Category: অর্থনীতি

  • ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, তবে মাত্র ২ বিলিয়ন আনতেই ক্ষতি যায়: অর্থ উপদেষ্টা

    ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, তবে মাত্র ২ বিলিয়ন আনতেই ক্ষতি যায়: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জলবায়ু সংক্রান্ত আলোচনাগুলো বেশি হয় যদিও কার্যকর তেমন দেখা যায় না বলে মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্যোগগুলো মোকাবিলার জন্য আমাদের ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আনতে গিয়ে আমাদের অনেকটাই সময় ও অর্থ নষ্ট হয়।

    সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থ উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা দু ধরনের দুর্যোগ দেখছি—একটি প্রকৃতির সৃষ্টি, অন্যটি মানবসৃষ্ট। মানবতার অবদান ছাড়া প্রকৃতির ক্ষতি হয় অনেক বেশি। তিনি বললেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে পাঁচটি পক্ষের—বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান, অর্থের সংস্থানকারী ও সাধারণ মানুষ।

    বাংলাদেশের মানুষ আগেই দুর্যোগ মোকাবিলা করে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় লোকজন নিজেদের প্রচেষ্টায় বিপদ মোকাবিলায় এগিয়ে আসে, যা খুবই প্রশংসনীয়। কেউ যদি অপেক্ষা করে থাকেন, ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে সহায়তা করবেন—তা আসলে কাজের কথা নয়। আগুনে পুড়ে গেলে প্রথমে তারা না, বরং সাধারণ মানুষই এগিয়ে আসে। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে, তবে এ বিষয়গুলোতে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা পৃথিবীর অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়াও মানুষের তৈরি দুর্যোগের সংখ্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতি বছর কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। তিনি জানান, সামনে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অনুকূল দর Negotiation করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রিপোর্টিং করতে হবে। আমাদের দেশেও প্রচুর সচেতনতা বাড়াতে হবে। জাপানের শিক্ষার্থীরা এ ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন, আমাদেরও শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই জলবায়ু বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

    পর্ষদ সভাপতির বক্তব্যে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এই শতাব্দীর অন্যতম ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ। এর বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। তিনি বলেন, আমরা জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করছি। এজন্য আমাদের ক্ষতির গল্পগুলো তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য সাংবাদিকদের এ কাজে সহযোগিতা দরকার।

    অপর এক বিশেষ অতিথি এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু ও পানির বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যুসহ নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। এসব বিপর্যয়গুলো বৈশ্বিক পর্যায়ে তুলে ধরতে পারছি না বলে মনে করেন তিনি। ফলে অর্থের জন্য চাহিদাসহ এ সংক্রান্ত কেস তৈরি হচ্ছে না।

    এই তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ৬০ জন সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন, যারা ভবিষ্যতে জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন রিপোর্ট তৈরি করতে আরও সচেতন ও দক্ষ হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল স্বর্ণের দাম

    অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্মত ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম দুই হাজার ৭১৮ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা। এই নতুন মূল্য সংগত কারণেই উল্লেখযোগ্যভাবে অতীতের সব রেকর্ডকে পিছনে ফেলে এখন স্বর্ণকে বলা হচ্ছে সময়ের চাহিদা ও মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ‘মহামূল্যবান’ ধাতু।

    রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম আগামী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    তদ্ব্যতীতে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দামে রাখা হয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৪১ টাকা। সনাতন পদ্ধতির (সাধারণত বাংলাদেশে ব্যবহৃত) স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    অর্থাৎ, যদিও স্বর্ণের দাম বেড়েছে, তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের রূপার প্রতি ভরি দাম এখনো নির্ধারিত হয়েছে দুই হাজার ৮১১ টাকার মতো, একইভাবে ২১ ক্যারেটের রূপার দাম দুই হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দুই হাজার ২৯৮ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার দাম নির্ধারিত হয়েছে এক হাজার ৭২৬ টাকাতে।

  • পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির মামলায় জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির মামলায় জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজি করে সিকিউরিটিজ আইনের লঙ্ঘন করার আশংকায় রাজধানীর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এই জরিমানার মধ্যে নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য চার ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানে যথাক্রমে জরিমানা আরোপ করা হয়। অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শেয়ার কারসাজির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০২৩ সালের ১৭ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৯৭২তম বিএসইসি কমিশন সভায়, যার সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

  • স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে, চার দিনের মধ্যে তৃতীয় বার রেকর্ড উচ্চতায়

    স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে, চার দিনের মধ্যে তৃতীয় বার রেকর্ড উচ্চতায়

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ যোগ-বাজার ও জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে। বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়ে যাওয়া। ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করতে হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে—প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এখন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা।

    অগ্রিম জানিয়ে থাকি, এর আগে গতকাল (৮ সেপ্টেম্বর) বাজুস স্বর্ণের দাম আবারও বাড়িয়েছিল, যেখানে ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করে ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে ছিল। সেই সময় অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছিল।

    এর আগে, সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করে। এটাই ছিল সেই সময়ের সর্বোচ্চ দাম।

    এমনই ধারাবাহিক দাম বৃদ্ধি নিয়ে চলতি বছর মোট ৫২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১৬ বার কমানো হয়েছে।

    দাম বৃদ্ধির এই প্রভাব রুপার দামে প্রভাব ফেলেনি। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ ہزار ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ হাজার ৭২৬ টাকায়।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আরও বেড়েছে মূল্য

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছে, আরও বেড়েছে মূল্য

    সোমবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

    প্রতি ভরিতে স্বর্ণের সর্বোচ্চ ১,২৬০ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। tevens, ২১ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায়, সার্বিক পরিস্থিতির বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে, গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর), ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২,৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এটি তখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ছিল।

  • আগস্টে সামান্য কমলেও খাদ্যে মূল্যস্ফীতি উদ্বেগের কারণ

    আগস্টে সামান্য কমলেও খাদ্যে মূল্যস্ফীতি উদ্বেগের কারণ

    সাম্প্রতিকdata অনুযায়ী, দেশের শতকের আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসের তুলনায় কিছুটা কমে ეროვნন ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে এসেছে। যদিও এই সময় অর্থনীতির সাধারণ পরিস্থিতির কিছুটা স্থিরতা দেখা দিলেও, খাদ্যবিশ্লেষণে বুঝা যাচ্ছে যে সেখানে এখনও অস্বস্তি বিরাজ করছে। আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে, যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যেখানে জুলাই মাসে এটি ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়েছে। এর আগে Juli মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

    অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা আগস্টে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে, অর্থাৎ ০ দশমিক ৪৮ শতাংশের পতন।

    প্রতিরক্ষামূলকভাবে, গ্রামাঞ্চলে আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এই হার যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলছেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হবে, এটা একদিনের কাজ নয়, সময় দরকার। চালের দাম বাড়ায় আগস্টে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য এই হার ৫ শতাংশের নিচে নামানো।’

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড ছাড়ালো

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড ছাড়ালো

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) জন্য ২৭১৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা। এই দামটি পূর্বের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে, ফলে স্বর্ণ এখন শুধুই মূল্যবান নয়, বরং ‘মহামূল্যবান’ বলে পরিচিতি পেয়েছে।

    রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন মূল্য আজ, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    অতিমাত্রায় দাম বাড়লেও রূপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮১১ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের রূপার জন্য দাম ২৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার মূল্য ১৭২৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়েই চলেছে, টানা তৃতীয় দিনের মতো skyrocketed

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বিন্দু প্রগতিতে বাড়ছে। মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এটি যেন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের দাম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই দাম বাড়ির পেছনে মূল কারণ হলো তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি। এটি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১.৬৬৪ গ্ৰাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক ভরি হিসেবে হবে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রির জন্য স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকায়।

