Category: আন্তর্জাতিক

  • অজিত দোভাল বললেন, দুর্বল শাসনই বাংলাদেশের পরিবর্তনের মূল কারণ

    অজিত দোভাল বললেন, দুর্বল শাসনই বাংলাদেশের পরিবর্তনের মূল কারণ

    ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল মনে করেন, দুর্বল শাসন কাঠামোই বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের একটি মূল কারণ। তিনি বিশ্লেষণ করেন, শক্তিশালী ও কার্যকর কোনো দেশের সরকারের পতন হয় না; বরং দুর্বল শাসন ব্যবস্থা অনেকসময় দেশের শাসনতন্ত্রের ভঙ্গুরতা তৈরি করে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও অন্যান্য দেশে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে সরকারের পরিবর্তনের পেছনে একই ধরনের দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামোর ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    দোভাল বলেছেন, রাষ্ট্রের মূল শক্তি হলো কার্যকর শাসনব্যস্থা, যা নাগরিকের আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। শনিবার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি এসব কথা জানান।

    শুক্রবার আন্তর্জাতিক ঐক্য দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্যে দোভাল আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা অপরিহার্য। এটি রাষ্ট্রের লক্ষ্যপূরণেও সহায়ক এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রদান করে।

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আজকের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট রাখা। বর্তমান সময়ে মানুষ অনেক বেশি সচেতন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা করছে। ফলে রাষ্ট্রকে এই প্রত্যাশা পূরণে আরও যত্নবান হতে হবে।’

    দোভাল উল্লেখ করেন, ‘একটি জাতির শক্তি তার শাসনব্যবস্থার মধ্যে নিহিত। যখন সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাজ করে, তখন এই প্রতিষ্ঠান ও তার নেতৃত্বই জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসন মডেল প্রশংসা করে দোভাল বলেছেন, ভারতের নতুন গন্তব্যে পৌঁছেছে— নতুন ধরনের শাসন ব্যবস্থা, সমাজ কাঠামো এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য করে। বর্তমান সরকার প্রশাসনিক দুর্নীতি বন্ধে যে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন এনেছে, তা গভীর প্রভাব ফেলছে। ভবিষ্যতে আরও কিছু পদক্ষেপ আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘পরিবর্তন আসার সময় লক্ষ্য স্পষ্ট হওয়া দরকার। ঝড়ের মধ্যে থাকলেও যেন চোখ না ছেড়ে দিই, ভয় বা বিভ্রান্তির কারণে পথ হারাই না।’

    শাসনের উন্নত উপাদান হিসেবে নারীর সুরক্ষা, সমতা ও ক্ষমতায়নের গুরুত্বের ওপর জোর দেন দোভাল। তিনি বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন আধুনিক শাসনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। শুধু ভালো আইন বা কাঠামো থাকলেই হবে না, সেগুলো কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে।’

    প্রযুক্তির ব্যবহারকেও গুরুত্ব দেন অজিত দোভাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, যা শাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক সেবা বাড়ায়। তবে একইসঙ্গে সাইবার হামলাসহ প্রযুক্তিনির্ভর হুমকির বিরুদ্ধে সমাজকে রক্ষা করতে হবে।’

  • কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য আলোচনা এখনও শুরু করবেন না ট্রাম্প

    কানাডার সঙ্গে নতুন বাণিজ্য আলোচনা এখনও শুরু করবেন না ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আবারো নতুন করে বাণিজ্য আলোচনা শুরু করবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, কানাডার একটি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের কারণে উভয় দেশ আবার আলোচনা শুরু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খবর সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়ে দেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, কারণ তিনি একটি বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন তৈরি করেছিলেন। ট্রাম্প বলেন, “আমি তাকে অনেক পছন্দ করি, কিন্তু তারা যা করেছে, তা ভুল ছিল। এই বিজ্ঞাপনটি ভুয়া ছিল, তাই আমি আলোচনা শুরুর পরিকল্পনা বাতিল করেছি।” কার্নির দপ্তর এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করেনি।

