Category: অর্থনীতি

  • প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে অপ্রতুলতা: অর্থ উপদেষ্টা

    প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে অপ্রতুলতা: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়গুলো অনেক আলোচনা হয় কিন্তু কার্যকরী পদক্ষেপ খুব কম। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আনার জন্য আমাদের বেশ কষ্টে পড়তে হয়। এতে আমাদের সময় ও শক্তি অমূল্যভাবে ক্ষয় হয়।

    আজ সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া জলবায়ু সংকটের সমাধান কঠিন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট দুর্যোগও কম নয়। আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাঁচটি পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান, অর্থের উৎস এবং সাধারণ জনগণ।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাহসীকতার সঙ্গে মোকাবিলা করে থাকেন। স্থানীয়ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে তারা বিপদ থেকে রক্ষা পায়। এতে বলা যায়, ফায়ার সার্ভিস বা অন্যান্য সরকারি সংস্থার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকলে যথেষ্ট হবে না। আগুন লাগলে আগেই মানুষ নিজে এগিয়ে আসে। এখন সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ ধরনের আত্মনির্ভরতা আরও আরও বাড়াতে হবে।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানুষ তৈরি মানসিক ও অর্থনৈতিক দুর্যোগও অনেক। এর জন্য বছরে প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার। তিনি জানান, মার্কিন সুদের ঋণে ডুবে থাকা আইএমএফের সঙ্গে আগামী দিনে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক আলোচনাও করতে চান।

    সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ের ওপর বেশি করে রিপোর্টিং করতে হবে। আমাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। জাপানের ছাত্ররা কীভাবে ঝুঁকি বোঝে এবং মোকাবিলা করে, সেটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। আমাদেরও শিশুদের ছোটবেলা থেকে জলবায়ু বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এ শতাব্দীর সবচেয়ে বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ, এ ব্যাপারে জনগণের মধ্যে সচেতনতা প্রয়োজন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। তিনি জানান, জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের প্রচেষ্টায় আমরা আছি। এই জন্য সব সময় আমাদের ক্ষতির গল্পগুলো উঠে আসা দরকার, যাতে আরও বেশি করে সহযোগিতা পাওয়া যায়।

    অন্যএকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু, পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যু সহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সিলেটের উদাহরণ তুলনা করে তিনি বলেন, সবকিছুতেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। এসব বিষয়গুলো বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে পারলে অর্থনৈতিক সহায়তা পাওয়ার তাগিদ আরও বৃদ্ধি পাবে।

    প্রশিক্ষণে মোট ৬০ জন সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন, যারা বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে এসেছেন।

  • পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির সুদৃঢ় তদন্ত

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার কারসাজির সুদৃঢ় তদন্ত

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে ব্যাপক কারসাজির অভিযোগে বিশেষভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।

    বুধবার অনুষ্ঠিত ৯৭২তম কমিশন সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। সভার শেষে একটি বিশদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির জন্য চার ব্যক্তির পাশাপাশি এক কোম্পানিকে জরিমানা করা হয়েছে।

    নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার কারসাজির অভিযোগে মো: রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই দুর্নীতির দায়ে তাদের উপর ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত শেয়ার লেনদেনের সময়কালেই এই জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অপরদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির জন্য এনআরবি ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা ও পদচ্যুতি সহ পাঁচ বছরের জন্য পুঁজিবাজার থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, এ কোম্পানির অন্য একজন শেয়ার কারসাজির জন্য শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ঘটেছে।

    এছাড়া, ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকায়, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ফরচুন সুজের শেয়ার কারসাজির সাথে জড়িত মোঃ আবুল খাইয়ের হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি ছাড়াতে পারে আঙুলের ঠ্যাঁকনি

    খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি ছাড়াতে পারে আঙুলের ঠ্যাঁকনি

    অতিরিক্ত নতুন হিসাবের পরিপ্রেক্ষিতে খেলা পাচ্ছে দেশজুড়ে ব্যাংকিং খাতের বড় একটি চিত্র। সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত দেশের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা ছুঁতে পারে। দেশীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেখাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অবস্থা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে, প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে চলেছে, কারণ আঙুলের ঠ্যাঁকনি থেকে বেরিয়ে আসছে প্রকৃত চিত্র। অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে অথবা কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে ঋণের পরিমাণ বেশি দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, যা ১৫ বছর পর গত অর্থবছরের শুরুতে দাঁড়ায় ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায়। গত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে এক তরফা রিপোর্টে দেখা গেছে, এই ঋণের পরিমাণ এক লাফে ১ লাখ ১০ হাজার ৯৪ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর একেবারে শেষ প্রান্তে এসে এই ঋণ প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র উন্মোচিত হচ্ছে। নিয়মে পরিবর্তন ও মনোভাবের পার্থক্য এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ‘গত এক দশকে প্রাইভেট সেক্টর অনেক কলুষিত হয়েছে। নিজেদের অঙ্গীকারের অনীহায় ব্যাংক খাতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু খেলাপি ঋণ আদালতের নির্দেশে আনক্লাসিফায়েড দেখানো হলেও এখন সব ঋণই ক্লাসিফায়েড হিসেবে ধরা হচ্ছে। ফরেনসিক অডিটে দেখা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, তাই এগুলো ডিফল্ট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।’ সর্বশেষ তথ্য দেখায়, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ মাত্র ছয় মাসে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং জুনের শেষে তা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের কারণে ঋণ বিতরণে দুর্নীতি এবং অসাধু কর্মকাণ্ডই দায়ী বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা অন্য প্রভাবের মাধ্যমে ঋণ বিতরণে অনিয়মটি ব্যাপক হারে বেড়েছে। ঋণের আসল পরিমাণের দ্বিগুণ বা তিনগুণ ঋণ দেখানো হয়, যার কারণে পরিশোধের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়।’ সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে ব্যাংক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চেষ্টার ঢাকনাটি আরও দৃঢ় করার দাবি উঠছে পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে।

  • স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিনে বৃদ্ধি: বাংলাদেশে নতুন সর্বোচ্চ মূল্যে পৌঁছাল স্বর্ণ

    স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিনে বৃদ্ধি: বাংলাদেশে নতুন সর্বোচ্চ মূল্যে পৌঁছাল স্বর্ণ

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিনের মতো আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে,ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। bunun ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

    নতুন দামে অনুযায়ী, দেশের বাজারে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগে গতকাল (৮ সেপ্টেম্বর) সাপ্তাহিক মূল্যবিধানে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিল বাজুস। তখন তারা ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মান হিসেবে রেকর্ড হয়। অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও ছিল বেশি: ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    এর আগে, সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই দিন বাজুস ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১৮ টাকা বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল, যা তখন পর্যন্ত দেশের স্বর্ণমূল্যের সবোর্স্বোচ্চ মান ছিল।

    এটি নিয়ে চলতি বছর মোট ৫২ বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৬ বার এবং কমানো হয়েছে মাত্র ১৬ বার।

    অপরদিকে, রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়। আরও রয়েছে ২১ ক্যারেটের ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৭২৬ টাক।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছালো

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ডে পৌঁছালো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আবারও স্বর্ণের দামের বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ১,২৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন দামে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের এক ভরি মূল্য এখন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই নতুন দর নির্ধারিত হয়েছে। এর আগে, গতকাল সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর), ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২,৭১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা ছিল তখনকার সর্বোচ্চ দাম। এই পরিস্থিতি দেশের স্বর্ণবাজারে দামের নাটকীয় বৃদ্ধির প্রমাণ দেয়।

  • অর্থ উপদেষ্টার মন্তব্য: জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে আড়াই বিলিয়ন ডলার আনতে হয় জান বেরিয়ে যায়

    অর্থ উপদেষ্টার মন্তব্য: জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলার দরকার, তবে আড়াই বিলিয়ন ডলার আনতে হয় জান বেরিয়ে যায়

    জলবায়ু পরিবর্তন এবং তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা ব্যাপক হলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতির হার খুবই কম বলে মনে করেছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রয়োজন ৩০ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে এক থেকে দেড় বিলিয়ন ডলার আনতে গিয়েও আমাদের অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। জান বেরিয়ে যায় অনেক সময়, অর্থশস্যের অভাবে কাজের অগ্রগতি হয় না।

    আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যৌথ আয়োজনে ‘নেভিগেটিং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স: মিডিয়া রিপোর্টিং’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথাগুলো বলেন।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কম নয়, আবার প্রকৃতি ও জলবায়ু সংকটের জন্য মানুষই বেশিরভাগ সময় দায়ী। তিনি মত ব্যক্ত করেন যে, এই সংকট মোকাবিলায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন: বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, অর্থের সংস্থানকারীরা এবং সাধারণ জনগণ।

    বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী নিজ উদ্যোগে দুর্যোগের মুখে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসে জানিয়ে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্থানীয় এ প্রচেষ্টা মূল্যবান, কারণ অনেক সময় আমাদের প্রত্যাশা হয়ে থাকে যে, ডেঙ্গু বা অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছাড়া অন্য কেউ এগিয়ে আসবেন। তবে বাস্তবে দেখা যায়, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষই প্রথম ছুটে আসে, এটা আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট দুর্যোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের বছরে কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। তিনি জানিয়েছেন, সামনে আইএমএফের সঙ্গে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের নেগোসিয়েশন করবেন।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়ানো। জাপানের শিক্ষার্থী ও তরুণরা এই বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করছে, আমরাও সেই পথে হাঁটতে হবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই এই বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে যেন ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়।

