Category: অর্থনীতি

  • অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ মার্কিন ডলার ভার Peyton পাঠিয়েছেন। এই অর্থের পরিমাণ বাংলায় প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে এক ডলার প্রথম দিনে মোট ১২২ দশমিক ৫০ টাকা ধরে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রোববার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরিত এই রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা চালু ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার ধাপদ্বারা উন্নতি করার ফলেই এই রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

    তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এর মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো এর মাধ্যমে পাঠিয়েছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাববিধি বিপিএম–৬ অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    গত মাসে (সেপ্টেম্বর), বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩২,৭৫৭ কোটি টাকা।

    এর আগে, অর্থবছরের প্রথম তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বাংলাদেশের প্রবাসীরা মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ৯২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। আর, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স প্রেরণার পরিমাণ ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণের অবলোপনে সময়সীমা শিথিলের ঘোষণা

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন আরো যুগোপযোগী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের নীতিমালা পরিবর্তন করে শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্দ ও ক্ষতিজনক অবস্থা থাকা ঋণগুলো এখন থেকে ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলে বা দীর্ঘ সময় ধরেই কার্যকরী না হলে অবলোপন করা যাবে। এছাড়া, পূর্বের নিয়মের মতোই, ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে জানাতে হবে যে, ঋণটি অবলোপন করা হবে। এর ফলে, ঋণ অবলোপনের আগে ঋণগ্রহীতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সময়মতো অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ঋণ অবলোপনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেমন বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রির প্রচেষ্টা চালানো। তবে, মামলাজনিত জটিলতা থাকলেও, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মামলায় আলোচনার বাইরে থাকবে। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণগুলো আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং যথাযথ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ঋণ অবলোপন করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সময়ে দেশের ডলার সংকট কেটে গেছে এবং রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, মন্দ ঋণের অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকখাতে ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও বাস্তবসম্মত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং সেক্টরকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে, একই সঙ্গে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকেও আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    স্বর্ণের দাম আবার কমলো, প্রতিভরি ৩৬৭৪ টাকা ছাড়ে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের পেছনের কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব। ফলে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম পরে। আজ মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম কমে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে আগের দাম ছিল অনেক বেশি। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা কমে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকায় পৌঁছেছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, যা আগের থেকে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা কম। সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম কমে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকা।

    বাজুস স্টैंडিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরে, চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    এছাড়া, রুপার দামের ক্ষেত্রে আরও পরিবর্তন এসেছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ১ হাজার ২৪৪ টাকা কমে এখনকার নতুন দামে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপা ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমে ৪ হাজার ৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৯৯১ টাকা কমে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা। আর সনাতনী পদ্ধতিতে রূপার দাম ৭৫৮ টাকা কমে ২ হাজার ৬০১ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • সোনার দাম আবারও কমলো

    সোনার দাম আবারও কমলো

    বাংলাদেশের বাজারে আবারও সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে করে ভাল মানের সোনার মূল্য এক দফা করে কমে গেছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে দুই লাখ টাকায়।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকার মতো সোনার দাম কমানো হয়েছে। এর ফলে, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। যেখানে গতকাল এই দাম ছিল ২ লাখ ২৭০৯ টাকা। নতুন দামটি আগামী শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমার ফলে সোনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে, তবে মূল কারণ মূলত বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামের পতন। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারকে স্পর্শ করছে।

    নতুন দামে, দেশের মান অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি মূল্য প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম এখন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি মূল্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অপরদিকে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম স্থির থাকছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    পতনের পরে এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বাড়ল সোনার দাম

    দেশের বাজারে কিছু দফা পতনের পর আবারও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে সোনার। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকার বেশি মূল্য বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের দাম ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এই নতুন দামের ফলে, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই দাম নতুন করে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, চলতি মাসের ২০ অক্টোবর সোনার দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায়, যা ছিল সর্বোচ্চ ইতিহাস। এরপর একাধিক দফায় সোনার দাম কমে, যতটুকু ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে, এক দিন না যেতেই আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক অর্থনীতির দুনিয়ায় সোনার দামের উল্লম্ফন। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলার অতিক্রম করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মান সম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, রুপার দাম সেইভাবে অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭ টা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা স্থিতিশীল।

