Category: খেলাধুলা

  • ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    সুপার ৮ পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানের হারের পর ভারতের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আদৌ পথ খোলা ছিল কি-না, তা নিয়ে ছিল উদ্বেগ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের দাপুটে জয় যেন ভারতের আশা জাগিয়ে দেয় এবং তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা অব্যাহত রাখে। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচ হারায় সিকান্দার রাজা ও তার দল এই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।

    জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করা শুরু করে। দুই ওপেনার কল্যাণের থেকে দুর্দান্ত সূচনা পায় স্বাগতিক দল, এরপর আরও ইতিবাচক ছিলেন אחרים। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী রানের গতি ধরে রাখতে পারেননি ব্যাটাররা, ফলে কিছুটা ব্যবধান কমলেও জেতার জন্য দরকার ছিল আরও বেশি রান।

    ম্যাচে চোখ এড়ানোর মতো পারফরম্যান্স দেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। তিনি ৫০ পূরণের পর ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন, এবং মাত্র ৩ রান প্রয়োজন ছিল সেঞ্চুরি করতে। মাঠ ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি করেন ৯৭ রান, ৫৯ বলে আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে সাজানো এটি।

    অপর ওপেনার মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। দলনেতা সিকান্দার রাজা ২১ বল থেকে ৩১ রান করেন। অন্যরা বেশির ভাগই ব্যর্থ হন; রায়ান বার্ল রান পাননি, টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করে মাঠ ত্যাগ করেন। এভাবে, জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে, যা তাদের জন্য একটি সংগ্রামমূলক স্কোর ছিল। ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

    এর আগে, চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দ্রুততর আক্রমণাত্মক শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার। ১৫ বলে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হওয়ার পরেও পাওয়ার প্লে-তে ভারত ৮০ রান তোলে। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়েন তারা। ইষাণ কিষাণ ২৪ বলে ৩৮ রানে আউট হন।

    অভিষেক শর্মা মাত্র ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন, কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ৫৫ রানে আউট হন তিনি। তার এই ইনিংস চারটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব শুরুর ধাক্কা সামলে ১৩ বলে ৩৩ রান করেন।

    দুইজনের প্রত্যাশিত পারফরম্যান্সের পর, হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা পঞ্চম উইকেট জুটিতে খুবই সাবলীলভাবেই ব্যাট করেন। এই জুটিতে তারা ৩১ বলে ৮৪ রান তোলেন। হার্দিক পান্ডিয়া ফিফটি করেন ২৩ বলে, যেখানে তিনি চারটি চার ও চারটি ছয়সহ ৫০ রান করেন। তিলক ১৬ বলের ইনিংসটি চারটি চার ও চারটি ছয়ে ৪৪ রানে রূপ দেন। পুরো ২০ ওভার শেষ করে ভারত করে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান।

    জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটি করে উইকেট পান চারজন বোলার।

  • নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের全部 জিতে অপরাজিত থাকতে সক্ষম হয়েছে, ফলে তারা সরাসরি টিকিট পেয়েছে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য। এই প্রথমবারের মতো, ১২টি দল অংশ নেবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যেখানে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, এবং ১২ জুন শুরু হবে এই জেতার মহাযুদ্ধের আয়োজন। এই টুর্নামেন্ট চলবে ২৪ দিন ধরে, শেষ হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বসে দুর্দান্ত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মঙ্গলবার নারী বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে থাকছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভেন্যুতে, যেখানে রয়েছে লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) ও ব্রিস্টল।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। ম্যাচ শুরু হবে সাড়ে দশটায়। একই বন্ধনে, ভারতের বিপক্ষে also খেলা হবে একই ভেন্যুতে। ১৭ জুন, ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, খেলাটি হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পরে, ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ার বোলের মোকাবিলা করবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরপর, বিশ্রামের পর, ২৫ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে, ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলেছে, যেখানে জিতেছে তিনটি। এবার বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নিজেদের দক্ষতা ও মান দেখানোর, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্তি প্রমাণের।

