Category: রাজনীতি

  • বিএনপি নেতার সঙ্গে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সমর্থন: তারেক রহমান

    বিএনপি নেতার সঙ্গে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সমর্থন: তারেক রহমান

    তারেক রহমান বলেন, ‘সম্মানিত শিক্ষকদের সমাবেশে বিভিন্ন বক্তার বক্তব্যে তাদের চাকরি সংক্রান্ত দাবি ওঠে, যেখানে অনেকেই আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার কথাও বলেছেন। ডাকসুর ফলাফলের মতোই হবে জাতীয় নির্বাচন—এটি একটি সতর্ক সংকেত। এছাড়াও, বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি রয়েছে, যা দেশের দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি নীতিগতভাবে সমর্থন করে।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন অধিকাংশ দাবি বাস্তবায়িত হয়েছে। তাই আমরা এসব দাবি সম্পর্কে সচেতন। শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, শিক্ষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত না করলে আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী অগ্রগতির সুফল পাবো না।’

    তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ‘জনগণের ভোটে যদি বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় আসে, তবে শিক্ষা খাতে আর্থিক নিরাপত্তা ও চাকরি স্থায়ীকরণে উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ সাহসিকতার সঙ্গে গ্রহণ করা হবে, যেন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আরও উন্নত হয় ও শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

  • নাহিদ ইসলাম: জুলাই সনদের আইনগত নিশ্চয়তা না থাকলে অংশগ্রহণ করব না

    নাহিদ ইসলাম: জুলাই সনদের আইনগত নিশ্চয়তা না থাকলে অংশগ্রহণ করব না

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যদি জুলাই সনদের জন্য নির্ধারিত আইনগত ভিত্তি ও নিশ্চয়তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে তিনি তা জন্য অংশ নেবেন না। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যদি আইন ও অর্ডারবিহীনভাবে সাবর্ণ করি, তাহলে সেই সনদ অখণ্ড ও মূল্যহীন হয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে যদি এর জন্য প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা দেওয়া না হয়, তাহলে আমরা এ পর্যায়ে অংশগ্রহণ করব না। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ অবশ্যই স্বাক্ষরের পূর্বে প্রকাশ করা উচিত। এই আদেশটি জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় অনুসারে প্রধান উপদেষ্টা জারি করবেন। সেই সঙ্গে সনদ স্বাক্ষরের আগের খসড়া আদেশের ওপর আমাদের একমত হতে হবে।

    নাহিদ বলেন, এই আদেশের টেক্সটের খসড়া আমরা আগে দেখব। ড. ইউনূস, যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছেন, তিনি এই আদেশ জারির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তবে সেটি প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে গভর্নমেন্টের পক্ষ থেকেও হতে পারে।

    এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, জুলাই সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার বিষয়ক প্রস্তাব থাকবে, যা গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে। তবে এই ভোটে নোট অব ডিসেন্ট কোনও ভিন্ন ফলাফল দেখাবে না। ভোটের প্রশ্নাবলি আগেই চূড়ান্ত করতে হবে, যেন রাজনৈতিক দলগুলো তা দেখে নিতে পারে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি জনগণ এই ভোতে সনদকে অনুমোদন করে, তাহলে পরবর্তী সংসদ কংস্টিটিউশন সংশোধনী প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষমতা পেয় যাবে। সংবিধান সংস্কার বা সংশোধনী বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কিছু জানানো সম্ভব হয়নি। সবাই এখন একমত হলেও, এই দাবির ব্যাপারে এখনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

  • আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী দ্বারা সংসদ এলাকায় বিশৃঙ্খলা: বিএনপির মন্তব্য

    আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী দ্বারা সংসদ এলাকায় বিশৃঙ্খলা: বিএনপির মন্তব্য

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিন দেশীয় রাজনীতির উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই দিন সংসদ ভবন এলাকায় ‘জুলাইযোদ্ধা’ নামে একটি সংগঠনের নামে purportedly থাকা আনসার-আলাম ও অন্যান্য উশৃঙ্খল কিছুকিছু ব্যক্তি ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এই অশান্তির পেছনে আঙুল রয়েছে একদম ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী’র দিকে, যারা এখনও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় কোনো ‘জুলাইযোদ্ধা’ বা তাঁদের সংগঠনের সঙ্গে কোনও সংগঠন বা ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন না।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মরণে ফুল দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান দলের নেতাকর্মীরা, যেখানে সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই সনদে এনসিপিসহ বিভিন্ন বাম সংগঠনের স্বাক্ষর না থাকায় আগামী প্রভাব পড়বে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতে তারা এই সনদে স্বাক্ষর করবেন, ফলে নির্বাচনে কোনও অসুবিধা হবে না। তিনি বলেন, “সবার মধ্যে সহনশীলতা বাড়ানো জরুরি। ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে সরকার ও আর্মি উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকায় পরিস্থিতি শান্ত থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, ‘জেলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুসংহত করতে বিএনপি রাজনীতির সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে চায়। জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে দেশের স্বাধিকার ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিমূল হিসেবে মানে তারা। তিনি বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা চালিয়ে যাবো, যা ফেব্রুয়ারিতে মূলত ৭টি দাবি এবং জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। এর বাস্তবায়নে বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো আরো শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক হবে।”

  • সালাহউদ্দিনের ঘোষণা: জুলাই সনদে ভিন্নমতের নোট থাকবে

    সালাহউদ্দিনের ঘোষণা: জুলাই সনদে ভিন্নমতের নোট থাকবে

    এখানে উল্লেখ্য যে, জুলাইয়ের সনদে আমরা সব বিষয়ে স্বাক্ষর করব, তবে পাশাপাশি ভিন্নমত বা বিভেদরেখা সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লিখিত থাকবে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টের মাধ্যমে আমাদের ভিন্নমতের বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা হবে, কারণ এই নোট অব ডিসেন্ট দেওয়ার এখতিয়ার আছে এবং এজন্যই আমরা ঐকমত্যের ভিত্তিতে আলোচনা করেছি।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সালাহউদ্দিন আরও বলেন, আমাদের দেশ এই সংস্কার চায় এবং আমরাও চাই। যে কোনও দল ক্ষমতায় এলে বা জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল এই সংস্কার বাস্তবায়ন করতেই হবে।

    তিনি বলেন, ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় সংবিধান অনুযায়ী স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পূর্বে প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন। সবাই যাতে অংশগ্রহণ করে এবং এই ঐতিহাসিক দলিলটি সংরক্ষণ করে, স্বাক্ষর করে।

    সালাহউদ্দিন জানান, আমরা সবাই এতে সম্মত হয়েছি। তবে কিছু বিষয়ে আলোচনা ও মতভেদ থাকলেও, তারা সব দল অংশ নেয়নি। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। জুলাইয়ের সনদ প্রণয়ন ও অন্যান্য কার্যক্রমের মূল লক্ষ্যও এই নির্বাচনই, যা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সনদ ও নির্বাচন কার্যক্রমের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক নেই।

    তিনি বলেন, এই সংস্কার সারা জাতি চায় এবং আমরাও চাই। বাংলাদেশে যে কোনও ক্ষমতাসীন দল বা অধিক সংখ্যক আসনপ্রাপ্ত দল এই সংস্কার বাস্তবায়ন করবে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের পক্ষ থেকে সার্বভৌম ক্ষমতা সংসদকে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে এই সংস্কারগুলো জাতীয় স্বার্থে গ্রহণ করা হবে। এগুলোর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হবে, যাতে জনগণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আলোচনা মূলত সেই বিষয়ে ছিল যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো একমত বা অমত রয়েছে। যেখানে দ্বিমত বা ভিন্নমত রয়েছে, সেগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যদি জুলাইয়ের সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে ভিন্নমত থাকলে, তখন গণভোটে একমাত্র প্রশ্ন উঠবে—“এই সনদ আপনার পক্ষে কি?”। আশা করা হচ্ছে, এই ভোটে প্রচুর মানুষ অংশ নেবে, কারণ সাধারণ জনগণ এই সংস্কারের পক্ষে।

    অবশেষে তিনি বলেন, সব দল ও জনগণের সমর্থনে এই সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। তার কথায়, জনগণই এই সংস্কারের সুরক্ষা ও স্বীকৃতি দেবে এবং তারা এই পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেবে জাতীয় স্বার্থে।

  • মির্জা ফখরুলের ওই নোট অব ডিসেন্ট যদি লিপিবদ্ধ হয়, বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

    মির্জা ফখরুলের ওই নোট অব ডিসেন্ট যদি লিপিবদ্ধ হয়, বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা অবশ্যই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব, যদি আমাদের করা নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) গুলোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। তিনি বলেন, যদি যেসব বিষয় নিয়ে আমরা ভিন্নমত পোষণ করেছি, সেগুলো যদি লিখিতভাবে রেকর্ড করা হয়, তবে আমাদের স্বাক্ষর করার দরজা খুলে যাবে। বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের বন্দর এলাকায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক পথসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সাংবাদিকরা hỏiেছিলেন, বিএনপি কি সত্যিই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে? উত্তরে তিনি বলেন, একটু অপেক্ষা করুন। দু’টি দল ইতিমধ্যেই বলেছে, এরূপ সনদে স্বাক্ষর তখনই করবে যখন তাদের বিষয়গুলো লিখিতভাবে মান্যতা দেয়া হবে। কিন্তু বিএনপি সেই কথা বলে আসছে না। বরং বলেছে, আমরা অবশ্যই সনদে স্বাক্ষর করব, যদি আমাদের ভিন্নমত গুলো লিপিবদ্ধ করা হয়।

    তিনি সবাইকে ধৈর্য্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আমরা গণভোটের ভিত্তিতে এগুচ্ছি। জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজকের পরিস্থিতিতে আমরা একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছি। ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত জানানোর সময় আসবে, তখনই জানানো হবে, বিএনপি কি সনদে স্বাক্ষর করবে কি না। তিনি আরও বলেন, অস্থির হওয়ার কিছু নেই, একটু অপেক্ষা করুন। একটু টেনশন থাকা ভালো, কারণ এটা স্বাভাবিক।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুত। তিনি বলেন, তার ফিরে এলে জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হবে একটি উত্তাল আগুন, সেই উত্তাল তরঙ্গের মধ্যে সব অপশক্তি ধ্বংস হয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, আমাদের জন্য অতন্দ্র সুযোগ চিরকাল আসে না। আমাদের সামনে যে সুযোগ এসেছে, তা হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং আমাদের ভবিষ্যৎকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেয়া। সেই সুযোগকে আমরা গ্রহণ করব।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। যার জন্ম গণতন্ত্র এবং সংস্কারের মাধ্যমে। বিএনপি শুরু করেছে বহুতল গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রাজনীতি। দুঃখজনকভাবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটিও বিএনপিই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। এই সরকার পরিচালিত অনেক সুষ্ঠু নির্বাচন তাঁদের অধীনে হয়েছে, কিন্তু পরে শেখ হাসিনা সেটি বন্ধ করে দিয়েছেন কারণ, বোঝা গেছে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি জিততে পারবে না।

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর মানতে না পারলে জামায়াতের অস্থিরতা, গণভোটের দাবিতে থাকার সংকেত

    জুলাই সনদে স্বাক্ষর মানতে না পারলে জামায়াতের অস্থিরতা, গণভোটের দাবিতে থাকার সংকেত

    জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষে পিআর (প্রচার মাধ্যমের ভোটাধিকার) পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জুলিই সনদে আগাম NOVEMBER মাসে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব যদি অন্তর্ভুক্ত না করা হয়, তাহলে জামায়াতে ইসলামীরা সে সনদে স্বাক্ষর করবেন না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। এই ঘোষণা দিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মি. গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন, যেখানে ‘জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি, গণভোট এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা হয়। 
    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমরা জুলিই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি এবং দলের মধ্যে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদি নভেম্বরের গণভোটের জন্য প্রস্তাবিত বিষয়গুলো সমাধানে আলোচনা করে আমাদের সন্তুষ্টি আসে, তবে আমরা স্বাক্ষর করতে পারব। কিন্তু যদি তাদের দৃষ্টি হয় যে, এই বিষয়গুলো অপ্রয়োজনীয় বা অগ্রাধিকার নয়, তাহলে স্বাক্ষরে অনাগ্রহ থাকবে।’
    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের খসড়ায় উভয় কক্ষে পিআর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, সেটি গণভোটের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে হবে। যদি সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করে, তাহলে আমাদের মানতে হবে। আর যদি না মানে, তবুও মানতে হবে। কারণ, জনগণের মতামত না নেওয়া হলে এ বিষয়টি অচল হয়ে যাবে।’
    তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন, একদিনে গণভোট ও নির্বাচন সম্ভব নয়। তবে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্পন্ন করার পক্ষে আমরা। এক দিনে না হলেও, দুই বা তিন দফায় ভোটাভুটির পরিকল্পনা থাকতে পারে। এই জন্য জরুরি সময়ের বাইরে না গিয়ে সময়মতো পরিকল্পনা করতে হবে।’
    অন্যদিকে, গোলাম পরওয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে হঠাৎ কিছু গোপন সম্পর্কের জালঁর উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু ভয় দেখানো বা বিভ্রান্ত করা তুলনায় মূলত উদ্দেশ্য হচ্ছে, কোন বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা যদি হয় তাহলে তা রুখে দেওয়া হয়।’
    জামায়াতের প্রধান বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেক সংস্কার করা হয়েছে, কিন্তু তা কি যথেষ্ট? যদি কোন দলের পকেটে আরেকটি বড় রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তাহলে এই সকল পরিবর্তন বৃথা হয়ে যাবে। প্রধান উপদেষ্টাকে সাবধান থাকতে হবে, না হলে দেশের সব রক্তদানের কর্মসূচি, অভ্যুত্থান বা চুক্তি অর্থবহ থাকবে না।’

  • নাহিদ ইসলাম: জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত না হলে অংশ নেবো না

    নাহিদ ইসলাম: জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত না হলে অংশ নেবো না

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদের কার্যকারিতা নিশ্চিত না হলে এই উদ্যোগে তিনি অংশ নেবেন না। তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে මෙම কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম জানান, যদি জুলাই সনদের অর্ডারে স্বাক্ষর করা হয় এবং এর আইনগত ভিত্তি বা নিশ্চিতকরণ নেই, তাহলে সেই স্বাক্ষর মূল্যহীন হবে। তিনি আরও বলেন, নতুন সরকারের পতাকা খাড়া হলে কি ধরনের টেক্সট ও আসবে, কেমন পদক্ষেপ নেবে—এই ব্যাপারে স্পষ্টতা থাকতে হবে। এই বিষয়গুলো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত, তিনি এই সনদের স্বাক্ষরের জন্য নিজেদের অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান করবেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ কার্যকরের আদেশটিকে অবশ্যই সনদ স্বাক্ষরের আগে প্রকাশ করতে হবে। এই আদেশটি জনগণের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টা দ্বারা জারি হতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট খসড়া তালিকা আগে দেখা ও বোঝা প্রয়োজন যাতে এই বিষয়গুলোতে তার দলের ঐক্যমত তৈরি হয়।

    ড. ইউনূসের ব্যাপারে তিনি বলেন, যেহেতু তিনি গণঅভ্যুত্থানের শক্তি ব্যবহার করে সরকারের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, সেই কারণে এই সনদ ও আদেশ এগুলোর বিষয়টি প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে গভর্নমেন্টের পক্ষ থেকে ড. ইউনূস জারি করবেন।

    এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, জুলাই সনদে মোট ৮৪টি সংস্কারের বিষয় থাকবে, আর এটাই গণভোটে যাবে। তবে, এই ভোটে নোট অব ডিসেন্ট বা মতভেদ বোঝানোর কোনও আলাদা কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের প্রশ্নদুটি আগেই চূড়ান্ত করতে হবে যাতে রাজনৈতিক দলগুলো মতপ্রকাশের সুযোগ পায়।

    সর্বশেষ, তিনি বলেন, যদি জনগণ এই সনদে সমর্থন দেয় এবং গণভোটে পক্ষে ভোট দেয়, তাহলে পরবর্তী সংসদ সেই অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে, এই সংস্কারে কী ধরনের সংশোধনী আনা হবে, সেই বিষয়ে এখনো পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়নি।

  • তাহের বলছেন, অনুষ্ঠানে যান কি না, সিদ্ধান্ত দিন দিনই জানা যাবে

    তাহের বলছেন, অনুষ্ঠানে যান কি না, সিদ্ধান্ত দিন দিনই জানা যাবে

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুলাহ মোহাম্মদ তাহের নিশ্চিত করেছেন যে, তারা আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ঢাকা দাওয়াত পেয়েছেন। তিনি আশা করছেন, ওই দিন তারা উপস্থিত থাকবেন। তবে, তারা সনদে স্বাক্ষর করবেন কি না, সেই সিদ্ধান্তের জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাহের এ কথা বলেন।

  • শিগগিরই প্রকাশ হবে BNP প্রার্থীদের নামের তালিকা, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

    শিগগিরই প্রকাশ হবে BNP প্রার্থীদের নামের তালিকা, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

    সংসদ নির্বাচনের সময় نزدیک আসার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির অন্দরো আরেকটি উত্তপ্ত বিষয় হয়ে উঠেছে প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়া। আগামি নির্বাচনে কে চলমান আসনে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সেই প্রশ্ন এখন আওয়ামী লীগ নয়, বরং বিএনপির দিকেই বেশি মনোযোগ কেন্দ্রিত। কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে প্রার্থীদের তালিকা, যেখানে তাদের জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, পরিশ্রম এবং এলাকার রূপান্তর ভবিষ্যত প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বলাবাহুল্য, সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য প্রচার ও প্রচারণা চালানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে যেন সবার আগে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়া যায়।

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা অনুসারে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তার জন্য বিএনপি ইতিমধ্যে প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া জোরালো করে তুলেছে। জয়যুক্ত হওয়ার জন্য সবাই চেষ্টা করছে নিজ নিজ প্রচেষ্টাকে শাণিত করার। বিভিন্ন দলের আগাম ঘোষণা বা আগ্রহের ভিত্তিতে প্রাথীদের চষে বেড়ানোসহ নির্বাচনী সমীক্ষাও চলছে। এই পরিস্থিতিতে, বিএনপি তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে শিগগিরই প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। দলীয় সূত্রমতে, ভরসা করে থাকা একজন নির্ভরযোগ্য নেতা বলেন, তারেক রহমান দেশে ফিরলে তিনি নিজে এই তালিকা পুরোপুরি যাচাই করবেন এবং তারপর চূড়ান্ত করে দলের শীর্ষ নেতা ও শরিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    অধিকাংশ নেতা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রার্থী বাছাইয়ে সৎ, যোগ্য এবং কার্যকর নেতাদের ওপর জোর দেওয়া হবে। এলাকায় ‘ক্লিন ইমেজ’, জনপ্রিয়তা, ত্যাগমূলক অঙ্গীকার, সংগঠনের অবদান এবং দলীয় কোন্দল থেকে মুক্ত হওয়ার যোগ্যতা—এই পাঁচটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে প্রার্থী নির্বাচন হবে। এ ছাড়া, স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন সংগঠনে সক্রিয় থাকা এবং মানসিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হবে।

    নেতাদের মধ্যে একাধিক জরিপ ও মতামত নেওয়া হয়েছে, যার ফলাফলের ভিত্তিতেই তালিকা তৈরি হচ্ছে। প্রার্থী হিসেবে যারা যোগ্যতা সম্পন্ন, তৃণমূলের ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্য, ও দলীয় মূল্যবোধের প্রতি আন্তরিক, তাদেরকেই নির্বাচিত করা হবে। দলের অভ্যন্তরীণ অন্দরো আলোচনা অনুযায়ী, সম্ভাব্য একক প্রার্থীদের জন্য প্রথমে অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে, যাতে তারা প্রচার প্রচরণা চালাতে পারেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হলে, পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করা হবে।

    শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়ার উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তালিকা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও আছে। দেশের পরিস্থিতি, বৃহৎ রাজনৈতিক চাহিদা ও জোটগঠনের বিষয়ে সুদৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। দলটির তরুণ ও প্রবীণ উভয় প্রজন্মের মধ্যে সমন্বয় করে মনোনয়ন প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতেও শক্তিশালী মনোনীত প্রার্থী হয়।

    অবশ্য, দলের ভেতরে এবং বাইরে কিছু নজরদারি ও সুরক্ষার জন্য প্রত্যাশিত তালিকা প্রকাশের সময়ই কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলীয় নেতৃত্ব এ ব্যাপারে সব দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছেন, আওয়ামী লীগ বা অন্য কোনো দলীয় নেতা কিংবা আঞ্চলিক প্রভাবের উপর ভিত্তি করে নয়, বরং তৃণমূলের জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা ও দলের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

  • নির্বাচন দেশের ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন দেশের ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যত দ্রুত নির্বাচন হবে, দেশের সংকট তত দ্রুত কাটবে। তিনি মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ একান্তভাবে নির্ভর করে আগামী নির্বাচনের উপর। সঠিক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালিত হলে সেখান থেকে দেশের উন্নয়নের নতুন পথে হেঁটে আসা সম্ভব।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁওয়ের শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে সদর উপজেলা এবং রুহিয়া থানার বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের বিকল্প কিছুই নেই। দেশের উন্নয়ন, সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও শান্তিপূর্ণ সমাজের জন্য গণতন্ত্রই একমাত্র রাস্তা। তিনি সতর্কতার সাথে উল্লেখ করেন, আমাদের যদি কোন ভুল পদক্ষেপ নিয়ে থাকি বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা আনি, তাহলে ফ্যাসিস্ট শক্তির কবলনে পড়ার ভয় বাড়বে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আমি আর যেনো কোনও ফ্যাসিস্ট শাসনের প্রত্যাশা করি না।

    বিএনপি নেতা আরও বলেন, একসময় দানবীয় শাসনের পর জনগণের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আবার গণতন্ত্র ফিরেছে। আজকের পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ অত্যাচার-অবিচার, মামলা কিংবা পুলিশের হাতে জুলুমের শিকার হয়ে কারাগারে ছিল, কিন্তু এখন তাদের অনেকেরই মুক্তির স্বস্তি রয়েছে।

    মির্জা ফখরুল জানান, প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী হত্যা করা হয়েছে, আবার তিন এমপি সহ প্রায় ১৭০০ নেতাকর্মী গুম হয়েছে। এরপরও বর্তমানে নেতাকর্মীরা কমপক্ষে রাতে স্বস্তিতে ঘুমাতে পারছেন। তিনি বিশেষ করে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক নেতাকর্মীর দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কারাগারে থাকাকালীন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন এবং তাদের জন্য আইনজীবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন তুহিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।