Category: খেলাধুলা

  • চাঁদাবাজ-মুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল

    চাঁদাবাজ-মুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল

    খুলনা-৩ আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সাধারণ মানুষের ভোটে তিনি নির্বাচিত হলে খুলনার কোনো জায়গায় চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাস প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকবে না। বুধবার বিকেলে পাবলা সবুজ সংঘ মাঠে এক পথসভায় বকুল এই প্রতিশ্রুতি দেন।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে খুলনাবাসী নানা আঙ্গিকে শোষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে; ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি, জনজীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এসব পরিস্থিতি বদলাতে এবং শহরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে তিনি চাঁদাবাজদের সুরক্ষা দেওয়া কোনো অভিযোগই মেনে নেবেন না এবং চাহিদা হলে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ কঠোরতা নিয়ে সিন্ডিকেট ভাঙার কাজ করবেন।

    বকুল আরও জানান, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের আমানত পেলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা উপহার দেবেন। তিনি বললেন, ‘‘ধানের শীষ শান্তির প্রতীক; এই প্রতীক যদি জয়ী হয়, সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরে আসবে।’’

    পাঠসভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাবলা সবুজ সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রধান অতিথি হিসেবে বকুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সমাজসেবক ও রাজনীতিক মুশাররফ হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির এবং পাবলা সবুজ সংঘের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া খুলনা মহানগর জাসাসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু ও পাবলা সবুজ সংঘ মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ.এ. রহিম উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন মোঃ মতলেবুর রহমান, মিতুল, প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলীসহ দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

    রকিবুল ইসলাম বকুল জনসভায় দাবি করেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী খুলনার সম্পদ লুটে নিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ভীতি দেখিয়ে শাসন করছে—এই অবৈধ শাসনই তিনি ভেঙে দেবে। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয় যুক্ত করুন যাতে তিনি শান্তি ও উন্নয়নের কাজ দ্রুততর করতে পারেন।

  • আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে মোস্তাফিজ — পেলেন সুখবর

    আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে মোস্তাফিজ — পেলেন সুখবর

    বছরের শুরুটা মোটেই সুখকর হয়নি মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য। আইপিএলে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে সংগ্রহ করার পরই কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ছেঁটে ফেললে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা জাগে। কীর্তি আজাদ, রবীচন্দ্রন অশ্বিনসহ বহু বিশিষ্ট ভারতীয় খেলোয়াড়ও তাঁর বাদ পড়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কৌশলে মোস্তাফিজ কিছুটা পুনরুদ্ধার করেছেন—আইসিসি-র সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিংয়ে উনি উন্নতি করে সুখবর পেয়েছেন।

    আইসিসি সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলার র‍্যাঙ্কিংয়ে মোস্তাফিজ এক ধাপ উঠে এখন সপ্তম স্থানে। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৬৫। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন গত বছরের ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মোস্তাফিজ খেলেছেন ২০টি ম্যাচ, নিয়েছেন ২৬ উইকেট এবং তাঁর ইকোনমি ছিল ৬.০৯।

    মোস্তাফিজের সঙ্গে সঙ্গে আরেক তরুণ বোলার রিশাদ হোসেনেরও র‍্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি হয়েছে। রিশাদ এখন এক ধাপ এগিয়ে সপ্তরহণ করে ১৭ নম্বরে উঠে এসেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬১৯। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রিশাদই বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ উইকেট নিয়েছিলেন।

    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় পাকিস্তানের লেগস্পিনার আবরার আহমেদ এখন চতুর্থ স্থানে; সমান ৬৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফির সঙ্গেও তিনি যৌথভাবে চতুর্থ। আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান পাঁচ ধাপ এগিয়ে এখন নবম স্থানে পৌঁছেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৫৬। মুজিব সাম্প্রতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন—সিরিজে মোট ৬ উইকেট নিয়েছেন এবং একটি ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেছেন।

    আজ বিশাখাপত্তনমে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি। সিরিজের মাঝেই আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে আরও কিছু বড় নামের স্থান পরিবর্তন হয়েছে—জসপ্রীত বুমরা চার ধাপ এগিয়ে এখন ১৩ নম্বরে দাঁড়িয়ে; নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুই ম্যাচে তাঁর ইকোনমি ৬.৫৭ এবং মোট ৩ উইকেট আছে। আরো একটি চোখে পড়া নাম বরুণ চক্রবর্তী; ৭৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

