Category: জাতীয়

  • বগুড়ায় সারজিস আলমের গাড়িবহরে ককটেল হামলা

    বগুড়ায় সারজিস আলমের গাড়িবহরে ককটেল হামলা

    আজ ২০ অক্টোবর সোমবার বিকেলে বগুড়া শহরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃস্থানীয় নেতা ও উত্তরের সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে অপ্রত্যাশিত ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার মুহূর্তে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    সারজিস আলম জয়পুরহাটে এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা শেষে বগুড়ায় আসছিলেন। বিকেল ৩টায় তিনি বগুড়ার জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপস্থিত হন যেখানে আরেকটি সভার আয়োজন ছিল। সরকারি সভায় বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি তিনি নির্বাচনের পরিস্থিতি ও অন্যান্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কিছু সময় পরেই, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এমন সময়, জেলা পরিষদের পেছনে করতোয়া নদীর পাশে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে একটির বিস্ফোরণ ঘটে, কিন্তু অন্যটি অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকায় তা উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ককটেল হামলায় কেউ হতাহত হননি। তবে এই ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেন, এই হামলার জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্বত্তরা সুযোগ পেয়েছে। তারা বলেন, পুলিশ মাত্র দুজন সদস্য মোতায়েন করায় হোতা সুবিধা পায়।

    সংঘর্ষ বা হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, এই ঘটনা স্পষ্ট করে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক মহল আশা করেন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা না যায়।

  • অগ্নিকাণ্ড নাশকতা কি না এখনই বলা যাচ্ছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    অগ্নিকাণ্ড নাশকতা কি না এখনই বলা যাচ্ছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অনেকেরই মনে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে যে, এগুলো সম্ভবত নাশকতা কিনা। তবে, এ ব্যাপারে এখনই কিছু বলাটা সমীচীন নয়, কারণ তদন্ত চলছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

    সোমবার (২০ অক্টোর)। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক কোর কমিটির সভার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক আগুনের দুর্ঘটনাগুলো নিয়ে।

    তদন্ত এখনও চলমান থাকায় তিনি নিশ্চিত করে বলতে চান না कि এগুলো নাশকতা কিনা। তিনি জানান, তদন্তের ফলাফল বের হলে তখনই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

    সাংবাদিকরা যখন জানতে চান, এসব আগুনের ঘটনা কি নাশকতা কিনা, তখন তিনি উল্লেখ করেন, এ নিয়ে তদন্ত চলছে। এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়।

    অতিরিক্ত, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, এখন থেকে রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের জন্য পাসপোর্ট ফি সাধারণের মতই ধার্য করা হবে। আগে যা ছিল আলাদা বা বেশি, তা এখন সমান করা হবে।

    তিনি মনে করেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের সম্মান পাওয়া দরকার, কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক সময় তা আদায় হয় না। এজন্য তাদের পাসপোর্টের ফি কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কতটা কন্রোভার্সি বা হ্রাস করা হবে, সেটা সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

    এছাড়া, তিনি জানান, তারা বিমান যাত্রার ক্ষেত্রে যেন সর্বোচ্চ সেবা পায়, সেই বিষয়েও নজরদারি চালানো হবে। এক্ষেত্রে বিমানবন্দরে সেবা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    উপদেষ্টা আরও জানান, প্রবাসীদের জন্য আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালু করা হবে। ইতিমধ্যে ই-গেট ইনস্টল করা হয়েছে, আশা করা হচ্ছে দুই-চার দিন যেন এর কার্যক্রম শুরু করা যায়।

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ আদালতের

    সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ আদালতের

    জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ আজও সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন। তার অবর্তমানে ঢালিউডে তার অভাব অনেকটাই অনুভূত হয়। এই অকালপ্রয়াত তারকার মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে জোরালো জল্পনা থাকলেও, সম্প্রতি তার মৃত্যু নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আদালত সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, যা সবাইকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

    আজ, সোমবার (২০ অক্টোবর), রাজধানীর মহানগর দায়রা জজ আদালত সালমানের মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে জানিয়েছেন যে, এই মামলা আবার চালু থাকবে এবং তদন্তের স্বার্থে নতুন করে আলামতসমূহ পরীক্ষা করা হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, সালমান শাহর মৃত্যুর সময় তার বুকের বাম পাশে কালো দাগ ছিল। এমনকি, তার দেহে মল ও বীর্যও দেখা গিয়েছিল। তার ঘরে সিরিঞ্জ এবং স্ত্রীর ব্যাগে ক্লোরোফরম ওষুধ থাকায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, কি জন্য এইসব উপকরণ ছিল তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের বিষয়। তখনকার পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়েছিল, আত্মহত্যা, তবে সিবিআইয়ের তদন্তে বিভিন্ন গড়মিলের কারণে উঠেছিল সন্দেহের গলাঘাটা।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ আর আমরা দেখিনি, কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে নানা আলোচনাও শুরু হয়। তখন অনেকের মতে, তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন, অন্যদিকে তার পরিবার দাবি করেছিল, এটি আসলে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

    সালমান শাহর প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হক ব্যাখ্যা করেছিলেন, তার স্বামী মানসিকভাবে সুইসাইডাল ছিলেন। তিনি বলেন, ‘ও (ইমন) তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, সে সম্পর্কে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের রেকর্ডে বিস্তারিত রয়েছে। এগুলো তার বিয়ের আগে হয়েছে এবং তার মধ্যে অনেকটাই মানসিক চাপ ও পারিবারিক কলহের ফল।’

    ৯০ দশকের শুরুতে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি, তিনি প্রায় চার বছরের মধ্যে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘ constitution থেকে কেয়ামত’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমযুদ্ধ’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘জীবন সংসার’, ও ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’।

    সালমান শাহ এবং শাবনূর জুটি সিনেমাপ্রেমীদের কাছে ছিল অতি জনপ্রিয়, কিন্তু তার পাশাপাশি তিনি মৌসুমী, শাবনাজ, রোজিনা প্রমুখ কালেকশনের সাথে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন। এই সব দিকনির্দেশনা ও তার স্বপ্নে ভরপুর জীবনই তাকে আজও বাংলার দর্শকের হৃদয়ে অমর করে রেখেছে।

  • সিআইডি প্রকাশ করল বাংলাদেশের পর্নো তারকা যুগল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    সিআইডি প্রকাশ করল বাংলাদেশের পর্নো তারকা যুগল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    বান্দরবান থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই দম্পতি বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থেকে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করার অভিযোগে گرفتار হন। সিআইডি বলছে, এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা অন্য বাংলাদেশি নারী ও পুরুষকে এই ওয়েবসাইটে যুক্ত করতেন, যাতে করে মুনাফা লাভ করা যায়। মূলত, এই আন্তর্জাতিক পর্নো ওয়েবসাইটগুলোতে নতুনদের যুক্ত করে বেশি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হতো।

    সোমবার (২০ অক্টেবর) এসব তথ্য প্রকাশ করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান। তিনি জানান, এই দম্পতি নিয়মিতভাবে বিদেশি এক ওয়েবসাইটে পর্ন কনটেন্ট আপলোড করতেন। তাদের পরিচালিত চ্যানেলটি দ্রুতই বিশ্বখ্যাত এই শীর্ষপর্যায়ের পর্নো সাইটগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করে। একাদটির মধ্যে তারা নিজেদেরই নন, বরং অন্যদেরও এই ওয়েবসাইটে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই দম্পতি বাংলাদেশ থেকেই ভিডিও তৈরি, সম্পাদনা ও আপলোড করতেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করছিলেন। বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই যুগল শুধু নিজেরাই অপরাধ করেননি, বরং অন্যদেরও এই জগতের সঙ্গে যুক্ত করতে উৎসাহিত করছিলেন। এর ফলে, বাংলাদেশে বসে পর্ন ভিডিও বানানো ও প্রচারের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছিল।

    এর আগে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তারা বাংলাদেশে বসে আন্তর্জাতিক প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ‘মডেল’ হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় আসতেন।

    গবেষণামূলক অনুসন্ধানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুগল ২০২৪ সালের মে মাসে অনলাইনে সক্রিয় হয়। এক বছরের মধ্যে তারা শতাধিক ভিডিও প্রকাশ করে বিপুল দর্শক ও অনুসারী অর্জন করেন।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, এই যুগল একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। তারা টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও নিজেদের কার্যক্রম প্রচার করছেন। ২০২৪ সালের মে মাসে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলও খুলেছেন, যেখানে হাজারো সদস্য রয়েছে। সেখানে নতুন ভিডিওর লিংক ও তাদের আয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়।

    আনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই তরুণদের ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। কিছু অনলাইন পোস্টে উল্লেখ আছে, ‘নতুন ক্রিয়েটর যুক্ত করুন, অর্থ উপার্জনের সুযোগ পান’—এমন বার্তা দেওয়া হত, যা তরুণদের এই বিপজ্জনক জগতে ধীরে ধীরে টেনে নিয়ে যায়।

  • শাপলা প্রতীক দেওয়া সম্ভব নয়: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

    শাপলা প্রতীক দেওয়া সম্ভব নয়: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, সাংবিধানিক আইন ও বিধি অনুসারে শাপলা প্রতীক এখন তালিকায় থাকছে না, তাই সেটি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে সিলেট পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত একটি প্রশিক্ষণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এই প্রশিক্ষণের উদ্যেশ্য ছিল নির্বাচনী দায়িত্বকে সম্পাদনে পুলিশের দক্ষতা বাড়ানো।

    আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রতীক বরাদ্দের জন্য ব্যবহৃত বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রতীকের তালিকা থেকে একটিকে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন সময় দিতে হয়। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, এ কারণে তারা সকল কাজে আইনের আওতায় কাজ করে। আইনের বাইরে গিয়ে কোনো প্রতীক দেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য, এনসিপি (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) চাইছেন এমন প্রতীক দেওয়া যাচ্ছে না।

    তিনি আরও নিশ্চিত করেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে কোনো দূর্ভাবনা বা বাধা তৈরি হয়নি। মিডিয়ায় বিভিন্ন সংবাদ এসেছে, তবে এ সবের কোনো প্রভাব নির্বাচনে পড়বে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রমজানের পূর্বেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

    সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত এবং পরিস্থিতি কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন। সাথে তিনি বলেন, অতীতের মতো অবাধ ও সুন্দর নির্বাচন হওয়া এখন সম্ভব নয়। পাশাপাশি, যারা বিতর্কিত বা অযোগ্য বলছিলেন, তাদের আগামী নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবেন না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

    পিআর পদ্ধতির বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, নির্বাচন পদ্ধতি একটি রাজনৈতিক বিষয়, এ বিষয়ে নিজের কোনো মন্তব্য করবেন না।

    এ দিনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ রানা, সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান এবং সিটিএসবি (ডিসি) আফজল হোসেন প্রমুখ।

  • কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন: ২১ ঘণ্টা পার, ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া উড়ছে

    কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন: ২১ ঘণ্টা পার, ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া উড়ছে

    ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গত রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে আগুনের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে সকাল থেকেই ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনও ধোঁয়া উড়ছে, যা একই অবস্থায় দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা পার হলো। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও অনবরত পানি ছিটাচ্ছেন যেন আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ ভস্তভোগরা ভাঙা ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন, তবে নিরাপত্তার জন্যভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

  • নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বাড়ছে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, উপকূলে বাড়ছে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বঙ্গোপসাগরে আবারও আবহাওয়ার পরিবর্তনের গোপন সংকেত দেখা দিয়েছে। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে আগামী মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) এর মধ্যে একটি নতুন লঘুচাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর। এই পরিস্থিতিতে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    আজ রবিবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, বর্তমানে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি অবস্থিত রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এর বিস্তার উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, “আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে এই অঞ্চলে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে, যা পরবর্তীতে ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।”

    আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কাল (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    বিশেষ করে, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সারাদেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকবে। আজকের মতোই আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশে আবহাওয়া থাকতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতেও পারে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যত্র আবহাওয়া শুষ্ক ও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    এছাড়া, আগামী পাঁচদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আপাতত এই সময়ের মৌসুমী পরিবর্তন ও সম্ভাব্য বৃষ্টিপাতের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছে আবহাওয়া অধিদফতর।

  • শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা প্রত্যাখ্যান, বরং আন্দোলন চলবে

    শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা প্রত্যাখ্যান, বরং আন্দোলন চলবে

    সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য বাড়িভাড়া ভাতা দাবিতে নতুন ঘোষণা দিলেও, তারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুসারে, বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ বা ন্যূনতম ২ হাজার টাকা হিসেবে প্রদান করা হবে। তবে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, এই মানদণ্ড তাদের আর্থিক পরিস্থিতির সাথে মানানসই নয়।

    আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ ঘোষণা আসে, যেখানে বলা হয়, বাজেটের সীমাবদ্ধতা থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এই ভাতা নিয়মিত মানদণ্ড অনুযায়ী দিতে হবে এবং অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।

    অভিনেতা-প্রতিনিধিরা এই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে, নতুন দাবি তুলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বিভিন্ন দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে কঠোর আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তারা মূলত চাইছেন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধি, যা তারা দীর্ঘদিন থেকে তাদের যৌক্তিক অধিকার হিসেবে মনে করছেন।

    গত মাসে সরকারের তরফ থেকে ভাতার পরিমাণ কিছুটা বাড়ানো হলেও, শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করে নতুন চাহিদা ও আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে ঘোষণা দেন। শিক্ষকদের দাবি, তাদের জন্য এবার বাড়ানো হোক মূল বেতনের ২০ শতাংশের ভাতার হার, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা করা, এবং উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৭৫ শতাংশে উন্নীত করা।

    উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মোট বেতনের পাশাপাশি তারা বছরে দু’টি উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন, যার পরিমাণ আগে ছিল ২৫ শতাংশ, এবং মে মাসে বাড়ানোর পর তা এখন মূল বেতনের ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। শিক্ষকদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য, শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষকদের কর্মস্থলে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের এই সংগ্রাম চলবে।

