Category: সারাদেশ

  • খুলনায় মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন নূর হাসান, তদন্তের দাবী

    খুলনায় মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন নূর হাসান, তদন্তের দাবী

    খুলনায় একটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ২৪ দিন কারাগারে বসবাস করতে হয়েছে নূর হাসান নামে এক ব্যক্তিকে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের দুঃখ এবং পরিস্থিতি তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে একটি গার্মেন্টস পণ্য বিক্রির ব্যবসায় একজন ব্যক্তি ফাহাদ আহমেদ তৃপ্তের সঙ্গে কাজ করতাম। ব্যবসার সময় তিনি আমার থেকে দুই মাসের comissão হিসেবে প্রায় ৫ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছিলেন, যা পরে সমন্বয় করার কথা ছিল। কিন্তু ঘটনার দিন, আমার অনুপস্থিতিতে তিনি ওই হিসাবের খাতা চুরি করে নিয়ে যান। আমি তখন ঢাকায় ছিলাম।

  • খুলনায় আলামিন হত্যাকাণ্ডের আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

    খুলনায় আলামিন হত্যাকাণ্ডের আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার

    খুলনায় আলামিন হত্যা মামলার এক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে সোমবার খুলনা সদর থানাধীন সার্কিট হাউস এলাকার কাছ থেকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত আকাশ হাওলাদার নামে এই আসামির কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সাথে ব্যবহৃত ধারাল দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর)।

    আটকের পর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আলামিন হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো কোথায় রাখা হয়েছে বলে সে স্বীকার করে। এরপর ডুবুরি দলসহ পুলিশ মহেশ্বরপাশা উত্তর বনিকপাড়া এলাকার একটি পুকুর তল্লাশি করে সেখানে থাকা চাপাতি, এক বড় ছোরা ও মাঝারি আকারের ছোড়া উদ্ধার করে।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত থেকে রিমান্ড নেওয়া হয় এবং পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আকাশ হাওলাদার। এছাড়াও, এতে সংশ্লিষ্ট আরেকজন আসামির দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, ৩ আগস্ট রাতে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার সময় মহেশ্বরপাশা উত্তর বনিকপাড়া এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে আলামিন হাওলাদারকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • চিতলমারী ব্যবসায়ীদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ব্যাপক উত্তেজনাকর

    চিতলমারী ব্যবসায়ীদের নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা ব্যাপক উত্তেজনাকর

    বাগেরহাটের চিতলমারী সদর বাজারের ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে এখন জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এ নির্বাচনের জন্য চলছে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বণিক সমাজের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে মুখরোচূর্ণ আলোচনা চলছে। ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে বাজারের অলিগলি, যা চোখে পড়ার মতো। ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, কেউ জেতার দৌঁড়ে জড়িয়ে পড়েছেন, আবার কেউ ভাবছেন কাকে ভোট দেবেন। কে জিতবেন এবং কে হারবেন — এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। মোট কথা, সদর বাজারের ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে এখন যে উদ্দিপনা এবং আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

    নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বুলু, ৮ নভেম্বর রাতে। তফশীল অনুযায়ী, এ বছর ২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে পাঁচটি পদে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনী এ লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থী ও ভোটাররা শীতের মধ্যে চেষ্টায় লিপ্ত, দিনরাত প্রার্থনা ও শুভকামনা করছেন। ভোটারদের ধারণা, ১৭ বছর পরের এ নির্বাচনটি হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

    প্রার্থী কেউ কেউ হচ্ছেন, সভাপতি পদে মোঃ শহর আলী গাজী, মোঃ শোয়েব হোসেন গাজী ও মোঃ মনিরুজ্জামান খান। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন শেখ আসাদুজ্জামান ও জয়নুল পারভেজ সুমন। সাংগঠনিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোঃ রাসেল শেখ ও সাদ্দাম শেখ। দপ্তর সম্পাদক পদে আছেন সৈয়দ সিব্বির হাসান ও অনুপম সাহা। অন্যদিকে, কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন রাজু তালুকদার ও লিটন। এ বছর মোট ৭০৮ ব্যবসায়ী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে।

    সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে ডিসেম্বর চিতলমারী বাজারের ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির শেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখন শেখ হাফিজুর রহমান সভাপতি এবং মোঃ শহর আলী গাজী সাধারণ সম্পাদক পদে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এরপর নানা কারণে নির্বাচন না হলেও, বর্তমান পরিস্থিতি আবার নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আটেক নতুন প্রজন্মের মধ্যেও এ নির্বাচনের প্রভাব ব্যাপকভাবে অনুভব করা হচ্ছে, যা বাজারের চলমান অর্থনৈতিক জীবন ও শ্রমিক সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

  • ধানের শীষ: সকল মানুষের প্রতীক

    ধানের শীষ: সকল মানুষের প্রতীক

    বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন মহানগরীর খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, সারাদেশে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা একত্রে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। ধানের শীষ শুধু একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের প্রতীক। এটি হচ্ছে সমস্ত সাধারণ মানুষের প্রতীক।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের কিডস্ ক্যাম্পাস কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে কেক কেটে বই ও খেলার ক্লাসের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবুল বাসার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর শমসের আলী মিন্টু।

    এর পরে তিনি রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পাশাপাশি তিনি খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়ে এক আলোচনা সভায় অংশ নেন। সন্ধ্যার পর তিনি কেডিএ এভিনিউস্থ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিটি ইমেজিং সেন্টার ও মিউচুয়াল ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

    অর্থাৎ, তিনি অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ও ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় আলোচনায় অংশ নেন, যেখানে তিনি ব্যাংক কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সব কর্মসূচির মধ্যে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি, যেখানে তিনি বলেছেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে জনগণের সেবা করবেন। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে এবং নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এই নির্বাচনে যাতে সবাই একযোগে কাজ করে গণতন্ত্রের পথ ধরে সরকারের শুভ পরিবর্তন আনা যায়, সেখানে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

    অনেক প্রাকৃতিক নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যম কর্মীরা, যারা সব মিলিয়ে এই নির্বাচনকে শক্তিশালী ও ভোটকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে একসঙ্গে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধানের শীষের বিকল্প নেই: মঞ্জু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের বিকল্প নেই। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচনে দলকে জিতিয়ে আনতে আমাদের সকল নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনী প্রচার এবং কর্মসূচি পালন করতে হবে যাতে দল বিজয়ী হয়।

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খন্দকার, খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, খুলনা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ রফিকুল গাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ডক্টরস পয়েন্টের চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া, অসুস্থ অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ, পিটিআই মসজিদের খতিব হাফেজ মাকছুদুর রহমানের বাসায় গিয়েও সাক্ষাত করেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন।

    সন্ধ্যার পর, কেসিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ গঠনের জন্য ৩১ দফা ঘোষণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে যদি দল ক্ষমতায় আসে, এই ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্তরে নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির সফলতার জন্য কাজ করছেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মোস্তফা কামাল, ইশহাক তালুকদার, এড. মুজিবর রহমান, মহিবুল্লাহ শামীম, রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, আব্দুল জব্বার, রিয়াজুর রহমান, আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, শামীম খান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, কামাল উদ্দিন, সমীর কুমার সাহা, এড. আব্দুস সোবহান সরদার, নুরুল ইসলাম লিটন, শরিফুল ইসলাম সাগর, এড. ওমর ফারুক, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, আলমগীর ব্যাপারী, মুশফিকুর রহমান অভি, এস কে মাহমুদ, ওহেদুর রহমান বাবু, সেলিম বড় মিয়া, খান রাজিব, শহিদুল ইসলাম লিটন, মাহমুদ হাসান মুন্না, সজল আকন নাসিব, জাহান আলী, আবু দাউদ খান, এ আর রহমান, রুহুল আমিন রাসেল, বাবুল হোসেন, ওহেদুজ্জামান শিমুল, পারভেজ মোড়ল, রাজু আহমেদ রাজ, জামাল মোড়ল, লাল মিয়া, মামুনুর রহমান রাসেল, জুয়েল রহমান, জাহিদুল ইসলাম শেখ, আতিকুর রহমান লিটন, আসাদ সানা, নাহিদ ইসলাম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, আনোয়ার মোল্লা, মিজান সরদার, শহিদ ব্যাপারী, কামাল হোসেন, ইমতিয়াজ সেজান, হারুন হেলাল, রিমো চৌধুরী, আবুল কালাম, আশিকুর রহমান সেলিম, আবুল কাশেম হাবলী প্রমুখ।

  • খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনা শিল্পাঞ্চল এখন মৃত নগরী: আ’লীগ নেতাদের মেশিনারিজ বিক্রির অভিযোগ

    খুলনার একসময়কার ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্যপূর্ণ শিল্পাঞ্চল খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার এলাকা এখন হারিয়ে গেছে তার ঐতিহ্য ও জীবন্ত চেহারা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পানি সংকট, পাটকল বন্ধ হওয়া ও স্বাস্থ্যসেবা হ্রাসের কারণে এলাকা যেন এক বিশাল শোকাবহ মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। এমত পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতারা লিজের নামে পাটকলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর ফলে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি, তবুও তারা অসুস্থতা ও দূর্দশায় জীবন কাটাচ্ছেন।

    সোমবার রাতে নগরীর দৌলতপুরস্থ ৩নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিশিষ্টজনদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত এক দশকে এই এলাকা পানির একটির জন্য হাহাকার চলছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন আশ্বাস দেয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই পাল্টালো না। বর্তমানে খালিশপুর ও এর আশপাশের এলাকা যেন এক প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত। দুপুর ১২টার দিকে খালিশপুরে গেলে মনে হয় যেন কেউ জীবিত নেই, পুরো এলাকা যেন শ্মশান বা মৃতপুর।

    পাটকল বন্ধের পর থেকে শ্রমিকদের জীবন দুর্বল ও অসহায় হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পাট উৎপাদনকারী মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। লিজের জন্য মাননীয় সরকার যন্ত্রাংশগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দিয়ে শ্রমিকদের পাওনা টাকা পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। এতে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার পাননি।

    স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুর্বলতাও তিনি তুলে ধরেন। সরকারি ও বেসরকারি মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ হলে মানুষকে অনেক দুরে খুলনা মেডিকেলে যেতে হয়। পথেই অনেকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে রকিবুল ইসলাম বকুল এলাকা উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ নিবেন এবং একটি বড় হাসপাতাল নির্মাণ করবেন।

    বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় বিভ্রান্তিকর প্রচারণারও সমালোচনা করেন। বলেন, কেউ বলছেন, ভোট দিলে বেহেশত যাবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ও শিরক। আল্লাহই একমাত্র যে মানুষকে বেহেশতে নেবেন। এসব বিভ্রান্তি পরিহার করতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় আরও বক্তৃতা করেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শেখ শরিফুল আলম। সভা শেষে ‘ক্যাপ্টেন রকিবুল ইসলাম বকুল’ শিরোনামের অনুপ্রেরণামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    অন্তে, শফিকুল আলম মনা ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানান, বিপদকালীন সময়ে পাশে থাকা নেতা হিসেবে রকিবুল ইসলাম বকুলকে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য।

  • চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    চিতলমারীতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৩০৫০ কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ বিতরণ

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ধান উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার ৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে এ বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সিফাত-আল-মারুফ জানান, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার মোট ৭টি ইউনিয়নের ৩০৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় এই ধান বীজ প্রদান করা হয়েছে। প্রতিজনের জন্য আগ্রহীদের মধ্যে ২ কেজি করে জাতের নাম হাইব্রিড এসএল-৮এইচ। এই বিতরণ বিভিন্ন ইউনিয়নে হয়, যেমন বড়বাড়িয়া ইউনিয়নে ৫৫০ জন, কলাতলা ৩৮০ জন, হিজলা ৩৯০ জন, শিবপুর ২৫০ জন, চিতলমারী সদর ৯৪০ জন, চরবানিয়ারী ২৫০ জন, ও সন্তোষপুর ২৯০ জন।

    উপজেলায় এ মৌসুমে প্রায় ২৯,৯৪৩ একর জমিতে বোরো ধান চাষের পরিকল্পনা রয়েছে, যার ফলে একযোগে হাজার হাজার কৃষক এই কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।

    বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহম্মেদ ইকবাল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

  • মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতের জন্য ক্যাম্পেইন

    বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক এক বিস্তৃর্ণ ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালেই এ কার্যক্রম শুরু হয়, যেখানে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সৃজন প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা চত্বরে এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহসহ ব্যাপক সংখ্যক নারী-পুরুষ, স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা জীবনের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরাপদ পানির প্রাপ্যতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সক্রিয়তার ওপর জোর দেন, যাতে পানির অভাব দূর হয়। এ কার্যক্রমের শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সুপেয় পানির নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদ্বোধন

    আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালেও খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক সুন্দর ও আলোচিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষের উদযাপন শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা প্রশাসন এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।

    এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি’। এটি আমাদের সমাজে নারীর নিরাপত্তা ও সম্মান বজায় রাখতে কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

    নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। নারীরা যখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন, তখন তাদের উপর নির্যাতন স্বাভাবিকভাবেই কমে যাবে। নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠলে, সমাজে তাদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে নারীরা ঘর ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তাদের সম্মান দেয়া সমাজের মূল দায়িত্ব। বক্তারা প্রার্থনা করেন, নারীরা যেন মানুষের মতো স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে পারেন এবং তাদের পরিপূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

    উদ্যোক্তা and অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, মহিলা নেত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু এবং বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি নারী সংগঠন, এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, এই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষে কার্যক্রম আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ে সমাজের প্রত্যেকটি স্তরে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

  • চিতলমারীতে ঘের পাড় থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    চিতলমারীতে ঘের পাড় থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

    বগেরহাটের চিতলমারী থানার পুলিশ সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের উত্তর লড়ারকুল এলাকা থেকে দাউদ মাঝি (৫০) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। দাউদ মাঝি উত্তর লড়ারকুল গ্রামের মো. সৈয়দ মাঝির ছেলে।

    স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, দাউদ মাঝি ওই এলাকার ক্ষিরোদ মাঝি ও মনি ঠাকুরের জমি নগদ ভাড়ায় নিয়ে মাছ এবং সবজি চাষ করতেন। সোমবার ভোরে তিনি মাছের ঘেরে কাজে যান। সকালে তার লাশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখ্ছেন গ্রামবাসীরা, এরপর তারা পুলিশে খবর দেন।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে এবং লাশ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ইঁদুর মারার জন্য ব্যবহার করা ফাঁদে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে দাউদ মাঝির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলার হাসপাতালে পাঠানো হবে, এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।