Category: অর্থনীতি

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়ে গেছে, যা নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে চার হাজার ৬১৮ টাকা, এর ফলে এখন দেশের স্বর্ণপণ্যের বাজারে নতুন দামের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    এই দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দর ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়া। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে।

    বাজুসের মতে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এই সর্বোচ্চ দাম দেশের ইতিহাসে নতুন যান। এর পাশাপাশি, রূপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক ভরি রুপার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগে থেকেও বেশি।

    আরো জানা গেছে, অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকার থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা, আগে ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা।

  • মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা উন্নতির পর প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে মূল অর্থনৈতিক সূচকগুলো কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৪.৮ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে, যেখানে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে যাওয়ার কারণে বেসরকারি ভোগে সামান্য বৃদ্ধিও দেখা যেতে পারে। ফলে গত অর্থবছরের তুলনায় এই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করছে সংশ্লিষ্টরা।

    বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়ে ৬.৩ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আজ (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। একই সময়ে, এশিয়ার উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের সঙ্গেও পরিচিতি করানো হয়।

    বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জেন পেসমি, চীফ ইকনোমিস্ট ফ্রানজিসকা লেসলোট ওহসেজ, и নাজসুস সাকিব খানসহ অন্য কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি অর্থবছরে বিনিয়োগের পরিমাণ সামান্য বাড়ার অপেক্ষা রয়েছে, তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এই অগ্রগতি সীমিত করতে পারে। আমদানি স্বাভাবিক হলে চলতি হিসাবের ভারসাম্য কিছুটা ঘাটতির দিকে যেতে পারে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতি এবং রাজস্ব আদায়ের বৃদ্ধির কারণে জিডিপির তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি ৫ শতাংশের নিচে থাকতেও পারে।

    মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে বললে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এটি কিছুটা কমলেও, ২০২৫ সালের আগস্টে সেটি ৮.৩ শতাংশে পৌঁছেছে। খাদ্যমূল্যস্ফীতি ২০২৪ সালের নভেম্বরে ১৩.৮ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালের আগস্টে ৭.৬ শতাংশে নামলেও, এখনও তা মোট প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিনিময় হার স্থির থাকা এবং খাদ্য সরবরাহের পুনরুদ্ধার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়েছে।

    নিম্ন-আয়ের মানুষের জন্য মজুরি বৃদ্ধির হার এখনও মুদ্রাস্ফীতি থেকে বেশি থাকায় কিছুটা হলেও পার্থক্য থাকছে, তবে দারিদ্র্য দ্রুত বাড়ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্য হার দাঁড়াতে পারে ২১.২ শতাংশে, যা ২০২৪ সালের ২০.৫ শতাংশের তুলনায় একটু বেড়ে গেছে। শ্রমশক্তির অংশগ্রহণও কমে গেছে, ২০২৩-২০২৪ সময়কালে তা ৬০.৯ শতাংশ থেকে ৫৮.৯ শতাংশে নেমেছে, মূলত নারীর অংশগ্রহণ হ্রাসের কারণে। এই সময়ে প্রায় ৩০ লাখ শ্রমশক্তি বাইরে রয়েছে, যার মধ্যে নারী এখনো বৈষম্যহীনভাবে কম। মোট কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ২০ লাখে, যার ফলে কর্মসংস্থান-জনসংখ্যার অনুপাত ৫৬.৭ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তার দিক থেকে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এখনো উদ্বেগের কারণ। খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি না হলেও এটি মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে মার্জ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি ব্যাংকের শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য আইনি কাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। অগ্রাধিকার হিসেবে আমানত সুরক্ষা, জরুরি তরলতা এবং সহায়তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া, ২০২৫ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি সামান্য কমে ৪.০ শতাংশে দাঁড়ানো সম্ভব, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪.২ শতাংশ। দুর্বল বিনিয়োগ অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে, ফলে বৃদ্ধির হার কেবল ০.৮ শতাংশের কাছাকাছি। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যবসা খরচের উচ্চতা অব্যাহত থাকায় বেসরকারি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে সরকারি বিনিয়োগও কমে গেছে। অ্যাডিপি বাস্তবায়নেও কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়।

    অবশেষে, প্রতিবেদনে কর-রাজস্ব বৃদ্ধির গুরুত্বের কথাও বলা হয়েছে। দেশের কর-জিডিপি হার দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় নেমে আসছে, যা উন্নয়নের পথে বড় বাঁধা তৈরি করছে। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কর আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

  • সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৩৬ শতাংশে। এর আগে আগস্ট মাসে এটি কিছুটা কমে ৮.২৯ শতাংশ ছিল। এই মাসে দেশের খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবিকার ওপর চাপ বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও দেশের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় সতর্ক সবাই। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সদ্য প্রকাশিত মাসিক ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি ৮.৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এই হার মানে, যদি একটি পণ্যের দাম ১০০ টাকায় চলে, তাহলে এখন সেটি কিনতে হবে ১০৮ টাকা ৩৬ পয়সায়, যা আগের মাসের চেয়ে বেশি।

    মূল্যস্ফীতি সাধারণত এক ধরনের করের মতো, যেখানে জিনিসপত্রের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে এবং মানুষের আয়ের হার না বাড়লে জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে যায়। এর ফলে মানুষকে ধার দেনা করে খেতে হবে, বা খরচ কমিয়ে দিতে হবে খাদ্য, কাপড়-চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাতে। যদি মজুরি বা আয় বৃদ্ধি কম হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে এবং আসলে তাদের বাস্তব আয় কমে যায়।

    গত অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের বেশি, আর এই অর্থবছরের জন্য সরকারি লক্ষ্য রাখা হয়েছে ৬.৫ শতাংশের মধ্যে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিও গ্রহণ করেছে। তবে, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) লক্ষ্য ছিল গড় মূল্যস্ফীতিকে ৬.৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা। কিন্তু এখনো এই লক্ষ্যমাত্রার ওপর থাকায়, তা পুরণ করা কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগস্টে ছিল ৭.৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও বেড়ে ৮.৯৮ শতাংশে গিয়েছে। আগামী দিনে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে, দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ভোগাচ্ছে এমন উদ্বেগ বাড়ছে।

    অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। ভারতের বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ২.০৭ শতাংশ, পাকিস্তানে ৫.৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ১.৫ শতাংশ, নেপালে ১.৬৮ শতাংশ, আফগানিস্তানে ২.২ শতাংশ, মালদ্বীপে ৪.৬ শতাংশ এবং ভূটানে ৩.৬ শতাংশ।

    বিশেষ করে, এই মাসে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি বেড়েছে। গ্রাম এলাকায় গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮.৪৭ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে শহরে তা ৮.২৮ শতাংশ। এডিবি ভবিষ্যদ্বাণী করছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট মূল্যস্ফীতি থাকবে ৮ শতাংশের কাছাকাছি। কিন্তু তারা সতর্ক করে বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এটি হবে উচ্চতম হার।

    সব মিলিয়ে, দক্ষিণ এশীয় অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে, তবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ কিছু দেশে খাদ্য ও জ্বালানি খাতে মূল্যস্ফীতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোর অভিজ্ঞতা shows that কঠোর মুদ্রানীতি, সুষ্ঠু বাজার তদারকি ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিলে মূল্যস্ফীতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

  • স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায়, ভরিতে ২ লাখ টাকার বেশি

    স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায়, ভরিতে ২ লাখ টাকার বেশি

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে, যা শতকরা ভিত্তিতে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি দাম এবার ৩ হাজার ১৫০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে, যা নতুন করে সমন্বয় করা হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। এই মূল্য বৃদ্ধির ফলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ কিমত হিসেবে এটি রেকর্ড হয়েছে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতে প্রকাশিত এই তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য now দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭২৬ টাকা। এর আগে, শনিবার (৪ অক্টোবর) প্রতি ভরি ২ হাজার ১৯৩ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি মূল্য এখন ২ লাখ ৭২৬ টাকা। একই সময়ে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের জন্য নির্ধারিত মূল্য ১ লাক হে ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন প্রথায় প্রাপ্য স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই দাম যে কোনও বিক্রয়মূল্যতে স্বর্ণ বিক্রির সময় সরকারের নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬% ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন এবং মান অনুযায়ী মজুরির তারতম্যও হতে পারে।

    অন্যদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকা।

  • সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, স্বর্ণের ভরি দাম ভরিতে বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, স্বর্ণের ভরি দাম ভরিতে বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারো নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আজ এক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের নতুন স্বর্ণের দামের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বিএজুুস (বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি) জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়েছে।

    বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তখন পারফেক্ট মানের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা এখন নতুন রেকর্ডের জন্য উঠে এসেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সোনার বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী দাম ঠিক করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের জন্য দাম বেড়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭০ টাকা হয়েছে। একইভাবে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এখন ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা।

    উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে স্বর্ণের দাম অনেকটা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ১০ টাকা বাড়িয়ে ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ হাজার ৫৭৮ টাকা বৃদ্ধি পाकर ১৬৪,২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ১৯২ টাকা বাড়িয়ে ১,৩৬৫,৪৪৫ টাকা নির্ধারণ হয়েছিল।

    আরো বিভিন্ন সময় স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ফলে বাজারে অন্য রেকর্ড তৈরি হয়েছে, যার ফলে এখন নতুন দামে পৌঁছেছে।

    অপরদিকে, রুপার দামেও বড় ধরনের বৃদ্ধি এসেছে। বর্তমানে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের ১ ভরি রুপার মূল্য ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, যা আগে ছিল ৪ হাজার ৬৫০ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটে, রুপার দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৩০৩, ২৬৯ এবং ১৯৮ টাকা। গত অক্টোবরের বিভিন্ন সময়ে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে বাজারে এই তারতম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

  • সোনার মূল্য ফের বৃদ্ধি: ভরি ২ লাখ ছাড়ালো

    সোনার মূল্য ফের বৃদ্ধি: ভরি ২ লাখ ছাড়ালো

    দেশের সোনার বাজারে এক দিন আগেই ভরির দাম প্রথমবারের মতো ২ লাখ টাকার নিচে নামলে আবার এক দিনের মধ্যে দাম মন্থরভাবে বাড়তে শুরু করেছে। সর্বোচ্চ মানের সোনার দাম এবার ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকায় পৌঁছেছে।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় যে, সোনার দাম আবারও বেড়ে গেছে। এর ফলে, গত চার দিনে ভরিপ্রতি সোনার মূল্য ৬ হাজার ৮৬৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নতুন দাম আজ বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    এ দিকে, জুয়েলার্স সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দাম বৃদ্ধির পর থেকে আগামীকাল থেকে দেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের সোনা কিনতে হলে খরচ হবে নিম্নরূপ: মানের সূচক অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের (হলমার্ক করা) এক ভরি সোনা কিনতে লাগবে ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের সোনা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকায় বিক্রি হবে।

    এর আগে, আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত, বিক্রির সময় দেশের বাজারে ভরি প্রতি সোনার দাম ছিল: ২২ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা।

    বাজারে আজ থেকে, ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৪৬৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২০২ টাকা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ২৭ টাকা বাড়বে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বৃদ্ধির দেখা মিলেছে। এবার এক ভরি রুপার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৬ টাকা। অন্যদিকে, মানের রুপা হিসেবে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য হয়েছে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।

    অতএব, ভরিতে ২১ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৯৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৬৩০ টাকা।

  • সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

    সেপ্টেম্বরে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া Light , যেখানে এই হার ছিল আগের মাস আগস্টে ৮.২৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সোমবার প্রকাশিত মাসিক ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ মাসে দুটোই অর্থাৎ খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ও সরকারের নানা উদ্যোগের পরও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টাগুলো অকার্যকর साबित হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

    সিপিআই অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। এর অর্থ, যা পণ্য একবছর আগে যদি ১০০ টাকায় কেনা হতো, তাহলে এখন তা কিনতে গিয়ে লাগছে ১০৮ টাকা ৩৬ পয়সা। এই বৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় বেশিই।

    মূল্যস্ফীতি একটি অর্থনৈতিক করের মতো, যা সাধারণ মানুষের জন্য 부담ের কারণ। ধরা যাক, একজনের মাসিক আয় যদি পুরোপুরি খরচ হয়ে যায় এবং জিনিসপত্রের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়, তবে তাকে ধারদেনা করতে হয় বা খরচ কমাতে হয়। এতে করে জীবনযাত্রার মান কমে যায়। মূল আয়ে যদি মজুরি বা আয় বাড়ে না, তবে সাধারণ মানুষের জীবন আরও কষ্টদায়ক হয়ে উঠে।

