Category: জাতীয়

  • ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচনের ভুল যেন আবার না হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচনের ভুল যেন আবার না হয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ভুলে যাওয়া উচিত, যেন আগামীর ভোটগুলো শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর এবং অংশগ্রহণমূলক হয়।

    রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই প্রশিক্ষণটি নির্বাচনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন শুধু পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়। রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গেও সমন্বয় Wichtig। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।

    পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করবেন না। মনোযোগ দিন জনগণের দিকে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করুন। মনে রাখবেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সবার অংশগ্রহণে সফল করা।

    প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মাস্টার ট্রেইনারদের জন্য নির্বাচনের কৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছে, এবং এখন মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ চালু হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    পুলিশের স্বচ্ছ নিয়োগ ও পোস্টিং নিয়ে তিনি জানান, এইবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত সৎ ও নির্বিঘ্ন ছিল। কাউকে মন্ত্রালয় থেকে সরাসরি সুপারিশ করা হয়নি। নিয়োগ এবং পোস্টিং সম্পূর্ণ লটারি পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও চালু থাকবে।

    এছাড়াও, তিনি অতীতের কিছু সফলতার ব্যাপারে সঠিক প্রচার না হওয়ার দুঃখ প্রকাশ করেন। বলেন, সফলতার খবর বেশি প্রচার হয় না, তবে ব্যর্থতাগুলো ব্যাপকভাবে দেখা হয়।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কিছু অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য জঙ্গি ও ফ্যাসিস্ট সহযোগীদের চক্রান্তের উল্লেখ করে বলেন, সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কিছু ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম এখনও চলমান, এবং পূজার সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

    নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখতে হবে বলে গুরুত্ব দেন তিনি। শেষ সবকিছু মিলিয়ে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

  • ‘ছাগলকাণ্ড’ সম্পর্কিত অভিযোগে মতিউর রহমানের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

    ‘ছাগলকাণ্ড’ সম্পর্কিত অভিযোগে মতিউর রহমানের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

    আলোচিত ‘ছাগলকাণ্ড’ এর সঙ্গে যুক্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের আশপাশে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। এর ফলে, তাকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে ১১ পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আবুল কাশেম, কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, কবির হোসেন, ইমরান, নির্জন খান, শামীম আলম, রনি হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তানভীর রহমান, আবু সাঈদ মিয়া এবং রবীন্দ্র দাস। শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত শাস্তির আদেশ জারি হয়।

    ঠিক ঘটনা অনুযায়ী, মতিউর রহমান দুদকের মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ কারাগারে বিচারাধীন ছিল। ১২ আগস্ট তাকে তথ্যপ্রমাণের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। হাজিরার শেষে ফেরার পথে, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিছু পুলিশ সদস্য তার জন্য একটি পৃথক কক্ষে খাওয়াদাওয়ার arrangements করেন, যেখানে অন্য পুলিশ সদস্যরা সাধারণ স্থানে খাবার গ্রহণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণ হয়। এরপর, তদন্তের ফলে, অভিযোগের সত্যতায় সন্তোষজনক প্রমাণ পাওয়া গেলে, শনিবার মোট ১১ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • খুলনা ছাত্রদলের নেতাকে ভোট চাওয়ায় বহিষ্কার

    খুলনা ছাত্রদলের নেতাকে ভোট চাওয়ায় বহিষ্কার

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এক নারীবিষয়ক শিক্ষার্থীর কাছে ফোন করে ছাত্রদলের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগে খুলনার এক ছাত্রদল নেতাকে কেন্দ্রীয় কমিটি বহিষ্কার করেছে। এই সিদ্ধান্ত শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) একটি 공식 বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়, যেখানে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই পদক্ষেপের অনুমোদন দেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো সাংগঠনিক নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও যদি সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগ ওঠে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে, খুলনা জেলা শাখার অধীনস্থ পূর্ব রূপসা থানার ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমতিয়াজ আলী সুজনকে সংগঠনের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    এদিকে, ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে যেন তারা বাড়িতে গিয়ে বা ফোন করে ভোট চাওয়া থেকে বিরত থাকেন। এই বিষয়ে এক ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম বলেন, ‘ডাকসু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার। কোনও অতি উৎসাহী নেতাকর্মীর কারণে যেন আমাদের ছাত্র রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আমি অনুরোধ করছি, ভোটের জন্য কোনও ধরনের চাপ প্রয়োগ করবেন না। আমরা আপনাদের আবেগের মূল্য বুঝি, কিন্তু এ ধরনের কাজ ছাত্রসমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা যতদিন ছাত্রদলের পক্ষ থেকে থাকবো, যেখানে অন্যায় হবে, সেখানেই প্রতিবাদে সোচ্চার থাকবো। অন্যায়ের প্রতিবাদে সবসময় দিয়েই আমাদের অবস্থান। আজ খুলনার রূপসা উপজেলায় আমার অনুমতি না নিয়ে একজন ছাত্রনেতা ঢাবি এক শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে ভোট চেয়েছেন— যা আমি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে inform করেছি এবং বহিষ্কারের জন্য অনুরোধ পাঠিয়েছি। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এই সিদ্ধান্তের জন্য আমি কৃতজ্ঞ, কারণ আমাদের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ছাত্ররাজনীতি অব্যাহত রাখা।’

  • আজ সরকারি ছুটি থাকছে না

    আজ সরকারি ছুটি থাকছে না

    ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপনের জন্য আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই বছর ২৬ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরু হয়েছে। এর ভিত্তিতে ৬ সেপ্টেম্বরকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর দিন হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে। এই দিবসের কারণে, গত ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার ছুটি পুনঃনির্ধারণ করা হয়। তবে, এ দিন সরকারি ছুটি থাকলেও অনেকেই এই ছুটির আওতায় থাকবেন না। জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলোর কর্মীরা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাক সেবা, হাসপাতাল, চিকিৎসা ওষুধ সরবরাহ, এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহনের কর্মীরা এ ছুটির বাইরে থাকবেন। পাশাপাশি, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলিও এই ছুটির আওতায় আসবে না।

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ: হেফাজতের হুঁশিয়ারি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ: হেফাজতের হুঁশিয়ারি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের জন্য সম্প্রতি জারির নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, এই গেজেট যদি অবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে তারা রাস্তায় দাঁড়াবেন এবং গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সংগঠনের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন।

    তাদের মতে, ইসলামে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং সঙ্গীত কোনও মৌলিক শিক্ষার অংশ নয়। বাংলাদেশের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে, মুসলিম অভিভাবকদের মতামত না নিয়ে তাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত নিষিদ্ধ করা কতটা ঠিক? তাই তারা দাবি করেন, এই গেজেট যেন দ্রুত বাতিল করা হয়, এবং পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। অন্যথায়, তারা আরো উল্লেখ করে, দেশের মুসলিম শিশু-কিশোরদের ইসলামি মূল্যবোধ ও ঈমান রক্ষা করার জন্য বৃহত্তর ইসলামী জনতাকে সংগঠিত করে গণআন্দোলন গড়ে তুলবেন।

    হেফাজত নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, এলজিবিটি ও গানের মাধ্যমে ইসলামি মূল্যবোধ থেকে মুসলিম শিশুদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা সংস্কৃতি ও পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলেই এই ইসলাম বিরোধী অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং এটি দুর্বল সরকারের অজান্তে বা ইচ্ছে করে চলছে।

    নেতৃদ্বয় অবেদন করেন, প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বহু পুরোনো হওয়া সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সঙ্গীত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া এখন এক প্রকার দেশের ইসলামি মূল্যবোধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ। পাশাপাশি তারা বলেন, সাধারণ শিক্ষার মানও দ্রুত উন্নত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের ছাত্রেরা মৌলিক বিষয়ে দুর্বল থেকে দুর্বলতর না হন।

    তারা উল্লেখ করেন, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম শহিদ হয়েছেন। ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। সরকারের কাছে তারা আশা প্রকাশ করে, শীঘ্রই প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষকদের নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করবেন। তাঁরা আরও বলেন, তারা চান না, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলেম-ওলামাদের মধ্যে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হোক। সংগঠনের বিবৃতিতে তারা সরকারের প্রতি এই আহ্বান প্রকাশ করেন যেন, যেন দ্রুত এই ভুল সিদ্ধান্ত সংশোধন হয় এবং দেশের আলেমদের মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

  • মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু

    মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু

    মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদ খেয়ে একদিনের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ও অতিরিক্ত মদপানের কারণে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময়টা ছিল বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার মধ্যে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সবার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। কাঠাদিয়া গ্রামে মতি বেপারীর বাড়িতে একটি গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে হয়তো এই মদপানের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- কাঠাদিয়া গ্রামের বাচ্চু বেপারী (৬৫), ইব্রাহিম মুন্সী (৭০), রহমত উল্লাহ বেপারী (৬৮) এবং মহাকালী ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড় এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫)।

    এছাড়া আরও তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন— রহমতুল্লাহ (৬৫), আল আমিন সরকার (৪৫), সিজান বেপারী (২৬)।

    কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়েছি সবাই মদপান করেছিলেন। এরপর তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং চারজনের মৃত্যু হয়। অন্যরা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

    টঙ্গীবাড়ী থানার ওসি মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাইনি। তদন্ত চলছে।’

  • রাজবাড়ীর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

    রাজবাড়ীর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

    রাজবাড়ীর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে। এসময় তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গোয়ালন্দে নুরুল হক মোল্লা বা নুরাল পাগলার কবর অবমাননা ও মরদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করে, এই অমানবিক, ঘৃণ্য কাজটি আমাদের মূল্যবোধ, আইনি ব্যবস্থা ও একটি ন্যায়ভিত্তিক, সভ্য সমাজের মৌলিক ভিত্তির ওপর একটি সরাসরি আঘাত। এই ধরনের বর্বরতা কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানুষের জীবনের পবিত্রতা, জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পরেও রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের জনগণকে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে যে, এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীরই জবাবদিহিতা থেকে ছুটি নেই। যারা এইঘৃণ্য কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তারা দেশের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঘৃণা ও সহিংসতাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করুন। সহিংসতার বিরুদ্ধে একযোগে অবস্থান নিয়ে ন্যায়ের জন্য এবং মানবতার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গড়ে তুলুন।

  • লক্ষ্মীপুরে বাসের খালে পড়ে নিহত ৫

    লক্ষ্মীপুরে বাসের খালে পড়ে নিহত ৫

    লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে গেলে হতাহতদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। এ দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে বর্তমান অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর.sাড়ে ৮টার দিকে এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন: সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের শেখপুর এলাকার মোরশেদ আলম, জয়নাল আবেদিন, এবং নওগাঁর আফসার উদ্দিনের ছেলে হুমায়ূন রশিদ। পথচারীরা জানান, তারা নিহতের লাশের তালিকা সম্পন্ন হওয়ার আগেই গিয়ুক্ত হন আরও দুজন, এখনও তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে চালক আনন্দ পরিবহনের বাসটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাসটি চন্দ্রগঞ্জ কফিলউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনের রাস্তা পার হচ্ছিল, তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়।

    খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ২০ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে গাড়ি থেকে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজুল আজীম নোমান জানান, দুর্ঘটনার পেছনে বাসের বেপরোয়া গতি বিষয়টি মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহত ব্যক্তির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমান-বাবরের খালাসের রায় স্থায়ী

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমান-বাবরের খালাসের রায় স্থায়ী

    বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সকল আসামির খালাসের রায় গত বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের আপিল বিভাগ স্থায়ী করলেন। এই রায়ের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে থাকা সকল অভিযোগ খারিজ হয়।

    একইসঙ্গে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টের পূর্বের পর্যবেক্ষণগুলো বাতিল করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, মামলার নতুন করে তদন্ত করতে হলে সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।

