Category: খেলাধুলা

  • নারী বিপিএল: বগুড়া ভেনু যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    নারী বিপিএল: বগুড়া ভেনু যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার নারী ক্রিকেটে নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে চলা ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’ মাঠে গড়াবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল।

    টুর্নামেন্ট ঘিরে নতুন একটি ঘোষণা এসেছে — শুরুতে যেখানে মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলার কথা ছিল, সেখানে এখন বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও ভেন্যু হিসেবে যোগ করা হয়েছে। বিসিবির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বগুড়াতেও বিপিএলের জমজমাট ক্রিকেট দেখা যাবে। সূত্রের খবর, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্রথম ম্যাচও বগুড়ায় হতে পারে। আলোচনায় আছে—টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করতে পারেন ডাঃ জুবাইদা রহমান।

    এই আসরে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ, রাজধানীর একটি হোটেলে। প্রতি দলের জন্য নির্বাচিত ‘আইকন’ ক্রিকেটারের নাম হিসেবে রাখা হয়েছে জাতীয় দলের তিন তারকাকে — নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। এই আইকন ক্রিকেটারদের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা, এবং তারা নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    এখনও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে তিনটির মধ্যে দুটির নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার লড়াইয়ে এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স।

    টুর্নামেন্টটি দেশের মহিলাদের ক্রিকেটকে আরও প্রসার দেবে এবং স্থানীয় ভেন্যুগুলোতে দর্শক-উদ্দীপনা বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। তিন ভেনুতে ম্যাচ হওয়ার সিদ্ধান্ত অঞ্চলভিত্তিক দর্শকদের অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং স্তরের খেলোয়াড়দের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে নারী ক্রিকেট মাঠে এক উৎসব পরিবেশ তৈরি হবে।

  • মিরপুর পিচ দেখে খুশি সিমন্স, সন্তুষ্ট পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন

    মিরপুর পিচ দেখে খুশি সিমন্স, সন্তুষ্ট পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ থাকলেও এবার আশাবাদী দুই দলের কোচ। বুধবার (১১ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সব ম্যাচই মিরপুরে হওয়ায় সিরিজ শুরুর আগে পিচ নিয়ে আলোচনা ছিল। আজ (৯ মার্চ) অনুশীলনে এসে দুই দলের অধিনায়ক ও কোচ পিচ দেখেন এবং এবারের উইকেটকে নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনার বদলে ইতিবাচক প্রতিক্রই পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি খুব ভালোভাবেই শেষ করেছিলাম এবং সেই পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই না। তিনি জানান, গত সিরিজের তুলনায় এবারের উইকেটগুলো অনেক ভালো মনে হচ্ছে। তাই দলের লক্ষ্য উন্নতি ধরে রাখা এবং গত ম্যাচে যে ব্যাটিং ধার দেখা গেছে তা বজায় রাখা। তবে সিমন্স স্বীকার করেছেন যে মিডল ওভারে দলের খেলায় উন্নতির জায়গা আছে—ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রে মাঝের ওভারে উইকেট নেওয়ার ওপর জোর দেবেন।

    উইকেটের মান নিয়ে আশার কথা আরও জানিয়ে সিমন্স বলেন, বিপিএলের শেষ পর্যায়ের ম্যাচ ও দুদিন আগের ম্যাচও দেখেছেন এবং সেখানে পিচ সন্তোষজনক ছিল। একজন ক্রিকেটার হিসেবে ভালো উইকেটে খেলতে পছন্দ করেন যাতে নিজের দক্ষতা যাচাই করা যায়—তাই তার মনেই পিচগুলো এখানে অনেক ভালো হবে বলে আশা দেখা দেয়।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসনও এবারের পিচের প্রশংসা করেছেন। অতীতে তিনি মিরপুর পিচ নিয়েও তীব্র সমালোচনা করলেও এবার আউটফিল্ড ও পিচ দুটিকে ভালো হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হেসন বলছেন, গতকাল-গত সপ্তাহের বিপিএলে দেখা পিচগুলো অনেক উন্নত ছিল, এখন অনেক জায়গায় ঘাস আছে এবং ব্যাট-বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হবে। এতে দুই দলই লাভবান হবে বলে তিনি মনে করেন।

