Category: খেলাধুলা

  • ভিনিসিয়ুসের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের জন্য ৫ জনের সদস্যপদ স্থগিত

    ভিনিসিয়ুসের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের জন্য ৫ জনের সদস্যপদ স্থগিত

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ পর্বে ঘরের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হয়ে বেনফিকা ১-০ গোলে হেরেছে। তবে এই ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে স্টেডিয়ারে ঘটে যাওয়া এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে দর্শকদের মধ্যে কিছু বেনফিকা সমর্থকের বর্ণবাদী আচরণের কারণে। স্টেডিয়ামের আলোয় দেখা গেছে, কিছু সমর্থককে অশোভনভাবে বানরের মতো অঙ্গভঙ্গি করতে, যা ফুটবলে বর্ণবাদের সঙ্গে জড়িত অবমাননাকর ও অসংবিধানাকর্ম হিসেবে পরিচিত।

    ঘটনার পরই বেনফিকা ক্লাব তার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের ফলাফলে জানা যায়, পাঁচ জন সমর্থকের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়মনীতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে স্থায়ী বহিষ্কারও থাকতে পারে।

    এক বিবৃতিতে বেনফিকা বলেছে, ‘তাদের তদন্তের ভিত্তিতে, পাঁচ জন সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। ক্লাবের আইন অনুসারে, এই শাস্তি সর্বোচ্চ, যে অর্থে তারা বহিষ্কারও হতে পারেন।’ তারা আরও জানিয়েছে, ‘১৭ ফেব্রুয়ারি রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ম্যাচের পরে এবং ক্লাবের মূল্যবোধ ও নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এমন বর্ণবাদী আচরণের বিষয়ে এই তদন্ত শুরু হয়। ক্লাব স্পষ্ট করে বলে, কোনও ধরনের বৈষম্য বা বর্ণবাদ তারা মেনে না এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

    অন্যদিকে, ম্যাচের চলাকালীন এক অন্য ঘটনা ঘটে। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অভিযোগ করেন, বেনফিকার খেলোয়াড় জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি তার সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে রেফারি বর্ণবিরোধী প্রোটোকল কার্যকর করে, যার ফলে প্রায় ১০ মিনিট ম্যাচ খণ্ডিত হয়।

    সার্বিকভাবে, এই ম্যাচের বাইরেও ফুটবলে সমতা, সম্মান ও বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ ও বর্ণবাদ বিরোধী অবস্থান এখন বিস্তারিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। পুরো পরিস্থিতি পর্তুগালের একটি ক্লাব হিসেবে বেনফিকার কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ এবং ফুটবলে সম্মান ও বৈচিত্র্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ফুটবল পরাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে ফিফা

    বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ফুটবল পরাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে ফিফা

    বাংলাদেশ ফুটবল দল এখন পুর্নোদ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। হামজা চৌধুরীর পর দলটির দ্বিতীয় প্রভাবশালী খেলোয়াড় সামিত সোম-কিউবা মিচেলরা যোগ দেওয়ায় দলের মান needless বাড়ছে। এ নতুন সংযোগগুলো যেন বাংলাদেশকে শক্তিশালী করে তুলছে, আর তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল দুনিয়ায়। যদিও এএফসি এশিয়ান কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে না পারলেও, দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল দল।

    ফুটবল বিশ্বে বাংলাদেশের উন্নতি এখন শুধু স্থানীয় সীমাবদ্ধ নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ সুখবরের অংশ হিসেবে, ফিফা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের অফিসিয়াল পেজে বাংলাদেশকে নিয়ে একটি বিশেষ পোস্ট করেছেন। সেখানে তারা প্রশ্ন করেছেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?’ সঙ্গে যোগ করেছেন বাংলাদেশের পতাকার ইমোজি। এটি দেখেই ফুটবলপ্রেমীরা নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এক শক্তিশালী দিক, আর কিছু দিন পর পুরো এশিয়ার ফুটবল বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় হবে বলে আশা করছেন।