    টি-টোয়েন্টিতে অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে হার্দিক পান্ডিয়া এক ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছেন; নিউজিল্যান্ড সিরিজে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টিতে তিনি মোট ৪ উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাটিংয়ে করেছেন ২৫ রান, হার্দিকের রেটিং পয়েন্ট ২৪৮। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ২৮৯ পয়েন্ট নিয়ে অলরাউন্ডার তালিকায় শীর্ষে আছেন। পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৭৭।

    ব্যাটারদের তালিকায় অভিষেক শর্মা ৯২৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ফিল সল্ট ও তিলক ভার্মা যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন—তাদের রেটিং পয়েন্ট ৮৪৯ ও ৭৮১। ভারতের ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদব টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭১৭। নিউজিল্যান্ড সিরিজে সূর্যকুমার দুইটি ফিফটি করেছেন এবং সিরিজে সর্বোচ্চ ১৭১ রান সংগ্রহ করেছেন। অভিষেক শর্মাও সিরিজে ১৫২ রান করেছেন, যার মধ্যে ২৫ জানুয়ারি গুয়াহাটিতে ১৩ বলেই একটি ফিফটি ছিল।

    ভারত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছে; এখনো দুটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। মোস্তাফিজসহ বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীরা অবশ্য আশা রাখছেন, সামনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও পারফরম্যান্সে আরও স্থায়ীত্ব এসে তাঁরা আরও ওপরে উঠবেন।

  • চাঁদাবাজমুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল বকুল

    চাঁদাবাজমুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল বকুল

    খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, জনগণের ভোট পেলে খুলনার পবিত্র মাটিতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের কোনো স্থান থাকবে না। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত একটি পথসভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

    বকুল বলেন, বিগত বছরগুলোতে খুলনাবাসী নানাভাবে শোষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করতে পারেনি, এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিঘ্নীত হয়েছে। তাই খুলনার উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি চাঁদাবাজদের সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলবেন বলে প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    বুধবার বিকেলে পাবলা সবুজ সংঘ মাঠে অনুষ্ঠিত সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, জনগণের আমানত হিসেবে নির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে গেলে তিনি একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা উপহার দেবেন।

    বকুল বলেন, ধানের শীষ শান্তির প্রতীক; এই প্রতীক জয়ী হলে সাধারণ মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধার হবে। তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী খুলনার সম্পদ লুটছে এবং জনসাধারণকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শাসন করছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয়ী করার আহ্বান জানালেন।

    তিনি বলেন, খুলনার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় শান্তি ফিরিয়ে আনাই হবে তার মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে কোনো দলের পরিচয়েই কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্ব করতে পারবে না—এ বিষয়ে তিনি কঠোর হুশিয়ারি দেন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মুশাররফ হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির, পাবলা সবুজ সংঘের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, খুলনা মহানগর জাসাসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু এবং পাবলা সবুজ সংঘ মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ এ রহিম।

    এছাড়া মোঃ মতলেবুর রহমান, মিতুল, প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলীসহ দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • মোস্তাফিজ পেলেন সুখবর, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে উঠে সাতে

    মোস্তাফিজ পেলেন সুখবর, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে উঠে সাতে

    বছরের শুরুটা মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য বেশ উত্থান-পতনের মিলনরূপ ছিল। বিরাট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি—রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে আইপিএলে কেনার পরও কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে পড়ার ঘটনা ক্রিকেট দুনিয়ায় তুমুল আলোচনা জাগিয়েছে। কীর্তি আজাদ, রবীচন্দ্রন অশ্বিনসহ কয়েকজন ভারতীয় তারকাও এই ইস্যুতে মন্তব্য করেছেন। এমন উত্থান-পতনের মাঝেই মোস্তাফিজ এবার এক ভালো খবর পেয়েছেন।

    নতুন বছরের এক মাসও কাটেনি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (আইসিসি)-র সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে মোস্তাফিজ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় এখন সাত নম্বরে চলে এসেছেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৬৫। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বশেষ তিনি খেলেছেন গত বছরের ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি; গত বছর টি-টোয়েন্টিতে মোট ২০ ম্যাচে তিনি ২৬ উইকেট নিয়েছেন এবং ইকোনমি ছিল ৬.০৯।

    মোস্তাফিজের সঙ্গে ঢেউ তুলেছে আরও একজন বাংলাদেশি—রিশাদ হোসেনও এক ধাপ এগিয়ে এখন টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৭ নম্বরে অবস্থান করেছেন। রিশাদের রেটিং পয়েন্ট ৬১৯। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৩ উইকেট নিয়ে দেশের মধ্যে সেরা ছিলেন তিনি।

    পুরো তালিকায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনও দেখা গেছে। পাকিস্তানের লেগস্পিনার আবরার আহমেদ ৬৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এখন চারে অবস্থান করছেন; একই রেটিং পয়েন্টে নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফিও চারে যোগ দিয়েছেন। আফগানিস্তানের তরুণ স্পিনার মুজিব উর রহমান পাঁচ ধাপ এগিয়ে বোলারদের তালিকায় ৯ নম্বরে উঠে এসেছেন—তার রেটিং ৬৫৬। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে মুজিবের অসাধারণ পারফরম্যান্স (সিরিজে সর্বোচ্চ ৬ উইকেট, যার মধ্যে একটিতে হ্যাটট্রিক) তাকে এই অগ্রগতিতে সহযোগিতা করেছে।

    আজ বিশাখাপত্তনমে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে শুরু হচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি; ম্যাচ শুরুর আগেই ভারতের ব্যস্ত ক্রিকেটাররাও র‍্যাঙ্কিংয়ে কিছু সুখবর পেয়েছেন। জসপ্রীত বুমরাহ চার ধাপ উন্নতি করে টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় ১৩ নম্বরে উঠে এসেছেন—নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুই ম্যাচে ৬.৫৭ ইকোনমিতে তিনি ৩ উইকেট নিয়েছেন, এবং গুয়াহাটিতে তৃতীয় ম্যাচে করেছিলেন ৩ উইকেট (৩/১৭)।

    ভারতীয় পেসার বরুণ চক্রবর্তীর ছাড়েই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি বজায় রেখেছেন; তাঁর রেটিং ৭৮৭ এবং চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজে তিনি এখন পর্যন্ত ৩ উইকেট নিয়েছেন।

    টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের লিস্টেও কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে—হার্দিক পান্ডিয়া এক ধাপ এগিয়ে তিন নম্বরে উঠেছেন; তিনটি টি-টোয়েন্টিতে তিনি ৪ উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাটিংয়ে ২৫ রান যোগ করেছেন, তার রেটিং ২৪৮। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে बने আছেন—তার রেটিং ২৮৯। পাশাপাশি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই দুই নম্বরে রয়েছেন (রেটিং পয়েন্ট ২৭৭)।

    ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে এখন অভিষেক শর্মা—তার রেটিং ৯২৯। তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে যথাক্রমে ফিল সল্ট (৮৪৯) ও তিলক ভার্মা (৭৮১) রয়েছেন। দেশের এক পরিচিত নাম সূর্যকুমার যাদব পাঁচ ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে সাত নম্বরে উঠে এসেছেন; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭১৭। নিউজিল্যান্ড সিরিজে দুই ফিফটিতে তিনি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৭১ রান করেছেন।

    অন্যদিকে অভিষেক শর্মাও সিরিজে ছন্দে রয়েছেন—গুয়াহাটিতে ২৫ জানুয়ারি তিনি ১৩ বলেই ফিফটি করেছেন এবং সিরিজে মোট ১৫২ রান সংগ্রহ করেছেন। ভারত প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছে; এখনো দুইটি ম্যাচ বাকি আছে।

    সামগ্রিকভাবে, আইসিসি‑র সাম্প্রতিক র‍্যাঙ্কিং হালনাগাদে দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে—বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য মোস্তাফিজ ও রিশাদের উন্নতি বিশেষ আনন্দের।

  • পিডব্লিউডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

    পিডব্লিউডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

    নগরীর পিডব্লিউডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বুধবার সকাল ১০টায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন।

    মিলটন তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা কেবল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ায় না, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা, নেতৃত্বগুণ ও দলগত চেতনা গড়ে তোলে। তিনি আরও বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ এবং সুস্থ জীবনের জন্য অপরিহার্য।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনটি সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা ক্রীড়ার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার প্রতিশ্রুতি জানান।

  • আইসিসির র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি, সুখবর পেলেন মোস্তাফিজ

    আইসিসির র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি, সুখবর পেলেন মোস্তাফিজ

    বছরের শুরুটা মোস্তাফিজুর রহমানের জন্য বৈচিত্র্যময় ও চাপপূর্ণ ছিল। আইপিএলে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি নিয়ে কেউ ছবি টেনে আলোচনায় আসার পর কলকাতা নাইট রাইডার্সের এক পর্যায়ে নাম কাটা এবং সেই ইস্যুতে বিভিন্ন ভারতীয় তারকারাও কথা বলায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তবু নতুন বছরের প্রথম মাস না পেরোতেই আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ভালো খবর এসেছে বাঁহাতি পেসারের কাছে।

    আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিং প্রতিবেদনে মোস্তাফিজ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় এক ধাপ উঠে এখন সপ্তম স্থানে আছেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৬৫। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষবার তিনি খেলেছেন গত বছরের ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি; সামগ্রিকভাবে গত বছর টি-টোয়েন্টিতে ২০ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছিলেন এবং ইকোনমি ছিল ৬.০৯।

    তার মতোই উন্নতি হয়েছে তরুণ লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনেরও—এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৭ নম্বরে অবস্থান করছেন; রেটিং পয়েন্ট ৬১৯। গত বছর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৩ উইকেট নিয়ে রিশাদ বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হিসেবে উঠেছেন।

    পাকিস্তানের লেগস্পিনার আবরার আহমেদ এক ধাপ এগিয়ে চারে উঠে এসেছেন; ৬৯১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফির সঙ্গে যৌথভাবে চারে অবস্থান করছেন। আফগানিস্তানের মুজিব উর রহমান পাঁচ ধাপ উন্নতি করে এখন টপ-১০-এ ফিরেছেন—র‍্যাঙ্কিংয়ে তিনি নবম স্থানে, রেটিং ৬৫৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সিরিজে মুজিব অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিলেন—সিরিজে তিনি ৬ উইকেট নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিল এক হ্যাটট্রিকও।

    বিশাখাপত্তনমে আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেটাররাও ভাল খবর পেয়েছেন—জসপ্রীত বুমরা চার ধাপ উঠে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে এখন ১৩ নম্বরে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে দুই ম্যাচে তিনি ৩ উইকেট নিয়েছেন এবং ইকোনমি ৬.৫৭; গুয়াহাটি ম্যাচে তিনি ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন।

    এদিকে বরুণ চক্রবর্তীর নেতৃত্ব অব্যাহত; ৭৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজে বরুণ এখন পর্যন্ত ৩ উইকেট নিয়েছেন।

    অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে হার্দিক পান্ডিয়া এক ধাপ এগিয়ে তিন নম্বর স্থানে উঠে এসেছেন। নিউজিল্যান্ড সিরিজের তিনটি টি-টোয়েন্টি পর্যন্ত হার্দিক ৪ উইকেট নিয়েছেন ও ব্যাটিংয়ে করেছেন ২৫ রান; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৪৮। জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ২৮৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে অলরাউন্ডারদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবও অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই দ্বিতীয় স্থানে; তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৭৭।

    ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছেন অভিষেক শর্মা—৯২৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি টপে রয়েছেন। সেই তালিকায় ফিল সল্ট ও তিলক ভার্মা আগের মতোই যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে (৮৪৯ এবং ৭৮১ রেটিং পয়েন্ট)।

    আরেকটি বড় আপডেট—সূর্যকুমার যাদব পাঁচ ধাপ উঠে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে সাত নম্বর হয়েছেন; তাঁর রেটিং ৭১৭। নিউজিল্যান্ড সিরিজে সূর্যকুমার এখন পর্যন্ত দুই ফিফটি করে সিরিজে সর্বোচ্চ ১৭১ রান সংগ্রহ করেছেন। অভিষেক শর্মা সিরিজে ১৫২ রান করেছেন, যার মধ্যে ২৫ জানুয়ারি গুয়াহাটিতে ১৩ বলেই করেছেন এক ফিফটি। ভারত প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ নিশ্চিত করেছে, ফলে দুই ম্যাচ বাকি থাকলেও সিরিজ তাদের দখলে।

    মোটকথা, দেশের দুই তারকা—মোস্তাফিজ ও রিশাদের র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক সংবাদ। আন্তর্জাতিক মাতৃকায় তারা আগামিতে আরও কৃতিত্ব দেখাতে পারলে দলেরই সুবিধা হবে।

  • পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা — সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসবে

    পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা — সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসবে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান খেলবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বলেছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অথবা সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আসতে পারে।

    পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য: বাংলাদেশ নিরাপত্তা আরও ভেবে ভারতে ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে অনصفমূলক ও দ্বিমুখী নীতির উদাহরণ বলে মনে করছে এবং পিসিবি এখন বাংলাদেশের পক্ষে موقف নেয়া এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    ‘টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান কার্যত ‘অপেক্ষার কৌশল’ অবলম্বন করছে। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা প্রথম দুই ম্যাচ (৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে) খেলবে ও জয়ের মাধ্যমে সুপার এইটে যাওয়ার আশা রাখবে, আর এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিরুদ্ধে নির্দেশাহীন বা বয়কটের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে পারে।

    এমনকী পিসিবি আইসিসিকে টুর্নামেন্ট চলাকালীন ধরনের প্রতিবাদ জানাতে একটি চিঠি পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে। সম্ভাব্য প্রতিবাদের দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা হচ্ছে — খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলা, ভারতের বিপক্ষে অংশ না নেওয়া এবং জয়গুলো বাংলাদেশ ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি উৎসর্গ করা।

    গত সোমবার পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সব বিকল্প খোলা রেখেই সমাধান করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের ওপর নির্ভর করবে; নকভি বলেন, সরকার যা বলবে, তা মেনে চলা হবে।

    আইসিসি ইতোমধ্যেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে — যদি কোনো দল রাজ্য বা টুর্নামেন্টের নিয়ম ভঙ্গ করে বয়কট করে, তা হলে সাসপেনশন, জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিশেষত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ থেকে বড় সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক রাজস্ব আসে; বয়কট হলে ক্ষতিপূরণ দাবি বা আর্থিক চাপও উঠতে পারে।

    আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে তারা নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারত-ভিত্তিক ম্যাচ না খেলার বিচার পর্যাপ্ত মনে করেনি এবং বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের হস্তক্ষেপকে কিছু পর্যবেক্ষক অনধিকারপ্রবেশ বা অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছেন, কারণ সরাসরি সম্পর্ক সূত্রপাত কম। তবে পাকিস্তান আইসিসির দ্বিমুখী নীতিকেই প্রশ্ন তুলছে — তারা বলছে অতীতে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে বা বিশেষ রীতিনীতি মেনে নেওয়া হয়েছে, সে তুলনায় এখন কেন ভিন্ন আচরণ করা হচ্ছে তা ব্যাখ্যার দাবি করছে।

    পরিস্থিতি এখনও ঝুলেই আছে। কেবল ভারত ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তানকে নৈতিক প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকবে এবং বড় ধরনের শাস্তি এড়ানোও সম্ভব হতে পারে; কিন্তু পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সরে গেলে ক্রিকেটে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ও কড়াকড়ি অপেক্ষা করতে পারে। ক্রিকেটপ্রেমীরা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পাকিস্তানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতীক্ষায়।

  • পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না—নির্ধারণে অনিশ্চয়তা

    পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না—নির্ধারণে অনিশ্চয়তা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান অংশ নেবে কি না তা এখনও অনিশ্চিত। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কিংবা সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)।

    পটভূমি: বাংলাদেশ নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে ম্যাচ খেলতে অস্বীকার করায় আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করেছে। পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও দ্বিমুখী নীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছে এবং পিসিবি বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে প্রতিবাদ করেছে।

    একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ‘অপেক্ষার কৌশল’ রাখতে পারে — প্রথম দুই ম্যাচ খেলবে, সেগুলো জিতে সুপার-এইট নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে, এবং এরপর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ (১৫ ফেব্রুয়ারি, কলম্বো) বয়কট করে প্রতিবাদ জানাবে। পাকিস্তান প্রথম দুই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস (৭ ফেব্রুয়ারি) ও যুক্তরাষ্ট্র (১০ ফেব্রুয়ারি)–এর সঙ্গে মুখোমুখি হবে।

    কৌশলগত যুক্তি হলো: যদি প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সুপার-এইটে উঠা নিশ্চিত হয়, তাহলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করলে টুর্নামেন্ট থেকে পুরোপুরি বাদ পড়ার ঝুঁকি কম থাকবে; তবু তারা প্রতিবাদ জানাতে পারবে। পিসিবি আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বকাপ চলাকালীন বিভিন্ন উপায়ে প্রতিবাদ করার কথাও ভাবছে—যেমন খেলোয়াড়দের কালো আর্মব্যান্ড পরানো, ভারত ম্যাচ বয়কট করা বা জয়গুলো বাংলাদেশকে উৎসর্গ করা।

    গত সোমবার মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন সব বিকল্প খোলা রেখে পরিস্থিতির সমাধান করা হবে এবং সিদ্ধান্ত সরকারের ওপরই নির্ভর করবে; নকভির বক্তব্য, সরকার যা বলবে, সেটাই মানা হবে।

    আইসিসি ইতোমধ্যেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে: বয়কট করলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাসপেনশন, জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ থেকে বড় আসরীয় সম্প্রচার আয় আসে, তাই আয়-ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি ওঠারও সম্ভাবনা রয়েছে।

    আইসিসির অবস্থান হলো—বাংলাদেশের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ পর্যাপ্ত নয়; বিষয়টি নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশ অনড় ছিল। অন্যদিকে পাকিস্তান ও সমর্থকেরা আইসিসির নীতিকে দ্বিমুখী বলেও প্রশ্ন তুলেছে, উদাহরণস্বরূপ পূর্বে কখনো নিরাপত্তার জটিলতা দেখিয়ে ভেন্যু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তারা উল্লেখ করেছে। অনেকে বলছেন, এই বিবাদে পাকিস্তানের সরাসরি অংশগ্রহণ ততটা প্রয়োজনীয় নয়, কিন্তু পাকিস্তান বিষয়টি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তুলে সিদ্বান্তের ন্যায় বিচার চাচ্ছে।

    পরিস্থিতি এখনো ঝুলে আছে। শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করলে খেলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে পারবে কিন্তু বড় ধরনের শাস্তি এড়ানোর সম্ভাবনা থেকে যায়। অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্ট বয়কট করলে পাকিস্তান ক্রিকেটও বড় ধাক্কায় পড়তে পারে। সিদ্ধান্তের প্রতীক্ষায় রয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা।

  • থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশের

    থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশের

    সুপার সিক্সের উদ্বোধনী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে জয় দিয়ে শুরু করলো বাংলাদেশের মেয়েরা। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারির আগ্রাসী অর্ধশতক এবং তাদের ১১০ রানের জুটিতেই ১৬৫ রানের সমৃদ্ধ ইনিংস গড়েছিল টাইগারেসরা। পরে বোলিংয়ে মারুফা আক্তার, স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মনি ঠিক সময়েই ধাক্কা দেখে দলকে জয় এনে দেন।

    ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশ কিছু দ্রুত উইকেট হারালেও—দিলারা আক্তার টপ-এজ হয়ে কভারে ক্যাচ দেন এবং শারমিন আক্তার সুপ্তা থিপাচা পুথাওয়াংয়ের বলে লেগ-বিফোরে আউট হয়ে ৯ বলে ১১ রান করেন—তারপর জুয়াইরিয়া ও সোবহানা ম্যাচের کہا-কথা নিয়ন্ত্রণে নেন। দুই ওপেনারের ধৈর্য্য ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দল ধীরে ধীরে আগ্রাসী রানের স্প্রিন্টে যায়।

    জুয়াইরিয়া লাওমির একজন বলকে তুলে ছক্কা মারেন এবং ৪৩ বলেই হাফসেঞ্চুরির মুখে পৌঁছান; শেষ পর্যন্ত তিনি ৪৫ বল খেলে ৪৫ বলে নয়—৪৫ বলে নয়—৪৫ বলে নয়—(বর্ণনার ঠিক অংশটি) ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল চারটি ছয় ও তিনটি চার। সোবহানাও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন—৩৭ বলেই অর্ধশতক স্পর্শ করেন এবং ৪২ বল খেলে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন না; শেষ পর্যন্ত পুথাওয়াংয়ের এক দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন। এরপর রিতু মনি শেষ দিকের অংশে ৬ বলে ১৫ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলেন এবং বাংলাদেশ ১৬৫ রানের সংগ্রহ তোলে। থাইল্যান্ডের হয়ে পুথাওয়াং তিনটি ও অন্নিচা কামচোমফুর দুটি উইকেট নেন।

    রান তাড়া করতে নেমে থাইল্যান্ড শুরুতেই একটি উইকেট হারায়—সুয়ানান খিয়াতাও প্রথম সারির ব্যবস্থায় ফিরে যান। এরপর নাথাকান চানথাম ও নান্নাপাট কনচারোয়েনকাই দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের অংশীদারি গড়েন। চানথাম ৪১ বলে ৪৬ রান করেন, কিন্তু ফাহিমা খাতুনের একজন উইকেটে তিনি ফিরেন। পরে স্বর্ণার ক্যাচে নান্নাপাটও ফিরে যান।

    চাইওয়াই (নারুমল চায়ওয়াই) একপ্রান্ত ধরে রাখতে সচেষ্ট ছিলেন এবং শেষ দিকে ২৮ বলে ৩০ রান করে ইনিংস শেষ পর্যন্ত মুখ করে যান। তবে বাকিরা নির্দিষ্টভাবে রান তুলতে পারেননি এবং থাইল্যান্ড পুরো টুর্নামেন্টে ১২৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। বাংলাদেশের হয়ে মারুফা ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন; রিতু ও স্বর্ণা দুই করে এবং ফাহিমা একটি উইকেট শিকার করেন।

    শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৬৫-র বিপক্ষে থাইল্যান্ডকে ১২৬ রানে আটকে রেখে ৩৯ রানে জয় তুলে নিল। জুটি গড়া ও সময়োপযোগী আক্রমণে জুয়াইরিয়া ও সোবহানার অবদানকে ভরসা করে টাইগারেসরা সুপার সিক্স সূচনায় মূল্যবান তিন পয়েন্ট পেয়ে গেল।

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, বাংলাদেশের পুনঃপ্রবেশের সম্ভাবনা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, বাংলাদেশের পুনঃপ্রবেশের সম্ভাবনা

    আইসিসি এবং এশিয়া কাপ নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা সবসময়ই চলে আসছে। তবে বর্তমানে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে যে নাটক চলছে, তা সত্যিই চমকপ্রদ। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পরে এবার আইসিসি আবার তাদের ফিরে আনার কথা ভাবছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ বর্জন করে, তাহলে তার পরিবর্তে বাংলাদেশকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। আইসিসির এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান না খেললে বাংলাদেশকে ‘এ’ গ্রুপে রাখা হতে পারে এবং সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে আয়োজনের ঝামেলা কম হবে, যা বিসিবি মূলত চাচ্ছে। এর আগে, ২৪ জানুয়ারি আইসিসি বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের নাম দিয়ে নতুন সূচি প্রকাশ করে। একই দিনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসি অন্যায় করেছে। বাংলাদেশ তা চেয়েছিল যে, তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ দিতে, কিন্তু আইসিসি সেটিতে রাজি হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে যায়। বাংলাদেশ বাদ যাওয়ার দিনই মহসিন নাকভি মন্তব্য করেন, যদি পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে বিশ্বকাপে না খেলে, তাহলে তারা হয়তো শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করতে পারে। এরপর গতকাল তিনি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের ছবি পোস্ট করে বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শুক্রবার বা সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আশা রয়েছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো দল বিশ্বকাপ থেকে সরে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের কাছাকাছি থাকা দলকে সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান আছে ৭ নম্বরে এবং বাংলাদেশ ৯ নম্বরে, ফলে পাকিস্তান সরে গেলে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনা তৈরি হয়। এর আগে, বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করায় ১৪ নম্বরে থাকা স্কটল্যান্ড সুযোগ পেয়েছিল। সব মিলিয়ে, শেষ মুহূর্তে পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে যায়, তাহলে বাংলাদেশের প্রবেশের সম্ভাবনা আবার জেগে উঠবে। সম্ভাব্য ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের কথা বলছে, তবে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কি হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।