  • অক্টোবরের ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    অক্টোবরের ২৫ দিনে প্রবাসী আয় ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ২০৩ কোটি ২৯ লাখ (প্রায় ২.০৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। এই পরিমাণ অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সূচকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিমাণ, যা প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে গণনা করা হয়েছে)।

    আজ (২৬ অক্টোবর, রোববার) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ দেশীয় অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়েছে। হুন্ডি অর্থ পাঠানোর অবনমন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা উন্নত করানোর ফলে এই রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৫ দিনে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা মোট ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে দেশের প্রধান রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার, আর বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে পৌঁছেছে ১৪৪ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এছাড়া, বিশেষ দুটি ব্যাংকের মধ্যে একটি ব্যাংক (কৃষি ব্যাংক) পেয়েছে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যেখানে অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো হয়নি। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ক্ষুদ্র পরিমাণে আরও ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার এসেছি।

    এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী এই রিজার্ভ পৌঁছেছে ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, গত মাসে (সেপ্টেম্বর) প্রবাসী বাংলাদেশি দ্বারা দেশে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ২.৬৮ বিলিয়ন ডলার), যা বাংলাদেশের অর্থে প্রায় ৩২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৭.৫৮ বিলিয়ন), যা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থ বৃদ্ধি। এর ফলে দেশের মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনায় সময়সীমা শিথিল

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনায় সময়সীমা শিথিল

    বাংলাদেশ ব্যাংক মন্দ শ্রেণির খেলাপি ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল করেছে। তিনি একই সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছেন, ঋণ অবলোপনের জন্য কমপক্ষে ৩০ কর্মদিবস আগে ঋণগ্রহীতাকে লিখিতভাবে নোটিশ পাঠাতে হবে। এই নোটিশের মাধ্যমে তিনি অবলোপনের বিষয়টি অবহিত করবেন।

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৮ ফেব্রুয়ারির পূর্বের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মাধ্যমে বলা হয়েছে, যেসব ঋণ দুই বছর বা তার বেশি সময় ধরে মন্দ বা ক্ষতিজনক অবস্থায় রয়েছে, শুধু সেগুলোর অবলোপন হতে পারে। তবে এখন থেকে তারা আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, অবলোপনের জন্য ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ এমন ঋণগুলোও অবলোপন করা যাবে। এর জন্য পুরোনো ঋণগুলোকে সময় অনুযায়ী অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    নতুন নীতিমালায় আরও জানানো হয়েছে যে, ঋণ অবলোপনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে অন্তত ৩০ কর্মদিবস আগে নোটিশ দিতে বাধ্য। কারণ, ঋণ অবলোপনের পরও যদি অর্থ শোধ না হয়, তবে ঋণগ্রহীতাকে খেলাপি হিসেবেই গণ্য করা হবে।

    অবলোপন সম্বন্ধে অন্য ধারাগুলো পুরাতনই রাখা হয়েছে, যেমন মৃত ঋণগ্রহীতার নামে বা তাঁর একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া ঋণ ব্যাংক নিজ বিবেচনায় অবলোপন করতে পারবে। তবে এ সময় মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি আছেন কি না, তা অবশ্যই বিবেচনায় আনতে হবে। পাশাপাশি, ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে অবলোপিত ঋণের জন্য কর্মকর্তাদের নগদ প্রণোদনা দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদনক্রমে উপযুক্ত প্রণোদনা নীতিমালা তৈরি করা যাবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনও ঋণ অবলোপনের আগে ব্যাংকগুলো অবশ্যই বন্ধকী সম্পত্তির বিক্রির সব প্রচেষ্টা চালাবে এবং আবশ্যক হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে, ‘অর্থ ঋণ আদালত আইন ২০০৩’-এর আওতায় মামলাযোগ্য না হলে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ মামলা ছাড়া অবলোপন করা যাবে। এছাড়া, ঋণ অবলোপনের আগে নির্দিষ্ট ঋণের স্থিতি থেকে সুদ বাদ দিয়ে মূল অর্থের সমপরিমাণ প্রভিশন রাখতে হবে।

    নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে যে, কোনও ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না। পাশাপাশি, ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনও ঋণ অবলোপন সম্ভব নয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, পূর্বের তুলনায় এখন ব্যাংক খাতে ডলার সংকট অনেকটা কমে গেছে ও রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে আরও সক্ষম হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, মন্দ ঋণের অবলোপনে সুবিধা দেওয়ায় ব্যাংকগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরও বাস্তবসম্মত হবে।

  • আবার কমলো স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৩৬৭৪ টাকা

    আবার কমলো স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৩৬৭৪ টাকা

    বর্তমান বাজারে স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে এর মূল্যেও সংশোধনী আনা হয়েছে। সবচেয়ে উচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম এক লাফে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমানো হয়েছে। এর পাশাপাশি রূপার দামও নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকরী হবে।

    নতুন নির্ধারিত দামের ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য এবার নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা। একই সময়ে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে এখন থেকে এক লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম কমে হয়েছে ২ হাজার ৯৯৮ টাকা, এবং সেটি এখন ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকায় বিক্রি হবে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও কমানো হয়েছে, যেখানে এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৫৫ টাকা কমে এবার ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪১ টাকায় বিক্রি হবে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এবং প্রাইস মনিটরিং সোমবার বৈঠকে এই মূল্যহ্রাসের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    এছাড়া, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার মূল্যও কমে এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, যা আগে ছিল বেশি। ২১ ক্যারেটের রূপা এখন ৪ হাজার ৪৭ টাকা, যেখানে আগে তৎকালীন দামের থেকে ১ হাজার ১৬৭ টাকা কম। ১৮ ক্যারেটের রূপার মূল্য কমে ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা হয়েছে, এবং সনাতনী রূপার দাম কমে ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে আগে ছিল বেশি।

  • সোনার দাম আবারও কমালো বাংলাদেশে

    সোনার দাম আবারও কমালো বাংলাদেশে

    বাংলাদেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর ফলে উচ্চ মানের সোনার দাম প্রতি ভরিতে কমে গেছে দুই লাখ টাকায়। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১৩ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম কমানো হয়েছে। নতুন দামে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ৯০৯ টাকা। এই নতুন মূল্য শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমানো হয়েছে, এবং এর মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার মূল্য কম গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলার স্থিতি করছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ২১ ক্যারেটের দরে প্রায় ১৯১ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি দাম ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১৪ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। যদিও সোনার দাম কমেছে, তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার মূল্য এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৭ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বৃদ্ধি সোনার দাম

    পতনের পর এক লাফে ৮৮৮০ টাকা বৃদ্ধি সোনার দাম

    দেশের স্বর্ণবাজারে কয়েক দফা পতনের পর এবার আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভরিতে ৮ হাজার ৮৮০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দামের মধ্যে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে, বর্তমানে সবচেয়ে মানক ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই মূল্য বিবেচনা করে তারাপরবতী বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।

    গত ২০ অক্টোবর, সোনার দাম তীব্র বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় পৌঁছায়, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ দাম। কিন্তু তার পরই টানা চার দফায় মূল্য কমে যায়, মোট ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা হ্রাস পেয়ে আগে নির্ধারিত মূল্য ফিরে আসে। একদিনও যেতে না যেতেই আবারও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিল বাজুস।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ড সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ডিলাররা মূল্য সমন্বয় করেছে। মূল কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বৃদ্ধিকে উল্লেখ করা হয়েছে; যেখানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের উপরে উঠেছে।

    নতুন দামে, সব থেকে মানোৎকনিক ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য এই দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকায়।

    অন্যদিকে, রুপার দাম স্থির থাকলেও আলাদা আলাদাভাবে নির্ধারিত হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা।