Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স: ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় জয়

    বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স: ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় জয়

    এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল। মঙ্গলবার চীনের ইয়ংচুয়ান স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণ তারকারা ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে পরাজিত করেছেন। এই জয়ে তারা টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ পেলেন। এর আগে প্রথম ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্ত সূচনা করেছিল লাল-সবুজের দল।

    শুরু থেকেই বাংলাদেশ দলের আধিপত্য স্পষ্ট। একের পর এক আক্রমণে ব্রুনেইর রক্ষণভাগের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। প্রথমার্ধে তারা ৪-০ গোলে সুবিধা নেয়, এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারটি গোল যোগ করে জয়টি নিশ্চিত করেন তারকারা।

    বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন রিফাত কাজী ও অপু রহমান। এছাড়াও গোল করেছেন মোহাম্মদ মানিক, আলিফ রহমান, নাজমুল হুদা এবং বায়েজিদ বোস্তামি। পুরো ম্যাচ জুড়ে মাঝমাঠ থেকে শুরু করে আক্রমণ ভাগ—সবখানে বাংলাদেশের দাপট ছিল লক্ষ্যণীয়।

    এখন পর্যন্ত গ্রুপে ছয়টি দল রয়েছে, তবে বাংলাদেশ এবং ব্রুনেই এখনও দুটি করে ম্যাচ খেলেছে। আগামী বুধবার বাংলাদেশ তাদের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার। অন্যদিকে, পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী বাহরাইন ও স্বাগতিক চীন তাদের প্রতিপক্ষ।

    গ্রুপের শীর্ষে স্থান করে নিতে পারলেই বাংলাদেশ আগামী বছরের মে মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের খেলার সুযোগ পাবে। মূল পর্বের জন্য ১৬ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এর মধ্যে ৯টি দল ইতোমধ্যে নিশ্চিত উত্তীর্ণ হয়েছে, এবং বাকি ৭ দল বাছাইপর্বের মাধ্যমে মূল পর্বে ঢুকবে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দল পূর্বে এই প্রতিযোগিতায় দু’বার এবং অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে চারবার অংশগ্রহণ করেছে, তবে কখনোই গ্রুপপর্ব পার হতে পারেনি। এবার তারা আবারও প্রত্যাশা করছে নিজেদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ার।

  • আগে থেকেই জানা গেল, ভারত-পাকিস্তান মহারণের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

    আগে থেকেই জানা গেল, ভারত-পাকিস্তান মহারণের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

    ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশের আগেই জানা গেছে যে, এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে অপেক্ষাকৃত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। ঐ দিন কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের সূচি মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে প্রকাশ করবে। ২০২৫ এশিয়া কাপের ত্রিদুটীয় উত্তেজনাপূর্ণ উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর এই প্রথম আবার মাঠে নামছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান এর গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়া।

    বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, ভারত ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে টুর্নামিশ শুরু করবে। এর পরের ম্যাচটি হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, দিল্লিতে, যেখানে তারা নেবারিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে। এরপরই ১৫ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই হবে। এবারের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলা হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি, আহমেদাবাদে, যেখানে ভারতের বিপক্ষে খেলবে নেদারল্যান্ডস।

    নিয়ম অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে প্রতিদিন তিনটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর টুর্নামেন্টটি শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ৮ মার্চ। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করছে এই বিশ্বকাপ। পাকিস্তানের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে কেবল কলম্বো বা ক্যান্ডিতে।

    ফরম্যাটটি আগের বিশ্বকাপের মতোই, যেখানে ২০ দল যুক্ত হয় পাঁচটি গ্রুপে ভাগ হয়ে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল উঠে যাবে সুপার এইটে। সেখানে আবার দুটি গ্রুপে বিভক্ত হবে আটটি দল। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে সেমিফাইনালে, তার পরই ফাইনাল। গ্রুপ পর্বে ভালো পারফর্ম করলে ভারতের তিনটি সুপার এইট ম্যাচ হবে আহমেদাবাদ, চেন্নাই ও কলকাতায়।

    সেমিফাইনালে ভারতের ম্যাচ হবে মুম্বাইয়ে। অন্য সেমিফাইনালের ভেন্যু হিসেবে আইসিসি নির্ধারণ করেছে কলম্বো বা কলকাতা, যদি শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তান শেষ চার নিশ্চিত করে। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আহমেদাবাদে, তবে যদি পাকিস্তান ফাইনালে উঠে, তাহলে ম্যাচটি স্থানান্তরিত হতে পারে কলম্বোতে।

    আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করবে আরও ১৮টি দল—যারা হলো আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এবারও তারা বিশ্বকাপে মাঠে নামবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নের ভূমিকায়।

  • পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক বছরে ১০০ ছক্কার রেকর্ড

    পাকিস্তানের প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক বছরে ১০০ ছক্কার রেকর্ড

    ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়ে পাকিস্তানের ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। পাকিস্তানের হয়ে প্রথম বার এক পঞ্জিকা বর্ষে ১০০টির বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড এই ডানহাতি ব্যাটারের ঝুলিতে এসেছে। চলমান ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৫ বলে ৮০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয় নিয়ে আসাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি এই বছর ১০২টি ছয় হাঁকিয়ে বিশ্ব রেকর্ডের মুখ দেখালেন, যা এখন পর্যন্ত ১২জনের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্বের অন্যান্য ক্রিকেটারের মধ্যে করনবির সিং ১২২ এবং নিকোলাস পুরান ১০৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন, তবে পাকিস্তানের জন্য এটাই প্রথম কীর্তি।

    শান্তি ও উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি জাতীয় দলে নিজের স্থান শক্তপোক্ত করেছেন। চলতি বছরের মধ্যে তার শীর্ষ স্কোর ছিল ৮০, যা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। গতকালকের ম্যাচে তিনি ২৭ বলের মধ্যে ৬ চার ও ৫ ছক্কা মারেন, এবং এই ইনিংসের মাধ্যমে তার ঝোড়ো ফর্ম আবারও প্রমাণিত হলো।

    এর আগে, ২০০৭ বিশ্বকাপে শোয়েব মালিকের ৫৭ রানের ইনিংসটিই ছিল পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। শাহিবজাদা এই রেকর্ডও ভেঙে দেন নিজেরই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে। এদিকে, টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে তিনি দলের সেরা রানসংগ্রাহক ছিলেন, যেখানে তিনি দুটি ফিফটি ও ফাইনালে ৪০ রান করে দলের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন।

    প্রাথমিকভাবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে থাকা এই ব্যাটার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম চার টি-টোয়েন্টিতেই ৩০-প্লাসের গণ্ডি পার করতে পারেননি, কিন্তু এরপর থেকে নিজের প্রতিভা দেখিয়ে চলেছেন। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় তিনি পাকিস্তানের ক্রিকেটের এক নতুন সাফল্যের মুখ।

  • চমক রেখে আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের

    চমক রেখে আয়ারল্যান্ড সিরিজের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হবে ২৭ নভেম্বর। রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ১৫ সদস্যের এই দলে বেশ কিছু চমক রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম তরুণ ক্রিকেটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এছাড়া দলের প্রয়োজন অনুযায়ী ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এই দলে জায়গা পেয়েছেন, তবে বাদ পড়েছেন তাসকিন আহমেদ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি, যঃরা শেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলেছিলেন। লিটন দাসের নেতৃত্বে দলে থাকা অন্য সদস্যরা অপরিবর্তিত থাকছেন। উল্লেখযোগ্য হলো, এর আগে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখা গেছে। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ৪৭ রানে জয়, এবং দ্বিতীয় টেস্টে ২১৭ রানে ব্যাট করে বড় জয় অর্জন করে তারা। এই টেস্ট সিরিজের সফলতা বাংলাদেশের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আসন্ন টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণে বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে আছেন: লিটন দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, নুরুল হাসান সোহান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম এবং সাইফ উদ্দিন।

  • বাংলাদেশের কাছে সুপার ওভারে হেরে পাকিস্তানের ফাইনাল স্বপ্ন ভঙ্গ

    বাংলাদেশের কাছে সুপার ওভারে হেরে পাকিস্তানের ফাইনাল স্বপ্ন ভঙ্গ

    রিপন মণ্ডল ও রাকিবুল হাসান শক্তিশালী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। সাদ মাসুদ শেষের ক্যামিও দেখে দুর্দান্ত বোলিং করে পাকিস্তানকে ১২৫ রানে আটকে রাখেন। প্রত্যাশার কথা ছিল হাবিবুর রহমান সোহান ও জিসান আলমের প্রথম পর্যায়ে ভালো শুরু, যা কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু কিছু ওভারের মধ্যেই পাকিস্তানের স্পিনাররা ঘুর্ণিগর্জিত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে ছন্নছাড়া করে দেয়। ইয়াসির আলী রাব্বি, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও আকবর আলীর ব্যর্থতার কারণে দিনে কিছুটা আশার আলো দেখান রাকিবুল হাসান ও এসএম মেহেরব। তারা দুজনই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি শেষ করতে পারেননি; মেহেরাব ১৯ রানে এবং রাকিবুল ২৪ রানে আউট হন।

    শেষের দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মণ্ডল ভাগ্যনিষ্ঠভাবে জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যান। জিততে হলে শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের জন্য ২৭ রান দরকার ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ১৯তম ওভারে শহীদ আজিজকে তিন ছক্কা মারেন তারা। ওই ওভে ২০ রান আসে। তখন শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার হয় ৭ রান, যেখানে রিপন প্রথম বলেই দুই রান নেন। পরের বল থেকে আরও এক রান, চতুর্থ বলেও সিঙ্গেল নিয়ে স্কোর সমান করেন মাসুদ। তৃতীয় বলেও রান নিতে সক্ষম হন। তবে শেষ দু’টি বলে বাংলাদেশ ৩ রান করতে সক্ষম হয়, ফলে সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ।

    সুপার ওভারে বাংলাদেশের ব্যাটিং দায়িত্বে থাকেন সাকলাইন ও মাজ সাদাকাত। প্রথমে সোহান এক সিঙ্গেল নেন, তবে দ্বিতীয় বলে দানিয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সাকলাইন। এরপর দানিয়াল ওয়াইডসহ পাঁচ রান দেন। পরের বলেই জিসানকে বোল্ড করেন। বাংলাদেশ সময় মাত্র ৬ রানে থেমে যায়।

    বাংলাদেশের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, যেখানে পাকিস্তান এখনও তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ইতিহাস दर्ज করেছে।

    এর আগে, টস হারিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেও শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম বলেই রিপন মণ্ডলের সঙ্গীতা দ্রুত সিঙ্গেল করতে গিয়ে আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে সরাসরি থ্রোতে রানআউট করেন ইয়াসির খান। এরপর, দ্বিতীয় ওভারে মেহেরবের বলের লাইনের ভুলে মোহাম্মদ ফায়েকও উইকেট Loss করেন। জুটি গড়ার চেষ্টা করেন হাজী ঘুরি, কিন্তু এটি বড় হতে দেননি রাকিবুল হাসান।

    আরও আক্রমণ করতে গিয়ে পাঁচ ওভারে গাজীকে বোল্ড করেন গাজী। অন্যদিকে, বাংলাদেশকে ভয় দেখানোর জন্য সাদাকাত চেষ্টা করেছিলেন, তবে জিসান তাকে ইন সাইড এজে বোল্ড করে পাল্টা আক্রমণ দমন করেন। সাকলাইন নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরফাতকে ফিরিয়ে আনেন, ডানহাতি পেসার হিসেবে স্লোয়ারে আঘাত করেন। এরপর, ইরফানকে আউট করে বাংলাদেশের আর্মিও কমে যায়। তবে, পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত মাসুদের ২৬ বলে ৩৮ রানের ইনিংসের মাধ্যমে তারা ১২৫ রান তুলতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের হয়ে রিপন তিনটি, রাকিবুল দুটি উইকেট শিকার করেন।

  • মেসির এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামির শিরোপার কাছে পৌঁছানো

    মেসির এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টে মিয়ামির শিরোপার কাছে পৌঁছানো

    লিওনেল মেসি আবার দেখালেন কেন তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্যই এফসি সিনসিনাটিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এন্ট্রি লাভ করেছে ইন্টার মায়ামি। রোববার রাতে সিনসিনাটির মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেসি এক গোল করেন এবং বাকি তিনটি গোলের পিছনে তার দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট ছিল। তার এই কার্যক্রমে দারুণভাবে উজ্জীবিত হন দলের অন্য খেলোয়াড়রা। আলেন্দে দুটি গোল করেন এবং অন্য একটি গোল করেন কিশোর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড মাতেও সিলভেত্তি। এই জয়ের ফলে তারা শনিবারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে উঠতে পেরেছে।

  • বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ে ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারালো অনূর্ধ্ব-১৭ দল

    বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়ে ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে হারালো অনূর্ধ্ব-১৭ দল

    এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল একটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। মঙ্গলবার চীনের ইয়ংচুয়ান স্পোর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক ম্যাচে তারা ব্রুনেইকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত করে। এই জয়ে তারা টুর্নামেন্টে তাদের দ্বিতীয় ধারাবাহিক জয় পায়, যা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশংসনীয় নজির। এর আগে, প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের তরুণরা পূর্ব তিমুরকে ৫-০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করে। ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা আধিপত্য বিস্তার করে আক্রমণে প্রচুর চাপ সৃষ্টি করে। প্রথমার্ধে তারা ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় বলে, দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারটি গোল যোগ করে জয় নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে গোল করেছেন রিফাত কাজী ও অপু রহমান। এছাড়া একটি করে গোল করেছেন মোহাম্মদ মানিক, আলিফ রহমান, নাজমুল হুদা এবং বায়েজিদ বোস্তামি। পুরো ম্যাচজুড়ে তারা মাঝমাঠ থেকে শুরু করে আক্রমণভাগ—সব সময়ই আধিপত্য দেখিয়েছে। গ্রুপের মোট ছয়টি দল হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ব্রুনেই ছাড়া অন্য কেউ দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি। আগামী বুধবার বাংলাদেশ তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে। এর আগে প্রতিপক্ষগুলি হল শক্তিশালী বাহরাইন ও স্বাগতিক চীন। গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলগুলো আগামী বছর মে মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করবে। মূল পর্বে ১৬ দল অংশ নেবে, যার মধ্যে ৯টি দল ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, আর বাকি দলগুলো বাছাইপর্ব থেকে যোগ দেবে। অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দুটি এবং অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে চারবার এশিয়ান কাপের অংশ নিয়েছে, তবে কোনওবারই গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি।

  • সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের উৎসব। তবে এই ম্যাচের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছেন লিটন দাস, যিনি এই ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলেছেন নিজের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০০তম ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে। বৃহস্পতিবার চলাকালীন, যখন মুশফিকুর রহিমের আউট হওয়ার পরপরই লিটন তার ব্যাট থেকে ঢেউ তুলে ১৫৮ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দিনের শুরুতে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে মাঠে নামে। প্রথম ওভারে সতর্কভাবে খেলছিলেন ক্রিকেটাররা, তবে পরবর্তী ওভারেই মুশফিক পূর্ণ করেন তাঁর ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি। তিনি ১৯৫ বলে ১০৬ রান করেন, যদিও এরপর ইনিংস বড় করতে পারেননি; ২১৪ বলে ১০৬ রান করে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে যান। মুশফিকের বিদায়ের পর লিটনের সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে থাকেন, এবং এই জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।

  • দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ব্যক্তিগত ভাবে অসাধারণ রেকর্ড গড়েছেন এবং একই সঙ্গে এই দুই ব্যাটার তাদের জুটিতে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গর্বিত করেছেন। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভরা এই ইনিংসে যথাক্রমে ১০৬ ও ১২৮ রান করেন তারা, যার ফলে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪৭৬ রান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের জন্য টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি দেখিয়েছেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন।

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৯২ রান করেছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালের দিকে মুশফিকুর রহিম ধীরে ধীরে সেঞ্চুরি সম্পন্ন করেন। তিনি বিশ্বের মাত্র ১১তম ব্যাটার হিসেবে এক ইনিংসের মধ্যে টেস্ট ম্যাচে ত্রিশতমবার শত রান مکمل করেন। তার ১০৬ রান করে ফিরে যাওয়ার পরে, লিটন দাসও তাঁর পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন, যা পুরো ১২৮ রানে থামেন। এর পাশাপাশি, মুমিনুল হক ৬৩ রান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৭ রান করেন।

    বাংলাদেশ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো সম্ভব হলো একটি ইনিংসের মধ্যে একই উইকেটে ১০০’র বেশি রান করে প্রেসিডেন্টের মতো দ্বিতীয় ও তৃতীয় জুটি গড়ার কীর্তি। এর আগে কেবল ভারত (১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে) এবং পাকিস্তান (২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে) এই রকম নজির স্থাপন করেছিল। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এই জুটিগুলি ছিল: মুশফিক-মুমিনুলের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১০৭, মুশফিক-লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৮ এবং লিটন-মিরাজের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৩ রান।

    মুশফিক-লিটন এই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সপ্তমবারের মতো একশ’র বেশি রান সমন্বিত জুটি গড়লেন। এই জুটি মূলত গড়ে ওঠে প্রথম দিনের খেলার সময়। দলীয় ১৮ রান যোগ হতে না হতেই, ম্যাথু হামপ্রিসের ক্যাচে ধরা পড়েন মুশফিক। তার ১০৬ রানের ইনিংসটি ২১৪ বলে সাজানো, যেখানে তিনি ৫টি চারের সাহায্যে মোট রান করেন। এই ইনিংস তাঁর বাংলাদেশের হয়ে (মুশফিক ও মুমিনুলের যৌথভাবে) মোট ১৩তম সেঞ্চুরি। এরপর লিটন-মিরাজের জুটি গড়ে ওঠে, তবে পার্টনারশিপটি বেশ লম্বা চলতে পারেনি। গ্যাভিন হোয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মিরাজ।

    লিটন রান তাড়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন, তবে হাম্প্রিসের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন। তিনি ১৯২ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ১২৮ রান করেন। শেষদিকে, অপরাজিত থাকেন এবাদত হোসেন, ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ রান করে। বাংলাদেশ শেষে অলআউট হয় ৪৭৬ রানে।

    আইরিশ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন সর্বোচ্চ ৬ উইকেট শিকার করেন, তার পাশাপাশি ম্যাথু হাম্প্রিস ও গ্যাভিন হোয়ে ২টি করে উইকেট নেন। এই ম্যাচের নিঃসন্দেহে অন্যতম বড় সময় হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের জুটি-বাজির জন্য।

  • শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)আরও রঙিন হতে যাচ্ছে শোয়েব আখতারকে নিয়ে। পাকিস্তানের এ কিংবদন্তি দ্রুতগতির পেসারকে দেখা যাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে, যা শোনা গেছে সম্প্রতি একটি 공식 বিবৃতিতে।শোয়েব আখতার সম্প্রতি যখন ক্রিকেটের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে অবসরে গিয়েছেন, তখনই বিপিএলে তার প্রথমবারের মত যুক্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হলো। আগে কখনো বিপিএলে কোচ বা মেন্টর হিসেবে দেখা যায়নি তাকে, তাই এই নতুন অভিজ্ঞতা তার জন্য খুবই বিশেষ।এদিকে, আসন্ন বিপিএলকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ইতোমধ্যেই দল সাজাতে শুরু করেছে। ঢাকাও পিছিয়ে নেই, তারা ইতোমধ্যেই অ্যালেক্স হেলসকে দলে ভিড়িয়েছে। গতবার রংপুর রাইডার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে এক সেঞ্চুরির মাধ্যমে ২১৮ রান করেছিলেন হেলস। এই আসরে তার উপস্থিতি পুরো মৌসুমে থাকবে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন।এই পর্যন্ত জানা গেছে, হেলস আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৪ জানুয়ারি, তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো হবে ২৮ ডিসেম্বর।প্রাক্কলন অনুযায়ী, এবারের বিপিএলের সূচি ছিল ১৯ ডিসেম্বর, তবে শেষ মুহূর্তে তা পেছানো হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার এটি ২৫ বা ২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে পারে। যদি আবুধাবি নাইট রাইডার্স সেরা চারতে না থাকেন, তবে প্রথম কিছু ম্যাচে হেলস ঢাকার জন্য পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, তারা যদি সেরা চারে থাকেন, তবে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ তাকে মিস করতে হতে পারে।নিষিদ্ধ অনুপস্থিতির কারণে পুরো টুর্নামেন্টে শুধুমাত্র বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে দেখা যাবে তাকে। এজন্য, ঢাকা দলের অন্য বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দেখা যেতে পারে উসমান খানকে, যিনি গতবার চিটাগং কিংসের হয়ে খেলেছিলেন।শুধু বিদেশি খেলোয়াড় নয়, ঢাকা দলে আরও দুটি দেশীয় ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সরাসরি চুক্তিতেই দুইজন ক্রিকেটার সংগ্রহ করেছে তারা—ব্যাটার সাইফ হাসান এবং পেসার তাসকিন আহমেদ।এতে করে তারা দলের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয় করতে পারছে, যা এই আসরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।