খুলনা মহানগরির বায়ু দুষণের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মোখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন অপরিহার্য৷ তাঁরা এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে, তিনি শিক্ষকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের অনুরোধ জানান এবং খুলনাকে একটি স্বাস্থ্যকর শহরে পরিণত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
Category: সারাদেশ
-

দেশের মুক্তির সনদ তারেক রহমানের ৩১ দফা
মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, পতিত আওয়ামী সরকার বিগত ১৬ বছরে দেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ধ্বংস করে ফেলেছে। এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে নতুন করে সুসাজিয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের সংস্কারে আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর আগে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিলেন। এই দফাগুলোর মধ্যেই দেশের মূল সমস্যা ও সমাধানের পথ স্পষ্ট হয়েছে। এই ৩১ দফা হচ্ছে দেশের মানুষের মুক্তির মূল পাথেয়। বৃহস্পতিবার খুলনায়Running খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে একটি প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভাটির আয়োজন করে বিএনপি’র ১৬ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে। মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, যিনি বলেন, ‘জুলাই মাসের অভ্যুত্থান দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর প্রকৃত চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নির্মম হতে পারে, দেশবাসী সেটাই দেখেছে। দেশের স্বনামখ্যাত রাজনৈতিক ইতিহাসকে হার মানান এই দুঃশাসন এক যুগে আইয়ামে জাহেলিয়ার সাথে তুলনা করা যায়। তিনি আরও বলেন, ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার গণআবেগের মাঝে খুলনার আইনশৃঙ্খলা ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। পঞ্চদশ মাসে খুলনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কমপক্ষে ৯৪ জনের খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অসংখ্য খুন মাদক ব্যবসার চক্রান্তে, যারা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বেপরোয়া কিশোর গ্যাংয়ের দমন না করতে পারা এই নগরীর জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সকলের ঐক্য অপরিহার্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ মোস্তফা কামাল, পরিচালনা করেন শওকাত আলী বিশ্বাস লাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান মনি, মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মুজিবুর রহমান, জাকির ইকবাল বাপ্পি সহ অনেকে। অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী আব্দুল জলিল, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, আলহাজ্ব শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ কাজী নজরুল ইসলাম, আবুল ওয়ারা, কামরুজ্জামান রুনু, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মোল্লা, আবু বক্কার মীর, মনিরুল ইসলাম, সোহরাব মোল্লা, শেখ হায়দার আলী, আল আমিন দেওয়ান ও মোহাম্মদ চঞ্চলসহ আরও অনেকে।
-

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি
জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত বিজয়কে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলছেন, বিএনপি একমাত্র দল যার দীর্ঘ দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা রয়েছে। জনগণের সমর্থন পেলে, এই অভিজ্ঞতাগুলো দেশের কল্যাণে বৈপ্লবিক পরিবর্তনে কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি অতীতের ভুলমুক্ত শিক্ষা থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াইকে বিভ্রান্ত করার অনেক চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু তা সফল হয়নি। সেই অপচেষ্টার মোকাবিলা করতে হবে।’ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনায় বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসে প্রবেশের সময় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সবাই তাকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর নির্বাহী পরিচালকসহ ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তার পরে তিনি ২১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম জামাল উদ্দিন, হান্নান মোল্লা ও হীরা মিয়ার বাসায় গেছেন এবং পরিবারে খোঁজ-খবর নিয়ে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলের মানুষের সংকট নিরসনে নির্ধারিত প্রতিশ্রুতি ঘোষণার জন্য খুলনা প্রেসক্লাবে নাগরিক সংলাপে অংশ নেন। এছাড়া তিনি সাউথ সেন্ট্রাল রোডস্থ খান-এ-সবুর মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার কর্মকর্তাদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতুরাজ্জামান মর্তুজা, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, আনোয়ার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ওহিদুজ্জামান খসরু, ইশহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মাহবুব হোসেন, মেশকাত আলী, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আসলাম হোসেন, রিয়াজুর রহমান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, খান মইনুল ইসলাম মিঠু, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, খান শহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, মাজেদা খাতুন, ফিরোজ আহমেদ, ওহেদুর রহমান বাবু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহিদুল ইসলাম লিটন, খান রাজিব, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, শামসুল আলম বাদল, জামাল মোড়ল, তরিকুল আলম, পারভেজ মাড়ল, সাখাওয়াত হোসেন, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মোল্লা আলী আহমেদ, মাসুদ রুমী, রবিউল আলম, শফিউদ্দিন আহমেদ, আসমত হোসেন, শামীম রেজা, মামুনুর রহমান রাসেল, ইমতিয়াজ সেজান, সোহেল খন্দকার, নজমা আক্তার ও লাকি আক্তার সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।
-

সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও কেডিএ’র যৌথ উচ্ছেদ অভিযান
খুলনার সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখলদারদের দখল মুক্ত করতে বৃহস্পতিবার এক যৌথ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানটি পরিচালনা করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এবং খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান, যেখানে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং একাধিক পরিবহন কাউন্টার ভেঙে ফেলা হয়। এই কার্যক্রমের সময় কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়েছে, এই সড়কটি শহরে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হিসেবে বিবেচিত। তবে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এক বড় অংশ দখল থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষে এই সড়কটি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। জনস্বার্থে এই অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সড়কটি দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে ৩০টিরও বেশি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সামনে আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি চালিয়ে যাওয়া হবে।
কেসিসির পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আবিরুল জব্বার বলছেন, নগরীর অন্যতম প্রবেশপথ সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, কারণ অবৈধ দখলদাররা এই সড়কটি দখল করে রেখেছিল। সড়কের কর্মক্ষম প্রয়োজন ৬০ ফুট প্রশস্ততা হলেও দোকান ও বাস কাউন্টার গড়ে ওঠায় এই কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তবে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ইজারা ও ভাড়া নিয়েই বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ করে এই উচ্ছেদে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করে, তারা ক্ষতিপূরণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
-

পেশীশক্তি, ভয়ের পরিবেশ, সম্প্রদায়িক প্রচারণা ও প্রশাসনিক কারসাজি মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে গুরুত্ব
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ঠিকই সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানুষ এ কথা স্পষ্টভাবে জানতে চায়, যাতে তারা ভয়মুক্ত পরিবেশে স্ব自主ভাবে ভোট দিতে পারে। তারা চায়, একাধারে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এরপর শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হওয়ার পরে, জনসাধারণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়। এজন্য অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য ভোটের পরিবেশ তৈরি অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভোটে দাঁড়ানোর ও ভোট দেওয়ার অধিকারের পূর্ণ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে নজর রেখে গতকাল বুধবার বিকেলে খুলনার ধর্মসভা, সেমেট্রি রোড, শান্তিধাম মোড় এবং সাত রাস্তার মোড়ে গণসংযোগকালে। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের কিছু অংশ জনগণের মনোভাবকে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকেও বিতর্কের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। পাশাপাশি তারা মব লিষ্ট ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে খুলনায় ঘটে যাওয়া হত্যা, লুটপাট ও অরাজকতা নজিরবিহীন। এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হবে। এজন্য তিনি প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সিপিবি’র সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান বাবু, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মহানগর সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, সদর থানা সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, টিইউসি নেতা রঙ্গলাল মৃধা, যুবনেতা নাহিদ হাসান, ছাত্র নেতা সুদীপ্ত রায়, টনুশ্রী, ওয়াহিদুজ্জামান, ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
-

আধুনিক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই
খুলনা-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জিয়াউর রহমান পাপুল বলেছেন, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কার্যত অপ্রাপ্ত। অবহেলিত পরিকল্পনা ও অগোছালো উন্নয়নের কারণে এই এলাকার বৈকালিক অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে এবং সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নতিতে কোনো কাজে আসেনি। বুধবার বিকেলে দাকোপের এম এম কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে জেলা বিএনপি সদস্য শাকিল আহমেদ দিলুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নেতৃবৃন্দ।
জিয়াউর রহমান পাপুল আরও বলেন, তিনি চান দাকোপ উপজেলাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। এজন্য তিনি দাকোপের নলিয়ান পর্যন্ত চারলেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যা খুলনা শহরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানান, যা এখানকার বেকারত্ব কমাতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে চালনা পৌর বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আল আমিন সানা সঞ্চালনা করেন। এতে ভাষণ দেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সুলতান মাহমুদ, জি এম রফিকুল হাসান, মনিরুজ্জামান লেলিন, আসাবুর রহমান পাইলট, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামীম, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক গাজী জাহাঙ্গীর আলম, চালনা পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আইয়ুব কाज़ী, বেল্লাল হোসেন মোল্লা, ইমরান হোসেন পলাশ, এস এম ফয়সাল, আব্দুস সাত্তার আকন, সেকেন্দার শেখ, মানস গোলদারসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অমল গোলদার, আনোয়ার হোসেন আনোয়ার, মাসুম বিল্লাহ, রেহানা ইসলাম, কৈশল্যা রায়, রাবেয়া পারভীন, মঞ্জিলা পারভীন ও কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।
-

ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে
খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের ভবিষ্যত নিরাপদ করতে নাগরিকদের ভোটাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাধিকার শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে না, বরং দেশের অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতার পথ সুগম করে। তিনি বলেন, যদি জনগণ সক্রিয়ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তবে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং সঠিক পথে অগ্রগতি সম্ভব হবে। বর্তমানে আমরা একটি ট্রানজিশন পর্বে আছি, যেখানে কর্তৃত্ববাদী শাসন থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মহল নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত হলেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গতকাল বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতনে সকল শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময়, ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এছাড়াও, সিমেট্রি রোডে আর্চ্য্যপ্রফুল্লচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তিনি আরও বলেন, যতটা সম্ভব ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি বনানী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এডিবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি, তিনি সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এবং খুলনা বাজার পোস্ট অফিসসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
পরে, তিনি মহানগর বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শাহজালাল বাবলু, মরহুম এম এ সালাম মন্টু এবং অসুস্থ এড. রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। সন্ধ্যায়, তিনি জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর, তিনি জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন দিতে সবাইকে অনুরোধ করেন।
এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন, মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শমসের আলী মিন্টু, কামরান হাসান, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, রবিউল ইসলাম রবি, ওমর ফারুক, নাসির খান, মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, খায়রুল ইসলাম লাল, মাহবুব হোসেন, মোস্তফা কামাল, আসলাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, আলমগীর হোসেন আলম, আবুল বাসার, আল বেলাল, রিয়াজুর রহমান, শামীম আশরাফ, মোল্লা আলী আহমেদ, শরিফুল ইসলাম সাগর, মাজেদা খাতুন, ওহেদুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান বাদশা, সুলতান মাহমুদ সুমন, কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জামান মিন্টু, হুমায়ুন কবির, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ফিরোজ আহমেদ, সাব্বির হোসেন, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুশফিকুর রহমান অভি, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, পারভেজ মোড়ল, শামীম রেজা, মাহমুদুল হাসান মুন্না, সাখাওয়াত হোসেন, জামাল মোড়ল, ডাঃ আব্দুস সালাম, আশিকুর রহমান, শেখ আক্তারুজ্জামান, খায়রুল বাসার, মিজানুর রহমান মিজান, আসমত হোসেন, এ আর রহমান, রাজু আহমেদ রাজ, জুয়েল রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, শওকত আলী, মশিউর রহমান, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল শেখ, সাইদ আলম ও তামিম হাসান প্রমুখ।
-

তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে
মহানগর বিএনপি সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনার মানুষ বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। প্রতিদিনই খুন, সন্ত্রাস এবং অপরাধের ঘটনা বেড়ে চলেছে যা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা জনগণের দুশ্চিন্তা আরও বাড়াচ্ছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নই হবে দেশের জন্য নতুন এক আশার আলো। যদি এই দফাগুলো কার্যকর হয়, তাহলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, বিচারহীনতা বন্ধ হবে এবং মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পাবেন। এই কথা তিনি গতকাল বুধবার বিকালে খুলনায় চলমান খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি প্রতিরোধে বিএনপি’র ১৮নং ওয়ার্ড শাখা থেকে আয়োজিত এক সমাবেশে উল্লেখ করেন।
মনা আরও বলেন, দুর্বৃত্তদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খুলনায় অর্ধশতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনও অপরাধীকে এখনো আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। জনগণের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।
সমাবেশে মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, সরকার ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। অবিরাম হত্যা, গুম, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, মাদক ও চাঁদাবাজি রোধে নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের কোন বিকল্প নেই। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দেশের ভিতরে থাকা ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলি বিদেশে অবস্থান করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যা খুলনা সহ পুরো দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
শেখ আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সৈয়দা রেহানা ঈসা, হাফিজুর রহমান মনি, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির ইকবাল বাপ্পি, শাহিদ হাসান লাভলু, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোস্তফা কামাল, শেখ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ আবল ওয়ার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, কামরুজ্জামান রুনি, শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বকশী, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মো্ল্লা মোহাম্মদ আবু বক্কার মীর, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, কাজী জলিল, হেলাল ফারাজি, সিদ্দিকুর রহমান, সাইফুল মল্লিক, সুজন সিকদার, শহিদুল ইসলাম শহীদ, রিয়াজুল কবির, একরাম মোল্লা, আলী আহমেদ, দুলু মোল্লা, রাহুল চিশতী, হুমায়ুন কোভিদ, আব্দুল আলিম ও আব্দুল ওয়াদুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার। এতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-

খুলনার নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
খুলনা জেলার नए পুলিশ সুপার হিসেবে মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ দিয়ে অনেকের মনে আশা জেগেছে। এর আগে তিনি সিলেট জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি একটি লটারির মাধ্যমে খুলনায় যোগদানের সুযোগ পেয়েছেন, যা খুবই অনন্য এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার ফল। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের ঘোষণা দেয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৪ জেলার এসপি নিয়োগের জন্য লটারির আয়োজন করা হয়। এই লটারিটি অনুষ্ঠিত হয় গত সোমবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে, যেখানে সবাই স্বচ্ছতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
-

দেলুটি ইউনিয়নে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা, বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে
খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, দেলুটি ইউনিয়ন হলো খুলনা ও পাইকগাছার মধ্যে অন্যতম অবহেলিত ও জরাজীর্ণ এলাকা। এখানকার রাস্তাঘাট নেই বললেন তিনি, আমি আজ নিজে এসে এই অঞ্চলের অবস্থা দেখেছি, কতটা অসহায় এই জনসাধারণ। আমি এই এলাকার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে উঠেছি, আপনাদের সবাইকে আমি যেন ভোট দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেন। আমি এই দ্বীপপুঞ্জের তিন ভাগে বিভক্ত দেলুটি ইউনিয়নকে সুন্দরভাবে উন্নত করতে চাই। একইসঙ্গে কয়রা-পাইকগাছার সাথে খুলনাকে সংযোগ করতে দেলুটি এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও প্রসারিত হবে, আর এই অঞ্চলকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। গতকাল মঙ্গলবার ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রভাষক সুজিত কুমার মন্ডল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ আবদুল মজিদ, পাইকগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট জিএম আব্দুর সাত্তার, এস এম ইমদাদুল হক, আবুল হোসেন, সেলিম রেজা লাকী, তুষার কান্তি মন্ডল, মোস্তফা মোড়ল, টিএম সাইফুদ্দিন সুমন, শেখ মেছের আলী সানা, শেখ রুহুল কুদ্দুসসহ আরও অনেক নেতা ও কর্মী।