    এ বিষয়ে মোহাম্মদউল­াহ নরেন নামে একজন লিখেছেন, ‘এখন তো শুধু দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি। কিছুদিন পরে সারা এশিয়ার, এরপর আন্তর্জাতিক স্তরেও আমরা ফুটবলের মহাশক্তি হব, ইনশাআল্লাহ।’ ফিফার এই প্রশ্ন এবং ফুটবল সমাজে এই মনের উচ্ছ্বাস নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

  • আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড় হলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তারি

    আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড় হলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তারি

    মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলোচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার সোবহানা মোস্তারি। তাকে সম্প্রতি আইসিসির জানুয়ারি মাসের সেরা খেলোয়াড়ের সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের নারীদের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি গর্বের পদক্ষেপ, কারণ মোস্তারিকে দ্বিগুণ সম্মান দেওয়া হয়েছে। আগে এই স্বীকৃতি পেয়ে ছিলেন নাহিদা আক্তার, যিনি ২০২৩ সালের নভেম্বরে আইসিসির সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।

    নেপালে অনুষ্ঠিত ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই সফলতার অগ্রনায়ক ছিলেন মোস্তারি, যিনি ৬ টি ম্যাচে ব্যাট করে ২২৯ রান করেছেন। তার স্ট্রাইকরেট ১৪৫, গড় ব্যাটিং মান ৪৫। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই তিনি আইসিসির জানুয়ারি মাসের সেরা ক্রিকেটারদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পান। তার সাথে মনোনীত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাঁহাতি পেসার টারা নরিস এবং আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্যাবি লুইস। কিন্তু সব প্রতিযোগিতাকেই পেছনে ফেলে মোস্তারি নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

    বাংলাদেশ টিম থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে উত্তীর্ণ হয়। এই ম্যাচে মোস্তারির ব্যাট থেকে এসেছে ৫৯ রানের নজরকাড়া ইনিংস, যা এই ট্যুর্নামেন্টের তার সেরা পারফরম্যান্স। এছাড়াও স্কটলণ্ডের বিপক্ষে ৪৭ রানের আরও এক ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাকি তিনটি ম্যাচে তিনি তিনবারই ত্রিশের ওপরে রান করেছেন। বল হাতেও অবদান রাখতে তিনি একটি উইকেট দখল করেছেন। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে মোস্তারিকে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায়।

  • শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জয়সুরিয়া

    শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জয়সুরিয়া

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে শ্রীলঙ্কার ভক্তদের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা আশা করেছিলেন, এই উৎসবমুখর আসরে তারা নিজেদের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, লঙ্কানরা সুপার এইটে পৌঁছাতে পারেনি, এবং এই ব্যর্থতার পর এবার দলটির প্রধান কোচের পদ থেকে অবসরে যাচ্ছেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার সনাৎ জয়সুরিয়া।

    শ্রীলঙ্কা সুপার এইটে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়। আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ক্যান্ডির পালেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। এই ম্যাচ দিয়েই জয়সুরিয়া কোচের দায়িত্ব শেষ করবেন।

    জয়সুরিয়া ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। পরে তারা একসঙ্গে পূর্ণকালীন চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের মার্চের ৩১ তারিখ পর্যন্ত। তবে, মোটেও আশাবাদী ছিল না এ চুক্তি, কারণ জানানো হয়েছিল— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করবেন। এই কথা মান্য করতেই তিনি চুক্তির আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    শ্রীলঙ্কার কোচ হিসেবে জয়সুরিয়ার শুরু ছিল অত্যন্ত আশাপূর্ণ। তার অধীনে দীর্ঘ ২৭ বছর পর ভারতীয় দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় লঙ্কানরা। একই বছরে ইংল্যান্ডের দ্য ওভালে টেস্ট জয় পেয়েছিল তারা, যা ছিল এক দশকের মধ্যে ইংল্যান্ডে তাদের প্রথম টেস্ট জয়।