    অতিথিদের মধ্যে পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিপজ্জনক সমস্যা। এ ব্যাপারে সচেতনতা ও কাজের অগ্রগতি অবিলম্বে প্রয়োজন।

    বিশেষ অতিথি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য আমরা নানা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। এর জন্য আমাদের ক্ষতির গল্পগুলো তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহায়তার জন্য চাপ তৈরি হয়।

    আরেকজন বিশেষ অতিথি ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সিলেটে দুশ্চিন্তার বিষয় বেড়েছে, যেমন পানি বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যু ইত্যাদি। এসব পরিস্থিতি বৈশ্বিক স্তরে তুলে ধরতে না পারলে, অর্থের জন্য কেস তৈরি হওয়া কম হবে।

    উল্লেখ্য, এই তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের মোট ৬০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করছেন।

  • পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে কারাদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে কারাদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির মাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। কমিশনের পরিচালিত তদন্তে জানা গেছে, নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য চার ব্যক্তিসহ এক প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সসহ কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির অভিযোগে দুই ব্যক্তির উপরও জরিমানা আরোপ করা হয়। এ জরিমানা আদেশ বুধবারের ৯৭২তম কমিশন সভায় গৃহীত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করছিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। সভার শেষে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার লেনদেনের কারসাজিতে জড়িত থাকায় মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সকল শাস্তি ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত שערকৃত শেয়ার কারসাজির জন্য এ জরিমানা কার্যকর করা হয়। অপরদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজির দায়ে এনআরবি ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে, তাকে পদচূড়ান্ত, চাকরি থেকে বিরত এবং পুঁজিবাজারের সব ধরনের লেনদেন থেকে ৫ বছর জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বীমা কোম্পানিটির পক্ষ থেকে শেয়ার কারসাজির জন্য শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়। এই জরিমানা ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান শেয়ার লেনদেনের সময়কালে করা হয়। একই সম্মেলনে, ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থমন্ত্রাণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, এই শেয়ার কারসাজিতে জড়িত মোঃ আবুল খায়ের হিরু ও তার সহযোগীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ৬ লাখ কোটি টাকা

    অতিরিক্ত ঋণ খেলাপির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ দেশের খেলাপি ঋণের মোট পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি বৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাস্তব চিত্র প্রকাশে যখনই নতুনভাবে অডিট বা বিশ্লেষণ হয়েছে, তখনই খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এটি অবশ্যই কেবলমাত্র অর্থনৈতিক উপসর্গ নয়; এর পেছনে রয়েছে শিল্পের মালিকদের বিদেশে পালিয়ে যাওয়া, কারখানা বন্ধ এবং অপপ্রয়োগের কারণে ঋণের পরিমাণ বাড়ার প্রবণতা।

  • স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিন ধরে বেড়ে চলেছে

    স্বর্ণের দাম তৃতীয় দিন ধরে বেড়ে চলেছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় দিনেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভরির ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ মূল্য, যা গতকাল থেকে কার্যকর হবে।

    বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করে, বিশেষ করে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির ফলে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১.৬৬৪ গ্রাম বা একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা। এর পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামের মধ্যে ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে গতকাল, অর্থাৎ সোমবার, স্বর্ণের মূল্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সে দিন বাজুস ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা নির্ধারণ করে, যা আগের মূল্য থেকে ১ হাজার ২৬০ টাকা বেশি। এর আগে, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া তুলনায় সেটিও ছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামের দেখানো।

    এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    পূর্ববর্তী দিন, সোমবারের মধ্যে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২৭০০ টাকার বেশি বাড়িয়ে ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এটা ছিল তার আগে সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।

    এখন পর্যন্ত, এই বছর ৫২ বার স্বর্ণের দামের সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ৩৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১৬ বার দাম কমেছে।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়। অন্যান্য মানের জন্য মূল্য হলো: ২১ ক্যারেটের রুপার জন্য ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার ৭২৬ টাকায়।

  • স্বর্ণের দাম চরমে পৌঁছে নতুন রেকর্ড

    স্বর্ণের দাম চরমে পৌঁছে নতুন রেকর্ড

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও ব্যাপক বৃদ্ধি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এই ঘোষণা মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১,২৬০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকা। অপরদিকে, ২১ ক্যারেটের এক ভরি মানে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দরে নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে। তাই সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে, ৭ সেপ্টেম্বর বাজুস ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক লাফে ২৭১৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা নির্ধারণ করে, যা আগে ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এটি ছিল তখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম।