Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম ফের কমলো

    সোনার দাম ফের কমলো

    এক দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে সোনার মূল্য আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর ফলে দেশের বিভিন্ন বাজারে মানসম্পন্ন সোনার দাম অনেকটা কমে গেছে, বর্তমানে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে দু’লাখ টাকার নিচে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকালের তুলনায় আজকের দিনে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এই দাম কমের ফলে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি এখন নেমে এসেছে ২ লাখ ৯৫ টাকায়, যা আগের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই নতুন দামের কার্যকর হবে আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমার জেরে সোনার মূল্যে সমন্বয় আনা হয়েছে, তবে মূলত এই দাম কমার পিছনে প্রধান কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ডলার হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিচে দেওয়া হলো: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি দাম এখন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা।

    তবে, রুপার দাম উন্নতি হয়নি; বরং অপরিবর্তিত থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি রুপা ৪ হাজার ০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার ভরি দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা

    স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা

    স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারেও মূল্যবান এই ধাতুটির দাম হ্রাস করা হয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ৯৩৪ টাকা। এখন নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। এই সিদ্ধান্ত রোববার থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে।

    শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এই দাম কমানোর জন্য বৈঠক করে। বৈঠক শেষে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন এক মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, যা রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

    নতুন মূল্যে, ২২ ক্যারেটের সবচেয়ে মানসম্পন্ন স্বর্ণের সাথে সাথে অন্যান্য ক্যারেটের দামও কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯১০ টাকা কমে এখন ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমেছে ৭৮১ টাকা, এখন সেটি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮২ টাকা। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৬৬৫ টাকা কমে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অতীতে, গত ৩০ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ৯০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ০৬৯ টাকায় ছিল। তার আগে, ২৯ অক্টোবরে দাম কমে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা হয়, ২৮ অক্টোবর কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা, ও ২৭ অক্টোবর ১ হাজার ৩৮ টাকা কমে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা নির্ধারিত হয়। আবার, ২৩ অক্টোবর দাম কমে ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা হয়।

    অপর দিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রূপার মূল্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। মানসম্মত ২২ ক্যারেটের রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

  • অক্টোবরের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, আগের বছর ছিল ২৫ বিলিয়ন

    অক্টোবরের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, আগের বছর ছিল ২৫ বিলিয়ন

    দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এর মূল কারণ হচ্ছে রেমিট্যান্সের প্রবাহে জোয়ার। চলতি বছরের অক্টোবরে, ৩০ তারিখ পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক সূচক অনুযায়ী, ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে এই রিজার্ভ প্রায় ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক হিসাব অনুযায়ী, প্রকৃত নিট রিজার্ভের পরিমাণ ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এই তথ্যগুলো রোববার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

    বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ১৯.৮৭ বিলিয়ন ডলার। এই তুলনায় দেখাযায়, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের একই সময়ে, মোট রিজার্ভ ছিল ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল প্রায় ১৯.৮৭ বিলিয়ন ডলার। ফলে, এক বছরেই দেশের রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার।

    অর্থনৈতিক জরিপে দেখা যাচ্ছে যে একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা উচিত। এই মানদণ্ডে বাংলাদেশ বর্তমানে অবশ্যই বেশ এগিয়ে রয়েছে না বলে মনে করা হচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা প্রবাসী আয়, রফতানি, বিদেশি বিনিয়োগ, ঋণ, শ্রমিকের পাঠানো অর্থ ও পর্যটকদের খরচের মাধ্যমে তৈরি হয়। যদি ব্যয় বেশি হয়, তাহলে রিজার্ভ কমে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে রিজার্ভে চাপ কমে এসেছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রির পরিবর্তে, ব্যাংকগুলো থেকে ডলার সংগ্রহ করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৭.৭৯ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.২০ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার আর অক্টোবরের মধ্যে ২৫৬ কোটি ডলার।

    অতীতের রেকর্ডে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই বছর মোট প্রবাসী আয় ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।

    প্রথম দিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ১০ বছর আগে ২০১৩ সালের জুনে দেশের রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫.৩২ বিলিয়ন ডলার। এরপর ধারাবাহিকভাবে এই সংখ্যা বাড়ে এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ পৌঁছায় ৩৯ বিলিয়ন ডলার। তারপর ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর নতুন মাইলফলক স্পর্শ করে, যখন রিজার্ভ ছুঁয়েছিল ৪০ বিলিয়ন ডলার। অতপর, কোভিড-১৯ মহামারির মাঝেও এই রেকর্ড ছিল। ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৮.০৪ বিলিয়ন ডলার। এরপর থেকে নানা কারণের জন্য রিজার্ভ ক্রমশ কমতে থাকে।