    এই সাফল্যগুলো ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড দুই বছরের জন্য জয়সুরিয়ার সঙ্গে পূর্ণকালীন চুক্তি করে। তার নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও জয় লাভ করে লঙ্কানরা। কিছু সময়ের জন্য তারা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে আসে। কোচিংয়ের বিভিন্ন মাধ্যমে, জয়সুরিয়ার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা মোট ৭৪টি ম্যাচ খেলে, যার মধ্যে জয় পেয়েছে ৩৪টিতে, হারেছে ৩৮টিতে, আর দুটি ম্যাচের ফলতে হয়নি।

    নিজেদের ঘরোয়া মাঠে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে শ্রীলঙ্কা দলের কোচিং স্টাফ আরও শক্তিশালী করে তোলে। ব্যাটিং কোচ হিসেবে যোগ হয় বিক্রম রাঠোর, ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন শ্রীধর। আরও যোগ করা হয় লাসিথ মালিঙ্গাকে বোলিং পরামর্শক হিসেবে এবং রেনে ফার্ডিনান্ডসকে স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে। তারপরও, সেমিফাইনালের আগেই এই বিশ্বকাপের যাত্রা শেষ হয় শ্রীলঙ্কার।

  • সেইমিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে ভারত, সেমির আশা টিকে থাকল

    সেইমিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে ভারত, সেমির আশা টিকে থাকল

    প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৭২ রানের দাপুটে জয়ে স্বপ্নস্মৃতি আবার জেগে উঠল তাঁদের। অন্যদিকে, টানা দুই হার নিয়ে সিকান্দার রাজার দল টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ল।

    জিম্বাবুয়ের সামনে বিশাল ২৫৭ রানের লক্ষ্য ছিল। শুরু থেকেই ওপেনার কল্যাণের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু হয়। তবে কিছুটা ছন্দে থাকলেও রান তাণ্ডব চালাতে পারেননি পুরো দলের ব্যাটাররা; ফলে বড় সংগ্রহের পরিবর্তে তারা কেবল ব্যবধান কমাতে সক্ষম হন।

    ম্যাচের আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। শতক পূরণের পর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তিনি। প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩ রানের, তবে তিনি শেষ পর্যন্ত ৯৭ রান করে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসটি ছিল ৫৯ বলে, আটটি চার ও ছয় ছয়ে সাজানো।

    অপর ওপেনার মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করেন, দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২১ বল করে ৩১ রান করেন। অন্যদের মধ্যে রায়ান বার্ল রান পাননি, টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করেন। এর ফলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে।

    ভারতের সর্বোচ্চ সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

    এর আগে চেন্নাইয়ে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সিদ্ধান্তে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়। ব্যাটিং শুরু হয় দুর্দান্ত, দুই ভারতীয় ওপেনার আগ্রাসী ব্যাটিং চালান। ১৫ বলে ২৪ রানে স্যাঞ্জু স্যামসন ফিরে যান, তবে পাওয়ার প্লে’তেই দলের স্কোর ৮০ রানে পৌঁছে যায়। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়ে দলের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেন অভিষেক শর্মা, যিনি ২৬ বলে ৫০ রান করেন।

    আরেক ওপেনার সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। তিনি দ্রুতই সাজঘরে ফিরলেও, ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ ভাগে হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা ব্যাটে ঝড় তোলে। তারা ৩১ বলে ৮৪ রান যোগ করেন, যেখানে হার্দিক ২৩ বলে ৫০ রান (চার চার, চার ছয়) করেন। তিলকও ১৬ বলে ৪৪ রান (চার চার, চার ছয়) করেন।

    ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান করে। জিম্বাবুয়ের জন্য একটি করে উইকেট লাভ করেন চারজন বোলার।

