েন। প্রথম সময়ে অঙ্কনের জন্য রানের খাতা খোলাও কঠিন হয়। তার পর বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর স্পিনার সুফিয়ান মুকিমের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ২ রানে অপরাজিত থাকেন। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বিও আউট হন শর্ট কভারে ইরফান খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ব্যর্থ হন সংখ্যাগরিষ্ঠ, শেষের দিকে রাকিবুল ও মেহেরব কিছুটা আশা জাগান। তবে তাদের জুটি খুব একটা বড় হয়নি। দানিয়ালকে ছক্কা মারতে গিয়ে মেহেরব ১৯ রানে আউট হন, আর রাকিবুল ২৪ রানে ফিরতে হয়। শেষ ওভারে ১২৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা সুপার ওভারে গড়ায়।