    হেসন আরও বলেন, বাংলাদেশকে তাদের নিজস্ব কন্ডিশনে সম্মান করলেও এবারের পিচের মান দুই দলের চ্যালেঞ্জকে সমান করে দিয়েছে। আগের কিছু টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় এখনকার কন্ডিশন ভিন্ন—পিছনের বাউন্স ছিল অসমান ও মাঠও সাধারণ ধরনের ছিল, কিন্তু এখন অনেক উন্নতি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি মনে করান যে বাংলাদেশ সম্প্রতি বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই পাক দলকে দ্রুত ওই ফরম্যাটে খাপ খাওয়াতে হবে।

    এই প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তা হলো — পুরনো অভিযোগের ছায়া বাদ দিয়ে এবারের সিরিজে উভय দলই পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভালো ক্রিকেট উপহার দেবার আশা করছে।

  • মিরপুর পিচে খুশি ফিল সিমন্স, প্রশংসায় পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর পিচে খুশি ফিল সিমন্স, প্রশংসায় পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উঠেছে সমালোচনা। এখানকার ধীরগতি ও স্পিনপ্রবণ উইকেট নিয়ে কেবল সফরকারীরা নয়, জাতীয় দলে থেকেও বিভিন্ন সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটাররা। তবুও বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দলের কোচই সিরিজ শুরুর আগে মিরপুর পিচকে আশাব্যঞ্জক বলে দেখছেন।

    বুধবার (১১ মার্চ) থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সব ম্যাচেই ভেন্যু মিরপুর। সিরিজ শুরুর আগে ৯ মার্চ অনুশীলনে এসে দুই দলের অধিনায়ক ও কোচরা পিচ দেখেন এবং তার পর সংবাদ সম্মেলনে তাদের মতামত দেন। আগের সমালোচনার তুলনায় এবারে দু’পক্ষেই আশাবাদই বেশি প্রকাশ পেয়েছে।

    বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্স সংবাদ সম্মেলন শুরু কেম্পেইনের মতো সাংবাদিকদের সালাম দিয়ে বলেছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করা সফল সিরিজের পর তারা ফিরে যেতে চান না। সেই সিরিজের তুলনায় এখনকার উইকেটগুলো অনেক ভালো মনে হচ্ছে বলে তিনি জানান। সিমন্স আরও বলেন, মূল লক্ষ্য হচ্ছে গত পারফরম্যান্সকে ধরে রাখা এবং ধারাবাহিক উন্নতি করা। বিশেষভাবে মিডল ওভারগুলোতে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই উন্নতির প্রয়োজন আছে; বিশেষ করে ওই ফেজে উইকেট নেওয়ার ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে।

    পিচ সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে সিমন্স জানান, বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো দেখেছেন এবং উইকেটগুলো ভালো দেখছেন। ‘‘ক্রিকেটার হিসেবে আমরা ভালো উইকেটে খেলতে চাই—তাতে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করা যায়। আমার ধারণা এখন উইকেট আগের চেয়ে অনেক উন্নত হবে,’’ তিনি বলেন।

    পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন অতীতের কঠোর সমালোচনার স্মৃতি তুলে ধরে এবার পিচের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পিচ ও আউটফিল্ড দু’টিই এখন ভালো দেখাচ্ছে; আগে দীর্ঘদিন ধরে এখানে ভালো কন্ডিশন ছিল না। বিপিএলের খেলা দেখে বোঝা যায় জায়গাটিতে উন্নতি ঘটেছে। কাদা কম, এখন পুরো ম্যাচটা ব্যাট-বলের মধ্যে সৎ লড়াই হবে—যা দুই দলের জন্যই সুবিধা হবে।

    হেসন জানান, বাংলাদেশকে তাদের নিজ কন্ডিশনে সম্মান জানালেও বর্তমানে কন্ডিশন গত টি-টোয়েন্টি সিরিজের চেয়ে অনেক আলাদা। তখন বাউন্স অসমান ছিল এবং মাঠও বেশ সমতল ধরনের ছিল; এখন পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তিত। এছাড়া তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশ সম্প্রতি অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলেছে—তাই পাকিস্তান দলকে দ্রুত ওই ফরম্যাটে মানিয়ে নিতে হবে।

    সংক্ষেপে, সিরিজ শুরুর আগের দেখা-পাওয়া ও মিডিয়ার প্রশ্নে দুই দলের কোচই মিরপুর পিচকে ইতিবাচক বলছেন। আশা করা হচ্ছে, এই কন্ডিশনে দর্শকরা সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে পাবেন এবং ক্রিকেটও হবে সত্যিকার ‘ব্যাট-বলের লড়াই’।

  • নারী বিপিএল: দুই দল চূড়ান্ত, বগুড়া যুক্ত হল নতুন ভেন্যু

    নারী বিপিএল: দুই দল চূড়ান্ত, বগুড়া যুক্ত হল নতুন ভেন্যু

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের নারী ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে—প্রথমবার আয়োজিত হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’। এই প্রতিযোগিতা মাঠে গড়াবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল, যেখানে দেশের শীর্ষ নারী ক্রিকেটাররা অংশ নেবেন।

    প্রাথমিকভাবে টুর্নামেন্টের খেলা মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। তবে বিসিবির নতুন সিদ্ধান্তে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও এখন আনুষ্ঠানিক ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়ে গেছে। এর ফলে দেশের আরও এক জেলায় উচ্চমানের মহিলা ক্রিকেট উপভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

    টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও প্রথম ম্যাচ বগুড়াতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এই খবর বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি আছে। কিছু সংবাদে ইতোমধ্যেই বলা হয়েছে যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কেউ থাকবেন, তবে বিষয়টি নিয়ে বিসিবি থেকে চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ আসে নি।

    এবারের বিপিএলে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল অংশ নেবে। ১৪ মার্চ রাজধানীর একটি হোটেলে ‘প্লেয়ার্স ড্রাফট’ আয়োজন করা হবে, যেখানে দলগুলো তাদের স্কোয়াড গঠন করবে। জাতীয় দলের তিন তারকাকে—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারিকে—প্রতিটি দলের আইকন ক্রিকেটার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই আইকনদের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক রাখার কথা বলা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। তারা নিজেদের দলের নেতৃত্বও দায়িত্বে থাকবেন।

    এখন পর্যন্ত তিনটি দলের মধ্যে দুটি দলের নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার দৌড়ে এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও দফতরীয় চুক্তি সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত দলগুলোর নামও প্রকাশ করা হবে।

    নারী বিপিএল আয়োজন কেবল প্রতিযোগিতার জন্যই নয়, এটি দেশের নারী ক্রিকেটকে পেশাদার ভঙ্গিতে সামনে নিয়ে যাওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ভেন্যুর বিস্তৃতি, আইকন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং প্লেয়ার্স ড্রাফট—এসব মিলিয়ে এই টুর্নামেন্ট নারী ক্রিকেটের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।

    আনুষ্ঠানিক সূচি, টিকিটবিপণন ও অন্যান্য আয়োজন কবে থেকে শুরু হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দ্রুত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক ও লজিস্টিক বিষয়গুলো চূড়ান্ত হলে দর্শক ও ভক্তরা বিপিএলের আসল চিত্র দেখতে পারবেন।

  • মিরপুর পিচে সন্তুষ্ট সিমন্স, প্রশংসায় পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর পিচে সন্তুষ্ট সিমন্স, প্রশংসায় পাকিস্তান কোচও

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উঠত সমালোচনা। স্লো ও স্পিন-আশ্রিত এই পিচকে কেন্দ্র করে শুধু ভিনদেশি দলগুলোই নয়, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রাও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ সংযুক্ত করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও এ নিয়ে আলোচনা দেখা গেছে। তবে বাংলাদেশ- পাকিস্তান সিরিজ শুরু হতে যাওয়া অবস্থায় মিরপুরের পিচকে নিয়ে এবার দু’দলই আশাবাদী।

    আগামী বুধবার (১১ মার্চ) থেকে মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের সব ম্যাচ। তাই সিরিজ শুরুর আগে আজ (৯ মার্চ) মিরপুরে অনুশীলনে এসে দুই দলের অধিনায়ক ও কোচরা মাঠের অবস্থা সরেজমিনে দেখেছেন। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগের তুলনায় এবার দুই কোচের বক্তব্যে বেশি ছিল ইতিবাচকতা ও আশা।

    বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ সিরিজটি আমরা ভালোভাবে শেষ করেছিলাম এবং সেই মান ধরে রাখতে চাই। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘গত সিরিজের তুলনায় এইবার উইকেটগুলো অনেক বেশি ভালো মনে হচ্ছে। বিপিএলের শেষ অংশ এবং দু’দিন আগের ম্যাচও দেখেছি—উইকেট ভালো ছিল। একজন ক্রিকেটার হিসেবে ভালো উইকেটে খেলে নিজের দক্ষতা যাচাই করা যায়।’’

