Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তাই আগে: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের মাঠের বাইরে এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার মুহূর্ত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯.২ কোটি রুপিতে দলে নেওয়ার পরবর্তী সময়ে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে বলা হচ্ছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

    এর জের ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তার অভাবে তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচগুলো ভারত নয়, শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে চায়। তাদের যুক্তি, দেশে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল স্পষ্টভাবে বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা আমাদের জন্য শীর্ষ অগ্রাধিকার।”

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে, দাবি করে এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য এক ধরনের আঘাত। এর ফলে বোঝা যাচ্ছে, আইসিসি নতুন সূচি তৈরি করতে শুরু করেছে। ম্যাচগুলো যদি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের আর্থিক ক্ষতি হবে বিপুল পরিমাণ।

    এদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে বাংলাদেশ তাদের যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।’

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এর আগে এশিয়া কাপে ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘটনা ঘটেছিল নিরাপত্তার অজুহাতে। আজকের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ঘটনার জন্য সত্যিই দুঃখ প্রকাশ করছি।’

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি অংশ নেয় না, তাহলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে বিসিসিআইয়ের। এছাড়া, এই সংকটের কারণে ভারত বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে—একটি অপ্রত্যাশিত ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

  • বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    বিনা আলাপ-আলোচনা মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিল ভারতীয় বোর্ড

    তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়, এর পেছনের আসল কারণ ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মাঝে নানা আলোচনা চলছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই, এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা বা আলোচনা সমঝোতা হয়নি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটাররা এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক বিশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বোর্ডের উচ্চ পর্যায় থেকে এসেছে, যেখানে কোনও অন্তর্বর্তী আলোচনা বা মতবিনিময় হয়নি। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বিসিসিআই এর এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনও ধরণের আলোচনা বা পরামর্শ নেয়নি। এ ব্যাপারে এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মোস্তাফিজের অবস্থা সম্পর্কে বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি, বরং তারা সরাসরি সিদ্ধান্ত নেন। এখন পর্যন্ত তিনি ভারতের পাঁচটি বড় ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন— সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে তার মোট খেলার সংখ্যা ৬০, এবং ইকোনমিতে ৮.১৩ গড়ে তিনি ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে সামাজিক মাধ্যমেও প্রশংসিত করেছে। গতবার জেক ফ্রেজার না খেলায় দিল্লি ক্যাপিটালস মোস্তাফিজকে মাঝপথে আনেন। তবে এবারে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের জটিলতা তাকে আইপিএল খেলতে বাধা দেয়। ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে আইপিএল নিলামে তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে এইই ছিল সর্বোচ্চ দর। তবে বিসিসিআই-এর সচিব দেবজিত সাইকিয়া শুক্রবার এক প্রভাবশালী বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার কিছু ঘণ্টার মধ্যেই মোস্তাফিজকে দলে থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর ফলে কলকাতার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়ার কমে যাচ্ছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও রিঅ্যাকশন বাড়ছে। অন্যদিকে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতের থেকে আইসিসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এখন বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরির কাজ করছে, আর মোস্তাফিজের এই ইস্যুতে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যেখানে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনা পুরোপুরি রাজনৈতিক ও সামাজিক মতবিরোধের জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে মোস্তাফিজের as স্থান ও ভবিষ্যত এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

  • খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ নাজমুল হক। তিনি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দেন এবং এক সুন্দর উৎসবমুখর পরিবেশে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, খুলনা বিভাগ) প্রকৌশলী মোঃ আওলাদ হোসেন। ক্লাবের সুস্থ ও স্পোর্টসময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলীমুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। উদ্বোধনী খেলায় চুড়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ২-১ গোলে খুলনা পাবলিক কলেজকে হারিয়ে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় খেলায় ঝিনেদা রাইচরণ তারিনী চরণ ডিগ্রি কলেজ ১-০ গোলে ডুমুরিয়া কলেজকে পরাস্ত করে। তৃতীয় খেলায় চুয়াডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ৫-১ গোলে উপশহর কলেজ যশোরকে হারায়। অপর দিকে, চতুর্থ খেলায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ১-০ গোলে আমঝুপি রাজনগর বারাদি কলেজ, মেহেরপুরকে পরাজিত করে। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    খুলনায় প্রিয় ফুটবল ব্যক্তিত্ব সাবেক ফুটবল তারকা নিরা আর নেই

    দেশের ফুটবল অঙ্গনের প্রিয় মুখ, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নিরা আর আমাদের মাঝে নেই। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি খুলনা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আমরাতো আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যাবো)। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬২ বছর। নিরা ৬ নম্বর মিয়াপাড়া রোডের হোসেন ভিলার বাসিন্দা, মরহুম ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর తెలుసার পরই পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রোববার জোহর নামাজের পর মরহুমের নামাজে জানাজা মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে অবস্থিত কায়েমিয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টুটপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে তিনি খুলনা মোহামেডান ক্লাবে ছিলেন যেখানে তিনি দুজন সিনিয়র খেলোয়াড়কে ইনজুরির পর ফিজিওথেরাপি দিচ্ছিলেন। এ সময় তিনি হঠাৎ বুকের মধ্যে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। দ্রুত তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়, পরে তার অবস্থা আরো অবনতি হলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ধারণা, তার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকের কারণে।

    নীরার শেষযাত্রায় অংশ নেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলী আসগার লবী, মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু ও বিভিন্ন ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা।

    তার এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে খুলনার ক্রীড়াঙ্গনসহ দেশের ফুটবল মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিবেদিতপ্রাণ এই ফুটবল ব্যক্তিত্বের বিদায়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও তার প্রাক্তন সতীর্থরা। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    দস্তগীর হোসেন নিরার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন, সোনালী অতীত ক্লাব, ইয়ং বয়েজ ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, মুক্তবাংলা সংস্থা, কসমস একাদশ, লিটন স্মৃতি সংসদ, এসবিআলী ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন।

    খেলোয়াড়ী জীবনে খুলনা ইয়ং মুসলিম ক্লাবের হয়ে Football playground এ তার পদচারণা শুরু। তার ক্যারিয়ার ছিল অত্যন্ত সফল ও বর্ণময়। তিনি দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব ঢাকা আবাহনী, খুলনা আবাহনী ও খুলনা মুসলিম ক্লাবের হয়ে দীর্ঘকাল রক্ষণভাগের দায়িত্ব পালন করেন। তার অসামান্য দক্ষতা ও নেতৃত্বে তিনি জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।

    খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হওয়ার পর তিনি একজন ফুটবল সংগঠক ও প্রশিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছিলেন একজন উচ্চতর ‘এ’ লাইসেন্সধারী ফুটবল কোচ। খুলনা জেলা দলের কোচের দায়িত্ব পাশাপাশি তিনি একটি ব্যক্তিগত ফুটবল একাডেমিও পরিচালনা করতেন। মৃত্যুকালে তিনি খুলনা সোনালী অতীত ক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

  • আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ভারতের জনপ্রিয় ক্রিকেট তাহলে এশিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত কোটি কোটি ভক্তের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এক সংবাদ। বাংলাদেশে তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) এর সব খেলা, অনুষ্ঠান এবং সম্প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতের ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আইপিএলে অংশ নেওয়া দেশীয় ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বা যোগ্যতা সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ এই সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    এর ফলে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আইপিএলের সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি হয়েছে। এই আদেশ জনস্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। বাংলাদেশের বীর ক্রিকেটার মুস্তাফিজের ওপর ভারতীয় কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলের কয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তাঁদের দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, এই ক্রিকেটার আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজকে সরিয়ে নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুঃখজনক সিদ্ধান্ত।

  • মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ভয়াবহ এক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি পড়েছে দলের সোশ্যাল মিডিয়া অনুসারীদের উপর। মুস্তাফিজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সব পোস্ট কেকেআরের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে মোছার কারণে বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক দিনের মধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি হারিয়ে ফেলেছে।

    প্রথম দিকে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের জন্য বাংলাদেশে কেকেআর ছিল অন্যতম জনপ্রিয় দল। গত বছর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েও সেই আগ্রহের উৎস ছিল বেশ। তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাঁকে বাদ দেওয়ার এবং সব সংশ্লিষ্ট পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই সেই ভালোবাসা ক্ষোভে রূপান্তরিত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেকেআরের অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি, কিন্তু আজকের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখে, অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ মানুষ কেকেআরের পেজ বিশ্বাসের হারিয়ে ফেলেছেন।

    অর্থাৎ, এক দিনের মধ্যে ১০ লাখের বেশি অনুসারী এই ক্লাবটিকে আনফলো করেছেন। এই ঘটনার প্রভাব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এর প্রভাব পড়েছে দেশের ক্রিকেটের পরিস্থিতিতেও। মুস্তাফিজকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন তারকারা অংশ নেওয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনাও এসে ঠেকিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত বিশ্বকাপের সময়ে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় দর্শকদের মুখোমুখি হতে চান না। আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে একটি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের খেলাগুলো অন্যান্য দেশে আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদন মতে, বিসিবির এই আবেদন আইসিসির তরফ থেকেও দেখা जा Preis aandacht krijgt যা ইতিবাচক। তারা এই পরিস্থিতিকে নাকচ করেনি, বরং আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আশা করা হচ্ছে।

    এই বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা হলো ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান জটিল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা উদ্বিগ্ন হয়ে আসন্ন আসরটি অন্য দেশে আয়োজনের জন্য চাপ দিচ্ছে।

  • বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতের ম্যাচগুলো খেলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নতুন সূচি তৈরি করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি আইসিসির কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠানোর পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

    দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমসসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের সূচি ফের সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে, বাংলাদেশকে নির্ধারিত তিনটি ম্যাচের venues পরিবর্তন করে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

    বিশেষ করে, কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আবুধাবিতে নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়া হলেও, কূটনৈতিক চাপ ও দেশটির অগ্রহণযোগ্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর চাপের কারণে কেকেআর তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়।

    বিসিবি থেকে রোববার জানানো হয়, ‘নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা আইসিসির কাছে মুলতাব্যভাবে আবেদন করেছে, এই ম্যাচগুলো যেন ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়।’

    প্রায় এক মাসের মধ্যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের তারিখ (৭ ফেব্রুয়ারি) আসছে, যার ফলে নতুন সূচি তৈরির প্রক্রিয়া আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা ওয়ার্ল্ড কাপের অন্তর্গত ছিল। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসমূহ অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। আরও, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে নেপালের বিপক্ষে হওয়ার কথা ছিল।

    এদিকে, বিসিবি ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। এই ২০ দলের বিশ্বকাপের খেলা শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, শেষ হবে ৮ মার্চ, ভারতের বিভিন্ন ভেন্যু সহ শ্রীলঙ্কায় মোট আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

  • পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল জমা, চমক রয়েছে যুক্ত

    পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল জমা, চমক রয়েছে যুক্ত

    ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গতকালই তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে তাদের প্রাথমিক স্কোয়াডের তালিকা জমা দিয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বেশ কিছু তরুণ ও নতুন মুখ, যা বিভিন্ন পাকিস্তানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচিত হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপের নিয়ম অনুসারে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে স্কোয়াডে সদস্য পরিবর্তন করলে আইসিসির অনুমোদন লাগবে না। এরপরের সময়ে কোনো বদল করতে চাইলে টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে। পিসিবি সূত্রে জানা গেছে, শ্রীলঙ্কা সফর শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করা হবে, এবং এর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের দলও নির্ধারিত হবে।

    প্রাথমিক স্কোয়াডে ফিরেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম, এছাড়াও রয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও শাদাব খান। চোট থেকে ফিরে আসা শাদাব খান দলের জন্য বড় স্বস্তি। চলমান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলের বেশ কিছু সদস্যও স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন।

    প্রধান ক্রিকেটার হিসেবে বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি, হারিস রউফ ছাড়াও তালিকায় উল্লেখযোগ্য নাম হলো নাসিম শাহ, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, উসমান খান, মোহাম্মদ নওয়াজ, আব্রার আহমেদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সালমান মির্জা, উসমান তারিক, খাজা নাফে ও আবদুল সামাদ।

    চমকের বিষয় হলো, উসমান তারিক, খাজা নাফে ও আবদুল সামাদের মতো তরুণ ক্রিকেটাররা স্থান পেয়েছেন এই স্কোয়াডে, যাদের পারফরম্যান্স ভক্তদের মাঝে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    অধিনায়কত্ব বিষয়ে পিসিবির সিদ্ধান্ত স্পষ্ট, সালমান আলি আগা থাকছেন পাকিস্তান দলের নেতৃত্বে ২০২৬ পর্যন্ত। তাঁর অধিনায়কত্বে দলে ইতিবাচক নতুন ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা বিশ্বকাপের জন্য আশার আলো।

    বিস্তারিত এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এই প্রতিযোগিতা হবে, যেখানে পাকিস্তানের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়। তাই এই সিরিজকে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • আসিফ নজরুলের দাবী: ভারতের থেকে ম্যাচ সরানো ও আইপিএল প্রচার বন্ধের অনুরোধ

    আসিফ নজরুলের দাবী: ভারতের থেকে ম্যাচ সরানো ও আইপিএল প্রচার বন্ধের অনুরোধ

    বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া উপদেষ্টার আসিফ নজরুলের একটি হৃদয়স্পর্শী প্রতিবাদ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের অশুভ নির্দেশনাটা, যেখানে মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছেন, যেন উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীর চাপের মুখে ঢুকতে হয়। এই নির্দেশের পর দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা গভীর হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

    ড. আসিফ আজ রাতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চাপের কাছে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কে বলেছি, তারা যেন আইসিসিকে বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে জানায়। বাংলাদেশে একজন ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ থাকলেও ভারতে খেলতে না পারার কারণে বিশ্বকাপের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে না জাতি। আমি তাদের বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় নঞ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।”

    সিলেটে আজ রাতে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতি সচেতনতা জানিয়ে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন বলেন, “আগামীকালই আমরা আইসিসিকে লিখিত নোটিশ পাঠাবো নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চিত হতে। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।”

    উল্লেখ্য, আসিফ নজরুল আরও জানিয়েছেন, তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে অনুরোধ করবেন এবারের আইপিএলের ম্যাচের সম্প্রচার বন্ধের জন্য। তার ভাষ্য, “আমরা কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটার ও দেশের মর্যাদা লঙ্ঘন স্বীকার করব না। গোলামির দিন শেষ!” এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি দেশের ক্রিকেটের স্বাধিকার ও মর্যাদার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ দলের IPL ও বিশ্বকাপ প্র silhou মেয় দ্রুত সিদ্ধান্তের আশঙ্কা

    প্রাকৃতিক রাজনীতি এবং অস্থির পরিস্থিতির ছায়া পড়েছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর। সম্প্রতি ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে মুক্তি দিতে। এই ঘটনা যেখানে ক্রিকেটের মাঠের বাইরেও রাজনীতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপ এবং আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আজ আইসিসিকে একটি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দুই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তারা ঝুঁকি দেখছে। বিসিবি উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে তারা সরাসরি খেলোয়াড় পাঠানোর পরিবর্তে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপের ভেন্যু অন্য কোথাও স্থানান্তর হলে, বাংলাদেশ সেটিতে অংশগ্রহণ করতে বিবেচনা করবে।

    বিসিবি মনে করে, বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার আগে সতর্কতার সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে, এখনো আইসিসি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের অভিযান, এরপর ইংল্যান্ড ও ইতালি দলের সঙ্গে ম্যাচ। অন্যদিকে, শেষ ম্যাচটি হবে মুম্বাইয়ে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল।

    বিসিবি ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ক্রিকেটারদের মধ্যে অধিনায়ক লিটন দাসের পাশাপাশি সহ-অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসান থাকছেন। জাকির আলী, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মতো খেলোয়াড়রা দলে থাকছেন না। তবে, ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তকে দলে রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে। অন্যদিকে, বল হাতে দারুণ ফর্মে রয়েছেন রিপন মন্ডল ও আলিস ইসলাম। বিপিএলে যা ভালো করেছেন, তাদের দলে রাখার জন্য নির্বাচকরা নজর দিচ্ছেন।

    এভাবেই, সেপ্টেম্বরজুড়ে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন দ্রুত করণীয় নির্ধারণ করছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অনুশীলন বা স্কোয়াডে পরিবর্তন করা যাবে। যদি কোনো প্রয়োজন হয়, তবে আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদনও নিতে হবে।