Category: খেলাধুলা

  • বিচারের জন্য মাঠে বিশেষ রাসায়নিক ব্যবহার করছে ভারত

    বিচারের জন্য মাঠে বিশেষ রাসায়নিক ব্যবহার করছে ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর থেকে শিশির জমা হওয়ার সমস্যা নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারত বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে মাঠের আউটফিল্ডে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ আকর অনুযায়ী, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’। তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নতুন করে মাঠের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এই রাসায়নিক আমদানি করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের বিভিন্ন ভেন্যুতে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে মাঠের আউটফিল্ডে পানি মিশিয়ে এই রাসায়নিক স্প্রে করা হয়েছে, এবং আজ (বৃহস্পতিবার) সকালেও একই প্রক্রিয়া চলবে, যাতে ম্যাচ শুরুর সময় পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বজায় থাকে। এই পদ্ধতিতে মিশ্রণের সূত্র বলছে, একবার স্প্রে করার পরে ঘাসের পাতা থেকে আর্দ্রতা শোষিত হয় না। ভেজা ভাব থাকলে তা দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের প্রভাব কমে যায়, যা ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতের ক্রিকেটাররা দীর্ঘ অনুশীলন শেষে মাঠে পরিস্থিতি পরীক্ষা করেন এবং তারা উইকেট ও আউটফিল্ডের অবস্থা দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন। ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচেও এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে, এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এছাড়া, আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। অতীতে শিশিরের কারণে অনেক ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব পড়ায় भारतीय ক্রিকেট বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকছে নিউজিল্যান্ড

    নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকছে নিউজিল্যান্ড

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে সেমিফাইনালে উঠে যাওয়ার জন্য শ্রীলঙ্কার কাছে জিততেই হতো নিউজিল্যান্ডকে। তবে এ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে তারা শ্রীলঙ্কার কাছে ৬১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়, যার ফলে তাদের আসর থেকে ছিটকে যেতে হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে শ্রীলঙ্কাও বিদায়ের আসরে চলে যায়, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এক জয় যা তাদের সেমিফাইনালের পথে আরো কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বর্তমানে তারা দুটি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যাদের পয়েন্ট ৪। পাকিস্তান রয়েছে তৃতীয় স্থানে, যদিও তাদের পয়েন্টও একটাই। হেরেছে জানিয়ে শ্রীলঙ্কার অবস্থান এখন সবার নিচে, কোনও পয়েন্ট ছাড়াই।

    কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে, নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখায়। জবাবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা শুরুতেই প্রান্তে 빠ড়ে, প্রথম ওভারে পাওয়ার প্লেতে দুই ব্যাটারকেই ফেরান কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। প্রথম বলেই আউট হন পাথুম নিশাঙ্কা, তার পরে চতুর্থ ওভারে আউট করেন আসালাঙ্কাকে, যিনি মাত্র ৫ রান করে আউট হন।

    এরপর স্পিনের জাদুতে শ্রীলঙ্কাকে ধাক্কা দেয়েন রাচিন রবীন্দ্র। তার স্পিনে একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফেরে, যার ফলে পুরো দল বাজে পরিস্থিতিতে পড়ে। আউট হওয়ার আগে কুশল মেন্ডিস ১১, পাভান রতœায়েক ১০, দলের নেতা দাসুন শানাকা ৩ ও দুশান হেমন্ত ৩ রান করেন।

    অন্যদিকে, ব্যাটে লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। যদিও এটি ছিল তার জন্য একপ্রকার লড়াই, তিনি ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন। ভেল্লালাগে ২৯ রানে থেমে যান। শেষ দিকে চামিরা ও থিকসানা অপরাজিত থাকেন যথাক্রমে ৭ ও ২ রানে। সবমিলিয়ে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করতে সক্ষম হয়।

    নিউজিল্যান্ডের জন্য সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। ম্যাট হেনরিও দুটি উইকেট নিতে সক্ষম হন।

