Category: জাতীয়

  • অ্যাটর্নি জেনারেল: জুলাই হত্যার বিচার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই হবে

    অ্যাটর্নি জেনারেল: জুলাই হত্যার বিচার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই হবে

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাইয়ে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যদি জুলাই সনদ প্রাবল্যবহির্ভূত করতে চায়, তবে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জুলাই হত্যার বিচারে মূল দিক রয়েছে যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়া, যা স্বাভাবিকভাবেই চলবে এবং শীঘ্রই সম্পন্ন হবে।

    আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর এফডিসিতে ‘গণতন্ত্র সুরক্ষায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে’ নামে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

    অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, জুলাই সনদ সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে অপ্রয়োজনীয় তর্ক বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন। কারণ এই সনদে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, এবং তা কার্যকর করা সম্ভব। তিনি আশ্বস্ত করেন, সনদ বাস্তবায়নে দেরি হলেও বিচার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ভাবেই চলবে এবং কোনোভাবেই বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে না।

    সনদ স্বাক্ষরে বিভিন্ন মতামত থাকলে তা চ্যালেঞ্জ নয় বরং একটি স্বাভাবিক বিষয় বলে উল্লেখ করেন আসাদুজ্জামান। তিনি ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে সটান থাকছেন।

    গতকাল শুক্রবার, নানা জটিলতা কাটিয়ে, বাংলাদেশের সরকার জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করে। এতে অংশ নিয়েছেন ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা, তাঁদের স্বাক্ষর শেষে যুক্ত হন প্রাবন্ধিক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি বামপন্থী দল।

  • চলতি মাসে টানা चार দিনের ছুটির সম্ভাবনা

    চলতি মাসে টানা चार দিনের ছুটির সম্ভাবনা

    চলতি মাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা আসতে পারে, যেখানে তারা টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) সালের শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষে ঐচ্ছিক ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকছে। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের পাশাপাশি এই ঐচ্ছিক ছুটির সুবিধাও রয়েছে, যা নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমোদনের মাধ্যমে নেওয়া যায়। এই ঐচ্ছিক ছুটি মূলত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য হয়, যেখানে সরকারি কর্মচারীরা বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন এই সুবিধা পেতে পারেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, নিজের ধর্ম অনুযায়ী ছুটির দিনগুলো বার্ষিক ছুটির পঞ্জিতে নির্ধারিত থাকে। এই ছুটি গ্রহণের জন্য বছরের শুরুতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া আবশ্যক। সাধারণ ছুটি বা সাপ্তাহিক ছুটির পাশাপাশি এই ঐচ্ছিক ছুটিও নেওয়া সম্ভব। এই বলে, ২০ অক্টোবরের আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) কর্মদিবস রয়েছে এবং তার আগে শুক্রবার ও শনিবার (১৮ অক্টোবর) দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটি পালন হয়েছে। এজন্য যারা ২০ অক্টোবর ঐচ্ছিক ছুটি নেবেন এবং ১৯ অক্টোবর আরেকটি ছুটি যোগ করবেন, তারা চার দিন ধরে টানা ছুটির সুবিধা পাবেন, অর্থাৎ ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০ অক্টোবর। এভাবেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মচারীরা এই মাসে একসাথে চার দিনের ছুটি উপভোগের সুযোগ পেতে পারেন।

  • ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশির হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

    ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশির হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

    ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে তিন বাংলাদেশিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। এর আগে, গত বুধবার ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশিকে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি পিটিয়ে হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহত তিনজনের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পণ্ডিত মিয়া (৪০), সজল মিয়া (২৫) এবং জুয়েল মিয়া (৩৫). তাঁরা সবাই পেশায় দিনমজুর।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ত্রিপুরায় একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা এই নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। বাংলাদেশ সরকার এই জঘন্য ঘটনার ব্যাপারে গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে এবং ভারতের কাছে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাচ্ছে। এ ধরনের অমানবিক কর্মকাণ্ড পুনরায় না ঘটানোর জন্য ভারতকে আন্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনারও আহ্বান রয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার জোর দিয়ে বলতে চায় যে, জাতি নির্বিশেষে যে কোনও ব্যক্তি অসাবধানবশত সীমান্তের কোনও পাশে যেতে পারে; কিন্তু তখনও তার মানবাধিকার সম্পূর্ণভাবে রক্ষা পায়।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার বিষয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, গত বুধবার ত্রিপুরার কারেঙ্গিছড়া এলাকায় গরুচোর সন্দেহে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তিন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে বিজিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানতে পারে, নিহত ব্যক্তিরা হবিগঞ্জের বাসিন্দা। এই তিনজনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

    বুধবার বিকেলে তাদের মরদেহ ত্রিপুরা রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে এনে চুনারুঘাটের বালার স্থলবন্দরে রাখা হয়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ক্ষুব্ধ এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।

  • বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    বহুল আলোচিত জাতীয় সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রকাশিত জুলাই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একধিবারের বেশি ১০ বছর থাকতে পারবেন না। এ জন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা এই সনদে স্বাক্ষর করেছেন শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার একটি দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মূল সিদ্ধান্তে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাউকে ১০ বছরের বেশি অধিষ্ঠিত থাকতে দিবে না, এই বিষয়ে বাংলাদেশের সব প্রধান রাজনৈতিক দল—বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াত—সহ মোট ৩৩টি দল একমত পোষণ করেছে।

  • অক্টোবরের মধ্যে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করবে কমিশন: আলী রীয়াজ

    অক্টোবরের মধ্যে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করবে কমিশন: আলী রীয়াজ

    আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে Julho সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারকে পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ দেবে বাংলাদেশ কমিশন। এই বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার ব্রিফিংয়ে কথা বলেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। তিনি জানান, সব রাজনৈতিক দল আগামী শুক্রবার এই সনদে স্বাক্ষর করবে। তবে, কেউ চাইলে কমিশনের মেয়াদে অন্য কোনো দিনেও স্বাক্ষর সম্পন্ন করতে পারবেন। আশা করেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের এলডি হলে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও অবস্থা তুলে ধরে এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টার ফল হিসাবে শুক্রবার এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এতে সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন। গত এক বছর ধরে দলের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ৮৪টি বিষয়ে একমত হয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট বা মতভিন্নতা রেখেছে। এর পরেও নানা মতভেদ সত্ত্বেও এগোতে সক্ষম হয়েছে দলগুলো। ভবিষ্যতেও এই আলোচনা ও সমন্বয় চালিয়ে যেতে চান তারা। তিনি উল্লেখ করেন, এই সনদের বাস্তবায়নে যাতে কোনও রকম ব্যত্যয় না ঘটে, সেজন্য তৎপরতা চালানো হচ্ছে। সব পক্ষের ত্যাগ ও অবদানগুলোর জন্য তাদের প্রশংসা করেন তিনি।

    অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, এই প্রক্রিয়া এখানেই শেষ নয়, বরং সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। আরও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাবেন তারা। সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন নতুন এই যাত্রায় অংশ নিতে, কারণ এই আন্দোলন ও প্রক্রিয়া সাধারণের জন্য। যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ দায়িত্বও অনুভব করেন তিনি।

    তিনি জানান, আগামীকাল অঙ্গীকারনামায় প্রথমে স্বাক্ষর করবেন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা, এরপর কমিশনের সদস্যরা, এবং শেষে প্রধান উপদেষ্ঠা স্বাক্ষর করবেন। এর মাধ্যমে এই স্বাক্ষর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তারা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

    এ ছাড়াও, ৩ হাজার পৃষ্ঠার ৮ খণ্ডের সামগ্রী সংশ্লিষ্টদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। শেষমেশ পুরো সনদ ও এর আইনি ভিত্তির ওপর একটি শক্তিশালী প্রমাণ হাজির থাকবে, যা কোনও বিকল্প নেই।

    অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, এনসিপি যদি সনদে স্বাক্ষর না করে তবে তার বিষয়ে আমরা গভীরভাবে দেখছি। কারণ তারা দীর্ঘদিন এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সেনেটের বৈঠকেও অংশগ্রহণ করেছেন। আশা করি, তারা এই বিষয়ে আসবেন।

    বড় রাজনৈতিক দলগুলো যদি দেশের স্বার্থে নিজেদের মতামত না দেন, তাহলে বিষয়টি রাজনৈতিক পর্যায়ে থাকবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, সবাই দায়িত্বশীল হয়ে নিজস্ব ভাবনা ও সিদ্ধান্ত নিবেন। আইনি প্রক্রিয়ায় এই সকল মতামত বিবেচনা করে সফলতা সম্ভব বলে মনে করছেন তিনি।

    বিএনপি, জামায়াত ও বাম দলগুলো কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তবুও, তারা আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    যদি সব দল স্বাক্ষর না করে, তবে ভবিষ্যতে কী হবে— এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি দলের মতামতের গুরুত্ব রয়েছে। এর জন্য গণভোটের আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সংসদেও কিছু গঠনমূলক ক্ষমতা থাকবে। দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অ-আনুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে।

    সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, এই ঐক্য ও consensus বাংলাদেশের ইতিহাসের বিরল ঘটনা। Julho সনদের স্বাক্ষর সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণের আয়োজন, যা একটি ডকুমেন্টারিও দেখানো হবে। তিনি জানান, এই সনদ দেশের ভাগ্য পরিবর্তন আনবে বলে আশা করি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি উৎসবমুখর পরবর্তী নির্বাচন দিকে এগিয়ে যাবে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠান যেন স্মরণীয় হয়ে ওঠে, সেই প্রত্যাশাতেও তিনি আত্মবিশ্বাসী।

    ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

  • চট্টগ্রাম ইপিজেডে ভয়াবহ আগুন: কারখানার ছাদ-দেওয়াল ধরে পড়ে যাচ্ছে

    চট্টগ্রাম ইপিজেডে ভয়াবহ আগুন: কারখানার ছাদ-দেওয়াল ধরে পড়ে যাচ্ছে

    চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড)ে অবস্থিত অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জিহং মেডিক্যাল কোম্পানির গুদামে ভয়াবহ আগুন লেগে গেছে। পরিস্থিতি এতই মারাত্মক যে আগুন পুরো ভবনটির উঁচু-নিচু অংশ জ্বলে-পুড়ে ধসে পড়ছে।

    ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার সময়, যখন আটতলা ভবনের সপ্তম তলায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট প্রায় ամբողջ রাত পর্যন্ত অকুতোভয় লড়াই চালিয়ে গেলেও, আগুনের ধোঁয়া ও ভয়াবহতা কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুরুতে আগুন সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে আটতলা থেকে নিচের দিকে, এবং রাত সাড়ে ১১টার মধ্যে তৃতীয় তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তবে আগুনের ভয়াবহতা এতই বেশি যে তা পুরো ভবনকে ছড়িয়ে পড়ে, এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন।

    প্রাণঘাতী এই আগুনের কারণে রাতের বৃষ্টির সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না। আগুনের ভয়াবহতা ক্রমশো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, আশপাশের অন্যান্য ভবনে আগুন লাগার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

    অগোছলো ছাদের অংশসহ ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে, এবং মাঝে-মধ্যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অষ্টম ও সপ্তম তলার ছাদ পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।

    আগুনের তাপ প্রবাহের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাছাকাছি যেতে পারছেন না। তারা দূর থেকেই পানি ফোটা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালাচ্ছেন। একই সময়ে আগুন পাশের তিনতলা ভবনেও ছড়িয়ে পড়ছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

    এছাড়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী আগুন নিভানোর কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

    ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুনের নিয়ন্ত্রণে বিশেষ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তারা।

    কারখানার মালিকপক্ষ জানায়, বর্তমানে ভবনে কোনো শ্রমিক আটকা পড়েনি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কত সময় লাগবে, তা এখনো বলা সম্ভব নয়।

  • আজ স্বাক্ষর হবে ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ

    আজ স্বাক্ষর হবে ঐতিহাসিক জুলাই জাতীয় সনদ

    দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রায় আট মাস ধরে চলা আলোচনা শেষে আজ শুক্রবার অবশেষে ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষর করা হচ্ছে। বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই গুরুত্বপূর্ণ সনদে স্বাক্ষর করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা, পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দুইজন করে প্রতিনিধি।

    অভূতপূর্ব এই উদ্যোগ শুরু হয় গত বছর আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর, যখন রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারমূলক কাজের সূচনা করা হয়। প্রথম ধাপে গঠিত হয় ছয়টি সংস্কার কমিশন (সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন, পুলিশ ও বিচার বিভাগ), যারা তাদের প্রস্তাব নিয়ে দফায় দফায় দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে। প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন ৮৪টি দলের প্রতিনিধিরা।

    গত মাসগুলোর মধ্যে এর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়, যেখানে খসড়া জাতীয় ঐকমত্যের জন্য সংশোধন ও বিষয়াবলী চূড়ান্ত করা হয়। ১৬ আগস্ট এই খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়, তবে কিছু ত্রুটি থাকায় সংশোধন করে নতুন খসড়া পাঠানো হয়। এরপর ২০ আগস্ট থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দাপ্তরিক আলোচনা চলতে থাকে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক নেতৃবর্গ ও জটিল বিষয়াদি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও মতামত সংগ্রহের পর, সব ধরনের মতামত ও পর্যালোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়।

    গত ১৪ অক্টোবর এই চূড়ান্ত সংশোধিত সনদের এক কপি রাজনৈতিক দলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত বিচিত্র গণঅভ্যুত্থান ও আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের অঙ্গীকার হিসেবে এই সনদ গ্রহণ করা হয়। এতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    প্রধান উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সরকার পতনের আন্দোলন ও অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ফলে প্রাপ্ত জনাদ্বারা গৃহীত এই সনদকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া। এতে বলা হয় যে, এই সনদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা নাগরিকস্বার্থে জীবন্ত ও কার্যকর করার জন্য দ্রুত আইনগত ও সাংবিধানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    সনদে উল্লেখ করা হয় যে, জনগণের এ স্বীকৃতি ও ঐকমত্যকে দেশের সংবিধানে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের শাসনব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকার পুনঃস্থাপন বা শক্তিশালীকরণ, সংবিধান ও আইনি প্রক্রিয়া সংস্কার, সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

    অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াসের পরও বাংলাদেশিরা তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। জনগণের সাহস, উদ্দীপনা ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলস্বরূপ এই ঐতিহাসিক সনদ সম্পন্ন হলো এবং স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তা কার্যকর করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে এক নব উদ্দীপনা, শুদ্ধতা ও গণতান্ত্রিক চেতনা পুনরুজ্জীবিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, এই সনদে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও জোটের তালিকা বিভিন্ন দলীয় ও মতাদর্শভেদে বিশ্লেষণ করে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা এই ঐকমত্যের অংশ। এর মাধ্যমে একটি নতুন বাস্তবতা, স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

  • খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানালো জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে

    খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানালো জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জাতীয় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন দেশের আর্থিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ এভেনিউয়ে অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে, যেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন। এডভান্স সংসদীয় ও রাজনৈতিক দায়িত্বের অঙ্গ হিসেবে, বুধবার (১৫ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি থাকায়, বৃহস্পতিবার সকালে তার সঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালে উপস্থিত হন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সাংবাদিক মনির হায়দার।

    বলেন, বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান, ‘আমরা আজ তাঁকে চমৎকারভাবে শুভেচ্ছা জানাতে গেলাম। খালেদা জিয়া হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় তিনি দাওয়াতের পত্রটি দেখেন।’ এর পাশাপাশি, তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বদিউল আলম মজুমদার, মনির হায়দার, এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

    চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও রাজনৈতিক মুহূর্ত, যেখানে জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের জন্য গঠিত প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

  • জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়লো

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আবারও বাড়লো

    সরকার রবিবার (১৬ অক্টোবর) জানিয়েছে যে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এই কমিশন নির্মাণের জন্য 지난해 ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তখনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, ছয় মাসের মধ্যে তারা একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন। তবে সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৫ আগস্ট, কিন্তু কমিশনের কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় মেয়াদ দুই দফায় এক মাস করে বাড়ানো হয়। শেষবার এই মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল।

    এমতাবস্থায়, এবার তৃতীয় দফায় আরও ১৫ দিন অর্থাৎ আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, এই সময়ের মধ্যে কমিশনের কাজ সম্পন্ন হতে পারবে এবং দেশের সার্বভৌম ঐকমত্য গড়ে উঠবে।

  • ঢাকায় পাসের হার এগিয়ে, কুমিল্লা পিছিয়ে

    ঢাকায় পাসের হার এগিয়ে, কুমিল্লা পিছিয়ে

    ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনাকারী নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা বোর্ড এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার এখন ৫৮.৮৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এই হার কমেছে ১৮.৯৫ শতাংশ। এই বছরের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন মোট ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি ৬৪.৬২ শতাংশ। অন্যদিকে, কুমিল্লা বোর্ডে এটি সবচেয়ে কম, মাত্র ৪৮.৮৬ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৫৯.৪০ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০.২০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.৫৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬২.৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১.৮৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭.৪৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১.৫৪ শতাংশ। অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার উঁচু থাকলেও কুমিল্লা বোর্ডের ফল আশানুরূপ নয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আলাদাভাবে তাদের নিজস্ব অবস্থান থেকে ফলাফল প্রকাশ করে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ দিন ঢাকাসহ অন্য বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের পর পাঠকদের জন্য তা প্রকাশিত হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং মেয়েদের সংখ্যা ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। দেশের ২ হাজার ৭৯৭ কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে, প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলাফলে দেখা গেছে, ফলাফল তৈরি হয়েছে ‘বাস্তব মূল্যায়ন’ নীতির ভিত্তিতে, যা গত বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলের মতোই গ্রহণযোগ্য।

    গত জুলাই মাসেযদিও এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের মতো এ বছরও কোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়নি, শিক্ষার্থীরা ফলাফল জন্য অনলাইনে এবং প্রত্যক্ষভাবে ফলাফল দেখতে পারছেন।