  • নিউজিল্যান্ডের জয় শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে প্রবেশ

    নিউজিল্যান্ডের জয় শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে প্রবেশ

    বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে টিকতে হলে শ্রীলঙ্কাকে অবশ্যই নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হতো। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটি ম্যাচে ৬১ রানে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গেলে শ্রীলঙ্কার জন্য ইতিমধ্যে কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়। এর ফলে নিউজিল্যান্ডের সামনে এখন সেমিফাইনাল খেলার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর সুযোগ এসেছে। টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে নিউজিল্যান্ড, তাদের দুই ম্যাচে সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে, শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যারা দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। পাকিস্তান একটি পয়েন্ট পেয়েও তৃতীয় স্থানে রয়েছে, আর দুই হারে শ্রীলঙ্কার দল এখন টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে।

    শ্রীলঙ্কার জন্য দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, ১৬৯ রানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যাটে নামা তাদের শুরুতেই ঝুলিতে ভালো কিছু রাখার সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রথম বল থেকেই তারা ক্রমশ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। কিউই পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে দুই লঙ্কান ব্যাটারকে ফেরান। তার মধ্যে পাথুম নিশাঙ্কা শূন্যরানে আউট হন প্রথম বলেই, আর তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাও আউট হন। এই সময়ে রানরেটের চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।

    এরপর স্পিনার রাচিন রবীন্দ্রের দৌরাত্ম্যে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। তিনি একের পর এক বলের মাধ্যমে চারজন ব্যাটারকে ফিরিয়ে দলের হাল কাটেন। কুশল মেন্ডিস, পাভান রতœায়েক, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও দুসান হেমন্ত—সবাই রানসংখ্যায় তুলনায় কম করেন। এই অঙ্কন শ্রীলঙ্কার জন্য এক ধরণের অধ:পতনের সূচনা করে।

    অন্যদিকে, দুনিথ ভেল্লালাগেকে নিয়ে প্রতিযোগিতায় থাকলেও তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি ২৩ বলে ৩১ রান করেছেন। দলের আরও কিছু ব্যাটার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। ভেল্লালাগে ২৯ রানে থেকেও আউট হন। চামিরা ৭ রানে এবং থিকসানা অপরাজিত থাকেন ২ রান করে। সব মিলিয়ে, ২০ ওভারে তারা ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সেরা বোলিং। ম্যাট হেনরি দুটি উইকেট পান।

    এদিকে, ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের জন্য আমন্ত্রণ জানায় লঙ্কান দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা। ওপেনার ফিল অ্যালেন শক্তিশালী উপস্থিতির মাধ্যমে চেষ্টা করেন ঝড়ো সূচনা দিতে। তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানা তাকে ফিরিয়ে দেন। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। আরেক ওপেনার টিম সেইফার্ট মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস মিলে একটি ইতিবাচক জুটি গড়ে তোলেন, তবে তার পরই রান গতি মন্থর হতে থাকে। ১২ থেকে ১৬তম ওভারের মধ্যে রানের গতি খুব ধীর হয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যে রবীন্দ্র ৩২, ফিলিপস ১৮ রান করেন। এরপর, দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি ক্রিজে ঢুকে দলকে চাপ থেকে মুক্তি দেন। দুই ব্যাটার ৮৪ রান গড়েন, যেখানে স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, এবং ম্যাককঞ্চি অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা তিনটি করে উইকেট নেন। দুনিথ ভেল্লালাগে একটি উইকেট পান। সকল দর্শক ও সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচ ছিল হাড্ডাহাড্ডি কৌশল ও মানসিকতাবিরোধী এক লড়াই। শ্রীলঙ্কার জন্য এই হারের ফলে তাদের এখন বিদায় নিশ্চিত, তবে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য এখন পরিষ্কার, তারা যেন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেননি বাংলাদেশ। তবে এই অপ্রত্যাশিত অবস্থার মধ্যেও আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার ইতিবাচক অগ্রগতি দেখিয়েছে। তারা হলেন পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিক।

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাংকিং হালনাগাদে জানা গেছে, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও এই তিন ব্যাটার আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে উন্নতির ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