    গত সপ্তাহে, ট্রাম্প এই বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে কানাডার সঙ্গে চলমান আলোচনাগুলো বাতিল করেন এবং কানাডার পণ্যে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। সেই বিজ্ঞাপনে, অন্টারিও প্রদেশের সরকার রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী নেতা রোনাল্ড রিগানের এক পুরোনো ভাষণের অংশ ব্যবহৃত হয়, যেখানে বলা হয়, বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করে বাণিজ্য যুদ্ধ সৃষ্টি করা হয়, যা কার্যত কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    এই বিজ্ঞাপনটি বিভিন্ন মার্কিন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হয়, যা পরবর্তীতে বিতর্কের সৃষ্টি করে। ডগ ফোর্ডের টিম রিগানের মূল বক্তব্যের কয়েকটি অংশ কেটে এক মিনিটের বিজ্ঞাপন তৈরি করে, যদিও এই সব বাক্য রিগানের কথাই। এ কারণে ফোর্ড বিজ্ঞাপনের প্রচার স্থগিত করেন, যাতে দুই দেশের জন্য আলোচনার পথে কিছুটা এগোতে পারেন। বিনিময়ে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, কানাডা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

    প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। মোট রপ্তানির প্রায় ৭৫ শতাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক নীতি এই বাণিজ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে।

  • বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভারতের পাসপোর্টের অবনতি

    বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভারতের পাসপোর্টের অবনতি

    ভারতের পাসপোর্টের শক্তি নতুন এক আন্তর্জাতিক সূচকে নেমে এসেছে। এই সূচকটি তৈরি করে বিশ্বব্যাপী ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধার ভিত্তিতে, যেখানে ২০২৫ সালে ভারতের অবস্থান রয়েছে ১৯৯টি দেশের মধ্যে ৮৫তম। এই স্থান পরিবর্তন গত বছরের তুলনায় পাঁচ ধাপ নিচে নেমে এসেছে, যা দেশের আন্তর্জাতিক রিসোর্স ও দ্য ধরনের উন্নয়নের নির্দেশ করে।

    তুলনামূলকভাবে, ভারতের চেয়ে অনেক ছোট অর্থনীতি সম্পন্ন দেশ যেমন রুয়ান্ডা, ঘানা এবং আজারবাইজান যথাক্রমে ৭৮তম, ৭৪তম, এবং ৭২তম স্থানে অবস্থান করছে। এর মানে বিশ্বে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে এবং দেশের পাসপোর্টের শক্তি কমে যাচ্ছে।

    ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের চলাফেরার জন্য বর্তমানে ৫৭টি দেশে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে, যা একই পর্যায়ে রয়েছে আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ার সাথে। এই পরিস্থিতি বেশ কয়েকটি দেশের তুলনায় দুর্বল, যেখানে শীর্ষে থাকা সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ১৯৩টি দেশে ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন; দক্ষিণ কোরিয়া ১৯০টি এবং জাপান ১৮৯টি দেশের তালিকায় রয়েছেন।

    পাসপোর্টের শক্তি দেশের বৈশ্বিক প্রভাব ও নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। দুর্বল পাসপোর্ট মানে ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা, অতিরিক্ত খরচ এবং সীমিত ভ্রমণের সুযোগ। তবে গত এক দশকে ভিসা-মুক্ত দেশগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন, ২০১৫ সালে ভারতের জন্য এই সংখ্যা ছিল ৫২টি, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ এ। তবে বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি ও অন্যান্য দেশের ভিসা সুবিধা বাড়ার কারণে ভারতের র‌্যাংকিং এখনও বিশ্বমানচিত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাসপোর্টের শক্তি নির্ভর করে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সম্পর্ক, অভিবাসন নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত আচার্য মালহোত্রা বলেছেন, ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার ও পাসপোর্টের মান উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ হয়, যা জালিয়াতি রোধে সাহায্য করে।

    পরিশেষে, ভারতের জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং নতুন ভ্রমণ চুক্তি স্বাক্ষর। এভাবে দেশের পাসপোর্টের র‌্যাংক এবং বৈশ্বিক প্রভাব উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

  • ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস, ইসরাইলি জেনারেলের পদত্যাগ

    ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর নির্যাতনের ভিডিও ফাঁস, ইসরাইলি জেনারেলের পদত্যাগ

    গাজা যুদ্ধে থাকা অবস্থায় এক ফিলিস্তিনি বন্দির ওপর ইসরাইলি সেনাদের বর্বরতা ও নির্যাতনের ভিডিও সম্প্রতি ফাঁস হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার ফলে দেশটির সেনা প্রধান আইনি কর্মকর্তা মেজর জেনারেল ইফাত টোমার-ইয়েরুশালমি পদত্যাগ করেন। তিনি শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। স্বয়ং তিনি স্বীকার করেছেন যে, এই ভিডিও প্রকাশের অনুমতি তিনি গত বছর আগস্টে দিয়েছিলেন।

    বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, এই ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়। নির্যাতনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজন সেনার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রভাব দেশের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ে। ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে দ্রুত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা ও ঘটনার সত্যতা নিয়ে সমালোচনা করে, এবং শঙ্কা প্রকাশ করে যে, এর জন্য সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে অকার্যকর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ঘাঁটিতে প্রবেশের সময় বিক্ষোভ দাঙ্গাও দেখা যায়, যেখানে তারা হামলার শিকার হয়।

    এক সপ্তাহের মধ্যে একটি নিরাপত্তা ক্যামেরার দৃশ্যাবলি ইসরাইলের অন্যতম সংবাদমাধ্যম এন১২-তে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন সেনা এক বন্দিকে পাশে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, চারপাশে সশস্ত্র সৈন্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে ভেতরে কি ঘটছে তা বোঝা যাচ্ছে না।

    গত বুধবার, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ জানিয়ে দেন, এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় Fফৌজদারি তদন্ত চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই টোমার-ইয়েরুশালমিকে জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

    পদত্যাগপত্রে ইফাত টোমার-ইয়েরুশালমি উল্লেখ করেন, তিনি কোনও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড করেননি, বরং সেনা আইনি বিভাগের সম্মান রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধকালীন এই বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় যাতে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনাটি ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যেখানে নানা মত প্রকাশ ও তদন্তের দাবি জোরালো হচ্ছে।

  • ট্রাম্পের বিস্ফোরক বক্তব্য: মোদি দেখতে সুন্দর, খুনি

    ট্রাম্পের বিস্ফোরক বক্তব্য: মোদি দেখতে সুন্দর, খুনি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দর্শনে খুবই প্রশংসা করেছেন, তাকে দেখলে মনে হয় তিনি মানুষের চোখে অনেক সুন্দর। তবে একই সাথে ট্রাম্প আবার তাকে খুনিও বলে থাকেন। বর্তমানে এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় রয়েছেন ট্রাম্প, যেখানে তিনি এপেক সম্মেলনে অংশ নেবেন। এর আগে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মধ্যকার চারদিনের যুদ্ধের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, তিনি এই যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছেন।

    ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি প্রথমে এই যুদ্ধ বন্ধের জন্য দুই দেশের নেতাদের আহ্বান করেছিলেন, কিন্তু তারা এক্ষেত্রে রাজি হয়নি। পরে তিনি দ্বিপাক্ষিক এই সংঘর্ষ বন্ধ করতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়কেই রাজি করান এবং যুদ্ধ না করলে ওই দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য চুক্তি বন্ধের হুমকি দেন।

    তিনি বলেন, “আমি ভারতের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছি। আমার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একইভাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও একজন অসাধারণ ব্যক্তি। পাকিস্তানের একজন ফিল্ড মার্শাল আছেন—কারণ তিনি একজন অভিজ্ঞ ও সালিল্যজনক সৈনিক। আমি তাদের সবাইকে চিনি।

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল, এবং তারা ছিল দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। তিনি বলেন, “আমি মোদিকে ফোন করে বলি, আমাদের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব নয়, কারণ আপনি পাকিস্তানের সঙ্গেও যুদ্ধ করছেন।” মোদি তখন বলে, ‘না, আমাদের চুক্তি করতে হবে।’ ওই সময় ট্রাম্প আবার বলেছিলেন, ‘না, আমরা চুক্তি করব না, কারণ আপনি পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।’