    সিমন্স আরও বলেন যে টার্গেট হবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং বিশেষ করে মিডল ওভারগুলোতে উন্নতি করা। ‘‘ব্যাটিংয়ে আমরা গত ম্যাচে যে রকম খেলেছি সেই ধারাকে ধরে রাখতে চাই। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে আমরা এখনও কিছুটা দুর্বল; বোলিং-এও মিডল ওভারগুলোতে উইকেট তুলে নিতে হবে—এই দুই দিকেই জোর দেবো,’’ তিনি যোগ করেন।

    পূর্বে মিরপুরের পিচ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করতেন পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন। কিন্তু এবার তিনি পিচ ও আউটফিল্ডকে ইতিবাচক জানিয়ে প্রশংসা করেছেন। হেসন বলেন, ‘‘এখানকার পিচ আগে যেভাবে ছিল তা বেশ কিছুটা হতাশাজনক ছিল, কিন্তু বিপিএলে দেখা গেছে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন অনেক ঘাস আছে, ব্যাট-বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হবে।’’

    হেসনের ব্যাখ্যা—ভাল পিচ দুই দলেরই উপকারে আসে: ‘‘দুই দলই ভালো ক্রিকেট খেলতে চায় এবং চ্যালেঞ্জ পেতে চায়। বাংলাদেশকে তাদের কন্ডিশনে আমরা সম্মান করি, তবুও এখনকার কন্ডিশন গত টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় বেশ আলাদা; বাউন্সও অনেক বেশি বর্ধিত হয়েছে। তাই দুই দলই সমানভাবে লড়াই করবে।’’ তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের কাছে বর্তমানে বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে, ফলে পাকিস্তানকে দ্রুত সেই ফরম্যাটে মানিয়ে নিতে হবে।

    মোটকথা, মিরপুরের উইকেট নিয়ে বিশ্বস্ততা ফিরে এসেছে বলে দুই দলের কোচই ধরেছেন আশার সূচনা। সিরিজ শুরু হলে মাঠে সেটা কতটুকু বাস্তবে পরিণত হয়, সেটিই দেখা বাকি।

  • নারী বিপিএল: দু’টি দল চূড়ান্ত, ভেন্যু বাড়লো — বগুড়া যুক্ত

    নারী বিপিএল: দু’টি দল চূড়ান্ত, ভেন্যু বাড়লো — বগুড়া যুক্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের নারী ক্রিকেটে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’, যা মাঠে নামবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল।

    প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী টুর্নামেন্টের খেলা হওয়ার কথা ছিল মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। তবে বিসিবির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেখানে now একটি নতুন ভেন্যু যোগ করা হয়েছে — বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম। এই পরিবর্তনের ফলে তিনটি ভেন্যুতে বিপিএলের উত্তেজনা দেখা যাবে এবং উদ্বোধনী ম্যাচও সম্ভাব্যভাবে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    টুর্নামেন্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য প্রধান অতিথির নাম হিসেবে ডাঃ জুবাইদা রহমানের নামও শোনা যাচ্ছে। সবকিছু সময় মত ঠিক থাকলে তিনি উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

    আসন্ন নারী বিপিএলে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল অংশ নেবে। খেলোয়াড় বাছাইয়ের জন্য ১৪ মার্চ রাজধানীর একটি হোটেলে ‘প্লেয়ার্স ড্রাফট’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলগুলো তাদের রাজসূয় গড়ে তুলবে।

    জাতীয় দলের তিনজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে তিনটি দলের আইকন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। প্রত্যেক আইকন ক্রিকেটারের জন্য সর্বোত্তম পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং এই তিনজনেরাই তাদের-কে নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    এখন পর্যন্ত তিনটি দলের মধ্যে দুটির নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। বাকি একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রয়ে বর্তমানে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স এগিয়ে রয়েছে।

    বিসিবির এই উদ্যোগ থেকে দেশের মহিলা ক্রিকেটে নতুন করে নজর কাড়ার আশা করা যাচ্ছে—ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক লিগ খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা বাড়াবে, পেশাদারিত্ব বাড়াবে এবং ভক্তদের জন্যও আরও আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্লেয়ারস ড্রাফট ও ভেন্যু চূড়ান্ত হওয়ার খবরগুলো লক্ষ রাখার মতো হবে।

  • নিউজিল্যান্ডকে ১০০ রানে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত

    নিউজিল্যান্ডকে ১০০ রানে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ১০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো ভারত। একই সঙ্গে ইতিহাস গড়লো সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত — বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তিনবার শিরোপা জিতেছে ভারত।