    পারভেজ হোসেন ইমন টু-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪১তম অবস্থানে পৌঁছেছেন। এই র‍্যাংকিংয়ে এটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্থান, যেখানে তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২।

    অন্যদিকে, সাইফ হাসান দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে এবং জাকের আলি অনিকও দুই ধাপ উঠে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    বিরোধীদের মধ্যে অবনতি হয়েছে কিছু জনপ্রিয় ক্রিকেটার যেমন তানজিদ হাসান তামিম (২১তম) ও লিটন দাস (৫৪তম)। তবে তাওহিদ হৃদয় স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছেন এবং তার রেটিং ৪৭ নম্বর।

    বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান নিজের ৯ নম্বর স্থানটি ধরে রেখেছেন, তবে অন্যান্য প্রধান বোলারদের পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। শেখ মেহেদি, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম সাকিবের র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে। অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কোনও ক্রিকেটার শীর্ষ চল্লিশে জায়গা না পেয়েও, শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    বিশেষ করে অলরাউন্ডারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো সিকান্দার রাজা, যিনি জিম্বাবুয়ের প্রচুর পারফরম্যান্সের ফলে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফিরে আসেছেন। তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকিয়ে এক নম্বরে পেঁৗছেছেন।

    ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের অভিষেক শর্মা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন (৮৭৭ পয়েন্ট), দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ফিল সল্ট। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান এই স্থান দখল করেছেন তৃতীয় স্থানে উঠে এসে।

    বোলিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী নিজের স্থান ধরে রেখেছেন শীর্ষে। তার পরেই রয়েছেন রশিদ খান। এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ টাইমের সবচেয়ে বড় উন্নতি করেছে। তিনি ২১ ধাপ এগিয়ে তিন নম্বরে আসতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহও ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছেন।

  • বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর চেষ্টা ভারত

    বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর চেষ্টা ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর থেকে নদীর শিশির জমতে পারে এমন চিন্তা বেশ আগে থেকেই ছিল। সেই আশঙ্কা কাটিয়ে উঠতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে যা শিশিরের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে ম্যাচের ফলাফলে শিশিরের প্রভাব কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এক সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের ভেন্যুতেও নিয়মিত ব্যবহার হয়। টিএনসিএ (তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন) আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই রাসায়নিকটি আউটফিল্ডে প্রয়োগ করে থাকে।

    মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে এই রাসায়নিকের সাথে পানি মিশিয়ে স্প্রে করা হয় আদর্শ পরিস্থিতি তৈরি করতে, যাতে ম্যাচের সময় তার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ থাকে। সূত্র বলছে, একবার স্প্রে করার পর, ঘাসের পাতাগুলোVrআরদ্রতা ধরে রাখতে পারে না। ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের জমে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মাঠের পরিস্থিতি ম্যাচের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে না।

    ভারতীয় দলের খেলোয়াড়রাও বুধবার দীর্ঘ অনুশীলনের সময় এই বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছে যে, উইকেট ও আউটফিল্ডের অবস্থা সন্তোষজনক। ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলাগুলিতেও এই রাসায়নিক ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী মাসে আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই শিশির নিয়ন্ত্রণে এই রাসায়নিক ব্যবহার বাধ্যতামূলক হতে পারে।

    অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফল বেশ প্রভাবিত হয়েছে বলার কারণে, এই নতুন পদক্ষেপটি নিয়েছে ভারত। এর ফলে খেলা আরও নিয়ন্ত্রিত ও প্রত্যাশিত ফলাফলের দিকে এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • নাহিদ ও লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে নর্থ জোনের অভাবনীয় জয়

    নাহিদ ও লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে নর্থ জোনের অভাবনীয় জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে শুরু করে সাউথ জোন, কিন্তいただা না থাকতে পারেনি নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে নাজমুলের দল। আফিফ হোসেন এবং সৌম্য সরকারদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন লিটন দাস এবং তার সহযোদ্ধা তাওহীদ হৃদয়। এর ফলস্বরূপ, টানা দুই ম্যাচে জিতেছে নর্থ জোন, ফলে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে।

    আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে, নর্থ জোন সাউথ জোনের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জিতেছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সাউথ জোন ৩০ ওভার ৫ বলের মধ্যে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়। জবাবে, নর্থ জোন ১৪০ বল হাতে রেখে প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে জয় নিশ্চিত করে।

    এই জয়ে নর্থ জোনের মোট ৪ পয়েন্ট হলো, যা তাদের ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে দেয়। অন্যদিকে, ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে সাউথ জোনকে ফাইনালে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে অবশ্যই জিততেই হবে।

    টস জেতা সত্ত্বেও ব্যাট করতে নামা সাউথ জোনের শুরুতেই বিপর্যয় ঘটে। ওপেনার আনিসুল ইসলাম আরেকটু আগেই ফিরে যান, এরপর জাওয়াদ আবরার ১০ রানে ফিরে যান। সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবরা ৯ রানে আউট হওয়ার পরে বড় চাপ তৈরি হয়।

    ১৯ রানেই ৪ উইকেট হারানো সাউথ জোনের জন্য ম্যাচের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে। তখন মোহাম্মদ মিথুন নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়েন, কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রানে নাহিদ রানার শিকার হন সোহান।

    এরপর রবিউল হককে সঙ্গে নিয়ে আবার জুটি বাঁধেন মিথুন, তবে ৫৫ রান করে তিনি আউট হন। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের জন্য তিনটি করে উইকেট পান এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা, এবং গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য ম্যাচের সেরা হন নাহিদ রানা।

    অন্যদিকে, ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ জোনের হাবিবুর রহমান সোহান ২৮ রানে বিদায় নেন। পরে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দ্রুত উইকেট পতনের পরে দলের সংগ্রহ ৮০ রানে গিয়ে আটকে যায়। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে ৮০ রানের জুটি গড়ে, যেখানে হৃদয় ৩৩ রান করে আউট হন।

    তবে, লিটন দাসজন শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। সাউথ জোনের হয়ে ৫ ওভার বল করে ২৩ রানে ৩ উইকেট লাভ করেন মুস্তাফিজুর রহমান।

  • ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    সুপার ৮ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হার মানে পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচের মূল কেন্দ্রে ছিলেন হ্যারি ব্রুক, যিনি দারুণ এক সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন। সাহিবজাদা ফারহানের হাফসেঞ্চুরি এবং পাকিস্তানের শাহীনের চার উইকেটের পর, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের অসাধারণ ইনিংসে ইংল্যান্ড দুই উইকেটে জয় লাভ করে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে, তারা এক ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট হয়েছে মোট চার, আর পাকিস্তান এই রাউন্ডে একমাত্র ম্যাচেই হেরে বাদ পড়েছে।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের সূচনাটা ছিল საკმაოდ অপ্রত্যাশিত। প্রথম বলেই আফ্রিদির বোল্ড করে ফিল সল্ট ফিরে যান, যার পর ক্যাচ দিয়ে আউট হন জশ বাটলার। পাকিস্তানের পেসাররা এই সময় কঠোর চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর ব্রুক শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক, যদিও দলের অন্য ব্যাটাররা তার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। জ্যাকব বেথেল এবং টম ব্যান্টন দ্রুতই আউট হওয়ার কারণে কিছু চাপ পড়ে। তবে, ব্রুকের সাথে উইল জ্যাকসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের মোড় বদলে দেয়। ৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ব্রুক ২৩ বলে ২৮ রান করে ফেরেন, তবে তার অভাব কেউ অনুভব করেননি, কারণ জ্যাকস তার পরের ওভারে ভারসাম্য রক্ষা করেন।

    শেষের দিকে ম্যাচের নাটকীয়তা জমে উঠে। জফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারা দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা ছিল আফ্রিদির চারটি উইকেট। অপরদিকে, পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে বেশ কিছু ধাক্কা খায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল সাহিবজাদার ৬৩ রানের স্মার্ট ইনিংস। তার এই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের স্কোর ১৬৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে প্রথম দিকে বেশ কিছু দ্রুত উইকেট হারানোর ফলে চাপ তৈরি হয়েছিল। বাবর আজম এবং ফারহান দুজনেই শান্তিপূর্ণ ব্যাটিং করেন, তবে বাবরের আউট হওয়া ও তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনাও হয়ে তোলপাড়। শেষ পর্যন্ত, উসমান খান এবং শাদাবের ছোট ছোট ইনিংসের মাধ্যমে পাকিস্তান তাদের স্কোর বড় করতে সক্ষম হয়, তবে জয়ের জন্য পর্যাপ্ত হয়নি। ইংল্যান্ডের ডাউনসন, ওয়ার্টন, এবং আর্চার ধারাবাহিক সুইং ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের প্রতিপক্ষ হয়।

  • নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই মহাযজ্ঞে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের সবকটিতেই জয়লাভ করে তারা অপরাজিত থেকে টিকিট তুলে নিয়েছে। এই প্রথমবারের মতো ১২ team এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। তাদের দুটি গ্রুপে বিভক্ত করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, যেখানে প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১২ জুন। ২৪ দিন ধরে চলে এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতার সমাপ্তি হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গাউন্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনালের মাধ্যমে।

    আইসিসি মঙ্গলবার বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং পাকিস্তান। অন্য গ্রুপ ‘বি’-তে আছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক এবং আধুনিক ভেন্যুতে—লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) এবং ব্রিস্টल।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে তারা প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সকাল সাড়ে দশটায়। একই ভেন্যুতে বাংলাদের মুখোমুখি হবে ভারতও, যা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুন। এরপর ১৭ জুন হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তিন দিন পর, হ্যাম্পশায়ারে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে নজরুল স্বতন্ত্র টিম। একদিকে বিরতির পর, ২২ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। 마지막 ম্যাচ হবে ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

    এখন পর্যন্ত, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনটি জিতেছে। এই আসরে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা ও সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ গ্রহণ। এতে সফল হওয়ার জন্য তারা মরিয়া।

  • নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এখনো টিকে থাকতে প্রয়োজন ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য। তবে তাদের জন্য নির conveying เฆশেষের পথটা কঠিন হয়ে উঠেছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের হার স্বীকার করে। ফলে, এক ম্যাচ আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল লঙ্কান দলের। অন্যদিকে, এই জয় দিয়ে সুস্থভাবে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড, তারা এখন দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যার সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। পাকিস্তানের সংগ্রহ এক পয়েন্ট, আর শ্রীলঙ্কার ডানে ডুবে গেছে স্বাগতিক দলের রানরেটের চাপের নিচে। শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। যদি পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার কাছে হারে এবং নিউজিল্যান্ড আবার হারে, তাহলে কিউইরা সেমিফাইনালে উঠতে পারে। অন্যদিকে, যদি নিউজিল্যান্ড জেতে এবং ইংল্যান্ড হেরে যায়, তাহলে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা সেরা চারয়ে ঢোকে। রানরেটের ভিত্তিতেও ফল নির্ধারিত হতে পারে, যদি অন্যান্য ফলাফল একই হয়।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৯ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালো হয়নি। শক্তিশালী বোলিং করে নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম ওভার থেকেই চাপ সৃষ্টি করেন। প্রথম বলেই শূন্যরানে আউট করেন পাথুম নিশাঙ্কাকে। তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে দিয়ে শ্রীলঙ্কার মানসিকতাকে ভেঙে দেন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৯ বল খেলে ৫ রান করেন।

    এরপর, স্পিনে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রাচিন রবীন্দ্র, যিনি একের পর এক লঙ্কান ব্যাটারদের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন। আউট হয়েছেন কুশল মেংডিস, পাভান রতœায়েক, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও দুসান হেমন্ত। এদিকে, কামিন্দু মেংডিস লড়াই চালিয়ে যান, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের জন্য ভরসা হয়ে উঠতে পারেননি। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি। ভেল্লালাগে শেষ পর্যন্ত ২৯ রান করেন। আর ছয় রান করে থিকসানা অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৭ রান সংগ্রহ করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা পারফর্ম। ম্যাট হেনরি আরও দুটি উইকেট লাভ করেন।

