Author: bangladiganta

  • তারেক রহমান ট্রাভেল পাস পেয়েছেন, ঢাকায় ফিরছেন ২৫ ডিসেম্বরে

    তারেক রহমান ট্রাভেল পাস পেয়েছেন, ঢাকায় ফিরছেন ২৫ ডিসেম্বরে

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। সম্প্রতি তিনি ট্রাভেল পাসের জন্য দূতাবাসে আবেদন করেছিলেন, যা আজ তিনি পেয়ে গেলেন। এই খবর তিনি নিজেই তার মেয়ে জাইমা জারনাজ রহমানের মাধ্যমে জানালেন। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যটাসে জাইমা লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বাবা আজ কিছুক্ষণ আগে ট্রাভেল ডকুমেন্ট হাতে পেয়েছেন।’

    অবিলম্বে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত থাকার পর তিনি দেশে ফিরছেন। জানা গেছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এ উপলক্ষে বিমানের আগমনের আগেই নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি নিতে বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন, যারা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিয়ে আলোচনা করেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলা পাভেল ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব. শামসুল ইসলাম। তাঁরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন এবং পরিকল্পনা করেন।

    নিরাপত্তার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর তারেক রহমানকে রাজধানীর পূর্বাচল রোডে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। এই সমাবেশের জন্য ঢাকা ও আশপাশের জেলার নেতা-কর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক ফিরতি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • নৈরাজ্য প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য অপরিহার্য: ফখরুল

    নৈরাজ্য প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য অপরিহার্য: ফখরুল

    বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (বিএনপি) সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা রুখতে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃঢ় ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। তিনি জানান, গতকাল সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, এই ট্রাজিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উচ্ছৃঙ্খল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকারীদের শাস্তি ও নৃশংসতা নিয়ে তার কঠোর প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি। সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষজনের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে দেশের খ্যাতনামা সাংবাদিক নুরুল কবিরের ওপর হামলা, ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের ওপর হামলা। এসব ঘটনাগুলির মাধ্যমে বোঝা যায়, কিছু চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এ অবস্থায়, সৃষ্ট এই অরাজকতা মোকাবিলা করতে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির ঐক্য বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোটাধিকার রক্ষায় সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু এই অরাজকতা ঠেকাতে সরকারও যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্থিরতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এই অপশক্তিকে প্রতিরোধ করতে পারে একমাত্র আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। এই জন্য সকল দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা শক্তিকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়ালি নেতৃত্বে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের শীর্ষ নেতারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন। বিস্তারিত বৈঠকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক বিষয় ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

  • তারেক রহমানের মতে, গণতন্ত্রের শত্রুরাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে

    তারেক রহমানের মতে, গণতন্ত্রের শত্রুরাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছে

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্যতম কারণ হলো সুদূরপ্রসারী একটি নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য দৌড়ানো। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি দেশে চলমান অরাজকতা ও অনিরাপত্তার পেছনে দুর্বৃত্ত তথা চক্রান্তকারী সন্ত্রাসীদের যোগ রয়েছে, যারা পরিকল্পিতভাবে খুন, জখম চালাচ্ছে। এইসব হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক শোক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

  • শহীদ ওসমান হাদির জানাজা লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সম্পন্ন

    শহীদ ওসমান হাদির জানাজা লাখো মানুষের উপস্থিতিতে সম্পন্ন

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে লাখো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক জানাজা পড়ান। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার সময় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের তিন বাহিনী বাহিনীর প্রধানরাও জানাজায় অংশ নেন। পাশাপাশি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হতে শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ মানুষকে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়। আর্চওয়ে গেট দিয়ে ছাত্র-জনতা নিরাপদে প্রবেশ করেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি থাকায় প্রতিটি প্রবেশপথে সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ। দুপুরের দিকে জনস্রোত খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত পুরো এলাকা ঢেকে যায়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও মানুষ জানাজায় উপস্থিত হন। তারা বলছেন, এ জনসভা সর্বকালের সবচেয়ে বিশাল গণসমাবেশ। দুপুর পৌনে ১১টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে শহীদ হাদির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর মরদেহ কীভাবে রাখা হবে, তা সিদ্ধান্তের জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহের গোসলের পরে দুপুর ২টার দিকে এটি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন, শহীদ হাদির দাফন কার্যক্রম দেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। তাকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরে সমাধিস্থ করা হবে। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ করতে গিয়ে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হামলার শিকার হন হাদি। গুলিতে তার মাথা গুরুতর আঘাত পায়। প্রথমে ঢাকা মেট্রো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সুস্থভাবে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মরদেহ বাংলাদেশ সময় ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে হাদির মরদেহ বহনকারী বিমানের ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

  • খুলনা ও তিন বিভাগের মধ্যে ঘন কুয়াশার আভাস

    খুলনা ও তিন বিভাগের মধ্যে ঘন কুয়াশার আভাস

    সারাদেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের তিন বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

    আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তৃতি পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় পতিত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    তিনি আরও জানান, आज সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে শুষ্ক থাকাসম্ভাবনা রয়েছে। রাতের দিকে রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা ও অন্যান্য অঞ্চলে হালকা কুয়াশার প্রত্যাশা। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কিছুটা কমে যেতে পারে, অন্যত্র তাপমাত্রা বসবাসরত অবস্থায় থাকবে।

    আগামীকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। রাত ও ভোরে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা। রাতের তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে, আর দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    পরের দিন সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে একই ধরণের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। রাত ও ভোরের দিকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ও বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী থাকবে। ভোরের দিকে উত্তরপশ্চিমাঞ্চল ও অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার প্রবণতা রয়ে যাবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেখা দিতে পারে আরও শীতল ও কুয়াশাযুক্ত আবহাওয়া।

  • প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হাদিকে বিদায় বলা হয় না, তিনি আমাদের হৃদয়ে থাকবেন

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হাদিকে বিদায় বলা হয় না, তিনি আমাদের হৃদয়ে থাকবেন

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ওসমান শরীফ হাদিকে আমি বিদায় দিতে আসিনি। তিনি আমাদের হৃদয়ে অবিচ্ছেদ্য হয়ে থাকবেন। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, হাদির স্মৃতি ও প্রেরণা আমাদের মাঝে থাকবেই। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল-বিকাল, জাতীয় সংসদ দক্ষিণ প্লাজায় হাদির জানাজায় এসে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রফেসর ড. ইউনূস আরও বলেন, আজ এখানে সরবে হাজার হাজার লোকের নির্মল সমাগম ঘটেছে। সমগ্র বাংলাদেশজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন। তারা হাদির জীবনদর্শন ও ওয়াদা শুনার জন্য উদগ্রীব। বিদেশ থাকা বাংলাদেশিরাও এই মুহূর্তে হাদির কথা জানতে চাইছেন। তিনি বলেন, আমরা হাদিকে বিদায় দিতে আসিনি। বরং, তিনি আমাদের হৃদয়ে গেঁথে আছেন। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, তিনি আমাদের সন্তান, আমাদের প্রেরণা এবং আদর্শের অংশ থাকবেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকের এই মিলনমেলায় আমরা হাদির সঙ্গে আমাদের অঙ্গীকার করতে এসেছি। তিনি যে প্রতিশ্রুতি ও আদর্শ রেখে গেছেন, তা আমাদের পালন করে যাব। আমরা প্রত্যেকেই এটা নিশ্চিত করতে চাই যে, তার শিক্ষা ও মানবপ্রেমের ধারাকে আমরা অটুট রাখবো। তিনি আমাদের মনে চির永 সময় জেগে থাকবেন।

    প্রফেসর ড. ইউনূস উল্লেখ করেছেন, মানুষের সঙ্গে তার মানবিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনদর্শন সবাইকে অনুপ্রেরণা দেয়। এই অনুভূতিগুলো আমাদের মনকে স্পর্শ করে। তিনি সবসময় মনে রাখবেন এবং তার প্রকৃতি, তার মানবতায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের পথ চলতে হবে। সবাই তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।

  • ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা রোববার, দাফন হবে সামরিক মর্যাদায়

    ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা রোববার, দাফন হবে সামরিক মর্যাদায়

    সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ শনিবার দেশে এলো। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১টা ৫ মিনিটে তাদের মরদেহবাহী এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি অবতরণ করে।

    বীভৎস এই ঘটনার পরে রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকাস্থ সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাদের জন্য নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে, তাদের মরদেহ হেলিকপ্টারযোগে বিভিন্ন ঠিকানায় পাঠানো হবে এবং যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হবে।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    আইএসপিআর জানায়, ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় শাহাদাতবরণ করে ছয়জন শান্তিরক্ষী। নিহতদের মরদেহ শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে দেশে আনা হয়।

    শান্তিরক্ষীদের মরদেহ গ্রহণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম উপস্থিত ছিলেন। এTime ও তার পাশে ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতিসংঘের সংযুক্ত দেশের প্রতিনিধিরা, জাতিসংঘের ইউনিসেফ মিশনের প্রতিনিধি, আবেইতে মোতায়েন শান্তিরক্ষীদের ফোর্স কমান্ডার, চিফ কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি (ইউএন), ওভারসিজ অপারেশন অফিসের পরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা। মরদেহ গ্রহণের সময় সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে এবং সব সামরিক ব্যক্তি শাহাদাতবরণকারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট প্রদান করেন।

    নিরাপত্তাজনিত কারণে জানাজা শেষে তাদের মরদেহ হেলিকপ্টার দিয়ে বিভিন্ন ঠিকানায় পাঠানো হবে এবং যথাযথ মর্যাদায় দাফনের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

    উল্লেখ্য, ড্রোন হামলায় ছয় শান্তিরক্ষী শহীদ থাকলেও, ৯ জন আহত হন। তাদের মধ্যে আটজন নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটিতে চিকিৎসাধীন, যেখানে তারা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।

  • শিল্পকলার সব অনুষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

    শিল্পকলার সব অনুষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঘোষণা করেছে যে, সমস্ত অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকবে। এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে গতকাল একাডেমির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টের মাধ্যমে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে এই স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আয়োজিত অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ শোকের সময়সূচির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    একই সময়ে, বাংলাদেশের অঙ্গরাজ্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি শোক প্রকাশ করেছেন। এর ফলস্বরূপ, আগামী ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই দিন রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে সকল ধরনের অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

    শরিফ ওসমান হাদি সম্প্রতি গুরুতর আহত হন। ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্যপরবর্তী সময়ে তাঁ를 সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে।

    গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুতে দেশের বিভিন্ন এলাকা উত্তেজিত হয়, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর অফিসে অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়া, আজকের ওই পরিস্থিতির জন্য শিল্পকলা একাডেমির সকল কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) এবং তার স্ত্রী, মিশেল সিঙ্গার রেইনার (৬৮), তাদের মরদেহ শুরুর সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি বাসভবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার এই ঘটনা ঘটে। মার্কিন সংবাদ সংস্থা এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তে তাদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, রব রেইনার ও তার স্ত্রীর শরীরেও ছুরির আঘাতের দাগ ছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক প্রমাণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডাকাতি ও হত্যার তদন্ত বিভাগ এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছে। পুলিশ ক্যাপ্টেন মাইক ব্ল্যান্ড বলেছেন, এটি একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবেই তদন্ত চলছে। এদিকে, সংবাদমাধ্যমগুলো রিপোর্ট করছে যে, রেইনারের বাড়িতে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস শোক প্রকাশ করে বলেছেন, এই ঘটনা শহরের জন্য খুবই দুঃখজনক—a tragedy that leaves an unfillable void in our community। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’, ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ এবং ‘এ ফিউ গুড মেন’ সহ নানা সিনেমায় অভিনয় ও পরিচালনা করেছেন। ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহ হয় তার। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে। তাদের পরিচয় অনেক জনপ্রিয় সিনেমায় রয়েছে এবং তারা ছিল অভিনয় ও নির্মাণের একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই tragic ঘটনা চলচ্চিত্র মহলে শোকের ছায়া ফেলেছে এবং সার্বিকভাবে শিল্প জগতে গভীর কষ্টের ঘটনাটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • মেসির সঙ্গে ছবি পোস্টে কটুক্তি: অভিযুক্ত শুভশ্রীর স্বামী রাজের প্রতিবাদ