    ফাইনালে জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুতেই যেন সমস্ত পরিকল্পনা ভঙা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের শেষে ইতিমধ্যে তিন জন ব্যাটার সাজঘরে ফিরে যান; ফিন অ্যালেন ৯, রাচিন রবীন্দ্র ১ ও গ্লেন ফিলিপস ৫ রান করে আউট হন। পরে মার্ক চ্যাপম্যান ৩ রানে ফেরেন।

    প্রতিষ্ঠিত উইকেট পতনের মোকাবিলায় ওপেনার টিম সেইফার্ট একা লড়াই চালান; মাত্র ২৬ বল খেলে তিনি ৫২ রান করে সর্বাধিক ব্যক্তিগত স্কোর করেন। ড্যারেল মিচেলও আউট হওয়ার আগে করেন ১৭ রান। দলের বাকিদের মধ্যে কোনো বড় সংযোজন করতে পারেননি, শুধুমাত্র অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ৩৫ বলে ৪৩ রান করলে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। জেমস নিশাম ৮, ম্যাট হেনরি শূন্য, লকি ফার্গুসন ২ ও জ্যাকব ডাফি ১ রান করেছেন।

    নিউজিল্যান্ডের বোলিংয়ের মধ্যে সেরা ছিলেন জেমস নিশাম; তিনটি উইকেট নেন তিনি। ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র এক একটা উইকেট শিকার করেছেন। নিয়মিত উইকেট পতনের ফলে কিউই জহর সাতটা সংগ্রহ পেতেই মুখ থুবড়ে পড়ে এবং টার্গেট তাড়া থেকে তারা দূরে সরে যায়।

    এর আগে আহমেদাবাদে ম্যাচের টস জিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ভারতকে ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানান। ভারত ব্যাটিংয়ে নামে এবং শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখায়। প্রথম ছয় ওভারে একের পর এক ছক্কা ও চার মেরে ভারত ৯২ রান তুলে নেয় বিনা উইকেটে।

    অভিষেক শর্মা মাত্র ১৮ বলেই অর্ধশতক পূরণ করেন, শেষ পর্যন্ত ২১ বল খেলে ৫১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। দ্বিতীয় উইকেটে নামা স্যামসন (সানজু স্যামসন ধরে নিলে পাঠকদের পরিচিত মনে হবে) ৪৬ বল খেলে ৮৯ রানের ঝলক দেখান; তার ইনিংসটি পাঁচটি চার ও আটটি ছক্কায় রাঙানো ছিল। ইশান কিষাণও খেলা উজ্জ্বল রাখেন—মাত্র ২৫ বলেই ৫৪ রানে আউট হন তিনি।

    দলনেতা সূর্যকুমার যাদব সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও দলের মধ্যম ও শেষ দিকে হার্দিক পান্ডিয়া ১৩ বলে ১৮ রান করে ফেরেন। শেষ দিকে শিবম দুবে মাত্র ৮ বল খেলে ঝড়ো ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন, আর তিলক ভার্মা ৬ বল খেলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এই জয়ে ভারত শুধু প্রতিদ্বন্দ্বীকে বিধ্বস্ত করেনি, ইতিহাসেও নিজকেই উজ্জ্বল করে তুলেছে—টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়াও তিনবার শিরোপা জেতার নজির গড়লো ভারত। ফাইনালে পাওয়া সমর্থন, আগ্রাসী ব্যাটিং ও কড়া বোলিং মিলিয়ে ভারত স্মরণীয় এক বিজয় এনে দিল।

  • নারী বিপিএলে বগুড়া যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    নারী বিপিএলে বগুড়া যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের নারী ক্রিকেটে নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হলো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’, যা আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মাঠে গড়াবে।

    টুর্নামেন্টের ভেন্যু নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে—আগের পরিকল্পনায় মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়াম অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু এখন বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে, ফলে দর্শকরা বগুড়াতেও বিপিএলের উত্তেজনা দেখবেন। সূত্র বলছে, উদ্বোধন ও প্রথম ম্যাচেই বগুড়ার মাঠে খেলা শুরু হতে পারে।

    বিসিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন ডাঃ জুবাইদা রহমান।

    আগামী ১৪ মার্চ রাজধানীর একটি হোটেলে হতে যাচ্ছে ‘প্লেয়ার্স ড্রাফট’। মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে এই বিপিএলে। জাতীয় দলের তিন তারকাকে—নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি—আইকন ক্রিকেটার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। আইকন ক্রিকেটারদের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয়েছে ১০ লাখ টাকা, এবং তারা প্রত্যেকেই তাদের respective দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    এখন পর্যন্ত তিনটি দলের মধ্যে দু’টির নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রয়ের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে পরিচিত বিপিএল দল রংপুর রাইডার্স।