  • নাহিদ-লিটনের দাপটে উজ্জ্বল নর্থ জোনের জয়

    নাহিদ-লিটনের দাপটে উজ্জ্বল নর্থ জোনের জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দারুণ জয়লাভের পরও সাউথ জোন পারিষদে হতাশা প্রকাশ করল না নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে। অন্যদিকে, আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকারের ব্যাটিং অক্ষমতার দিনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়রা। এর ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে নর্থ জোন।

    রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নর্থ জোন। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৩০ ওভারে ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায় সাউথ জোনরা। জবাবে, ১৪০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে নর্থ জোন।

    এই জয়ে এখন ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালের জন্য অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে নর্থ জোন। অন্যদিকে, ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পাওয়া সাউথ জোনের জন্য শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিপক্ষে জিততেই হবে জিততে হবে ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য।

    টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ জোন শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। আগে কোনো রান না করে ওপেনার আনিসুল ইসলাম ফিরে যান। এরপর জাওয়াদ আবরার দলের হয়ে ১০ রানে ফিরে যান আরেক ওপেনার। ৯ রানের মধ্যে সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবরাও ফিরে গেলে বড়সড় চাপের মধ্যে পড়ে সাউথ জোন।

    ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯ রানে ধুঁকতে থাকা দলটি শেষে মোহাম্মদ মিথুন ও নুরুল হাসান সোহান মিলিত ৫০ রানের জুটিতে ধীরস্থিরতা দেখায়। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রান করে নাহিদ রানার শিকার হলে ভেঙে যায় সেই জুটি।

    সাত নম্বর সময়ে ব্যাট করতে নামা রবিউল হককে নিয়ে আবারও জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মিথুন। ২২ বলে ২৯ রান করে রবিউল ফিরে গেলে দলীয় ১২০ রানে আউট হন তিনি। এরপর আর টালেন্ডাররা আর অগ্রসর হতে পারেনি। নিজে ফিফটি পূরণ করে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিথুন। অন্য প্রান্তে কেউ সঙ্গ দেয়নি, ফলে ১৯ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য ম্যাচের সেরা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন নাহিদ।

    জবাব দিতে নেমে দলীয় ২৮ রানে হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট হারায় নর্থ জোন। এরপর ৯ রানের মধ্যে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তও প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে গড়ে ওঠে ৮০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৩৩ রান করে হৃদয় বিদায় নেন। তবে ফিফটি পূর্ণ করে দলের জয়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন লিটন দাস, যিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    সাউথ জোনের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে কার্যকরি ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান, যিনি ৫ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

  • ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়ল

    ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়ল

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে যাওয়ার একমাত্র ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় ভাবনা সহজ করে দিয়েছে, তারা নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, এই হারের ফলে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে উঠা নিয়ে শঙ্কা জেগেছে, যেহেতু তাদের এখনও পরিস্থিতি কঠিন। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান করে। ইংল্যান্ডের জবাবে, ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় ছুঁয়ে ফেলেন তারা।

    রান তাড়া করতে নামা ইংল্যান্ডের জন্য শুরু ছিল বেশ কঠিন। দুই ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে যান। ফিল সল্ট ৪ বলে ২ রান করে আউট হন এবং জস বাটলার কোন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। এরপর, দলনেতা হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল ঐ ওভারগুলো ঠিক করে চাপ মোকাবেলা করেন। তবে হ্যারি ব্রুক ২৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন, আর বেথেলও ১৬ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। স্যাম কারান ২২ বল খেলে ২৪ রান করেন, কিন্তু এর আগে মাঠে ছিলেন আবেগে ভরা এক পর্যায়ে।

    অন্যদিকে, ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হওয়ার পর ইংল্যান্ডের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছিল। তখন মনে হচ্ছিলো তাদের হেরেই যাবেন। কিন্তু সপ্তম উইকেটে উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদের দৃঢ় batting-এর মাধ্যমে তারা জয় লাভ করে। জ্যাকস ২৮ রান ও রেহান ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এর আগে, টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডের জন্য শুরু ছিল চ্যালেঞ্জিং। টিম সেফার্টকে প্রথম ওভারে শক্তিশালী সুইংয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল, যেখানে তিনি কোনও রানই করতে পারেননি। তবে, ফিন অ্যালেনের সঙ্গে সেফার্ট ব্যাট করে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ৫৪ রান যোগ করেন। সেফার্ট ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন এবং অ্যালেন ১৯ বলে ৩ ছক্কা ও ২৯ রান করেন।

    রাচিন রবীন্দ্রের ধীর রানের পর, স্পিনারদের দাপটে নিউজিল্যান্ডের বিপর্যয় হয়। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলের মধ্যে ৪ চার ও ১ ছক্কা দিয়ে ৩৯ রান করেন। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ রান এবং কোল ম্যাককনচি ১৪ রান করেন। বুঝতে পারা যায়, ইংলিশ স্পিনাররা এই ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে; অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৩ ওভার আর স্যাম কারান এক ওভারের বেশি করতে পারেননি।

    ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে চার স্পিনার মিলে মোট ৭ উইকেট নিয়েছেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ প্রত্যেকে ২ উইকেট করে শিকার করেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলে ইংল্যান্ড তাদের গ্রুপের শীর্ষে থাকতে সক্ষম হয় এবং বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে।

  • ফিফার সংজ্ঞায় বাংলাদেশের নতুন পরাশক্তি হিসেবে অনুরূপ গুরুত্ব

    ফিফার সংজ্ঞায় বাংলাদেশের নতুন পরাশক্তি হিসেবে অনুরূপ গুরুত্ব

    বাংলাদেশ ফুটবল দল গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করছে, যার অন্যতম প্রমাণ হলো হামজা চৌধুরীর পর সামিত সোম-স্যার কোচ মিচেলদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দলটি শক্তিশালী হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় যেন লাল-সবুজের এই দলটি নিজের স্থান করে নিচ্ছে, এবং তাদের অর্জন নিয়মিত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এএফসি এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখা যায়নি, তবে দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রমাণ করেছে দলটি।

    ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সম্প্রতি বাংলাদেশের উন্নতিসহ দলের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশের একটি ছবি এবং তার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‘দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?’’ যেখানে বাংলাদেশের পতাকার ইমোজিও যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রশ্নটি ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    ফেসবুক পোস্টের কমেন্টগুলোতেও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই সরাসরি মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ফুটবল দক্ষতা ও উন্নয়নের প্রশংসা করে, যেমন মোহাম্মদউল্লাহ নরেন উল্লেখ করেছেন, ‘এখন তো শুধু দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি, কিছুদিন পর এশিয়ার পরাশক্তি হব এবং ভবিষ্যতে ফুটবল বিশ্বেও অবশ্যই পরাশক্তি হব, ইনশাআল্লাহ।’ এইসব মন্তব্য নির্দেশ করছে যে, বাংলাদেশ এখনকার সময়ে ফুটবল মহলে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতের জন্য বড় আশা ও স্বপ্ন দেখছে।

  • বেনফিকা: বর্ণবাদী আচরণের জন্য ৫ জনের সদস্যপদ স্থগিত

    বেনফিকা: বর্ণবাদী আচরণের জন্য ৫ জনের সদস্যপদ স্থগিত

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফে মাঠে বসে রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হয় বেনফিকা। তবে ম্যাচের ফলটি ছিল ১-০ গোলে রিয়ালের পক্ষে। ম্যাচের ফলের চেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা, যা ফুটবলপ্রেমীদের আলোড়িত করেছে।

    গ্যালারিতে কিছু সমর্থকের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ উঠে আসে। স্টেডিয়ামের আলোকসজ্জার মধ্যে কিছু দর্শককে বানরের মতো অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়, যা ফুটবলে বর্ণবাদী ও অবমাননাকর আচরণের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।

