Category: জাতীয়

  • একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলল সরকার

    একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলল সরকার

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলি সংশোধন করে একই ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কার দেওয়া সম্ভব করার পথ খুলেছে। বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির অনুচ্ছেদ ৭.১১ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।

    সংশোধিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আগে যেখানে বলা ছিল কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় জাতীয় পর্যায়ের এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে না, এখন সেখানে শর্তসহ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কারপ্রাপ্তির পরে যদি অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন বা প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করে, তবে অন্তত ২৫ বছর পর পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা যাবে।

    এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পটভূমিতে এবারের পুরস্কার প্রত্যায়নের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। তালিকায় থাকা একজন হলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, যিনি ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন। অতীতে একই ব্যক্তিকে ভুলবশত দুইবার মনোনয়ন দেওয়া হলে তাদের নাম তালিকায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবারে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম যাতে আবার ভুলভাবে বাদ না পড়ে, সে কারণে নির্দেশাবলি অনুকূলে সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধনীটি প্রয়োগ হলে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা যাবে, যা জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি বহুমুখী ও সময়োপযোগী করায় সহায়ক হবে।

  • পাইলট পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    পাইলট পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ—নারী-প্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হচ্ছে। পাইলট পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার এই কার্ড পাবেন।

    এ তথ্য আজ সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান। কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী efectuar করবেন।

    মন্ত্রী বলেন, পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর নামে কার্ড প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাইলট প্রকল্পটি দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল), রেমিট্যান্সসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

    পাইলট পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী-প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহের পর সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত পরিবারের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচন কালে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। প্রতিটি নির্বাচিত নারী-গৃহপ্রধানকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে, যা স্পর্শবিহীন চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তিসহ নিরাপদ ও টেকসই হবে।

    প্রতিটি কার্ডে একটি পরিবারের পাঁচ জন সদস্য ভাতা বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। যদি কোনো যৌথ পরিবারে সদস্যসংখ্যা পাঁচের বেশি হয়, তাহলে আনুপাতিক ভিত্তিতে অতিরিক্ত কার্ড প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    সভায় মন্ত্রী আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ডে নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, অথবা সরকারি চাকরি বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হয়ে থাকেন, তাহলে ওই পরিবারকে ভাতা প্রদানের যোগ্য বিবেচনা করা হবে না। একইভাবে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা, বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন গাড়ি, এসি) বা নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চয়পত্র থাকলে সেই পরিবারও ভাতা পাবেন না।

    পাইলটিং পর্যায়ে প্রতিমাসে নির্বাচিত উপকারভোগীরা মাসিক ২,৫০০ টাকার হারে নগদ ভাতা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যসহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় আনা হবে। ভাতার টাকা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীর নির্বাচিত মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হবে—তথ্য সংগ্রহকালে এই অ্যাকাউন্ট-ওয়ালেটের তথ্যও নেওয়া হয়েছে, যাতে বিলম্ব বা ভুল জমা এড়ানো যায়।

    পাইলট পর্যায়ের বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন-২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬ শতাংশ) সরাসরি নগদ সহায়তায় এবং ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (৩৩.৯৪ শতাংশ) তথ্যসংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম প্রণয়ন ও কার্ড প্রস্তুতিসহ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হবে।

    মন্ত্রী অনাড়ম্বরভাবে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা রয়েছে।

  • সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলে দিল

    সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলে দিল

    সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির ৭.১১ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।

    সংশোধিত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদানের জন্য সাধারণত বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত থাকবে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পাওয়ার পর যদি অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রাখে, তাহলে কমপক্ষে ২৫ বছর পর তাদের পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’

    এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সহ মোট ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এই তালিকায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামও রয়েছে—তিনি ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

    গতবারও একই ব্যক্তিকে ভুলক্রমে দুইবার মনোনয়ন করা হলে পরে তাদের নাম তালিকা থেকে সরানো হয়েছিল। এবারের পরিস্থিতিতে যাতে এমন সমস্যা না হয়, সেই কারণে নির্দেশাবলিতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    নতুন নিয়মে বিশেষ অবদানের ভিত্তিতে দীর্ঘ সময় পর পুরস্কার পুনরায় দেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভবিষ্যতে পুরস্কার প্রদান প্রক্রিয়ায় কিছুটা নমনীয়তা আসবে।

  • সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে বিধি বদলালো

    সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দিতে বিধি বদলালো

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির একটি ধারা সংশোধন করে একই ব্যক্তিকে পুনরায় পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে। বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির অনুচ্ছেদ ৭.১১ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।

    নতুন সংশোধিত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে সাধারণভাবে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হবে না। তবে একটি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে — পুরস্কারপ্রাপ্তির পর যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রাখে, তাহলে পূর্বের পুরস্কারপ্রাপ্তির তারিখ থেকে অন্তত ২৫ বছর পর তাকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা যাবে।

    সরকার এবারের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে।

    তালিকায় থাকা জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কারটি করিতেছেন। আগে এমন ভুল হয়েছিল যে একই ব্যক্তিকে দ্বিবার মনোনীত করা হলে তাদের নাম তালিকায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা জানান, এবারের তালিকা থেকে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম বাদ পড়ে না যাওয়ায় এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি এড়াতে নির্দেশাবলির ওই ধারা সংশোধন করা হয়েছে।

    অফিস সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, সংশোধনীটি পুনরায় পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে স্পষ্টতা এনে দেবে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পরেও পুনঃউল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি নিশ্চিত করবে।

  • আইসিটির একজন প্রসিকিউটরের পদত্যাগ, দু’জনকে কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ

    আইসিটির একজন প্রসিকিউটরের পদত্যাগ, দু’জনকে কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের একজন প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগের তথ্য আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেলের পদমর্যাদাসম্পন্ন মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের দেয়া পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    একই দিনে আইন ও বিচার বিভাগের অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য দুই জন আইনজীবীকে কৌঁসুলি বা প্রসিকিউটরের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগগুলো পুনরাদেশ বা নতুন নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নিয়োগে উল্লেখিত পদমর্যাদা, প্রাপ্য রিটেইনার ফি ও অন্যান্য সুবিধাসমূহও প্রযোজ্য থাকবে।

    নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন নাটোরের মার্জিনা রায়হান (মদিনা) এবং কুমিল্লার মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। দুজনকেই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদায় কৌঁসুলি/প্রসিকিউটরের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

  • টিউলিপ সিদ্দিকসহ দুই আসামিকে আদালতে হাজিরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

    টিউলিপ সিদ্দিকসহ দুই আসামিকে আদালতে হাজিরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

    দুদকের গুলশান-২-এ অবৈধ ফ্ল্যাট দখলের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ দুইজনকে আদালতে হাজিরের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ। অন্য একজন আসামি হলেন রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ)-এর সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেন।

    আদালতের বেঞ্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট রিয়াজ হোসेंसহ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত ৮ মার্চ এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে জানায়, দুই আসামিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই কারণে আদালত তাদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ২৯ মার্চের পর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।

    এদিকে, আদালত ইতোমধ্যে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চার্জশিট গ্রহণের পর টিউলিপ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে দুদকের এক আবেদনের ভিত্তিতে টিউলিপের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশও দেন আদালত।

    কেসটির সারমর্ম অনুসারে, গত বছরের ১৫ এপ্রিল দুদক অভিযোগ করে যে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান এবং সরদার মোশাররফ হোসেন পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর একটি ফ্ল্যাট দখল করেন এবং পরে সেটি রেজিস্ট্রি করেন।

    চলতি বছরের জুলাই মাসে মামলায় নাম জড়ানো শাহ মো. খসরুজ্জামান হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট তার ওপর তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দেন এবং আপিল বিভাগে ওই স্থগিতাদেশ বহাল থাকায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত স্থগিত রয়েছে। অন্যদিকে গত ১১ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে দুদক টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।

    উল্লেখ্য, টিউলিপ সিদ্দিককে মা ও ভাই-বোনদের তিনটি প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির পৃথক মামলায় ঢাকার এক বিশেষ জজ আদালত ইতোমধ্যে প্রতিটি মামলায় দু বছরের সাজার মাধ্যমে মোট ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

  • সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আদালত আজ রোববার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এই নির্দেশ দেন।

    আজকের শুনানিতে আদালত দাখিল হওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বলেছেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ গ্রহণ করা হলো। তবে অভিযোগপ্রাপ্ত আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ৩০ মার্চ দিন নির্ধারণ করেন।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    দুদক উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই কর্মকর্তা গত বছরের ৩০ নভেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তাঁর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর হিসেবে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং অস্থাবর হিসেবে ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তদন্তে তাঁর নামে স্থাবর সম্পদ হিসেবে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকা এবং অস্থাবর হিসেবে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার তথ্য পাওয়া যায়। মোট প্রমাণিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার মতো।

    অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, এসব সম্পদের মধ্যে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদ করে নিট সঞ্চয় হিসেবে যে পরিমাণ পাওয়া গেছে তা ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। সুতরাং ওএসএলে অভিযোগ অনুসারে বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

    মূল অভিযোগে উল্লেখ আছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ-মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন। মামলাটি এখন বিচার কার্যবিধি অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত ও শুনানির জন্য আদালতে চলছে।

  • জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    শুনানির দিন ধার্য ছিল আজ। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগপত্র সামগ্রিকভাবে গ্রহণ করে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। আসামি পলাতক থাকায় আদালত তাকে গ্রেপ্তার করে আনার জন্য পরোয়ানা জারি করেছেন। একই সঙ্গে পরোয়ানা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই কর্মকর্তা গত বছরের ৩০ নভেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে মোট প্রমাণিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

    অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে মাত্র ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যয় বাদে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। তফাতে বেনজীর আহমেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মোট ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

  • হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুইজন বনগাঁও সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার

    হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুইজন বনগাঁও সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার

    পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) রবিবার ভারতের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে। এই খবরটি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই নিশ্চিত করেছে।

    এসটিএফ জানায়, অবৈধ প্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামের দুই বাংলাদেশিকে বনগাঁও সীমান্ত থেকে ধরে আনা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করে এসটিএফ সদস্যরা। পুলিশি সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গम्भীর অভিযোগ রয়েছে।

    পুলিশি সূত্রে প্রকাশ, এই দুই বাংলাদেশি ভারতে ঢুকার পর বনগাঁওয়ে আত্মগোপন করেছিলেন এবং সুবিধা পেলেই পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবারের প্রথমার্ধ ও রাতের মধ্যে — ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে — অভিযান চালিয়ে তাদের拘রা করা হয়।

    গ্রেপ্তার দুইজন হলেন পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে হাদি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    পুলিশের বিবরণ অনুযায়ী, হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত হয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে ছিলেন। সম্প্রতি তারা পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁওয়ে জড়ো হলে পুলিশের নজরে আসে।

    ঘটনাস্থল থেকে তাদের গ্রেপ্তারের পর সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার তাদের আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

    এই তথ্যের উৎস: এএনআই।

  • জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মধ্যেই বাড়লো জেট ফুয়েলের দাম

    জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মধ্যেই বাড়লো জেট ফুয়েলের দাম

    মার্চ মাসের জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিমান চলাচলে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম। দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা, যা আগের মাসে ছিল মাত্র ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। ফলে এই মাসে লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১৭ টাকা ২৯ পয়সা।

    এছাড়া, আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজের জন্যও প্রতি লিটার ফুয়েলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে; এ মাসে এটি নির্ধারণ করা হলো ০.৭৩৮৪ ডলার, যেখানে আগের মাসে ছিল ০.৬২৫৭ ডলার।

    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রোববার (৮ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।

    অতীতে, ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইটের জন্য এক লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা, যা পরে বাড়িয়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা করা হয়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্যও ডলারের দামে সামান্য বৃদ্ধি করে ০.৬২৪৬ ডলার থেকে ০.৬২৫৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়।