    অর্থ বছর ২০২৩-২৪ এর গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের বেশি। চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারের লক্ষ্য হলো এই হার ৬.৫ শতাংশের মধ্যে রাখা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্যপণ্য ও সেবা সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। খাদ্যবইভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৭.৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাস আগস্টেও ছিল প্রায় একই। পাশাপাশি, খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগস্টে ছিল ৮.৯ শতাংশ।

    বাংলাদেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে এবং এটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্য দেশগুলোর মধ্যে ভারত ২.০৭%, পাকিস্তান ৫.৬%, শ্রীলঙ্কা ১.৫%, নেপাল ১.৬৮%, আফগানিস্তান ২.২%, মালদ্বীপ ৪.৬% এবং ভূটান ৩.৬% হারে মূল্যস্ফীতি নিয়ে এগোচ্ছে।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় গ্রামে জীবনযাত্রার খরচ বেশি। এ মাসে গ্রামাঞ্চলে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৭% এ দাঁড়িয়েছে, যা শহরে ৮.২৮ শতাংশ।

    এডিবি (আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক) পূর্বাভাস দিয়েছে, চলমান অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে এটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ হার হবে বলে সতর্ক করেছে।

    সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছে। তবে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ কিছু দেশ এখনও খাদ্য ও জ্বালানি খাতে মূল্যস্ফীতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে, ভারতে ও শ্রীলঙ্কায় দৃঢ় মুদ্রানীতি ও কার্যকর বাজার তদারকির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।

  • সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ টাকার বেশি

    সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ টাকার বেশি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য উর্ধ্বমুখী হয়েই চলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও স্বর্ণের দাম ঝাঁকুনি খেয়েছে। সোমবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

  • সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এক দিনেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) মূল্য বিশ্ববাজারের পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এর ফলে এক ভরি স্বর্ণের দাম আগের চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সঙ্গে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জন্য নতুন মূল্য কার্যকর হবে আজ বৃহস্পতিবার। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদন করে, যেখানে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

    এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা ছিল, যা এখন আরেক ধাপ উঁচুতে উঠে গেল। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম আরও ৬ হাজার ৯০৫ টাকা করে বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা এলো। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৬৫৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ хувের অসামান্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৫৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্যও ৪৮২৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    আগের দিন, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম বেশ কিছু ক্যাটেগরিতে আরও বেড়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২৫৭৮ টাকায় উঠেছিল। পাশাপাশি সনাতনী পদ্ধতির দামের বৃদ্ধি ছিল ২ হাজার ১৯২ টাকা।

    এদিকে, রুপার দামে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। করোনাকালীন সময়ের প্রচলিত দামের তুলনায় আজ অনেক বেশি। স্বর্ণের মতো রুপার দামও বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১২ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা আগের তুলনায় considerably বেশি। অন্য ক্যাটেগরির ক্ষেত্রে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৯৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৩৯ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৮০২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৬৩০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এভাবে নিয়মিত দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দেশের মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজার মূল্য ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, যা কাতর দামে স্বর্ণার ও রুপার চাহিদাকে আরও জোরদার করছে।

  • সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    দেশের বাজারে সোনার দাম প্রথমবারের মতো ভরিতে ২ লাখ টাকার নিচে নামলেও তেমন ছাড় থাকেনি। এক দিনের মধ্যে আবার দাম বৃদ্ধি পেয়ে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকায় পৌঁছেছে। এটি ছিল গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর ঘোষণা অনুযায়ী। এতে গত চার দিনেই ভরি অনুযায়ী সোনার দাম মোট ৬ হাজার ৮৪৮ টাকা বেড়েছে। নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের তথ্যমতে, দাম বাড়ার এই প্রভাবে দেশের বাজারে আজ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ভরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের সোনার সর্বোচ্চ দাম ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকায়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম আরও ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ভরি ২১ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৩৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ২০২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ২৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেরও সাম্প্রতিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এখন এক ভরি রুপার সর্বোচ্চ বিক্রির মূল্য ১ হাজার ২৬ টাকা। পাশাপাশি, বিশেষ মানের ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ২ হাজার ৮৫৮ টাকা। এভাবে প্রতি ভরিতে ২১ ক্যারেট রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৪০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ৬৩০ টাকা।