Author: bangladiganta

  • মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানি গোয়েন্দা প্রধান শাহাদাৎপ্রাপ্ত

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানি গোয়েন্দা প্রধান শাহাদাৎপ্রাপ্ত

    যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি শহীদ হয়েছেন। এ খবরটি সোমবার (৬ এপ্রিল) আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, মেজর জেনারেল খাদেমি ভোরের দিকে চলমান এক সেনা অভিযানে মার্কিন-ইহুদিবাদী শত্রুর এক সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, তার দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতক ধরে তিনি নিজের জীবনের অর্ধেক সময় দেশের বিপ্লব, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ইসলামী মাতৃভূমির নিরাপত্তায় নিবেদিত ছিলেন। তার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে অবদান অগণন এবং এটি দেশের স্বার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। আইআরজিসি আরও জানায়, মজিদ খাদেমির এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর পথপ্রদর্শক হিসেবে থাকবে। বিশেষ করে, বিদেশি শত্রুদের কৌশলগত দিক থেকে মোকাবিলা, তাদের অনুপ্রবেশ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তার নির্দেশনা ও কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    এই মারাত্মਕ হামলার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও আধা সামরিক কর্মকর্তা সহ বহু সাধারণ নাগরিক ও civilians-কে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে ব্যাপক আকারে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযান চলাকালে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে এক মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়।

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা হামলায় মার্কিন ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত চালিয়েছে, যা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

  • যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে এক কর্মরত বিচারকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলাটি করেন শহরের কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল আলম। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জনপ্রিয় আদালত বিভাগের একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যার নাম রাশেদুর রহমান, তাঁকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে। বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এখন আদেশের অপেক্ষা করছে। পরিবেশটি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনি প্রতিনিধি এড. দেবাশীষ দাস।

    এদিকে, মামলার বিষয়ে আদালত ছাড়ার সময় পুলিশ বাদী শরিফুল আলমকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, তিনি আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটক করা হয়। যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, আইনবহির্হিত বেশ কিছু আদেশ দেওয়ার, আইনজীবীদের সঙ্গে দুর্ব্যাবহার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগে গত ৪ মার্চ যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে ওই আদালত বন্ধ থাকায়, আইনজীবীরা অনুপস্থিত থাকতেন। সেই সময়ে বাদী শরিফুল আলমের একটি মামলার বিচার চলছিল। ৩০ মার্চ, যখন আইনজীবীরা কর্মবিরতিতে ছিলেন, তিনি সরাসরি আদালতে উপস্থিত হয়ে সময়ের আবেদন করেন।

    অভিযোগে জানানো হয়, বিচারক রাশেদুর রহমান বাদীর আবেদন নামঞ্জুর করে একতরফাভাবে তাঁর বক্তব্য নেন এবং আইনবহির্ভূতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেই দিন ধার্য করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একই সঙ্গে বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়িত্ব পালন না করে দুর্নীতি বিরোধী আইনের লঙ্ঘন করেছেন। বাদী এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দাখিল করলেও কোনও বাস্তব ফল না পাওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

    শরিফুল আলম মেসার্স এস আলম নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যবসার অর্থ সংগ্রহ সংক্রান্ত ঋণের বিষয়ে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, যশোর শাখা তাঁর বিরুদ্ধে চেক ডাইজঅনারের মামলা করে। এই মামলাটি এখন বিচারাধীন। সম্প্রতি, এই মামলায় রায়ে বাদীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়। শরিফুল আলম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পুলিশ তার অবস্থানে থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়।

    আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর বলেন, ‘ভুক্তভোগী শরিফুল আলম ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। আদালত সেই মামলাটি বিচারাধীন রেখেছেন; আমরা আশাবাদী, যদি বিচারক এই মামলার আবেদন গ্রহণ করেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে যশোরের সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। যেখানে আদালতকে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তবে, ভুক্তভোগী এই মামলা করার পরই দলীয় বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় তিনি আদালত থেকে আটক হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।’

    অন্যদিকে, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ‘আমার এ বিষয়ে এখনো কোনও জানানো হয়নি। আমি খোঁজ নিচ্ছি।’

  • খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান 사건ের বিবরণ তুলে ধরেন। জানা যায়, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতা-পত্নীর সঙ্গে রিকশায় করে কোর্ট এলাকা যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, জেলা পরিষদের সামনে পাকা রাস্তার উপরির পথে পিছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের পিছু নিয়ে দ্রুত গতিতে এসে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুর ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নামে এসআই দেবব্রত বিশ্বাস, যিনি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করেন। পরে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে, খুলনা সদর থানার আওতাধীন করোনেশন স্কুলের পেছনে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতার বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে এক নীল রঙের টয়োটা গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

  • দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী সোমবার দুপুর ১২টায় তার কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও ভরণপোষণ করেন। এই আয়োজনে নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খুলনা জেলা দীর্ঘদিন থেকে অবহেলা ও দুর্বলতার শিকার। তারা আশাবাদী যে, আপনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই বঞ্চনাগুলোর অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

    এসময় জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে খুলনার নয়টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব। বিশেষ করে, দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোতে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে আমি সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার রূপে কাজ করব।

    উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের নেতৃত্বে এই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নিজামউর রহমান লালু, সহ-সভাপতি মিনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম-মহাসচিব সরদার রবিউল ইসলাম রবি, অর্থসম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, মহিলা সম্পাদিকা প্রফেসর সেলিনা বুলবুল, শিক্ষা সম্পাদক বিশ্বাস জাফর আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, মোর্শেদের মতো বিভিন্ন বিশিষ্ট সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এই বক্তৃতায় তারা করোনাকালীন সময়ে জেলার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আমরা খুলনা মহানগরে কর্মসূচি শুরু করেছি। দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্রতি শনিবার এলাকাভিত্তিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

    গতকাল সোমবার সকালেঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এই অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে।

    তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এখানকার মানুষ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নানা জেলা থেকে আসেন। তাই হাসপাতালের পরিবেশ দায়িত্বশীলভাবে রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হামের প্রাদুর্ভাব কম থাকলেও রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকতে ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল ও কলেজের আশেপাশের খালি জমিতে গাছ লাগানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

    খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো্ল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আমানুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডাঃ মোঃ আকরামুজ্জামান।

    পরবর্তীতে, নগরীর দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট, পাখির মোড়, মাছের ঘাট খাল ও সাড়াডাঙ্গা এলাকেঃ সরবেষ্ট ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন ২৭ এপ্রিল

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন ২৭ এপ্রিল

    আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফর হবে যশোর জেলায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর, যা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের প্রথম পদক্ষেপ। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খনিজ সম্পদ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির মিডিয়া সেল থেকে। সোমবার রাতে তিনি his ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে এ খবর দেন। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সুসংবাদ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। (সম্ভাব্য তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং)।’ সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খননের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সফরে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে অন্যতম হল যাবতীয় খনন কাজ যশোরের শার্শা উপজেলার উলাসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন। উল্লেখ্য, ৫০ বছর আগে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে এই খালের খনন কাজের शुरुआत করেছিলেন, যা এখন ‘উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প’ বা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এই খাল ভরাট হয়ে পড়েছিল, তবে পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র ও পানি প্রশাসনে নতুন প্রাণ ফিরে আসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল, রুপার দামও হ্রাস

    স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল, রুপার দামও হ্রাস

    দেশের বাজারে টানা চার দফা মূল্যবৃদ্ধির পর স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকায়। নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের মতে, এই দাম কমানো হয়েছে দেশের স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমানোর ফলে। এর ফলে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা, যা আগের তুলনায় কম। এর পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও হ্রাস পেয়েছে। যেমন, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন মূল্য ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    এর আগে, ১ এপ্রিল বাজুস স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করে ২২ ক্যারেটের ভরি দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা বেঁধেছিল, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল। তখন ভরি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, ফলে দাম বেড়ে গিয়েছিল। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা।

    এটি হল এই বছর স্বর্ণের মূল্যের প্রথম পরিবর্তন নয়; এ বছর বেশ কয়েক দফায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে, মোট ৫২ বার। এর মধ্যে দাম ৩০ বার বেড়েছে, আর কমেছে ২২ বার। ২০২৩ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

    অন্যদিকে, মূল্য কমানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামেও হ্রাস ঘটেছে। এবার ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের রুপার মূল্য ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায়।

  • অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা

    অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মোট গড় আয় বর্তমানে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। এই ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি, সরকার আগামী এক দশকে দেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর একটি বিশাল লক্ষ্য মেনে নিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটিকে অর্থনৈতিক মহাশক্তিতে রূপান্তর করার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামের সভাপতিত্বে এ অধিবেশনে আলোচনা হয়।

  • সংসদে প্রকাশ শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান, এর মধ্যে ১০টি এস আলমের

    সংসদে প্রকাশ শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান, এর মধ্যে ১০টি এস আলমের

    ২০২৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানই এস আলম গ্র“পের মালিকানাধীন। সোমবার সংসদে ওই তালিকা উত্থাপন হলেও ঋণের মোট পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। শীর্ষ খেলাপিদের তালিকায় তিনটি প্রতিষ্ঠান সিকদার গ্র“পের, সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্র“পের দু’টি এবং বিএনপি’র সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের মালিকানাধীন সিটিসেলও রয়েছে। অর্থমন্ত্রী ব্যক্ত করেছেন যে, বর্তমানে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এমপিদের থাকা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। তবে আদালতের নির্দেশনায় ৩৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা এখনো খেলাপি হিসেবে গণ্য হয়নি। সংসদে বিএনপি’র হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান এবং শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নামও প্রকাশ করেন। এর মধ্যে প্রথম চারটিসহ মোট পাঁচটি এস আলমের। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম ভেজিট্যাবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস, সোনালী ট্রেডার্স, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইস্পাত, এস আলম ট্রেডিং, ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস, ও মুরাদ এন্টারপ্রাইজ। অন্যদিকে, তালিকায় রয়েছে সালমান এফ রহমানের দুটি প্রতিষ্ঠান এবং সিকদার গ্র“পের তিনটি প্রতিষ্ঠান। বেক্সিমকো’র দুইটি হলো বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি ও বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস। সিকদার গ্র“পের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো হলো পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরাণীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট, জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট, ও সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি। এছাড়া মধ্যমে রয়েছে কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম (সিটিসেল), কর্ণফুলি ফুডস, ও রংধনু বিল্ডার্স। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংকগুলোর সঙ্গে ত্রৈমাসিক আলোচনা, শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঋণ রেকভারি জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন, ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, আইনগত পদক্ষেপ, লিগ্যাল টিমের সশক্তিকরণ, এবং_target অনুযায়ী খেলাপি ঋণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ। এছাড়া, ঋণ ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে বিভিন্ন নীতিমালা হালনাগাদ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশে এখনো মোট ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সমস্যা নিবৃত্ত করতে কাজ চলছে।

  • জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী

    জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী

    চলমান অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধির হার আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির বৃদ্ধি হার ছিল ৩.০৩ শতাংশ, যা এর আগে জুন-সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে গত অর্থবছরের একই সময় ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এ তিনের মধ্যে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি এই প্রান্তিকে হওয়ায় অর্থনৈতিক অগ্রগতি কিছুটা ধীর হয়ে গেছে।

    বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণে দেশের জ্বালানির সংকট আরও গভীর হচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার ফলে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতো দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। একইসঙ্গে দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নতুন সরকার অর্থনৈতিক সংকটের কারণে উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগে ব্যাহত হচ্ছে, যা পুরো অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রান্তিকে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে শিল্প খাতে, যেখানে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১.২৭ শতাংশ। অন্যদিকে, কৃষি খাতে ৩.৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪.৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৮২ শতাংশ, যা এখন অনেক কমে গেছে। কৃষি ও সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে উন্নতি হলেও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরে ধীর হয়ে পড়ে।

    অর্থনীতির মূল ভিত্তি শিল্প খাতে বেশি হলেও, এই খাতের প্রবৃদ্ধির কমতির কারণে মোট জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশয় দেখা দিয়েছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ছিল ২.০৫ শতাংশ, যা প্রথম প্রান্তিকে বেড়ে ৪.৯৬ শতাংশে পৌঁছেছিল, কিন্তু পরে আবার কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জলবায়ু পরিবেশের কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ফিরতি ধাক্কা খাচ্ছে, যা সামগ্রিক হলেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি সতর্ক সংকেত।