Category: আন্তর্জাতিক

  • ট্রাম্পের নতুন বার্তা: ইরান যুদ্ধের মেয়াদ নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সিদ্ধান্তে

    ট্রাম্পের নতুন বার্তা: ইরান যুদ্ধের মেয়াদ নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সিদ্ধান্তে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধ কতদিন চলবে— তা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ বড় অংশই নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সিদ্ধান্তের ওপর।

    গত রোববার ফোনে সিএনএনকে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এটা পারস্পরিক সিদ্ধান্ত; আমরা (ইসরায়েলসহ ilgili পক্ষগুলোর সঙ্গে) কথা বলছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি আমি নেব এবং সঠিক সময়ে নেব। সবকিছু বিবেচনায় আনা হবে।”

    ট্রাম্প এর আগেও ৩ মার্চ বলেছেন, তার বিশ্বাস আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংঘাত শেষ হতে পারে। তবে ওই মন্তব্যের একদিন পর পিট হেগসেথের মতো কিছু মন্তব্যে বলা হয়েছিল, যুদ্ধটি ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত টেনে যেতে পারে—এটি সময়সীমা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনুমান ও মতভেদের এক নজির।

    প্রসঙ্গত, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটন কর্তৃক আয়োজিত সংলাপ চলেছিল ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত — মোট ২১ দিন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।

    এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র নিজের অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে এবং প্রায় একই সময়ে ইসরায়েলও ইরানে ‘রোয়ারিং লায়ন’ নামের একটি অভিযান চালায়। উত্তেজনা বৃদ্ধির ধারায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। গত দশকের হিসেবে নয়, তবে সাম্প্রতিক দশ দিনের মধ্যে সৌদি আরবের কোনো মার্কিন ঘাঁটি, মার্কিন দূতাবাস ও তেলকেন্দ্রিক স্থাপনায় মুহূর্তে হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

    এই সব বিবৃতি ও ঘটনাবলী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।

    সূত্র: রয়টার্স

  • দু’দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি আকাশযান ভূপাতিত—ইরানের দাবি

    দু’দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি আকাশযান ভূপাতিত—ইরানের দাবি

    ইরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের ড্রোন ও আকাশযান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব ঘটনাক্রম ঘটেছে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)‑এর খাতাম আল‑আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে এই আকাশযানগুলো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ধ্বংস করা হয়েছে। খবরটি প্রথম পরিবেশনা করেছে আনাদোলু সংবাদ মাধ্যম।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে এমকিউ‑৯, হারমেস ও অরবিটার ধরনের মোট ১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ইরান বলেছে এসব ড্রোন নর্থ‑ওয়েস্ট, ওয়েস্ট ও সাউথ জোনসহ ইসফাহান, কেরমান ও রাজধানী তেহরানেও ধ্বংস করা হয়েছে।

    এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করায় সমান্তরালে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিম জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দের খবর ছড়ায় এবং বিমান হামলার সতর্কবাণী শোনা যায়। সংবাদ সংস্থা এএফপি বলছে সেখানে অন্তত তিনবার বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় কাছাকাছি ছয়বার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    অপর দিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে যে তারা ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। আইডিএফ বলছে, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো আইআরজিসি‑র কুদস বাহিনীর বহরভুক্ত ছিল। আইডিএফের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে শনিবার (৮ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী মেহরাবাদের বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিমানগুলো ধ্বংস করেছে।

    উভয় পক্ষের এই দাবিগুলোই সরকারি দাবি হিসেবে প্রতিবেদিত হচ্ছে; স্বাধীন পর্যবেক্ষণে এগুলো যাচাই করা যায়নি। পরিস্থিতি তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল এবং সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও তথ্য অপেক্ষা করছেন।

  • সৌদির আবাসিক কম্পাউন্ডে মিসাইল আঘাতে বাংলাদেশিসহ ২ জন নিহত

    সৌদির আবাসিক কম্পাউন্ডে মিসাইল আঘাতে বাংলাদেশিসহ ২ জন নিহত

    সৌদি আরবের রিয়াদ প্রদেশের আল-খারজে একটি আবাসিক কম্পাউন্ডে মিসাইল আঘাত করে দুইজন নিহত হয়েছেন; নিহতদের একজন বাংলাদেশি ও একজন ভারতীয়। স্থানীয় সময় রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় এই ঘটনায় আরও কমপক্ষে ১২ জন আহত বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স—এই তথ্য আল-জাজিরা সূত্রে প্রচারিত হয়েছে।

    সিভিল ডিফেন্সের এক বার্তায় বলা হয়েছে, প্রজেক্টাইলটি আল-খারজ প্রশাসনিক এলাকায় থাকা আবাসিক কম্পাউন্ডটিতে আঘাত হানে। আহতদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পরিষ্কার হয়নি।

    আল-খারজ রিয়াদ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) পূর্বে জানিয়েছিল তারা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে এবং আল-খারজের রাডার সিস্টেমকে লক্ষ্য করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে; সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে নিহতদের ঘটনায় বিস্তৃত তদন্ত চলছে এবং তা সেখানেই ঘটেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে মিসাইলটির উৎস সম্পর্কে সৌদি কিংবা ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো নিশ্চিত দাবি করেনি। দুর্যোগ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে যে তথ্য এসেছে তাতেই আপাতত ভিত্তি করে ঘটনা জানানো হয়েছে।

    এই ধরনের হামলার খবরগুলোর প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা হচ্ছে, গত কয়েক সপ্তাহে এলাকার দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক শক্তিদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং বিভিন্ন দিক থেকে প্রতিশোধ ও সামরিক ক্রিয়াকলাপের খবর বেরিয়েছে। স্থানীয়-বহির্গামী সূত্রে আরও বলা হয়েছে যে, একই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস এবং দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটকে নিশানা করে আঘাত করার দাবি এনে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এসব ঘটনার স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।

    আন্তর্জাতিক এ ঘটনার বিষয়ে তদন্ত ও তথ্যের প্রত্যয়ন চলমান আছে; আহতদের সেবা ও নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যবস্থা দ্রুত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

  • ইরান দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি উন্নত আকাশযান ভূপাতিত

    ইরান দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি উন্নত আকাশযান ভূপাতিত

    ইরান দাবি করেছে যে গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের আকাশযান ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এই তথ্য প্রতিনিধিত্বমূলকভাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর খাতাম আল–আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যা আনাদোলু সংবাদ প্রতিষ্টান উদ্ধৃত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি ধরনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এমকিউ-৯, হারমেস এবং অরবিটার মডেলের মোট ১৩টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে এসব ড্রোন দেশটির উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম ও দক্ষিণ অংশের পাশাপাশি ইসফাহান, কেরমান ও রাজধানী তেহরানের আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে।

    একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে বলে বিবেচিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের পশ্চিম জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দ ধরা পড়েছে এবং বিমান হামলার সাইরেনও বেজে উঠেছে। সংবাদ সংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা বলেছেন, সেখানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ছয়বার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে যে তারা ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। আইডিএফ বলেছে, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলো আইআরজিসি–এর কুদস বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার (৮ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ) মেহরাবাদ বিমানবন্দরে এক অভিযান চালিয়ে তিনটি বিমান ধ্বংস করে।

    এই ঘটনার বিবরণ দুটি পক্ষের প্রকাশিত দাবির ওপর ভিত্তি করে জানানো হয়েছে এবং নিরপেক্ষভাবে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি। সংবাদ সংস্থা আনাদোলু ও এএফপি ওই প্রতিবেদনগুলোতে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ইসরায়েলি হামলায় তেহরান জ্বলছে: তেলের আগুন ‘নদীর মতো’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা

    ইসরায়েলি হামলায় তেহরান জ্বলছে: তেলের আগুন ‘নদীর মতো’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা

    ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় লক্ষণীয় পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় বিস্ফোরণ ঘটার পর তেল সিল হয়ে শহরের নর্দমা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় মিশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তার পাশের সুয়ারেজ লাইনের ভেতর দিয়ে আগুনের শিখা বয়ে চলছে — স্থানীয়দের ভাষ্যে শহরটি যেন একটি ‘আগুনের নদী’য়ে পরিণত হয়েছে।

    এক্স প্ল্যাটফর্মের ‘লিভিং ইন তেহরান’ নামে একটি সংস্কৃতি ও শিল্প বিষয়ক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের দীর্ঘ এক সড়ক জুড়ে নর্দমার ফাঁক-ফোঁক থেকে আগুন বের হচ্ছে এবং ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে দেখা দৃশ্য স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

    ইরানের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরানের পশ্চিমে আলবোর্জ প্রদেশের কারাজ শহর সহ মোট তিনটি এলাকায় তাদের জ্বালানি ডিপো ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়েছে। সেগুলোতে তেলের বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত ও জনস্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জরুরি সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিক উপাদান বৃষ্টির সঙ্গে মিশে ‘বিষাক্ত বৃষ্টি’ হতে পারে। এই ধরনের বৃষ্টি ত্বকে ছোঁয়া গেলে রাসায়নিকতা থেকে ক্ষত বা জ্বালা হতে পারে এবং শ্বাসনালীর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটি সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো দিয়েছে:

    1. বিস্ফোরণের পরে বৃষ্টির সময় কোনো অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না।

    2. বাইরে থাকলে দ্রুত কংক্রিট বা ধাতব ছাদের নিচে আশ্রয় নিতে হবে; গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া ঠিক নয়।

    3. বৃষ্টির পানি ত্বকে লাগলে কখনও ঘষবেন না; অবিরাম ঠাণ্ডা পানির ধারা দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলুন।

    4. বৃষ্টিতে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন এবং সেগুলো একটি চাপা ব্যাগে ভরে আলাদা রাখুন।

    অন্যদিকে তেল স্থাপনায় হামলার প্রভাবে তেহরান প্রদেশে প্রতিটি ব্যক্তিগত কার্ডের দৈনন্দিন জ্বালানি তেলের কোটা ৩০ লিটার থেকে কমিয়ে ২০ লিটারে নামিয়ে আনা হয়েছে—এই ঘোষণা করেছে গর্ভনর ও ফার্স নিউজ এজেন্সি। তেহরানের গভর্নর ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহে এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি মাত্র দুই-তিন দিনের জন্য প্রযোজ্য থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পুরনো কোটা পুনঃস্থাপিত হবে। তিনি নাগরিকদের আতঙ্ক না পেতে অনুরোধ করেছেন।

    ঘটনাস্থল ও পরিবেশগত পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয়রা নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন।

  • ইসরায়েলি হামলায় তেহরান ‘আগুনের নদী’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা জারি

    ইসরায়েলি হামলায় তেহরান ‘আগুনের নদী’, বিষাক্ত বৃষ্টির সতর্কতা জারি

    ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি বিমান হামলার পরে একটি তেল ডিপোতে লাগা আগুন থেকে নয়নাভির্ভাব জ্বালানি নির্গত হয়ে শহরের নর্দমা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় মিশে গেছে, ফলে নগরের একত্রে বিস্তৃত এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, শহরের এক দীর্ঘ সড়ক জুড়ে নর্দমার ভেতর দিয়ে আগুনের শিখা বইছে—স্থানীয়রা ঘটনাস্থলকে ‘আগুনের নদী’ বলে অভিহিত করছেন।

    এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মে ‘‘লিভিং ইন তেহরান’’ নামের একটি সংস্কৃতি ও শিল্প ভিত্তিক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ওই ক্লিপে নর্দমা ও পাশে থাকা রাস্তার ধার বরাবর আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, তেলের ডিপো ধ্বংস হওয়ার ফলে ছড়ানো জ্বালানি নর্দমায় গিয়ে সেখানে জমে আগুন লাগায় এই ভয়াবহ দৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে।

    ইরানের তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, তেহরানের পশ্চিমে আলবোর্জ প্রদেশের কারাজ শহরসহ তিনটি ভিন্ন এলাকায় তাদের জ্বালানি ডিপো ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্ত্র হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে নির্মিত ক্ষতির কথা স্বীকার করে মন্ত্রণালয় ঘটনার কার্যকারণ ও পরিণতি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

    বিস্ফোরণ ও আগুন নেভাতে গিয়ে পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাধারণ জনগণের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটির অনুযায়ী বিস্ফোরণে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিক উপাদান বৃষ্টির সঙ্গে মিশে ‘বিষাক্ত বৃষ্টি’ সৃষ্টি করতে পারে, যা ত্বকে জ্বালাও বা রসে ক্ষত, এবং শ্বাসনালীর মারাত্মক সমস্যা ঘটাতে পারে।

    রেড ক্রিসেন্টের জরুরি নির্দেশনা:

    1. বিস্ফোরণের পরে বৃষ্টির সময় কোনো অবস্থাতেই বাইরে বের হওয়া যাবে না; ঘরে থাকুন এবং দরজা-জানালা সিল করে রাখুন।

    2. বাইরে থাকা অবস্থায় দ্রুত কংক্রিট বা ধাতব ছাদের নিচে আশ্রয় নিন; গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

    3. বৃষ্টির পানি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আসে, সেটি কখনো ঘসা যাবে না; অবিরাম ঠান্ডা পানির ধারা দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলুন।

    4. বৃষ্টির পানিতে ভেজা পোশাক যত দ্রুত সম্ভব বদলে ফেলুন এবং তা একটি সিল করা ব্যাগে রাখুন।

    এই ঘটনার পর তেহরান প্রদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাজ্যের গভর্নর ব্যক্তিগত কার্ডভিত্তিক দৈনিক জ্বালানি কোটাকে ৩০ লিটার থেকে কমিয়ে ২০ লিটারে নামিয়ে দিয়েছেন। ফার্স নিউজ এজেন্সি এই খবর নিশ্চিত করেছে। গভর্নর নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহের এই সংক্ষিপ্ত কড়াকড়ি মাত্র ২-৩ দিনের জন্য প্রযোজ্য থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠলে পুরনো কোটা পুনরায় বহাল করা হবে। তিনি জনগণকে অপ্রয়োজনে শঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্র ও উদ্ধারকার্যতৎপর সংস্থাগুলো আগুন নেভানো, পরিবেশগত ক্ষতি নিরূপণ এবং নিরাপদভাবে দূষিত স্থানগুলো পরিচ্ছন্ন করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা কখনোই অনভিজ্ঞভাবে দূষিত পানি বা ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় যেতে গেলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • ইরানের দাবি: দু’দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি আকাশযান ভূপাতিত

    ইরানের দাবি: দু’দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ১৩টি আকাশযান ভূপাতিত

    ইরান জানিয়েছে, গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শনিবার (৭ মার্চ) পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় তেহরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোট ১৩টি উন্নতমানের আকাশযান ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর খাতাম আল–আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে এসব ড্রোনকে বিভিন্ন স্থানে প্রতিহত করা হয়েছে। বিবৃতিটি আনাদোলু সংবাদমাধ্যমে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে এমকিউ-৯, হারমেস ও অরবিটার ধরনের মোট ১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এসব ড্রোন ইরানের উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম ও দক্ষিণাঞ্চলের পাশাপাশি ইসফাহান, কেরমান ও রাজধানী তেহরান অঞ্চলেও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    অন্য দিকে সংঘর্ষ তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে পশ্চিম জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দ ও বিমান হামলার সাইরেনের খবর পাওয়া গেছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, সেখানে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ছয়বার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) প্রতিকারে জানিয়েছে, তারা ইরানের ১৬টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে—যেগুলো আইডিএফ বলছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর কুদস বাহিনীর। আইডিএফের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার (৮ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ) মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ওই বিমানগুলো ধ্বংস করেছে।

    উভয় পক্ষের দাবি ও প্রতিক্রিয়ার মধ্যে পরিস্থিতি তত্পর ও উত্তেজনাপূর্ণ থাকার সতর্কতা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। স্বাধীন তদন্ত ছাড়া কোন পক্ষের দাবি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এবং সংঘাতের প্রেক্ষিতে পরিবেশ এখনও অস্থিতিশীল রয়ে গেছে।

  • চার ঘণ্টায় ২৮ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

    চার ঘণ্টায় ২৮ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্রের নানা প্রদেশে একযোগে বহু ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় দেশজুড়ে উৎকণ্ঠা বেড়েছে। সর্বশেষ ইউএসজিএসের রেকর্ড অনুযায়ী মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে দেশজুড়ে কমপক্ষে ২৮টি ছোট মাত্রার ভূমিকম্প নথিভুক্ত হয়েছে।

    ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্রা ১.৫ বা তার বেশি মূল্যমানের মোট ১০৮টি ভূমিকম্প ঘটেছে। গত সাত দিনে এই সংখ্যা ছিল ৭৩১টি এবং গত ৩০ দিনে প্রায় ৩,৭০৭টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। বেশিরভাগই ছিল অপেক্ষাকৃত নিম্ন মাত্রার কেঁপে, যা সাধারণত বড় ধরনের ক্ষতি করে না।

    সাম্প্রতিক তালিকায় নেভাদার লাভলকে ১.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের তথ্য রয়েছে; এর গভীরতা ছিল প্রায় ৪ কিলোমিটার। এর আগে টেক্সাসের ভ্যান হর্নে ১.৯ ও ক্যালিফোর্নিয়ার সোলেদাদে ২.০ মাত্রার কেঁপে অনুভূত হয়। হাওয়াইয়ের আগ্নেয়গিরি এলাকা, আলাস্কার সোলডোটনা ও হ্যাপি ভ্যালি, নিউ মেক্সিকোর লাভিং এবং টেক্সাসের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন সময় স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।

    চলতি সপ্তাহে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল লুইজিয়ানার কুশাট্টায়, যার মাত্রা ৪.৯ রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি মাসে সবচেয়ে বড় কেঁপে ছিল আলাস্কার উনালাস্কার ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প। আর এই বছরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ঘটেছে আলাস্কার স্যান্ড পয়েন্টে, যার মাত্রা ছিল ৭.৩।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঞ্চল—বিশেষ করে আলাস্কা, ক্যালিফোর্নিয়া ও হাওয়াই—ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। ভূমিকম্পগুলো সাধারণত ভূ-তাত্ত্বিক প্লেটের সঞ্চালন বা আগ্নেয়গিরি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত; তবে অধিকাংশ ছোট কাঁপা বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয় না।

    ইউএসজিএস ও স্থানীয় জরুরি মৃত্যুক্রিয়াকলাপীরা পরিস্থিতি মনিটর করছেন এবং নাগরিকদের অস্থিরতা কমাতে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রয়োজন হলে স্থানীয় আধিকারিক কিংবা ইউএসজিএসের আনুষ্ঠানিক আপডেট অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

  • বিহারে রোজা থাকা মুসলিম নারীকে খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, হাসপাতালে মৃত্যু: অভিযোগ

    বিহারে রোজা থাকা মুসলিম নারীকে খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, হাসপাতালে মৃত্যু: অভিযোগ

    মধুবনী জেলার আমহি গ্রামে এক মুসলিম নারী রওশন খাতুনকে রোজা থাকা অবস্থায় খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনির ফলে হাসপাতালে নাকাও মৃত্যুবরণ করেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে।_attackটি ঘটে বলে জানা গেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি; রওশনকে পরে পটনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১ মার্চ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রওশন খাতুন গ্রাম প্রধান কুমারী দেবীর কাছে স্বামীর সঙ্গে জড়িত একটি জমজমাট বাগবিতাণ্ডা মেটানোর জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা করে যাওয়া ওই নারীকে ওই সময়ে গ্রাম প্রধানের ছেলে মনু সিং ও তার পরিবারের anderen সদস্যদের নেতৃত্বে একটি দল দাঁড় করিয়ে মারধর শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, তাঁকে একটি খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং এ সময় গ্রামের মানুষ দাড়িয়ে দেখে গেলেও কেউ পথে বাধা দিতে পারেননি।

    কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী অভিযোগ করেছেন, রওশন রমজানের রোজা পালন করছিলেন এবং তিনি পানি চাননি—তবুও হামলাকারীরা তাকে জোরপূর্বক মদ ও প্রস্রাব মিশ্রিত একটি পানীয় খাওয়ায় বলে বলা হচ্ছে। এমন বর্বর আচরণে গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্রোধান্বিত প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় অনলাইন পোর্টাল ‘মিথিলা সমাচার’ও ঘটনাটি সম্প্রচার করেছে।

    পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এসব অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন। এক তদন্তকারী কর্মকর্তার কথায়, “রওশন খাতুন রোজা ছিলেন কি না এবং তাঁর কাছে পানি চাওয়ার বিষয়টি সংক্রান্ত বিভিন্ন রিপোর্ট পাওয়া গেছে, কিন্তু আমরা এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারব না। তদন্ত চলছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    ঘটনার পর স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গ্রাম প্রধানের ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, পুলিশ ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত সকলকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আরও গ্রেফতারি হতে পারে বলে জানিয়েছে। এলাকায় শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রওশন খাতুনের স্বামী ঘটানের দোষীদের দ্রুত কঠোর শাস্তি, এমনকি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন। মনসুরি সম্প্রদায়ের রাজ্য সভাপতি অজয় মনসুরি বলেছেন, “নিহত নারীর ন্যায়বিচারের জন্য আমরা সব স্তরে লড়ব” এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

    ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই জেলা জুড়ে শোক ও ক্ষোভের ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই বলেছেন, গ্রামীণ অঞ্চলে, বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চাইলে কতটা অরক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারেন, এই ঘটনা তা প্রমাণ করে। এক প্রবীণ বাসিন্দা বললেন, “রওশন একজন গরীব মহিলা ছিলেন, তিনি সাহায্য চেয়েছিলেন; তার মৃত্যু আমাদের সকলকে ব্যথিত করেছে। আমরা তার জন্য ন্যায়বিচার চাই।”

    পুলিশি তদন্ত চলছে; স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সমাজকর্মীরা ঘটনাটির দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলছেন।

  • বিস্ফোরণের পরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ

    বিস্ফোরণের পরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শনিবার (৭ মার্চ) আকাশে ড্রোন সাদৃশ্য একটি বস্তু প্রতিহত হওয়ার পর সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত করেছে। ঘটনা স্থলকে নিরাপদ করার ও যাত্রী, বিমানবন্দর কর্মী ও এয়ারলাইন্স ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    দুবাই মিডিয়া অফিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, নিরাপত্তার কারণে বিমানবন্দর সীমিত সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ওই ঘোষণাটি ঘটেছে ঠিক তখনই যখন বিমানবন্দরের নিকটস্থ আকাশে ড্রোন সদৃশ বস্তু প্রতিহত করা হয়।

    এক প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে বলেছেন, তিনি তীব্র বিস্ফোরণের মতো শব্দ শুনেছেন এবং পরে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। এ ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটরাডার২৪–এ কিছু বিমান আকাশে চক্কর কাটতে দেখা গেছে।

    গত কয়েক দিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একাধিক স্থাপনায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই গত সোমবার দুবাইয়ের প্রধান বিমানবন্দর থেকে আংশিকভাবে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

    আজ (শনিবার) মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম এয়ারলাইন এমিরেটস ঘোষণা করেছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দুবাই থেকে সব আগমন ও প্রস্থানের ফ্লাইট স্থগিত থাকবে।

    কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত করছে এবং বিমানবন্দর ও বিমানসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার পক্ষ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হবে। যাত্রীদের নির্দেশনা ও আপডেটের জন্য সরকারি ঘোষণাপত্র এবং এয়ারলাইনগুলোর তথ্যসূত্র অনুসরণ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।