একটি ব্যাপক আলোচনা ও সমঝোতার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত হন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে। এই বৈঠকে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংস্হার প্রতিনিধিরা, যারা নিজেদের সম্মুখীন বিভিন্ন উদ্যোগের প্রতিবন্ধকতা, চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উচ্চ সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি gibi সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন।
Category: রাজনীতি
-

খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির অকুণ্ঠ সম্মান ও গভীর শ্রদ্ধা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো। এই সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে এবং বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন স্তরের শুভানুধ্যায়ী, নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কাছ থেকে যে ভালোবাসা, সমবেদনা ও দোয়ার বার্তা পেয়েছি, তা আমাদের পরিবারের জন্য গভীর প্রত্যয় ও আর্থিক শক্তির উৎস হয়ে উঠেছে। শনিবার বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এসব অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, এই তিন দিনে তিনি মা খালেদা জিয়ার বিভিন্ন দিক ও মূল্যবোধের গভীরতা উপলব্ধি করেছেন। বিভিন্ন মানুষের কাছে তিনি ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক, সাহসের প্রতীক, বিশ্বাসের পক্ষে অটল দাঁড়ানোর প্রেরণা। রাজনৈতিক জীবন ছাড়িয়ে এ প্রেরণা বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং মানুষকে আবেঁকা করেছে নিজস্ব পরিচয়, আদর্শ ও অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে।
তারেক রহমান আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আন্তঃসরকারি সংস্থা, অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের দ্রুত সমন্বিত ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ফলেই এত দ্রুত এই দেহান্তর ও শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দেশের গণ্ডির বাইরেও দেশের স্বার্থে কাজ করা বিভিন্ন দেশের সরকার, কূটনীতিক, ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, তাদের সমবেদনা ও সংহতির বার্তা আমাদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, মিশন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, সমবেদনার চিঠি ও বার্তা—প্রতিটি ঘটনা যেন বাংলাদেশের মানুষের গভীর শ্রদ্ধা এবং অনুভূতির প্রকাশ।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা অগণ্য। তাঁদের দায়িত্ববোধ ও সম্মানজনক সহযোগিতায় এই মর্যাদাপূর্ণ শেষ বিদায় সম্ভব হয়েছে। বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে, যারা সম্মানসূচক গার্ড অব অনার ও শেষ সালাম দিয়ে মায়ের চিরবিশ্রাম নিশ্চিত করেছেন। তাদের এই আচরণ গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহি:প্রকাশ।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অনেক নিঃশব্দ ও নির্মোহ মানুষ এই পুরো প্রক্রিয়ার নীরব সহযোগিতা দিয়েছেন, যারা দায়িত্ব সামলে চলেছেন পিছু ছবি বা জনসম্মুখে না এসে। সেই সকল ব্যক্তির প্রতি অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। আলহামদুলিল্লাহ, তাদের প্রচেষ্টায় পরিবার ও জাতি মর্যাদার সঙ্গে মায়ের স্মৃতি রক্ষা করতে পেরেছে।
সর্বোপরি, তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ বর্বর ও গভীর শোকের সময়ে আসা অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি ও আনুগত্য আমাদের পরিবারের জন্য অসীম গর্বের বিষয়। এই দৃশ্য মানুষের মানবিক আবেগ ও সহমর্মিতার পরিচয়। বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকেও জানাই বিশেষ কৃতজ্ঞতা, যারা এই শোক ও স্মরণ মুহূর্তে পাশে ছিলেন। আপনারা যে ভালোবাসা ও একতা দেখিয়েছেন, তা আমাদের জন্য সম্পদ ও শক্তির উৎস। ইনশাআল্লাহ, এই সকল মূল্যবোধ নিয়ে আমরা আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
-

জামায়াতের মহাসমাবেশ স্থগিত করে ইসলামী আন্দোলন
নির্বাচনের আগে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৃহৎ মহাসমাবেশের পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে গেল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এই কর্মসূচি স্থগিত করেছে। শুক্রবার দুপুরে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মোফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে, গত ২৫ ডিসেম্বর দলের এক মিটিংয়ে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, শহীদ ওসমান হাদীর হন্তারকের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে তারা ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। তবে, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার কারণে, সংশ্লিষ্ট মহাসমাবেশটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়খে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক সহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হয়, যা বিএনপির শক্তিশালী উপস্থিতির পরিচয় দেয়। নির্বাচনের আগে দলটির এই শোডাউন ছিল প্রচার ও শক্তি প্রদর্শনের একটি কৌশল।
এর পরে, জামায়াত ঘোষণা দেয় তারা ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। শুধু তাই নয়, জামায়াতের এই কর্মসূচিরও স্থগিত ঘোষণা আসলে, এরপর ইসলামী আন্দোলনও একই সিদ্ধান্ত নিলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। জামায়াত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার কারণে মহাসমাবেশ স্থগিত করে, আর ইসলামি আন্দোলনও এই কর্মসূচি স্থগিত করল।
-

মুহাম্মদ মুরসালীন ও মুশফিক উস সালেহীন এনসিপি থেকে পদত্যাগ
দুই ঘণ্টার ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। বুধবার বিকেলে দলের যুগ্ম-সদস্য সচিব and মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন অনলাইনে নিজের পদত্যাগপত্র দলের আহ্বায়কের কাছে পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে একদিনে দলের দুইজন নেতা পদত্যাগ করলেন। একই দিনে, দুপুরের দিকে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের ভিডিও বার্তায় এনসিপির যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীনও দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের কিছু নেতার সঙ্গে পুরোনো উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার অংশীদারিত্বের মতো আপসের চেষ্টা চলছে, যা দলের ভেতরে বিভেদ তৈরি করছে। এই আট দিনে মোট আটজন নেতা দলত্যাগ করেন।
জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি জোটের খবর প্রকাশের পর থেকেই এনসিপির কিছু অংশ এই জোটের বিরোধিতা শুরু করে। দলের ৩০ কেন্দ্রীয় নেতা আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর জোটের বিরোধী একটি স্মারকলিপি দেন, যেখানে স্বাক্ষর করেন মুশফিক ও মুরসালীন। এছাড়াও, ২৫ ডিসেম্বর দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বাড়িতে ছয় নেত্রী বৈঠক করেন, যেখানে তারা জামায়াতের সঙ্গে জোটের আসন তালিকা নিয়ে আপত্তি জানান।
এই পদত্যাগের ধারা শুরু হয় তখন, যার মধ্যে তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাকে সমর্থন জানিয়ে সেই দিনই পদত্যাগ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক। এরপর দুদিনের মধ্যে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তাসনিম জারা ও আসেন। স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দেন আরও একজন, তাজনূভা জাবীন। ৩০ ডিসেম্বর আরও দুই নেতা – কেন্দ্রীয় সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল) ও কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী – দল থেকে পদত্যাগ করেন। ৩১ ডিসেম্বর রাতে, এনসিপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিজের পদত্যাগ জমা দিয়ে, যুগ্ম-আহবায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ নিজেকে দলত্যাগের ঘোষণা দেন।
-

তারেক রহমানের একান্ত সচিব হলেন আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির বর্তমান নেতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দপ্তর নতুন নেতৃত্বে ঝলমলে উঠছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ এই দুজন পদে নতুন নিয়োগের মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবেক সরকারি সার্ভিসের কর্মকর্তা এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি তারেক রহমানের সকল ব্যক্তিগত ও দপ্তরীয় কাজকর্ম দেখাশোনা করবেন।
অন্যদিকে, জনপ্রিয় সাংবাদিক ও সাবেক ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) কে দলের প্রেস সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি দলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
দুটি নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে আজ থেকেই এই দুই কর্মকর্তার দায়িত্বভার গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বিএনপি তারেক রহমানের দপ্তর আরও দক্ষ ও গতিশীল হবে বলেই প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে দলের নেতারা।
-

প্রতারণার অভিযোগে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন আরেক নেত্রী
জুলাই মাসে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তার নেতৃত্বের মধ্যে পদত্যাগের নেমে এসেছে ব্যাপক গতি। এই তালিকায় এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছেন নেত্রী নীলিমা দোলা, যিনি দলের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসাবে প্রতারণার অভিযোগ তুলে নিজের পদত্যাগ ঘোষণা করেছেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টে এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমি সমস্ত দায়িত্ব ও পদ থেকে অবসরে যাচ্ছি। আমার মনে হয়, এনসিপির মধ্যপন্থী রাজনৈতিক ধারাকে এখন আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। এতদিন আমি দলের সঙ্গে ছিলাম কারণ ভাবতাম, দলটি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কার চালু করবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর আমি অনুভব করেছি, দলটি ডানপন্থী দৃষ্টিভঙ্গির দিকে ঝুঁকছে এবং সেই নীতির পৃষ্ঠপোষকতায় এগোচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির যে নির্বাচনী জোট, তা কৌশলগত নয়। যদি হতো, তাহলে এত নেতাকর্মী পদত্যাগ করত না। এই জোটটি মূলত দলবদলের মাধ্যমে ভোটের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে, যা অনেকটাই প্রতারণাপূর্ণ।
নীলিমা লিখেছেন, পদত্যাগের পর অনেকেই বলছেন, আমরা ক্ষমতা এবং গুরুত্ব পাওয়ার পরেও দল থেকে গেলাম কেন। কিন্তু তিনি স্পষ্ট করেছেন, তার কাছে দলের কোনো ক্ষমতা ছিল না। বরং তাঁর প্রগতিশীল মানসিকতা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারই দলের জন্য শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি আরও বলেছেন, যারা পদত্যাগ করছেন তাঁদের বামপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা একটি গেমপ্ল্যানের অংশ। এতে করে জামায়াতের কাছে দল বিক্রি সহজ হয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি এত দিনে যারা দল ছেড়ে গেছে, তারা সবাই ডানপন্থী? নাকি একটি কেন্দ্রীয় আদর্শ ভিত্তিক দলই আছেন?
নীলিমা বলেন, আমি এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আগে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজ করেছি। এবং এই দলের সঙ্গে থাকাকালীনও করেছি।
বিশ্লেষকদের মতে, এর আগে এই বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে দলের কিছু নেত্রী নিজেকে পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে ছিলেন ডা. তাসনিম জারা, তাজনূভা জাভীন ও সামান্তা শারমিন।
প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের পর থেকে কয়েকদিনের মধ্যে রাজনৈতিক জোটের অনেক নেতাই দলের বিভিন্ন পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন নাহিদ, সারজিস, হাসনাতরা ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহসহ আরও কয়েকজন নেতা।
-

খালেদা জিয়ার প্রতি জাতির সম্মান অসাধারণ, আমরা কখনোই ভুলবো না
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষ হয়েছে। এই শোকের সময় দেশের বিভিন্ন স্থান এবং বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষীরাও গভীর ভালোবাসা, সমবেদনা ও দোয়া প্রকাশ করেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।
তিনি লিখেছেন, এই তিন দিনে আমরা আরও বুঝতে পেরেছি, আমার মা বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্নভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন; কখনো কখনো তার উপস্থিতি ছিল এতই প্রভাবশালী যে আমরা স্বচক্ষে সবটাই বুঝতে পারিনি। তিনি ছিলেন আপসহীনতার প্রতীক, সাহসের সঙ্গে নিজের বিশ্বাসের পক্ষে দাঁড়ানো এক অনুপ্রেরণা। রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে সেটি আমাদের সকলের হৃদয়ে গভীরভাবে স্থাপন করেছে। বড় একটা বিষয় হলো, তিনি পরিচয়, আদর্শ বা অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে সকলের অনুপ্রেরণা হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাদের উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের নেতৃত্ব ও দ্রুত সমন্বয়ের কারণে এ বিরল ও সম্মানজনক অন্তিম কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
তারেক রহমান আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশের আত্মীয় ও বন্ধু রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিবিদ এবং বিভিন্ন দেশের অংশীদারদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। দেশের বাইরে থেকে আসা সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ, বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সহমর্মিতা, সম্মানিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অনুভূতি—এসবই ছিল এক অপূর্ব অনুভূতির প্রকাশ।
তিনি বলেন, আমি আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সশস্ত্র বাহিনী, নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যকে। মায়ের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে তাদের দায়িত্ববোধ ও শ্রদ্ধা আমাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। এই শোকের মুহূর্তগুলো যেন মর্যাদা ও সম্মান সহকারে শেষ হয়, এ জন্য যারা উদ্যোগ নিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সম্মানসূচক গার্ড অব অনার এবং শেষ সালাম মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। এতে জাতীয় সম্মান ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে এবং শেষ সময়েও তার জীবনের মূল্যায়ন হয়েছে।
তারেক রহমান আরও জানান, অনেক মানুষ আছেন, যাদের নাম বা ভূমিকা সবসময় উল্লেখ সম্ভব নয়, কিন্তু তারা নির্বিঘ্নে, কথায় কথায় এই প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করেছেন। তাঁদের জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের প্রচেষ্টা এবং সহযোগিতায় আমাদের পরিবার ও জাতি মর্যাদার সঙ্গে মায়ের স্মৃতিকে ধারণ করতে পেরেছে।
তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে উপস্থিত লাখো মানুষের সমবেত উপস্থিতি দেশনেত্রীর প্রতি গভীর অনুভূতি ও সহমর্মিতা বোঝায়। এই শক্তিশালী ঐক্য এমন একটি মানবিক ও গণমানুষের অনুভূতির প্রতিফলন। পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে যারা এই শোক ও স্মরণে আমাদের পাশে ছিলেন, তাদের সবাইকেই আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা দেখিয়েছেন যে ভালোবাসা ও সংহতি আমাদের নির্লিপ্ত ও দৃঢ় রাখে, এবং এর মাধ্যমেই আমরা আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
-

দেশের স্বার্থে অতীতে একসাথে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব
দেশের স্বার্থে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেমন একসাথে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও একইভাবে একজোট হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও সমবেদনা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে জামায়াতের আমির বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, দেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে দাঁড়িয়ে। সামনে একদিকে জাতীয় নির্বাচন ও অন্যদিকে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংযোজনে তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার, আর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন—এ দুটি দফতর যাতে নির্বিঘ্ন, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
তিনি আরও জানিয়েছেন, আমরা সকলে একত্র হয়ে দেশের স্বার্থে অতীতেও কাজ করেছি এবং আগামীতেও করব। তারেক রহমান সহ বিএনপির নেতারাও একই আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরাও একই প্রত্যাশা পোষণ করেছি।’
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার পাশাপাশি তিনি ছিলেন এক সংগ্রামী ও আপসহীন নেত্রীর জীবন। তিনি গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সংগ্রামে গিয়ে তার শেষ সময়টায় তাকে জেলেও একাকী জীবন কাটাতে হয়েছে। তখন তিনি দেশের শাসকদের অবমাননাকর আচরণের শিকার হয়েছিলেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার উপর বিভিন্ন সময় সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যখন তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, তখন দেশি-বিদেশি নানা চিকিৎসার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু তখন সরকারের পক্ষ থেকে অবহেলা ও উপহাস করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেন, কিন্তু ততদিনে তার স্বাস্থ্যে বেশ ক্ষতি হয়ে গেছে। ব্রিটেন থেকে ফিরে এসে তার শারীরিক অবনতি ঘটে। বর্তমানে তিনি দেশে থাকাকালীন চিকিৎসা নিচ্ছেন। আল্লাহ তাকে যেন রহমত করেন এবং জান্নাতের অর্ধেক স্থান দিন, এই আর্জি জানালেন ডা. শফিকুর রহমান।
বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি যেন জাতির জন্য একজন সংগ্রামী নেতা হিসেবে ইতিহাসের বিরল সম্মান নিয়ে চলে গেলেন। তার বিদায় উপলক্ষে গতকাল যে সংবর্ধনা ও আনুষ্ঠানিকতা হয়েছিল, লোকজন আবেগে ভরে চোখের জল দিয়ে তাকে বিদায় জানিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি তার অবদান ও সাহসের জন্য প্রাপ্য স্বীকৃতি।’ তার এই অবদান দেখে আমরা উদ্বুদ্ধ হই এবং আশা করি, আমরাও যদি জনগণের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে একদিন আমাদেরও এমন বিদায় ঢের মর্যাদাপূর্ণ হবে।
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথে ও দেশের স্থিতিশীলতার জন্য ডা. শফিকুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পাঁচ বছরের জন্য হলেও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সবাই একত্র হয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার পরিকল্পনা করতে পারি। দেশরত্ন নেত্রীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আবারও বসার জন্য প্রস্তুত থাকবো।
অন্তিমে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান, তার পরিবারের সদস্যদের এবং চিকিৎসকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছেন।
-

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি একটি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য ঘোষণা করেন।
কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদু। এছাড়া, প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। আরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ.কে. এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মেজর জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ.বি.এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এডভোকেট বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, ماسুল্লা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।
বিএনপি সকল সংশ্লিষ্ট সদস্যদের এই দায়িত্ব অত্যন্ত সতর্কতা ও আন্তরিকতার সাথে পালনের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।
-

ইসলামী আন্দোলন Morris সামাবেশ স্থগিত করলো জামায়াতের পর
নির্বাচনের আগে রাজধানীতে আগামী ৯ জানুয়ারি ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় বৈঠকে, যেখানে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মহাসমাবেশটিকে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার দুপুরে, দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে।
এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর দলের এক বৈঠকে জানানো হয়েছিল যে, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীকে গ্রেফতার, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে দল। তবে, নানা প্রাকৃতিক ও প্রশাসনিক কারণে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের নামে এই কর্মসূচি স্থগিত রাখে।
তবে, নির্বাচনের আগে দলের এই শোডাউন লক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেন। এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় ব্যাপক জন সমাগম ঘটে যেখানে বিএনপি তাদের শক্তি 보여 দেয়। এরপর, জামায়াতও ঘোষণা দেয় ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। এর ফলে, ইসলামী আন্দোলনও একই ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। তবে জামায়াত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য এই কর্মসূচি স্থগিত করে। এখন, ইসলামী আন্দোলনও তাদের এই কর্মসূচি পিছিয়ে দেয়।