    ঘটনার পর বেনফিকা ক্লাব অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষে পাঁচজন সমর্থকের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। ক্লাব কর্পোরেট সম্প্রদায়ের নির্দেশিকা অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে, যা বহিষ্কার পর্যন্ত যেতে পারে।

    এক বিবৃতিতে বেনফিকা জানিয়েছে, ‘শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা পাঁচজন সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করেছি। ক্লাবের আইন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে তাদের বহিষ্কারও হতে পারে।’

    বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, ‘১৭ ফেব্রুয়ারি বেনফিকা বনাম রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচের পর পরই বর্ণবাদী আচরণের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়। ক্লাবের মূল্যবোধের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এই ধরনের আচরণ মানায় না এবং আমরা কোনও ধরণের বৈষম্য বা বর্ণবাদকে সহ্য করি না। এমন আচরণ কখনোই মেনে নেওয়া হবে না, এবং যদি কেউ ক্লাবের মূল্যব boordকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন আচরণ করে, তবে আমরা কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

    ম্যাচের চলাকালে আরেকটি ঘটনার অভিযোগ ওঠে। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অভিযোগ করেন যে, বেনফিকার খেলোয়াড় জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি তাকে বর্ণবাদী व्यवहार করেছেন। এই অভিযোগের পর রেফারি বর্ণবৈষম্য বিরোধী প্রোটোকল চালু করেন এবং প্রায় ১০ মিনিটের জন্য খেলা বন্ধ রাখা হয়।

    সার্বিকভাবে, এই ম্যাচের বাইরেও বর্ণবাদবিরোধী অবস্থান ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ এখন আলোচনায় এসেছে। ফুটবল খেলায় সমতা ও সম্মান বজায় রাখতে পর্তুগালের ক্লাবটি কঠোর প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করেছে।

  • বিশ্বকাপে অনুপস্থিত থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের র‍্যাংকিং বেড়েছে

    বিশ্বকাপে অনুপস্থিত থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের র‍্যাংকিং বেড়েছে

    নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও বাংলাদেশের তিনজন ক্রিকেটার আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। তারা হলেন পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান ও জাকের আলি অনিক। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাংকিং আপডেটে দেখা গেছে, এই তিন ক্রিকেটার ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে তাদের অবস্থান শক্তি অর্জন করেছে। পারভেজ হোসেন ইমন টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে এখন ৪১ নম্বরে পৌঁছালেন, যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্থান। তাকে রেটিং পয়েন্টে ৫৪২ পয়েন্টের সম্মানজনক অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি, সাইফ হাসান দুই ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে উঠেছেন, আর জাকের আলি তিন ধাপ এগিয়ে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, কিছু ক্রিকেটারের অবনতি হয়েছে। তানজিদ হাসান তামিম ২১ নম্বর থেকে পিছিয়ে যান এবং লিটন দাস ৫৪ নম্বরে আছেন। তোহাঈদ হৃদয় রেটিংয়ে অপরিবর্তিত থাকলেও তার অবস্থান ৪৭ নম্বরে। বলার মতো বিষয়, বাংলাদেশের আরও কিছু খেলোয়াড়ের র‍্যাংকিংয়ে পতন হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান টেবিলের ৯ নম্বর স্থানে থাকা অবস্থায় অপরিবর্তিত থাকলেও, শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিবের (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় দরার পতন হয়েছে। অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কেউ শীর্ষ চল্লিশের মধ্যে নেই; শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গিয়েছেন। অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে ফিরে এসেছেন সিকান্দার রাজা, তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকে এক নম্বর স্থান দখল করেছেন। ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা (৮৭৭ পয়েন্ট), দ্বিতীয় স্থানে ফিল সল্ট এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। বলিংয়ে শীর্ষে আছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী, তার সঙ্গে রয়েছেন রশিদ খান। সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ ২১ ধাপ উন্নতি করে ৩ নম্বরে উঠে এসেছেন। এরপর জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছেন।