Category: রাজনীতি

  • বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

    বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি একটি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য ঘোষণা করেন।

    কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদু। এছাড়া, প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। আরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ.কে. এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মেজর জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ.বি.এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এডভোকেট বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, ماسুল্লা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।

    বিএনপি সকল সংশ্লিষ্ট সদস্যদের এই দায়িত্ব অত্যন্ত সতর্কতা ও আন্তরিকতার সাথে পালনের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।

  • ইসলামী আন্দোলন Morris সামাবেশ স্থগিত করলো জামায়াতের পর

    ইসলামী আন্দোলন Morris সামাবেশ স্থগিত করলো জামায়াতের পর

    নির্বাচনের আগে রাজধানীতে আগামী ৯ জানুয়ারি ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় বৈঠকে, যেখানে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মহাসমাবেশটিকে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় শুক্রবার দুপুরে, দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে।

    এর আগে, ২৫ ডিসেম্বর দলের এক বৈঠকে জানানো হয়েছিল যে, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীকে গ্রেফতার, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে দল। তবে, নানা প্রাকৃতিক ও প্রশাসনিক কারণে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণের নামে এই কর্মসূচি স্থগিত রাখে।

    তবে, নির্বাচনের আগে দলের এই শোডাউন লক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেন। এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় ব্যাপক জন সমাগম ঘটে যেখানে বিএনপি তাদের শক্তি 보여 দেয়। এরপর, জামায়াতও ঘোষণা দেয় ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। এর ফলে, ইসলামী আন্দোলনও একই ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। তবে জামায়াত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য এই কর্মসূচি স্থগিত করে। এখন, ইসলামী আন্দোলনও তাদের এই কর্মসূচি পিছিয়ে দেয়।

  • মুহাম্মদ মুরসালীন ও মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের ঘটনায় এনসিপিতে শঙ্কার সৃষ্টি

    মুহাম্মদ মুরসালীন ও মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের ঘটনায় এনসিপিতে শঙ্কার সৃষ্টি

    দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র দুই কেন্দ্রীয় নেতা নিজেদের পদত্যাগ করেছেন। বুধবার দুপুরে দলের যুগ্ম-সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীেন নিজের ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করেন যে, দলটি পুরোনো উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা ও অবৈধ চক্রের সঙ্গে আপস করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দলের নেতারা মতের verschillen ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চাপের কাছে নতিস্বীকার করেছেন, যা দেশের স্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, দল থেকে পদত্যাগ করবেন। একই সময়ে, আরেক নেতা মুহাম্মদ মুরসালীন এনসিপির পক্ষ থেকে অনলাইনে তার পদত্যাগপত্র পাঠান দলটির আহ্বায়কের কাছে। তিনি দলের বিরুদ্ধে ‘বিরোধীদলীয় অপপ্রচার এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য পশ্চিমা শক্তির ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার’ অভিযোগ তোলেন। এই দুই নেতার পদত্যাগের মাধ্যমে একদিনের মধ্যে এনসিপি থেকে মোট আটজন নেতা তাদের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর আগে, গত ঠিক একই দিন দুপুরে নেতাদের মধ্যে জোটের সমালোচনা ও বর্তমান নীতির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন, ও দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর জোটের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতারা আহ্বায়কের কাছে স্মারকলিপি দেন। উল্লেখ্য, এই পদত্যাগের হিড়িক শুরু হয় যখন দলের কেন্দ্রীয় নেতা তারেক রহমান দেশে ফেরেন। তার সমর্থনে একই দিন পদত্যাগ করেন দলের যুগ্ম-সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক, এরপর অন্যান্য নেতারাও নিজেদের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ৩০ ডিসেম্বর আরও দুই নেতা—কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল ও কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী—নিজেদের দলে থাকাকালীন পদত্যাগ করেন। এরপর ৩১ ডিসেম্বর রাতে, যুগ্ম-আহবায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এই ধারাবাহিক পদত্যাগের ঘটনায় এনসিপির ভবিষ্যৎ অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, আর দলের ভিতরে অবস্থিতির সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছে বিশ্লেষকরা।

  • তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেন আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

    তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেন আব্দুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন নিয়োগ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে এখন থেকে তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহ শিবলীকে বিএনপির প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দুই কর্মকর্তা আজ থেকে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে বিএনপি নিজেদের দপ্তর ও জনসংযোগ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে চাচ্ছে।

  • নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ বলেছেন, দেশের শক্তিশালী পক্ষসমূহের সমন্বয়ে গঠিত ভোটাররা আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করে দেখাতে সক্ষম হবে এবং সেই মাধ্যমে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য এই শক্তি সরকারি বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘকাল আন্দোলন চালিয়েছেন, কারাভোগ করেছেন এবং সর্বশেষ অসুস্থ থাকলেও তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি। তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মাটির প্রতি প্রেম দেশের সবাইকে আণন্দিত করেছে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিশেষ করে যখন দেশের সংকটময় পরিস্থিতি ছিল, তখন তিনি তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছে, তার জন্য দোয়া ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। এই শোক ও সমবেদনা এই কথাও প্রমাণ করে যে, তিনি চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্রের জন্য আরো এক শক্তির সংকেত দিয়েছেন।’

    মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের এই গভীর ভালোবাসা দলটিকে আরও শক্তিশালী করবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করার দুর্দান্ত আস্থা রয়েছে সাধারণ মানুষের।’

  • এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন পদত্যাগ করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেন, আমি খান মুহাম্মদ মুরসালীন এত দিন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। পাশাপাশি পার্টির মিডিয়া সেল, প্রচার ও প্রকাশনা সেলে কাজ করেছি। সম্প্রতি পার্টির নির্বাচনকালীন মিডিয়া উপকমিটির সেক্রেটারি হিসেবেও কিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছিলাম। মুরসালীন উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে তিনি সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি একটি ভিডিও বার্তায় দেবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করছেন না। তার কথায়, দেখা হবে রাজপথে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি থেকে অন্তত ৯ জন নেতার পদত্যাগের খবর জানা গেছে।

  • বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিএনপি এই তথ্য জানায়।

    কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদুকে। পাশাপাশি প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে থাকছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এড. মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মে’ল জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এড. বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এড. কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ডাঃ হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।

    বিএনপি এই কমিটির দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।

  • দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও করব বলে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ ও সমবেদনা জানানোর সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের আমির বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। পরে বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে entering করছে। সামনে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার, আর নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন — এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে চাই আমরা। আশা করছি, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই একমত, দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, সামনের দিনেও করব। তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দও একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর পাশাপাশি তাঁর সংগ্রামী ও আপসহীন জীবন সংগ্রাম ছিল অনন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় তিনি জীবনদান করেছেন। নিজের বিরুদ্ধে রাজনীতি অপপ্রয়োগের বিভ্রান্তির মাঝেও তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। তার শেষ জীবন অক্লান্ত সংগ্রামেরই প্রমাণ।

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় সরকারের অবহেলা ও অবজ্ঞার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর বলেন, গুরুতর অসুস্থ থাকাকালে বারবার বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও সরকার তা উপেক্ষা করে উপহাস করেছিল। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি বিদেশে চিকিৎসা নেন, কিন্তু তখন তার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ব্রিটেন থেকে ফেরার পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে দেশেই চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন, জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

    তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চমৎকার বিদায় ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ইতিহাস রয়ে গেছে। তার বিদায় অনুষ্ঠানে মানুষের চোখে জল ও আবেগ, যা তার রাজনৈতিক জীবনের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। জাতির জন্য তার অবদান আজও স্মরণীয় এবং তার মাধ্যমে আমরা অনুপ্রেরণা পাই। আমরাও যদি দেশের জন্য কিছু করতে পারি, একদিন হয়তো আমাদেরকেও এভাবেই বিদায় জানানো হবে।

    ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের জন্য তিনি বলেন, পার্থক্য থাকলেও সবাই একত্র হয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করার লক্ষ্য রাখতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া যে ঐক্য ভিত্তি স্থাপন করেছেন, সেই ভিত্তিতেই আমরা দায়িত্ব পালন করব। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগে আবারও বসে খোলামেলা আলোচনা করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেব।

    শেষে তিনি বিএনপি নেতাদের, তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের, এবং জিয়াদের চিকিৎসায় নিযুক্ত চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

  • মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    দুই ঘণ্টার ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন যুগ্ম-সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন, যিনি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় দলের আহ্বায়ককে অনলাইনে পদত্যাগ পত্র পাঠান। এর আগের দিন দুপুরে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দলের যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীনও পদত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপি ‘পুরোনো উপনিবেশিক ব্যবস্থার অংশীদারদের সঙ্গে আপস’ করছে, যা দলের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। গত আট দিনে এই প্রথম নয়জন নেতা পদত্যাগ করলেন।

  • মায়ের ত্যাগ, উদারতা ও দেশের জন্য শক্তি খুঁজে পাই: তারেক রহমান

    মায়ের ত্যাগ, উদারতা ও দেশের জন্য শক্তি খুঁজে পাই: তারেক রহমান

    দেশবাসীর গভীর মমত্ববোধে আপ্লুত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভরপুর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশের মতো নয়। তবে এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষজনের অপরিসীম উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বের দুঃখ কিছুটা প্রশমিত করেছে।’ তারেক রহমান আরও যোগ করেন, ‘অগণিত নেতা-কর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশের মানুষজনের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আমি গভীরভাবে আবেগপ্রবণ। লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্মান ও ভালোবাসা, এবং এই কঠিন সময়ে পাশে থাকা আমাকে আবারো ভাবিয়ে তুলেছে—তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না, তিনি বহু দিক থেকে পুরো জাতির মা।’ তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা আমার মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, এর জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যারা এই শোকসন্তপ্ত সময়ে সমবেদনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতিও আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয়ে গভীর ছোঁয়া দিয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শোকের এই মুহূর্তে আমি আমার প্রিয় বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করছি। আজ এত মানুষের ভালোবাসায় ভরপুর হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা কাটিয়ে বাংলাদেশ যেন পুরো পরিবারের মতো হয়ে উঠেছে।’ তিনি বলেন, ‘অব্যাহতভাবে মানুষের সেবা করে বৃথা যায়নি আমার মায়ের অর্জন। আজ আমি সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার অবিচলভাবে আপনা হাতে তুলে নেব। আমার মা যে পথচলা শেষ করেছেন, সেখানে আমি সেই পথ এগিয়ে নিয়ে যাব। তাদের জন্য, যারা ভালোবাসা ও বিশ্বাস দিয়ে তাকে জীবনশক্তি ও প্রেরণা দিয়েছেন। আল্লাহ যেন আমার মা’য়ের রুহকে শান্তি দেন, আর তিনি যে অসীম ভালোবাসা, ত্যাগ ও উদারতার দৃষ্টান্ত আমাদের দেখিয়ে গেছেন, এখান থেকেই আমরা শক্তি, ঐক্য ও দেশপ্রেম খুঁজে পাই।’