    অতীতে, গতকালই বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল। তখন ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা নির্ধারিত হয়, যা দেশের ইতিহাসে একদম সর্বোচ্চ। এর আগে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ছিল ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    প্রথমে, ৯ সেপ্টেম্বর, স্বর্ণের দাম বিখ্যাতভাবে বাড়ানো হয়েছিল ২৭১৮ টাকা করে। এই গিয়র স্বর্ণের দাম তখন ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এরপর, চলতি বছর মোট ৫২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানোর সংখ্যা ৩৬ এবং কমানোর সংখ্যা কেবল ১৬ বার।

    তবে, অন্যদিকে রূপার দাম স্থিতিশীল রয়ে গেছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২৮১১ টাকা। এই দামে অন্যান্য ক্যাটেগরিতেও ঠিকই স্থিরতা দেখা গেছে, যেমন ২১ ক্যারেটের রুপা ২৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ২২৯৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রি হচ্ছে ১৭২৬ টাকা। স্বর্ণের দামের এই ধারাবাহিক বাড়তি প্রভাব দেশের বাজারে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর স্পষ্টভাবে পড়ছে।

  • স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বেড়েছে, যার ফলে নতুন রেকর্ড গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর from মঙ্গলবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দামে এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে চিরচেনা স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। এই প্রেক্ষিতে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল ৭ সেপ্টেম্বর, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে সেটি দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকায়। এটাই ছিল তখন পর্যন্ত স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। এই বৃদ্ধির ফলে স্বর্ণবাজারে নতুন দিক নির্দেশনা ও ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • অর্থ উপদেষ্টার আহ্বান: জলবায়ু অর্থায়নে ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে সমস্যা পাচ্ছেন আইএমএফ থেকে

    অর্থ উপদেষ্টার আহ্বান: জলবায়ু অর্থায়নে ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে সমস্যা পাচ্ছেন আইএমএফ থেকে

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা ও কার্যক্রমের মধ্যে পার্থক্য থাকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আনতে গিয়ে আমরা যেন জানই বের হয়ে যায়। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ আয়োজনে ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু সংকটের মোকাবিলায় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কম নয়, বরং মানুষের কারণেই প্রকৃতির ক্ষতি বেশি হয়। সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, এই সংকট মোকাবিলার জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ একসাথে থাকতে হবে: বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান, অর্থের সংস্থানকারী ও সাধারণ জনগণ। তিনি বাংলাদেশের মানুষের দুর্যোগ মোকাবিলায় অগ্রসর হওয়ার প্রশংসা করে বলেন, স্থানীয় উদ্যোগ আর নিজস্ব প্রচেষ্টায় দুর্যোগে মোকাবিলা হয়। এ জন্য বাইরে থেকে প্রত্যাশা করে অপেক্ষা না করাই ভালো। তিনি বলেন, আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীর আগে স্থানীয় লোকেরা এসে সাহায্য করে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেজন্য এই সচেতনতাকে আরও বাড়াতে হবে। সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক ও মানুষের তৈরি দুর্যোগ, উভয়ই আমাদের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় বছরে প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, এবং আগামি সময়ে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলার অর্থের নেগোশিয়েশন করা হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ; জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কার্যক্রমে তাঁরা সচেতনতা বাড়াতে হবে। জাপানের শিক্ষার্থীরা কিভাবে দুর্যোগের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আমাদেরও শিশুদের ছোটবেলা থেকে সচেতন করতে হবে। অনুষ্ঠানে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ অতিথির মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এজন্য আমাদের ক্ষতির গল্পগুলো তুলে ধরতে হবে, যাতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা দরকার।’ আরেক বিশেষ অতিথি, প্রধান উপদেষ্ঠার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘ডেঙ্গু বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই। সিলেটে পানি বাড়া, মাতৃমৃত্যু—এমন অনেক ক্ষেত্রেই জলবায়ুর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। তবে এ সব ঘটনাগুলোকে বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে তুলে ধরতে পারছি না, তখনই অর্থের জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যায়।’ তিন দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন।