বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর উদ্যোগে আয়োজিত আট দলীয় মাদক বিরোধী ভলিবল টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি হল গতকাল বুধবার। কাঁঠালতলা মাঠে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বাগেরহাট-এর উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বিপিএম, খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আহসানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেলের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলা থেকে অর্থাৎ পুলিশ বিভাগ, ভৈরব, কাঁঠালতলা, বুড়িগাংনী, তেরখাদা, মোরেলগঞ্জ, কার্তিকদিয়া ও কাড়াপাড়া। সব দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বললে, বুড়িগাংনী দল চ্যাম্পিয়ন হয়, তারা ফাইনালে তেরখাদাকে ৩-০ সেটে পরাজিত করে। বিজয়ী দলের জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা ও ট্রফি প্রদান করা হয়েছে, এছাড়াও রানারআপ দলের জন্য রয়েছে ১৫ হাজার টাকা ও ট্রফি। খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, বাগেরহাটের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সকল খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য মাদকবিরোধী শপথ পাঠ করান। এটি যেন সমাজে মাদকমুক্ত জীবনের বার্তা পৌঁছে দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”}theAssistantHow can I assist you further? Let me know if you want any other news articles rewritten or additional information. If you have another text, please provide it. If you need help with anything else, just ask! I am here to help. }]} {
Category: খেলাধুলা
-

অ্যাশেজের শেষ দিনে উত্তেজনা, খাজার বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়
১৫ বছর আগে সিডনিতে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সূচনা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা উসমান খাজার। অবশেষে সেই সিডনিতেই তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন। যদিও তার ব্যাটে এই ম্যাচটি রাঙাতে পারলেন না, তবে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে এই ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছে। খাজার বিদায়ের ম্যাচটি ড্রামাটিক এবং উত্তেজনাপূর্ণভাবে শেষ হয়, যেখানে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটের জয় অর্জন করে সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে বিজয়ী হয়।
অ্যাশেজ সিরিজের ফল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, কারণ অস্ট্রেলিয়ানরা টানা তিনটি ম্যাচ জিতে সিরিজের ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে। মেলবোর্নে চতুর্থ টেস্ট জিততে না পারায় ইংল্যান্ড কেবল হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়। তবে এই চতুর্থ ম্যাচটি বিশেষ করে খাজার পারফরম্যান্সের জন্য উল্লেখযোগ্য, কারণ এটি সিরিজের শেষ টেস্ট হিসেবে আরেকটি দৃষ্টিশীল ও উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছে।
সিডনি টেস্টে ইংল্যান্ডের জন্য পরিস্থিতি প্রাথমিকভাবে সুবিধাজনক ছিল। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের লিড ছিল মাত্র ১১৯ রান, যদিও মাঠে ব্যাটিং করতে থাকা সেঞ্চুরিয়ান জ্যাকব বেথেল থাকায় ম্যাচের ভাগ্য বদলে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়াকে ১৬০ রানের লক্ষ্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যা ট্রাভিস হেড ও জ্যাক ওয়েদারল্ডের ওপেনিং জুটির সুবাদে বড় হতে পারতো। তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে দ্রুত উইকেট পড়াতে শুরু করে, ফলে খেলায় উত্তেজনা বাড়ে। অস্ট্রেলিয়া এর পরও বিপদে পড়ে ৫ উইকেট হারানো সত্ত্বেও শেষমেশ ম্যাচটি জিতে যায়।
ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসটা কেবল মাত্র ১৩.২ ওভার লম্বা হতে পেরেছিল, যেখানে তারা ৩৪২ রানে অলআউট হয়। বেথেল ১২ রান যোগ করতেই দিন শেষ করে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে এই ইনিংসে ব্যু ওয়েবস্টার ও মিচেল স্টার্ক ৩টি করে উইকেট নেন। দলে আরও উইকেট পান স্কট বোল্যান্ড ও মাইকেল নেসার। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া লক্ষ্য সহজেই পৌঁছে যায়।
বিশেষ করে এই ম্যাচে বিদায়ী ম্যাচ খেলতে নেমে উসমান খাজার পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মতো ছিল না। তিনি প্রথম ইনিংসে ১৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ রান করে খুব একটা সফল হতে না পারলেও, তার ক্রিকেট জীবনের উৎসব আর অনুভূতি ছিল অনন্য। ম্যাচের শেষে গার্ড অব অনার পেয়ে গ্যালারির করতালিতে বিদায় নেন খাজার। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার মোট রান ৮০২৪, যাকেই তিনি ৮৮ টেস্ট, ৪০ ওয়ানডে এবং ৯ টি টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। তার ক্যারিয়ারে রয়েছে ১ ডাবল সেঞ্চুরি, ১৮ টি সেঞ্চুরি এবং ৪১টি হাফসেঞ্চুরি। এই ম্যাচ তার জন্য ছিল একটি বিশেষ স্মৃতি, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যাত্রা শেষ করলেও তার অবদান ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।
-

বিনা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে বিসিসিআই
তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এই বিষয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা করেনি বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। দেশি- ও বিদেশি ক্রিকেটাররা একদিকে বিসিসিআইয়ের এই অজানা সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ খুঁজতে পারেননি, অন্যদিকে বোর্ডের একজন নাম প্রকাশ না করতে চাওয়া কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনওভাবে আলোচনা হয়নি। এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বিসিসিআইয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসেছে বলে জানা গেছে। এরপর থেকেই বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা শুরু হয়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান খেলে থাকেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস—এই পাঁচ দলের হয়ে। ভারতের এই জনপ্রিয় আইপিএল টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিনি ৬০ ম্যাচে খেলেছেন এবং ৮.১৩ ইকোনমিতে ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু পোস্ট দিয়েছে। গতবার জেক ফ্রেজার ম্যাগার্ক না খেলায়, মোস্তাফিজকে মাঝপথে দলে নেওয়া হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের পক্ষ থেকে। তবে এবারে রাজনৈতিক বিবাদের কারণে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দূরত্বের কারণেও তিনি আইপিএলে খেলতে পারছেন না।
১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত আইপিএল নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কেনে। এইতো বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে আইপিএলে সর্বোচ্চ দাম পান মোস্তাফিজ। তবে সম্প্রতি বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারি বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া এএনআইকে বলেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য। এই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। ফলে ক্রিকেটপ্রেমীরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতি নানা মন্তব্য করছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি, আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অনুষ্ঠিত হলে, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তা সরিয়ে নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, মোস্তাফিজ ইস্যুতে বাংলাদেশের আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছে। এর ফলে পরিস্থিতির আরও জটিলতা তৈরি হয়েছে।
-

বিপিএলের উপস্থাপনা প্যানেল থেকে ভারতীয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠক বাদ
চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অনুষ্ঠানে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পরিস্থিতির বিবেচনায়, উপস্থাপনা দল থেকে ভারতের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠককে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এবারের বিপিএলে ভিন্ন ধরন ও নানা রঙের উপস্থাপনা ও ধারাভাষ্য আনার লক্ষ্য নিয়ে বিসিবি উদ্যোগ নিয়েছিল। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তানের জয়নব আব্বাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন ভারতীয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠক, যা ছিল নতুনত্বের একটি অংশ। এছাড়া, ধারাভাষ্য দলের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক পিসিবি প্রধান রমিজ রাজা এবং ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ড্যারেন গফ।
তবে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটায়। এর ফলে ভারত ও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই পরিস্থিতি বিপিএলের উপস্থাপনা ও ধারাভাষ্য দলের পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
-

বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সবার আগে নিরাপত্তা: রমিজ রাজা
বাংলাদেশের ক্রিকেট ও রাজনীতির মধ্যে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনা চলছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) এই ক্রিকেটারকে ৯.২ কোটি রুপিতে দখল করেছিল, তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ছাড়তে হয়েছে। বলা হচ্ছে যে, এর পেছনে রয়েছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।
এর জবাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)কে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তার অবস্থা বিবেচনায় তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারতে খেলা চলবে না। বাংলাদেশের সব গ্রুপ ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ছিল কলকাতা ও মুম্বাইয়ে, তবে তারা চাইছে ওই ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উল্লেখ করেছেন, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশটির দর্শকদের জন্য। বলা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য আঘাতের মতো। আইসিসি নতুন শিডিউল প্রস্তুত করা শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, যদি খেলাগুলো সরানো হয়, তবে বিসিসিআইয়ের অর্থনৈতিক ক্ষতি ভয়ঙ্কর হবে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে, বাংলাদেশ তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সবার আগে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের আচরণের উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, এশিয়া কাপের সময় ভারত নিরাপত্তার অজুহাতে পাকিস্তান সফরে যায়নি এবং তাদের ম্যাচগুলো অন্য স্থানে সরিয়ে নিয়েছিল। আজকের এই ঘটনা যা ঘটছে, তা খুবই দুঃখজনক।’
বাংলাদেশ যদি আইপিএলে অংশ না নেয়, তবে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বিসিসিআই। জানা গেছে, এই পরিস্থিতি এড়াতে ভারত এখন বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যা সাধারণত সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত হয়।
-

আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা, ভারতের মাটিতে খেলার দাবি ভিত্তিহীন
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রকাশিত শঙ্কার কথা উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণের ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে বিসিবি।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিসিবির পক্ষ থেকে একটি رسمی বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, আইসিসি বাংলাদেশ দলের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণের ব্যাপারে পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছে, টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা পরিকল্পনার ধারাবাহিক অঙ্গ হিসেবে বাংলাদেশের উদ্বেগ-উদ্দেশ্যগুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সমাধানে কাজ চালিয়ে যাবে। বিসিবি আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল আইসিসি দেশের প্রতি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা বা আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে এসব সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং আইসিসির সঙ্গে বিসিবির যোগাযোগের প্রকৃতি বা বিষয়বস্তুর সঙ্গে কোনওই মিল নেই।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিসিবি আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট ইভেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক, সহযোগিতামূলক ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রেখে আলোচনা চালিয়ে যাবে। এ লক্ষ্য হলো একটি বাস্তবসম্মত, সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো যাতে বাংলাদেশের দলের অংশগ্রহণ নির্বিঘ্ন ও সফল হয়।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণকে সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল (মঙ্গলবার) বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক নিয়ে একজন ভারতীয় ক্রিকেট খবরের ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা দাবি করে, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে না খেলার জন্য বাংলাদেশ বোর্ডকে জানিয়েছে। তাদের কথায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ভারতে না গেলে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। তবে বিসিবি এই খবরকে সম্পূর্ণ মান deny করে, বলেছে, তাদের ও আইসিসির মধ্যে আলোচনা সুসম্পর্কের ভিত্তিতে চলছে এবং এসব দায়ের কোনও ভিত্তি নেই।
-

আইপিএলে বাদ, পাকিস্তান থেকে সুখবর পেলেন মুস্তাফিজ
এবারের আইপিএলে খেলা হচ্ছে না বাংলার তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের। ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাকে এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিসিসিআই ভারতের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিলে, কেকেআরও সেই নির্দেশ মান্য করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যখন ক্রিকেটপ্রেমীরা মুস্তাফিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে 궁দ্ধ হচ্ছেন, তখন তিনি পاتے পারেন এক সুখবর।
আইপিএলে অবশেষে খেলা থেকে বাদ পড়লেও, তিনি সুযোগটি হাতছাড়া করেননি। পাকিস্তানের প্রিমিয়ার সার্কুলার লিগ পিএসএলে তিনি নাম লেখিয়েছেন। পাকিস্তানের এই জনপ্রিয় লীগে অংশ নেওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।
সেখানে পোস্ট করা হয়েছে, ‘ব্যাটসম্যানদের সাবধানে খেলতে হবে… মোস্তাফিজুর রহমান যোগ দিয়েছেন পিএসএল ১১-এ।’ উল্লেখ্য, পাকিস্তানের এই লীগ আগামী বছর ২৬ মার্চ শুরু হবে এবং ৩ মে এর মধ্যেই শেষ হবে।
মুস্তাফিজ এর আগে ২০১৮ সালে প্রথমবার পিএসএল খেলেছিলেন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে তিনি ৫ ম্যাচে মোট ৪ উইকেট তুলেছিলেন। দীর্ঘ সাত বছর পর এবার তিনি আবার এই লিগে খেলতে যাচ্ছেন।
তবে এখনো নিশ্চিত নয়, পিএসএল কোন দলের হয়ে খেলবেন মওস্তাফিজ। প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে তাকে কোন দল পাবে, সেটাই পরিষ্কার হয়নি। এইবার পিএসএলে প্রথমবারের মত থাকছে আটটি দল, এবং এটি হবে টুর্নামেন্টের ১১তম ও সবচেয়ে বড় আসর।
-

ভারত যেন বাদ দিতে চায় মাশরাফিকেও, দাবি বিসিবি সভাপতি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গণে একটা ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে যখন ভারত পক্ষ থেকে সম্প্রতি মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশি এই পেসারকে নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পেলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় তাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশ—বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গতিপথে বিতর্কের জন্ম দেয়।
এদিকে, মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ফলস্বরূপ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচিতে পরিবর্তন আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টে ভারতের হয়ে খেলার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, ফলে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত হতে পারে। একই সঙ্গে, বাংলাদেশ সরকার আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে।
ভারতের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সমর্থক। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি অদ্ভুত ব্যাপার হলো, পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার জুনায়েদ খান এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, মাশরাফি বিন মর্তুজার আইপিএল খেলার বিষয়টি অনেকেরই জানা, কারণ আইপিএলের লোগোতে দেখা ব্যাটিং শটের অবয়বটি তৎকালীন বাংলাদেশের এই অধিনায়কেরই আইকনিক শট থেকে অনুপ্রাণিত। একদিকে ভারত ও আইপিএল কর্তৃপক্ষ এটি কখনো স্বীকার না করলেও, অনেকেরই ধারণা, এই লোগোতে যে শটটির ছবি রয়েছে, সেটি মাশরাফির ব্যাটিং স্টাইলেরই আরেকটি প্রতীক।
গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন জুনায়েদ খান। সেখানে দেখা যায়, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া বলছেন, ‘অবশ্যই বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, আইপিএলের এই ব্যাটিং শটটি এবি ডি ভিলিয়ার্সের, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্যাটিং স্টাইলেরই অনুবাদ।’
এই ভিডিও শেয়ার করে জুনায়েদ মন্তব্য করেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যেভাবে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে, তাতে আমার ধারণা এখন গোপনীয়তা নিয়েই হয়তো তারা লোগো পরিবর্তন করবে, যেখানে তিনি (মাশরাফি) হয়তো আবারও ফিরে আসবেন।’ উল্লেখ্য, মাশরাফি আইপিএলে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও ২০০৯ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। এই বিষয়টি শুধু ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই নয়, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বে এক অদ্ভুত রহস্যের মতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
-

বাগেরহাটে ২৮ দলের মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন
বাগেরহাটে ‘মাদককে না বলুন’ শপথের মাধ্যমে মাদকবিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি দল অংশগ্রহণ করে। দেড় দিন ব্যাপী এ প্রতিযোগিতার পরের দিন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও প্রাইজমানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া অফিসার হুসাইন আহমাদ সঞ্চালনা করেন, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস्ट्रেট লাবন্য ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু রাসেল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল। প্রতিযোগিতায় বগেরহাটের ফয়সল হাবিব ও অয়ন জুটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়, আর মঈনুল ইসলাম ও সাবিত জুটিদল রানার্স আপ। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লাবন্য ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি করতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান উল্লেখ করেন, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে বাগেরহাটের তরুণ প্রজন্মকে সব ধরনের নেশা থেকে দূরে রাখতে আমরা নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করি, যার ধারাবাহিকতায় এই ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি আয়োজন করা হবে আট দলের ভলিবল প্রতিযোগিতা। বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু রাসেল বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। অধ্যক্ষ ঝিমি মন্ডল বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রজীবন সুষ্ঠভাবে বিকশিত হয়।
-

নাসুমের দুর্দান্ত স্পেল, সিলেটের জয়, নোয়াখালী হেরেছে
নোয়াখালীর বিপক্ষে দুর্দান্ত বাজি ধরে সিলেটের জয় conseguimos। এই ম্যাচে শুরু থেকেই নিজের চমৎকার বলিং দক্ষতা দেখান নাসুম আহমেদ। সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে শুরু করেন উজ্জ্বল উপস্থিতি, এরপর ধারাবাহিকভাবে হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফেরান তিনি। নিজের শেষ ওভারেই তিনি তিনটি উইকেট তুলে নেন, চার ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৫টি উইকেট নিয়ে নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুছিয়ে দেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সহজ জেতার পথে মূল বাধাটিই ভেঙে যায়। ফলে, লক্ষ্য ছিল মাত্র ৬২ রানের, যা আদৌ সহজ ছিল। সিলেটের শুরুটা হলো খুব ভালো, প্রথম ওভারেই উইকেট হারিয়ে শুরু হয় বিপর্যয়। ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ হোসেন ইমন প্রথমবারের মতো বিপিএলে ওপেন করতে এসে ব্যর্থ হন, যার আগেই শেষ হয়ে যায় তার আভরণ। মূলত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বর পজিশনে ৬৫ রান করে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৬০ রান করেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে তিনি ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন, তবে পরের ম্যাচগুলোতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। শ্রীলঙ্কার সিরিজের জন্য সাইম আইয়ুব লিগ থেকে ছুটি নেওয়ায় সিলেটের ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ইমন। তবে এই ইনিংস ছিল খুব দ্রুত শেষ—৫ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি। পেসার বিলাল সামির অফ স্টাম্পের বাইরে থাকা বল ভেতরে ঢোকায় তাকে বোল্ড করেন। এরপর তৌফিক খান দ্রুত রান তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে যান। পাওয়ার প্লে’য় বেশ কিছু বাউন্ডারি মারতে থাকেন, কিন্তু প্রথম ছয় ওভারে পারভেজের আউটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। ১৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন তৌফিক। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব ৫ বলে ২ রানে আউট হন। একই ওভারে ২৩ বলে ২৪ রান করে জাকির হাসান আউট হন। শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জেতাতে মঈন আলী এক সিঙ্গেল নিয়েছেন। নোয়াখালীর হয়ে তিনটি উইকেট পান জহির খান। বিপিএল চলাকালীন অনেক দলই টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, নোয়াখালীর অধিনায়ক হায়দার আলী টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ায় সবাইকে চমকে দেন। দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য মিলে ভালো শুরুর আশ্বাস দেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই সৌম্য ফিরে যান। এরপরই ছন্দপতন ঘটে; মুনিম শাহরিয়ার রান আউট হন, এরপর ১৬ বলে ১৮ রান করা সোহানও আউট হন। বাকিদের মধ্যে অঙ্কন চেষ্টা করেন এক আসা-যাওয়া ব্যাটিং বাঁচানোর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৫ রানে তিনি ফিরে যান। নোয়াখালীর হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে মোহাম্মদ নবি কেবল ১০ বলে এক রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাটিং না থাকায় দল মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায়। অন্যদিকে, সিলেটের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মূল নায়ক হন নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বলিং পারফরম্যান্সের কারণে সিলেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