    নারী বিপিএল শুরু হলে দেশের নারীদের ক্রিকেটে ম্যানেজমেন্ট, প্রতিযোগিতা ও দর্শক আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ হবে—এটাই খেলাধুলা মহলের প্রত্যাশা।

  • বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ শুরু ১১ মার্চ, টিকিট ২০০ টাকা থেকে

    বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ শুরু ১১ মার্চ, টিকিট ২০০ টাকা থেকে

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ১১ মার্চ। পরের দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ও ১৫ মার্চ। সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবং খেলা শুরু হবে দুপুর সোয়া ২টায়—বিসিবি টিকিটের দামও এখন ঘোষণা করেছে।

    টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। টিকিট পাওয়া যাবে শুধুমাত্র বিসিবির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এবং বিক্রিও ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দর্শকরা ওয়েবসাইট থেকে আগেই টিকিট সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

    টিকিটের বিস্তারিত মূল্য ধরে রাখা হয়েছে এভাবে: ইস্টার্ন গ্যালারি — ২০০ টাকা; শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ও নর্দান গ্যালারি — ৪০০ টাকা; ক্লাব হাউস সাউথ (শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড) ও ক্লাব হাউস নর্থ (শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ড) — ৬০০ টাকা; আন্তর্জাতিক গ্যালারি নর্থ (মিডিয়া ব্লক) ও আন্তর্জাতিক গ্যালারি সাউথ (করপোরেট ব্লক) — ১,০০০ টাকা; আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ সাউথ (করপোরেট ব্লক) — ১,২০০ টাকা; এবং সবচেয়ে ওপরে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড — ২,০০০ টাকা।

    জনপ্রিয় প্রতিপক্ষে আসন সীমিত থাকার সম্ভাবনা থাকে, তাই খেলা দেখার পরিকল্পনা করলে আগেভাগে টিকিট কেটে রাখাই ভালো।

  • ইতিহাসের পথে নিউজিল্যান্ড, শিরোপার লড়াইয়ে ভারত

    ইতিহাসের পথে নিউজিল্যান্ড, শিরোপার লড়াইয়ে ভারত

    দীর্ঘ এক মাসের উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ শেষে আজ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা নামছে মহা ফাইনালের মাধ্যমে। 7 ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড; মাঠে দেখা যাবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে।

    হেড-টু-হেডে দুই দল এখন পর্যন্ত মোট 30 বার মুখোমুখি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতের ঝুলিতে আছে 18টি জয়, নিউজিল্যান্ডের কাছে 11টি জয়, আর একটি ম্যাচ শেষ হয়েছে টাইয়ে। ভেন্যু ভেদে দেখা যায় ভারতের আধিপত্য—নিজেদের মাটিতে ভারতের জয় 11টি, সেখানে নিউজিল্যান্ডের জয় মাত্র 4টি। অ্যাওয়ে নির্ধারিত ম্যাচে ভারতের জয় 7টি, কিউইদের 5টি। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এখনও পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডই সব সৌভাগ্য পেয়েছে; দুটো ম্যাচেই তারা ভারতকে হারিয়েছে।

    গত জানুয়ারিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও দেখা হয়েছে—সেই ম্যাচে ভারত নিউজিল্যান্ডকে 46 রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। তবু বড় সার্কিটের ইতিহাস অন্য একটি কথাও বলে—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কেউ টানা দু’বার শিরোপা জিততে পারেনি; একমাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুইবার ট্রফি জিতেছে। ফলে এই শিরোপা জিততে চাইলে প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারানো ছাড়াও ইতিহাসের একটা গণ্ডছেঁড়া লাগে।

    নিউজিল্যান্ডের বড় ম্যাচে পারফরম্যান্সও চ্যালেঞ্জ বেশি—আন্তর্জাতিক বড় ফাইনাল বা আইসিসি মঞ্চে কিউইদের দেখানো দৃঢ়তা ভারতকে কঠিন লড়াইয়ে পাঠাতে পারে। সব মিলিয়ে পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও ম্যাচের মেজাজ ও বড় দিনের রেকর্ড কিউইদের পাশে আছে, ফলে ফলাফল নিয়ে কোনো স্পটরুম নেই—খেলা মাঠেই ঠিক করবে।

    আজ সন্ধ্যা 7:30 মিনিটে শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন—শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।