Category: জাতীয়

  • ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে এনটিআরসিএর শাটডাউন হুঁশিয়ারি

    ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে এনটিআরসিএর শাটডাউন হুঁশিয়ারি

    চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত শূন্যপদে যোগ করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে সুপারিশ বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জন প্রার্থীর দ্রুত নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তারা। এই দাবি না মানা হলে, শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অফিস বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই হুঁশিয়ারি উচ্চারিত করেন। এসময় ঘোষণা করা হয়, তারা রোববার (১২ অক্টোবর) শাহবাগে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ করবে।

    তাদের দুটি প্রধান দাবি হলো: প্রথমত, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদে যোগ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১২ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, নীতিমালা পরিবর্তনের আগে, চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে, শূন্য পদে নতুন করে যোগ করে সবাইকে নিয়োগের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও জানান, তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, সম্প্রতি সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী নানা কারণে যোগদান করবেন না, ফলে শিক্ষক সংকট আরও গাঢ় হবে। একারণে শিক্ষাব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়বে। এ কারণে, অযোগ্য বা অনুপযুক্ত প্রার্থীদের শূন্য পদে যোগ করে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করার পক্ষে তারা।

    তারা আরও বলেন, এনটিআরসিএর একটি দুঃখজনক পদ্ধতি হচ্ছে, সব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ মেধা যাচাই-বাছাই সত্ত্বেও অনেক যোগ্য প্রার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশ না করে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করে দেয়। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর, কিছু প্রার্থীকেও কম নম্বর পেয়ে কলেজের প্রভাষক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

    তবে বর্তমানে ৫০ পয়েন্টের বেশি নম্বর প্রাপ্ত অনেক যোগ্য প্রার্থীও অযোগ্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, কিছু সংখ্যক নিয়োগের মাধ্যমে বাকিদের বঞ্চিত করে, নতুন নিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকার অর্থলোভে হাজারো শিক্ষকের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    একপ্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিয়োগের সব ধাপ উত্তীর্ণ হয়েছি, শুধু একটি কাগজের সনদ পাওয়ার জন্য। গত নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভা খুব কঠিন ছিল, তারপরও আমরা পার করেছি, কিন্তু এখনো বঞ্চিত হচ্ছি। এটি একেবারে বৈষম্য।

  • মেনন, পলক ও দস্তগীরসহ চারজনের নতুন গ্রেফতারি মামলা

    মেনন, পলক ও দস্তগীরসহ চারজনের নতুন গ্রেফতারি মামলা

    জুলাই মাসের আন্দোলনের ঘটনায় রাজধানীর বনানী এলাকায় মো. শাহজাহান হত্যাকাণ্ডের মামলায় বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুল ইসলাম ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে নতুন করে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদেকুর রহমানের আদালত এ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর অনুরোধ মঞ্জুর করেন।

    এছাড়াও, এ ঘটনায় অন্য আসামি হিসেবে আছেন ঢাকার উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    সচেতনতা ব্যক্ত করেছেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা, যারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সকালেই তাদের শাটলাসহ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াছির আরাফাত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালতে হাজির করার সময় তাদের শরীরে ছিল হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, ওই দিন সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার প্রাথমিক তদন্তের জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত বছর ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেওয়াকালে আলোকিত নেতা মো. শাহজাহানকে অস্ত্রের মুখে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার জন্য দায়ী করে ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে শাহজাহানের মা সাজেদা বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গুলিবর্ষণকারীরা দেশীয় অস্ত্রসহ বিস্ফোরক ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল। শাহজাহান চার দিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

  • আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু, ট্রাইব্যুনালে কর্মকর্তা নিয়োগ

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু, ট্রাইব্যুনালে কর্মকর্তা নিয়োগ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এরপরই তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, গত রোববার (৫ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে बातचीतকালে প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগকে অপরাধী সংগঠন হিসেবে আইনীভাবে তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। দলটির পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর আগে আমাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে এটি নিশ্চিত যে, অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।’

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বরিশালে এক অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন উপদেষ্টা বলেছিলেন rằng, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটি দ্রুতই প্রত্যাহার হবে না। পাশাপাশি, দলটির বিরুদ্ধে বিচার সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন।

  • বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত

    সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এখন থেকে এসব নিয়োগ ব্যবস্থা সম্পন্ন হবে মাধ্যমেই নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, যা এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে হবে। উল্লেখ্য, এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার জারি করা হয়েছে, যেখানে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে।

  • অন্তর্বর্তী সরকার পেল নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন

    অন্তর্বর্তী সরকার পেল নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন দুইটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই দুই চ্যানেল হলো ‘নেক্সট টিভি’ এবং ‘লাইভ টিভি’। নেক্সট টিভির লাইসেন্স লাভ করেছেন মো. আরিফুর রহমান তুহিন, আর লাইভ টিভির জন্য লাইসেন্স পেয়েছেন আরিফুর রহমান নামে একজন প্রবাসী।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানান, নতুন টিভি অনুমোদনের প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হয়েছে। তবে চ্যানেল দুটির অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি এবং এখনো প্রক্রিয়াধীন।

    নেক্সট টিভির লাইসেন্সপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান তুহিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। তিনি ২০২৪ সালে ডিসেম্বরে এই দলের সঙ্গে যুক্ত হন। এর আগে তিনি একজন ইংরেজি দৈনিকের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। এনসিপি গঠিত হওয়ার পর তিনি দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে আসেন।

    অপরদিকে, লাইভ টিভির লাইসেন্সপ্রাপ্ত আরিফুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন প্রায় ছয় বছর আগে। ছাত্রজীবনে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি এনসিপির সদস্য ছিলেন, তবে দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না।

    তাদের টিভি চ্যানেল চালানোর জন্য আর্থিক সক্ষমতা আছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। তবে কতটা যোগ্যতা বা রূপায়ন হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চ্যানেল দুটির অনুমোদনের পেছনের কারণ জানতে চাওয়া হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

    অতীতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালীন সাড়ে ১৫ বছরে প্রায় ২৮টি টেলিভিশন লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। এসব চ্যানেলের মালিকেরা প্রায়ই সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সেই ধারা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারও নতুন দুটি টিভির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।

    নেক্সট টিভি কর্তৃপক্ষের কাছে এই অনুমোদন দেয়া হয় গত ২৪ জুন। এই চ্যানেলটি ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন এনসিপির যুগ্ম চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান তুহিন। অফিসের অবস্থান পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার করাতিটোলা লেনে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই চ্যানেলের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন বগুড়ার বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাবেক সংসদ সদস্য এ.কে এম. হাফিজুর রহমানের ছেলে এ.কে এম গোলাম হাসনাইন, যিনি সৌদি আরবের প্রবাসী এবং সেখানে বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

    অন্যদিকে, লাইভ টিভির অনুমোদন পেয়েছে ১৪ জুলাই। এর মালিকানা ‘মিনার্ভা মিডিয়া লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানের। অফিসের ঠিকানা গুলশান ১ নম্বর সড়কের ১৪৩ নম্বর ভবন।

    আরিফুর রহমান জানান, তার কাছ থেকে আরও কিছু কাগজপত্র ও কাজ বাকি থাকায় তিনি আশা করছেন, আগামী বছর থেকেই সম্প্রচারে যেতে পারবেন। তিনি যোগ করেন, তার সঙ্গে রয়েছেন এক বিনিয়োগকারী, যিনি টেলিভিশন চালানোর জন্য অর্থের যোগান দিচ্ছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন চ্যানেল দুটির পরিচালনায় একজন প্রভাবশালী সাংবাদিক কাজ করছেন, যিনি একে অপরাধ ও বাণিজ্যিক দিক থেকে বেশ অভিজ্ঞ। মূলত এই ব্যক্তি টেলিভিশন দুটির স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    এছাড়াও, অন্তর্বর্তী সরকার অনুমোদন দিয়েছে একটি আইপি টিভি ‘চেঞ্জ টিভি প্রেস’ নামে। এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন সাংবাদিক আমিরুল মোমেনীন।

    বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ৫০টির বেশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। তার মধ্যে শুধুমাত্র ৩৬টি পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে, আর বাকিগুলো সম্প্রচারে আসার অপেক্ষায়। এছাড়া ১৫টি আইপি টিভি এখন সক্রিয় রয়েছে, যেগুলোর অনুমোদনও চলমান। ভবিষ্যতে আরও কিছু টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য অনুমোদনের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ত Goodmanঙের পানির অধিকার চাই, ফেলানীর ঝুলে থাকা আর নয়: তারেক রহমান

    ত Goodmanঙের পানির অধিকার চাই, ফেলানীর ঝুলে থাকা আর নয়: তারেক রহমান

    সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পানির অধিকার নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছেন, আমরা আমাদের পানির অধিকার চাই এবং ফেলানী হত্যাকাণ্ডের মতো নিরীহ প্রাণের ক্ষতি আর দেখতে চাই না। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এই একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে তার গভীর মনোলোক প্রকাশ করেন।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপির মূল লক্ষ্য হলো দেশের স্বার্থ রক্ষা করা। অন্যান্য দেশের সাথে সম্পর্ক তৈরীর সময় অবশ্যই দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সিদ্ধান্ত আসলে দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থের উপর ভিত্তি করে নিতে হবে।

    বৈঠকটিতে তিনি বলেন, বিএনপি আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করে, তবে দেশের স্বার্থের ওপরে কখনোই আপোস করবে না। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জুলাই-আগস্টে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, সেখানে জনসমর্থনের মুখে অবৈধ শাসক শেখ হাসিনাকে আড়াল করতে ভারতের আশ্রয় নেওয়া হলে, বিএনপির কিছু করার থাকবে না। কারণ বাংলাদেশীরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তারা নিজের দেশের স্বার্থে থাকবেন। তাই বিএনপি নেতা হিসেবে আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষের পাশে থাকবো।

  • নির্বাচনে মূল প্লেয়ার রাজনীতিবিদরা: সিইসি

    নির্বাচনে মূল প্লেয়ার রাজনীতিবিদরা: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন একার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের, কারণ তারা নির্বাচনের মূল খেলোয়াড়। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে এ কথা বলেছেন তিনি। ঐ সংলাপের শুরুতে বক্তব্য রাখছিলেন সিইসি, যেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

    সিইসি বলেন, আমরা নির্বাচনের বিষয়ে সংলাপ শুরু করেছি, যদিও কিছুটা দেরিতে। এর পেছনের কারণ হলো, সংবিধান সংস্কার কমিশন (কনসেন্স কমিশন) স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বহু আলোচনা করে একটি সুপারিশমালা তৈরি করেছে, যার অনেক কিছু আমরা ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেছেন, এখনই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে যাব না কারণ তারা বর্তমানে কনসেন্স কমিশনের সঙ্গে ব্যস্ত। ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমরা চাই অসুবিধা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। এর জন্য আমরা পরে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করব।

    সিইসি আবির্ভাবের সময় মন্তব্য করেন, মাঠপর্যায়ে কাজ করা নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা জানা খুব জরুরি। তিনি জানান, আমাদের লক্ষ্য হলো কীভাবে সুন্দর, জবাবদিহি মূলক এবং জালিয়াতিমুক্ত নির্বাচন সম্ভব, তা বুঝতে আগ্রহী।

    তিনি এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচন ম্যানিপুলেট করার সুযোগ খুঁজে ফেলা জায়গাগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন, যেখানে পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রবাসীদের ভোটাধিকার বিষয়েও আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেন সিইসি। তিনি বলেন, প্রবাসীরা ভোট দিতে চান কারণ তারা দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠায়। তাদের জন্য একটি হাইব্রিড মডেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা পোস্টাল ভোটের মতো, তবে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আইটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এছাড়া, প্রবাসী ও নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তাকে ভোটাধিকার দেওয়ারও উদ্যোগ রয়েছে।

    তাঁর আরও জানান, কারাগারে থাকা নাগরিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সিইসি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই। এজন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং দেশের জনগণের সহযোগিতা। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে তিনি অঙ্গীকার করেন।

  • সিইসির আহ্বান: মিডিয়াকে পাশে চাই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে

    সিইসির আহ্বান: মিডিয়াকে পাশে চাই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশন মিডিয়াকে সহযোগী পার্টনার হিসেবে পাশে চাই। তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার, মিথ্যা তথ্য (মিসইনফরমেশন) এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিমূলক প্রচার (ডিসইনফরমেশন) নির্বাচনের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, এজন্য গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা খুবই জরুরি। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীতে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি। সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র ভোটের আয়োজন নয়, বরং একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও নির্মল নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর জন্য মিডিয়াকে পাশে চায় সংস্থাটি। তিনি বলেন, অনেকেরই প্রশ্ন থাকতে পারে যে, এত কাছাকাছি সময়ের মধ্যে সংলাপ একে নিয়েই কেন দেরি হলো। এ প্রসঙ্গে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন, বলেন, গঠিত সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে বিভিন্ন অংশীজন, মিডিয়া, সিভিল সোসাইটি ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের সাথে বিস্তৃত আলোচনা চালিয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো কমিশনের কাজ সহজ করে দিয়েছে। ফলে, মূল সংলাপে দেরি হলেও, পূর্বপ্রস্তুতি শুরু থেকেই চলছিল। তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ শুরু করতে কিছুটা বিলম্বের কারণ, তারা এখনো ভোট আইন ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন তাদের আমন্ত্রণ জানালেও, প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে কি না—এ ব্যাপারে সন্দেহ ছিল। এজন্য সংলাপ কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চলতি সময়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ। এর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ মানুষের তথ্য আপডেট করা হয়েছে। এর ফলে, ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটার তালিকা থেকে সরানো হয়েছে, পাশাপাশি ৪৩ লাখের বেশি নতুন ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি একটি বড় অগ্রগতি, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের ভিত্তি সৃষ্টি করেছে। সিইসি উল্লেখ করেন, নারী ও পুরুষ ভোটারের সংখ্যা যেখানে আগে ৩০ লাখের বেশি বিভাজন ছিল, সেখানে এবার তা কমে ১৮ লাখে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, নারীরা ভোটদানে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল, তবে কমিশনের উদ্যোগে সেই আগ্রহ আবার ফিরে এসেছে। প্রবাসীদের ভোটের বিষয়েও তিনি আলোচনা করেন, এবং ১০ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতের योजनাগুলোর মধ্যে রয়েছে, আউটজোনে প্রবাসীদের জন্য আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে তারা সহজে ভোট দিতে পারবে। এছাড়া, ভোটের দায়িত্বে থাকা প্রায় ১০ লাখ কর্মী—যেমন পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা ও হাজতিরা—ও ভোটের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, এর বাস্তবায়নও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে, যেখানে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। সংলাপে প্রধানমন্ত্রী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সিভিল সোসাইটি, সাংবাদিকসহ সব অংশীদাররা একসাথে কাজ করবে। সিইসি বলেন, নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হয়, সেই জন্য মিডিয়াকে শুধুমাত্র প্রচারক নয়, বরং নীতিনির্ধারনী আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ও ভুল তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে মিডিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ফ্রন্টলাইন পার্টনার’ হিসেবে কাজ করবে। তিনি আরও বলেন, এই সংলাপ কেবল আনুষ্ঠানিকের জন্য নয়; বরং সাংবাদিকদের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বাসgäযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ গড়তে চায় নির্বাচন কমিশন। অনুষ্ঠানে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব কেএম আলী নেওয়াজের পরিচালনায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেক রহমান: জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আমি নই, জনগণই এর মূল কাণ্ডারী

    তারেক রহমান: জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আমি নই, জনগণই এর মূল কাণ্ডারী

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, নিজেকে কখনই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখেন না। তিনি জানান, এই গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি এবং কৌশলগত নেতৃত্ব জনগণের মধ্যেই ছিল। তারেক রহমান বিবিসি বাংলাকে একাধিক পর্বের সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন, যার প্রথম অংশ সোমবার (৬ অক্টোবর) তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়।

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন ধীরে ধীরে বৃহৎ গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। এই ব্যাপক বিক্ষোভে তীব্র সংঘর্ষের মাঝখানে, ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। এর পরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়, কে বা কারা ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি বা মাস্টারমাইন্ড।

    বিশেষ করে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ছাত্রদের পরিচিতি হওয়ার পর বিষয়টি আরও জোরেশোরে আলোচনায় আসে। এরপর বিএনপি, জামায়াত, ইসলামপন্থী বিভিন্ন দলসহ ছোট ছোট দলে নেতাদের মাধ্যমে নানা সমাবেশে আন্দোলনের কৃতিত্বের দাবির চলতে থাকে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘আমি কখনোই নিজেকে এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ভাবি না। এই আন্দোলনটি শুরু হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, যা সবাই জুড়ে দিয়েছে জুলাই মাসের নামে। কিন্তু এর প্র্রারম্ভকাল বহু আগে থেকেই। এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, তাদের নেতাকর্মীরা, যারা গণতান্ত্রিক মূলধারার। তারা প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘কেবল রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নয়, সেদিন বিভিন্ন পেশার মানুষও রাস্তায় ছিলেন। মাদরাসার ছাত্র, গৃহিণারা সন্তানের পেছনে রাস্তায় নেমেছিলেন। কৃষক, শ্রমিক, সিএনজি চালক, ছোট দোকানি থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মী-সবাই আন্দোলনে শরিক ছিলেন। এমনকি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং স্বৈরাচারের অত্যাচারে দেশত্যাগ করা সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিতি দেখিয়েছেন। এই প্রত্যেকের অবদানকে আমরা ছোট করে দেখিনা। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সবাই এই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। এটাই ছিল মূল আন্দোলনের শক্তি এবং মাস্টারমাইন্ড, কারণ কেউ কোনো দল বা ব্যক্তি নয়—এই আন্দোলনের একমাত্র মূল চালিকা শক্তি হলো দেশের গণতন্ত্রকামী জনতা।’

    আন্দোলনের শুরুতেই ছাত্রদের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি নেড বলে, ‘আমরা যখন বাইরে থেকে কাজ করছিলাম, তখন আমাদের জন্য যোগাযোগের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে সময় স্বৈরাচারিরা টেলিফোন বা অনলাইন যোগাযোগে নানা বাধা সৃষ্টি করেছিল। আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে, কার্যত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে যোগাযোগ চালাতে হয়েছে। সবসময় এই যোগাযোগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ বা স্মুথ ছিল না, তবে প্রত্যেকের সহযোগিতায় আন্দোলন চালাতে পেরেছি।’

  • গ্রেফতারের সময় পুলিশের পরিচয়পত্র থাকতে বাধ্যতামূলক

    গ্রেফতারের সময় পুলিশের পরিচয়পত্র থাকতে বাধ্যতামূলক

    আসামি গ্রেফতারের সময় এখন থেকে পুলিশের নেমপ্লেট ও পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক করেছে আইনমন্ত্রীশিপ। এই উদ্যোগটি মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কার্যক্রম-১ এর আওতায় ফৌজদারি বিচার সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী দিনে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    প্রথমত, গ্রেফতারকালে পুলিশকে অবশ্যই তাদের নেমপ্লেট ও পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। এছাড়া, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নিকটজনকে গ্রেফতার সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পুলিশ বাধ্য থাকবে। যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি আহত বা অসুস্থ হন, তবে তার চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সব প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও তদারকি করবেন আদালত।

    দ্বিতীয়ত, এখন থেকে মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে, কারণ ভুক্তভোগীকে আগের মতো স্বতন্ত্রভাবে মামলা করতে হবে না।

    তৃতীয়ত, মিথ্যা অভিযোগকারীদের সাজা বাড়ানো হয়েছে, এবং এই সাজা কার্যকর করার জন্য বিচারক নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

    অবশেষে, সাক্ষী ও ভিকটিমের সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে এবং সংক্ষিপ্ত ও কার্যকরী বিচার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এই সংস্কারগুলোর মাধ্যমে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বিচার ব্যবস্থা আরও দক্ষ, স্বচ্ছ এবং ন্যায়নিষ্ঠ হবে।