    প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে থাকা ষোড়শ আদালত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন, যেখানে আরও পাঁচ বিচারপতি উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে, আদালত রাষ্ট্রপক্ষের করা মামলা পুনর্বিবেচনা বা আপিলের বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    সর্বোচ্চ আদালতে তারেক রহমানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে, বিএনপির আইনজীবীরা ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও অনেকে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক এবং অন্যান্য সহকারী অধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ১ ডিসেম্বর নিম্ন আদালত এই দুই সাবেক নেতা সহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দিয়েছিলেন। তখন তারা সবাই বিভিন্ন অংগে অভিযুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রোটিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুও. ২০১৮ সালের ওই কাজে আদালত নির্দেশনা অনুযায়ী, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা অবৈধ বলেছিল, কারণ মূল চার্জশিটে ত্রুটি ছিল।

    এর পর, রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালত বা হাইকোর্টে আপিল করে। গত জুনে, আপিল বিভাগ আপিলের অনুমতি দিয়েছেন।

    নিম্ন আদালতের রায়ে, ২০১৮ সালে ২১ আগস্ট হামলা ও হত্যাকাণ্ডের জন্য মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসি ও যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা হয়েছিল। এই রায়ে বয়সের বিচার ও সাবেক নেতাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

    বিশেষ করে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, বিভিন্ন সেনা কর্মকর্তা ও জঙ্গি সংগঠনের নেতা। অপর পক্ষে, বিষখ্য জেল বা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ বেশ কয়েকজন।

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এই হামলার ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম একটি কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

  • অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা গড়ে উঠছে: ইফতেখারুজ্জামান

    অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে নতুন ব্যবস্থা গড়ে উঠছে: ইফতেখারুজ্জামান

    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, অর্থপাচার অর্ধেক কমেনি, তবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এখন বেশি কার্যকরী হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হওয়ায় পাসের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ পাচারের সুযোগ অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আগের মতো ঢালাওভাবে ঋণ নিয়ে বিদেশে টাকা পাঠানোর পথ কঠোরভাবে বন্ধ হয়েছে।

    আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ধানমন্ডির টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, ব্যাংকিং সেক্টরের অধিকাংশ অপরাধী এখন বিভিন্নভাবে দেশের বাইরে কিংবা বিচারাধীন অবস্থায় আছেন। ফলে, এই ধরনের অপরাধের দিক থেকে ব্যাংকিং সেক্টর এখন অনেকটাই নিরাপদ হয়েছে। এর মধ্যে নতুন কিছু অপরাধী বা অপকর্মের জন্ম হয়নি বলেও তিনি আশ্বাস দেন; তবে পুরোপুরি পরিবর্তন আসেনি, কারণ এখনও কিছু বিষয়ে সংস্কার প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, বিদেশে কর্মরত অভিবাসীদের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থপাচার হয়। সাধারণত, তারা দেশের বাইরে থেকে আয়ের টাকা সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলেও পাঠায়। কিন্তু অধিকাংশ সময় তা অপব্যবহার করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচার হয়। এখন সেটাও মোটামুটি নিয়ন্ত্রিত হলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসানো যায়নি।

    এছাড়া, আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে চালান জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থপাচার হয়। ইফতেখারুজ্জামান জানান, আমাদের দেশের অর্থপাচারের বেশির ভাগ অংশই বর্তমানে নিয়ন্ত্রিত। তবে, পুরোপুরি সংস্কার না হওয়ায় বাস্তব ব্যাপারে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ কার্যকর হয়নি। কিছু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, এবং সরকারের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। কারণ, পাসের পর টাকা ফেরত আনা খুবই কঠিন ও জটিল কাজ। অর্থাৎ, টাকা যখন বিদেশে যায় তখন তা ফেরত আনার প্রক্রিয়া খুবই দীর্ঘমেয়াদি এবং জটিল। তাই, প্রতিরোধের জন্য আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

    ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যারা দেশের বাইরে টাকা পাচার করে থাকেন, তাদের যদি এই সুযোগ না থাকত তাহলে তারা লন্ডন, কানাডা বা দুবাইয়ে অর্থ লগ্নি করতে পারতো না। এই সুযোগগুলোর ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে। সরকারপ্রয়োগিত আইনগুলো আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে, যাতে অর্থ পাচার প্রতিরোধ সম্ভব হয়।