Category: সারাদেশ

  • দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে

    দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে

    দিঘলিয়ার আলহাজ্ব মদিয়া স্বাধীন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ১৬ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল; মাদক ছেড়ে খেলাধুলায় নিজের শক্তি ও মনোবল গড়ে তুলো। মূল বার্তা হলো, তরুণ সমাজকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, দিঘলিয়ার মাঠগুলো উন্নত হলে এখানকার তরুণরা দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরে। শুক্রবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে দিঘলিয়াকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলা হবে, যেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে থাকবে ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সুযোগ। আজিজুল বারী হেলাল জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের তরুণরা যদি খেলাধুলায় যুক্ত হয়, তাহলে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা শক্তভাবে লড়াই করে উঠতে পারবে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, দিঘলিয়ার মাঠ ও ক্লাবগুলোকে নতুনভাবে গড়ে তুলবেন তাঁরা। তিনি জানিয়ে দেন, দিঘলিয়ার হাজীগ্রাম মিনি স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে। বিএনপি খেলাধুলা ও ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি স্মরণ করেন, দিঘলিয়া ওয়াইএমএ ক্লাব একসময় খুলনার প্রথম বিভাগ ফুটবলে পরিচিত দল ছিল। এখানকার ক্রীড়াবিদরা জাতীয় পর্যায়ে দেশের সুনাম কুড়িয়েছেন। তারাই আবার সেই গৌরব ফিরে পাবে, বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যুব সমাজের হাত ধরে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় হাজীগ্রাম একাদশ ট্রাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে পানিগাতী একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি আজিজুল বারী হেলাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রকিব মল্লিক, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা ও অন্যান্য। সভাপতিত্ব করেন হাজীগ্রাম ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস এম মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান শেখ। მათের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন পর্যায়ক্রমে শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, শেখ মোসলেম উদ্দিন, খন্দকার ফারুক হোসেন, মোল্লা বেলাল হোসেন, বাদশা গাজী, কুদরত-ই-এলাহী স্পিকার, আবুল কালাম আজাদ, জিয়াউর রহমান, আব্দুল কাদের জনি, গাজী মনিরুল ইসলাম। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের উপচেপড়া আগ্রহে এই ফাইনাল খেলাটি উপভোগ করা হয়।

  • দেশ থেকে দেড় যুগে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার: অ্যাটর্নি জেনারেল

    দেশ থেকে দেড় যুগে ২৪০ বিলিয়ন ডলার পাচার: অ্যাটর্নি জেনারেল

    অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত এক দশকের বেশি সময়ে দেশে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচার হয়েছে। এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে খবর বেরিয়েছে। তিনি শুক্রবার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জিয়া সাইবার ফোর্সের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরেন।

    প্রধান আলোচক বলেন, “৮০-এর দশক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশের বিপুল অর্থ বাইরে চলে গেছে, যার পরিমাণ প্রায় ২৪০ বিলিয়ন ডলার। এ মানে, প্রতি বছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বা দেশের মোট অর্থের ২১ লাখ কোটি টাকার সামান্য একটু বেশি। দেশের এক বছরের বাজেটের পরিমাণ প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা, আর এই অঙ্কের তুলনায় তিন বছরের বাজেটের সমান অর্থ লুটপাটের শিকার হয়েছে।”

    আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “এই লুটেরা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে শান্তিতে বসবাস করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের বিরুদ্ধে যারা অর্থ লুট করছে, তারা সবাই এই লুটেরাদের কথা জানে। সাইবার ফোর্স এই লুটেরাদের চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে তথ্যবহুল রিপোর্ট দিচ্ছে, যাতে জনগণ জানতে পারে কে আসল দোষী।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ লুটপাটের পক্ষে নয়। তারা লুটের বিরুদ্ধে, হত্যা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। এই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য জিয়া সাইবার ফোর্সের মতো সংগঠন তৈরি হয়েছে, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে।”

    উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা সমন্বয়ক মাহাবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, পৌর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বাবলু।

  • আনসার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও বরখাস্ত

    আনসার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও বরখাস্ত

    বেনাপোল স্থলবন্দরে অবৈধ পণ্যচালান পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে আনসারের দুই প্লাটুন কমান্ডার অব্যাহতি পেয়েছেন এবং বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরভেড় বাইপাস সড়কের ট্রাক টার্মিনালের সামনে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ঢাকা মেট্রো ট-২২-৭৫৬৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে অবৈধ পণ্যচালান আটক করে। এর পর ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যানেপোলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে উঠে আসে, ওই দিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনালের ৯, ১০, ১১ নম্বর গেট ও ছোট আচড়া মোড়ে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা অবৈধ পণ্যচালানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ দলের মধ্যে নাজমুল হক, কৃষ্ণ কুমার দাস, আনন্দ কুমার দাস ও মোঃ রাসেল শেখ ছিলেন। এছাড়াও, বন্দরের আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার অসিত কুমার বিশ্বাস ও ইয়ামিন কবিরের নাম ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্তের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব আনসার সদস্যের অবিলম্বে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ১৫ অক্টোবর থেকে তাদের বায়োমেট্রিক হাজিরাও স্থগিত করা হয়েছে।

    মাঝে, বেনাপোলের বেসরকারি নিরাপত্তা কোম্পানি আল আরাফাত সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল আমিন সিকদার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এর ফলে, কর্তৃপক্ষ তাকে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বরখাস্ত করে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপ-সচিব) শামীম হোসেন রেজা নিশ্চিত করে বলেন, ‘যাতে কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তি গোষ্ঠী সন্দেহের আওতায় আর বন্দরে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে বন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও কঠোর নজরদারি ও নজরদারি জোরদার করা হবে।

  • নগরীতে যুবকের উপর হামলা, স্ত্রী ও সন্তানের সামনে গুলি চালানো

    নগরীতে যুবকের উপর হামলা, স্ত্রী ও সন্তানের সামনে গুলি চালানো

    নগরীর কাস্টমস ঘাট এলাকায় শুক্রবার দুপুরে এক যুবকের জীবন ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। সোহেল নামের ওই যুবক his স্ত্রী টুম্পা বেগম ও সন্তান তাসকিনের সঙ্গে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনটি মোটরসাইকেলে করে এসে ছয় দুর্বৃত্ত ওই পরিবারের কাছে পৌঁছে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ঘরে প্রবেশ করে সোহেলের দিকে গুলি চালায়। বিশেষ করে এক গুলি তার চোখের নিচে বিদ্ধ হয়, যার ফলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। চিৎকার শুনে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

    সোহেল বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মিশনবাড়ীয়া গ্রামের স্বপন শিকদারের ছেলে। এর আগে, ৩ আগস্টও একই স্থানে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল, তখনও তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসা নেন। পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সোহেলের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা, একটি মাদক মামলা এবং একটি নারী নির্যাতনের মামলাও রয়েছে। তবে তিনি আগেও জামিনে ছিলেন।

    উপ-পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি মাদক মামলা নিয়ে তার সঙ্গে বিরোধ ছিল। তার উপর হামলার পেছনে মাদক বিরোধী শত্রুতা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে এর আগে গ্রেফতারও হয়েছিল। এখন অতি দ্রুত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও আটক করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর কাস্টমস ঘাট এলাকায় ইমরান মুন্সিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই মাসে নগরীতে চারটি খুনের ঘটনা ঘটেছে, যা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে সমাজে।

  • রাজনৈতিক সহযোদ্ধার শূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবে না

    রাজনৈতিক সহযোদ্ধার শূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবে না

    জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপি বিভাগের সবস্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর সীমাহীন নির্যাতন চালানো হয়েছে। হামলা, মামলা, খুন, গুমের মতো সহিংসতার পাশাপাশি পুলিশি হয়রানীতে অনেককে ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজন থেকে একান্তে থাকা পর্যন্ত করতে হয়েছে বছরের পর বছর। তবুও কেউ যেন জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাসী থেকে পিছপা হননি। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরা ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। তিনি আমৃত্যু জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তার মতো রাজনৈতিক সহযোদ্ধারShূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবার নয়। তবে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি তেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে হাজারো নেতা-কর্মীর আত্মার শান্তি ফিরবে। তাদের এই চিরস্মরণীয় সংগ্রামের স্বার্থকতার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীদের জয় করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকার। যার যোগ্যতা ও ক্ষমতা আছে, তার প্রতি ভোট দিতে হবে। আর যারা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি, তাদের জবাবদিহি করতে হবে না, এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। এক পর্যায়ে একটি চক্র ষড়যন্ত্র চালিয়ে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে, যাতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হয়। এ ষড়যন্ত্র মোকাবিলার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতেই হবে। মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বোঝাতে হবে, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের জন্য বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যক্তির প্রচার-প্রচারণার পরিবর্তে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের পক্ষ থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিষয়টি তুলে ধরতে হবে।

    প্রবন্ধে আরও বলা হয়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনুর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও যুগ্ম-আহবায়ক তৈয়েবুর রহমান। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, আনোয়ার হোসেন আনো, মোঃ আবুল কাশেম, হুমায়ুন কবির রুবেল, মোঃ রফিকুল ইসলাম, এমডি আনিসুর রহমান, লিটন মোল্লা, মাহাবুর রহমান নান্টু, পিন্টু জোমাদ্দার, মোঃ রুবেল, মেহেদী হাসান বাবু, হাফিজুর রহমান, কামাল ব্যাপারী, সালমা হায়দার সেলিম, মোল্লা জাহিদুর রহমান, কামরুল ইসলাম ভুট্টো, আরমান হোসেন শিকদার, নয়ন মোড়ল, আলী পাকবাজ জুয়েল, মোঃ মাসুদ হোসেন, অমল মন্ডল, মাহিনুর রহমান, আবু তাহের মাতব্বর, মোঃ রয়েল, মোঃ শামিম সরদার, জিএম হারুন অর রশীদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবুল কাদের জনি, ব্রজন ঢালী, আবু তাহের, শাহাবুদ্দিন, যোগেশ্বর সানা কার্তিক, নিয়াম মল্লিক, আজাদ, সাঈদ ও হাবিব প্রমুখ।

    অবশেষে উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর কয়রায় যুব সমাবেশে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের হীরা পাইকগাছায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে দলটি।

  • দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

    দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

    গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভোটের মাঠে মহানগর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সবাইকে একত্রে, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, নানা ইস্যুতে আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দলীয় ঐক্যই আমাদের শক্তির মূল কেন্দ্র। ভিন্নমত থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। বিএনপি হচ্ছে সাধারণ মানুষের দল—এ দল কখনোই ব্যক্তিপরস্ত স্বার্থে আঘাত হানবে না। ধানের শীষ প্রতীক শুধু একটি রাজনৈতিক চিহ্ন নয়, এটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমাদের সবার জন্য বাধ্যতামূলক। যে প্রার্থী দল মনোনীত করবে, তার পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সংগঠনিক সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় সভাটি সড়ক সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেউই দলের নামোতেষ স্লোগান দেবে না—আমরা সবাই ধানের শীষের কর্মী। দলীয় আলোচনা ব্যক্তিপূজা ভিত্তিক নয়, বরং নীতির উপর ভিত্তি করে রাজনীতি করতে হবে। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ। বিএনপি’র শীর্ষ মহল মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কোনও নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পেলে প্রতিটি ক্ষেত্রে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করে দেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার, গুজব ছড়িয়ে বা দলীয় ঐক্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “দল ও নেতৃত্বকে সম্মান না করতে পারলে কেউ বিএনপি’র কর্মী হতে পারে না,” এই কথা তিনি বলেন। এখন সময় মাঠে নামার। ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছে তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সালাম পৌঁছাতে হবে। তাঁদের নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, ভোটের মাঠে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একযোগে কাজ করতে হবে। এমন একটি গোষ্ঠি রয়েছে যারা নির্বাচনের বিলম্ব করতে চায় বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে দিতে চায়, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকাটা জরুরি। দেশের জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে হবে বিএনপিকে। বাংলাদেশের মানুষ অবিরত তাদের নির্যাতন ও জুলুমের জবাব দিতে চাই Voting মাধ্যমে। ভোটের মাধ্যমেই ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব—এ বিশ্বাস দৃঢ়। তাই দলের প্রতিটি কর্মীকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান তিনি। বিভেদ নয়, ঐক্যই আমাদের বিজয়ের মূল চাবিকাঠি। মহানগর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “চলুন, সবাই মিলে দলের পতাকা উঁচু রাখি। ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের আস্থা অর্জন করি। ধানের শীষের বিজয় দিয়ে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

    সভায় বক্তৃতা করেন নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক রেহানা ঈসা, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবীর, সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, খালিশপুর থানা সভাপতি এড. শেখ মোহাম্মাদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, দৌলতপুর থানার সভাপতি মুরশিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, খানজাহান আলী থানার সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংবাদিকরা মিজানুর রহমান মিলটন, রকিবুল ইসলাম মতি, আতিয়ার পারভেজ, যুবদলের আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, মহিলা দলের সৈয়দা রেহানা ঈসা, এড. হালিমা আক্তার খানম, আজিজা খানম এলিজা, শ্রমিকদলের মজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, দ্বীন মোহাম্মাদ, আলমগীর হোসেন, কৃষকদলের আক্তারুজ্জামান সজিব তালুকদার, জাসাসের ইঞ্জি. নুর ইসলাম বাচ্চু, একেএম জলিল, ওলামা দলের মাওলানা আবু নাঈম, হাফেজ আল আমিন, ছাত্রদলের মাজহারুল ইসলাম রাসেল, সৈয়দ ইমরান, আরিফুর রহমান আরিফ, শাকিল আহমেদ, মাহিমুল হক মাহিম, শেখ ইউসুফ, সিয়াম, বিপ্লব ও ফয়সাল সহ অনেক নেতাকর্মী।

  • খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় এবার খুলনা বিভাগের মোট ২০টি কলেজের শিক্ষার্থীরা পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল সাতটি। এছাড়াও, শতভাগ পাসের তালিকায় ছিল ১৩টি প্রতিষ্ঠান, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫টিতে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের এই ২০টি কলেজের মধ্যে ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ থেকে ১ জন, খুলনা হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে ১ জন, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ জন এবং তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কেবল তারাও কেউ পাস করতে পারেনি।

    অপরদিকে, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ জন, মাগুরার বোজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ থেকে ৮ জন, রাউতড়া হৃদয়নাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন, মোহাম্মদপুরের কাইনেরগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে ৯ জন, বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১১ জন, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের শিংজর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরার আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ থেকে ৯ জন, সাতক্ষীরার কমার্স কলেজ থেকে ২ জন এবং কুষ্টিয়ার আলহাজ্ব আব্দুল গনি কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।

    এছাড়া, যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া হিজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস কলেজ থেকে ৭ জন, চৌগাছার মারুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ জন, অভয়নগরের শ্রীধারপুর ইউনিয়ন কলেজ, কেশবপুরের বুরুলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন এবং ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার পরও সবাই অযোগ্য ঘোষণা পান।

    প্রফেসর আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, শূন্য পাস হওয়া কলেজগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • খুলনায় এবারও আলিম পরীক্ষায় শীর্ষে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা জিপিএ-৫

    খুলনায় এবারও আলিম পরীক্ষায় শীর্ষে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা জিপিএ-৫

    দেশব্যাপী এবার আলিম পরীক্ষার ফলাফলে কিছুটা হতাশাজনক পরিস্থিতি দেখা গেলেও খুলনাস্থ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। অধিকাংশ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উর্ত্তীর্ণ হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান সূচক অনুযায়ী বিশেষ সফলতা অর্জন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা, যেখানে আবারও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির মাধ্যমে শীর্ষস্থান দখল করেছে। মহানগরীর ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই মাদ্রাসাটিই সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে, যেখানে ৫৩ জন শিক্ষার্থী এই সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেছে।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নগরীর এগারো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়াতে মোট ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে সবাই পাস করেছেন। এর মধ্যে ৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। পাশাপাশি তালিমুল মিল্লাত (রহঃ) ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, এদের মধ্যে ৩৮ জন পাস করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। মোহাম্মদ নগর মহিলা কামিল মাদ্রাসায় ৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছেন এবং ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও অর্জন উল্লেখযোগ্য।

    উল্লেখ্য, দেয়াড়া যুগিহাটী আলিম মাদ্রাসা থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, যাদের আটজন পাস করেছেন। পাশের হার ৮८.৮৯ শতাংশ। আটলিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় ১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন এবং ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন, যা পাশের হার ৮৫.৭১ শতাংশ। খুলনা আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসায় মোট ৮০ জন অংশ নিয়ে ৭৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং ৮৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন, পাশের হার ৯৫ শতাংশ।

    অন্যদিকে, খান-এ সবুর মহিলা ফাজিল মাদ্রাসায় ৫০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪৭ জন পাস করেছে, এর মধ্যে ১১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। ধর্ষনের হার ৯৪ শতাংশ। খুলনা নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসায় ১৮ জন অংশ নিয়ে ১৭ জন পাশ করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এর পাশের হার ৯৪.৪৪ শতাংশ। রূপসা দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসায় ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৪ জন পাস করেছেন, পাশের হার ৭০ শতাংশ। শেষদিকে, ফুলবাড়ি আলম মাদ্রাসায় ১৯ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৮ জন উত্তীর্ণ হন, পাশের হার ৯৪.৭৪ শতাংশ।

    দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী বলেন, ‘এবছর সারাদেশে মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক হলেও খুলনাস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে পুনরায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির মাধ্যমে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ফলাফলের জন্য আমি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের প্রকাশ্য কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করছি।’

  • ক্ষমতায় এলে বটিয়াঘাটা-দাকোপের কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন হবে

    ক্ষমতায় এলে বটিয়াঘাটা-দাকোপের কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন হবে

    খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিকু, যিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের বিএনপি’র মনোনয়নপ্রার্থী ও জেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক আমীর এজাজ খান। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন। মিছিলে তারা আমীর এজাজ খানের মনোনয়ন ও সাফল্য জন্য শুভকামনা জানিয়ে নানা স্লোগান দেন। বটিয়াঘাটা উপজেলাসহ পাশের এলাকার নারী-পুরুষেরাও একত্রিত হয়ে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

    বিকেল সাড়ে ৪টায় বিপুল সংখ্যক সমর্থক নিয়ে প্রধান অতিথি আমীর এজাজ খান সভাস্থলে প্রবেশ করেন, তখন হাজারো মানুষ দলীয় সংগীত ও ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি গত ৪০ বছর ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করে আসছি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর এই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কিছুটা ভীত হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু এখন বলছি, আপনাদের কোনো ভয় করার প্রয়োজন নেই। বিএনপির কাছে নিরাপদ হয়ে আছেন আপনি। যদি এবার মনোনয়ন পেয়ে ভোটে জয়ী হই, তাহলে এই অঞ্চলের শিক্ষকদের সমস্যা সমাধান, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন, নতুন শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা, নদী খনন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করব বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

    তিনি আরও বলেন, এই এলাকাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে উন্নীত করা হবে। চালনা বটিয়াঘাটা ফেরী মার্কেটের বদলে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দেওয়া হবে, যাতে এখানকার ফল, সবজি ও ফসল দ্রুত বিক্রি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত পাঠানো সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, জামায়াত জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা বলে দেয়, ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাওয়া যাবে—এমন মিথ্যা কথা প্রচার করছে। তারা রোজা ও পবিত্র পূজা সম্পর্কেও অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    অতীতের বহুল পরিচিত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এই জনসভায়, যেমন দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক আশীষ কুমার সাহা, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক খায়রুল ইসলাম খান জনি, সাবেক সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, চালনা পৌর বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মোজাফ্ফর হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে খুলনায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও নৌবাহিনী। এই চক্রটি চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত। বুধবার রাত ১১টার দিকে নগরীর খুলনা হোটেল, ধানসিঁড়ি হোটেল ও সোসাইটির হোটেলে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে গ্রেফতার করা হয় কুষ্টিয়ার আশিকুর রহমান (৩৬) ও বশির উদ্দিন (৩৮) নামে দুই প্রতারককে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ভুয়া প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র, স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও অন্যান্য নথিপত্র জব্দ করা হয়। এই কক্ষটি ছিল প্রতারকচক্রের অফিস কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত। এ সময় আরও ১৬ জন চাকরি প্রার্থীকেও উদ্ধার করা হয় যারা এই প্রতারকচক্রের শিকার। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, প্রতারকরা ১০-১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা হিসেবে নি:সন্দেহে গ্রহণ করে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়। তারা তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প সংগ্রহ করত। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তরপত্র সরবরাহ করত ভুয়াভাবে। পরে ধরা পড়ে, এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থ লুট করছে। পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।