    অর্থনৈতিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২১.৫ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪-১৫ এ ছিল ২৫.০২ বিলিয়ন ডলার, ২০১৫-১৬ এ দাঁড়ায় ৩০.৩৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর ২০১৬-১৭ এ রিজার্ভ বেড়ে ৩৩.৬৭ বিলিয়ন ডলার হয়। ২০১৭-১৮ এর শেষে ছিল ৩২.৯৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১৮-১৯ সালে ছিল ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯-২০ এ রিজার্ভ কিছুটা কমে ৩৬.৩ বিলিয়ন ডলার হলেও, ২০২০-২১ এ আবার বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার। এরপর ধাপে ধাপে কমে বর্তমানে ৩১.৬৮ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।

  • প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র: প্রথম পুরস্কার জিতলেন নম্বর ০১০৮৩৩১

    প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র: প্রথম পুরস্কার জিতলেন নম্বর ০১০৮৩৩১

    বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ১২১তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১০০ টাকার মূল্যমানের এই সঞ্চয় পরিকল্পনায় প্রথম পুরস্কার জিতেছেন নম্বর ০১০৮৩৩১। এই নম্বরের বিক্রয়কারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মাত্র ৬ লাখ টাকার মূল্যের এই পুরস্কারটি পেয়েছেন। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা জিতেছেন নম্বর ০১৫৬৮৯৭। এছাড়া, তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকার দুইটি নম্বর নির্ধারিত হয়েছে: ০০৫৬৩৬২ ও ০৪৫৩৬৬৮। চতুর্থ পুরস্কার যথাক্রমে ৫০ হাজার টাকা করে জিতেছেন ০৯১২৪৪৪ ও ০৯৮৩৫৭২ নম্বর দুটি।

    রোববার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মোট ৪৬টি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে ৩৮১৮টি প্রাইজবন্ডের টিকিট।

    বাংলাদেশ ব্যাংकেকা জানিয়েছে, ড্রয়ের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে পুরস্কার দাবি করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি না করলে পুরস্কার ফেরত যেতে পারে।

    ২০২৩ সালের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থের ওপর ২০ শতাংশ করও প্রযোজ্য।

  • সোনার দাম এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বেড়েছে, পতনের পর ফিরে এসেছে নতুন উচ্চতায়

    সোনার দাম এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বেড়েছে, পতনের পর ফিরে এসেছে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে বিভিন্ন দফা পতনের পর আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, এবার ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামের ফলে দেশের স্বর্ণশিল্পে ব্যবহৃত ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    উল্লেখ্য, এই মাসের ২০ তারিখে সোনার দাম আকাশছোঁয়া হয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় পৌঁছেছিল, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ দর। তারপর চার দফায় ব্যাপক হারে দাম কমে যায়, এবং শেষত: দাম পড়ে এক লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকায়। তবে আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে বাজুস এখন আবার উচ্চতায় ফিরতে যাচ্ছে।

    সংগঠনটি বলেছে, বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। মূল কারণ হলো, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনারের দাম এখন ৪ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে।

    নতুন দামে দেশের স্বর্ণের বিভিন্ন মানের দাম এই রকম: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ هزار ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ০৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের নির্দেশনা দিল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের নির্দেশনা দিল

    বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মন্দ ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর জন্য সময়সীমা শিথিল করেছে। পাশাপাশি, এখন থেকে অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবস আগে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ পাঠানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে যেন ঋণগ্রহীতা বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে।

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৮ ফেব্রুয়ারির পূর্বের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এখন থেকে যেসব ঋণ দীর্ঘ সময় ধরে মন্দ বা ক্ষতিজনক শ্রেণিতে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তার পরিশোধের সম্ভবনা ক্ষীণ, সেগুলো অবলোপন করা যাবে। এর জন্য অবশ্য পুরোনো ঋণগুলোকে কালানুক্রমিকভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের জন্য অন্তত ৩০ কর্মদিবস আগে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কারণ, ঋণ অবলোপনের পরও ঋণগ্রহীতা দায়মুক্ত হন না; অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তিনি খেলাপি হিসেবেই বিবেচিত থাকবেন।

    এছাড়া, অবলোপনযোগ্য অন্যান্য সুরক্ষা বা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ ব্যাংক নিজের বিবেচনায় অবলোপন করতে পারবে, তবে মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি থাকলে সেটির বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালার আওতায় অবলোপিত ঋণের আর্থিক প্রণোদনার সুযোগ রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের আগে বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রির সব প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং আইনগত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি মামলার আওতায় না আসে, তবে পাঁচ লাখ টাকার ঋণ বা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা যেকোনো পরিমাণ ঋণ মামলা ছাড়া অবলোপন করা যাবে। এর আগে, ঋণের স্থিতি থেকে স্থগিত সুদ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থের সমপরিমাণ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

    নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না, এবং ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না।

    এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ডলার সংকট কমে আসায় দেশের বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে গেছে। এর ফলস্বরূপ, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মন্দ ঋণ অবলোপনের শিথিলতাকে সহজ করবে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলবে।

  • আবার কমলো স্বর্ণের দাম প্রতিভরিতে ৩৬৭৪ টাকা

    আবার কমলো স্বর্ণের দাম প্রতিভরিতে ৩৬৭৪ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবার কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এখন থেকে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম হ্রাস করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমে গেছে। একইভাবে, রূপার দামও নিম্নমুখী। এটি আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। বছরনতুন মান অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমিয়ে নতুন মূল্য হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির (প্রথাগত) এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৫৫ টাকা হ্রাস পেয়ে এখন নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকা।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির সভাপতি মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    অন্যদিকে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ১২৪ টাকা কমে এখন নির্ধারিত হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ১৬৭ টাকা কমে হয়েছে ৪ হাজার ৭ টা টাকা। ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৯৯১ টাকা কমে নতুন মূল্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা। একইভাবে, সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রূপার দাম ৭৫৮ টাকা হ্রাস পেয়ে এখন ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • সোনার দাম আবার কমলো: নতুন দাম কার্যকর শুক্রবার থেকে

    সোনার দাম আবার কমলো: নতুন দাম কার্যকর শুক্রবার থেকে

    বাংলাদেশের বাজারে ফের সোনার দামে কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে। আজ (৩০ অক্টোবর) জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, এক দিনের ব্যবধানে সোনার দাম আবার কমে গেছে। এর ফলে, বিভিন্ন মানের সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে সোনার দাম। ফলে এখন সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর আগে, আজকের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। নতুন এই দামে বিক্রি শুরু হবে আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে।

    সংগঠনটি নিশ্চিত করেছে যে, এই দাম হ্রাসের মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামে পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে এক আউন্স সোনার দাম অবস্থান করছে ৪ হাজার ডলারের আশেপাশে। ফলে দেশে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামের অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিম্নরূপ: ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা।

    তবে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়

    স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকায়

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশের বাজারে এই ধাতুটির মূল্যও হ্রাস করা হয়েছে। দেশের শীর্ষ মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমানো হয়েছে ৯৩৪ টাকা। এর ফলে এখন এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হবে রবিবার থেকে, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি এই মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের মূল্য বাড়ানো হয়েছিল, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম রেকর্ড ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা প্রতিটি ভরি হয়।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯৩৪ টাকা কমে এখন ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৫ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৯১০ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ টাকা। ১৮ ক্যারेटের স্বর্ণের দাম ৭৮১ টাকায় নামিয়ে এনেছি, যার মূল্য এখন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮২ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম কমেছে ৬৬৫ টাকা, যার মূল্য এখন ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৮০ টাকা।

    অতীতের মূল্য তুলনায় সব ক্যারেটই মূল্য কমানো হয়; এর আগে ৩০ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের দাম ৮ হাজার ৯০০ টাকা বাড়ানো হয়, নতুন দাম হয় ২ লাখ ০২ হাজার ৭০৯ টাকা। এরপর ২৯ অক্টোবর দাম কমিয়ে আনা হয় ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা, ২৮ অক্টোবর ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা শুল্কে দাম কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। ২৭ অক্টোবর দাম কমে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা, ২৩ অক্টোবর ৮ হাজার ৩৮২ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ৩৮২ টাকা হয়। আবার, ২০ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    যদিও স্বর্ণের দাম কমলেও, রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতিতে একভরি রূপার দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে কয়েক দফা পতনের পর অবশেষে আবারো সোনার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে ভরে প্রতি ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হবে ২২ ক্যারেটের সোনার। এর ফলে এমন এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, যা আগে ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি হয়েছে। নতুন দামে এখন সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই নতুন দাম বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, ২০ অক্টোবর, সোনার দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছিল এবং এক ভরি সোনার দাম বেড়ে চলতি ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় পৌঁছেছিল। এরপর এক মাসের মধ্যে চার দফায় দাম হ্রাস পেয়ে তা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকায় নেমে এসেছিল। তবে, একদিনের ব্যবধানে আবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গয়েল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে সোনার মূল্য বেড়ে চলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম now ৪ হাজার ডলার এর বেশি।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। অন্য ক্যারেটের দাম এরূপ: ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১৯৩,৫০৬ টাকা; ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১৬৫,৮৬২ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ধরা হয়েছে ১৩৭,৮৪৫ টাকা।

    যদিও সোনার দাম বেড়েছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। অন্য ক্যারেটের জন্য রুপার দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৬০১ টাকা।