Category: সারাদেশ

  • তফসিল ঘোষণায় গণআকাঙ্ক্ষা পূরণ, সুষ্ঠু নির্বাচন আসন্ন

    তফসিল ঘোষণায় গণআকাঙ্ক্ষা পূরণ, সুষ্ঠু নির্বাচন আসন্ন

    জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা মধ্য দিয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসে গণআবির্ত্তি ও গণআকাঙ্ক্ষার পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে আমরা প্রবেশ করছি। এর পরবর্তী বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ হলো যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ হয়। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী কমিশন, সরকার, সব রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ জনগণ—সব স্টেকহোল্ডার একযোগে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

    গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় খুলনা-৫ আসনের ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের মাদরাসাতেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সজিব রায়ের পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জানাতে গিয়ে, আহত শিমুল মন্ডল, তনয় মন্ডল এবং সাগর মন্ডলের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, গণআবির্ত্তি পূরণের জন্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    এর আগে সকাল ৮টায় খুলনা-৫ আসনের ফুলতলা উপজেলার শিরোমণির ডাকাতিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি ভোটার সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন তিনি। উক্ত অনুষ্ঠানে চিত্তরঞ্জন গাইনের সভাপতিত্বে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এলাকার রাস্তা উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হয় এবং সড়ক কার্পেটিংয়ের অগ্রগতি খোঁজ নেওয়া হয়।

    বেলা ১১টায় আসাননগরে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এতে আরও অংশ নেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি, জেলা ও উপজেলা স্তরের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা ও সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়, বিশেষ করে শিরোমণির রাস্তায় উন্নয়নের অগ্রগতি নিয়ে।

    দুপুর ১২টায় সেনপাড়া মাদরাসায় মহিলা সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    বিকেল ৪টায় সাহস ইউনিয়নের নোয়াকাটী বাজারে অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি, যেখানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সন্ধ্যা ৬টায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের কোমলপুর স্কুল মাঠে এক ভোটার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর, সহকারী সেক্রেটারি, বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতা-কর্মী এবং মাদরাসা সম্পাদকগণ।

    এটি বিভিন্ন আসরে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত होয়েছে, যা আগামী নির্বাচনে মাঠে আরও সক্রিয় ও পরিচালনামূলক আয়োজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি স্থাপন করবে।

  • আগামী নির্বাচন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মহাসংগ্রাম

    আগামী নির্বাচন: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মহাসংগ্রাম

    আজকের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের মুহূর্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের স্বৈরশাসন ও ফ্যাসিবাদী শাসন কাঠামো থেকে মুক্তির পথে এক নতুন সূচনা হবে বলে বিশ্বাস করেন রাজনৈতিক নেতারা। বিশেষ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দীর্ঘদিনের সংগ্রামের সম্মিলিত ফলাফলে আমরা ভোটাধিকার ফিরে পাবো, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব এবং গণতন্ত্রের চিরস্থায়ী ভিত্তি গড়ে তুলব। তিনি সবাইকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানান।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি খুলনা নগরীর বিভিন্ন সরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন, যেখানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। দুপুর ১টায় গগণ বাবু রোডস্থ সবুরন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা চালিয়ে যান। এছাড়াও, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে চর জামে মসজিদ ও হাজী আবু হানিফ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপি নেতা জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু তার উপস্থিতিতে রোগমুক্তি কামনা করেন।

    বিকেলে বাদ আসর, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল মেরাজ জামে মসজিদে জনসমাগমে দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম, মাওলানা নাজমুস সাউদ। সেইদিনই ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমানিয়া জামে মসজিদে দেশনেত্রীর জন্য বিশেষ দোয়া হয়, যেখানে মাওলানা সাইদুল ইসলাম দোয়া পরিচালনা করেন। সন্ধ্যায় খুলনা মাগুরা সমিতির আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যেখানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এ সব কর্মসূচিতে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতারা, যারা গণতন্ত্র ও দেশের উন্নয়নের সংগ্রামকে শক্তিশালী করার জন্য একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই সকল স্পৃহা নিঃসন্দেহে দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।