    অন্যদিকে পাকিস্তানকেও ট্রাম্প জানান, তারা তাদের সঙ্গে বাণিজ্য করবে না কারণ তারা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত। ট্রাম্প বলেন, “পাকিস্তান বলে, ‘না, আমাদের যুদ্ধের জন্য দিন নাই।’ উভয় দেশই বলেছে, তারা শক্তিশালী ও লড়াকু।

    ট্রাম্প মোদির আচরণে কিছুটা অবাক হয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দেখলে মনে হয়, তাকে আপনি আপনার বাবা বলে মনে করতে পারেন। ওঁকে দেখে মনে হয়, ওঁর জন্য অনেক ভালোবাসা জাগে। কিন্তু এই মোদি তো একজন খুনি। ওঁর রূপ বেশ কঠোর। ওঁকে আমি বলি, ‘না, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করব।’ তখন আমাকে আশ্চর্য মনে হয়, এটি কি সেই মোদি?”

    প্রায় দুই দিন পর ট্রাম্পের সন্দেহের অবসান ঘটে এবং মোদি ও পাকিস্তান উভয়ই যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং ঘটনার বিবরণ সমালোচকদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

  • কলকাতায় সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি কনিকা বিশ্বাসের মৃত্যু

    কলকাতায় সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি কনিকা বিশ্বাসের মৃত্যু

    কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রবীণ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য কনিকা বিশ্বাস। তিনি বুধবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা সংলগ্ন সল্টলেকের মণিপাল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি এবং ওই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সময় ছিল বয়স ৮০ বছর।

    কনিকা বিশ্বাসের জন্ম বাংলাদেশের ওড়াকান্দিতে হলেও বেশ কিছু বছর ধরে তার পরিবার বসবাস করছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হৃদয়পুরে। তিনি ১৯৭৩ সালে প্রথম নারী আসন-১১ থেকে বাংলাদেশ সংসদে মনোনীত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সংগঠক হিসেবে অংশ নেন। এক সময় তাঁর ঠিকই স্বামী বীরেন রাজ বিশ্বাসও স্বজনতায়ক ছিলেন।

    তাঁর আত্মীয়, চিকিৎসক ডাঃ সুবোধ বিশ্বাস জানান, কনিকা বিশ্বাস দীর্ঘদিন অসুস্থতার কারণে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরই মধ্যে বুধবার বিকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে।

  • লেবানন প্রেসিডেন্টের সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল মোকাবেলার নির্দেশ

    লেবানন প্রেসিডেন্টের সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল মোকাবেলার নির্দেশ

    লেবাননের রাষ্ট্রীয় প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, ইসরায়েলি আক্রমণের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়াই করতে হবে। এই নির্দেশ দেয়া হলো এমন পরিস্থিতিতে, যখন যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি অনুপ্রবেশ ও হামলা অব্যাহত রয়েছে। এটি ২০২৪ সালের শেষের দিকে যুদ্ধবিরতির পর থেকে প্রথমবারের মতো এমন কঠোর নির্দেশনা দিলেন প্রেসিডেন্ট আউন। বুধবার রাতে, দক্ষিণ লেবাননের ব্লিদা শহরে একটি পৌরসভা ভবনে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়ে একজন স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাকে হত্যা করে। এরই প্রতিক্রিয়ায়, লেবাননের সরকারি সম্প্রচার সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আউন ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি ‘ইসরায়েলি আগ্রাসনের ধারাবাহিক প্যাটার্নের’ একটি অংশ। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, বেসামরিক অবকাঠামোর আড়ালে থাকা ওই পৌরসভা ভবনটি হিজবুল্লাহর কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। একই সময়ে, হিজবুল্লাহ তাদের পক্ষ থেকেও ইসরায়েলি আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আউনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা এ বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। গত আগস্ট মাসে, লেবাননের আরব-সমর্থিত সরকার সমস্ত অস্ত্রের সরকারি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নিয়ে একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে। যদিও হিজবুল্লাহ এই পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলে দখলকৃত পাঁচটি সীমান্ত ফাঁড়ি থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার ছাড়া তারা নিজেদের অস্ত্র সরিয়ে নেবে না। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়মিত আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে লেবাননে ইসরায়েলে পূর্ণাঙ্গ হামলা শুরু হলে, এখনও পর্যন্ত ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১৭ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২۴ সালের নভেম্বরের মধ্যে হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির কথা ছিল, তবে তারা কেবল অর্ধেক প্রত্যাহার করে নেয় এবং সীমান্তের পাঁচটি চৌকিতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে।

  • বাংলাদেশে পুশইনের ভয়ে কলকাতায় ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের আত্মহত্যা

    বাংলাদেশে পুশইনের ভয়ে কলকাতায় ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধের আত্মহত্যা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের ইলামবাজারে একজন ৯৫ বছর বৃদ্ধ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি তার নিজের মেয়ের বাড়িতে বৃহস্পতিবার এই চরম সিদ্ধান্ত নেন। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে পুশইনের ভয় থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

    আনন্দজনক এই ঘটনার মধ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নাগরিকদের উদ্বেগের বিষয়টিও জড়িয়ে রয়েছে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে কলকাতা মহানগরীতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কার্যক্রম শুরু হবে, যা নিয়ে অনেকের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    ক্ষিতীশ মজুমদার নামে ওই বৃদ্ধের পরিবার জানিয়েছে, ২০০২ সালে তৈরি হওয়া ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না। যখন থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে, তখন থেকেই তিনি ভয় পান যে তাকে বাংলাদেশে পুশইন করা হবে। তারা উল্লেখ করেছেন, তিনি খুবই ছোট বয়সে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন এবং সেখানে অনেক কষ্ট করে জীবন গড়েছেন।

    নাতনি নির্মলা বলেন, “আমার দাদার নাম ২০০২ সালে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ছিল না। তিনি বহু আগে বাংলাদেশ থেকে এখানে এসেছিলেন। বাংলাদেশে পুশইনের ভয়েই তিনি খুবই চিন্তিত ছিলেন। এই বয়সে যদি আবার বাংলাদেশে পাঠানো হয়, তা হলে তিনি কি করবেন?”

    তবে মৃতদেহের পরিবারের অন্য সদস্যরা এই বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, দাদার কাছে কোনো নোট পাওয়া যায়নি যেখানে তিনি এই ধরনের ভয় বা চিন্তার কথা উল্লেখ করেছেন।

    ক্ষিতীশ পশ্চিম মোদিনিপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন ইলামবাজারে।

    বীরভূমের পুলিশ সুপার আমনদ্বীপ বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি তিনি ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ভয় পেয়েছিলেন, এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে আমাদের কাছে কেউ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়নি।” সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

  • মুম্বাইয়ে জিম্মিদশা ও নাটকীয় অভিযান, গুলিতে নিহত জিম্মি কর্তা

    মুম্বাইয়ে জিম্মিদশা ও নাটকীয় অভিযান, গুলিতে নিহত জিম্মি কর্তা

    ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। পওয়াই এলাকার একটি স্টুডিওতে এক ব্যক্তির কারণে কমপক্ষে ১৭ শিশু নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতিতে পড়েছিল। ঘটনার সময় ওই ব্যক্তির জিম্মিতে পড়েছিলেন শিশুরা, এরপর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সাহসিকতার সাথে অভিযান চালিয়ে শিশুদের উদ্ধার করে। এই অভিযানে ধরা পড়ে জিম্মি করা ব্যক্তি রোহিত আর্য, যাকে পুলিশের গুলিতে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।

    ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বিকাল দিকে, আরএ স্টুডিও নামে একটি ছোট ফিল্ম স্টুডিওতে। পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, রোহিত আর্য অডিশনের জন্য শিশুদের স্টুডিওতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তিনি নিজেকে একজন নির্মাতা বা অডিশনার বলে পরিচয় দিয়ে শিশুদের জিম্মি করেন। ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ দ্রুত পৌঁছে ঝুঁকি অনুধাবন করে চমৎকারভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে শিশুদের নিরাপদে মুক্ত করে।

    পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে অক্ষত অবস্থায় জিম্মি রাখা হয়েছিল। পরে উদ্ধার কার্যক্রমে পুলিশ রোহিতের সঙ্গে আলোচনা চালায়, কিন্তু তিনি শিশুগুলোর মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন তিনি শিশুদের হত্যার হুমকি দেন। শেষ পর্যন্ত, পুলিশ তার স্টুডিওর বাথরুমের ভিতরে প্রবেশ করে খেলোয়াড়ি কৌশলে শিশুদের নিরাপদে উদ্ধার করে।

    আঘাতের সময় রোহিত আর্য স্টুডিও থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, তিনি আত্মহত্যা না করে এই জিম্মিদশার পথ বেছে নিয়েছেন। ভিডিওতে তিনি জানান, তাঁর অর্থের কোনো সমস্যা নেই এবং তিনি সন্ত্রাসী নয়। তিনি দাবি করেন, কিছু প্রশ্ন ও নৈতিক দাবির জন্য এই কাজ করেছেন। তিনি সতর্কভাবেই বলেন, তার ভুলে কিছু ঘটলে তিনি আগুন লাগিয়ে দিতে পারেন এবং এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    আটক করার সময় পুলিশ তার কাছ থেকে একটি বন্দুক ও রাসায়নিক ভর্তি পাত্র উদ্ধার করেছে। জানা গেছে, রোহিত মূলত একটি ওয়েব সিরিজের অডিশনের জন্য শিশুগুলোর ভাড়া নিয়েছিলেন। শিশুরা স্থানীয় একটি আবাসিক ভবনের নিচে অবস্থিত এই স্টুডিওতে ছিলেন।

    রোহিত আর্য দাবি করেছেন, তিনি ‘পিএলসি স্যানিটেশন মনিটর প্রজেক্ট’ নামে একটি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রাজ্য সরকারের শিক্ষা দপ্তর থেকে তার জন্য অর্থের কিছু পাওনা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের সুযোগ্যতার জন্য তার অর্থ এখনও পরিশোধ হয়নি। তার অভিযোগ, তিনি তার প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত ২ কোটি রুপির মধ্যে অনেকটাই পেতেন, কিন্তু ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে তিনি দু’বার অনশনও করেছিলেন। তিব্র নাখোশ ছিলেন তিনি, কিন্তু তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কেসরকর তাকে ৭ লাখ ও ৮ লাখ রুপির দু’টি চেক দিয়েছিলেন, যা পরবর্তী সময়ে আরও অর্থের জন্য প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল।

    সর্বশেষ ঘটনাপ্রবাহে, পুলিশ ও তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি সত্যিই খুবই সঙ্কটজনক ছিল। তারা ধারণা করছে, রোহিতের হাতে থাকা কিছু রাসায়নিক ও অস্ত্র শিশুদের বিপদে ফেলেছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝা যায়, শিশু নিরাপত্তার জন্য আরও সতর্ক হতে হবে এবং স্থানীয় authorities এর নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে।

  • নেতানিয়াহুর নির্দেশ: গাজায় অবিলম্বে শক্তিশালী হামলার ঘোষণা

    নেতানিয়াহুর নির্দেশ: গাজায় অবিলম্বে শক্তিশালী হামলার ঘোষণা

    ফিলিস্তিনির স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠার পরই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে কঠোর ও শক্তিশালী হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশের ফলে গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি এক চূড়ান্ত সংকটের মুখে পড়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরে এই Tokio পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত, গত সোমবার হামাস গোষ্ঠীর কাছে ইসরায়েল একটি জিম্মির মরদেহের অংশ হস্তান্তর করে, যা ২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে, বাকি ১৩ জন বন্দীর মরদেহ এখনো ফেরত পাননি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া, সাম্প্রতিক জিম্মি দেহাংশ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে নেতানিয়াহুর অভিযোগ।

    এমন পরিস্থিতিতে, মঙ্গলবার সকালে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) প্রধানসহ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার শেষে নেতানিয়াহু গাজা অঞ্চলে নতুন করে কঠোর হামলার নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ এবং অবস্থার আরও কঠিন রূপ নেওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

    সূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল