Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম রেকর্ডের নতুন উচ্চতায়, ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে

    সোনার দাম রেকর্ডের নতুন উচ্চতায়, ভরি ২ লাখ টাকার ওপরে

    দেশের স্বর্ণ বাজারে এক দিনের ব্যবধানে আবারও জোরদার ফেরার খবর জানিয়ে এগিয়ে এসেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫০ টাকা, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এ ঘোষণার ফলে দেশের স্বর্ণ বাজারে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি মূল্য ২ লাখ ৭২৬ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম, যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে শনিবার (অক্টোবর ৪) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ হাজার ১৯৩ টাকা করে বাড়ানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা। স্বর্ণের এই দাম নির্ধারণের সময় সরকার থেকে ভ্যাট হিসেবে ৫ শতাংশ এবং বাজুসের ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার আলাদা হতে পারে। এই পরিস্থিতি আগে জানানো হয়েছিল, যখন গত শনিবার স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে বাজুস। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা। অন্য দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • টানা দুই মাস রপ্তানি কমে যাচ্ছে

    টানা দুই মাস রপ্তানি কমে যাচ্ছে

    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসেই পণ্য রপ্তানিতে কিছুটা হেরফের দেখা গেছে। এ সময় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি করেছিল প্রায় ৩ শতাংশের মতো, তবে তৃতীয় মাসেও একই ধারা বজায় থাকছে। এবার সেপ্টেম্বরে রপ্তানির পরিমাণ আরও কিছুটা কমেছে, যার ফলে রপ্তানি এখন প্রায় ৫ শতাংশের মতো হ্রাস পেয়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এই মাসে রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৭ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৩৬৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের সমান সময়ে ছিল ৩৮০ কোটি ডলার থেকে বেশি।

  • সোনার ভরির দাম দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে গেছে

    সোনার ভরির দাম দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে গেছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ১৯২ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকায়। এটি এখন পর্যন্ত সব থেকে বেশি দাম, যা আগের রেকর্ড অর্থাৎ ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় চলে এসেছিল।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। নতুন দাম রোববার থেকে কার্যকর হবে। এই দাম বৃদ্ধি মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনা বিক্রির দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা।

    এর আগে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপার মূল্য প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ২ হাজার ২২৫ টাকা।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ জনের চাকরি হারালেন কর্মী

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ জনের চাকরি হারালেন কর্মী

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চাকরির নীতিমালা লঙ্ঘন ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসঙ্গে আরও ২০০ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে ব্যাংকের পরিচালনাকারীদের পক্ষ থেকে। এই ছাঁটাই বিভিন্ন দফায় চলছিল, যার ফলে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ২০০ জনসহ মোট ৪০০ জনের চাকরি হারালেন ব্যাংকের কর্মীরা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা এই বিক্ষিপ্ত ছাঁটাইকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি মূলত কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৪১৪ জন কর্মী, যাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাকিদের জন্য আবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, যারা পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তাদেরকে আপাতত ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত) করা হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

    ব্যাংকের সূত্র জানিয়েছে, যারা চাকরি হারিয়েছেন, তারা শুধু অযোগ্যতার জন্য নয় বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার, সহকর্মীদের অংশগ্রহণে বাধা ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

    অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিত করা। এর পেছনে মূল লক্ষ্য হলো ব্যাংকের আভ্যন্তরীণ কর্মপরিবেশ ও কার্যক্রমের মান উন্নত করা, যাতে ব্যাংকের ভবিষ্যত আরও সুসংহত ও স্থিতিশীল হয়।

  • পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

    পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বাইরে পাচার হওয়া এর বড় অংশ আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে তার কাছ থেকে কতোটা অর্থ ফিরিয়ে আনা যাবে, সে বিষয়ে তিনি কোনও নিশ্চিত তথ্য দেননি। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি অপরাধসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নে, পাচার করা অর্থ কি ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব—তা কি কি পর্যায়ে এসেছে, এই প্রশ্নের উত্তরে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, অর্থ পাচারকারীরা এগুলোর জন্য খুবই চমৎকার পরিকল্পনা করে। এগুলো ফিরিয়ে আনতে সময় লেগে যায়, তবে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আশা করি ফেব্রুয়ারির মধ্যে কিছু অংশ নদী হয়ে আসতে পারে। বাকিটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে, আমরা প্রস্তুত থাকছি। তিনি বললেন, এ বিষয়টি কোনো সরকারের পক্ষে এড়ানো সম্ভব নয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, টাকা যদি সেন্ট্রাল ব্যাংক বা সুইস ব্যাংকে দিতে বলা হয়, সেটার জন্য লিগ্যাল রুট অনুসরণ করতে হবে, এটাই স্বাভাবিক।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি, ১১ থেকে ১২টি ক্ষেত্রে খুবই উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। এর বাইরে অন্য শতাধিক ক্ষেত্রে যাদের মানি লন্ডারিং বা পাচারের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়েও নজরদারি চলছে।

    নতুন সরকার কি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা তারা বাধ্য হয়ে করবে। কারণ আমরা যদি বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু রাখি, তাহলে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া এগোবে। না করলে বা প্রক্রিয়াগুলো পালন না করলে, অর্থ ফেরত আসবেনা। এটি আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্র্যাকটিসের অংশ, অন্যথায় কিভাবে সম্ভব?

    অর্থ পরিমাণ নিয়ে প্রশ্নে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কত টাকা ফেরত আসবে, সেটা তিনি বলতে পারবেন না। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকেই এ ব্যাপারে প্রশ্ন করতে হবে।

    এদিকে, এখনো কিছু পাচার কার্যক্রম রয়ে গেছে—তা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাময়িকভাবে আমরা দেখছি, বাংলাদেশ ব্যাংকে কিছু রিপোর্ট আসছে। আমরা অনুভব করছি, কিছু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অ্যাসেট ফ্রিজ বা স্থগিত রাখা হয়েছে। ওখানে টাকা আছে, অ্যাকাউন্ট আছে, পাসপোর্টের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি কাজগুলো সম্পন্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার।

    আরো কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে অভিযোগ থাকলেও, সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রজেক্টের বরাদ্দ ও কাজের ধারা অনেক পুরানো। এই সমস্ত উদ্যোগ চালু থাকলে, এগুলো স্থির থাকলে অর্থ ফেরত আনার সুযোগ বাড়বে।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ১০টি পরিবারের মধ্যে তিনটিরই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও পুষ্টিহীনতায় ভোগার পরিস্থিতি রয়েছে। এর উত্তরে তিনি জানান, কিছুটা পুষ্টি ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও মা-বাবাদের মধ্যে। তিনি বলেন, এর সমাধানে আমরা সব রকম চেষ্টা করছি, ভিজিএফ, স্পেশাল ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে। জেলেদের মাছ ধরা বন্ধের সময় ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তিনি যোগ করেন, আমাদের খাদ্যপণ্য মূলত চালের উপর বেশি নির্ভরশীল,অন্য খাবারও গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ক্রয়ক্ষমতা কম থাকায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আমিষের চাহিদা পুরণের জন্য ডিমের মতো সরবরাহ প্রয়োজন। অনেকেই তা ক্রয় করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করছি।

  • আশঙ্কাজনক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস: ২০২৫ সালে ৪%, ২০২৬ সালে ৫% হতে পারে

    আশঙ্কাজনক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস: ২০২৫ সালে ৪%, ২০২৬ সালে ৫% হতে পারে

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শতকরা ৪ ভাগে পৌঁছাবে। এরপর ২০২৬ সালের অর্থবছর শেষে এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে ৫ শতাংশে দাঁড়াবে। এবারে দেশের অর্থনীতি কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও আসন্ন বছরগুলোতে উন্নতির সামান্য প্রত্যাশা বহন করছে।

    এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, বন্যা, শিল্প শ্রমিকের বিরোধিতা এবং ক্রমাগত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেশের অর্থনীতির গতিকে কিছুটা ঠেকিয়ে রেখেছে। তবে, পোশাক রপ্তানি এখনো স্থিতিশীল থাকলেও প্রবৃদ্ধির এই ধীরগতি চলমান।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) প্রতিবেদনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। তারা জানায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি স্থায়ী করতে হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে হবে এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলকতা বাড়বে।

    এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলছেন, মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও বাস্তবে দেখা যায়নি, তবে ব্যাংকিং খাতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। উচ্চমানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী বছরগুলোতে বাণিজ্য অনিশ্চয়তা, ব্যাংকিং সেক্টরের সমস্যা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যা অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

    আরও জানানো হয়, পাইকারি বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব, বাজার তথ্যের অপ্রতুলতা, সরবরাহ শৃঙ্খলার সমস্যা এবং টাকা মুদ্রার দুর্বলতা থেকে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ অর্থবছরে এই হার ৯.৭৭ শতাংশ ছিল, যা ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়ে হতে পারে ১০ শতাংশ।

    অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য সামান্য জিডিপি উদ্বৃত্তের আশা করা হলেও, এই প্রবণতা কিছুটা অস্থির। ২০২৫ সালে, সামান্য ০.০৩ শতাংশের অর্থবাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকা সম্ভাবনা রয়েছে, যা গত বছরের ১.৫ শতাংশের ঘাটতির তুলনায় কিছুটা উন্নত। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসছে এবং শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এর জন্য ধন্যবাদ।

  • পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে কত পরিমাণ অর্থ ফিরে আসবে, তা এখনো স্পষ্ট বলে কিছু জানানো হয়নি। তিনি বলেন, যারা এই অর্থ পাচার করে থাকেন, তারা এ বিষয়ে খুবই সচেতন এবং কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। অর্থ ফেরত আনার জন্য কিছুসময় প্রয়োজন, তবে ইতিমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আশা করা যায় ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই কিছু টাকা ফিরে আসতে পারে, আর বাকির জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

    সালেহউদ্দিন জানান, এই কৌশল বা প্রক্রিয়া কোনো সরকার এড়াতে পারবে না। তিনি বললেন, যদি আপনি বলেন, ‘টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে বা সুইস ব্যাংকে,’ তাহলে অবশ্যই দেবে না। এজন্য রাষ্ট্রের আইনগত প্রক্রিয়াগুলোর মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরে ১১-১২টির মতো অর্থাভার গোপনে রাখা হয়েছে এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ জাগায় বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে, সেগুলোর ওপর নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

    নতুন সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন বলেন, সরকারের জন্য এই প্রসেসগুলো চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। যদি এগুলো অব্যাহত থাকে, তবে অর্থ ফেরত আসবে। অন্যথায়, এটা সম্ভব নয়। অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে তিনি জানাতে চাননি এবং বলেন, এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেই প্রশ্ন করতে হবে।

    অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য, কিছু অর্থ এখনও পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, কিছুদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবে। বর্তমানে যেসব দেশের অ্যাকাউন্টে এই অর্থ থাকতে পারে, তার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্পষ্ট করেছেন, এই বিষয়গুলো নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

    অর্থ দপ্তরে বরাদ্দের ব্যাপারে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি সত্য নয়, কারণ প্রকল্পগুলো আগেই শুরু হয়েছে। আবার, দেশের অসংখ্য পরিবারের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং পুষ্টিহীনতার বিষয়েও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্যতালিকায় এখনো বেশ কিছু ঘাটতি আছে, বিশেষ করে শিশু ও মা-জনিত পুষ্টির সমস্যায়। আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে, ভিজিএফ ও স্পেশাল ট্র্যাকের মাধ্যমে ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য। জেলেদের জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও তারা ২০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের খাদ্য ব্যবস্থা সাধারণত চালের ওপর বেশি নির্ভরশীল, অন্য বিষয়গুলো প্রয়োজন হলেও আমাদের ক্রয়ক্ষমতা কম; তাই আমিষের দরকার, প্রধানত ডিমের মতো জিনিসের। অনেক মানুষ এখনো এসব ক্রয় করতে পারছেন না।

  • ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনীতি লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এরপর, ২০২৬ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ি ৫ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনও কিছু ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

    সংস্থাটি জানায়, চরম রাজনৈতিক পরিবর্তন, বন্যা, শ্রমিক বিরোধ এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতির গতি ধীরগতির মধ্যে রয়েছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে আসছে। এটি উল্লেখযোগ্য হিসেবে উঠে আসে এডিবির এইসিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে, যা মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়।

    এডিবি বলেছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য। ব্যাংকিং খাতে কিছু দুর্বলতা থাকলেও, মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনগুলোতে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে মূল জন্য। বিশেষ করে, বাণিজ্য অনির্ণয়, ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতা, ও নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অন্যদিকে, এডিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাজারে প্রতিযোগিতা কম হওয়া, বাজার তথ্যের অভাব, সরবরাহ শৃঙ্খলার সমস্যা এবং মুদ্রার দুর্বলতা কারণে মুদ্রাস্ফীতি ২০২৪ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ১০ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। তবে, ২০২৫ সালে সাময়িকভাবে জিডিপি ছোট এক ঊর্ধ্বমুখী উদ্বৃত্তের দিকে থাকবে, যার হার ০ দশমিক ۰৩ শতাংশ। এটি ২০২৪ সালে জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশের ঘাটতি থেকে বেশি। এর পেছনে রয়েছে ভালো রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং শক্তিশালী বাণিজ্য ঘাটতি সংকুচিত হওয়া।

  • সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এই অবস্থা দেশের জুয়ার বাজারে অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিপুল চাহিদা ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে আজকের দিন পর্যন্ত এই মূল্যবৃদ্ধি এলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। ফলে এখন এই মানের সোনার ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা। নতুন দামটি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদিত হয়। চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এর তথ্য জানানো হয়। এর আগে, ২৪ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কিছুটা বেশি ছিল, যেখানে স্বর্ণের এক ভরি (২২ ক্যারেট) ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। তবে তার পরদিন অনেকটাই কমে গিয়েছিল, ফলে সেই রেকর্ড দাম কার্যকর ছিল। কিন্তু আবারও মূল্যক্রমে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে নতুন ডিম্যান্ড সৃষ্টি হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, যা পূর্বের চেয়ে ২ হাজার ৪১৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যাটাগরিতে, ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি now ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, যেখানে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২৯৮ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা, একমাত্রা ১ হাজার ৯৭১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, সনাতন পদ্ধতির (হারামণ) সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    প্রথমে, ২৮ সেপ্টেম্বর, দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমে গিয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের ভরি ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা, যা প্রায় ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমানো হয়েছিল। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম কমানো হয়েছিল। তবে বর্তমানে, আবার দাম বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    অপর দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের জন্য প্রাক্কলিত ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ২২৮ টাকা। এই দামগুলো চলমান থাকায়, বাজারে গ্রাহকদের জন্য মূল্যস্থিরতা নিশ্চিত হচ্ছে।

  • সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন সব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের ২২ ক্যারেট গোল্ড প্রতি ভরি এখন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ২১৯২ টাকা বেশি। এই দামের পরিবর্তন সংক্ষিপ্তসারে দেশের স্বর্ণ বাজারে সবচেয়ে বেশি মূল্য এটি। এর আগে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় বিক্রি হত এই মূল্যবোধ।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এমন ঘোষণা দেন, যা রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বাড়ার প্রভাব রয়েছে বলে জানান।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিষয়টি আগের দামের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, আগে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।