  • কৃষ্ণ নন্দীঃ জামায়াতে যোগ দেয়ায় ভারত থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছি

    কৃষ্ণ নন্দীঃ জামায়াতে যোগ দেয়ায় ভারত থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছি

    খুলনা থেকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীনের প্রার্থী ও হিন্দু শাখার নেতা কৃষ্ণ নন্দী। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এক বৈচিত্র্যময় ধর্মীয় পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও, তাকে হিন্দু হয়েও জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ নন্দী আরও জানান, ভারতের একটি সংগঠিত চক্র থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বারবার ফোন করে হুমকি দেয়া হচ্ছে এবং তাকে জোরপূর্বক প্রশ্ন করে কেন তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেছেন এবং জীবননাশের হুমকি দিয়েছেন। পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিকে উসকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    কৃষ্ণ নন্দী বলেন, তার জনপ্রিয়তা ও মনোনয়ন পাওয়ায় ঈর্ষান্বিত এক মহল এই ষড়যন্ত্র করছে। তারা ভুয়া ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আরও জানান, ১ ডিসেম্বর খুলনা বিভাগের আট দলের সম্মেলনে জামায়াতের নেতা ড. শফিকুর রহমান তাকে দাকোপ-বটিয়াঘাটা আসনে মনোনয়ন দিলে থেকে এই অন্যায় অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন, জামায়াত সব ধর্ম-বর্ণের নাগরিকদের সমান মূল্য দিচ্ছে, তাই তিনি নিজেও সমস্ত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চান।

    সংগঠিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে দাবি করে কৃষ্ণ নন্দী বলেন, তার মনোনয়ন ঘোষণা হওয়া এবং জনসমর্থন বাড়ার পর থেকেই এসব অপপ্রচার শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কেবল একজন স্বচ্ছ ও যোগ্য প্রার্থী, আমার উদ্দেশ্য অন্য কিছু নয়, আমি হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই যাতে তারা বাংলাদেশে নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন কাটাতে পারে।”

    প্রাক্তন প্রার্থী মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আবু ইউসুফের সঙ্গে বিরোধের গুঞ্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, মনোনয়ন পরিবর্তনের পরও তিনি আমার পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন। আমরা একসঙ্গে মাঠে কাজ করছি এবং এ বিষয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই।

    শেষে, কৃষ্ণ নন্দী ব্যক্ত করেন যে, তিনি আসন্ন নির্বাচনে জয়লাভ করে দাকোপ-বটিয়াঘাটা এলাকীর মানুষদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে উপস্থিত থাকবেন এবং তাদের কল্যাণে কাজ করতে চান। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আমির মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, অন্যান্য নেতা নেত্রীরা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি আল আমিন গোলদার, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতনী কমিটির সভাপতি হরিদাস মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রসাদ মন্ডল, এবং ঢাকা থেকে আসা বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আসিনি, ভোটের জন্য নয়: রকিবুল ইসলাম বকুল

    মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আসিনি, ভোটের জন্য নয়: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে নগরীর দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠান শুরু হয়। এই মাধ্যমে সবাই খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেন এবং আগের মতো জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে তার নেতৃত্ব ধরে রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “আমি ভোট চাইতে আসিনি, আসছি আপনাদের সন্তান হিসেবে কুশল জানাতে। সুখে-দুঃখে পাশে থাকার শপথ নিয়েছি। আল্লাহ তাকে দ্রুত সুস্থ করে দিলে আমি খুলনার মানুষের ভাগ্য বদলে দেব ইনশাআল্লাহ।”

    গতকাল বুধবার দুপুরে দৌলতপুর, কেডিএ ও কৃষি কলেজ এলাকার বাসিন্দাদের সাথে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তৃতায় বকুল বলেন, খুলনা নগরীর প্রাণচঞ্চল শিল্পাঞ্চল আজকে এক অচেনা মরুভূমিতে রূপ নিয়েছে। বহু জুট মিল ও কল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, এর ফলে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তিনি বলেন, এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে এবং খুলনার মানুষের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখাতে দৃঢ় অঙ্গীকার করছি।

    বকুল আরও বলেন, “খুলনার শ্রমজীবী মানুষ এখন অবহেলিত। খালিশপুরের মতো শিল্প এলাকা আজ মৃত্যুঝড়ে পড়ে গেছে। এখানকার শ্রমিকরা এখন রিকশা চালাচ্ছেন বা অন্য কোনও দিনমজুরের পেছনে পড়ে আছেন। বিগত সরকার পরিকল্পনামাফিক ২৬টি জুট মিল বন্ধ করে দিয়েছে।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যদি বিএনপি সরকার গড়তে পারে, তাহলে ব্যবসায়ী মহলে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে এবং বন্ধ হওয়া কল-কারখানা ও জুট মিলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসরাফিল সর্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতু, আখুঞ্জি হারুন অর রশিদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিজেএন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির, জেলা ট্রাক, লরি ও ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ অহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিশিষ্টজনরা।

    সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক উপস্থিতি ঘোষণা করে এলাকাজুড়ে নির্বাচনী উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

  • মাস্টাররোলের ১০২ জন কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে পরিপত্র প্রেরণের সিদ্ধান্ত

    মাস্টাররোলের ১০২ জন কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে পরিপত্র প্রেরণের সিদ্ধান্ত

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত একটি কমিটির ১০তম সভা সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। এই সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া। এরই অংশ হিসেবে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর ধারা ২৫(ক)(২) অনুযায়ী স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে এক গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়।

    সভায় জানানো হয় যে, চলতি অর্থবছর ২০২৫-২০২৬ এর আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন সহায়তা খাতে ‘বিশেষ বরাদ্দ’ এর অধীনে ৯২টি স্কিমে ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা অর্থাৎ একটি বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলির জন্য, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি বা প্রধান ব্যক্তিকে নেতৃত্বে ৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রজেক্ট ইমপ্লেমেন্টেশন কমিটি (পিআইসি) তৈরি করা হবে।

    এছাড়াও, হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশন-৯৪১৭/১৮ ও মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের লিভ টু আপিল ৩৫৯৬/২৩ এর আদেশ অনুযায়ী, ১০২ জন মাস্টাররোলের চাকরির স্থায়ীকরণ বা চাকরিবৃদ্ধির জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি পত্র প্রেরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটসহ বেশ কয়েকজন বিভাগের প্রতিনিধিগণ। এর পাশাপাশি, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি), খুলনা ওয়াসা, কেডিএ, জেলা প্রশাসন, বিটিসিএল, বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বন বিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    পরবর্তীতে, বিকেল ৪টায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রস্তুতি নেওয়া, দুর্যোগকালীন এবং পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমানোর উপায় আলোচনা। এর মধ্যে, মহানগরীতে চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব গৃহীত হয়। এ সভায় সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশের সংকট মোকাবিলায় খালেদা জিয়া ছিলেন প্রধান অভিভাবক, জনগণের আশা ও দোয়া

    দেশের সংকট মোকাবিলায় খালেদা জিয়া ছিলেন প্রধান অভিভাবক, জনগণের আশা ও দোয়া

    খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্যপ্রার্থী আমীর এজাজ খান বলেন, বাংলাদেশে আরও অন্ধকার দূরে ঠেলে দিচ্ছে এমন সময় আমাদের নেতৃত্বের জন্য দেশের সব মানুষ দল-মত নির্বিশেষে দোয়া করছেন। তারা চান, মহান নেত্রী খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হন এবং আবারও ফিরে এসে দেশের সংকটকালীন এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর অভিভাবকত্বে দেশের মানুষ এ বিভ্রান্তির অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    গতকাল সোমবার বিকেলে বটিয়াঘাটার সুখালি ইউনিয়নের গড়িয়ারডাঙ্গাবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন আমীর এজাজ খান। এসময় তিনি বলেন, দুই বার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর জন্য দোয়ায় আহবান জানান। এছাড়া তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের জন্য সবাই একসাথে কাজ করছে, কিন্তু দেশের স্বার্থে বিএনপি ও তার নেত্রী খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে ফিরে এলে আরও বেশি আত্মবিশ্বাস ও শক্তি পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আগামী বাংলাদেশের উন্নয়নে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশ গঠনে সহায়তা করতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, এ দেশের মানুষ তরুণ-ত্রাণ ও সেবায় নির্ভর করতে পারে শুধুমাত্র বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী দলের উপর। আমি হিন্দু- মুসলিম সবাইকে একসাথে দেখার স্বপ্ন দেখি, কারণ আমি সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোঃ তাহেদ, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান জিকু, আশিকুজ্জামান আশিক, মাসুদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, সিপার রুহুল, মোমেন, লিটন, ব্রজেন ঢালী, বাহাদুর মুন্সি, রাহাত আলী লাচ্চু, অধ্যক্ষ শশাঙ্ক মন্ডল, সেলিম মোল্লা, টুটুল গোলদার, সালাম শেখ, ডালিম হুমায়ুন, মোল্লা আবজাল হোসেন ও মোল্লা মফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের অহংকার হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে ফিরে আসা নেতা তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য যার জন্য দল-মত নির্বিশেষে সবাই একযোগে কাজ করতে হবে। সবাইকে বোঝাতে হবে যে, এই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য বিএনপি-ই একমাত্র উপযুক্ত দল। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসাথে কাজ করতে উৎসাহিত করে দেশকে আরো শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপির অবদান অবিস্মরণীয়

    গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপির অবদান অবিস্মরণীয়

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশ মানেই বিএনপি, আর এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য নাম। ইতিহাসে দেখা যায়, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে পঞ্চম সংশোধনী পর্যন্ত দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তিও ছিল সকলের জন্য একটি সমমনা বাংলাদেশ। এই স্বপ্নে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকা দরকার, কারণ এই স্লোগান— ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। সব ধরনের অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে, বিএনপিই দেশের রাজনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি। গণতন্ত্রের সুস্থ প্রতিষ্ঠায় বিএনপি সবসময় জনগণের পক্ষে রয়েছে।

    গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ১৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে পলীমঙ্গল শামসুল উলুম খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, তিনি এই অনুষ্ঠানে বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের জন্য যে অবদান রেখে গেছেন তা ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন আকরাম হোসেন খোকন, দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি সাঈদ আহসান। বাদ আসর ৩০নং ওয়ার্ডের আহমদীয় এতিমখানা মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এরপর শারিয়ত ও সমাজের প্রগতির উদ্দেশ্যে অন্যান্য দোয়া ও আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    এছাড়াও, ২২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব কায়সার ও এ ওয়ার্ডের বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এলাকার বর্ষীয়ান নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, আয়োজক ও সাধারণ মানুষ। এই সব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেতা-কর্মীরা তাদের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশ করেন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ দলের চিত্র ফুটে উঠে, যা দেশের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলে মনে করা হয়।

  • আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: গণতন্ত্রের মুক্তির সংগ্রাম

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: গণতন্ত্রের মুক্তির সংগ্রাম

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনা-৩ আসনে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় আওয়ামী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকধারী প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল দলীয় নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেছেন। এই সভা গত সোমবার রাতে নগরীর নিজের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনটি থানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় নির্বাচনের প্রস্তুতি, সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা, ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেওয়া, পোলিং এজেন্ট নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, পাশাপাশি এলাকায় চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম বিষয়ক বিস্তৃত আলোচনা হয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের মতামত ও প্রস্তাবগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবলমাত্র একটি নির্বাচন নয়, এটি একটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম। জনগণের অধিকার রক্ষায় এখন থেকে আরও সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ধানের শীষের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং পোলিং এজেন্টদের সততা, দক্ষতা, ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রস্তুত হতে হবে। তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি, কারণ তার সুস্থতা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসসহ ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সভা শেষে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের পক্ষে জনমনোভাব সৃষ্টি করে নির্বাচনে বিজয় অর্জনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • খুলনা বিভাগীয় ইজতেমা: সাদপন্থীদের ইসলাম পরিপন্থী আখ্যা

    খুলনা বিভাগীয় ইজতেমা: সাদপন্থীদের ইসলাম পরিপন্থী আখ্যা

    তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীদের দ্বারা মুসলমানদের মৌলিক আকিদা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী অপপ্রচার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম, জেলা ইমাম পরিষদসহ দেশের বিভিন্ন স্তরের আলেম-ওলামারা। গত মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এ বিষয়টি তুলে ধরেন ও সাধারণ মুসলমানদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েছিলেন বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবদুলাহ্ ইয়াহইয়া। সভাপতি হিসেবে ছিলেন জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ সালেহ, উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মাওলানা মুশতাক আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, নাছির উদ্দিন কাসেমী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ আলেম-ওলামারা। বক্তব্যে বলা হয়, প্রায় শত বছর ধরে তাবলীগের দাওয়াতি কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী নির্বিঘ্নে পরিচালিত হচ্ছে ওয়াজারা আলেম-ওলামাদের পর্যবেক্ষণে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কুরআন ও হাদিসের আলোকে মুসলমানদের iman, আমল ও আখলাক সংশোধন করা এবং ইসলামের দাওয়াত পুরো বিশ্বে পৌঁছানোর। কিন্তু বর্তমানে এক ভ্রান্ত গোষ্ঠী, যাদের সাদপন্থী বলে আখ্যায়িত করা হয়, দাওয়াতের এই বরকতময় কার্যক্রমের মধ্যেই নিজেদের স্বার্থের জন্য বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর মনগড়া ব্যাখ্যা, নবী-রাসুল ও সাহাবাদের শানে অপ্রমাণিত মন্তব্য করে ইসলামের মূলনীতি লঙ্ঘনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা উম্মতের মধ্যে বিভাজন, বিশৃঙ্খলা এবং ফিতনা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশিষ্ট আলেম-ওলামারা এ ভ্রান্ত দলকে গোমরাহ বলে মনে করেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায় কেরাম এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমের খতিব হযরত মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবসহ অগণিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের আলেম-ওলামাও তাদেরকে বাতিল গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে এই ভ্রান্ত গোষ্ঠীর কারণে বহু সাধারণ তাবলীগ সাথী, আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ আহত-নিহত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলাও দায়ের করা হয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে ইজতেমাগুলো তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম ও নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দিয়েছে। তবে এই বিভ্রান্ত ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিভিন্ন স্থান থেকে ইজতেমা আয়োজনের নাম করে ইসলামের মূল পথ থেকে মুসলমানদের বিচ্যুত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে তারা খুলনা বিভাগীয় নামে এক নতুন ইজতেমার আয়োজন চালিয়ে যাচ্ছে, যা সম্পূর্ণভাবে মূলধারা দাওয়াত এবং উলামায়ে কেরামের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এই হুমকি থেকে মুসলমানদের সুরক্ষা ও সত্যিকার ধর্মের পথে অটুট থাকার জন্য সকলকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা মেডিকেল কলেজসহ দেশের ১৭ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ১২ ডিসেম্বর

    খুলনা মেডিকেল কলেজসহ দেশের ১৭ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ১২ ডিসেম্বর

    ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিএস কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি দেশের ১৭টি কেন্দ্রে একযোগে পরিচালিত হবে। ঢাকার বাইরে খুলনা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করবে মোট ৭,৪০৪ পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার জন্য চারটি ভেন্যু নির্ধারিত হয়েছে—খুলনা মেডিকেল কলেজ একাডেমিক ভবন (১,৯০৪ জন), বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ খুলনা (২,৫০০ জন), খুলনা সরকারি মহিলাবিশ্ববিদ্যালয় বয়রা (১,৭০০ জন), এবং খুলনা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ বয়রা (১,৩০০ জন)। পরীক্ষাটি সকাল ১০টায় শুরু হয়ে সাড়ে ১১টার মধ্যে শেষ হবে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে পরীক্ষার্থীদের তাদের কেন্দ্রে পৌঁছানো আবশ্যক। পরীক্ষা কেন্দ্রের মূল গেট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে। তাই সময়মতো উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই বল পয়েন্ট, কলম, ডাউনলোডকরা রঙিন প্রবেশপত্র ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড সঙ্গে আনতে হবে। খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মাসুদ এ বিষয়ক একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।