    বিরাট মাঠে এই ম্যাচের শুরুতেই টস জিতে শ্রীলঙ্কা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝোড়ো সূচনার ইঙ্গিত দেন, তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানার বলে আউট হয়ে যান ২৩ বলে ১৩ রান করে। অন্য ওপেনার টিম সেথার্ট মাত্র ৮ রানে থামে।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৪৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু তাদের আউটের পর ধীর হয়ে যায় দলের রান গতি। ১২তম থেকে ১৬তম ওভারে মাত্র ১৫ রান যোগ হয়। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্য রানে আউট হন।

    শেষ চার ওভারে চাপ মোকাবেলা করে ব্যাট হাতে দলনেতা মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজন মিলে করেন ৮৪ রানের জুটি। স্যান্টনার মাত্র ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও চারটি ছয়। ম্যাককঞ্চি ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, আর দুনিথ ভেল্লালাগে পান এক উইকেট।

    এদিকে, শান্তিপূর্ণ শুরু হলেও নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ঝড় তোলেন ওপেনার ফিল অ্যালেন ও টিম সেথার্ট। আলেন ২৩ রান করে ফিরেছেন চারিথ আসালাঙ্কার বলের শিকার হয়ে, এরপর দ্বিতীয় ওপেনার সেথার্ট মাত্র ৮ রান করেন। তবে, মধ্যেমুখে রাচিন রবীন্দ্র্র ও গ্লেন ফিলিপসের জুটি পরিস্থিতি বদলে দেয়। তারা ৪৩ রান যোগ করে দলকে পুনরায় শক্ত করে। তবে, বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রবীন্দ্র ও কনিষ্ঠ বোলাররা। শেষ দিকে, মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি ব্যাটে ঝড় তুলে দলকে ১৬৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। ম্যাট হেনরি দুটি উইকেট নেন। এই জয়ে নিউজিল্যান্ড এখন তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিশ্চিত করেছে তাদের জন্য, তবে এখনো অনেক কিছু নির্ভর করছে অন্যান্য ম্যাচের ফলের উপর।

  • বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও দেশের তিনজন জনপ্রিয় ব্যাটার—পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিক—র‍্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই বছর বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেনি, তবে এর প্রভাব তাদের পারফরম্যান্সে দেখা যায়নি। বরং আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে তারা নিজেদের স্থান শক্ত করে তুলেছেন।

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক আপডেটে দেখা যায়, দেশের ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে।

    বিশেষ করে, পারভেজ হোসেন ইমন টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪১ নম্বর স্থান পেয়েছেন। তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ারের সব থেকে ভালো অবস্থান।

    অন্যদিকে, সাইফ হাসান দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে ও জাকের আলি অনিকও একইভাবে দুই ধাপে এগিয়ে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    তবে কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। তানজিদ হাসান তামিম ২১তম থেকে পিছিয়ে যান, লিটন দাস ৫৪তম মূল্যায়নে থাকলেও অবনতি হয়েছে। অপর দিকে, তাওহিদ হৃদয় তার স্থানে স্থির আছেন।

    বোলারদের মধ্যে, মোস্তাফিজুর রহমান বজায় রেখেছেন তার ৯ নম্বর অবস্থান। অন্য বোলারদের মধ্যে, শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিব (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কেউ শীর্ষ চল্লিশের মধ্যে থাকলেও, শেখ মেহেদি kini ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    বিশ্বকাপে আলোচিত পারফরম্যান্সের জন্য অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সিকান্দার রাজা, তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকে এক নম্বর স্থান অর্জন করেছেন।

    বলবানদের মধ্যে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ তার দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে ২১ ধাপ এগিয়ে ৩ নম্বর স্থান অর্জন করেছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে উঠেছেন।