Category: খেলাধুলা

  • বিগ ব্যাশে রিশাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, সাকিবের রেকর্ড ছুঁয়েছেন

    বিগ ব্যাশে রিশাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, সাকিবের রেকর্ড ছুঁয়েছেন

    অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের প্রথম কৃতিত্ব ছিল সাকিব আল হাসানের। তিনি দুই মৌসুমে দুটি দলের হয়ে মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছেন। দেশের জন্য এটি একটি গর্বের বিষয়। তবে চলমান আসরে এখন নতুন একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার নিজের ছাপ ফেলেছেন, তিনি রয়েছেন তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশে অভিষেকের পর থেকেই দারুণ আলোচিত হচ্ছেন। তার ঝনঝন করিয়ে দেখানো পারফরম্যান্সে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন।

    গতকাল (শুক্রবার) অ্যাডিলেডের বিয়েলিভে ওভালে হোবার্ট হারিকেন্সের মুখোমুখি হয়েছিল রিশাদের দল, হোবার্ট স্ট্রাইকার্স। ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে হোবার্ট হারিয়েছিল ৬ উইকেটে, ও তারা স্কোর করে ১৭৮ রান। এই দিন রিশাদ মাঠে নামেননি ব্যাটিংয়ে, তবে তিনি বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। ৪ ওভারে ২৬ রানের খরচায় শিকার করেন ৩ উইকেট। তার এই কার্যক্রমের ফলে হোবার্ট স্ট্রাইকার্সকে ৩৭ রানে হারিয়ে দেন অ্যাডিলেডের এই দলটি, আর এই জয়ে তারা উঁচু অবস্থানে চালিয়ে যাচ্ছেন চলমান টুর্নামেন্টে।

    উইকেটের দেখা পাওয়ার জন্য দারুণভাবে লড়াই করেছেন রিশাদ, কারণ এর আগে তার দুই ম্যাচে উইকেটের দেখা ছিল না। এ পর্যন্ত ৮ ম্যাচে তার মোট উইকেট সংখ্যা হয়েছে ১১। এর আগে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারির রেকর্ড ছিল সাকিব আল হাসানের, তিনি ৬ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন। এই রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন নতুন তারকা রিশাদ। এই দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য নিয়মিত একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

    বিগ ব্যাশের স্পিনারদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটসংখ্যা রিশাদের, তিনি যৌথভাবে এই তালিকায় রয়েছেন অ্যাডিলেডের লেগ স্পিনার লয়েড পোপের সাথে, যাদেরও রয়েছে ১১টি উইকেট। রিশাদের অভিষেক ম্যাচে উইকেট ছিল না, তবে পরবর্তী কয়েকটি ম্যাচেও তিনি উইকেট পাননি। এরপর কয়েকটি ম্যাচে কার্যকরী পারফরম্যান্স করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে দুটি ম্যাচে ৩টি করে এবং অন্য দুটি ম্যাচে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। এই পারফরম্যান্সের জন্য তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকদের তালিকায় ষষ্ঠ স্থান দখল করে আছেন। তার থেকে বেশি উইকেট নিয়েছেন ইংল্যান্ডের পেসার জেমি ওভটন, যিনি ১১ উইকেট শিকার করেছেন। সর্বোচ্চ উইকেটের শীর্ষে আছেন জ্যাক এডওয়ার্ডস ও গুরিন্দর সান্ধু, যারা কেড়েছেন ১৪টি করে উইকেট। এছাড়াও, পিটার সিডল ও হারিস রউফ ১৩টি করে উইকেট এবং নাথান এলিস ১২ উইকেট শিকার করেছেন। এলিস ও রিশাদ দুজনেই হোবার্টের হয়ে খেলছেন এবং তাদের দল বর্তমানে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এই মৌসুমের শীর্ষে রয়েছেন।

  • অন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    অন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ চ্যাম্পিয়ন

    খুলনা বিভাগের আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপা জিতেছে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ, বাগেরহাট। এই প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে গত শুক্রবার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে। সেখানে সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজ মাগুরা আদর্শ কলেজকে ২-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি ওঠানোর গৌরব অর্জন করে। চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বিশেষ করে ১০ নম্বর জার্সিধারী সেকেন্দার আলী আল আমিন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নজর কেড়েছেন মাগুরা আদর্শ কলেজের রাশিদুল ইসলাম রাব্বি, জার্সি নম্বর ৯। এই বিজয়ে উৎসাহিত হয়ে খেলোয়াড়েরা ভবিষ্যতেও আরও আরও খেলাধুলায় মনোনিবেশ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। দুলুদপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে ট্রফি, ট্রফি এবং প্রাইজমানি তুলে দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আসাদুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফিফা রেফারি ও খুলনা রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা এহসানুল হক, সাবেক ফুটবলার মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ ও জিয়াউল ইসলাম এবং বিভাগীয় ফুটবল কোচ শেখ আশরাফ হোসেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান।

  • অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের প্রিয় তারকা উসমান খাজার একক বৈচিত্র্যপূর্ণ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে গেল সিডনিতে। চলতি ঐতিহাসিক অ্যাশেজের শেষ দিনটি ছিল রোমাঞ্চের แอড়াও। ১৫ বছর আগে সিডনিতে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হওয়ার পর, অবশেষে তিনি শেষ ম্যাচটিও খেললেন এই ঐতিহাসিক মঞ্চে। যদিও ব্যাট হাতে তিনি ম্যাচের রূপ বদলে দিতে পারলেন না, তবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এ ছিল এক দারুণ স্মৃতি। স্বাগতিক দল ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিলো এই প্রতিবাদী সিরিজের আয়োজনে নতুন ইতিহাস গড়ে।

    অ্যাশেজের ফল আগেই নির্ধারিত ছিল কারণ অস্ট্রেলিয়ার টানা তিন ম্যাচ জয়ে সিরিজের ভাগ্য দৃঢ়ভাবে তাদের পক্ষে গড়ে উঠেছিল। মেলবোর্নের চতুর্থ টেস্ট জিতে ইংল্যান্ড কনট্রাক্ট হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে রক্ষা পেল। এই চতুর্থ ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছিল খাজার কারণে। এছাড়াও ছিল সহজ বাড়তি আগ্রহ কি এই ম্যাচটি আর পঞ্চম দিন পর্যন্ত গড়াতে পারবে কি না, কারণ আগের চারটি টেস্ট ১৩ দিনে শেষ হওয়ায় আয়ের ক্ষতি ও উইকেটের সংকট তৈরি হয়েছিল। সিরিজের সমাপ্তি এই উদ্বেগের কিছুটা হলেও মিটিয়ে দিল।

    সিডনি টেস্টের প্রথম চার দিনই দেখিয়েছিল ইংল্যান্ডের হার খুব কাছাকাছি। দিন শেষে তাদের লিড ছিল মাত্র ১১৯ রান, যেখানে ২ উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করছিলেন সেঞ্চুরিয়ান জ্যাকব বেথেল। আশা ছিল, তার ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ তৈরি হবে। কিন্তু বিয়ের দিন শেষ করে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১৬০ রানে। এর মধ্যে ৬২ রানের ওপেনিং জুটিতে ট্রাভিস হেড ও জ্যাক ওয়েদারল্ড পাওয়া গেলো স্বস্তির সূচনা। এরপর ম্যাচে নাটকতা ফিরে এলো যখন অস্ট্রেলিয়া ৫৫ রানের ব্যবধানে তাদের ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লো। এরপর ধৈর্য্য ও সামনের দিনগুলো সুসংহত ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেল।

    অংলীগের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ফুটে ওঠে আরও উত্তেজনা। জ্যাকব বেথেল শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ১২ রানে, আর বেশ কিছু তারকা ব্যাটসম্যানদের ব্যাট এসবের মধ্যে ভর করেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিনে তাদের জয়ের জন্য দরকার ছিল সামান্য খানেক। দলটির জন্য ছিল উদযাপনের দিন, যখন খাজার বিদায়ের স্মৃতি তিনি অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুললেন। ৩৯ বছর বয়সী এই বাঁ-হাতি ক্রিকেটারকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সবুজ গালিচায় গিয়ে মাথা নোয়ে বিদায় জানানো, কোলাহলপূর্ণ গ্যালারির করতালিতে তিনি বিদায়ের স্বীকৃতি পেলেন।

    অস্ট্রেলিয়ায় তিনি খেলেছেন মোট ৮৮টি টেস্ট, ৪০টি ওয়ানডে এবং ৯টি টি-টোয়েন্টি। ক্যারিয়ারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি, ১৮টি সেঞ্চুরি এবং ৪১টি হাফসেঞ্চুরি সহ মোট রান করেছেন ৮০২৪। তার এই অবদান ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের অবসান ঘটলো, যেখানে তিনি স্মৃতি হয়ে রইলেন সকলের জন্য।

  • উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত

    সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে উসমান খাজার বিদায় অনুষ্ঠান ছিল আবেগপ্রবণ ও স্মরণীয় এক মুহূর্ত। তার এই শেষ টেস্টে দর্শকেরা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি, đặcově তার স্ত্রীর চোখেও বিন্দু বিন্দু অশ্রু ঝরে পড়ে। ক্যামেরায় ধরা সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা সকলের হৃদয় স্পর্শ করে। ফুটে ওঠে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে থাকা এক ক্রিকেটারের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং প্রেমের গল্প।

    খেলার শেষ ইনিংসের শুরু ছিল আশাব্যঞ্জক। উইল জ্যাকসের ঘূর্ণি বলের ওপর দিয়ে সুন্দর একটি ফ্লিক করে চার মারেন খাজা, রানের খাতা খোলার জন্য। কিন্তু এরপর খুব বেশি দূর যায়নি গল্প। জশ টাংয়ের বলের চপ ডাইন হয়ে তিনি মাত্র ১৭ রান করে ফিরে যান।

    তবে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকরা তাকে সম্মান ও ভালবাসা জানাতে কুপোকাত ছিলেন। দাঁড়িয়ে করতালিতে ভাসিয়ে দেন তাঁকে। মাঠে হাঁটু গেড়ে চুমু খান ও ধন্যবাদ জানান সৃষ্টিকর্তাকে। বিদায়ের মুহূর্তে স্টেডিয়াম ভেসে ওঠে আবেগে। গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে থাকা র‌্যাচেল খাজার চোখের জলও ঝরতে দেখা যায়।

    খেলা শেষে নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসের অনুভূতি প্রকাশ করেন খাজা। হতাশা, কৃতজ্ঞতা ও প্রেমের মিশ্র ভাষায় তিনি বলেন, “চপড অন হওয়ার কারণে একটু বিরক্তি হয়েছিল। সবসময় রূপকথার মতো শেষ হয় না। তবে কিছুক্ষণ পরে সেটা ভুলে গেলাম। তখন আমি তাকালাম র‌্যাচেলের দিকে ও ওর সাথে কিছু মুহূর্ত ভাগ করলাম। পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ওদের দিকে চুমু দিয়ে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    স্ত্রীর অবদান স্বীকার করে তিনি বলেন, “ও না থাকলে আমি আজ এখানে থাকতাম না। মানসিক, আবেগিক ও ব্যক্তিগতভাবে ও আমার সবচেয়ে বড় ভরসা। এই শেষবার মাঠ ছাড়ার মুহূর্তে ওর কাছে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সবচেয়ে স্পেশাল মুহূর্ত ছিল এটি।” ৩৯ বছর বয়সী খাজা তার টেস্ট ক্যারিয়ার ৬,২২৯ রান করে শেষ করেছেন, গড় ৪৩.২৫। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি আছেন ১৪ নম্বরে।

    সিডনি মাঠে ক্যারিয়ার শেষ করার মধ্যে দিয়ে তার জন্য ছিল বিশেষ এক মুহূর্ত। এই মাঠই ছিল তার টেস্ট অভিষেকের স্থান, ২০১০-১১ অ্যাশেজ সিরিজে। ঐ ম্যাচে তিনি প্রথম ইনিংসে ৩৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ রান করেছিলেন। তার শান্ত, ধীরস্থির ব্যাটিং style পরবর্তীতে তার পরিচয় হয়ে ওঠে। ইসলামাবাদে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার ছোটবেলায় পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়, যেখানে তিনি হয়ে ওঠেন অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাকিস্তান-জন্ম নেওয়া ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৮৮টি টেস্টে ১৬টি সেঞ্চুরিসহ তিনি ছিলেন দলের মূল ভরসা। পাশাপাশি খেলেছেন ৪০টি ওয়ানডে ও ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। মাঠের বাইরের জীবনেও তার আধ্যাত্মিকতা এবং ক্রিকেটে অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

  • বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নতুন চমক

    বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নতুন চমক

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের জন্য দল ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ সদস্যের প্রধান দলে ছাড়াও পাঁচজন স্ট্যান্ডবাই ক্রিকেটারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে বাংলাদেশ মূলপর্বে উঠার জন্য লড়াই করবে। এই বাছাইপর্বটি শুরু হবে ১৮ জুন থেকে নেপালে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, পাপুয়া নিউগিনি ও যুক্তরাষ্ট্র। মোট দশ দল দুটো গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড, থাইল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও নেপাল। বাছাইপর্বের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নামবে। এর পরে ২০ জানুয়ারি পাপুয়া নিউগিনি, ২২ জানুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে বাংলার মেয়েরা। ২৪ জানুয়ারি, গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দুটি গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো সুপার সিক্সে উঠবে, যেখানে তিনটি করে দল থাকব। এরপর সুপার সিক্স থেকে পয়েন্টের ভিত্তিতে সেরা চারটি দল সুযোগ পাবে আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণের জন্য। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সর্বশেষ সফরে নারী টি-টোয়েন্টি দলে থাকা লতা মণ্ডল ও তাজ নেহার এই বাছাইপর্বে জায়গা পাননি। তবে বড় চমক হিসেবে থাকছেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, যিনি একদম নতুন মুখ। ২০ বছরের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার বিগত বছর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এবং এখানেও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে মূল দলে সুযোগ পেলেন। বাংলাদেশ স্কোয়াডের মধ্যে আছেন: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার, সোবহানা মুস্তারি, ফারজানা হক, শারমিন আক্তার সুপ্তা, দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, রিতু মণি, ফাহিমা খাতুন, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম, সানজিদা আক্তার মেঘলা ও সুলতানা খাতুন। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে থাকছেন: শারমিন সুলতানা, ফারজানা ইয়াসমিন, শরীফা খাতুন, ফাতেমা জাহান সোনিয়া ও হাবিবা ইসলাম পিংকি।

  • ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার ২০ ফুটবলার চূড়ান্ত, দেখুন কারা আছেন

    ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার ২০ ফুটবলার চূড়ান্ত, দেখুন কারা আছেন

    ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এখনো অনেক দূরে, তবে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য স্কোয়াড নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা হাতে পাবো খুব শিগগিরই। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের প্রাথমিক দল ইতোমध्यেই তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জনের নাম অনেকটাই চূড়ান্ত। বাকিরা শেষ মুহূর্তের ফাইনাল সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

    আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির দল মূলত গ্রুপ জে’ত খেলবে। এরশো ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযানের সূচনা হবে। এরপর ২২ জুন ডালাসে অস্ট্রিয়া এবং ২৭ জুন একই ভেন্যুতেই জর্ডানের বিপক্ষে খেলবেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    প্রায় নিশ্চিতভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন ২০ জন খেলোয়াড়। গোলরক্ষকের দলে প্রথম পছন্দ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, যার সঙ্গে থাকবেন জেরোনিমো রুল্লি। রক্ষণভাগে থাকবেন নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকো।

    মিডফিল্ডে স্কালোনির নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়রা হলো রদ্রিগো ডি পল, লিয়েন্দ্রো পারেদেস, এনজো ফার্নান্দেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও জিওভানি লো সেলসো। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্ব পাচ্ছেন জুলিয়ানো সিমেওনে ও তরুণ নিকোলাস পাজ।

    অক্রমণভাগে সবচেয়ে বড় নাম তিনি লিওনেল মেসি। যদি তিনি খেলতে আগ্রহী থাকেন, তবে তার বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল। তার সঙ্গে থাকবেন লাউতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস ও থিয়াগো আলমাদা।

    শেষ ছয়টি জায়গার জন্য কয়েকজন ফুটবলার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। তৃতীয় গোলরক্ষক হিসেবে এগিয়ে থাকছেন ওয়াল্টার বেনিতেজ। রক্ষণে আলোচনায় আছেন হুয়ান ফয়েথ, লিওনার্দো বালের্দি, ফাকুন্দো মেদিনা ও মারকোস সেনেসি। অভিজ্ঞতার কারণে মারকোস আকুনিয়া এখনো অগ্রগামী, তবে তরুণ ক্লোদিও এচেভেরি ও ভ্যালেন্তিন কার্বোনি নজরে আছেন।

    মিডফিল্ডে এজাকুয়েল পালাসিওস ও ফ্রাঁকো মাস্তান্তুয়োনো দলে জায়গা পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফরোয়ার্ড পজিশনের জন্য আলোচনা চালাচ্ছেন হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ।

    অন্যদিকে চোট বা ধারাবাহিকতার অভাবে আপাতত জাতীয় দলে নেই পাউলো দিবালা। মেতিয়াস সুলে, আলান ভারেলা ও ফাকুন্দো কাম্বেসেসও এখনো নিজেদের প্রমাণ করার বাকি রয়েছে। তরুণ খেলোয়াড় ক্লোদিও এচেভেরি, ভ্যালেন্তিন কার্বোনি ও ভ্যালেন্তিন গোমেসের এখনো সময় রয়েছে নিজেদের সক্ষমতা দেখানোর জন্য।

    বিশেষ পরিস্থিতিতে আছেন আলেহান্দ্রো গার্নাচো। বড় ক্লাবে খেলে গেলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে তার ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিয়মিত আলোচনা থাকলেও আনহেল কোরেয়া এখনো স্থায়ী স্থান পাননি। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সময় রয়েছে, তাই স্কালোনির চূড়ান্ত স্কোয়াডে পরিবর্তনের সুযোগও উন্মুক্ত।

  • বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসিকে), যেখানে বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই চিঠি বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বোর্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে কেন বাংলাদেশ দলের জন্য ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া এখনও অনুকূলে নয়। সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও রেফারেন্সগুলো সংযুক্ত করা হয়েছে, যা বোর্ডের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এই ইমেইলের জবাব এখনো পাওয়া যায়নি; আশা করা হচ্ছে ১০ জানুয়ারি আইসিসির সিদ্ধান্তে এই ব্যাপারে স্পষ্টতা আসবে।

    গত রোববার বিসিবি আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারবে না। এর পেছনে মূল কারণ ছিল আইসিসি-প্রতিষ্ঠিত বোকিং অ্যাণ্ড অ্যালার্মি (বাউন্স) সংক্রান্ত ঝুঁকি। তখন বিসিবি মনে করেছিল, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যা তার জন্য অযোগ্যতা সৃষ্টি করে।

    অভিযোগের পক্ষে উঠে আসে, আইপিএলের গত ডিসেম্বরের নিলামে কেকেআর তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয়। এরপর, বিসিসিআই নির্দেশনা অনুযায়ী কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনাটিই মূলত বিসিবির সিদ্ধান্তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

    তারপর, মঙ্গলবার আইসিসি একটি ফিরতি মেইল পাঠায়, যেখানে তারা বোর্ডের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ও বিশদ জানার অনুরোধ জানায়। আজকের এই নতুন চিঠির মাধ্যমে বিসিবি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে এবং তাদের মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ প্রদান করেছে।

  • ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    লিটন কুমার দাসের ব্যাটের স্পন্সর ছিল এসজি (সানস্পাইরেলস গ্রিনল্যান্ডস), যারা বড় একটি ক্রিকেট সরঞ্জামের কোম্পানি। এই স্পন্সর থেকে তিনি পছন্দের ব্যাট তৈরি করে নিতে পারতেন, পাশাপাশি লোগো ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক উপার্জনের সুযোগও ছিল। তবে এখন এই আয় আর থাকবে না। কারণ, এসজি তাদের স্টিকার অব্যাহতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, লিটনের ব্যাটে আর কোনো স্পন্সর স্টিকার থাকছে না। জানা গেছে, ভারতীয় এই কোম্পানি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করবেন না।

    তাদের মধ্যে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মুমিনুল হকের সঙ্গেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চলেছে। উল্লেখ্য, এজেন্টরা জানিয়েছেন, এসজি চুক্তি নবায়নের জন্য পাকা কথা দিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ করে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসায় তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কোম্পানি কোনো কারণ না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    ইতিমধ্যে, বাংলাদেশ-ভারত রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব ক্রিকেটে পড়েছে। ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে নিলামে নেয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বড় ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে, কারণ বাংলাদেশের সাতজন ক্রিকেটার নিলামে ছিলেও কেবল মুস্তাফিজকেই চূড়ান্তভাবে দলে নেওয়া হয়।

    সরকার এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ যদি ভারতের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেয়, তখন আরও বিক্ষোভ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর মধ্যেই, ভারতের স্পন্সর বাতিল বা চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত যেন আগুনে ঘি ঢালছে। এর মধ্য দিয়ে পাল্টাপাল্টি আন্দোলন ও বয়কটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    লিটনের ব্যাটের স্পন্সর চুক্তি বাতিল বা নবায়ন না করার কারণ জানার জন্য তাকে কল করা হলেও পাওয়া যায়নি। তবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শোনা গেছে, এসজি চুক্তি বাতিল করেছে। আমি এখনও কিছু জানাইনি। যদি আরও কিছু হয়, তখন জানিয়ে দেব।’

    বাংলাদেশে ভারতের ক্রীড়া সামগ্রীর বড় বাজার রয়েছে। ক্রিকেট ও হকির সরঞ্জাম মূলত দেশটি থেকেই আমদানি হয়। সাম্প্রতিককালে, সিএ ব্যাটের বাজারও বিস্তার লাভ করেছে। তামিম ইকবাল, যিনি এই ব্যাটের ব্যবসায়ী, তিনি এই চুক্তি বাতিলের পর প্রতিবাদে উঠতে পারেন। এভাবে, ভারতের স্পন্সর না থাকায় বাংলাদেশে কঠোর অচলাবস্থা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে, সিলেটে বিপিএল দলের বেশ কিছু ক্রিকেটার এসجی ব্যাটের ব্যবহার করেন। এই স্পন্সর থেকে সরে গেলে ঢাকায় এসজি ব্যাটের বিক্রিতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এই স্থানটি দখল করতে পারে স্থানীয় অন্য কোম্পানি যেমন সিএ বা এমকেএস।

  • নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে ঝুলন্ত ৫০ বলের অপরাজিত ৯০ রানের অসাধারণ ইনিংসের ফলে ঢাকা ক্যাপিটালস সহজে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে সাত উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা আরও তিনটি বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি নিজের করে নেয়।

    ম্যাচের শুরুতে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা দ্রুত দুই উইকেট হারায়। প্রথমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ শূন্য রান করে আউট হন, এরপর আব্দুল্লাহ আল মামুন এক রান করে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন নাসির ও ইরফান শুক্কুর। দুজনের মিলিত সংগ্রামে গড়ে ওঠে ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

    ১১ বলে ১২ রানে ইরফান শুক্কুর আউট হলেও ঢাকার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়নি। দলের জয় নিশ্চিতে অবদান রেখেছেন নাসির ও ইমাদ ওয়াসিম। নাসিরের ব্যাট থেকে আসে ১৪টি চার ও দুটি ছক্কার মার, যেখানে তার ইনিংসটা ছিলো ৫০ বলে ৯০ রান। ইমাদ ওয়াসিম ক্যামিও হিসেবে ১৬ বলে ২৯ রান করেন।

    অপর দিকে, নোয়াখালী ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে গেলে পাওয়ার প্লে’তেই তিন উইকেট হারায়। সাউম্য সরকার মাত্র এক রান করে ফিরে যান, এরপর হাবিবুর রহমান সোহানও ছয় রানে আউট হন। মুনিম শাহরিয়ারও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি, তিনি ছয় বলে দুই রান করে আউট হন। এই সব উইকেটের পতনে ১৮ রানেই ত্রিফলা দলের।

    ৪০ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট পড়ে। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ফিরিয়ে দেন জিয়া শরিফি, এবং মাজ সাদাকাতকে আউট করেন নাসিরের বলে। মোট ৪০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে নোয়াখালী সংগ্রহ করে ১৩৩ রান। শেষের দিকে মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলী দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাঁদের অনবদ্য জুটিতে হয় ৯০ রানের পার্টনারশিপ।

    অবশেষে, ৩৩ বলে ৪২ রান করা নাবি আর হায়দার আলীর ব্যাটে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৩ রানের সংগ্রহ গড়ে নোয়াখালী। তবে এই চেলে তারা জিততে পারেনি, কারণ ঢাকার তিনজন বোলারই কার্যকরভাবে তাদের অল্প রানে আটকে রেখেছেন।

  • খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে, গতকাল বুধবার খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক মহান মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোস্তাক উদ্দিন, যিনি খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান। দেশের বিভিন্ন উপজেলাখúলে ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান, স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে খেলোয়াড়দের বাছাই করে এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের ক্রীড়া সচেতনতা ও ফুটবলের দক্ষতা বেড়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে তারা জাতীয় পর্যায়ে প্রমানিত হওয়ার সুযোগ পাবে।