  • সাভারে বাসায় ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    সাভারে বাসায় ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ঢাকার সাভারে বাসায় ফেরার পথে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী (২৫) ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার রাতে সাভার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী তরুণী বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী। তাঁর পরিবারের সদস্যরা সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের একটি এলাকায় ভাড়া থাকেন।

    মামলার আসামিরা হলেন সোহেল রোজারিও (৩৭), বিপ্লব রোজারিও (৪০) ও মিঠু বিশ্বাস (৩৫)। এদের মধ্যে সোহেল র উপর ধর্ষণের অভিযোগ, আর বিপ্লব ও মিঠু বোঝানো ও সহযোগিতার জন্য অভিযুক্ত।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই তরুণী প্রাইভেট পড়ানোর জন্য একটি ছাত্রের কাছে যান। এরপর বাসায় ফিরতে পৌঁছালে তিনি দেখতে পান বাসা তালাবদ্ধ। পরে জানা যায়, তার মা বাইরে গেছেন এবং বাসা তালাবন্ধ করে পাশের একটি চায়ের দোকানে চাবি রেখে গেছেন। পরে তিনি দোকান থেকে চাবি নিয়ে বাসায় ফেরার পথে সোহেল র বিরুদ্ধে নানা প্রশ্ন করতে থাকেন। কিছু দূর যাওয়ার পর, সোহেল অন্য দুই আসামির সাথে দেখা করে এবং তাদের অনুসরণ করে। সন্ধ্যায় সাতটার দিকে ভয় দেখিয়ে, জোরপূর্বক তার নিজের বাসাগিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন সোহেল। এ সময় সহযোগিতা করেন অন্য দুই আসামি।

    ধর্ষণের পর সোহেল ওই তরুণীকে হত্যার হুমকি দেন যদি কেউ এই বিষয়টি জানে।

    সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. আঃ ওয়াহাব বলেন, শুক্রবার ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ওসি মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

    অভিযোগের প্রতি সম্মান জানিয়ে, শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সহপাঠীরা। পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় একটি মিছিল নিয়ে তাঁরা মিরপুর-১০ নম্বর সড়ক অবরোধ করেন। শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। আগামী রোববার বেলা দুইটায় আবারো মিরপুর-১২ নম্বর এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    বিইউপির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শিহাব বলেন, ‘আমাদের বোন তিন দিন আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এখনো পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকদের গ্রেফতার করে কঠোর বিচার করতে হবে।’

  • মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা

    মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা

    জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে জুলাই যোদ্ধারা। এই সংঘর্ষে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং ব্যাপক ধ resemblance ে সম্মুখীন হয়। হতাহতের মধ্যে অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, এবং আন্দোলনকারীরা রোড ব্লকার হিসেবে ব্যবহৃত ব্যারিকেডগুলো একত্রিত করে তা জ্বালিয়ে দেন। অন্যদিকে এমপি হোস্টেলের সামনে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তারা। শুক্রবার দুপুর ১:২৫ মিনিটে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় এবং ১:৪৫ মিনিটের দিকে তারা টায়ার ও প্লাস্টিকের জিনিসপত্রে আগুন জ্বালিয়ে দেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এই ঘটনায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যা সাধারণ মানুষকেও হাঁটাচলা করতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়।’

    অপরদিকে, ‘জুলাই জাতীয় স্বীকৃতি’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা চলছে সংসদ ভবন এলাকা ও আশপাশে। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও আহত বীর হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবিতে তারা সকাল থেকেই অবস্থান নেন। এই পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে ব্যাপক সংর্ঘষ সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গেট বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলনকারীদের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা ঠেকায়, তবে আন্দোলনকারীরা বারবার গেট খুলে দেওয়ার আবেদন জানান।

    সংসদ ভবন এলাকা ও কাছাকাছি বিভিন্ন বাহিনী—পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত থাকেন এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন। আন্দোলনরত জুলাই যোদ্ধাদের একদল আড়ংয়ের দিকে, অন্য দল খামার বাড়ির দিকে অবস্থান নেয় এবং পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে থাকেন।

    আদিবাসী এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা সকাল থেকেই এক নয়, বহু দফায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। তারা জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের স্বীকৃতি ও সম্মান জানানোর জন্য এই আন্দোলনে অব্যাহত থাকেন। তবে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সরিয়ে দিতে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

    আহত ২০ জন জুলাই যোদ্ধাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে আতিকুল গাজী জানান, ‘আমরা নিজের দাবি এবং স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করেছিলাম। সরকার আমাদের দাবি উপেক্ষা করে কেবল স্বীকৃতি অনুষ্ঠান করেছে। এই অপরাধের প্রতিবাদে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে আমরা আহত হই।’

    প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে, যার ফলে আশেপাশের দোকানপত্র বন্ধ হয়ে যায় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশি এই হামলার ফলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি সাময়িকভাবে ভয়াবহ হয়ে ওঠে।