Category: অর্থনীতি

  • পুঁজিবাজারে সব সময় লাভ হওয়া উচিত ভাবনা ভুল: অর্থ উপদেষ্টা

    পুঁজিবাজারে সব সময় লাভ হওয়া উচিত ভাবনা ভুল: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পুঁজিবাজার থেকে সবসময় মুনাফা আসবে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কেউ যদি এটি অবিচ্ছিন্ন আয় উৎস হিসেবে ভাবতে থাকে, তবে itu বিনিয়োগকারীদের জন্য বেশ বিপদ ডেকে আনতে পারে। মূলধনী বাজারে যেমন লাভের সুযোগ রয়েছে, তেমনি ক্ষতির ঝুঁকি ও থাকা সম্ভব। এজন্য বিনিয়োগকারীদের সচেতন হতে হবে যে শেয়ার বা বন্ড কেনা মানে কখনও কখনও ক্ষতিও ভাগ করে নিতে হয়।

    সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের বন্ড ও সুকুক বাজার উন্মোচন: রাজস্ব ক্ষেত্র, অবকাঠামো সরবরাহ এবং ইসলামী মানি মার্কেট উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব বক্তব্য রাখেন।

    ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এখনও মূলধনী বাজার যথেষ্ট উন্নত হয়নি। সরকারি বন্ডের সেক্টর থাকলেও বেসরকারি খাতে অংশগ্রহণ খুবই কম, আর শেয়ারবাজার প্রায় অবহেলাজনক। ফলে বড় প্রকল্পের অর্থায়ন নির্ভরশীলতা ব্যাংকগুলোর উপর বাড়ছে, যা ঝুঁকি বা ঋণখেলাপি এবং তহবিলের অপব্যবহার বাড়ানোর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, ঝুঁকি ভাগাভাগি করতে হলে মানুষকে বন্ড, ডিবেঞ্চার এবং শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। ব্যাংক থেকে কেবল ঋণ নিয়ে তা ভুল খাতে ব্যবহার করা কোনো সমাধান নয়। বিশেষ করে, মূলধনী বাজারে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সাথে সাথে বিনিয়োগকারীদেরও বুঝতে হবে যে এখানে ঝুঁকির পাশাপাশি লাভের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমানে সুকুক বাজারে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড রয়েছে। তবে এসব বন্ড সাধারণত শিক্ষা ও স্যানিটেশন খাতে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে আয়ের হার কম। যদি এসব বন্ড উৎপাদনশীল প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়, তবে লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংকের ওপর চাপ কমবে। তাঁর মতে, সুকুক অবশ্যই প্রকৃত সম্পদভিত্তিক হওয়া উচিত, যাতে বিনিয়োগকারীর আস্থা আরও জোরদার হয়।

    অর্থ উপদেষ্টা আরো যোগ করেন, বাংলাদেশে এখনো সিকিউরিটাইজেশন কার্যকর হয়নি। তবে মেট্রোরেলসহ বড় বড় প্রকল্পে এই পদ্ধতি চালু থাকলে বিশ্বব্যাংকের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব। এছাড়া, পেনশন ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এগুলো সরকারের দায়বদ্ধতা।

    সেই সঙ্গে, তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, শুধুমাত্র মূলধনী ও সুকুক বাজার নয়, বীমা ক্ষেত্রের উন্নয়নেও মনোযোগ দিতে হবে। কর কাঠামো ও প্রণোদনা ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে, যাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসে।

    সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • ফিলিপাইনের ব্যাংক থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত, রিজার্ভ চুরির পরিষ্কার চিত্র

    ফিলিপাইনের ব্যাংক থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত, রিজার্ভ চুরির পরিষ্কার চিত্র

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) কাছ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত করেছে বাংলাদেশের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। এ ঘটনা আদালতের আদেশে কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনায় এই অর্থ বর্তমানে ফিলিপাইনের আরসিবিসির জুপিটার শাখার ভুয়া হিসাব থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্থানীয় উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জোরদার পরিকল্পনা করছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এ ধরনের বড় ধরনের সাইবার হামলার প্রথম নজির স্থাপিত হয়। তখন নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের হিসাব থেকে প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার জাল সুইফট বার্তার মাধ্যমে চুরি হয়। এর মধ্যে, শ্রীলঙ্কায় প্রেরিত প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার ফেরত আনা সম্ভব হলেও, বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের ভুয়া হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়। এই অর্থ পরে বিভিন্ন ক্যাসিনো ও অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে পাচার করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত মামলা দায়ের করে এবং এ বিষয়টি তদন্তে ফিলিপাইনের আদালত শাখা ব্যবস্থাপক মায়া ডিগুইটোকেকে মানি লন্ডারিংয়ের দোষে দোষী সাব্যস্ত করেছে। এই ঘটনার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, বড় ধরনের সাইবার ক্রাইমের সাথে আন্তর্জাতিক জড়িত একটি জালিয়াতি চক্র সক্রিয় রয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে হুমকির মধ্যে ফেলছে।

  • এক দিনের মধ্যেই স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

    এক দিনের মধ্যেই স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

    ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, এটি প্রতিদিনের পরিবর্তনশীল বাজারের জন্য একটি বড় খবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার রাত্রে একজন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম মূলত বেড়েছে, যা স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়াবে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (পূর্বের প্রথামূলক মান) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সময় সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি স্বর্ণের মূল্যর সঙ্গে যোগ করতে হবে। তবে গহনা তৈরির ডিজাইন ও মান অনুসারে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল এবং ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। এতে দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই সময়ে অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল যথাক্রমে ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা।

    এছাড়া, এই বছর জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৫৭ বার, যেখানে ৪০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১৭ বার দাম কমেছে। ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম পরিবর্তন হয়েছে, এর মধ্যে ৩৫ বার বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে।

    এসবের পাশাপাশি, স্বর্ণের দাম বেড়ানোর সঙ্গে রুপার মূল্যেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ভরিতে ১৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার, ভাঙলো সব রেকর্ড

    স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার, ভাঙলো সব রেকর্ড

    বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণে বাংলাদেশের বাজারেও নতুন একটি রেকর্ড তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের বাজারে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম নতুন দরে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রত্যেক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেকর্ড। এই নির্ধারিত দাম মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

  • রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনের ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত

    রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনের ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার বাজেয়াপ্ত

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িত একজন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া প্রায় ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে এই অর্থ ফেরত আনার জন্য ইতোমধ্যে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কার্যক্রম শুরু করেছেন।

    ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় সাইবার চুরি ঘটনায় এই টাকা মূলত লুকানো হয়েছিল। সেই বছর, বাংলাদেশের ব্যাংকের নিউইয়র্কে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার জাল সুইফট বার্তা মাধ্যমে চুরি হয়। এর মধ্যে, শ্রীলঙ্কায় পাঠানো প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার ফেরত আনা সম্ভব হলেও, বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাকাতি শহরের জুপিটার শাখার ভুয়া হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়।

    পরে, এই অর্থ বিভিন্ন ক্যাসিনো ও অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে পাচার হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে তদন্ত শুরু হয় এবং ফিলিপাইনের আদালত রিজাল ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া ডিগুইটোকে মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। এই পুরো ঘটনায় দুর্নীতি ও অর্থ লেনদেনে গৃহীত কার্যক্রম এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদন্তের মুখোমুখি।

  • একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি

    একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি

    ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারো বেড়েছে, যা ইতিহাসে অন্যতম highest. বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে ভরিতে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বলেছে, এবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, যা গত মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। নতুন দামের কার্যকারিতা শুরু হবে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকেই। উপস্থাপিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে, অন্যান্য সূচকের সাথে মিলিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন, প্রতি ভরি (১১.৬৬4 গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা, যা আগের তুলনায় আরও বেশি। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ১ লাখ হৃদয়তা এটি ৫৯ হাজার ৪২৪ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫১ টাকা। এবার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি, বাজুস জানিয়েছে যে স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির পরিমাণ আলাদা হতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস, সেই সময় ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। এতদিনে এই দাম ছিল দেশের সর্বোচ্চ। সেই সময়ের অন্য দাম ছিল, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা। ওই দামগুলি কার্যকর হয়েছিল ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। এই বছর মোট ৫৭ বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪০ বার এবং কমানো হয়েছে ১৭ বার। আগের বছর ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬২ বার; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৩৫ বার এবং কমানো হয়েছিল ২৭ বার। এছাড়াও, স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভরিতে ১৫২ টাকা বাড়িয়ে, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যাটাগরির জন্য দাম হলো, ২১ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ২২৮ টাকা।

  • বিশ্বাস্য রেকর্ডে স্বর্ণের দাম, ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা

    বিশ্বাস্য রেকর্ডে স্বর্ণের দাম, ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা

    বিশ্ব বাজারের অস্থিরতা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশে স্বর্ণের দাম এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এবার দেশীয় বাজারে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকায় নতুন করে নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম রেকর্ড। এই দাম সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়েছে, এবং মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ড স্বর্ণের মূল্যে বিপুল বৃদ্ধি ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু হবে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের সাধারণ ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। এছাড়াও, নিউ ওয়ার্ল্ডের মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকায়।

    বাজুসের আরেকটি তথ্য অনুযায়ী, স্বর্ণ বিক্রির মূল্যের সঙ্গে সরকারি নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। এর পাশাপাশি গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির ব্যয় ভিন্ন হতে পারে।

    বিশ্ববাজারে এক আউন্স সোনার দাম এখনো কখনো ৩ হাজার ৭০০ ডলার অতিক্রম করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এক দিনে ৩৪ ডলার দাম বৃদ্ধির ফলে এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১০.৩৫ ডলার। এক মাসের মধ্যে, প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪০০ ডলার বেড়ে গেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে এক আউন্স সোনার দাম ছিল ৩ হাজার ৬৯০ ডলার, তখন দেশের বাজারে মূল্য নির্ধারণের পূর্বে এক হস্তান্তর হয়। এরপরবিশ্ববাজারে দাম কমে গেলেও আবার ফিরতে থাকায় বিভিন্ন সময়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পায়।

    বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্যাক্সেশনের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক-সংক্রান্ত ঝামেলা, চীন, রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে চলমান বৈঠক, এবং এই সব কারণে ডলারের সার্বিক মূল্যপ্রভাব সফল হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার জন্যও বিভিন্ন দেশ সোনা কিনে রিজার্ভ করে চলেছে। এর ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ায় সোনার দাম ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের জুয়েলারি ব্যবসায় মন্দা শুরু হয়েছে, দেশের স্বর্ণের বাজারের আকার সংকুচিত হচ্ছে।

  • গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা বাজার তৈরি হবে দ্রুত

    গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা বাজার তৈরি হবে দ্রুত

    আবেগের শেষে গভর্নর জানিয়ে করেন, বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। খুব শিগগির এই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত সুপারিশসহ ব্রোকারেজ ও সুকুক উভয় ধরনের বন্ডের উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। এতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিধিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।

  • পুঁজিবাজারে সবসময় মুনাফা নিশ্চিত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    পুঁজিবাজারে সবসময় মুনাফা নিশ্চিত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পুঁজিবাজার থেকে সবসময় মুনাফা লাভের ভাবনা ভুল। তিনি এ ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে বলেন, কেউ যদি মনে করে, এটি নিয়মিত আয়ের স্থায়ী উৎস, তবে তা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। মূলধন বাজারে যেমন মুনাফার সুযোগ রয়েছে, তেমনি ক্ষতির ঝুঁকিও লুকানো নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে যে শেয়ার ও বন্ড কেনার মানে কখনো কখনো ক্ষতিও ভাগ করে নিতে হতে পারে।

    সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বন্ড ও সিকিউরিটি বাজার উন্মোচন: রাজস্ব ক্ষেত্র, অবকাঠামো সরবরাহ এবং ইসলামী মানি মার্কেট উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন।

    ড. আহমেদ উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে এখনো মূলধন বাজার উন্নত হয়নি। সরকারী বন্ড সেক্টরে কিছু থাকলেও বেসরকারি অংশগ্রহণ খুবই কম, আর শেয়ারবাজার প্রায় নগণ্য। এর ফলে বড় বড় প্রকল্পের অর্থায়ন ঝুঁকি ভাগাভাগি না করে কেবল ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছে, যা দেশের জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। ঋণখেলাপি আর তহবিলের অপব্যবহারের ঘটনা বাড়ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ট্র্যাজেডি। প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকি কমানোর জন্য মানুষকে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও শেয়ার বিনিয়োগ করতে হবে। ব্যাংক থেকে কেবল ঋণ নিয়ে তা অপব্যবহারের মাধ্যমে কোন সমাধান হয় না। এজন্য মূলধন বাজারে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং বিনিয়োগকারীদের এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে যে, এখানে ঝুঁকি থাকলেও লাভের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সুকুক বাজারে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড রয়েছে, তবে সেগুলো শিক্ষা ও স্যানিটেশন খাতে ব্যবহৃত হয়। ফলে এ বন্ডগুলো থেকে আয়ের হার কম। তবে যদি এসব বন্ডকে উৎপাদনমুখী প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়, তবে লাভবান হওয়া সম্ভব এবং ব্যাংকের উপর চাপ কমবে। সিকিউরিটি মার্কেট অবশ্যই প্রকৃত সম্পদভিত্তিক হতে হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা জাগে।

    অর্থ উপদেষ্টা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশে এখনও সিকিউরিটাইজেশন কার্যকর হয়নি, যা বড় প্রকল্প যেমন মেট্রোরেল-এ ব্যবহার হলে বিশ্বব্যাংকের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব। আরও বলেন, পেনশন ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এগুলো সরকারি দায়বদ্ধতা।

    তিনি উল্লেখ করেন যে, শুধুমাত্র মূলধন ও সিকিউরিটি বাজার নয়, পাশাপাশি বীমা বাজারের উন্নয়নেও নজর দিতে হবে। কর কাঠামো ও প্রণোদনা সংস্কার করে দেশের বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

    সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ প্রমুখ।

  • গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা বাজার তৈরি করুন

    গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা বাজার তৈরি করুন

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাজারকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব করেছেন। তিনি বলেন, দেশের সঞ্চয়পত্র ও বেসরকারি বন্ডের জন্য পৃথক সেকেন্ডারি মার্কেট বা পরবর্তী বাজার তৈরি করা জরুরি, যা দ্রুত সম্ভব যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকুক। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর উত্তরায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে গভর্নর এসব কথা বলেন, যেখানে বন্ড ও সুকুক মার্কেটের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের কিছু লেনদেন বাজারে হয়, কিন্তু তা সম্পূর্ণভাবে ট্রেডযোগ্য করা উচিত। এতে সাধারণ গ্রাহকরা উপকৃত হবেন এবং বাজারে তারল্য বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, তিনি বেসরকারি বন্ডের জন্যও লেনদেনযোগ্যতার প্রস্তাব দেন। তাঁর মতে, সঠিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলে বন্ড মার্কেটের আকার দ্বিগুণ হতে পারে, যা দেশের আর্থিক খাতের জন্য ইতিবাচক দিক হবে।

    আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের উৎস হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন শ্রমশক্তি, পেনশন ব্যবস্থা, করপোরেট পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও বেনেভোলেন্ট ফান্ডকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি জোর দিয়েছেন, এই ধরনের বিনিয়োগের জন্য একটি কার্যকর পেনশন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন, যা তহবিলের ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালনা করবে।

    গভর্নর আরও বললেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো তুলনা করলে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক অর্থনীতি মূলত বন্ড-নির্ভর, যেখানে প্রায় ১৩০ ট্রিলিয়ন ডলার বন্ড ইস্যু হয়েছে, যা দেশের মোট জিডিপির ১৩০ শতাংশ। বিপরীতে, বাংলাদেশ প্রধানত ব্যাংকনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো পরিচালনা করছে, যেখানে স্টক মার্কেটের পরিমাণ ৯০ ট্রিলিয়ন ডলার ও মানি মার্কেটের আকার মাত্র ৬০ ট্রিলিয়ন ডলার। দেশের বিমা খাতের আকারও খুবই ছোট—জিডিপির মাত্র ০.৪ শতাংশ।

    গভর্নর বলেন, বাংলাদেশের বাজারে বন্ডের চাহিদা ও সরবরাহ উভয়কেই বাড়ানো দরকার। বর্তমানে সরকারি বন্ডের আধিপত্য থাকলেও করপোরেট বন্ডের বাজার খুবই ছোট। তিনি কারো কারো জন্য ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের দিকে ইঙ্গিত করেন, যা করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গভর্নর বলেন, সুকুক বা ইসলামী বন্ডের বাজারও এখনও খুবই ক্ষুদ্র, যেখানে মোট ছয়টি সুকুক ইস্যু হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। তিনি দ্রুত এই বাজার বাড়ানোর জন্য একটি নতুন কৌশল প্রস্তাব করেন। সেটি হলো, যমুনা বা পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্পের টোল আয় বা মেট্রোরেল প্রকল্পের উপার্জিত অর্থকে ‘সিকিউরিটাইজ’ করে বিভিন্ন নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ব্যবহার করা। এর জন্য অর্থ মন্ত্রালয়ে একটি বিশেষ, কার্যকরী বিভাগ গঠন করার পরামর্শ দেন তিনি।

    সেমিনান শেষে গভর্নর জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে বন্ড মার্কেটের উন্নয়নের জন্য একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। খুব শিগগিরই এই প্রতিবেদনে সুপারিশসমূহ সহ বিভিন্ন ধরনের বন্ডের উন্নয়নের দিকনির্দেশনা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।