    প্রথমে টস জিতে লঙ্কান দলের ক্যাপটেন দাসুন শানাকা নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। শুরুতেই ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেন, তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানা তার ওপেনিং ইনিংস শেষ করে দেন। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। এরপর অপর ওপেনার টিম সেথফোর্ড খুব বেশি দূরে যেতে পারেননি, মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    তবে, রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের মধ্যে জুটি গড়ে খেলতে থাকেন। তারা ৪৩ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব করে ড্রাইভ করেন। কিন্তু এই দুজনই আউটের পরে রান ধীর হয়ে যায়। ১২ থেকে ১৬ ওভার পর্যন্ত পুরো সময়ে দল মাত্র ১৫ রান যোগ করে। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩, ও চ্যাপম্যান শূন্য রান করেন।

    শেষ চার ওভারে চাপ কাটিয়ে পরিস্থিতি বদলে দেন দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। তারা এক সাথে ৮৪ রান যোগ করেন, যেখানে স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যার মধ্যে চারটি চার ও চারটি ছয়ে। ম্যাককঞ্চি ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট পান মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, আর দুনিথ ভেল্লালাগে একটি উইকেট নেন। সাধারণত এই পারফরম্যান্স তার ক্যারিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বলিং দিক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

    এর আগে কলম্বোতে এই ম্যাচের প্রথম অংশে, টস জিতে শ্রীলঙ্কা শুরুতেই নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। ওপেনার ফিল অ্যালেন শুরুতে ঝলক দেখালেও চতুর্থ ওভারে থিকসানা তাকে ফেরান। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। অন্য ওপেনার টিম সেথফোর্ড মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রবীন্দ্র ও ফিলিপসের মধ্যে দ্রুত রান যোগ হয়, তবে এরপর আর গতি বাড়েনি। ১২ থেকে ১৬ ওভার পর্যন্ত দলের রান আসে খুব ধীরেসুস্থে। সুযোগের মধ্যে খেলতে থাকেন দলনেতা স্যান্টনার ও ম্যাককঞ্চি। দুজনের মধ্যে ৮৪ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়ে ওঠে। এই জুটিতে, স্যান্টনার মাত্র ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যেখানে চারটি চার ও চারটি ছয়ে দারুণ ব্যাটিং করেন। ম্যাককঞ্চি ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অধিনায়কের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে, দলের অন্য সদস্যরাও যথেষ্ট পারফরম্যান্স দেখায়। শ্রীলঙ্কার হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, উভয়ই তিনটি করে উইকেট।

  • নাহিদ-লিটনের ব্যাটে নর্থ জোনের বড় জয়, ১৪০ বল হাতে রেখেই টানা দুই জয়

    নাহিদ-লিটনের ব্যাটে নর্থ জোনের বড় জয়, ১৪০ বল হাতে রেখেই টানা দুই জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় ছড়িয়ে দেয়া সাউথ জোন এবার দাঁড়াতেই পারল না নাজমুল হোসেনের নর্থ জোনের সামনে। আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকারের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয়। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে বেধেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান।

    রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নর্থ জোন। শুরুতে ব্যাটিং করে ৩০ ওভার ৫ বলে ১৪৪ রান করে সাউথ জোন। জবাবে নর্থ জোন ১৪০ বল হাতে রেখে সহজেই জয় নিশ্চিত করে।

    এই জয়ে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে বেশ এগিয়ে গেছে নর্থ জোন। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট পেয়ে সাউথ জোনকে এবার ফাইনালে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিরুদ্ধে অবশ্যই জিততেই হবে।

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে সাউথ জোন। ওপেনার আনিসুল ইসলাম কোনো রান তোলার আগেই ফিরে যান, ardından আউট হন জাওয়াদ আবরারও। একই সময়ে সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবও ফিরলে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয় দলটির উপর।

    ১৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে থাকা সাউথ জোনের জন্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়। এরপর মোহাম্মদ মিথুন তার সঙ্গী নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে ব্যক্তিগত ২৪ রানে নাহিদ রানাকে উড়িয়ে দিয়ে নুরুল হাসান সোহান ফিরে যান।

    সাত নম্বরে নামা রবিউল হককে নিয়ে আবারও দাঁড়িয়ে যান মিথুন। ২২ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান রবিউল। এরপর আর বেশি দূর এগোতে পারেনি টিমের টেলেন্টেড ব্যাটসম্যানরা। নিজে ফিফটি পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে। অন্যদিকে, দলের কোনো সহযোগিতা না থাকায় ১৯ ওভার ১ বল খেলেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেট পাওয়ায় ম্যাচের সেরা হয়েছেন নাহিদ।

    জবাব দিতে নেমে প্রথমেই দলীয় ২৮ রানে হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট হারায় নর্থ জোন। এরপর ৯ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তও। চতুর্থ উইকেটে বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাস। হৃদয় ৩৩ রান করে আউট হন, কিন্তু লিটন দাস ফিফটি পূর্ণ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    সাউথ জোনের হয়ে ৫টি ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

  • ইন্ডিয়াকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো জিম্বাবুয়ে

    ইন্ডিয়াকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো জিম্বাবুয়ে

    সুপার ৮পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল ভারতের। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের বিশাল ব্যবধানের জয়ে তারা আবারো স্বপ্ন দেখার সুযোগ পায়, এবং সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে টিকে থাকে। অন্যদিকে, টানা দুটো ম্যাচ হেরে বদলে যায় দলের পরিস্থিতি, আর সিকান্দার রাজা ও তার দল বাদ পড়েছে টুর্নামেন্ট থেকে।

    জিম্বাবুয়ে লক্ষ্য টা নিয়েছিল ২৫৭ রান। শুরুতেই দুই ওপেনার ভালো সূচনা দেয়, যার ফলে প্রথম পাওয়ার প্লেতে তারা সংগ্রহ করে ৮০ রান। তবে পরে ব্যাটাররা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি, তবে প্রত্যাশার চেয়ে একটু কম রান করলেও, মূলত ওপেনার ব্রায়ান বেনেটের অসাধারণ ব্যাটিং ম্যাচে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে। তিনি ফিফটি পূর্ণ করেন এবং ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। তার ৯৭ রানের এই ইনিংসটি ৫৯ বলে খেলা, যেখানে আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে তিনি জ্বলে ওঠেন।

    অন্যদিকে, মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করেন, আর দলনেতা সিকান্দার রাজা ২১ বলে ৩১ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। রানের খাতা খলতে পারেননি রায়ান বার্ল বা অন্যান্য ব্যাটাররা। জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে।

    ভারতের জন্য সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নেন। ম্যাচ শুরুর শুরুতে টস জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় পক্ষে বল হাতে দুজন বোলার খেলেন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, যেখানে হার্দিক পান্ডিয়া ৫০ রানে তিন উইকেট তুলে নেন।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুই ভারতীয় ওপেনার বেশ শক্তিশালী শুরু করেন। ১৫ বলে ২৪ রান করে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হলেও পাওয়ার প্লেতে তারা সংগ্রহ করে ৮০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়ে ওঠে। অভিষেক শর্মা ২৬ বলে ৫০ রান করে ক্রিজে থাকেন, এরপরই দ্রুত আউট হন। সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে ৩৩ রান করেন।

    পঞ্চম উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা জোড়া ব্যাট করেন, যেখানে তারা গড়েন ৩১ বলে ৮৪ রানের জুটি। হার্দিক ২৩ বলে ৫০ রান করেন, আর তিলক ১৬ বলে ৪৪ রান। এর ফলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান।

    জিম্বাবুয়ের পক্ষে চারজন বোলার একটি করে উইকেট পান, যা ম্যাচের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

  • নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শ্রীলঙ্কা বিদায় নিল সেমিফাইনাল থেকে

    নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শ্রীলঙ্কা বিদায় নিল সেমিফাইনাল থেকে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে শ্রীলঙ্কাকে জয়ই করতে হত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড তাদের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যানকে বন্ধ ঘোষণা করে জয় পায় ৬১ রানে। এর ফলে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়, আর বিপরীতে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে যায়। দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। যদি পাকিস্তান হারে শ্রীলঙ্কার কাছে, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য হেরেও চলে যাবে তারা সেমিফাইনালে। আবার, যদি স্যান্টনাররা ইংল্যান্ডকে হারাতে সক্ষম হয়, তাহলে তারা গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করে সেরা চারদলে পৌঁছে যাবে। তবে, পাকিস্তান যদি শ্রীলঙ্কাকে হারায় এবং নিউজিল্যান্ড শেষ ম্যাচে হারে, তখন রানরেটের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এ জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ড দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, পাকিস্তান এক পয়েন্টে তৃতীয় স্থান ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দুটি হারে তলানিতে।

    ম্যাচের শুরুতেই নীল আকাশের নিচে জোড়ালো শুরু করে নিউজিল্যান্ড। প্রথম বলেই পাওয়ার প্লেতে শ্রীলঙ্কার দুটি ব্যাটারকে ফেরান কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। পাথুম নিশাঙ্কা শূন্যরানে আউট হন, আর তৃতীয় ওভারেই চারিথ আসালাঙ্কাকেও আউট করেন তিনি। আসালাঙ্কা যিনি ৯ বল খেলেছেন, সতর্কতার সাথে মাত্র ৫ রান করেন।

    এরপর রাচিন রবীন্দ্র তার স্পিন বোলিং দিয়ে শ্রীলঙ্কাকে কোণঠাসা করে ফেলেন। একের পর এক ব্যাটার কে ফিরিয়ে নিয়ে ম্যাচের কৌশল অধিকার করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আউট হওয়ার আগে প্রত্যেকে আলাদাভাবে রান করেন — কুশল মেন্ডিস ১১, পাভান রতœায়েক ১০, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ৩ ও দুশমান্থা হেমন্ত ৩।

    অপর দিকে, দুনিথ ভেল্লালাগেকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। কিন্তু এই লড়াই ম্যাচ জয় করতে যথেষ্ট ছিল না। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি। ভেল্লালাগে থাকেন ২৯ রানে। অন্যরা অবদান রাখেন চামিরা ৭ রান ও থিকসানা ২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফলশ্রুতিতে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্যারিয়ারে সেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া দুটি উইকেট পান ম্যাট হেনরি।

    ম্যাচের শুরুতে টস জিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝাঁকি দিতে চাইছিলেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই থিকসানার বলে শূন্যরানে ফেরেন। তিনি ১৩ বল খেলেছেন, ২৩ রানে আউট। অন্য ওপেনার টিম সেইফার্ট মাত্র ৮ রানে থাকেন।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস বলে সফলতা দেখান। দুজন গড়েন ৪৩ রানের জুটি। এরপর ব্যাটিংয়ে গতি ধীর হয়ে গেলে পাকিস্তানিরা বেশ কষ্টে পড়েন। ১২ থেকে ১৬তম ওভার পর্যন্ত মাত্র ১৫ রান আসে। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্যরানে আউট হন।

    শেষ চার ওভারে চাপ মোকাবিলা করে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজনের জুটি গড়ে ৮৪ রান। স্যান্টনার ২৬ বলে দুটি চার ও চার ছয়ে ৪৭ রান করেন। আর ম্যাককঞ্চি ২৩ বলের মধ্যে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা। এক উইকেট পান দুনিথ ভেল্লালাগে।

  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও বাংলাদেশের তিনজন ব্যাটার—পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান ও জাকের আলি অনিক—আইসিসির র‍্যাংকিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি করেছেন। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক আপডেটে দেখা গেছে, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও এই ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে এসেছেন।

    পি-টেন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে পারভেজ হোসেন ইমন ২ ধাপ এগিয়ে ৪১ নম্বরে পৌঁছেছেন। এর আগে তার রেটিং পয়েন্ট ছিল ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ পদক্ষেপ। সাইফ হাসান ২ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৪২তম স্থানে এসেছেন, আর জাকের আলি একইভাবে ৭২তম অবস্থানে পৌঁছেছেন।

    অপরদিকে, কিছু ক্রিকেটার অবনতি ঘটেছে। তানজিদ হাসান তামিম (২১তম) ও লিটন দাস (৫৪তম) র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়েছে। তবে তাওহিদ হৃদয় অবস্থা অপরিবর্তিত রাখে ৪৭ নম্বর পদে রয়েছেন।

    বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ৯ নম্বরে নিজের অবস্থান ধরে রাখলেও অন্যদের পারফরম্যান্স বেশ অবনমন ঘটিয়েছে। শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিব (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন দেখা গেছে। অলরাউন্ডারদের মধ্যে সেরা চল্লিশে বাংলাদেশের কেউ নেই; শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    ভারতের অভিষেক শর্মা টপ ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে প্রথম স্থানে রয়েছেন, তার পয়েন্ট ৮৭৭। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফিল সল্ট, আর তৃতীয়ে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান।

    বোলিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও অন্যদের মধ্যে রশিদ খান অবস্থান ধরে রেখেছেন। বিশাল চমক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ ২১ ধাপ এগিয়ে ৩ নম্বরে পৌঁছেছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে রয়েছেন।

  • নাহিদ-লিটনের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে নর্থ জোনের সহজ জয়

    নাহিদ-লিটনের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে নর্থ জোনের সহজ জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পাওয়ার পরেও সাউথ জোনের জন্য বলতে হয়নি। আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বোর্ডের ক্রিকেট লিগে নর্থ জোনের সামনে দাঁড়াতে পারেনি তারা। আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকার ব্যাটিংয়ে কিছুটা প্রতিদান দিলেও, বল হাতে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়রা তাদের দাপটে ভেঙে পড়ে সাউথ জোন। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেছে নর্থ জোন।

    প্রথমে ব্যাট করে সাউথ জোন ৩০ ওভার ৫ বলেঃ ১৪৪ রান করে অলআউট হয়। তাদের জবাবে নর্থ জোন ম্যাচের অবশিষ্ট ১৪০ বল রেখে ৬ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট হয়েছে ৪, যা ফাইনালে উঠার পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। অন্যদিকে, সাউথ জোনের পয়েন্ট এখন ২, তাদের জন্য এখনো ফাইনালে ওঠার দরজা খোলা থাকলেও শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিপক্ষে জিততেই হবে।

    সাউথ জোন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে। ওপেনার আনিসুল ইসলাম প্রথম বলে ফিরে যান। এরপর জাওয়াদ আবরার ১০ রানে ফেরেন। সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবও ব্যর্থ হন, ফলে দল উদ্বিগ্ন। ১৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ মিথুন ও নুরুল হাসান সোহানের জুটির শুরু হয়, যেখানে মিথুন ব্যক্তিগত ২৪ রানে রানার শিকার হন।

    রবিউল হককে নিয়ে নতুন করে জুটি বাঁধার চেষ্টা করেন মিথুন। ২২ বলের ক্যামিও ইনিংসে ২৯ রান করেন তিনি, কিন্তু রবিউল ফেরেন ১২০ রানে। এরপর আর টেলেন্টেড ব্যাটসম্যানদের সহায়তায় ইনিংস খুব বেশি এগোতে পারেনি। নিজে ফিফটি পূর্ণ করেন ও ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। সাউথ জোনের বোলার মুস্তাফিজুর রহমান ৫ ওভার বল করে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন, যা ম্যাচের সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত।

    জবাবে, নর্থ জোনের শুরুটা কঠিন ছিল। প্রথম ২৮ রানে তাদের তিন উইকেট পড়ে। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা সামলে নেন। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে ৮০ রানের মূল্যবান জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। হৃদয় ৩৩ রান করে ফেরেন, সেখানে লিটন দাসের অবদান ছিল অপরিহার্য। তিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন, দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

    নর্থ জোনের তিনজন ক্রিকেটার- এস এম মেহরব, নাহিদ রানা ও লিটন দাস গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স করেন। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য, ম্যাচের সেরা হিসেবে নির্বাচিত হন নাহিদ রানা।

  • বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশির নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় দল

    বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশির নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় দল

    চেন্নাইয়ের মাঠে সন্ধ্যার পর থেকে শিশিরের প্রভাবটি অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত এই সময়ের শিশিরের কারণে ব্যাটিং ও বলের গ্রিপে সমস্যা হয়, যা খেলোয়াড়দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে, জেতার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখতে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে, যা অ্যান্টি-শিশির স্ট্রিপ বা রোড কোটের মতো কাজ করে। এটি এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডে স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’, যা মূলত আমদানি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের মেজার লিগ বেসবলের জন্য ব্যবহৃত ভেন্যুগুলিতে। মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে আউটফিল্ডে পানি মিশিয়ে এই রাসায়নিক স্প্রে করা হয় এবং আজ (বৃহস্পতিবার) আবার একই প্রক্রিয়া চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ম্যাচ শুরুর সময় পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বজায় থাকে।সূত্রের ভাষ্য, একবার এই রাসায়নিক স্প্রে করার পর ঘাসের পাতা আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে না। ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের প্রভাব কমে যায় এবং ম্যাচে ফলাফল পরিবর্তনে এটি সহায়তা করে। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও অনুশীলনের সময় মাঠের পরিস্থিতি পরীক্ষা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল matches এর জন্যও এই উপায় ব্যবহার হতে পারে, যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। আগামী মাসে আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই এটি বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, কারণ অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফলে পরিণতি әсер করেছে।

  • ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    সুপার ৮ পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানের হারের পর ভারতের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আদৌ পথ খোলা ছিল কি-না, তা নিয়ে ছিল উদ্বেগ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের দাপুটে জয় যেন ভারতের আশা জাগিয়ে দেয় এবং তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা অব্যাহত রাখে। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচ হারায় সিকান্দার রাজা ও তার দল এই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।

    জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করা শুরু করে। দুই ওপেনার কল্যাণের থেকে দুর্দান্ত সূচনা পায় স্বাগতিক দল, এরপর আরও ইতিবাচক ছিলেন אחרים। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী রানের গতি ধরে রাখতে পারেননি ব্যাটাররা, ফলে কিছুটা ব্যবধান কমলেও জেতার জন্য দরকার ছিল আরও বেশি রান।

    ম্যাচে চোখ এড়ানোর মতো পারফরম্যান্স দেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। তিনি ৫০ পূরণের পর ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন, এবং মাত্র ৩ রান প্রয়োজন ছিল সেঞ্চুরি করতে। মাঠ ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি করেন ৯৭ রান, ৫৯ বলে আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে সাজানো এটি।

    অপর ওপেনার মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। দলনেতা সিকান্দার রাজা ২১ বল থেকে ৩১ রান করেন। অন্যরা বেশির ভাগই ব্যর্থ হন; রায়ান বার্ল রান পাননি, টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করে মাঠ ত্যাগ করেন। এভাবে, জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে, যা তাদের জন্য একটি সংগ্রামমূলক স্কোর ছিল। ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

    এর আগে, চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দ্রুততর আক্রমণাত্মক শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার। ১৫ বলে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হওয়ার পরেও পাওয়ার প্লে-তে ভারত ৮০ রান তোলে। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়েন তারা। ইষাণ কিষাণ ২৪ বলে ৩৮ রানে আউট হন।

    অভিষেক শর্মা মাত্র ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন, কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ৫৫ রানে আউট হন তিনি। তার এই ইনিংস চারটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব শুরুর ধাক্কা সামলে ১৩ বলে ৩৩ রান করেন।

    দুইজনের প্রত্যাশিত পারফরম্যান্সের পর, হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা পঞ্চম উইকেট জুটিতে খুবই সাবলীলভাবেই ব্যাট করেন। এই জুটিতে তারা ৩১ বলে ৮৪ রান তোলেন। হার্দিক পান্ডিয়া ফিফটি করেন ২৩ বলে, যেখানে তিনি চারটি চার ও চারটি ছয়সহ ৫০ রান করেন। তিলক ১৬ বলের ইনিংসটি চারটি চার ও চারটি ছয়ে ৪৪ রানে রূপ দেন। পুরো ২০ ওভার শেষ করে ভারত করে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান।

    জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটি করে উইকেট পান চারজন বোলার।

  • নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের全部 জিতে অপরাজিত থাকতে সক্ষম হয়েছে, ফলে তারা সরাসরি টিকিট পেয়েছে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য। এই প্রথমবারের মতো, ১২টি দল অংশ নেবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যেখানে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, এবং ১২ জুন শুরু হবে এই জেতার মহাযুদ্ধের আয়োজন। এই টুর্নামেন্ট চলবে ২৪ দিন ধরে, শেষ হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বসে দুর্দান্ত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মঙ্গলবার নারী বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে থাকছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভেন্যুতে, যেখানে রয়েছে লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) ও ব্রিস্টল।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। ম্যাচ শুরু হবে সাড়ে দশটায়। একই বন্ধনে, ভারতের বিপক্ষে also খেলা হবে একই ভেন্যুতে। ১৭ জুন, ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, খেলাটি হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পরে, ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ার বোলের মোকাবিলা করবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরপর, বিশ্রামের পর, ২৫ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে, ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলেছে, যেখানে জিতেছে তিনটি। এবার বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নিজেদের দক্ষতা ও মান দেখানোর, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্তি প্রমাণের।