    মেসির সঙ্গে ছবি পোস্টে কটুক্তি: অভিযুক্ত শুভশ্রীর স্বামী রাজের প্রতিবাদ

    কলাকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি শেয়ার করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণ্য মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ কটূক্তির শিকার হচ্ছেন টালিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সন্দেহে বেশ কিছু দিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। এই প্রসঙ্গে নির্যাতিতার স্বামী ও নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    তিত্তগড় থানায় রাজ চক্রবর্তী বলেছেন, একজন নারীকে যেভাবে অপমান ও হেয় করা হয়েছে, তা স্বাভাবিকভাবেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় কিছু দুর্বৃত্তের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে কারা জড়িত, তা তিনি এখনো বিস্তারিত বলতে চান না, কারণ এতে তদন্তে সমস্যা হতে পারে।

    এটি কেবল একটি আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং ১৩ ডিসেম্বরের ঘটনা থেকে সৃষ্টি হওয়া দীর্ঘ ও বিশাল সামাজিক বিতর্কের ফলাফল বলেও মনে করছেন অনেকে। ওই দিন কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম বিতর্কিত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রয়ে গেছে। হাজার হাজার দর্শকের স্বপ্নভঙ্গ হয়, যারা মাসের পর মাস অপেক্ষা করে টিকিট কাটেও মেসিকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ পাননি। মাঠে বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের মধ্যে ফুটবল তারকাদের দ্রুত মাঠ থেকে ছুটি নেয়া চলে। ওই দিন প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত গ্রেপ্তার হলেও, ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে advocaat শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম আসে।

    সেদিন শুভশ্রী যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, তিনি একজন চলচ্চিত্রশিল্পীর দায়িত্বে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পর থেকেই শোনা যায় তীব্র সমালোচনা, ট্রোল ও বিদ্বেষমূলক কটূক্তি। দর্শকদের মাঝে যারা টাকা দিয়েও মাঠে গিয়ে মেসিকে দেখার সুযোগ পায়নি, তাদের এই ক্ষোভের কারণখানা জানা গেলেও, কেন একজন অভিনেত্রীকেই এই ট্রোলের লক্ষ্য করে তোলা হচ্ছে, সেটাই প্রশ্ন ওঠে।

    এমন পরিস্থিতিতে রাজ চক্রবর্তী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট লেখেন, যেখানে তিনি শুধু একজন স্বামীর নয়, একজন নাগরিক হিসেবেও প্রতিবাদ জানাতে চান। তিনি লেখেন, যুবভারতীর অরাজকতা, অশোভনতা ও ফুটবলপ্রেমী বাঙালির প্রতি অসম্মান, অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরণের গাফিলতি ও অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিতে আঘাত লাগায় বলে মনে করেন তিনি।

    রাজ এই পোস্টে শুভশ্রীর প্রসঙ্গও আনেন। তিনি বলেন, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরেও, তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সেই উপস্থিতির জন্য অন্যের ক্ষোভের শিকার হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তিনি প্রশ্ন করেন, কি একজন অভিনেত্রী মেসির ভক্ত হতে পারেন না?

    রাজ আরও একবার বলেন, একজন মানুষের পরিচয় শুধু পেশায় সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একজন মা, বোন, স্ত্রী, অভিনেত্রী এবং ভক্ত— এ সব পরিচয়ের বাইরে তিনি একজন মানুষ।

    তিনি সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সেদিন মাঠে উপস্থিত সাংবাদিকরাও থাকলেও, কেন সহজ লক্ষ্য হিসেবে শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রীকেই ট্রোলের কেন্দ্রবিন্দু বানানো হলো, সেই প্রশ্নও তুলেছেন।

    রাজের মতে, এই ধরনের ট্রোলিং শুধু বর্তমানের অপমান নয়, ভবিষ্যতের জন্যও বিপজ্জনক বার্তা বহন করে। প্রতিবাদ ও অবজ্ঞার মধ্যে ফারাক বোঝার গুরুত্ব তিনি জোর দিয়ে বলেন।