Category: সারাদেশ

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা ও আইনি শৃঙ্খলার পরিকল্পনা সভা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা ও আইনি শৃঙ্খলার পরিকল্পনা সভা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে জানুয়ারি ও ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদে ট্রান্জেকশন সম্পন্ন করতে এসব পরীক্ষায় নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক সমন্বয়ের জন্য বুধবার বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উক্ত সভায় উপাচার্য বলেন, খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী, জগন্নাথ ও কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে খুলনায় ব্যাপক লোকসমাগম হবে। পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে হলগুলোতে পৌঁছাতে ট্রাফিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, এই সময়টি অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক। তাই, নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিত ও সাবলীল কাজ করতে নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ করে গল্লামারী ব্রিজ এলাকাসহ ক্যাম্পাসের আশপাশে যানজট কমাতে এবং পরীক্ষার্থীরা সময়মতো পৌঁছাতে মনোযোগী হতে বলা হয়। উপাচার্য উল্লেখ করেন, এর পূর্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সফলভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি, এবারও সব সংস্থা একত্রে কাজ চালিয়ে যাবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই জোরদার করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সভায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গসহ রেজিস্ট্রার (অবঃ) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, পরিবহন প্রকল্পের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ পুলিশের এসপি মোঃ সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, র‌্যাব-৬ এর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কেএমপি’র এডিসি (ট্রাফিক) মোঃ ছয়রু্দ্দীন আহমেদ ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এই সভার মাধ্যমে ভর্তির সকল প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • আদালতের জমি উদ্ধার, একদিনের মধ্যেই প্রভাবশালীরা দখলে নিলো জমি

    আদালতের জমি উদ্ধার, একদিনের মধ্যেই প্রভাবশালীরা দখলে নিলো জমি

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামে আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে চলমান আইনি লড়াই শেষে জমি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় এক আত্মীয়ের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জমির মালিক মোঃ আশরাব আলী মীর (৬৭) এই ঘটনার বিস্তারিত বিবৃত করেন।

    আশরাব আলী মীর বলেন, ২০০০ সালের ১১ জুন তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ১৩06 নং দলিলে ২৪০০ বর্গফুট জমি ক্রয় করেন। এরপর কয়েক বছর শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির নেতৃত্বে তাদের দখলদাররা জোরপূর্বক তার জমি ও অবকাঠামো দখল করে নেয়। ২০০৩ সালে তিনি আদালতে মামলার মাধ্যমে এই দখল মুক্ত করার জন্য মামলা করেন। আদালত তার পক্ষে রায় দেন ও ২০০৮ সালে আপিল না মঞ্জুর হয়। ২০০৯ সালে তিনি আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি ফের জয়ী হন। এরপর বিভিন্ন আদালত থেকে ডিগ্রি ও অন্যান্য সিদ্ধান্তে জমির মালিকানা হেফাজত হয়।

    সব কিছু শেষে, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে ঢোল পিটিয়ে, লাল কাপড় টানিয়ে ইউএনও, ওসি ও বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ওই জমি ও ভবনের সমস্ত তালায় সিলমোহর দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরই প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই নির্দেশ অমান্য করে ঘরগুলো আবার দখল করে নেয়। ভয়ে আশরাব আলী তার পরিবারসহ পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং জীবন নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের সাহায্য কামনা করছেন। তিনি জানান, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যে আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধ দখলদারিত্ব চালাচ্ছে, তাদের বিচার হোক।

    প্রভাবশালী মোঃ বাদশা আলমের বক্তব্য, তিনি ২০০২ সাল থেকে ওই জমিতে বসবাস করছেন এবং কাউকে তার ঘরে তালা মারেনি বলেও দাবি করেন।

    আদালতের আইনজীবি গোলাম মর্তুজা মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ৩০ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে আশরাব আলী মীরের জন্য তালা ও চাবি প্রদান করা হয়েছিল। তিনি শোনাQuality, প্রভাবশালীরা ওই নির্দেশ অমান্য করে ফের দখল নিয়েছে বলে জানা যায়।

    অবশেষে চিতলমারী থানার ওসি রোকেয়া খানম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে আমরা সেখানে পুলিশের ফোর্স পাঠিয়েছিলাম। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ এলে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকারীর প্রতীক

    খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকারীর প্রতীক

    গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি আঘাত হানার যারা চেষ্টা করবে, তাদের জনগণই কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-2 আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের আগে দেশের জনগণকে আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হয়েছে, রক্ত দিতে হয়েছে, শহীদ হতে হয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হয়েছে। এখন আমরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি, কিন্তু তা প্রয়োগ করার সুযোগ পাইনি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার প্রকৃত প্রতীক হলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দেশের মানুষের ঐক্যেরও প্রতীক। বর্তমানে তিনি অসুস্থ, মহান রাব্বুল আলামিন যেন তার দ্রুত সুস্থতা করে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।

    বুধবার বাদ জোহর রায়েরমহল বিএনপি কার্যালয়ে ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে এই কথা বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এদিন বিকেল ৪টায় ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। একই সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় বিকে স্কুল প্রাঙ্গণে ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে রফিকুল ইসলাম বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাদ মাগরিব ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে মনোজ্ঞ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন মেজবাহ উদ্দিন মিজু। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ জাহিদুল হক।

    এছাড়া, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনির, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহিবুজ্জামান কচি, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদিকুর রহমান সবুজ, গিয়াসউদ্দিন বনি, নিয়াজ আহমেদ তুহিনসহ অনেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এ সব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন আরো অনেক বিশিষ্ট নেতা-কর্মী, যারা দেশের গণতন্ত্র ও দলের জন্য বুক চিতিয়ে কাজ করছেন।

  • বাগেরহাটে অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার দোকান পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাটে অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার দোকান পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাটে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের ফলে একটি ফার্নিচার দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) ভোররাতে বাগেরহাট শহরের এলজিইডি মোড় এলাকায়, where আব্দুল কাইয়ুমের দোকানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর ফলে দোকানে থাকা মালামাল ও বিভিন্ন ধরনের মেশিনপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী মো. রানা জানান, তার বাড়ি দোকানের বিপরীতে। ভোরের দিকে হঠাৎ চিৎকার চেচামেচিতে তার ঘুম ভেঙে যায়। তিনি দেখেন, দোকানটি জ্বলছে। তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা কিছু করতে পারেননি। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলে বড় রকমের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

    দোকানদার আবদুল কাইয়ুম বলেন, তার দোকানে নয়টি বিভিন্ন মেশিন ছিল, যার মধ্যে চারকুলার, ড্রাই মেশিন, কুল মেশিনসহ অন্যান্য সরঞ্জাম। সেই সঙ্গে দুটি খাট এবং পাঁচটি দরজা, যা এই সপ্তাহে ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত ছিল। সবকিছু প্রস্তুত থাকলেও দুঃখের বিষয়, আগুন সবকিছু ধ্বংস করে দিয়ে যায়। তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তার পরিবারের পাঁচ সদস্যের সংসার এই দোকান দিয়েই চলত, এখন তিনি পুরোপুরি পথে বসেছেন।

    ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। একযোগে কাজ করে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ জানানো হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ টাকার আশেপাশে।

  • খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সকল কর্মসূচি স্থগিত

    খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সকল কর্মসূচি স্থগিত

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি বর্তমানে সংকটাপন্ন বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তিনি এখন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনা কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন আছেন। এই অবস্থায় তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সরব হয়েছেন নেতাকর্মীরা। খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, খালেদা জিয়া সব শঙ্কা কাটিয়ে আবার হাসি মুখে ফিরবেন। তিনি সবাইকে দোয়া ও prayers এর আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এর ফলে বর্তমানে তার পক্ষ থেকে সকল নির্বাচনী কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে, যেন তার এই সময়টা পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারেন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

  • খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ

    সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও গণতন্ত্রের কঠোর রক্ষক বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ এবং জীবন-মরণসংকটের মুখোমুখি হওয়ায়, খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী প্রচারণা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    অতীতের মতোই, আজ রোববার থেকে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, থানাসহ ইউনিয়ন এলাকাগুলোতেও খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা কার্যক্রম আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয়ে—মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডায় এই দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। নগরী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে।

    এ তথ্য নিশ্চিত করে মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে ফিরে এলে নির্বাচনী কার্যক্রম আবার শুরু করা হবে।

  • খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

    খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

    খুলনায় হাইওয়ে পুলিশের এক নারী সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি হাউজিং এস্টেটের নারী পুলিশ ব্যারাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত কনস্টেবল মিমি খাতুন (২৭) কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাত নম্বর ফুলবাড়ি এলাকার নবীন বিশ্বাসের মেয়ে এবং ইমরান হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে সহকর্মীরা তার কক্ষে গিয়ে দেখতে পান, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন। খবর পেয়ে ব্যারাকের কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করে সন্ধ্যায় রাত ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা কর্মকর্তারা জানান, মিমি হাইওয়ে রিজিওনের একজন নারী পুলিশ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং ওই ব্যারাকে থাকতেন। তবে, তার আত্মহত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। কোনো সুইসাইড নোট মৃতদেহের কাছে পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রাথমিক প্রতিবেদনে আত্মহত্যা উল্লেখ করা হয়েছে। খুলনা কোতোয়ালি থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • খুলনায় আদালতের সামনে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    খুলনায় আদালতের সামনে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    খুলনায় আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আদালতের সামনে এক ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রকাশ্যে দুজনকে ধারালো অস্ত্র ও গুলির মাধ্যমে মারাত্মকভাবে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে, যা পুরো এলাকাকে আতঙ্কে ঢেকে দিয়েছে।

    নিহত দুজনের নাম হল ফজলে রাব্বি রাজন (২৮) এবং হাসিব (২৯)। রাজন রূপসার বাগমারার দক্ষিণ ডাঙ্গা এলাকার ইজাজ শেখের ছেলে এবং হাসিব নতুন বাজার এলাকার মান্নান হাওলাদারের সন্তান। এই দুজনই খুলনার স্পষ্টভাবে পরিচিত সন্ত্রাসী শেখ পলাশের অনুসারী বলে জানানো হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আদালতে একটি অস্ত্র মামলায় হাজিরা দিতে এসে বিচারপ্রার্থী দুজনকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এরপর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত্যু ঘোষণা করেন।

    আদালত চত্বরে হত্যাকাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। পুলিশ নানা সরঞ্জামাদি দিয়ে স্থানটি স্যানিটারাইজ করেছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম এ সম্পর্কে বলেন, আচমকা এই ঘটনা ঘটেছে এবং নিহত দুজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ, চাপাতি ও দুটি মোটরসাইকেল পড়ে আছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ষড়যন্ত্র তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    অপর দিকে, মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার রোকনুজ্জামান জানান, আহতদের মধ্যে হাসিব ঘটনাস্থলে নিহত হন, আর রাজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন। এই দুজনেই সন্ত্রাসী পলাশের বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলাও রয়েছে। তারা আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো আদালত চত্বরের পরিবেশ আতঙ্কে ভরে যায়। আইনজীবীরা এই প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ জনমনে আতঙ্ক বেড়ে গেছে।

  • বড় ভাই আইসিইউতেই, দেখার পথে ছোট ভাইসহ দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

    বড় ভাই আইসিইউতেই, দেখার পথে ছোট ভাইসহ দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

    যশোরের একটি হাসপাতালে বড় ভাই আইসিইউতে ভর্তি থাকা অবস্থায় তাকে দেখতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছোট ভাইসহ দুইজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে যশোর-চৌগাছা সড়কের জগহাটি জোড়াপুল ব্রিজের কাছে (বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন— মহেশপুর উপজেলার আলিসা গ্রামের আফিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে সেলিম রেজা (৪৫) ও একই গ্রামের মো. তাহাজ্জেলের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (৪২)। এর মধ্যে সেলিম রেজা শহীদুল ইসলামের ছোট ভাই, যিনি বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি আছেন।

    নিহতদের প্রতিবেশী মো. আব্দুল হাকিম জানান, যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আহত মহেশপুরের সেলিমের বড় ভাই শহীদুল ইসলাম আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার মারাত্মক অবস্থা দেখে হঠাৎ করে সেলিমকে ফোন করে হাসপাতালে আসার জন্য বলা হয়। সেলিম দ্রুত মোটরসাইকেলে করে তার ছোট ভাই ইব্রাহিমসহ হাসপাতালে ছুটে যান।

    এমন সময়, জগহাটি জোড়াপুল এলাকায় একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সেলিম ও ইব্রাহিম মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়, তবে ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি তদন্ত করছে।

    সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফ বলেন, দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকারী বাসটি শনাক্ত করা হয়েছে, এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

  • কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    কয়রা-পাইকগাছায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও জনকল্যাণে কোনো কাজ করেননি

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র কখনোই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বাপ্পি আরও বলেন, পাইকগাছা-কয়রা অঞ্চলের আগের জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হলেও তারা এলাকার মানুষের জন্য সত্যিই জনকল্যাণমুখী কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেনি। ফলস্বরূপ, এই অঞ্চলের জনগণ ভোটের গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে। তিনি তাদের বললেন, আপনারা ভোট কেন্দ্রে আসুন, আমাকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিন, যেন আমি আপনারাের এলাকার উন্নয়ন করতে পারি। আমি আমার না, আপনারা ও আপনার এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। গতকাল বৃহস্পতিবার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথাবার্তা বলেন তিনি। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম সানা সভার সভাপতিত্ব করেন। আসন্ন নির্বাচনে সবাইকে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার নিজ ভোট নিজেকেই দিতে হবে। বিএনপি যদি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায়, তাহলে উন্নয়ন ও সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবে। সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। কাউকে দখলদারি, চাঁদাবাজি বা অত্যাচার করার সুযোগ দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, এমএ হাসান, মনিরুজ্জামান বেল্টু, আবু সাঈদ বিশ্বাস, কয়রা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমিন বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শহিদ, বিএনপি নেতা টিএম মঞ্জুর আলম নান্নু, জিএম আব্দুল গফফার, জিএম সিরাজুল ইসলাম, ওসমান গনি খোকন, সাইফুজ্জামান, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জি এম গোলাম রসুল, মহতাশিম বিল্লাহ, বুলবুল আহমেদ, বিল্লাল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, আব্দুস সোবহান গাজী, নাজমুল হুদা, মোস্তাফিজুর খোকন, হাবিবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, স্বরোজিত ঘোষ, জামাল জাফরিন, আবুল কালাম কাজল, মেহেদী হাসান সবুজ, সাব্বির রহমান বাবু, মামুন হোসেন, ইমরান হোসেন, শহিদুল ইসলাম, রুহুল আমিন গাজী, সাইদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।